Tuesday, May 26, 2026
spot_img
Home Blog Page 10

‘সেলফ লাভ’ কী? চর্চা করবেন যেভাবে

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

কখনও কি নিজের গায়ে আলতো করে ছুঁয়ে বা নিজেকে জড়িয়ে ধরে বলেছেন, ‘আমি আমাকে ভালোবাসি?’ অন্যকে তো ভালোবাসা হয়ই, তবে সেই প্রেমটা কি নিজেকে কখনও করেছেন? করে থাকলে বেশ ভালো। নিজেকে ভালোবাসা বা সেলফ লাভ খুবই জরুরি।

সেলফ লাভ বা আত্মপ্রেম বা নিজের প্রতি ভালোবাসা এমন একটি বিষয়, যা আসে এক্সসেপ্ট বা গ্রহণ করার মাধ্যমে। নিজের ভালোটা বোঝা, গুরুত্ব জানা, নিজের প্রতি দয়ালু হওয়া এবং নিজেকে সহযোগিতা করা, এমনকি কঠিন মুহূর্তেও বলা ‘আমি আমার সঙ্গে রয়েছি’। এসবই সেলফ লাভের অংশ।

আসলে আমাদের সমাজে নিজের প্রতি ভালোবাসাকে অনেকে স্বার্থপরতা ভাবে। তবে দুটো বিষয়ের মধ্যে সূক্ষ্ম একটি পার্থক্য রয়েছে। সেলফ লাভ হলো অন্যের ক্ষতি না করে নিজের শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া। আরেকটু খোলাসা করে বললে, নিজেকে ক্ষমা করা, নিজের সঙ্গে ইতিবাচক কথা বলা, নিজের সঙ্গে সময় কাটানো এবং নিজের প্রয়োজনগুলো বোঝা ইত্যাদি।

সেলফ লাভের চর্চা যেভাবে করবেন

নিজের যত্ন নিন
বেশ সচেতন হয়ে নিজের শারীরিক, মানসিক ও আবেগীয় স্বাস্থ্যের যত্ন নিন। এ ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া, নিয়মিত ব্যায়াম, ধ্যান, নিজের চিন্তাগুলো লিখে ফেলা ইত্যাদি সহযোগিতা করবে।

দেয়াল তৈরি করুন
‘না’ বলতে শিখুন। যেসব বিষয় আপনার মানসিক স্বাস্থ্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করে, নিজের শক্তি ক্ষয় করে সেখানে ‘না’ বলুন। মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে এই দেয়াল তোলাটা জরুরি।

নিজেকে দয়া করুন
নিজের প্রতি দয়াবান হন, বিশেষ করে কোনো ভুল করে ফেললে তখন। ইচ্ছাকৃত ভুল সঠিক নয়। তবে অজান্তে ত্রুটি হয়ে গেলে নিজেকে ক্ষমা করুন। আত্মসমালোচনা অবশ্যই ভালো। তবে সেটি মাত্রাতিরিক্ত হয়ে গেলে হিতে বিপরীত হতে পারে।

নেতিবাচক কথা বলা বন্ধ করুন
অনেকেই নিজের সঙ্গে সারাক্ষণ নেতিবাচক কথা বলে। ‘আমি পারব না’, ‘আমাকে দিয়ে হবে না’ ইত্যাদি কথা আপনারই ক্ষতি করবে। এর বদলে নিজের সঙ্গে ইতিবাচক কথা বলুন। নিজেকে আত্মবিশ্বাসী করে তুলুন।

নিজেকে জানুন ও গ্রহণ করুন
নিজের সঙ্গে সময় কাটান; নিজেকে গভীরভাবে জানুন। আবেগগুলো বোঝার চেষ্টা করুন। কোন বিষয়ে আপনি রেগে যাচ্ছেন বা কষ্ট পাচ্ছেন বা আনন্দিত হচ্ছেন, ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করা জরুরি। সে অনুযায়ী নিজেকে সামলান। প্রয়োজন হলে কাউন্সেলরের পরামর্শ নিন।

নিজেকে সমৃদ্ধ করুন
এমন কাজে যুক্ত হন, যা আপনাকে সমৃদ্ধ করবে। এ ক্ষেত্রে বিভিন্ন দক্ষতা উন্নয়নের কোর্স করতে পারেন। এমন কিছু করুন, যা আপনার দক্ষতা বাড়াবে এবং টাকাও আয় হবে।

ছোট অর্জনও উদযাপন করুন
ছোট ছোট অর্জনও উদযাপন করুন। আপনি যে কাজই করেন না কেন, এর ছোট সফলতাকেও মূল্যায়ন করা জরুরি। এভাবে একটু একটু করেই মানুষ বড় অর্জনের দিকে এগোয়। পিঠ চাপড়ে নিজেকে বলুন, ‘বাহ্, তুমি তো পারছ’– এটুকু স্বীকারোক্তিই আপনাকে সাহায্য করবে বড় পথ পার হওয়ার জন্য।

সূত্র: ওয়ান্ডারমাইন্ড

শরীরের ওজনের সঙ্গে বন্ধত্যের সম্পর্ক কী?

রফিক- উল- আলম

ওজনের সঙ্গে আবার সন্তান হওয়া-না হওয়ার সম্পর্ক কী? প্রায়শই আমার চেম্বারে বন্ধ্যত্বের সঙ্গে যুদ্ধ করে আসা একশ্রেণির রোগীদের কাছ থেকে এমন প্রশ্নের সম্মুখীন হই।

অনেকেই তাদের সন্তান হতে সমস্যা হওয়ার ক্ষেত্রে ওজনের বিষয়টি কেনো যেনো মেনে নিতে পারে না। মূলত, এই বিষয়ে অজ্ঞতা ও অসচেতনা থেকেই এমন ধারণার উৎপত্তি। অথচ বন্ধ্যত্ব বা ইনফার্টিলিটির সঙ্গে ওজনের এক নিবিড় ও নীরব সম্পর্ক রয়েছে। যদিও প্রায়শই এটি উপেক্ষিত হয়।

কম ওজন (Under Weight) যেমন সন্তান না হওয়া বিলম্বিত করে, ঠিক তেমনি অতিরিক্ত ওজন বা স্থুলতা (Over Weight – Obesity) একটি বিরাট প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে। আর তা শুধু মেয়েদের ক্ষেত্রেই নয়, বরং নারী-পুরুষ উভয়ের বেলাতেই।

কোনো বৈজ্ঞানিক বিদ্যা জাহির না করে সকলের বোঝার জন্য খুব সহজ ভাষায় ছোট্ট করেই বলবো, ফার্টিলিটি বা গর্ভধারণের জন্য যেসব প্রয়োজনীয় হরমোনগুলো রয়েছে, সেগুলো কম ওজন বা অতিরিক্ত ওজনের মেয়েদের বেলায় অনেক সময় ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ে। এতে সন্তান ধারণের অতি পূর্বশর্ত ওভুলেশন বা ডিম্বোস্ফুটনে বাধার সৃষ্টি হয়। ডেকে আনে বন্ধ্যত্ব।

অতিরিক্ত ওজন ডিম্বাণুর গুণগত মান কমিয়ে দেয়, ডিম্ব প্রতিস্থাপিত ঘটাতে (Implantation) ব্যর্থ হয়, এমনকি ক্রুটিপূর্ণ গর্ভধারণ ডেকে আনাসহ গর্ভপাতের অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আর যাদের পিসিওএস ও পিসিওডি রয়েছে, তাদের জন্য তো অতিরিক্ত ওজন সন্তান না হবার পেছনের এক ভয়ঙ্কর খলনায়ক। আইভিএফ বা টেস্টটিউব বেবির সফলতার ক্ষেত্রেও এটি একটি প্রতিবন্ধকতা।

অন্যদিকে স্থূলতা পুরুষের শরীরে টেস্টোস্টেরন (Testosterone) হরমোনের মাত্রা কমায় এবং শুক্রাণুর সংখ্যা ও গুণগত মান কমিয়ে দেয়। এ ছাড়াও অতিরিক্ত ওজনের কারণে যৌন মিলনের আগ্রহ বা ক্ষমতা কমে যেতে পারে, যা স্বাভাবিকভাবেই সন্তান ধারণের সম্ভাবনা কমিয়ে দিয়ে মেল ইনফার্টিলিটির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

সামান্য বেশি ওজনও যে কারো (বিশেষ করে মেয়েদের) গর্ভধারণ হওয়াকে প্রভাবিত করতে পারে। আর এর নজির তো প্রতিনিয়তই আমরা অনেক পাই। সুতরাং সন্তান প্রত্যাশীদের বলবো, নির্ঝঞ্জাটে গর্ভধারণ করতে চাইলে সকলকেই ওজন নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রাখা দরকার। আর এই জন্য প্রয়োজন সঠিক খাদ্যভ্যাস। প্রয়োজন ফাস্ট ফুড, চিনি ও অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাবার এড়িয়ে ভারসাম্যপূর্ণ খাদ্য গ্রহণ করা।

নিয়মিত শরীরচর্চা, দৈনিক হাঁটা, যোগ বা হালকা ব্যায়াম নারী-পুরুষের হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করে। মনে রাখতে হবে, বন্ধ্যত্ব একটি স্বাস্থ্যগত সমস্যা। কোনো অভিশাপ নয়। ওজন সংক্রান্ত সমস্যার কারণে বন্ধ্যত্ব দেখা দিলে, জীবনযাত্রার পরিবর্তন এবং সঠিক সময়ে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের পরামর্শ গ্রহণের মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান খুব সহজেই করা যায়।

লেখক:
কন্সালট্যান্ট; আইভিএফ অ্যান্ড ইনফার্টিলিটি কাউন্সেলর;
ইমপালস হাসপাতাল, ঢাকা
ফোন: ০১৬৮৪৩৪২৪৪৯

স্তন ক্যানসার সচেতনতায় ঢাকা-রাজশাহী-খুলনা গোলাপি সড়ক শোভাযাত্রা

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

স্তন ক্যানসার সচেতনতায় ঢাকা-রাজশাহী-খুলনা গোলাপি সড়ক শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আগামীকাল, সকাল ৮ টায়, ঢাকার মানিক মিয়া এভিনিউতে এই যাত্রার উদ্বোধন হবে।

একটি গোলাপি রঙে সজ্জিত বাসে এবার ঢাকা থেকে রাজশাহী হয়ে খুলনা পর্যন্ত যাবে এই শোভাযাত্রা। প্রথম দিন ৩০ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার, ঢাকা থেকে যাত্রা শুরু করে এলেঙ্গা (টাংগাইল)-সিরাজগঞ্জ বাইপাস- বগুড়া- নওগাঁ- তানোর- রাজশাহী পর্যন্ত পথসভা, সমাবেশ ও লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে জনসচেতনতামূলক কর্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

সন্ধ্যায় রাজশাহীতে সি এন্ড বি মোড়ে (শিমুল মেমোরিয়াল নর্থ সাউথ স্কুলে অ্যান্ড কলেজে) বিভিন্ন নারী সংগঠন, রোটারি ক্লাব ও ইনার হুইল ক্লাবসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

দ্বিতীয় দিন, ৩১ অক্টোবর, শুক্রবার, সকাল ৮ টায় রাজশাহী থেকে খুলনার পথে নাটোর- ঈশ্বরদী- ভেড়ামারা- কুষ্টিয়া- ঝিনাইদহ-যশোর- নোয়াপাড়া হয়ে খুলনা শহরের শিববাড়ী মোড়ে সমাপনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। তৃতীয় দিন, সকাল ৮টায় বাসটি সরাসরি খুলনা থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেবে।

জাতীয় ক্যানসার ইনিস্টিটিউটের সাবেক অধ্যাপক, বাংলাদেশ স্তন ক্যানসার সচেতনতা ফোরামের প্রধান সমন্বয়কারী ও বাংলাদেশের ‘গোলাপি মানব’ অধ্যাপক ডা. মো. হাবিবুল্লাহ তালুকদার (রাসকিন)- এর নেতৃত্বে শোভাযাত্রায় থাকবেন সিনিয়র চিকিৎসক, নার্স, ক্যানসার সারভাইভার, সিনিয়র অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা এবং স্বেছাসেবীসহ প্রায় ২৫ জন সদস্যের একটি দল।

বাংলাদেশ স্তন ক্যানসার সচেতনতা ফোরাম ৫৩টি সংগঠনের সমন্বয়ে একটি প্ল্যাটফর্ম, যারা স্তন ক্যানসার সচেতনতার জন্য ২০১৩ সাল থেকে কাজ করে আসছে। এবারও ত্রয়োদশ বারের মত ১০ই অক্টোবর বাংলাদেশে স্তন ক্যানসার সচেতনতা দিবস যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয়েছে।

গত ১০ অক্টোবর, কেন্দ্রীয় কর্মসূচি হিসেবে জাতীয় প্রেস ক্লাবে গোলটেবিল আলোচনা ও গোলাপি সড়ক শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয় এবং মাসব্যাপী কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়। আজ ২৯ অক্টোবর, পর্যন্ত ঢাকার বিভিন্ন অঞ্চলে পাঁচটি বড় সচেতনতামূলক কার্যক্রম পালন করা হয়েছে।

তবে শুধু রাজধানীতে সীমিত না রেখে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে, ঢাকা-রাজশাহী-খুলনায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে গোলাপি সড়ক শোভাযাত্রার এই কার্যক্রম।

লেবু-পানি কি সবার জন্য উপকারী?

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

লেবু-পানি দেহের জন্য উপকারী- এতো প্রায় সবারই জানা। এতে পানি শূন্যতা কমে, ভিটামিন ‘সি’- এর ঘাটতি পূরণ হয়, এবং ওজন নিয়ন্ত্রণ হয়।

তবে সবার জন্যই কি এই পানীয়টি উপকার বয়ে আনে? এর উত্তর হলো, ‘না’। দেহে কিছু নির্দিষ্ট রোগ বা অসুবিধা থাকলে লেবু-পানিকে কম খাওয়া বা এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেন পুষ্টিবিদরা।

এসিড রিফ্ল্যাক্স বা বুক জ্বালাপোড়ার সমস্যায়
যাদের বুক জ্বালাপোড়া ও এসিড রিফ্ল্যাক্স বা এসিডিটির অসুবিধা রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে লেবু-পানি সমস্যা বাড়িয়ে তুলতে পারে। বিশেষ করে খালি পেটে খেলে এই সমস্যা বাড়ে। তাই যাদের এসব অসুবিধা রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে লেবু-পানি একটু বুঝে খাওয়া বা পুষ্টিবিদের মতামত নিয়ে খাওয়া ভালো বলে পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

দাঁতের সমস্যা
কখনো কখনো লেবুর মধ্যে থাকা সাইট্রিক এসিড দাঁতের এনামেলকে ক্ষয় করতে পারে। লেবু-পানির পর সাধারণ পানি পান করলে এই সমস্যা অনেকটাই এড়ানো যায়।

পাকস্থলীর সমস্যা
লেবু-পানির মধ্যে থাকা এসিডিক উপাদান পাকস্থলীর অস্বস্থি বা এসিডিটি তৈরি করে। তাই পাকস্থলীর সমস্যা থাকলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে এই পানীয়টি পান করুন।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

শীতে ত্বক ভালো রাখে তিন ফল

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

শীতে বাতাসের আর্দ্রতা কমে যাওয়ার কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় ত্বক। ত্বক শুষ্ক, রুক্ষ ও প্রাণহীন হয়ে পড়ে। তবে কিছু ফল রয়েছে, যেগুলো শীতের সময়ে দেহের এই অঙ্গটিকে ভালো রাখতে সাহায্য করে।

শীতের সময় খাওয়া ভালো এমন তিনটি ফলের নাম জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।

কমলা
শীতে ত্বকের শুষ্কতা ও রুক্ষতা কমাতে কমলা চমৎকার ফল। কমলায় রয়েছে ভিটামিন ‘সি’। এই ফলটি কোলাজেন তৈরি করতে উপকারী। কোলাজেন ত্বকের নমনীয়তা ধরে রাখে এবং ত্বককে সহজে বুড়িয়ে যেতে দেয় না। এই ফলটি ত্বককে ভেতর থেকে পুষ্টি জোগায়।

আনার
আনারের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এটি রক্তের সঞ্চালন বাড়ায় এবং ত্বককে উজ্জ্বল করে। আনারের মধ্যে থাকা প্রদাহরোধী উপাদান ত্বকের বিভিন্ন ধরনের প্রদাহ কমিয়ে মলিনতা দূর করে।

পেয়ারা
এশিয়া জুড়ে পেয়ারা খুব প্রচলিত একটি ফল। কমলার চেয়েও পেয়ারায় রয়েছে বেশি ভিটামিন ‘সি’। এটি ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায় এবং মলিনতা কমায়। ভিটামিন ‘সি’ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এতে ত্বকের বিভিন্ন ধরনের জটিলতা দূর হয়।

নিরবে দেহের ক্ষতি করে চার অভ্যাস

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

দৈনন্দিন জীবনের কর্মব্যস্ততা, অর্থনৈতিক-পারিবারিক-সামাজিক চাপ ইত্যাদি মিলিয়ে বর্তমান সময়ের মানুষ যেন আগের চেয়ে বেশি অস্থির। নিজের দিকে তাকানোরও যেন সময় নেই অনেকের।

আর নিজেকে অবহেলা ও ফাঁকি দেওয়ার কারণে দেহে বাসা বাঁধছে বিভিন্ন অসুখ। তবে একটু সচেতন হলেই কিন্তু এসব অভ্যাস এড়িয়ে সুস্থ থাকা যায়। দেহের নিরবে ক্ষতি করে, এমন কিছু দৈনন্দিন ক্ষতিকর অভ্যাসের কথা জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।

টানা বসে থাকা এবং নড়াচড়া না করা
বাসা কিংবা অফিসে টানা বা দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা নিরবে দেহের ক্ষতি করে। এতে পেশি দুর্বল হওয়া, বিপাক ক্ষমতা কমে যাওয়া এবং মেরুদণ্ডের ওপর চাপ বাড়ার আশঙ্কা থাকে। এসব থেকে মুটিয়ে যাওয়া, ডায়াবেটিস ও হার্টের রোগ হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। একটু হাঁটাহাঁটি বা স্ট্রেচ করা, অর্থাৎ সামান্য একটু নড়াচড়াও দেহকে অনেকটা সুস্থ রাখতে পারে।

খাবার না খাওয়া বা অসময়ে খাওয়া
সকালের খাবার না খাওয়া বা ভুলভাল সময়ে খাবার খাওয়া হজমের সমস্যা করে এবং রক্তের সুগারের মাত্রার তারতম্য ঘটায়। দীর্ঘদিন এমন চললে অবসাদ, বিরক্তি ও দিনের অন্য সময়ে বেশি খাওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়। আমাদের দেহ ধারাবাহিকতা চায়। তাই ভারসাম্যপূর্ণ খাবার খাওয়া জরুরি। এতে দেহের শক্তির মাত্রা ঠিক থাকে, পাশাপাশি কাজেও ফোকাস রাখা যায়। দৈনন্দিন জীবনের এসব ছোট ছোট অভ্যাসগুলো দেহকে দীর্ঘমেয়াদে ভালো রাখে।

কম ঘুম
পর্যাপ্ত ঘুম দেহের জন্য বেশি জরুরি। একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের দৈনিক সাত থেকে আট ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন। এর ঘাটতি হলে মেজাজ ও সম্পর্কে ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে। কম ঘুম স্মৃতিশক্তি দুর্বল করে দেয়, বিপাক ক্ষমতা কমায় এবং বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদে রোগের উৎপত্তি ঘটায়।

স্ক্রিনে বেশিক্ষণ থাকা
মোবাইল, কম্পিউটার ও ল্যাপটপের স্ক্রিনে বেশিক্ষণ সময় কাটালেও দেহের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে। হয়তো মুহূর্তেই বিষয়টি বুঝতে পারবেন না। তবে অনেকদিন এমনটা চলতে থাকলে উদ্বেগ, হতাশা, একাকিত্ব ও ঘুমের সমস্যার মতো অসুবিধাগুলো তৈরি হয়। তাই দিনের একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য স্ক্রিন থেকে দূরে থাকুন। একদম নিজের সঙ্গে সময় কাটান।

ভ্রমণে শিশুদের উপযোগী পোশাক ‘কে ক্র্যাফট’-এ

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

সম্প্রতি গবেষণায় দেখা গেছে, ছোটবেলা থেকেই শিশুদের ভ্রমণ করা ভালো। ভ্রমণ একটা শিক্ষামূলক অভিজ্ঞতা, যা তার মেধা বিকাশে ভীষণ সাহায্য করে।

বাড়ন্ত শিশুরা আশপাশের পরিবেশ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে এবং নতুন নতুন অভিজ্ঞতা তাদের জীবনকে সুন্দর ও সমৃদ্ধ করে তোলে। ভ্রমণ থেকে সুখকর স্মৃতি ভবিষ্যতে অনুপ্রেরণা জোগায়। পারিবারিক বন্ধনও মজবুত করে।

ভ্রমণে থাকাকালে একটি শিশু শুধু পাহাড়ই দেখে না, সে বোঝে পাহাড়ের বিশালতা। সমুদ্রের ঢেউ দেখে, অনুভব করে গতি ও প্রবাহ। শিশুরা স্কুলের ক্লাসে বা বইয়ে পড়ে, তবে তারা গভীরভাবে অনুভব করতে শেখে যখন বাস্তবে কিছু দেখে।

বর্তমান সময়ে শিশুরা কম্পিউটার, ল্যাপটপ, মোবাইলসহ বিভিন্ন টেকনোলজি-নির্ভর হয়ে পড়েছে। অভিবাবকরাও এ ব্যাপারে বেশ উদ্বিগ্ন। তাই এর থেকে শিশুদের বিচ্ছেদ ঘটাতে হাজার ব্যস্ততার মাঝে সময় বের করতে হবে। তাদের নিয়ে বেরিয়ে পড়ুন। ভ্রমণের মাধ্যমে বিভিন্ন ডিভাইসের প্রতি আসক্তি থেকে বের করে বাস্তব পৃথিবীর সঙ্গে তাদের পরিচয় করিয়ে দিন।

দূরে কিংবা কাছের ভ্রমণে শিশুদের জন্য উপযোগী পোশাকেরও রয়েছে অনেক গুরুত্ব। দীর্ঘ যাত্রায় এবং পরিবেশ অনুযায়ী মানানসই পোশাক দিন শিশুকে। তাদের পছন্দকেও গুরুত্ব দিন।

পোশাক নির্বাচনে অবশ্যই ফ্যাব্রিককে বিবেচনায় রাখুন। শিশুর ভ্রমণ উপযোগী পোশাকের কথা মাথায় রেখে কে ক্র্যাফটের কাছের যেকোন ব্রাঞ্চেও ঘুরে আসতে পারেন। যেখানে মিলবে সকল বয়সী ছেলে ও মেয়েদের জন্য তৈরি কাপড়। ইতিমধ্যে নতুন কালেকশনের পোশাকও পৌঁছে গেছে সকল শো রুমে। এ ছাড়া অনলাইন স্টোর kaykraft.com থেকেও অর্ডার করতে পারেন।

করলার তেতোভাব দূর করার তিন উপায়

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

করলার পুষ্টিগুণ অনেক। এতে রয়েছে ভিটামিন সি, এ ও বি-কমপ্লেক্স। রয়েছে আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম ও পটাসিয়াম। এতো গুণ থাকার পরেও কেবল তেতো স্বাদের জন্য অনেকের অপছন্দ এই সবজিটি।

তবে কিছু পদ্ধতি মেনে চললে কিন্তু করলার তেতোভাব কিছুটা কমানো যায়। করলার তেতোভাব কমাবার কিছু উপায় জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।

কেটে রোদে শুকানো
করলার ওপরের সবুজ স্তরটি হালকাভাবে ছিলে নিন এবং পাতলা করে কাটুন। এবার রোদে দুই থেকে তিন ঘণ্টা শুকান। এতে করলার আর্দ্রতা প্রাকৃতিকভাবে কমবে এবং খেতেও কম তিতা লাগবে।

কড়কড়া করে ভাজা
করলার তেতোভাব কমানোর জন্য কড়া করেও ভাজতে পারেন। অনেকক্ষণ ধরে ভাজলে বা ডিপ ফ্রাই করলে মুচমুচে বা কড়কড়া হওয়ার কারণে এই ধরনের সবজির তেতোভাব কমে।

লেবুর রস ব্যবহার করুন
করলা কেটে এর মধ্যে লেবুর রস মেশান এবং ২০ থেকে ৩০ মিনিট রাখুন। লেবুর এসিডিক শক্তি করলার ততোভাব কমাতে কাজ করবে।

- Advertisement -
সাতকাহন
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.