Tuesday, May 26, 2026
spot_img
Home Blog Page 8

ভূমিকম্প: ৯ করণীয়

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

ঠিক কখন ভূমিকম্প হবে, সেটি হয়তো আগে থাকে জানা যায় না। তবে যেসব এলাকায় ভূমিকম্প বেশি হতে পারে সেগুলোকে শুরুতেই নির্ণয় করা সম্ভব। তাই আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন বা সতর্ক হওয়াটা জরুরি।

ভূমিম্পের সময়, আগে ও পরে করণীয় কিছু বিষয়ের কথা জানিয়েছে আমেরিকান রেডক্রস ডটওআরজি, ম্যাস ডটগভ ও ট্র্যাভেলস ডটকম। চলুন জানি-

  •  ভূমিকম্পের সময় ‘ড্রপ, কভার অ্যান্ড হোল্ড অন’ পদ্ধতি অনুসরণ করতে পারেন। এই পদ্ধতি অনুসারে ভূমিকম্প শুরু হলে মেঝেতে বা মাটিতে বসে পড়ুন। এরপর কোনো টেবিল বা ডেস্কের নিচে ঢুকে যান। এটি আপনার মাথাকে কভার করতে বা সুরক্ষিত রাখতে সাহায্য করবে। হাত দিয়ে মাথা ও ঘাড় ঢেকে নিন। এমন টেবিল বা ডেস্কের নিচে যান, যেটা মুভ বা নড়াচড়া করানো যাবে।
  •  কম্পন শুরু হলে অস্থির হবেন না। শান্ত হয়ে পরিস্থিতি মোকাবেলা করুন। কারণ, এই সময়ে ভুল সীদ্ধান্ত আপনার তো বটেই অন্যদেরও ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
  •  খোলা জায়গায় আশ্রয় নিতে পারেন। ঘর থেকে বের হওয়ার সময় বৈদ্যুতিক সুইচ, পানি ও গ্যাস লাইন বন্ধ করুন।
  •  ঘরের মধ্যে যেসব জিনিস শুরুতেই কম্পনের কারণে নড়ে উঠতে পারে সেগুলো থেকে নিরাপদ দূরত্বে থাকুন বা সেগুলোকে এমন জায়গায় স্থানান্তর করুন, যেন ভূমিকম্প হলেও আপনি কিছুটা নিরাপদে থাকতে পারেন। যেমন: টেলিভিশন, ফ্রিজ, বুকসেল্ফ, কাচের তৈজসপত্র রাখার সেল্ফ, আলমারী ইত্যাদি।
  •  বাড়ির দলিল-পত্র, সার্টিফিকেট বা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র একটি নির্দিষ্ট জায়গায় বা ফাইলে রাখুন। এতে ভূমিকম্প হোক বা আগুন লাগা- যেকোনো দুর্ঘটনার সময় সঙ্গে নিয়ে বাইরে বের হতে পারবেন। কারণ, দুর্যােগ পরবর্তী সময়ে এগুলো সঙ্গে থাকলে ভরসা লাগবে। পাশাপাশি এসব কপি আগে থেকে একটি জিমেইল একাউন্ট খুলে ইন্টারনেটেও সংরক্ষণ করতে পারেন।
  •  লিফটের বদলে সিঁড়ি ব্যবহার করুন।
  •  একটি ব্যাগ সবসময় আগে থেকেই তৈরি করে রাখুন। এখানে প্রয়োজনীয় ওষুধ-পত্র, বিস্কিটের প্যাকেট ও মুড়ির প্যাকেট, পানির বোতল, টর্চ, টাকা ইত্যাদি রাখতে পারেন। যেকোনো দুর্যোগের সময় এটি আপনার কাজে দেবে।
  •  ঘর থেকে শক্ত, অতিরিক্ত ভারী ও ধাঁরালো জিনিসপত্র আগে থেকেই সরিয়ে রাখুন। যেমন: লোহার কোনো জিনিস, বড় বটি, চাকু ইত্যাদি।
  •  ভবনে কোনো ফাটল বা ত্রুটি থাকলে সাধারণ মিস্ত্রী দিয়ে নিজে নিজে ঠিক করতে যাবেন না। যারা এসব বিষয়ে অভিজ্ঞ এমন বিশেষজ্ঞ ইঞ্জিনিয়ারের পরামর্শ নিন।

চুলের জন্য ভালো কোন তেল?

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

সৌন্দর্যবোধের চর্চায় চুল সব সময়ই একটি গুরুত্বপূর্ণ আসনজুড়ে ছিল। সাহিত্যেও ঠাঁই নিয়েছে দীঘল, ঘন-কালো চুলের মাদকতা। দেহের এই অঙ্গ মুখের সৌন্দর্যকে অনন্য মাত্রায় পৌঁছে দেয়। আর স্বাস্থ্যোজ্জ্বল ও সুন্দর চুল প্রায় সবারই পছন্দ।

তবে চুলকে সুন্দর রাখতে এর যত্ন নিতে হয় ষোলোআনা। দেহের এই অঙ্গের যত্নে বহুকাল আগে থেকে ব্যবহার হয়ে আসছে তেল। কিছু তেল রয়েছে, যেগুলো চুলকে সুস্থ রাখতে বেশ কার্যকর। চুলের জন্য উপকারী এমন কিছুর কথা চলুন জানি–

কোকোনাট অয়েল বা নারকেল তেল

  • চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে নারকেল তেল অন্যতম। এটি চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। এই তেল প্রোটিনের ক্ষয় কমাতে পারে। এতে চুল মজবুত হয় এবং কম পড়ে।
  • এটিতে থাকা ফ্যাটি এসিড চুলের ময়েশ্চার বা আর্দ্রতা ধরে রাখে।
  • নারকেল তেলের মধ্যে থাকা অ্যান্টিফাঙ্গাল ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান খুশকির সঙ্গে লড়াই করে এবং স্ক্যাল্পের বিভিন্ন সংক্রমণ কমায়।
  • তেল দিয়ে ম্যাসাজ করলে স্ক্যাল্পে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে। এতে ফলিকল ভালোভাবে তৈরিতে সহযোগিতা হয়। এটি চুলের জন্য জরুরি। এই তেল কিউটকলকে নরম রাখে।
  • তাপ, দূষণ ও পরিবেশগত বিভিন্ন কারণে চুল ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। নারকেল তেল ব্যবহার করলে এসব ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

ক্যাস্টর অয়েল বা রেড়ির তেল

  • ক্যাস্টর অয়েলকে রেড়ি গাছের তেল বা ভেন্নার তেলও বলা হয়। এই তেলে রয়েছে উচ্চ পরিমাণ ফ্যাটি এসিড ও পুষ্টি। এটি শুষ্ক চুলকে বেশ ভালোভাবে আর্দ্র ও কোমল করে।
  • এটি চুল পড়া ও আগা ফাটা প্রতিরোধে উপকারী।
  • ক্যাস্টর অয়েলে রয়েছে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ও অ্যান্টিইনফ্ল্যামেটরি উপাদান। এসব উপাদান একত্রে খুশকির সঙ্গে লড়াই করে, চুলকে নরম রাখে এবং স্ক্যাল্পের প্রদাহ কমায়।
  • এটি স্ক্যাল্পের পিএইচের ভারসাম্য বজায় রাখে। কেমিক্যালের কারণে হওয়া ক্ষতি থেকে চুলকে পুনরুদ্ধার করে।
  • এই তেলের নিয়মিত ব্যবহারে চুল হয় স্বাস্থ্যোজ্জ্বল ও ঝলমলে। এটি দেহের এই অঙ্গটিকে ঘন ও মজবুত করতে কার্যকর। এই তেল চুলের জট বা কুঞ্চিত ভাব কমায়।

 

ছবি: উজ্জ্বলা কেয়ার
ছবি: উজ্জ্বলা কেয়ার

অলিভ অয়েল বা জলপাইয়ের তেল

  •  চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে এই তেলও উপকারী। জলপাইয়ের তেলের মধ্যে থাকা অ্যান্টিইনফ্ল্যামেটরি উপাদান খুশকি থেকে চুলকে সুরক্ষা দেয়।
  • এর মধ্যে রয়েছে ভিটামিন ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এসব উপাদান খসখসে ভাব ও শুষ্কতা দূর করে এবং চুল নরম রাখে।
  • জলপাইয়ের তেল ব্যবহারে চুলে এক ধরনের সুরক্ষা দেয়াল তৈরি হয়। এতে তাপ ও পরিবেশগত ক্ষতি থেকে এই অঙ্গ রক্ষা পায়।
  • এই তেলও চুলের বাইরের কিউটিকলকে নরম করে। এতে চুল আরও ঝলমলে হয়।
  • এর মধ্যেও রয়েছে ফ্যাটি এসিড। এটি চুলকে আর্দ্র রাখতে বেশ উপকারী। এই তেল ব্যবহারে চুলের ভঙ্গুরতা প্রতিরোধ হয় এবং চুল পড়া কমে। এটি আগা ফেটে যাওয়া থেকে সুরক্ষা দেয়।

মেথির তেল

  •  মেথির তেলে রয়েছে প্রোটিন ও আয়রন। এগুলো চুলের বৃদ্ধির জন্য ভালো।
  • এর মধ্যে থাকা অ্যান্টিফাঙ্গাল ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান ছত্রাকের সঙ্গে লড়াই করে। এতে খুশকি কমে।
  • এই তেল ব্যবহারে চুলের ফলিকল মজবুত হয়। এতে চুল পড়া কমে। পাশাপাশি সাদা হওয়া প্রতিরোধ হয়।
  • শুষ্কতা ও চুলকানি দূর করে এই তেল স্ক্যাল্পের স্বাস্থ্যও ভালো রাখে।
  • এটি আর্দ্রতা রক্ষা ও কন্ডিশনের কাজ একত্রে করে। এতে চুল কোমল ও ঝলমলে হয়।

 

ছবি: উজ্জ্বলা কেয়ার
ছবি: উজ্জ্বলা কেয়ার

আমন্ড অয়েল বা কাঠবাদামের তেল

  • কাঠবাদামের তেল চুলকে আর্দ্র করতে দারুণভাবে কাজ করে। চুলকে নরম ও মসৃণ করতে শ্যাম্পু করার আগে এই তেল ব্যবহার করত পারেন।
  • এই তেলের মধ্যে রয়েছে বায়োটিন (ভিটামিন ‘বি৭’), ভিটামিন ই ও ম্যাগনেসিয়াম। এগুলো চুলকে শক্ত করে, ফলিকল পুনরুদ্ধার করে এবং চুলের বৃদ্ধিতে সহযোগিতা করে।
  • নিয়মিত এই তেলের ব্যবহারে কিউটিকল মসৃণ হয় এবং শুষ্কতা দূর হয়। এটি চুলের ভেঙে যাওয়া প্রতিরোধ করে; চুল ঝরঝরে হয়।
  • কাঠবাদামের তেলে থাকা অ্যান্টিইনফ্ল্যামেটরি উপাদান স্ক্যাল্পের শুষ্কতা ও চুলকানি ভাব কমায়।
  • এটি ক্ষতিগ্রস্ত চুল পুনর্গঠনে সাহায্য করে; গোড়া থেকে মজবুত করে। এটি সান ড্যামেজ বা সূর্যের আলোর কারণে হওয়া ক্ষতি থেকে চুলকে সুরক্ষা দেয়।

অ্যালোভেরার তেল

  • অ্যালোভেরার মধ্যে রয়েছে উচ্চ পরিমাণ ভিটামিন, মিনারেলস ও অ্যামাইনো এসিড। এসব উপাদান চুলের ফলিকলের যত্ন নেয় এবং ভঙ্গুরতা কমায়; চুল পড়া প্রতিরোধ হয়।
  • এই তেলের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিইনফ্ল্যামেটরি উপাদান ও স্যালিসাইলিক এসিড। এগুলো প্রদাহ কমায় এবং চুলকানি প্রতিরোধ করে।
  • এই তেল মাথার স্ক্যাল্প থেকে মৃত কোষ দূর করে, খসখসে ভাব কমায় এবং খুশকি প্রতিরোধ করে।
  • এটি স্ক্যাল্পের পিএইচের ভারসাম্য রক্ষা করে। এতে চুলের বৃদ্ধি ভালোভাবে হয়।
  • অ্যালোভেরার মধ্যে থাকা এনজাইম চুলকে আলতোভাবে পরিষ্কার করে। এই তেল ব্যবহারে মস্তিষ্কের রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায়। এতে বৃদ্ধি ভালো হয়।

আমলা অয়েল বা আমলকীর তেল

  • আমলার তেলে থাকা পুষ্টিগুণ চুলকে গোড়া থেকে শক্ত করে, পড়া কমায়। এই তেল ব্যবহারে চুল ঘন হয়।
  • এর মধ্যেও রয়েছে অ্যান্টিইনফ্ল্যামেটরি ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান। এগুলো সংক্রমণ প্রতিরোধ করে। মৃতকোষ কমায় এবং খুশকি দূর করতে কার্যকর।
  • আমলকীর তেল প্রাকৃতিক কন্ডিশনার হিসেবে খুব ভালো। এটি মলিনতা কমিয়ে চুলকে স্বাস্থ্যােজ্জ্বল রাখে।
  • এটিতে থাকা উচ্চ পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন ‘সি’ অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের সঙ্গে লড়াই করে এবং মেলানিন তৈরিতে সহায়তা করে। এতে চুল দেরিতে পাকে।
  • পাশাপাশি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাব থেকে চুলকে সুরক্ষা দেয়।
ছবি: উজ্জ্বলা কেয়ার
ছবি: উজ্জ্বলা কেয়ার

এখানে আলোচনা করা প্রত্যকটি তেলের রয়েছে নিজস্ব গুণ। এগুলো আলাদা করে ব্যবহার করা এবং জোগাড় করা একটু কষ্টসাধ্যই বটে। তবে এই ঝামেলাপূর্ণ বিষয়টি সহজ করে দিয়েছে বিউটি কেয়ার প্রোডাক্ট তৈরিকারী প্রতিষ্ঠান ‘উজ্জ্বলা কেয়ার’। উপরে উল্লেখিত এই সাতটি তেলের প্রতিটির সমন্বয়ে তৈরি করা হয়েছে ‘উজ্জ্বলা কেয়ার অ্যান্টি হেয়ারফল হারবাল হেয়ার অয়েল’।

এই তেলটি ক্লিক্যালই পরীক্ষিত। এটি চুলকে ঘন, কালো ও মজবুত করতে সাহায্য করে। মাত্র চার সপ্তাহ ব্যবহারে চুল পড়া অনেকটাই কমে যায়। এ ছাড়া চুলের মলিনতা ও ভঙ্গুরতা প্রতিরোধেও সুরক্ষা দেয়াল হিসেবে কাজ করে এই তেল। তাই, চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে, চুল পড়া কমাতে এবং সব তেলের গুণাগুণ একত্রে পেতে আপনিও ব্যবহার করতে পারেন উজ্জ্বলা কেয়ারের এই পন্যটি।

সুখী দাম্পত্যে না বলা তিন নিয়ম

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

প্রত্যেক সুখী দাম্পত্যই একটি ছন্দে চলে। সাধারণত সেই ছন্দে কোনো নাটকীয়তা বা হুলুস্থূল থাকে না। সেটি হয় নিরব, তবে নিশ্চিত। বাইরে থেকে এটি দেখতে উদ্যমহীন মনে হতে পারে। তবে এর ভেতরে রয়েছে ভিন্ন এক জাদু।

সুখী দম্পতিরা হয়তো মুখে একে অপরকে এসব বলে না, তবে ঠিকই পালন করে, এমন কিছু বিষয়ের কথা জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।

দয়া
সুখী দম্পতিরাও লড়াই করে, হতাশ হয়, কখনো কখনো নিরব হয়ে যায়। তবে তাদের মধ্যে যেই বিষয়টি খুব দৃঢ়ভাবে থাকে তা হলো, পরস্পরের প্রতি দয়া। এই দয়ালুভাব তাদের মন-মেজাজের ওপর নির্ভর করে না। বরাং এটি তারা নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত করে। আসলে যেকোনো সম্পর্কেই মানুষ হিসেবেও একে অপরের প্রতি দয়া বা করুণাটা প্রয়োজন।

একইসঙ্গে তর্কে না জড়ানো
সাধারণত সুখী দম্পতিরা একই সঙ্গে তর্কে জড়ায় না। কেউ তর্ক করলে তার কথা শোনার চেষ্টা করে। এর মানে এই নয় যে নিজের অনুভূতিগুলো সে চেপে যাচ্ছে বা কথা বলছে না। এর মানে হচ্ছে, সে কিছুটা অপেক্ষা করছে অনুভূতিগুলো সঠিক সময়ে বলার জন্য। পাশাপাশি অপরপ্রান্তের মানুষটিকে তার মনের কথাগুলোও প্রকাশের সুযোগ করে দিচ্ছে।

নিরব প্রতিশ্রুতি
‘আমি তোমার সঙ্গে আছি’ বা ‘তোমার বিপদে পাশে রয়েছি’- এসব কথা খুব উচ্চস্বরে বলার প্রয়োজন পড়ে না সুখী দম্পতিদের। তারা একে অপরের পাশে এমনিতেই সহযোগী শক্তি হিসেবে রয়ে যায়। তারা পরস্পরের জন্য যন্ত্রণার কারণ হয়ে দাঁড়ায় না।

ভ্রমণে যাবেন কেন?

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্প ‘হৈমন্তী’ নিশ্চয়ই পড়া রয়েছে অনেকের। এই গল্পের প্রধান চরিত্র হৈমন্তী মানসিক চাপের কারণে অসুস্থ পড়লে চিকিৎসক তার পরিবারকে পরামর্শ দিয়েছিলো হাওয়া বদল করাতে। এই হাওয়া বদলটাই ভ্রমণ।

ভ্রমণ মানসিক স্বাস্থ্য ও জীবনকে নতুনভাবে বোঝার জন্য খুব জরুরি। বেড়াতে যাওয়ার কিছু উপাকারী দিকের কথা জানিয়েছে ভ্রমণ ও প্রাণীবিষয়ক ওয়েবসাইট ভিজিটওনাগোরিলা ডটকম।

  •  ভ্রমণে গেলে বিভিন্ন ধরনের মানুষ, ভিন্ন সংস্কৃতি, জীবনযাত্রা, ভাষা, দৃষ্টিভঙ্গী সম্পর্কে জানা যায়। এটি মানুষকে সহজ ও উদার হতে সাহায্য করে। নিজেকে ও অপরকে জানা-বোঝার পরিধি বাড়ে।
  • ভ্রমণ কখনো কখনো মানুষকে তার কমফোর্ট জোন বা আরামের জায়গা থেকে বের করে নিয়ে আসে। নতুনভাবে সব দেখতে ও ভাবতে শেখায়। এতে সমস্যা সমাধান দক্ষতা, স্বাধীনতা ও সহনশীলতা তৈরি হয়; ব্যক্তিগত বিকাশ ঘটে।
মডেল: সাংবাদিক ও লেখক ফারাহ জাবিন শাম্মী
মডেল: সাংবাদিক ও লেখক ফারাহ জাবিন শাম্মী
  • বর্তমান সময়ে মানসিক চাপ খুব প্রচলিত সমস্যা। ভ্রমণ মানসিক চাপকে কমাতে কাজ করে; নিজেকে ফিরে পাওয়া যায়। দৈনন্দিন জীবনের ধারাবাহিক যন্ত্রণা থেকে কিছুটা মুক্তি মেলে।
  • সাধারণত বন্ধু বা পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে ভ্রমণ করলে বন্ধন মজবুত হয়। নিজেদের মধ্যে গুণগত সময় কাটাবার কারণে যোগাযোগ বাড়ে এবং একে অপরকে গভীরভাবে বুঝতে পারার সুযোগ বাড়ে। এগুলো সম্পর্ক দৃঢ় করতে জরুরি।
  • প্রকৃতির রয়েছে নিজস্ব নিরাময় ক্ষমতা। এটি অনেক সময় কোনো মানুষ বা সঙ্গী পূরণ করতে পারে না। সমুদ্রের তীরে গিয়ে খালি পায়ে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলে বা পাহাড়ে ট্র্যাকিং করলে প্রকৃতির সঙ্গে যেমন গভীর সংযোগ তৈরি হয়, তেমনি নিজেকেও নতুনভাবে আবিষ্কার করা যায়।

দাঁত নড়ে যাওয়া প্রতিরোধে করণীয়

ডা. মো. আসাফুজ্জোহা রাজ

ধারক কলাতে প্রদাহ, হরমোনের প্রভাব, হাড় ক্ষয় রোগ, আঘাত লাগা, ভুল চিকিৎসা, জটিল রোগের উপসর্গ হিসেবে ইত্যাদি বিভিন্ন কারণে দাঁত নড়ে যেতে পারে।

কারণ যাই হোক, নড়ে যাওয়া কারো কাম্য নয়। প্রকৃত পরিচর্যার মাধ্যমে আজীবন দাঁতকে সুস্থ ও মজবুত রাখা সম্ভব। কিছু বিষয় মেনে চললে দাঁত অনেকটাই সুস্থ থাকবে এবং নড়ে যাওয়া প্রতিরোধে হবে।

  • সকালে নাশতার পর এবং রাতের খাবার খাওয়ার শেষে দুই মিনিট ধরে প্রতিটি দাঁতের পাঁচটি পৃষ্ঠকে পরিষ্কার করতে হবে।
  • টুথপিক বা কাঠির পরিবর্তে ডেন্টাল ফ্লস ব্যবহার করুন।
  • চিনির তৈরি মিষ্টি জাতীয় খাবার কম খান।
  • খাদ্যতালিকায় মৌসুমী তাজা শাক-সবজি, ফলমূল, দুধ, টক দই, ছোট মাছ, সামুদ্রিক মাছ সহ ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ‘সি’যুক্ত খাবার রাখুন।
  • কোন উপসর্গ না হলেও বছরে কমপক্ষে একবার দাঁতের চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
  • মুখ শুষ্ক বা অন্যান্য রোগ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শে মাউথওয়াশ ব্যবহার করুন।
  • মাড়ি ফোলা বা রক্ত পড়া অনুভূত হলেই দেরি করার সুযোগ নেই। চিকিৎসকের তত্বাবধানে স্কেলিং এর মাধ্যমে নিরাপদভাবে দাঁতের পৃষ্ঠে জমে থাকা ব্যাকটেরিয়াল প্ল্যাক বা ক্যালকুলাস দূর করুন। অবহেলা করলে অনেক সময় রুট প্ল্যানিং, গ্রাফটিং, কামড় শুদ্ধ করণ, বাইট প্লেট, স্প্লিনটিংয়ের মতো চিকিৎসার প্রয়োজন পড়ে।
  • দাঁত হারালে কৃত্রিম সংযোজন অতি জরুরি। না হলে অন্য দাঁতও নড়ে যেতে পারে।

লেখক: চিকিৎসক;
রাজ ডেন্টাল সেন্টার, কলাবাগান
রাজ ডেন্টাল ওয়ার্ল্ড, পান্থপথ;
ফোন: ০১৯১১ ৩৮৭২৯১

প্রেমিকার যে চার অভ্যাস পুরুষের অপছন্দ

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার অন্যতম মূলমন্ত্র সম্মান ও শ্রদ্ধা। নারী বা পুরুষ যেই হোক না কেন, এটি তার বেসিক নিড বা প্রয়োজনীয় মানসিক চাহিদা।

সম্পর্কের ক্ষেত্রে সঙ্গীর কিছু অভ্যাস অপর প্রান্তের মানুষটিকে আহত করতে পারে বা বিরক্ত করে তুলতে পারে। আজ রইল, প্রেমিকা বা নারী সঙ্গীর ক্ষেত্রে পুরুষ কী অপছন্দ করে, সেই বিষয়ে আলোচনা। নারীদের কী অপছন্দ সে নিয়েও আলোচনা হবে, তবে আরেকদিন।

চলুন জানি, নারী সঙ্গীর কোন অভ্যাস পুরুষের অপছন্দ-

সারাক্ষণ তাকে বদলাতে চাওয়া
প্রেমিকের ছোট ছোট ভুলকে শুধরে দেওয়াই যায়। তবে সেটি সারাক্ষণ করা হলে এবং আপাদমস্তক মানুষটিকেই বদলে দিতে চাইলে, তা সাধারণত পছন্দ করে না পুরুষ। এটি তাকে একসময় বিরক্ত করে তোলে। বেশি নিয়ন্ত্রণ বা অধিকারবোধের বাড়াবাড়ি কোনো সম্পর্ককেই সুস্থ থাকতে দেয় না।

পছন্দের জায়গাকে না বোঝা
আপনার প্রেমিক হয়তো ক্রিকেট খেলতে বা সিনেমা দেখতে বা বেড়াতে ভালোবাসে। তবে আপনার সেগুলো পছন্দ নয়। আর এই জন্য সারাক্ষণ খোঁচা দিতে থাকেন তাকে। মান-অভিমান করে গাল ফুলিয়ে রাখেন। এতে কিন্তু বন্ধন কখনোই মজবুত হবে না। শুরুর দিকে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে প্রেমিক সেগুলো মেনে নিলেও পরে বিরক্ত হবে। কারণ, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে নারী হোক বা পুরুষ, মানুষ চায় সঙ্গী এমন হবে, যে তার পছন্দকে সম্মান করবে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সম্পর্কের সমস্যা নিয়ে বলা
ঝগড়া, মনোমালিন্য সব সম্পর্কেই হয়। তবে সেগুলো অন্যের কাছে বলে বেড়ানো বা চুন থেকে পান খসলেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সেগুলো নিয়ে কথা বলা ইত্যাদি সাধারণত পছন্দ নয় পুরুষের। এই ধরনের প্রেমিকা ও সম্পর্ক থেকে দূরে থাকতে চায় তারা।

পুরুষের মন খারাপের সময় কথা বলে যাওয়া
মানুষের কখনো কখনো ‘মি টাইম’ বা নিজস্ব সময়ের প্রয়োজন পড়ে। বিশেষ করে ভীষণ চাপের অবস্থাগুলোতে। এটি তাকে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে বা পরিষ্কারভাবে ভাবতে সাহায্য করে। তবে প্রেমিকা এই অবস্থাটিকে না বুঝলে এবং সারাক্ষণ কথা বলতে থাকলে, পুরুষের সেটি ভালো লাগে না। খাস বাংলায় বললে, যে নারী বেশি কথা বলে বা বকবক করে এবং অবস্থা বুঝে কথা বলে না, তাকে সাধারণত পছন্দ নয় পুরুষের।

- Advertisement -
সাতকাহন
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.