Tuesday, May 26, 2026
spot_img
Home Blog Page 139

সহজ উপায়ে জর্দা তৈরির রেসিপি

ফিচার ডেস্ক
বিয়েবাড়ি কিংবা বিশেষ দাওয়াতে গেলে খাওয়ার শেষ পাতে যে খাবারটি দেওয়া হয়, সেটি হলো জর্দা। আবার অনেকে একে ‘জর্দা পোলাও’ও বলে থাকেন। ‘জর্দা পোলাও’ ফারসি ভাষায় ‘জারদ’ শব্দ থেকে উদ্ভূত বলে জানা যায়। যার আক্ষরিক অর্থ হলুদ এবং এই খাবারটির রংও কমলা-হলুদ বর্ণের। কথিত রয়েছে, মোগলরা এই বিশেষ খাবারকে ভারতীয় উপমহাদেশে নিয়ে এসেছিল। প্রকৃতপক্ষে আইন-ই-আকবরি, অর্থাৎ সম্্রাট আকবরের জীবনীতেও ‘জারদ বিরঞ্জ’ সম্পর্কে উল্লেখ রয়েছে, যা আসলে জর্দা পোলাওয়ের প্রথম দিকের সংস্করণ। আজকে আপনাদের জন্য রইল সবচেয়ে সহজ উপায়ে জর্দা তৈরির রেসিপি।

উপকরণ :
# ১ কাপ পোলাওয়ের চাল
# ২ কাপ পানি
# ১ দশমিক ৫ টেবিল চামচ ঘি
# ১টি বড় তেজপাতা
# ৪টি এলাচ
# ২টি দারুচিনি
# ৪টি লবঙ্গ
# ১ টেবিল চামচ কিশমিশ
# ১ টেবিল চামচ কাজুবাদাম কুচি
# ১ টেবিল চামচ পেস্তাবাদাম কুচি
# ৩ টেবিল চামচ চিনি (মিষ্টি বেশি খেলে বেশি দিতে পারেন)
# ১/২ চা চামচ জর্দার রং
# ২ টেবিল চামচ গুঁড়া দুধ
# ১/৪ চা চামচ কেওড়াজল/ গোলাপজল

প্রস্তুত প্রণালি :
প্রথমে একটি পাত্রে এক টেবিল চামচ ঘি দিয়ে গরম করুন। এর মধ্যে তেজপাতা, লবঙ্গ, এলাচি, দারুচিনি দিয়ে হালকা ভেজে নিন। এরপর ধুয়ে রাখা পোলাওয়ের চাল এর মধ্যে দিয়ে ভালোমতো ভেজে নিন। এবার দুই কাপ পানিতে জর্দার রং মিশিয়ে ভাজা চালের মধ্য দিয়ে ঢাকনাসহ মিডিয়াম আঁচে বসিয়ে দিন।
চাল প্রায় সেদ্ধ হয়ে এলে এ পর্যায়ে চিনি মিশিয়ে ঢেকে দিয়ে তাওয়ার ওপর দমে বসিয়ে দিন। চাল পুরো সেদ্ধ হয়ে গেলে এতে গুঁড়া দুধ মিশিয়ে দিন এবং সেইসঙ্গে কেওড়াজল। অন্য একটি ফ্রাইপেনে বা কড়াইয়ে আধা টেবিল চামচ ঘি দিয়ে তার মধ্যে কিশমিশ, কাজুবাদাম ও পেস্তাবাদাম ভেজে নিয়ে জর্দার ওপর ছড়িয়ে দিন। এরপর আপনার পছন্দসই বাটিতে পরিবেশন করুন। আকর্ষণীয় করতে এর মধ্যে আপনি দোকান থেকে কিনে আনা ছোট ছোট মিষ্টি দিয়েও পরিবেশন করতে পারেন।
আজই বাসায় রান্না করে সবাইকে দুপুর কিংবা রাতের খাবারের পর পরিবেশন করুন সবচেয়ে সহজ উপায়ে তৈরি সুস্বাদু এই জর্দার রেসিপি।
সৌজন্যে : ফামি’স কিচেন

গর্ভাবস্থায় রসুন কতটা নিরাপদ?

-অনন্যা চৈতী
সৃষ্টির শুরু থেকে রান্নার অন্যতম মসলা হিসেবে রসুনের ভূমিকা অনস্বীকার্য। প্রাচীন মিসরে রান্না ও চিকিৎসার অন্যতম উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হতো এই রসুন।
এটি সাধারণত সর্দি-জ্বর প্রতিরোধে করতে এবং অবরুদ্ধ ধমনিগুলো পরিষ্কার করে হৃদরোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে বলেই আমরা জানি। শুধু ঠাণ্ডাজনিত সমস্যায় নয়, বর্তমানে গর্ভাবস্থায়ও রসুন অনেক উপকারী ভূমিকা পালন করে বলে জানা গেছে। ভারতীয় ওয়েবসাইট টাইমস অব ইন্ডিয়া প্রকাশ করেছে এ-সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন।

গর্ভাবস্থায় রসুন খাওয়ার উপকারিতা
গর্ভাবস্থা একজন নারীর জীবনের বিশেষ একটি মুহূর্ত। নারীর ভেতরে বড় হচ্ছে একটি নতুন জীবন। তাই এ সময় বাড়তি সাবধানতা জরুরি।
# রসুন একটি প্রাকৃতিক অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান। এটি শরীরে পুষ্টি, ভিটামিন ও খনিজ সরবরাহ করে। এটি শরীরে রক্তপ্রবাহকে স্বাভাবিক করে তোলে এবং হরমোনের কার্যকারিতায় ভারসাম্য রক্ষা করে। রসুন রোগ প্রতিরোধক হিসেবেও বিভিন্ন জীবাণু ও ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করে থাকে।
# গর্ভাবস্থায় অনেকেরই উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা দেখা দেয়। এ ক্ষেত্রে রসুন খুব উপকারী ভূমিকা পালন করে থাকে।
# গর্ভাবস্থায় রসুন খাওয়ার কারণে হজমশক্তি বাড়ে এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর হয়। পাশাপাশি পরিপাকতন্ত্রের নানা জটিলতাও দূর হয়।
# সাধারণ সময় তো বটেই, গর্ভাবস্থায়ও অনেকের মুখে ব্রণ দেখা যায়। মুখের ব্রণের দাগ দূর করতে রসুন ম্যাজিকের মতো কাজ করে।
# গর্ভাকালীন অনেকেরই ক্ষুধামান্দ্য ভাব দেখা দেয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রসুন খেলে পরিত্রাণ মিলবে এই সমস্যা থেকে।
# চুল ঝরে পড়ছে, এমন অভিযোগ পাওয়া যাবে প্রায় সব নারীর কাছ থেকেই। আর গর্ভকালীন এটি তো অন্যতম একটি সমস্যা। আমরা সবাই চুলের জন্য পেঁয়াজের বিস্ময়কর উপকারী গুণ সম্পর্কে জানি। তবে এর ভাই রসুনও তার চেয়ে কোনো অংশে কম নয়। চুল পড়া রোধ করতে রসুনের রস মাথার স্ক্যাল্পে ব্যবহার করা যায়। আবার রসুনের রস মিশ্রিত নারিকেল তেল গরম করে চুলে দিলেও চুল পড়া কমবে।

গর্ভাবস্থায় রসুন খেলে কী ঘটে?
রসুন একটি প্রাকৃতিক প্রতিষেধক। সে ক্ষেত্রে গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাস রসুন খাওয়া নিরাপদ। তবে শেষের তিন মাস খাবারের তালিকায় রসুন অন্তর্ভুক্ত করার সময় অবশ্যই সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। কারণ, এই সময়ে অতিরিক্ত রসুন খাওয়া রক্তচাপের স্তরকে কমিয়ে দিতে পারে এবং রক্তকে পাতলা করতে পারে। এ ছাড়া রসুন খাওয়ার কারণে বমির সমস্যা বেড়ে যেতে পারে। যাদের অ্যালার্জির সমস্যা রয়েছে, তাদের রসুন খাওয়া থেকে বিরত থাকাই শ্রেয়। সুতরাং, শেষের এই তিন মাস রসুন গ্রহণ সম্পর্কে একজন গর্ভবতী নারী তার ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করে নিতে পারেন।

লকডাউনে শিশু অস্থির? গঠনমূলকভাবে সময় কাটানোর উপায়

-অনন্যা চৈতী

দেশজুড়ে চলছে করোনা আতঙ্ক। বন্ধ রয়েছে স্কুল-কলেজ, এমনকি স্থগিত হয়ে রয়েছে এইচএসসি পরীক্ষাও। লকডাউন চলছে প্রায় অনেক এলাকাতেই। এ পরিস্থিতিতে ঘরের বাইরে যেতে পারছে না শিশুরা। এতে তাদের ঘরের ভেতরে সুস্থ রাখাটা এখন মা-বাবার কাছে বড় চ্যালেঞ্জ ।

লকডাউনে শিশু কীভাবে গঠনমূলক পদ্ধতিতে সময় কাটাবে এবং এ ক্ষেত্রে মা-বাবার ভূমিকা কী হতে পারে, সে বিষয়ে কথা হয় বাংলাদেশ মনোবিজ্ঞান সংগঠনের আজীবন সদস্য ও সাইকোলজিস্ট ফারজানা ফাতেমা রুমির সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘লকডাউনের কারণে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছে শিশুরা। যেসব শিশু প্রতিদিন স্কুলে যেত, বাইরে খেলতে যেত, তারা এখন ঘরবন্দি। যেতে পারছে না পাশের বাড়ির বন্ধুর সঙ্গে খেলতেও। এ সবকিছুই তার ছোট্ট মনে প্রভাব ফেলে। এ ছাড়া ঘরে বসেই চলছে অনলাইন ক্লাস এবং মা-বাবার হোম অফিস। সব মিলিয়ে মা-বাবার জীবনেও শুরু হয়েছে নতুন এক অধ্যায়।’

লকডাউনে শিশুর অস্থিরতা কমাতে এবং গঠনমূলকভাবে সময় কাটাতে মা-বাবার ভূমিকা সম্পর্কে সাইকোলজিস্ট রুমির পরামর্শগুলো হলো :


# মা-বাবা হিসেবে সবার আগে অবশ্যই করোনাভাইরাস সম্পর্কে সঠিক তথ্য দিতে হবে সন্তানকে। এর ভয়াবহতা এবং কেন আমরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঘরে আছি, সে সম্পর্কে জানাতে হবে। যারা অসুস্থ এবং যারা আমাদের যতœ নিচ্ছে, এমন ব্যক্তি ও পেশার মানুষের গল্পগুলো বলুন। শিশুকে তাদের প্রতি সহানুভূতিশীল হতে শেখাতে হবে।

#সব বন্ধ হওয়ার কারণে প্রতিদিনের নিয়মিত রুটিন এলোমেলো হলে শিশুর বায়োলজিক্যাল ক্লকে ব্যাঘাত ঘটতে পারে। তাই সারা দিনের কাজের তালিকা লিখে দেয়ালে লাগিয়ে দিলে শিশু নিজেই বিষয়টি বুঝতে পারবে এবং মেনে চলতে পারবে।
# করোনার সময়ে শিশুদের জন্য সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ হলো, তারা বাড়িতে মা-বাবা ও বয়োজ্যেষ্ঠদের দীর্ঘ সময় কাছে পাচ্ছে। বড়দের কাছ থেকে পারিবারিক, সামাজিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধ সম্পর্কে জানার সুযোগ হচ্ছে। এটি শিশুর ভাষা, আবেগীয় ও সামাজিক মনোবিকাশ লাভে সহায়ক। তবে আপনার সন্তানের বয়স এবং বোঝার ক্ষমতা সম্পর্কে ভেবে তার সঙ্গে সে অনুযায়ী কথা বলতে হবে।
# শিশুকে নির্দ্বিধায় কথা বলা এবং প্রশ্ন করার অনুমতি দিন। সব সময় তাদের প্রশ্নের সত্যি ও সঠিক উত্তর দিন।
# করোনা সম্পর্কে আপনার শিশু ভীত বা বিভ্রান্ত হতে পারে। সে কেমন অনুভব করছে, তা বোঝার জন্য তাকে সময় দিন এবং আপনি তার সঙ্গেই আছেন, এটা তাকে নিশ্চিত করুন।

# ছোট শিশুটির সঙ্গে মজা করে বাটি ও চামচ দিয়ে টুং-টাং শব্দ করে গানের তালে নাচ করা, ছড়া বলা, গল্পের বই পড়া, ছবির বই দেখানো ইত্যাদি করতে পারেন। সে নিজে পড়তে পারলে বলুন, ‘আজকে আমরা কোন গল্পটা শুনব?’ তাকে নিয়ে বাচ্চাদের জন্য তৈরি মুভিও দেখতে পারেন।
# নতুন কিছু শেখার সুযোগ করে দিতে পারেন। ক্রেয়ন বা পেনসিল দিয়ে ছবি আঁকা, রঙিন কাগজ দিয়ে ক্রাফটিং, অরিগামি, কাঠের ব্লক দিয়ে বাড়ি বানানো, পাজেল মেলানো, লুডু, শব্দ জব্দ খেলা, দাবা খেলা এভাবেও তার সঙ্গে সময় কাটাতে পারেন।
# শিশুকে এ সময় ঘরের টুকটাক কাজে সহযোগিতা করতে বলতে পারেন। এতে তার ভেতর দায়িত্ববোধ বাড়বে। যেমন-ঘর পরিষ্কার করা, গাছে পানি দেওয়া, তার বই-খাতা গুছিয়ে রাখা ইত্যাদি।
# কিশোর-কিশোরীদের পছন্দের বিষয় যেমন, খেলাধুলা, গান, সেলিব্রেটি, বন্ধু ইত্যাদি নিয়ে কথা বলতে পারেন। একসঙ্গে পছন্দসই খাবার রান্না, তাদের প্রিয় গান, নাচ একসঙ্গে অনুশীলন করতে পারেন।
# শিশুটি কথা সম্পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে শুনুন। এবং করোনাকালীন এ সংকটেও সব ভুলে তাদের সঙ্গে আনন্দে মেতে ওঠার চেষ্টা করুন।

করোনাকালে সুস্থ থাকুন ৭ উপায়ে

– শাশ্বতী মাথিন

বর্তমানে বিশ্বব্যাপী আতঙ্কের নাম করোনাভাইরাস। করোনাভাইরাস যে এক অজানা, অদৃশ্য শত্রু, এটি তো আর বলার অপেক্ষা রাখে না।
এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে বাঁচতে হলে চাই স্বাস্থ্যজ্ঞান। বাড়ানো চাই শরীরের নিজস্ব রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা; প্রতিদিনের জীবনযাপন হওয়া চাই বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে। করোনাকালে সুস্থ থাকতে কিছু পরামর্শ জানিয়েছেন গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক মেডিকেল কলেজ, সাভার-এর সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. শাকিল মাহমুদ। তিনি বলেন, ‘করোনাকালে সুস্থ থাকতে সচেতনতা জরুরি। আসলে আতঙ্কিত হওয়া কখনো কখনো উপকারী। আতঙ্কিত হয়ে হাত ধোয়া, সামাজিক দূরত্ব, স্বাস্থ্য সচেতনতা বেড়ে গেলে কিন্তু ভালো। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, কোভিড-১৯-এর এখন পর্যন্ত কোনো চিকিৎসা নেই। তাই একমাত্র পথ হলো স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা। ’
ডা. মো. শাকিল মাহমুদের পরামর্শগুলো হলো :

১. প্রতিদিনের জীবনযাপনে সাবান-পানি দিয়ে হাত ধোয়ার অভ্যাস করতে হবে। রোজ কয়েকবার অন্তত ২০ সেকেন্ড ধরে হাত ধুতে হবে। সব সময় ব্যাগে বা পকেটে সাবান বা হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখবেন। প্রয়োজনমতো এটি ব্যবহার করতে হবে। আপনি যেখানেই যান না কেন, এই বস্তুটিকে জীবনের একটি অংশ বানিয়ে নিতে হবে।

২. এ মুহূর্তে আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো মাস্ক। যেহেতু এই ভাইরাসটি হাঁচি-কাশির মাধ্যমে ছড়ায়, তাই মাস্ক আপনাকে এ থেকে রক্ষা করবে। ইতালির একদল গবেষক জানিয়েছেন, বাতাসে এই ভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া গিয়েছে। তাই মাস্ককে অবশ্যই আপনার সঙ্গী করা জরুরি।

৩. হ্যান্ড গ্লাভসকেও বানাতে হবে জীবনের অংশ। কেন? ব্যক্তিগত বা পেশাগত কাজে ঘরের বাইরে বের হয় প্রায় সবাই। নিজের অজান্তে বিভিন্ন জীবাণুযুক্ত জিনিস স্পর্শ করা হয়ে যায়। বিশেষ করে পাবলিক পরিবহনের হ্যান্ডেল, বাসের সিট, রিকশার হুড ও সিট, অফিসের চেয়ার-টেবিল, ল্যাপটপ, মোবাইল, কম্পিউটার, বাজারের ব্যাগ যত্রতত্র স্পর্শ করতে হয়। তাই নিরাপদ থাকতে প্রতিদিনের জীবনযাপনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে হ্যান্ড গ্লাভস ব্যবহার করুন। বাইরের যে জিনিসই স্পর্শ করা হোক না কেন, হ্যান্ড গ্লাভস পরে স্পর্শ করবেন।

৪. এ সময় কেনাকাটা, বাইরে খাওয়া, বেড়াতে যাওয়া ইত্যাদি অভ্যাসের পরিবর্তন আনতে হবে। কেনাকাটা করতে গেলে স্বাস্থ্যবিধি মেনে, গ্লাভস ও মাস্ক পরে, ব্যক্তিগতভাবে সুরক্ষিত হয়ে বাজার যান। কম সময়ের ভেতর বাজার সেরে ফেলতে পারলে ভালো। এ ক্ষেত্রে কী কিনবেন, তার লিস্ট আগে থেকে তৈরি করে রাখতে পারেন।

৫. শরীরচর্চার বিষয়টিতেও খেয়াল রাখা প্রয়োজন। যেহেতু করোনার সময় জিমে যাওয়া যাচ্ছে না, অথবা বাইরে বের হয়ে ব্যায়াম করা যাচ্ছে না, তাই অনেকেই ওজন বেড়ে যাওয়ার সমস্যায় পড়ছেন। আর ওজন বেড়ে যাওয়াই মানে হলো বিভিন্ন রোগব্যাধি আমন্ত্রণ জানানো। তাই শরীরচর্চার বিষয়টি অবহেলা না করাই ভালো।

৬. দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন আনতে হবে এই ক্রান্তিকালে। যে খাবারই খান না কেন, পুষ্টির বিষয়টিতে খেয়াল করুন। এমন খাবার বেছে নিন, যেগুলো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করবে। ভিটামি-সি সমৃদ্ধ খাবার, যেমন লেবু, কমলা, আমলকী, পেয়ারা ইত্যাদি খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন। খাদ্যের গুণগত মান ও পুষ্টিগুণ যেন ঠিক থাকে, এভাবে রান্না ও পরিবেশন করতে হবে। এই সময় বাইরের খাবার এড়িয়ে চলাই ভালো।

৭. শরীরের পাশাপাশি মনেরও যতœ নেওয়া জরুরি। যেহেতু বেশির ভাগই লকডাউনে সময় কাটাচ্ছেন, এতে মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি হচ্ছে। মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার ওপর প্রভাব ফেলে। সময়টাকে গঠনমূলকভাবে কাজে লাগানোর জন্য মেডিটেশন, যোগব্যায়াম, যার যার ধর্ম অনুসারে প্রার্থনা, বই পড়া ইত্যাদি করতে পারেন। শিখতে পারেন নতুন কিছুও; হোক সেটা ইংলিশ স্পোকেন কোর্স, রান্না বা বাগান করা।

২৪ ঘণ্টায় করোনায় নতুন শনাক্ত ১৩৫৬, মৃত্যু ৩০ জনের

গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ৩৫৬ জনের করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। মারা গেছেন ৩০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২৫ জন ও নারী ৫ জন। আজ সোমবার করোনার সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়।এ নিয়ে দেশে ২ লাখ ৪২ হাজার ১০২ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। করোনায় সংক্রমিত হয়ে মোট মারা গেছেন ৩ হাজার ১৮৪ জন। আজকের ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ ১ হাজার ৬৬ জন। সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত সুস্থ ১ লাখ ৩৭ হাজার ৯০৫ জন। গতকাল রোববার ২৪ ঘণ্টায় ৮৮৬ জনের করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। মারা যান ২২ জন। ব্রিফিংয়ের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় আগের নমুনাসহ ৪ হাজার ২৪৯টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ৪ হাজার ২৩৮টি। এ পর্যন্ত পরীক্ষা হয়েছে ১১ লাখ ৯৩ হাজার ৫৪৪টি নমুনা। দেশে ৮২টি ল্যাবে (পরীক্ষাগার) করোনা পরীক্ষা হচ্ছে। ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনায় সংক্রমিত ব্যক্তি শনাক্তের ঘোষণা আসে। ১৮ মার্চ প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। করোনার ঝুঁকি এড়াতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা ও স্বাস্থ্যবিধি মানতে সবাইকে অনুরোধ করেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা। অনলাইন ব্রিফিংয়ে নাসিমা সুলতানা বলেন, ‘করোনা থেকে সুস্থ থাকতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন। লক্ষণ বা উপসর্গ থাকলে নমুনা পরীক্ষা করান।

করোনায় সংক্রমিত হয়ে মোট মারা গেছেন ৩ হাজার ১৮৪ জন। আজকের ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ ১ হাজার ৬৬ জন। সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত সুস্থ ১ লাখ ৩৭ হাজার ৯০৫ জন। গতকাল রোববার ২৪ ঘণ্টায় ৮৮৬ জনের করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। মারা যান ২২ জন। ব্রিফিংয়ের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় আগের নমুনাসহ ৪ হাজার ২৪৯টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ৪ হাজার ২৩৮টি। এ পর্যন্ত পরীক্ষা হয়েছে ১১ লাখ ৯৩ হাজার ৫৪৪টি নমুনা। দেশে ৮২টি ল্যাবে (পরীক্ষাগার) করোনা পরীক্ষা হচ্ছে। ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনায় সংক্রমিত ব্যক্তি শনাক্তের ঘোষণা আসে। ১৮ মার্চ প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। করোনার ঝুঁকি এড়াতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা ও স্বাস্থ্যবিধি মানতে সবাইকে অনুরোধ করেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা। অনলাইন ব্রিফিংয়ে নাসিমা সুলতানা বলেন, ‘করোনা থেকে সুস্থ থাকতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন। লক্ষণ বা উপসর্গ থাকলে নমুনা পরীক্ষা করান।

আজ সোমবার করোনার সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়।এ নিয়ে দেশে ২ লাখ ৪২ হাজার ১০২ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। করোনায় সংক্রমিত হয়ে মোট মারা গেছেন ৩ হাজার ১৮৪ জন। আজকের ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ ১ হাজার ৬৬ জন। সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত সুস্থ ১ লাখ ৩৭ হাজার ৯০৫ জন। গতকাল রোববার ২৪ ঘণ্টায় ৮৮৬ জনের করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। মারা যান ২২ জন। ব্রিফিংয়ের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় আগের নমুনাসহ ৪ হাজার ২৪৯টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ৪ হাজার ২৩৮টি। এ পর্যন্ত পরীক্ষা হয়েছে ১১ লাখ ৯৩ হাজার ৫৪৪টি নমুনা। দেশে ৮২টি ল্যাবে (পরীক্ষাগার) করোনা পরীক্ষা হচ্ছে। ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনায় সংক্রমিত ব্যক্তি শনাক্তের ঘোষণা আসে। ১৮ মার্চ প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। করোনার ঝুঁকি এড়াতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা ও স্বাস্থ্যবিধি মানতে সবাইকে অনুরোধ করেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা। অনলাইন ব্রিফিংয়ে নাসিমা সুলতানা বলেন, ‘করোনা থেকে সুস্থ থাকতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন। লক্ষণ বা উপসর্গ থাকলে নমুনা পরীক্ষা করান।

- Advertisement -
সাতকাহন
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.