Saturday, May 16, 2026
spot_img
Home Blog

‘রবিরশ্মি’র গানে গানে কবি প্রণাম

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

সংগীত সংগঠন ‘রবিরশ্মি’ কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে ‘ব্যক্ত হোক জীবনের জয়’ শীর্ষক রবীন্দ্রসংগীত সন্ধ্যার আয়োজন করেছে। গতকাল ১৫ মে শুক্রবার বিকেল ৪টা ৫ মিনিটে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন মহাদেব ঘোষ (দেশবরেণ্য রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী ও পরিচালক, রবিরশ্মি) এবং মােখলেস আলম (সভাপতি, রবিরশ্মি)।
অনুষ্ঠানে রবিরশ্মির শিল্পীরা তিনটি সম্মেলক গান পরিবেশন করেন। পাশাপাশি ছিল একক গান। একক গান পরিবেশন করেন অর্চনা রায়, অনিমা গোস্বামী, মিথিলা ঘোষ, অরুণা সরকার, সুমা চন্দ, সুস্মিতা হোসেন, শাশ্বতী মাথিন, জয়া গাঙ্গুলী, তপতী রায় (ময়মনসিংহ), মৌসুমী দাসগুপ্তা, সম্পা ভৌমিক, পরাগরেণু দেব তমা (সিলেট), বনশ্রী পাল শান্তা, ময়না রাণী দাস, মাকসুদা জামিল তুলি, লিলিয়েন পাল নীলা, দেবযানী মিত্র।

এ ছাড়া আরও সংগীত পরিবেশন করেন মহাদেব ঘোষ, সুব্রত চৌধুরী, সুকুমার চক্রবর্তী, এজাজ হোসেন, বিষ্ণুপদ দাস, বিকাশ হালদার, জনি ঘোষ, সৌরভ গাঙ্গুলী, আনিসুর রহমান, জাহানজীব সারোয়ার শিমুল, সাঈদ মাহমুদ সাইফুল আলম শুভ।

অনুষ্ঠানের যন্ত্রাণুষঙ্গে ছিলেন সেতারে ফিরোজ খান, কি-বোর্ডে রবিন্স চৌধুরী, তবলায় সুবীর ঘোষ ও মো. ফারুক, মন্দিরায় মাে. বাতেন, বাঁশিতে বাবু। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন প্রমিত গোপ জীৎ ও তপজা রায়। অনুষ্ঠানটির সার্বিক পরিকল্পনা ও পরিচালনায় ছিলেন দেশবরেণ্য রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী ও রবিরশ্মির পরিচালক মহাদেব ঘোষ।

কবিতা: শত্রু

শাশ্বতী মাথিন

চারপাশে তাকিয়ে দেখলাম,
কেবল ভুলে ভরা মানুষ।
তাদের এটা বলি, সেটা বলি;
শুধরাতে চাই।

এরপর শান্ত হয়ে নিজের দিকে তাকাই;
দেখি, আমিই তো সবচেয়ে বড় দ্বন্দ্ব,
সবচেয়ে বড় ভুল; ভয়
আমিই তো বাধা।

তখন বললাম,
হে প্রভু, আমিই তো আমার সবচেয়ে বড় শত্রু।

এরপর, আরো নিরব হলাম।
আরো নিরব।

লেখক: সাংবাদিক ও রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী

‘কোরবানির হাঁকডাক’– ঈদ উল আজহার আয়োজনে ‌‌‌‌রঙ বাংলাদেশ

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

বাংলাদেশের মানুষের অন্যতম বৈশিষ্ট্য তাদের উৎসবপ্রিয়তা। আর ঈদ মানেই আনন্দ, মিলন আর উদযাপনের এক অনন্য উপলক্ষ। আসন্ন ঈদ উল আজহা আমাদের সামনে নিয়ে আসে ত্যাগের মহিমা, ভালোবাসা আর একসঙ্গে থাকার আবেগময় সময়। কোরবানির প্রস্তুতির পাশাপাশি এই সময়টিতে প্রতিটি পরিবারই ব্যস্ত হয়ে পড়ে নতুন পোশাকে উৎসবকে বরণ করার পরিকল্পনায়।

দেশের শীর্ষস্থানীয় ফ্যাশন ব্র্যান্ড ‘রঙ বাংলাদেশ’ এবারের ঈদ উল আজহা উপলক্ষে নিয়ে এসেছে বিশেষ আয়োজন ‘কোরবানির হাঁকডাক’। এই আয়োজনে থাকছে ঈদ উপযোগী বাহারি ডিজাইনের পোশাক, যেখানে বরাবরের মতোই থিমভিত্তিক ডিজাইনের ছোঁয়া রয়েছে। এবারের সংগ্রহে থিম হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে ঐতিহ্যবাহী তাঁতরেজ নকশ, যার জ্যামিতিক প্যাটার্ন ও সূক্ষ্ম কারুকাজ পোশাকে এনে দিয়েছে এক ভিন্নমাত্রার নান্দনিকতা। ডিজাইনের পাশাপাশি রঙ বাংলাদেশ সব সময় গুরুত্ব দিয়ে থাকে মানসম্মত কাপড়, আরাম ও আধুনিক স্টাইলের সমন্বয়। এবারের ঈদ সংগ্রহে থাকছে শাড়ি, পাঞ্জাবি, কামিজ, স্টিচড ড্রেস, ফ্রক, টি-শার্ট, শার্টসহ নানা বৈচিত্র্যময় পোশাক।

বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে এবারের পোশাকে রয়েছে বরাবরের মতই ফ্যামিলি সিরিজ—যেখানে একই ডিজাইন ও রঙের সমন্বয়ে পুরো পরিবারকে দেখা যাবে এক সুরে বাঁধা। ব্যবহৃত হয়েছে সাদা বেসের ওপর নেভি ব্লু ও আকাশি রঙের জ্যামিতিক তাতরেজ প্যাটার্ন। এগুলো একদিকে যেমন এলিগ্যান্ট, অন্যদিকে গরমের দিনে দেয় স্বস্তি।

বাবা-মা ও সন্তানদের মিলিয়ে একই ডিজাইনের পোশাকে ঈদের আসল বার্তা ‘একসাথে উদযাপন’-কে আরো জীবন্ত করে তুলেছে। এ ছাড়াও ম্যাচিং পোশাক রয়েছে। বাড়তি আকর্ষণ হিসেবে থাকছে ‘কোরবানির হাঁকডাক’ ক্যাম্পেইনে দেশীদশ আউটলেটগুলোতে ২০ শতাংশ এবং রঙ বাংলাদেশ-এর সকল আউটলেটে নির্দিষ্ট পণ্যে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত সাশ্রয়ী মূল্যছাড়।

তাই দেরি না করে একা কিংবা পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘুরে আসতে পারেন রঙ বাংলাদেশ-এর নিকটস্থ আউটলেটে। ঢাকা ও ঢাকার বাইরে মোট ২০টি আউটলেটে পাওয়া যাবে ঈদ উল আজহার সমৃদ্ধ পোশাক সংগ্রহ।

আর যারা ভিড় এড়িয়ে ঘরে বসেই কেনাকাটা করতে চান, তাদের জন্য রয়েছে ই-কমার্স সাইট www.rang-bd.com এবং ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ www.facebook.com/rangbangladesh । যেকোনো প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে পারেন হটলাইন নাম্বার 01777744344, 01799998877- এ।

মায়ের যত্ন: চার বিষয় খেয়াল রাখুন

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

মা দিবস আজ। মা হওয়া সহজ নয়। না শেষ হওয়া কাজের তালিকা, ক্যারিয়ার ও সন্তানের যত্নে ভারসাম্য রাখা- কঠিনই বটে। এসবের ভীড়ে কখনো কখনো মায়ের মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যই হয়ে পড়ে উপেক্ষিত। তাই মা-কেও তার স্বাস্থ্যের প্রতি যত্ন নিতে হবে। সব কাজের ভীড়ে বের করতে হবে নিজস্ব সময়। আর সন্তানদেরও মায়ের যত্নের ব্যাপারে সচেতন হওয়াটা জরুরি।

সাহায্য চান
মায়েদের হাত যেন কয়েকটা। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তারা চেষ্টা করেন একাই সব সামলে নেবার। এটা ভালো। তবে কখনো কখনো মানুষ হিসেবে দেহ-মন ক্লান্ত হয়ে পড়ে। আর তখন অন্যের সাহায্য জরুরি। সব একা করতে না গিয়ে কখনো কখনো অন্যের সাহায্য নিন বা সাহায্য চান। এটা কিছুটা হলেও একজন মা-কে মানসিক চাপ, দমবন্ধ করা কষ্ট থেকে রেহাই দেবে। আর সন্তানরা একটু বড় হলে তাদেরও কাজের দায়িত্ব দিন। তাদের বুঝিয়ে বলুন। এতে তারাও শিখবে। মায়েরও একটু চাপ কমবে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করুন
পরবর্তী দিনের কাজের তালিকা তৈরি করে ফেলুন। সন্তানকে কী খাওয়াবেন, স্কুলে কখন নেবেন, সারাদিনের রান্না কী হবে- ইত্যাদি আগের রাতেই পরিকল্পনা করে ফেলুন। আর কর্মজীবী মায়েদের তো চাপ আরো। পরের দিন অফিসে কী কাজ করবেন, তার পরিকল্পনাটিও আগেই করে রাখুন। সম্ভব হলে এক সপ্তাহের কাজের তালিকা করুন। কাজ গুছানো থাকলে মাথা ঠান্ডা থাকবে।

স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করুন
প্রতিদিন সাত থেকে আট ঘণ্টা ঘুমান। সন্তানেরও ঘুমের শিডিউল ঠিক রাখুন। প্রতিদিন অন্তত আধা ঘণ্টা হাঁটুন। প্রয়োজনে সন্তানকে নিয়ে বের হোন (যদি সে হাঁটতে পারে)। খাদ্যতালিকায় সবজি, ফল, মাছ ইত্যাদি রাখুন। পাশাপাশি সন্তানকেও এই ধরনের খাবারে অভ্যস্ত করে তুলুন। এসব অভ্যাসগুলো একজন মা-কে যেমন সুস্থ রাখবে, তেমনি শিশুটিরও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের অভ্যাস তৈরি হবে।

নিজের জন্য সময় রাখুন
সব কাজের মাঝে অবশ্যই নিজের জন্যও সময় রাখুন। একটু পার্লারে যান বা বন্ধুদের সঙ্গে কফি খেতে যান বা একটু ঘুরে আসুন একা একা বা ভালো বই পড়ুন। সবসময় সন্তানকে আষ্টেপৃষ্ঠে রাখলেই যে ভালো মা হওয়া যায়, বিষয়টি কিন্তু তা নয়। এতে সন্তান ও মা- দুজনেরই একে অপরের প্রতি ভীষণরকম নির্ভরশীলতা তৈরি হতে পারে। অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা বা আসক্তি দুজনেরই মানসিক স্বাস্থ্যর জন্য ক্ষতিকর। সন্তানের যত্ন অবশ্যই নেবেন, তবে নিজের যত্নটাও নেবেন। কারণ, একজন মানসিক ও শারীরিকভাবে সুস্থ মা-ই পারে একটি সুন্দর পরিবার দিতে।

সূত্র: মায়োক্লিনিক

- Advertisement -
সাতকাহন
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.