Thursday, September 24, 2026
spot_img
Home Blog Page 9

স্তন ক্যানসার সচেতনতায় ঢাকা-রাজশাহী-খুলনা গোলাপি সড়ক শোভাযাত্রা

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

স্তন ক্যানসার সচেতনতায় ঢাকা-রাজশাহী-খুলনা গোলাপি সড়ক শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আগামীকাল, সকাল ৮ টায়, ঢাকার মানিক মিয়া এভিনিউতে এই যাত্রার উদ্বোধন হবে।

একটি গোলাপি রঙে সজ্জিত বাসে এবার ঢাকা থেকে রাজশাহী হয়ে খুলনা পর্যন্ত যাবে এই শোভাযাত্রা। প্রথম দিন ৩০ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার, ঢাকা থেকে যাত্রা শুরু করে এলেঙ্গা (টাংগাইল)-সিরাজগঞ্জ বাইপাস- বগুড়া- নওগাঁ- তানোর- রাজশাহী পর্যন্ত পথসভা, সমাবেশ ও লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে জনসচেতনতামূলক কর্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

সন্ধ্যায় রাজশাহীতে সি এন্ড বি মোড়ে (শিমুল মেমোরিয়াল নর্থ সাউথ স্কুলে অ্যান্ড কলেজে) বিভিন্ন নারী সংগঠন, রোটারি ক্লাব ও ইনার হুইল ক্লাবসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

দ্বিতীয় দিন, ৩১ অক্টোবর, শুক্রবার, সকাল ৮ টায় রাজশাহী থেকে খুলনার পথে নাটোর- ঈশ্বরদী- ভেড়ামারা- কুষ্টিয়া- ঝিনাইদহ-যশোর- নোয়াপাড়া হয়ে খুলনা শহরের শিববাড়ী মোড়ে সমাপনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। তৃতীয় দিন, সকাল ৮টায় বাসটি সরাসরি খুলনা থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেবে।

জাতীয় ক্যানসার ইনিস্টিটিউটের সাবেক অধ্যাপক, বাংলাদেশ স্তন ক্যানসার সচেতনতা ফোরামের প্রধান সমন্বয়কারী ও বাংলাদেশের ‘গোলাপি মানব’ অধ্যাপক ডা. মো. হাবিবুল্লাহ তালুকদার (রাসকিন)- এর নেতৃত্বে শোভাযাত্রায় থাকবেন সিনিয়র চিকিৎসক, নার্স, ক্যানসার সারভাইভার, সিনিয়র অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা এবং স্বেছাসেবীসহ প্রায় ২৫ জন সদস্যের একটি দল।

বাংলাদেশ স্তন ক্যানসার সচেতনতা ফোরাম ৫৩টি সংগঠনের সমন্বয়ে একটি প্ল্যাটফর্ম, যারা স্তন ক্যানসার সচেতনতার জন্য ২০১৩ সাল থেকে কাজ করে আসছে। এবারও ত্রয়োদশ বারের মত ১০ই অক্টোবর বাংলাদেশে স্তন ক্যানসার সচেতনতা দিবস যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয়েছে।

গত ১০ অক্টোবর, কেন্দ্রীয় কর্মসূচি হিসেবে জাতীয় প্রেস ক্লাবে গোলটেবিল আলোচনা ও গোলাপি সড়ক শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয় এবং মাসব্যাপী কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়। আজ ২৯ অক্টোবর, পর্যন্ত ঢাকার বিভিন্ন অঞ্চলে পাঁচটি বড় সচেতনতামূলক কার্যক্রম পালন করা হয়েছে।

তবে শুধু রাজধানীতে সীমিত না রেখে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে, ঢাকা-রাজশাহী-খুলনায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে গোলাপি সড়ক শোভাযাত্রার এই কার্যক্রম।

লেবু-পানি কি সবার জন্য উপকারী?

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

লেবু-পানি দেহের জন্য উপকারী- এতো প্রায় সবারই জানা। এতে পানি শূন্যতা কমে, ভিটামিন ‘সি’- এর ঘাটতি পূরণ হয়, এবং ওজন নিয়ন্ত্রণ হয়।

তবে সবার জন্যই কি এই পানীয়টি উপকার বয়ে আনে? এর উত্তর হলো, ‘না’। দেহে কিছু নির্দিষ্ট রোগ বা অসুবিধা থাকলে লেবু-পানিকে কম খাওয়া বা এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেন পুষ্টিবিদরা।

এসিড রিফ্ল্যাক্স বা বুক জ্বালাপোড়ার সমস্যায়
যাদের বুক জ্বালাপোড়া ও এসিড রিফ্ল্যাক্স বা এসিডিটির অসুবিধা রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে লেবু-পানি সমস্যা বাড়িয়ে তুলতে পারে। বিশেষ করে খালি পেটে খেলে এই সমস্যা বাড়ে। তাই যাদের এসব অসুবিধা রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে লেবু-পানি একটু বুঝে খাওয়া বা পুষ্টিবিদের মতামত নিয়ে খাওয়া ভালো বলে পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

দাঁতের সমস্যা
কখনো কখনো লেবুর মধ্যে থাকা সাইট্রিক এসিড দাঁতের এনামেলকে ক্ষয় করতে পারে। লেবু-পানির পর সাধারণ পানি পান করলে এই সমস্যা অনেকটাই এড়ানো যায়।

পাকস্থলীর সমস্যা
লেবু-পানির মধ্যে থাকা এসিডিক উপাদান পাকস্থলীর অস্বস্থি বা এসিডিটি তৈরি করে। তাই পাকস্থলীর সমস্যা থাকলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে এই পানীয়টি পান করুন।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

শীতে ত্বক ভালো রাখে তিন ফল

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

শীতে বাতাসের আর্দ্রতা কমে যাওয়ার কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় ত্বক। ত্বক শুষ্ক, রুক্ষ ও প্রাণহীন হয়ে পড়ে। তবে কিছু ফল রয়েছে, যেগুলো শীতের সময়ে দেহের এই অঙ্গটিকে ভালো রাখতে সাহায্য করে।

শীতের সময় খাওয়া ভালো এমন তিনটি ফলের নাম জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।

কমলা
শীতে ত্বকের শুষ্কতা ও রুক্ষতা কমাতে কমলা চমৎকার ফল। কমলায় রয়েছে ভিটামিন ‘সি’। এই ফলটি কোলাজেন তৈরি করতে উপকারী। কোলাজেন ত্বকের নমনীয়তা ধরে রাখে এবং ত্বককে সহজে বুড়িয়ে যেতে দেয় না। এই ফলটি ত্বককে ভেতর থেকে পুষ্টি জোগায়।

আনার
আনারের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এটি রক্তের সঞ্চালন বাড়ায় এবং ত্বককে উজ্জ্বল করে। আনারের মধ্যে থাকা প্রদাহরোধী উপাদান ত্বকের বিভিন্ন ধরনের প্রদাহ কমিয়ে মলিনতা দূর করে।

পেয়ারা
এশিয়া জুড়ে পেয়ারা খুব প্রচলিত একটি ফল। কমলার চেয়েও পেয়ারায় রয়েছে বেশি ভিটামিন ‘সি’। এটি ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায় এবং মলিনতা কমায়। ভিটামিন ‘সি’ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এতে ত্বকের বিভিন্ন ধরনের জটিলতা দূর হয়।

নিরবে দেহের ক্ষতি করে চার অভ্যাস

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

দৈনন্দিন জীবনের কর্মব্যস্ততা, অর্থনৈতিক-পারিবারিক-সামাজিক চাপ ইত্যাদি মিলিয়ে বর্তমান সময়ের মানুষ যেন আগের চেয়ে বেশি অস্থির। নিজের দিকে তাকানোরও যেন সময় নেই অনেকের।

আর নিজেকে অবহেলা ও ফাঁকি দেওয়ার কারণে দেহে বাসা বাঁধছে বিভিন্ন অসুখ। তবে একটু সচেতন হলেই কিন্তু এসব অভ্যাস এড়িয়ে সুস্থ থাকা যায়। দেহের নিরবে ক্ষতি করে, এমন কিছু দৈনন্দিন ক্ষতিকর অভ্যাসের কথা জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।

টানা বসে থাকা এবং নড়াচড়া না করা
বাসা কিংবা অফিসে টানা বা দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা নিরবে দেহের ক্ষতি করে। এতে পেশি দুর্বল হওয়া, বিপাক ক্ষমতা কমে যাওয়া এবং মেরুদণ্ডের ওপর চাপ বাড়ার আশঙ্কা থাকে। এসব থেকে মুটিয়ে যাওয়া, ডায়াবেটিস ও হার্টের রোগ হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। একটু হাঁটাহাঁটি বা স্ট্রেচ করা, অর্থাৎ সামান্য একটু নড়াচড়াও দেহকে অনেকটা সুস্থ রাখতে পারে।

খাবার না খাওয়া বা অসময়ে খাওয়া
সকালের খাবার না খাওয়া বা ভুলভাল সময়ে খাবার খাওয়া হজমের সমস্যা করে এবং রক্তের সুগারের মাত্রার তারতম্য ঘটায়। দীর্ঘদিন এমন চললে অবসাদ, বিরক্তি ও দিনের অন্য সময়ে বেশি খাওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়। আমাদের দেহ ধারাবাহিকতা চায়। তাই ভারসাম্যপূর্ণ খাবার খাওয়া জরুরি। এতে দেহের শক্তির মাত্রা ঠিক থাকে, পাশাপাশি কাজেও ফোকাস রাখা যায়। দৈনন্দিন জীবনের এসব ছোট ছোট অভ্যাসগুলো দেহকে দীর্ঘমেয়াদে ভালো রাখে।

কম ঘুম
পর্যাপ্ত ঘুম দেহের জন্য বেশি জরুরি। একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের দৈনিক সাত থেকে আট ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন। এর ঘাটতি হলে মেজাজ ও সম্পর্কে ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে। কম ঘুম স্মৃতিশক্তি দুর্বল করে দেয়, বিপাক ক্ষমতা কমায় এবং বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদে রোগের উৎপত্তি ঘটায়।

স্ক্রিনে বেশিক্ষণ থাকা
মোবাইল, কম্পিউটার ও ল্যাপটপের স্ক্রিনে বেশিক্ষণ সময় কাটালেও দেহের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে। হয়তো মুহূর্তেই বিষয়টি বুঝতে পারবেন না। তবে অনেকদিন এমনটা চলতে থাকলে উদ্বেগ, হতাশা, একাকিত্ব ও ঘুমের সমস্যার মতো অসুবিধাগুলো তৈরি হয়। তাই দিনের একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য স্ক্রিন থেকে দূরে থাকুন। একদম নিজের সঙ্গে সময় কাটান।

Dr. Ruskin received the Green Delta- BRAC Bank Tara Award

Shatkahon24.com Desk

In collaboration with Green Delta Insurance and support from the Gates Foundation, BRAC Bank Tara organized a breast cancer awareness session, ‘Rising Above Fear’, last night at the BRAC Bank Head Office.

After the session, the PINK MAN, Professor Dr. Md. Habibullah Talukder Ruskin, the founder and chief Coordinator of Bangladesh and former Professor and Head of Cancer Epidemiology, National Institute of Cancer Research and Hospital, currently working as the project coordinator of Gonoshasthaya Community Based Cancer Hospital, was awarded for his outstanding advocacy in cancer awareness.

ভ্রমণে শিশুদের উপযোগী পোশাক ‘কে ক্র্যাফট’-এ

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

সম্প্রতি গবেষণায় দেখা গেছে, ছোটবেলা থেকেই শিশুদের ভ্রমণ করা ভালো। ভ্রমণ একটা শিক্ষামূলক অভিজ্ঞতা, যা তার মেধা বিকাশে ভীষণ সাহায্য করে।

বাড়ন্ত শিশুরা আশপাশের পরিবেশ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে এবং নতুন নতুন অভিজ্ঞতা তাদের জীবনকে সুন্দর ও সমৃদ্ধ করে তোলে। ভ্রমণ থেকে সুখকর স্মৃতি ভবিষ্যতে অনুপ্রেরণা জোগায়। পারিবারিক বন্ধনও মজবুত করে।

ভ্রমণে থাকাকালে একটি শিশু শুধু পাহাড়ই দেখে না, সে বোঝে পাহাড়ের বিশালতা। সমুদ্রের ঢেউ দেখে, অনুভব করে গতি ও প্রবাহ। শিশুরা স্কুলের ক্লাসে বা বইয়ে পড়ে, তবে তারা গভীরভাবে অনুভব করতে শেখে যখন বাস্তবে কিছু দেখে।

বর্তমান সময়ে শিশুরা কম্পিউটার, ল্যাপটপ, মোবাইলসহ বিভিন্ন টেকনোলজি-নির্ভর হয়ে পড়েছে। অভিবাবকরাও এ ব্যাপারে বেশ উদ্বিগ্ন। তাই এর থেকে শিশুদের বিচ্ছেদ ঘটাতে হাজার ব্যস্ততার মাঝে সময় বের করতে হবে। তাদের নিয়ে বেরিয়ে পড়ুন। ভ্রমণের মাধ্যমে বিভিন্ন ডিভাইসের প্রতি আসক্তি থেকে বের করে বাস্তব পৃথিবীর সঙ্গে তাদের পরিচয় করিয়ে দিন।

দূরে কিংবা কাছের ভ্রমণে শিশুদের জন্য উপযোগী পোশাকেরও রয়েছে অনেক গুরুত্ব। দীর্ঘ যাত্রায় এবং পরিবেশ অনুযায়ী মানানসই পোশাক দিন শিশুকে। তাদের পছন্দকেও গুরুত্ব দিন।

পোশাক নির্বাচনে অবশ্যই ফ্যাব্রিককে বিবেচনায় রাখুন। শিশুর ভ্রমণ উপযোগী পোশাকের কথা মাথায় রেখে কে ক্র্যাফটের কাছের যেকোন ব্রাঞ্চেও ঘুরে আসতে পারেন। যেখানে মিলবে সকল বয়সী ছেলে ও মেয়েদের জন্য তৈরি কাপড়। ইতিমধ্যে নতুন কালেকশনের পোশাকও পৌঁছে গেছে সকল শো রুমে। এ ছাড়া অনলাইন স্টোর kaykraft.com থেকেও অর্ডার করতে পারেন।

করলার তেতোভাব দূর করার তিন উপায়

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

করলার পুষ্টিগুণ অনেক। এতে রয়েছে ভিটামিন সি, এ ও বি-কমপ্লেক্স। রয়েছে আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম ও পটাসিয়াম। এতো গুণ থাকার পরেও কেবল তেতো স্বাদের জন্য অনেকের অপছন্দ এই সবজিটি।

তবে কিছু পদ্ধতি মেনে চললে কিন্তু করলার তেতোভাব কিছুটা কমানো যায়। করলার তেতোভাব কমাবার কিছু উপায় জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।

কেটে রোদে শুকানো
করলার ওপরের সবুজ স্তরটি হালকাভাবে ছিলে নিন এবং পাতলা করে কাটুন। এবার রোদে দুই থেকে তিন ঘণ্টা শুকান। এতে করলার আর্দ্রতা প্রাকৃতিকভাবে কমবে এবং খেতেও কম তিতা লাগবে।

কড়কড়া করে ভাজা
করলার তেতোভাব কমানোর জন্য কড়া করেও ভাজতে পারেন। অনেকক্ষণ ধরে ভাজলে বা ডিপ ফ্রাই করলে মুচমুচে বা কড়কড়া হওয়ার কারণে এই ধরনের সবজির তেতোভাব কমে।

লেবুর রস ব্যবহার করুন
করলা কেটে এর মধ্যে লেবুর রস মেশান এবং ২০ থেকে ৩০ মিনিট রাখুন। লেবুর এসিডিক শক্তি করলার ততোভাব কমাতে কাজ করবে।

শিশুর সর্দি-কাশি কমাতে ঘরোয়া উপায়

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

শিশুর সর্দি-কাশি, মাথা ও শরীর ব্যথা, নাক বন্ধ থাকা ইত্যাদি বেশ অস্বস্তির। আর অভিভাবক হিসেবে আপনার জন্যও বিষয়গুলো আরামদায়ক নয়। তবে কিছু ঘরোয়া উপায় রয়েছে যেগুলো পালন করলে শিশুকে কিছুটা স্বস্তি দেওয়া যাবে।

অবস্থা খারাপ হলে চিকিৎসকের কাছে তো যাবেনই, তবে তার পাশাপাশি কিছু ঘরোয়া উপায়ও মেনে দেখুন। শিশুর সর্দি-কাশি কমাতে কয়েকটি ঘরোয়া উপায় জানিয়েছে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলথলাইন ও ওয়েবএমডি।

বেশি করে তরল খাওয়ান
শিশুর সর্দি-কাশিতে তাকে বেশি করে তরল জাতীয় খাবার খাওয়ান। পানি, দুধ, স্যুপ, ভেষজ চা ইত্যাদি। তবে বাইরের চিনিযুক্ত জুস এড়িয়ে চলুন।

মধু খাওয়ান
শিশুর বয়স এক বছরের বেশি হলে তাকে মধু খাওয়াতে পারেন। এতে গলাব্যথা ও কফ কমবে। তবে এর কম বয়সের শিশুদের মধু খাওয়ানো যাবে না। কারণ, মধুর মধ্যে এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া থাকে। এটি শিশুর বটুলিজমের সমস্যা তৈরি করতে পারে। এ থেকে শ্বাস-প্রশ্বাসে সমস্যা, প্যারালাইসিস, বমি বা বমি বমিভাব ইত্যাদি হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

বিশ্রাম দিন
পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে উপকারী। এটি শিশুর শরীরকে নিরাময় হতে সাহায্য করে। পাশাপাশি তাকে জড়িয়ে থাকুন। মা-বাবার স্পর্শ শিশুকে শিথিল করে এবং অস্বস্তি কমায়।

ধূমপানযুক্ত স্থান থেকে দূরে রাখুন
ধূমপান যেমন প্রত্যক্ষ ক্ষতি করে, তেমনি পরোক্ষ সমস্যাও ঘটায়। ধূমপানকারী তার আশেপাশের ব্যক্তিদেরও ক্ষতিগ্রস্ত করে। একে প্যাসিভ স্মোকিং বা পরোক্ষ ধূমপান বলা হচ্ছে।

ধূমপানকারীর কাছ থেকে বা যেসব এলাকায় ধূমপান হচ্ছে, সেখান থেকে শিশুকে দূরে রাখুন।

- Advertisement -
সাতকাহন
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.