বিউটি আর্টিস্ট হতে উজ্জ্বলা পাশে ছিলো
সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
বিউটিফিকেশনের কাজটিকে খুব ভালোবাসতেন আসমা আজমীরা কেয়া। আর সেই ভালোবাসা, সখই পরিণত হয় তাঁর পেশায়। বর্তমানে তিনি উজ্জ্বলা থেকে বিউটিফিকেশনের কোর্স শেষ করে মিরপুরে একটি স্যালন দিয়েছেন। নিজের প্রতিষ্ঠানের আয়ে তিনি সন্তুষ্ট।
আসমা আজমীরা কেয়াকে বিউটি আর্টিস্ট হওয়ার ক্ষেত্রে উজ্জ্বলা কীভাবে প্রেরণা জুগিয়েছে এবং নিজেও কীভাবে প্রতিনিয়ত কাজ করে এগিয়েছেন, সেই গল্পই জানবো।
উজ্জ্বলা সেরা
উজ্জ্বলার কোর্সটি আমি ২০২২ সালে করেছি। এটা ঢাকা থেকে করি। উজ্জ্বলার কথা ফেসবুকের মাধ্যমে জানতে পারি ২০২১ সালে। পরে কোর্স করা হয়।
আমি মনে করি, একজন মেয়ে যদি সিদ্ধান্ত নেয়, সে বিউটি সেক্টরে কিছু করবে, তাহলে উজ্জ্বলা সেরা। কারণ, উজ্জ্বলা খুব সুন্দর করে বেসিক থেকে অ্যাডভান্স লেভেল পর্যন্ত শেখায়। আর খুব যত্ন নিয়ে তারা কাজটি করে। এখানকার প্রতিটি ক্লাস থেকেই আমি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় শিখেছি।
মেকআপ প্রোডাক্ট সংগ্রহ করতে ভালোবাসতাম
বিউটিফিকেশনের কাজটিকে ভালোবাসা থেকে মূলত এই পেশায় আসা। ছোটবেলা থেকে নিজেও সাজতাম, অন্যকেও সাজাতে পছন্দ করতাম। মেকআপ প্রোডাক্ট সংগ্রহ করা আমার সখ ছিল।
২০২৫ সালের ১৭ জানুয়ারি আমি স্যালন শুরু করি। আমার বাসা ও পার্লার দুটােই মিরপুরে। সখের কাজটিকে পেশায় পরিণত করতে পেরেছি, এই বিষয়টা খুব আনন্দ দেয়।
জেদ ছিলো বেশ
প্রতিটি মানুষের জীবনেই আসলে দুঃখ বা লড়াইয়ের গল্প থাকে। কেউ প্রকাশ করে। কেউ করে না। আমার খুব জেদ রয়েছে। আমি প্রথম প্রথম এই সেক্টরে কাজ করতে শুরু করলে, অনেকে আমাকে হেয় বা তুচ্ছ করে কথা বলে। সেটা আমার এখনাে মনে পড়ে। সেই কথাটা আমার জেদের কারণ হয়েছে। মনে হয়েছে, আমিও এই সেক্টরে ভালো করবো। তবে আমার পরিবার ও অনেক বন্ধু-বান্ধবই সহযোগিতা করেছে। আর উজ্জ্বলাতো পাশে ছিল
সবসময়ই।
ভবিষ্যতে নিজের স্যালনটিকে অনেক ভালো অবস্থায় দেখতে চাই। নিজেও একজন বড় বিউটি আর্টিস্ট হবো, এই স্বপ্ন দেখি। মেয়েদের স্বাবলম্বী হওয়াটা জরুরি। আর এর জন্য বিউটি আর্টিস্ট পেশাটি চমৎকার।
বি: দ্র: বাংলাদেশের বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিং ইন্ডাস্ট্রিতে উদ্যোক্তা তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে উজ্জ্বলা লিমিটেড। উজ্জ্বলায় প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এবং সংগ্রাম করে সাফল্য অর্জন করেছেন, এমন কয়েকজন নারী ও পুরুষের সাক্ষাৎকার নিয়ে সাতকাহনের ধারাবাহিক পর্ব চলছে। এই পর্বটি ছিলো ৯৭তম। উজ্জ্বলা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন :
https://www.facebook.com/UjjwalaBD
https://www.instagram.com/UjjwalaBD/
বন্ধু দিবস: বন্ধুত্বের উদযাপনে ‘রঙ বাংলাদেশ’
সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
বন্ধুত্ব এমন একটি সম্পর্ক, যেখানে ছোট ছোট মুহূর্তই হয়ে ওঠে আজীবনের স্মৃতি। সেই স্মৃতিকে আরও রঙিন ও স্টাইলিশ করে তুলতে বন্ধু দিবস উপলক্ষে বিশেষ ড্রপ শোল্ডার টি-শার্ট কালেকশন নিয়ে এসেছে দেশের জনপ্রিয় ফ্যাশন ব্র্যান্ড ‘রঙ বাংলাদেশ’।
নতুন এই কালেকশনের অন্যতম আকর্ষণ মিনিমাল ও আধুনিক ডিজাইনের ড্রপ শোল্ডার টি-শার্ট। টি-শার্টের সামনে "Friends" টাইপোগ্রাফি এবং পেছনে একদল বন্ধুর লাইন-আর্ট ইলাস্ট্রেশন বন্ধুত্বের বন্ধন, একসঙ্গে পথচলা এবং সুন্দর স্মৃতির প্রতীক হিসেবে ফুটে উঠেছে। সরল অথচ অর্থবহ এই ডিজাইন সহজেই তরুণদের সমকালীন ফ্যাশনের সঙ্গে মানিয়ে যায়।
১৬০+ GSM প্রিমিয়াম কটন ফেব্রিকে তৈরি এই টি-শার্টগুলো আরামদায়ক, টেকসই এবং দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য উপযোগী। ওভারসাইজড ড্রপ শোল্ডার ফিট ও আধুনিক কাটিংয়ের সমন্বয়ে এটি ক্যাম্পাস, আড্ডা, ভ্রমণ কিংবা বন্ধু দিবসের বিশেষ আয়োজন—সব ক্ষেত্রেই স্বাচ্ছন্দ্য ও স্টাইল নিশ্চিত করবে। কালেকশনটি কালো (Black) ও কফি (Coffee)—এই দুটি ট্রেন্ডি রঙে পাওয়া যাচ্ছে।
বন্ধু দিবসে বন্ধুদের সঙ্গে একই ডিজাইনের টি-শার্ট পরে ম্যাচিং লুক তৈরি করার জন্য এই কালেকশন হতে পারে একটি দারুন পছন্দ। বন্ধুদের পুরো দল একসঙ্গে একই থিমের পোশাক পরে উদযাপন করলে আনন্দ যেমন আরও বাড়বে, তেমনি স্মরণীয় হয়ে থাকবে প্রতিটি মুহূর্ত ও প্রতিটি ছবি। শুধু টি-শার্টই নয়, বন্ধু দিবসে প্রিয় বন্ধুকে উপহার দেওয়ার জন্য রঙ বাংলাদেশের পোশাক ও অ্যাক্সেসরিজ বিভাগে রয়েছে নানা আকর্ষণীয় উপহার। পছন্দের পোশাক, মগ, জুয়েলারি, ব্যাগ, স্কার্ফসহ বিভিন্ন ফ্যাশন অ্যাক্সেসরিজ থেকে বেছে নেওয়া যাবে ভালোবাসার উপহার। এগুলো বন্ধু দিবসের আনন্দকে আরও বিশেষ করে তুলবে।
এই বিশেষ কালেকশন দেশের সকল রঙ বাংলাদেশ আউটলেট এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্মে পাওয়া যাচ্ছে। অনলাইনে অর্ডার করতে ভিজিট করুন www.rang-bd.com অথবা ম্যাসেজ করুন রঙ বাংলাদেশের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে।
বন্ধুত্বের প্রতিটি মুহূর্ত হোক ভালোবাসা, আন্তরিকতা ও স্মৃতিতে ভরপুর। বন্ধু দিবসের এই বিশেষ আয়োজনে নিজের জন্য কিংবা প্রিয় বন্ধুর জন্য বেছে নিন রঙ বাংলাদেশের স্টাইলিশ পোশাক ও আকর্ষণীয় অ্যাক্সেসরিজ। কারণ, সত্যিকারের বন্ধুত্বের উদযাপন শুধু একদিনের নয়, এটি সুন্দর মুহূর্তগুলোকে একসঙ্গে বাঁচিয়ে রাখার একটি উপলক্ষ।


