Wednesday, September 23, 2026
spot_img
Home Blog Page 7

সুখী দাম্পত্যে না বলা তিন নিয়ম

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

প্রত্যেক সুখী দাম্পত্যই একটি ছন্দে চলে। সাধারণত সেই ছন্দে কোনো নাটকীয়তা বা হুলুস্থূল থাকে না। সেটি হয় নিরব, তবে নিশ্চিত। বাইরে থেকে এটি দেখতে উদ্যমহীন মনে হতে পারে। তবে এর ভেতরে রয়েছে ভিন্ন এক জাদু।

সুখী দম্পতিরা হয়তো মুখে একে অপরকে এসব বলে না, তবে ঠিকই পালন করে, এমন কিছু বিষয়ের কথা জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।

দয়া
সুখী দম্পতিরাও লড়াই করে, হতাশ হয়, কখনো কখনো নিরব হয়ে যায়। তবে তাদের মধ্যে যেই বিষয়টি খুব দৃঢ়ভাবে থাকে তা হলো, পরস্পরের প্রতি দয়া। এই দয়ালুভাব তাদের মন-মেজাজের ওপর নির্ভর করে না। বরাং এটি তারা নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত করে। আসলে যেকোনো সম্পর্কেই মানুষ হিসেবেও একে অপরের প্রতি দয়া বা করুণাটা প্রয়োজন।

একইসঙ্গে তর্কে না জড়ানো
সাধারণত সুখী দম্পতিরা একই সঙ্গে তর্কে জড়ায় না। কেউ তর্ক করলে তার কথা শোনার চেষ্টা করে। এর মানে এই নয় যে নিজের অনুভূতিগুলো সে চেপে যাচ্ছে বা কথা বলছে না। এর মানে হচ্ছে, সে কিছুটা অপেক্ষা করছে অনুভূতিগুলো সঠিক সময়ে বলার জন্য। পাশাপাশি অপরপ্রান্তের মানুষটিকে তার মনের কথাগুলোও প্রকাশের সুযোগ করে দিচ্ছে।

নিরব প্রতিশ্রুতি
‘আমি তোমার সঙ্গে আছি’ বা ‘তোমার বিপদে পাশে রয়েছি’- এসব কথা খুব উচ্চস্বরে বলার প্রয়োজন পড়ে না সুখী দম্পতিদের। তারা একে অপরের পাশে এমনিতেই সহযোগী শক্তি হিসেবে রয়ে যায়। তারা পরস্পরের জন্য যন্ত্রণার কারণ হয়ে দাঁড়ায় না।

ভ্রমণে যাবেন কেন?

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্প ‘হৈমন্তী’ নিশ্চয়ই পড়া রয়েছে অনেকের। এই গল্পের প্রধান চরিত্র হৈমন্তী মানসিক চাপের কারণে অসুস্থ পড়লে চিকিৎসক তার পরিবারকে পরামর্শ দিয়েছিলো হাওয়া বদল করাতে। এই হাওয়া বদলটাই ভ্রমণ।

ভ্রমণ মানসিক স্বাস্থ্য ও জীবনকে নতুনভাবে বোঝার জন্য খুব জরুরি। বেড়াতে যাওয়ার কিছু উপাকারী দিকের কথা জানিয়েছে ভ্রমণ ও প্রাণীবিষয়ক ওয়েবসাইট ভিজিটওনাগোরিলা ডটকম।

  •  ভ্রমণে গেলে বিভিন্ন ধরনের মানুষ, ভিন্ন সংস্কৃতি, জীবনযাত্রা, ভাষা, দৃষ্টিভঙ্গী সম্পর্কে জানা যায়। এটি মানুষকে সহজ ও উদার হতে সাহায্য করে। নিজেকে ও অপরকে জানা-বোঝার পরিধি বাড়ে।
  • ভ্রমণ কখনো কখনো মানুষকে তার কমফোর্ট জোন বা আরামের জায়গা থেকে বের করে নিয়ে আসে। নতুনভাবে সব দেখতে ও ভাবতে শেখায়। এতে সমস্যা সমাধান দক্ষতা, স্বাধীনতা ও সহনশীলতা তৈরি হয়; ব্যক্তিগত বিকাশ ঘটে।
মডেল: সাংবাদিক ও লেখক ফারাহ জাবিন শাম্মী
মডেল: সাংবাদিক ও লেখক ফারাহ জাবিন শাম্মী
  • বর্তমান সময়ে মানসিক চাপ খুব প্রচলিত সমস্যা। ভ্রমণ মানসিক চাপকে কমাতে কাজ করে; নিজেকে ফিরে পাওয়া যায়। দৈনন্দিন জীবনের ধারাবাহিক যন্ত্রণা থেকে কিছুটা মুক্তি মেলে।
  • সাধারণত বন্ধু বা পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে ভ্রমণ করলে বন্ধন মজবুত হয়। নিজেদের মধ্যে গুণগত সময় কাটাবার কারণে যোগাযোগ বাড়ে এবং একে অপরকে গভীরভাবে বুঝতে পারার সুযোগ বাড়ে। এগুলো সম্পর্ক দৃঢ় করতে জরুরি।
  • প্রকৃতির রয়েছে নিজস্ব নিরাময় ক্ষমতা। এটি অনেক সময় কোনো মানুষ বা সঙ্গী পূরণ করতে পারে না। সমুদ্রের তীরে গিয়ে খালি পায়ে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলে বা পাহাড়ে ট্র্যাকিং করলে প্রকৃতির সঙ্গে যেমন গভীর সংযোগ তৈরি হয়, তেমনি নিজেকেও নতুনভাবে আবিষ্কার করা যায়।

দাঁত নড়ে যাওয়া প্রতিরোধে করণীয়

ডা. মো. আসাফুজ্জোহা রাজ

ধারক কলাতে প্রদাহ, হরমোনের প্রভাব, হাড় ক্ষয় রোগ, আঘাত লাগা, ভুল চিকিৎসা, জটিল রোগের উপসর্গ হিসেবে ইত্যাদি বিভিন্ন কারণে দাঁত নড়ে যেতে পারে।

কারণ যাই হোক, নড়ে যাওয়া কারো কাম্য নয়। প্রকৃত পরিচর্যার মাধ্যমে আজীবন দাঁতকে সুস্থ ও মজবুত রাখা সম্ভব। কিছু বিষয় মেনে চললে দাঁত অনেকটাই সুস্থ থাকবে এবং নড়ে যাওয়া প্রতিরোধে হবে।

  • সকালে নাশতার পর এবং রাতের খাবার খাওয়ার শেষে দুই মিনিট ধরে প্রতিটি দাঁতের পাঁচটি পৃষ্ঠকে পরিষ্কার করতে হবে।
  • টুথপিক বা কাঠির পরিবর্তে ডেন্টাল ফ্লস ব্যবহার করুন।
  • চিনির তৈরি মিষ্টি জাতীয় খাবার কম খান।
  • খাদ্যতালিকায় মৌসুমী তাজা শাক-সবজি, ফলমূল, দুধ, টক দই, ছোট মাছ, সামুদ্রিক মাছ সহ ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ‘সি’যুক্ত খাবার রাখুন।
  • কোন উপসর্গ না হলেও বছরে কমপক্ষে একবার দাঁতের চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
  • মুখ শুষ্ক বা অন্যান্য রোগ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শে মাউথওয়াশ ব্যবহার করুন।
  • মাড়ি ফোলা বা রক্ত পড়া অনুভূত হলেই দেরি করার সুযোগ নেই। চিকিৎসকের তত্বাবধানে স্কেলিং এর মাধ্যমে নিরাপদভাবে দাঁতের পৃষ্ঠে জমে থাকা ব্যাকটেরিয়াল প্ল্যাক বা ক্যালকুলাস দূর করুন। অবহেলা করলে অনেক সময় রুট প্ল্যানিং, গ্রাফটিং, কামড় শুদ্ধ করণ, বাইট প্লেট, স্প্লিনটিংয়ের মতো চিকিৎসার প্রয়োজন পড়ে।
  • দাঁত হারালে কৃত্রিম সংযোজন অতি জরুরি। না হলে অন্য দাঁতও নড়ে যেতে পারে।

লেখক: চিকিৎসক;
রাজ ডেন্টাল সেন্টার, কলাবাগান
রাজ ডেন্টাল ওয়ার্ল্ড, পান্থপথ;
ফোন: ০১৯১১ ৩৮৭২৯১

প্রেমিকার যে চার অভ্যাস পুরুষের অপছন্দ

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার অন্যতম মূলমন্ত্র সম্মান ও শ্রদ্ধা। নারী বা পুরুষ যেই হোক না কেন, এটি তার বেসিক নিড বা প্রয়োজনীয় মানসিক চাহিদা।

সম্পর্কের ক্ষেত্রে সঙ্গীর কিছু অভ্যাস অপর প্রান্তের মানুষটিকে আহত করতে পারে বা বিরক্ত করে তুলতে পারে। আজ রইল, প্রেমিকা বা নারী সঙ্গীর ক্ষেত্রে পুরুষ কী অপছন্দ করে, সেই বিষয়ে আলোচনা। নারীদের কী অপছন্দ সে নিয়েও আলোচনা হবে, তবে আরেকদিন।

চলুন জানি, নারী সঙ্গীর কোন অভ্যাস পুরুষের অপছন্দ-

সারাক্ষণ তাকে বদলাতে চাওয়া
প্রেমিকের ছোট ছোট ভুলকে শুধরে দেওয়াই যায়। তবে সেটি সারাক্ষণ করা হলে এবং আপাদমস্তক মানুষটিকেই বদলে দিতে চাইলে, তা সাধারণত পছন্দ করে না পুরুষ। এটি তাকে একসময় বিরক্ত করে তোলে। বেশি নিয়ন্ত্রণ বা অধিকারবোধের বাড়াবাড়ি কোনো সম্পর্ককেই সুস্থ থাকতে দেয় না।

পছন্দের জায়গাকে না বোঝা
আপনার প্রেমিক হয়তো ক্রিকেট খেলতে বা সিনেমা দেখতে বা বেড়াতে ভালোবাসে। তবে আপনার সেগুলো পছন্দ নয়। আর এই জন্য সারাক্ষণ খোঁচা দিতে থাকেন তাকে। মান-অভিমান করে গাল ফুলিয়ে রাখেন। এতে কিন্তু বন্ধন কখনোই মজবুত হবে না। শুরুর দিকে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে প্রেমিক সেগুলো মেনে নিলেও পরে বিরক্ত হবে। কারণ, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে নারী হোক বা পুরুষ, মানুষ চায় সঙ্গী এমন হবে, যে তার পছন্দকে সম্মান করবে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সম্পর্কের সমস্যা নিয়ে বলা
ঝগড়া, মনোমালিন্য সব সম্পর্কেই হয়। তবে সেগুলো অন্যের কাছে বলে বেড়ানো বা চুন থেকে পান খসলেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সেগুলো নিয়ে কথা বলা ইত্যাদি সাধারণত পছন্দ নয় পুরুষের। এই ধরনের প্রেমিকা ও সম্পর্ক থেকে দূরে থাকতে চায় তারা।

পুরুষের মন খারাপের সময় কথা বলে যাওয়া
মানুষের কখনো কখনো ‘মি টাইম’ বা নিজস্ব সময়ের প্রয়োজন পড়ে। বিশেষ করে ভীষণ চাপের অবস্থাগুলোতে। এটি তাকে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে বা পরিষ্কারভাবে ভাবতে সাহায্য করে। তবে প্রেমিকা এই অবস্থাটিকে না বুঝলে এবং সারাক্ষণ কথা বলতে থাকলে, পুরুষের সেটি ভালো লাগে না। খাস বাংলায় বললে, যে নারী বেশি কথা বলে বা বকবক করে এবং অবস্থা বুঝে কথা বলে না, তাকে সাধারণত পছন্দ নয় পুরুষের।

শীতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কী খাবেন?

লিনা আকতার

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হল রোগের বিরুদ্ধে শরীরের সর্বোত্তম প্রতিরক্ষা। কারণ, দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আমাদের দেহকে অসুস্থ করে তোলে। বিশেষ করে শীতকালে সর্দি, কাশি, ফ্লু , হজমের সমস্যা, ক্লান্তি, ঘনঘন সংক্রমণের ঝুঁকি ইত্যাদি বাড়তে পারে।

এই জন্য রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করতে সঠিক পুষ্টির প্রয়োজন। যদিও এমন কোনো নির্দিষ্ট খাবার নেই যে দেহের প্রয়োজনীয় সমস্ত পুষ্টি সরবরাহ করবে। তবে সমস্ত খাদ্যগোষ্ঠী থেকে বিভিন্ন ধরনের বৈচিত্র্যময় খাবার খাওয়া নিশ্চিন্ত করতে হবে। এগুলো দেহকে জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়াই করতে এবং সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

আসুন জেনে নেওয়া যাক, শীতকালে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কী ধরনের খাবার খাবেন-

ভিটামিন ‘সি’
ভিটামিন ‘সি’ আমাদের শরীরকে সুস্থ রাখতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। যেহেতু আমাদের দেহ ভিটামিন ‘সি’ তৈরি করে না, তাই খাদ্যের ওপর নির্ভর করতে হয়। এই জন্য সাইট্রাসযুক্ত বা ভিটামিন ‘সি’যুক্ত খাবার বেশি গ্রহণ করুন। যেমন: আমলকী, লেবু, পেয়ারা, জাম্বুরা ইত্যাদি।

ফাইটোক্যামিকেল
যে ফল ও শাকসবজি উজ্জ্বল রঙের সেগুলো ফাইটোক্যামিকেল। যেমন: লাল, কমলা বা হলুদ, সবুজ ইত্যাদি রঙের।

টমেটো, ক্যাপসিকাম, স্ট্রবেরি ইত্যাদি লাল জাতীয় খাবারগুলোতে শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এগুলো শরীরে ক্ষতিকর কোষের বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারে। আবার আম, গাজর, মিষ্টি আলুতে প্রচুর পরিমাণে বিটা-ক্যারোটিন রয়েছে। এগুলো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

সবুজ শাক-সবজিতে ক্লোরোফিল নামক ফাইটোক্যামিকেল রয়েছে। সবুজের উৎস হিসেবে শীতকালে পাওয়া যায় এমন সবজিগুলো হলো, পালংশাক, ফুলকপি, বাঁধাকপি, ব্রকলি ইত্যাদি।

প্রোবায়োটিক
শীতকালে নড়াচড়া করা হয় না তেমন। এই কারণে অনেকেরই হজম ভালো হয় না। এই সময় প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ খাবার খেতে পারেন। প্রোবায়োটিকের চমৎকার উৎস দই। এটি নিয়মিত পরিমিত পরিমাণে খেতে পারলে হজমশক্তি বৃদ্ধির পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ে।

এ ছাড়া হজম ভালো করতে ফাইবারসমৃদ্ধ শাকসবজি ও ফল খেতে পারেন। এগুলোও প্রোবায়োটিক হিসেবে কাজ করে।

বাদাম
বিভিন্ন ধরনের বাদাম খেতে পারেন। এতে ভিটামিন ‘ই’, প্রোটিন, ফাইবার ও স্বাস্থ্যকর চর্বি রয়েছে। এগুলো ঘন ঘন ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

ভিটামিন ‘ডি’
শীতকালে মানুষ বাইরে কম সময় কাটায়। শীতে পর্যাপ্ত সূর্যের আলো না-ও পাওয়া যেতে পারে। সূর্যের আলো থেকে ভিটামিন ‘ডি’ পাওয়া যায়। তবে এই জাতীয় খাবার খুব কমই রয়েছে। ভিটামিন ‘ডি’ সমৃদ্ধ খাবার হলো, ডিমের কুসুম, মাশরুম, সামুদ্রিক মাছ, ফরটিফাইড সিরিয়াল প্রভৃতি।

ভিটামিন ‘ডি’ দেহে হরমোন হিসেবেও কাজ করে। এটি শরীরে রোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। যাদের ক্রনিক (দীর্ঘমেয়াদে) রোগ রয়েছে, তারা চিকিৎসকের পরামর্শে ভিটামিন ‘ডি’ সাপ্লিমেন্ট খেতে পারেন।

জিঙ্ক
শীতে অনেকেই সর্দি, কাশি, ফ্লু, ডায়রিয়ার মতো সমস্যায় ভোগে। এই জন্য জিঙ্ক সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া জরুরি। জিঙ্কের উৎস হিসেবে খেতে পারেন বাদাম, তিসিবীজ, চিয়াবীজ, গোটা শস্য ইত্যাদি।

মসলা
শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ, সর্দি, কাশির প্রকোপ কমাতে তেজপাতা, কালো মরিচ খেতে পারেন। এ ছাড়া খেতে পারেন রসুন। রসুনে অ্যান্টিভাইরাল, অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল রয়েছে। আরও খেতে পারেন, হলুদ-দুধ কিংবা হলুদ-পানি। কারণ, হলুদে কারকিউমিন নামক উপাদান শরীরে প্রদাহ ও শীতকালীন সংক্রমণ প্রতিরোধে সাহায্য করে।

পানি বা তরল খাবার
শীতকালে ঋতু পরিবর্তনের কারণে বাতাস শুষ্ক হয়ে যায়। এতে দেহে পানিশূন্যতা তৈরি হয়। তাই দিনে কমপক্ষে আট গ্লাস পানি পান করুন। এ ছাড়া পানি জাতীয় সবজি ও ফল খেতে পারেন। যেমন: শসা, কলা, টমেটো, লেবুর শরবত ইত্যাদি।

বাড়তি পরামর্শ

  • নিয়মিত ব্যায়াম করুন। ব্যায়াম করলে ঠান্ডা লাগার আশঙ্কা প্রায় ২০ থেকে ৩০ শতাংশ কমে যায়।
  • নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
  • পর্যাপ্ত ঘুমান।
  • মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করুন।
  • গরম পোশাক পরুন।
  • যাদের আগে থেকে ফ্লু জাতীয় সমস্যা রয়েছে, তারা নিয়মিত গরম পানির ভাপ নিন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ভ্যাকসিন নিতে পারেন।
  • পরিষ্কার-পরিছন্ন থাকুন।

লেখক: পুষ্টিবিদ; রাইয়ান হেলথ কেয়ার হসপিটাল অ্যান্ড রিসার্চ
সেন্টার; দিনাজপুর

প্রতিদিন হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহারে পাঁচ ক্ষতি

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

অফিসে যাওয়ার তাড়াহুড়ো। চুল ধুয়েছেন কিছুক্ষণ আগে। ঝটপট শুকাতে হবে। হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার করে নিলেন। আবার হয়তো শীতের সময় বা রাতের বেলা গোসল করেছেন। চুল যেন দ্রুত শুকিয়ে যায় এবং ঠাণ্ডা না লাগে, তাই ব্যবহার করে নিলেন হেয়ার ড্রায়ার।

আসলে চুল দ্রুত শুকাতে হেয়ার ড্রায়ার বা চুল শুকাবার যন্ত্র অনেকেই ব্যবহার করেন। তবে জানেন কি এই যন্ত্রটির ভুলভাল ব্যবহার আপনার চুলকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে? হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহারের কিছু ক্ষতির কথা জানিয়েছে জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট ওয়ানএমজি ডটকম।

চুলের শুষ্কতা
প্রতিদিন হেয়ার ড্রায়ার দিয়ে শুকালে চুলের ময়েশ্চার বা আর্দ্রতা কমে যায়। চুল শুষ্ক হয়ে পড়ে। ধীরে ধীরে এই অঙ্গটি দুর্বল হয়ে যায়।

চুল ভঙ্গুর হয়ে পড়ে
চুল দুর্বল হয়ে পড়লে এর ভঙ্গুরতা বেড়ে যায়। অর্থাৎ এটি ভেঙ্গে পড়ে। এমনকি চুল খসখসে হয়ে যায়।

ঝলমলেভাব নষ্ট হয়
উচ্চ তাপে হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার করলে চুলের কিউটকল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। চুল মলিন ও প্রাণহীন লাগে; ঝলমলেভাব নষ্ট হয়।

মাথার তালুতে অস্বস্তি হয়
মাথার খুব কাছ থেকে হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার করলে, অতিরিক্ত তাপ থেকে মাথার তালুতে অস্বস্তি হতে পারে। অনেক সময়
চুলকানি ও খুশকি হওয়ারও আশঙ্কা বাড়ে।

তাপ থেকে ক্ষতি
হেয়ার ড্রায়ারের বেশি তাপ থেকে চুলের প্রোটিন স্ট্রাকচার ভেঙ্গে যেতে পারে। এতে আগা ফাঁটা ও চুল পড়ে যাওয়ার সমস্যা হয়।

- Advertisement -
সাতকাহন
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.