Sunday, April 14, 2024
spot_img
Home Blog

গরমে উৎসব, হালকা সাজেই আরাম

0
মডেল : রূপ বিশেষজ্ঞ শারমিন কচি। ছবি : সংগৃহীত
মডেল : রূপ বিশেষজ্ঞ শারমিন কচি। ছবি : সংগৃহীত

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

রমজানের ঈদ ও পহেলা বৈশাখ এবার কাছাকাছি সময়ে। আর এই দুটো উৎসবই এবার পড়ছে গরমের ভেতর। উৎসবে নতুন সাজ-পোশাক হবে এটাই তো স্বাভাবিক। তবে যেহেতু গরম-বৃষ্টির একটি বিষয় রয়েছে আবহাওয়াতে, তাই হালকা সাজেই আরাম মিলবে।

‘হালকা সাজে যেমন আপনাকে স্নিগ্ধ দেখাবে, তেমনি নিজের ও অন্যের চোখকেও আরাম দেবে’, বলছিলেন বিন্দিয়া এক্সক্লুসিভ বিউটি কেয়ারের কর্ণধার রূপবিশেষজ্ঞ শারমিন কচি।

দিনের সাজ

গরমে-উৎসবে হালকা সাজের বিষয়ে রূপবিশেষজ্ঞ শারমিন কচি বলেন, ঈদ বা পহেলা বৈশাখের দিনেরবেলা হালকা সাজের ক্ষেত্রে প্রথমে মুখে ময়েশ্চারাইজার লাগান। এবার পর পর প্রাইমার ও ফেসপাউডার মাখুন। মেকআপ সামান্য ভারি করতে চাইলে কমপ্যাক্ট বুলিয়ে নিন।’

এবার চোখ সাজানোর পালা। কিছু রং থাকে, যা প্রায় সব পোশাকের সঙ্গে মানিয়ে যায়। আর এই রঙগুলো ব্যবহার করলে খুব বেশি শ্যাড দেওয়ার প্রয়োজনও পরে না। যেমন : সোনালি, ব্রোঞ্জ, বাদামি, গোলাপি ইত্যাদি। পোশাকের সঙ্গে মিলবে বা কাছাকাছি যাবে, এটা মাথায় রেখে শ্যাডগুলো ব্যবহার করে নিন। এরপর আইলাইনার ব্যবহার করুন। কেউ চাইলে কাজলও পরতে পারেন। তবে যা-ই ব্যবহার করুন না কেন, মাশকারা দিতে হবে ঘন করে। এতে চোখ ফুটে উঠবে।

গালে ব্লাশনের ক্ষেত্রে হালকা বাদামি বা গোলাপি রং বেছে নিন, পরামর্শ দিয়ে রূপবিশেষজ্ঞ শারমিন কচি বলেন, ‘চিক বোন অবশ্যই হাইলাইট করতে হবে। লিপস্টিকের ক্ষেত্রে গাঢ় ও বাদামি রং মিলিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। প্যাস্টেল পিচ বা ক্যান্ডেল লাইট পিচও ভালো মানাবে। এতে সিগ্ধ লাগবে।’

 মডেল : রূপ বিশেষজ্ঞ শারমিন কচি। ছবি : সংগৃহীত
মডেল : রূপ বিশেষজ্ঞ শারমিন কচি। ছবি : সংগৃহীত

রাতের সাজ

ঈদে বা পহেলা বৈশাখের রাতের সাজে হালকার ওপর একটু গর্জিয়াস লুক আনতে পারেন। তবে যেহেতু গরম প্রচুর তাই হালকাভাবে সাজলেই আরাম পাবেন। এ ক্ষেত্রে বেস মেকআপে ময়েশ্চারাইজার ও ফাউন্ডেশন ব্যবহারের পর বিবি বা সিসি ক্রিম লাগান। একে ভালোভাবে সেট করতে লুজ পাওডার ব্যবহার করুন। এরপর কন্টুর করুন। চোখে ব্যবহার করুন ব্রোঞ্জ বা সোনালি রং। ব্লাশনের ক্ষেত্রে টিন্ট রং ব্যবহার করলে ভালো লাগবে- জানান রূপবিশেষজ্ঞ শারমিন কচি।

চুলের সাজ

টপস, কুর্তি, ওয়াস পিস পরলে চুল সামনে টুইস্ট করে পেছনে পনিটেইল করা যেতে পারে, পরামর্শ দিয়ে শারমিন কচি বলেন, ‘আবার পেছনের অংশে টুইস্ট ও হালকা বেণি করে ছেড়ে রাখা যায়। শাড়ি পরলে হাতখোঁপা মানাবে। সঙ্গে দিতে পারেন ফুল। শাড়ি পরলে টিপ মাস্ট। না হলে সাজটা অপূর্ণ লাগে।’

আসলে উৎসবে সাজের ক্ষেত্রে কোথায় যাচ্ছি, পোশাকটা কী রকম পরছি, কোন কাজগুলো করছি, এগুলো বেশ গুরুত্বপূর্ণ। সে অনুযায়ী সাজ-পোশাক হলেই আরাম পাবেন এবং উৎসবও আনন্দে কাটানো যাবে।

গরমে উৎসব, সুস্থ থাকতে জরুরি ৭ বিষয়

0
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

ঈদ- উল- ফিতর ও পহেলা বৈশাখ এবার কাছাকাছি সময়েই পড়েছে। আর উৎসবের এই সময়টায় সূর্যও তার রোদের প্রখরতা দেখাতে মোটেই কার্পণ্য করছে না। বাড়ছে গরম; আর গরমের কারণে হওয়া অস্বস্তি।

এই সময় সুস্থভাবে উৎসব পালনে কিছু বিষয়ে সতর্ক থাকা বেশ জরুরি। সুস্থভাবে উৎসব পালন করতে সতর্ক থাকতে হবে, এমন কিছু বিষয়ের কথা জানিয়েছেন গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের চিকিৎসক শাকিল মাহমুদ। তাঁর পরামর্শ অনুযায়ী-

১. উৎসবে সুস্থ থাকতে প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করুন। দিনে অন্তত ১০ থেকে ১২ গ্লাস পানি পান জরুরি। পাশাপাশি তরল জাতীয় খাবার খাদ্যতালিকায় রাখুন।

২. বাইরে বের হলে ছাতা ও পাখা সঙ্গে রাখুন।

৩. উৎসবে জমকালো পোশাক পরার একটি ট্রেন্ড দেখা যায়। তবে যেহেতু সময়টা গরম, তাই সুতি, মিক্সড সুতি ও ঢোলাঢালা পোশাক পরার চেষ্টা করাই ভালো। আর হালকা রঙের পোশাক বাছুন। এতে গরম কম লাগবে।

৪. উৎসব মানেই যেনো ভারি খাবারের সমারহ। তবে এমন যেনো না হয় যে সারামাস রোজা রাখার পর, ঈদের দিন একসঙ্গে অনেক খাবার খেয়ে ফেললেন। এতে হিতে বিপরীত হয়ে গিয়ে বদহজম, পাতলাপায়খানা, এসিডির মতো সমস্যা বাড়তে পারে।

৫. চেষ্টা করুন অতিরিক্ত ভারি খাবার এড়াতে। একবেলা ভারি খাবার খেলে অন্যবেলায় হালকা খাবার খেয়ে শরীর ফিট রাখুন।

৬. বাইরে বের হলে কিছুক্ষণ পর পর একটু থামুন, বিশ্রাম নিন। ছায়ায় দাড়ান, পানি পান করুন।

৭. পহেলা বৈশাখের দিন বাইরে বের হলে রাস্তার চটপটি, ফুচকা, শরবত ইত্যাদি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করুন। ঘরের তৈরি খাবার বাইরে নিয়ে যাওয়াই সবচেয়ে ভালো উপায়।

ঈদের রেসিপি : মালাই কেক

0
মালাই কেক। ছবি : সংগৃহীত
মালাই কেক। ছবি : সংগৃহীত

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

সচরাচর ঈদে মিষ্টিমুখ করা হয় সেমাই দিয়ে। তবে সেমাইয়ের পরিবর্তে এবার একটু ভিন্ন রেসিপি রান্না করে দেখতে পারেন। আর সেই ভিন্ন রেসিপিটি হলো মালাই কেক। গাইবান্ধার বাঙলা হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের স্বত্বাধিকারী সুজন প্রসাদ জানিয়েছেন এই রেসিপি।

মালাই কেক তৈরি করতে যা যা লাগবে

ডিম – ৩ টা
ময়দা – আধা কাপ
চিনি – ওয়ান ফোর্থ কাপ
বেকিং পাউডার- ১ চা চামচ
ভ্যানিলা এসেন্স – ওয়ান ফোর্থ চা চামচ
দুধ – ২ কাপ
কনডেন্স মিল্ক – ওয়ান ফোর্থ কাপ

যেভাবে তৈরি করবেন

প্রথমে ডিমের সাদা অংশ আলাদা করে নিতে হবে। তারপর বিটারের সাহায্যে বিট করে নিন। বিট করার সময় অল্প অল্প করে সবটুকু চিনি দিয়ে দিতে হবে। ফোমিভাব চলে আসলে ওয়ান ফোর্থ চামচ ভ্যানিলা এসেন্স দিয়ে দিন। এবারে কুসুমগুলো দিয়ে লো স্পিডে বিট করে নিতে হবে।

এই পর্যায়ে ময়দা ও বেকিং পাউডার একটি চালনিতে নিয়ে অল্প অল্প করে চেলে মিশিয়ে নিন। ভালোভাবে মেশানো হয়ে গেলেই মিশ্রণ তৈরি।

এবার স্টিল অথবা ওভেন প্রুফ বাটিতে তেল ব্রাশ করে নিন। ব্যাটারটা ভালোভাবে সমান করে পাত্রে ঢেলে দিন। ব্যাটারটা সমান করে বসিয়ে একটা টুথপিক দিয়ে আড়াআড়িভাবে নাড়ুন। এবার একটা পাত্রে পানি দিয়ে পুডিংয়ের মতো করে পানির ভাপে বসিয়ে দিতে হবে। ব্যাটার সেট করা পাত্রটা পনিতে বসানোর আগে একটা স্ট্যান্ড সেট করে নিন। এতে পাত্রটা নড়াচড়া করবে না। এবারে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে ২৫ থেকে ৩০ মিনিট জ্বাল করুন। খেয়াল রাখতে হবে পাত্রের পানি যেনো শুকিয়ে না যায়। আধঘণ্টাার মধ্যেই তৈরি হয়ে যাবে কেক।

এবারে মালাই তৈরির পালা। প্রথমে দুইকাপ দুধ কড়াইতে জ্বাল দিতে থাকুন। ফুটে ওঠলে ওয়ান ফোর্থ কাপ কনডেন্স মিল্ক দিয়ে দিন। নেড়ে চেড়ে মিশিয়ে নিন। কিছুক্ষণ জ্বাল করার পর মালাইটা ঘন হয়ে আসলে বুঝবেন মালাই তৈরি। এবার মালাই ঠান্ডা করে নিতে হবে।

আগে থেকে তৈরি করে রাখা কেক পুরোপুরি ঠান্ডা করে নিন। এবার একটা টুথপিক দিয়ে পুরো কেকটাতে ছোট ছোট ছিদ্র করে নিতে হবে। এই ছিদ্রের কারণেই মালাইগুলো কেকের ভেতর ভালোভাবে ঢুকে যাবে। এরপর মালাইটা কেকের ওপর ঢেলে দিতে হবে। তারপর ওপরে টপিং হিসেবে বাদাম ও কাজু, কিসমিস দিয়ে দিন। ২৫ থেকে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে কেকটা সেট হওয়ার জন্য। আধঘণ্টা পরে পরিবেশনের জন্য তৈরি হয়ে যাবে সুস্বাদু মালাই কেক।

অণুলিখন : অপরাজিতা অরু

ঈদের রেসিপি : খাসির মাংসের রেজালা

0
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

মাংসের নানা পদ উৎসবের খাবার টেবিলে থাকেই। সচারচর রান্নার বাইরে একটু ভিন্ন ধরনের কোনো আয়োজন থাকলে, উৎসব, আপ্যায়নের বিশেষত্বটা বেড়ে হয় দ্বিগুণ। তাই ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আজকের রেসিপিতে থাকছে খাসির মাংসের রেজালা। গাইবান্ধার রিসোর্ট এসকেএস ইন-এর শেফ মো. সোহেল আখন্দ জানিয়েছেন এই রেসিপি।

যা যা লাগবে

খাসির মাংস – ১ কেজি
মিষ্টি দই – ১ কাপ
সয়াবিন তেল – ১ কাপ
ঘি – ২ টেবিল চামচ
পেঁয়াজ বাটা – ১ টেবিল চামচ
টমেটো পিউরি – আধা কাপ
কাজু বাদাম পেস্ট – ২ টেবিল চামচ
আদা বাটা – ২ চা চামচ
রসুন বাটা – ১ চা চামচ
জিরা গুঁড়া – ১ চা চামচ
ধনিয়া গুঁড়া – ১ চা চামচ

মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ
হলুদ গুঁড়া – ১ চা চামচ
গরম মশলা গুঁড়া – ১ চা চামচ
কাঁচা মরিচ – ৫/৬ টি
পেঁয়াজ বেরেস্তা – ১ কাপ
তেজপাতা – ১ টি
মাওয়া – হাফ কাপ
কেওড়া জল – ১ চা চামচ
লবণ- স্বাদমত

যেভাবে রান্না করবেন

রেজালা রান্নার জন্য প্রয়োজনীয় টমেটো পিউরি খুব সহজে তৈরি করা যায়। দুটো টমেটো ছোট ছোট কিউব করে কেটে নিন। আধা কাপ পানিতে সিদ্ধ করুন বিশ মিনিট। সিদ্ধ হয়ে গেলে এবার ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিন। ব্যাস তৈরি টমেটো পিউরি।

এবারে মূল রান্না শুরু করার পালা।
রেজালার জন্য মাংসের টুকরোগুলো মাঝারি বা একটু বড় কেটে নিতে নিন। এবার ভিনেগার অথবা লবণপানিতে ঘণ্টাখানেক ভিজিয়ে রাখুন। এক ঘণ্টা পরে ভালো করে ধুয়ে নিন।

এবার পেঁয়াজ বেরেস্তা, কেওড়া জল, কাঁচামরিচ ও মাওয়া বাদে বাকি সব উপকরণ দিয়ে মাংসটাকে ভালো করে মেখে নিন। এবার দুই কাপ তেল ও দুই টেবিল চামচ ঘি যোগ করুন মাংসে। রেজালা রান্নাতে তেলের পরিমাণটা বেশি দিতে হবে।

এবার মাংস ও মসলার মিশ্রণটিকে ভালো করে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দুই থেকে তিন ঘণ্টা রেখে দিন মেরিনেট হওয়ার জন্য। এই রান্নার ক্ষেত্রে একটা জিনিস খেয়াল রাখতে হবে, যে হাড়িতে অথবা কড়াইয়ে মাংসটা রান্না হবে সেই হাড়িতেই মেরিনেট করতে হবে।

দুই থেকে তিন ঘণ্টা পর মাংসের হাড়িটা সরাসরি চুলায় বসিয়ে দিন। চুলার আঁচ থাকবে লো থেকে মিডিয়ামের মাঝামাঝি পর্যায়ে। মাংস পানি ছাড়তে শুরু করলে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন। মাঝে মাঝে ঢাকনা খুলে নেড়ে দিতে হবে।

এই রান্নায় আলাদা করে কোনো পানি ব্যবহারের দরকার নেই, মাংস থেকে পানি বের হয়ে মাংস সেদ্ধ হতে থাকবে। মাঝে মাঝে নেড়ে চেড়ে কষাতে হবে ত্রিশ মিনিট।

ত্রিশ মিনিট পরে কষানো শেষ হলে মাংসে দুই কাপ পরিমাণ তরল দুধ দিয়ে দিন। এবার ঢেকে রান্না করুন আরো তিন থেকে চার মিনিট। তিন চার মিনিট পর বেরেস্তা ও কাঁচামরিচ দিয়ে ভালোভাবে নেড়ে আরো মিনিট দুই মিনিট ঢেকে রান্না করুন।

দুই মিনিট পর ঢাকনা খুলে আঁচ একটু বাড়িয়ে নেড়ে নেড়ে মেশাতে থাকুন। মাংস ও মশলার রং সুন্দর চকচকে হয়ে এলে এক চা চামচ কেওড়া জল, ১ চা চামচ ঘি ও মাওয়া দিয়ে মিশিয়ে নামিয়ে ফেলুন।

সাদা পোলাও বা ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন।

অণুলিখন : অপরাজিতা অরু

ঈদের রেসিপি : চিকেন কোরমা

0
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

অপরাজিতা অরু

উৎসব হোক বা অতিথি আপ্যায়ন, খাবারের ম্যানুতে বাড়তি কোনো আয়োজন মুহূর্তটা করে তোলে বিশেষ। ঈদ-উল-ফিতরের উৎসবকে মাথায় রেখে সাতকাহনের পাঠকদের জন্য থাকছে চিকেন কোরমা রেসিপি। বাড়িতে কিভাবে চিকেন কোর্মা রান্না করবেন সেই পদ্ধতি জেনে নেওয়া যাক চলুন।

চিকেন কোরমা রান্না করতে যা যা লাগবে

মুরগির মাংস -১ কেজি
সয়াবিন তেল – হাফ কাপ
দারুচিনি – ২/৩ টুকরা
তেজপাতা – ২টি
এলাচ – ৮/১০ টি
লবঙ্গ – ৪ টি
গোলমরিচ – ১০/১২ টি
জয়ত্রি – ২ টি
আদা বাটা – ১ টেবিল চামচ
রসুন বাটা – ১ টেবিল চামচ
ধনে গুঁড়া – ১ টেবিল চামচ
জিরা গুঁড়া – ১ চা চামচ
লবণ – ২ চা চামচ
মরিচ গুঁড়া – ১ চা চামচ
টকদই – ১/২ কাপ
তরল দুধ – ২ কাপ

পেঁয়াজ কুচি- ২ কাপ (বেরেস্তার জন্য)
কাজু বাদাম – ৫০ গ্রাম ( সামান্য লালচে করে তেলে ভাজা)
কেওড়া জল – ১ টেবিল চামচ
ঘি- ৩ টেবিল চামচ
চিনি- আধা টেবিল চামচ
গরম মশলা গুঁড়া – আধা চা চামচ

যেভাবে রান্না করবেন

কড়াইয়ে হাফ কাপ সয়াবিন তেল দিয়ে দিন। গরম তেলে দারুচিনি, তেজপাতা, এলাচ, লবঙ্গ, গোলমরিচ, জয়ত্রি দিয়ে এক মিনিটের মতো ভেজে নিন। এবার এর মধ্যে দিয়ে দিন মুরগির মাংস। এবার মিডিয়াম থেকে হাই হিটে দশ মিনিটের মতো ভেজে নিতে হবে মাংসটা। দশ মিনিট পর মাংসে দিয়ে দিন আদা বাটা, রসুন বাটা। ভালোভাবে নেড়েচেড়ে রান্না করুন আরো দুই থেকে তিন মিনিট।

এবারে দিয়ে দিন ধনে, জিরা, মরিচগুলো ও লবণ। সবগুলো উপকরণ ভালোভাবে মেশানো হলে মাংসে যোগ করুন টকদই। টকদইয়ে সামান্য পানি মিশিয়ে ভালোভাবে ফেটিয়ে নিয়ে তারপর মাংসে ব্যবহার করতে হবে। এরপর মাংসে দিয়ে দিন দুইকাপ দুধ। ভালোভাবে নেড়েচেড়ে মিশিয়ে নিন। এবার ঢাকনা দিয়ে ঢেকে মৃদু আঁচে রান্না করুন ২৫ থেকে ৩০ মিনিট। মাঝে মাঝে ঢাকনা খুলে নেড়ে দিন।

এবার ভেজে রাখা পেঁয়াজ বেরেস্তা ও কাজু বাদাম পেস্ট করে নিতে হবে। বেরেস্তা ও কাজু বাদাম পেস্ট মাংসের মধ্যে দিয়ে ভালোভাবে নেড়ে মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি মাংসে দেওয়ার পর অনবরত নাড়তে থাকুন, নয়তো কড়াইয়ে লেগে যাবে। দুই থেকে তিন মিনিট নাড়ার পর মাংসে দিয়ে দিতে হবে আধা চা চামচ চিনি, এক টেবিল চামচ কেওড়া জল, তিন টেবিল চামচ ঘি ও আধা চা চামচ গরম মশলা গুঁড়া। শেষ বারের মত ভালোভাবে নেড়েচেড়ে লো আঁচে পাঁচ মিনিট দমে রান্না করুন।

এবার গরম গরম পরিবেশন করুন।

ঈদে ত্বকের যত্নে করণীয়

0

ঈদের রেসিপি : আফগানি কাবুলি পোলাও

0
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

অপরাজিতা অরু

উৎসব মানেই বিশেষ ধরনের রান্না, বিশেষ খাওয়া-দাওয়া। আর ঈদ মানেই খাবারের মেন্যুতে থাকবে পোলাও। এটি ছাড়া খাবার টেবিল যেনো খালি খালি লাগে। গতাণুগতিকের বাইরে নানা ধরনের ঐতিহ্যবাহী পোলাও রান্না হয় নানা দেশে বিভিন্ন উৎসবে। খাবারের বৈচিত্র্য আর ভিন্ন স্বাদ উৎসবকে করে তোলে আরো আনন্দের।

তাই সাতকাহনের পাঠকদের জন্য আজকের রেসিপিতে থাকছে আফগানি কাবুলি পোলাও।

আফগানি কাবুলি পোলাও রান্না করতে যা যা লাগবে

বাসমতি চাল – ৩ কাপ
গরুর মাংস – ১ কেজি (বড় টুকরো করে কাটা)
সয়াবিন তেল – ১ কাপ
আদা বাটা – আধা টেবিল চামচ
রসুন বাটা – আধা টেবিল চামচ
পেঁয়াজ কুচি- ২ কাপ
লবণ – ১ টেবিল চামচ
জিরা – ২ চামচ
সাদা এলাচ- ১২ টি
বড় এলাচ – ২ টি
সাদা গোলমরিচ- হাফ টেবিল চামচ
ঘি – ৫ টেবিল চামচ
গাজর – ২ টি (কুচি করে কাটা)
কিসমিস – আধা কাপ
চিনি – আধা টেবিল চামচ

যেভাবে রান্না করবেন

কাবুলি পোলাও রান্নার জন্য প্রথমে তৈরি করে নিতে হবে একটি বিশেষ মশলা। জিরা, সাদা এলাচ, বড় এলাচ ও সাদা গোলমরিচ একসঙ্গে গ্রাইন্ডারে গুঁড়া করে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে কাবুলি পোলাও রান্নার জন্য স্পেশাল মশলা।

এবারে মূল রান্না শুরু করার পালা। কড়াইতে পেঁয়াজকুচি ভেজে নিন। পেঁয়াজ হালকা লালচে হয়ে এলে এর মধ্যে মাংসের টুকরোগুলো দিয়ে দিন। এই সময় চুলার আঁচ মিডিয়াম থেকে লো এর মাঝামাঝি রাখতে হবে। এ অবস্থায় বারো থেকে পনেরো মিনিট মাংসটা ভাজুন। এবার মাংসের মধ্যে দিয়ে দিন আধা চামচ করে আদা ও রসুন বাটা এবং এক টেবিল চামচ লবণ। ভালোভাবে নেড়েচেড়ে আরো পাঁচ মিনিটের মতো রান্না করুন। এই পর্যায়ে মাংসের মধ্যে দিয়ে দিন কাবুলি পোলাও রান্নার জন্য তৈরি করে রাখা বিশেষ মশলা। চার টেবিল চামচ মশলার গুঁড়া দিয়ে নেড়ে-চেড়ে রান্না করুন আরো ১২ থেকে ১৫ মিনিট। খেয়াল রাখতে হবে চুলার আঁচ যেনো মিডিয়াম থেকে লো এর মাঝামাঝি পর্যায়ে থাকে। বেশি আঁচে ভাজতে থাকলে মাংস শক্ত হয়ে যাবে।

বারো থেকে পনের মিনিট পর মাংসে গরম পানি যোগ করুন দশ থেকে বারো কাপ। ভালোভাবে নেড়েচেড়ে মৃদৃ আঁচে ঢেকে রান্না করুন এক ঘণ্টা। কম আঁচে রান্না করার কারণ হলো যেনো একদম নরম হয়ে যায়। এক ঘণ্টা পরে মাংস সিদ্ধ হয়ে যাবে সেই সঙ্গে কড়াইয়ে থেকে যাবে কিছুটা ঝোল। ঝোল থেকে তুলে আলাদা করে রাখুন। ঝোলটা রেখে দিন অন্য একটি পাত্রে।

এবারে চুলায় অন্য একটা প্যানে ৩ টেবিল টামচ ঘি দিয়ে দিন। ঘি গরম হলে মোটা করে কাটা গাজর কুচি, কিসমিস ও আধা টেবিল চামচ চিনি দিয়ে দুই থেকে তিন মিনিট ভেজে নিন।

এই পর্যায়ে বাসমতি চাল ভালোভাবে ধুয়ে পানিতে ভিজিয়ে রাখুন ত্রিশ মিনিট। ত্রিশ মিনিট পরে চালের পানিটা ভালোভাবে ঝরিয়ে নিতে হবে। এবার মাংস থেকে আলাদা করে রাখা ঝোলটার সঙ্গে পানি দিয়ে ফুটিয়ে নিন। ঝোল ও পানি মিলিয়ে পরিমাণ হবে চালের পরিমাণের ডাবল। চাল তিন কাপ হলে পানি হবে ছয় কাপ।

ঝোল আর পানির মিশ্রণটি ফুটে উঠলে এর মধ্যে ধুয়ে রাখা চাল দিয়ে দিন। আধা চামচ লবণ, এক চা চামচ চিনি, দুই টেবিল চামচ ঘি, তৈরি করে রাখা বিশেষ মশলার বাকিটুকু দিয়ে দিন। ভালোভাবে নেড়েচেড়ে সবগুলো উপকরণ মিশিয়ে নিন। মিডিয়াম থেকে লো আঁচে রান্না করুন পানিটা চালের গায়ে গায়ে টেনে আসা পর্যন্ত। চালের পানি টেনে আসলে চুলার আঁচ একদম লো করে দিন। এবার চালের ওপর দিয়ে দিন তুলে রাখা মাংস ও ভেজে রাখা গাজর কিসমিস। সবকিছু চালের ওপর সামান্য ছড়িয়ে দিন।

এবারে চালটা দমে দিতে হবে। একটা পরিষ্কার মোটা কাপড় দিয়ে কড়াইটা ঢেকে নিন। এর ওপর ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন। খেয়াল রাখতে হবে ভেতরে যে ভাপ রয়েছে, সেটা কোনোভাবেই যেনো বের হতে না পারে। এ অবস্থায় একদম লো আঁচে রান্না করুন ত্রিশ মিনিট। ত্রিশ মিনিট পরে হয়ে যাবে পারফেক্ট ঝরঝরে আফগানি কাবুলি পোলাও।

ডেস্ক জব থেকে কোমর ও ঘাড়ে ব্যথা : করণীয়

0

ঈদে সুস্থ থাকতে চাইলে খেতে হবে এভাবে

0

বৈশাখ আয়োজনে রঙ বাংলাদেশ

0
ছবি : রঙ বাংলাদেশ
ছবি : রঙ বাংলাদেশ

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

পয়লা বৈশাখ বাঙালির প্রাণের উৎসব। গত তিন বছর ছিল বাংলা নববর্ষ রোজার ভিতরে, এবার এমন নয়। এর ওপর ঈদের ছুটিতে পড়েছে এই বর্ষবরণ।

তাই ঈদ উৎসবে মেতে উঠার পাশাপাশি বাংলা নববর্ষ বরণেও মেতে উঠবে সবাই। দুটি উৎসব একইসঙ্গে হওয়ায় দ্বিগুণ আনন্দের জোয়ার বয়ে আনবে সকলের মনে। ঈদের ছুটিতে পুরোনোকে বিদায় জানিয়ে মেতে উঠবে নতুনের আবাহনে।

নতুন পোশাক ছাড়া উৎসব পরিপূর্ণ হয় না। তাই এই আনন্দ উৎসবে অনন্য মাত্রা যোগ করতে দেশের শীর্ষস্থানীয় ফ্যাশন ব্র্যান্ড ‘রঙ বাংলাদেশ’- এর বর্ষবরণের আয়োজন বিশাল।

সকল উৎসবে আয়োজনে থিমভিত্তিক পোশাক তৈরি করে রঙ বাংলাদেশ। এবার বৈশাখ আয়োজনের পোশাক ডিজাইনে থিম হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে আলপনা ও ক্লাসিক্যাল ফোর এলিমেন্টস এর চার উপাদানের একটি। আর সেটি হলো, ফাটার বা আগুন। আলপনা ও আগুনের নানান রূপ-বৈচিত্র্যের চমৎকার বিন্যাস ঘটানো হয়েছে রঙ ও নকশায়, ‘রঙ বাংলাদেশ’ এর বৈশাখ আয়োজনের সকল পণ্যে। তাই প্রতিটি পোশাক হয়ে উঠেছে আকর্ষণীয় ও নান্দনিক।

বর্ষবরণের এই উৎসবে সময়, আবহাওয়া ও পরিবেশ উপযোগী নানান পোশাক রয়েছে রঙ বাংলাদেশ এর বৈশাখের আনন্দ আয়োজনে। রয়েছে শাড়ি, থ্রিপিস, সিঙ্গেল কামিজ, রেডি ব্লাউজ, সিঙ্গেল ওড়না, আনস্টিচড থ্রি-পিস, টিউনিক, পাঞ্জাবি, শার্ট, টি-শার্ট, পায়জামা, মগসহ অন্যান্য সামগ্রী। শিশুদের জন্যে রয়েছে পাঞ্জাবি, শার্ট, টি-শার্ট, ফ্রক, ড্রেস, স্কার্ট। রয়েছে পরিবারের সবার জন্যে একই ধরনের ম্যাচিং পোশাক। বাবা-মা, মা-মেয়ে, বাবা-ছেলে এমনকি পরিবারের সবাই একই থিমের পোশাক পড়ে উদযাপন করতে পারবে এবারের বৈশাখ উৎসব।

এবারের বৈশাখ কালেকশন তৈরি করা হয়েছে আরামদায়ক কাপড়ে। বিভিন্ন ধরনের ডিজাইনের কটন, উইভিং কটন, ফাইন কটন, হাফসিল্ক কাপড় দিয়ে পোশাকগুলো করা হয়েছে। মূল রং হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে লাল, মেরুন, অফ-হোয়াইট এছাড়া সহকারি রং হিসেবে নেওয়া হয়েছে কমলা, নীল ও ব্রাউন। পোশাকের নকশাকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে নানা ভ্যালু অ্যাডেড মিডিয়ার ব্যবহারে। এর মধ্যে রয়েছে স্ক্রিন প্রিন্ট, ব্লক প্রিন্ট, হাতের কাজ, প্যাচওয়ার্ক, এমব্রডারি ও কাটিং অ্যান্ড সুইং।

বৈশাখ আয়োজনকে ঘিরে যেকোনো অনুষ্ঠান বা আয়োজনের জন্য সবাই মিলে একইরকম পোশাক পরতে পাইকারি দামেও পাওয়া যাবে রঙ বাংলাদেশ এর পোশাক। কর্পোরেট প্রোগ্রাম বা যেকোনো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সব ধরনের আয়োজনেই ‘রঙ বাংলাদেশ’- এর বৈশাখ উৎসবের পোশাক ক্রেতাকে করবে আকর্ষণীয়।

‘রঙ বাংলাদেশ’- এর ঢাকা ও ঢাকার বাহিরের সকল আউটলেটেই পাওয়া যাচ্ছে বৈশাখ উৎসবের আয়োজন। এ ছাড়া অনলাইন প্ল্যাটফর্মে বৈশাখ আয়োজনের পণ্য ক্রয়ে ভিজিট করুন www.rang-bd.com অথবা রঙ বাংলাদেশের ফেসবুক পেজ www.facebook.com/rangbangladesh- তে। যেকোনো প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ‘রঙ বাংলাদেশ’- এর হোয়াটস্ অ্যাপ সম্বলিত 01777744344 ও 01799998877 হটলাইনে।

- Advertisement -

MOST POPULAR

HOT NEWS