Wednesday, September 23, 2026
spot_img
Home Blog Page 6

শীতে স্যুপ খাওয়ার পাঁচ উপকার

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

স্যুপ ভীষণ সুস্বাদু একটি খাবারের নাম। বিভিন্ন সবজি ও মাংস দিয়ে তৈরি এই তরলটি যেমন সহজে রান্না করা যায়, তেমনি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও সাহায্য করে।

শীতের সন্ধ্যা বা রাতে ধোঁয়া ওঠা একবাটি স্যুপ যে কাউকে একটি উষ্ণ অনুভূতি দিতে যথার্থ। শীতে স্যুপ খাওয়ার কিছু উপকারের কথা জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।

  • স্যুপ বিভিন্ন সবজি ও মাংস দিয়ে তৈরি করা হয় বলে এর মধ্যে ভিটামিন, জিংক, বেটা কেরোটিন, অ্যান্ট-অক্সিডেন্ট ইত্যাদি থাকে। এগুলো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
  • সবজি ও ফল দেহের জন্য উপকারী খাবার। স্যুপের মধ্যে এগুলো দেওয়া হয়। তাই এসব খাবার খেতে বাড়তি আয়োজন করা লাগে না।
  • স্যুপ যেহেতু তরল, তাই এটি দেহের পানিশূন্যতা প্রতিরোধেও উপকারী।
  • এই খাবারটি দ্রুত হজম হয়। তাই পেটের জন্য ভালো।
  • শীতের দিনে ঠান্ডা-কাশি প্রচলিত সমস্যা। এই সময় একবাটি উষ্ণ স্যুপ খাওয়া গলার জন্যও আরামদায়ক।

শীতে ঠান্ডা-কাশি: প্রতিরোধে করণীয়

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

শীতে ঠান্ডা-কাশি বেশ প্রচলিত সমস্যা। বিশেষ করে যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকে, তারা এই সমস্যায় বেশি আক্রান্ত হয়। শীতে ঠান্ডা-কাশি প্রতিরোধে কিছু করণীয় বিষয় জানিয়েছে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট ওল্ডফোর্থ ওয়ার্ড পেডিয়াট্রিস।

  • ভারাসাম্যপূর্ণ ও স্বাস্থ্যকর খাবার এই সময়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কাজে দেবে। খাদ্যতালিকায় রাখুন লেবু, মাল্টা, কমলা ও শাক-সবজি। এ ছাড়া বাদাম ও বিভিন্ন ধরনের বীজ খেতে পারেন। এগুলো শক্তি বাড়াতে কাজ করবে।
  • হাত ধোয়ার অভ্যাস তৈরি করুন। বিশেষ করে বাইরে থেকে এসে, খাবার খাওয়ার আগে ও পরে, নাক ও মুখে হাত দেওয়ার আগে ও পরে।
  • ফ্লু প্রতিরোধে এখন বিভিন্ন ভ্যাকসিন রয়েছে। চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে এগুলো গ্রহণ করতে পারেন।
  • ব্যায়াম করুন। বাইরে যেতে না পারলেও ঘরে ব্যায়াম করতে পারেন।
  • দীর্ঘমেয়াদে মানসিক চাপ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। মানসিক চাপ প্রতিরোধে ধ্যান ও শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম করতে পারেন। প্রয়োজনে কাউন্সেলরের সাহায্য নিন।
  • পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুমান। ঘুম শরীরকে চাঙা রাখতে কাজ করবে।

 

রঙ বাংলাদেশের পোশাকে ‘বিজয় উৎসব’

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

ডিসেম্বর- বিজয়ের মাস। বাংলার আকাশে ভেসে ওঠে রক্তে লেখা এক গৌরবগাথা, যা আমাদের জাতিসত্তার মূলে স্থায়ী হয়ে রয়েছে স্বাধীনতার অমর চিহ্ন হয়ে।

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের বীর সন্তানদের রক্তে অর্জিত এই পতাকার লাল ও সবুজ রং আজও আমাদের হৃদয়ের গভীরে অনন্ত প্রেরণার প্রতীক। এই চেতনায় সবসময়েই বলিয়ান রঙ বাংলাদেশ আয়োজন করেছে ‘বিজয় উৎসব’।

এই আয়োজনের মূল থিম বাংলাদেশের মানচিত্র, জাতীয় সংগীত ও জাতীয় পতাকা। এই তিন প্রতীকের মধ্যে নিহিত রয়েছে আমাদের অস্তিত্ব, সংগ্রাম ও স্বপ্ন। এই তিন প্রতীকের গল্পকেই রঙ বাংলাদেশ তুলে ধরেছে নকশা, রং ও ফ্যাব্রিকের মেলবন্ধনে। এতে প্রতিফলিত হয়েছে স্বাধীনতার আবেগ ও আধুনিকতার সংযোগ।

এবারের ব্যবহৃত ফেব্রিক্সে এসেছে আরাম ও নান্দনিকতার সুষম মেলবন্ধন- কটন, হাইব্রিড কটন, জ্যাকার্ড কটন ও হাফসিল্ক। এই কাপড়গুলো শুধু পোশাক নয়, যেন একেকটি ইতিহাসবাহী চিহ্ন। এখানে ঐতিহ্য ও আধুনিকতার মিলন ঘটেছে অনবদ্যভাবে।

পোশাকের কাজে ব্যবহৃত হয়েছে স্ক্রিন প্রিন্ট ও ডিজিটাল প্রিন্ট। এখানে একদিকে বাংলাদেশের মানচিত্র ফুটে উঠেছে শিল্পীর নিপুণ হাতে, অন্যদিকে জাতীয় সংগীতের পঙ্‌ক্তিগুলো যেন বাতাসে বাজে রঙিন ছন্দে। আর পতাকার লাল সূর্যের বৃত্ত ছড়িয়ে দিয়েছে বিজয়ের আগুনে দীপ্ত শক্তির প্রতীকী ইঙ্গিত। এই আয়োজনের প্রতিটি পোশাক যেন একেকটি ক্যানভাস। এখানে ইতিহাস কথা বলে রঙে, দেশপ্রেম মিশে যায় নকশায়, আর বিজয়ের গান গেয়ে ওঠে প্রতিটি ফ্যাব্রিকের বুননে।

এবারের বিজয় উৎসবের আয়োজনে থাকছে শিশু, তরুণ ও প্রবীণের জন্য নানারকম পোশাক। পাঞ্জাবি, শাড়ি, কামিজ, স্ট্রিচ ড্রেস(থ্রিপিস), শাল, মগ, উত্তরীয় ও বিজয় স্পেশাল সুভিনির সামগ্রী। সবগুলোতেই ডিজাইন, রং ও উপাদানের মাধ্যমে ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের ঐতিহ্য, সংগ্রাম ও নবযাত্রার গল্প।

এ ছাড়াও এবারের আয়োজনে রয়েছে পরিবারের সকল সদস্যের জন্য ফ্যামিলি ম্যাচিং পোশাক। বাবা-ছেলে, মা-মেয়ে, কাপল ও ডুয়েট ডিজাইন। এতে একসঙ্গে পরার মাধ্যমে সম্পূর্ণ পরিবার একই রঙে ও অনুভবে বিজয়ের আনন্দ উদযাপন করতে পারে।

পাশাপাশি কর্পোরেট অফিস, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কিংবা সাংস্কৃতিক আয়োজনে অংশগ্রহণকারীরাও রঙ বাংলাদেশের বিশেষ কালেকশন থেকে নিজেদের জন্য ম্যাচিং পোশাক অর্ডার করতে পারবেন।

বিজয় উৎসবের এই অনন্য আয়োজনের পোশাক পাওয়া যাচ্ছে রঙ বাংলাদেশের ঢাকা ও ঢাকার বাইরের সকল আউটলেটেই।

এ ছাড়াও অনলাইনে ঘরে বসে অর্ডার করা যাবে www.rang-bd.com ওয়েবসাইটে অথবা যেকোনো প্রয়োজনে ইনবক্স করতে পারেন আমাদের ভ্যারিফাইড ফেসবুকে পেজ facebook.com/rangbangladesh অথবা ০১৭৭৭৭৪৪৩৪৪ / ০১৭৯৯৯৯৮৮৭৭ নাম্বারে।

ভূমিকম্পের ‘ট্রমা’ নিরাময়ে করণীয়

রফিক- উল- আলম

কয়েকদিনের বার বার ভূমিকম্পের কারণে দেশবাসী, বিশেষ করে ঢাকা ও আশেপাশের এলাকার অনেকেই রীতিমতাে ট্রমাটাইজড বা আতঙ্কিত। বিশেষ করে ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকায় এই আতঙ্ক বেশি।

এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে শুরু করে সর্বত্র একটা প্যানিক সৃষ্টি হয়েছে। ভূমিকম্পের মতো ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগে এই আতঙ্কিত হওয়াটা বড়ই স্বাভাবিক। তবে এমন অস্থিরতার মাঝেও যে সবার মানসিক স্বাস্থ্যের কথা ভাবতে হবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

এমন প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় নিজের ও পরিবারের আতঙ্ক কাটিয়ে কীভাবে মনে শক্তি ও শান্তি বজায় রাখবেন, সেটি নিয়েই আমাদের আলোচনা।

সঠিক তথ্য গ্রহণ
ভূমিকম্পের বিষয়ে নির্ভরযোগ্য উৎস (যেমন সরকারি সংস্থা) থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য জানুন। গুজব বা ভিত্তিহীন সংবাদ থেকে দূরে থাকুন। অতিরিক্ত বা উদ্বেগ বাড়ায় অপ্রয়োজনীয় এমন সংবাদ দেখা বা শোনা থেকে বিরত থাকুন।

ঠিক তেমনি ভূমিকম্প সংক্রান্ত খবর, ছবি বা ভিডিও বারবার দেখা থেকে বিরত হন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই ধরনের বিষয়, বিশেষ করে ধ্বংসাত্মক দৃশ্য দেখা কমিয়ে দিন। কারণ, এগুলো আপনার ট্রমা আরও বাড়িয়ে দেওয়ার উপাদান হিসেবে কাজ করবে।

করণীয় সম্পর্কে জানুন
ভূমিকম্প চলাকালীন ও পরবর্তী আপদকালীন সময়ে আপনার করণীয় কী, সে বিষয়ে পরিবারের সবাইকে নিয়ে বসুন। পরিবারসহ সবাই মিলে বারবার আলোচনা ও অনুশীলন করুন। এই দুর্যোগকালীন সময়ে ঠিক কী করতে হবে, জানলে আতঙ্ক অনেকাংশেই কমে যাবে।

শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম অনুশীলন করুন
হঠাৎ ভয় বা দুশ্চিন্তা বেড়ে গেলে গভীর শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম করুন। শ্বাস নিন এবং ধীরে ধীরে ছাড়ুন। এ ছাড়াও ইয়োগা ও মেডিটেশন চর্চা করুন। এগুলো আপনার মন ও নার্ভাস সিস্টেমকে শান্ত করতে এবং মনোযোগ বাস্তবতায় ফেরাতে সহায়ক হবে।

দৈনন্দিন রুটিন ঠিক রাখুন
যতোটা সম্ভব প্রতিদিনের স্বাভাবিক কাজকর্ম, যেমন- ঘুমের নিয়ম ও খাদ্যাভ্যাস ঠিকঠাক রাখুন। পর্যাপ্ত ঘুম ও স্বাভাবিক দৈনন্দিন কর্মকাণ্ড আপনার মানসিক স্থিরতা ঠিক রাখতে দারুণভাবে সাহায্য করবে।

ঘরের আসবাবের নিরাপত্তা বিধান
ঘরের ভারী আসবাবপত্র দেয়ালের সঙ্গে ভালোভাবে আটকে রাখুন, যাতে কম্পনের সময় তা পড়ে না যায়। সেই সঙ্গে ভূমিকম্পকালীন ঘর থেকে বের হওয়ার পথে কোনো প্রতিবন্ধকতা থাকলে তা সরিয়ে চলাচলের পথ নির্বিঘ্ন করুন। এমন ছোট প্রস্তুতিগুলো আপনার মধ্যে নিরাপত্তার অনুভূতি বাড়িয়ে দিবে।

অনুভূতি শেয়ার করুন
আপনার ভয়, উদ্বেগ, উৎকন্ঠা ইত্যাদি অনুভূতিগুলো পরিবার, কাছের মানুষ ও বিশ্বস্ত বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করুন। তাদের সঙ্গে কথা বলুন। এতে আপনার মনের চাপ অনেকাংশে কমে যাবে।

সামাজিকতা বাড়ান
কাছাকাছি থাকা বন্ধু, প্রতিবেশীদের সঙ্গে সময় কাটান। এই ধরনের সামাজিকতা আপনার মনের চাপ অনেকাংশে কমাবে।

শিশু ও প্রবীণের প্রতি মনোযোগ দিন
পরিবারের ছোট শিশু ও প্রবীণের দিকে মনোযোগ দিন। তাদের সঙ্গে সংবেদনশীল আচরণ করুন। পরিস্থিতি সম্পর্কে তাদের প্রাথমিক ধারণা দিয়ে রাখুন, যা আপদকালীন সময়ে পরিস্থিতি মোকাবিলায় একদিকে যেমন সহায়ক হবে, ঠিক তেমন এই দায়িত্ববোধ আপনাকে আরো আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে।

সংশ্লিষ্ট পেশাদারদের সহায়তা নিন
ভূমিকম্প বিষয়ে উদ্বেগ, উৎকন্ঠা, ঘুমের সমস্যা বা আতঙ্ক আপনার দৈনন্দিন জীবনকে ব্যাহত করলে এবং মনের ওপর খুব বেশি চাপ সৃষ্টি করলে, দেরি না করে একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ বা কাউন্সেলরের সহায়তা নিন।

পরিশেষে আবারো বলবো, শরীরের মতো করেই নিজের মনের যত্ন নিন। জানবেন, এমন ক্রান্তিকালে ভয় পাওয়া খুবই স্বাভাবিক, তবে সেটি যেন আতঙ্ক হয়ে আপনার স্বাভাবিক জীবন থামিয়ে না দেয়। তাইতো এই বিষয়ে মানসিক প্রস্তুতি রাখুন। মনের এই প্রস্তুতি আত্মনিয়ন্ত্রণের অনুভূতি বাড়িয়ে আপনাকে ট্রমা মুক্ত করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখবে। একটি কথা মনে রাখতে হবে, ভূমিকম্প বিষয়ে সচেতন হোন, আতঙ্কিত নয়।

লেখক: সাইকো সোশ্যাল কাউন্সেলর ও হেলথকেয়ার অ্যাক্টিভিস্ট
ইমপালস হাসপাতাল, ঢাকা;
সহায়তায় : ০১৬৮৪৩৪২৪৪৯

চতুর্থ সমাজভিত্তিক ক্যানসার সেবা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

চতুর্থ সমাজভিত্তিক ক্যানসার সেবা সম্মেলন এবং কমিউনিটি অনকোলজি সেন্টার ট্রাস্টের সপ্তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ, ২২ নভেম্বর, শনিবার বিকেল ৩টায়, ঢাকার কৃষিবিদ ইন্সটিটিউশনের থ্রি-ডি হলে এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে আলোচ্য বিষয় ছিলো, ক্যানসার সেবায় সামাজিক সম্পৃক্তি বৃদ্ধি, সমাজভিত্তিক ক্যানসার সেবার প্রতি স্বাস্থ্য ব্যবস্থার তৎপরতা বৃদ্ধি, সমাজভিত্তিক ক্যানসার স্ক্রিনিং ও নিবন্ধন, ক্যানসার সেবা প্রাপ্তিতে পরিবারের দায়িত্ব, সমাজভিত্তিক প্রশমন সেবা, সমাজভিত্তিক ক্যানসার সেবায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার। পাশাপাশি ক্যানসার রোগীদের খাবার ও পুষ্টির গুরুত্ব, জীবন জয়ের গল্প, সমাজভিত্তিক ক্যানসার সেবার নানা উদ্যোগ ইত্যাদি।

ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক এম এ হাই, কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্টের সভাপতি ড. আবু মুহম্মদ জাকির হোসেন, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. আবু জামিল ফয়সাল ও ডা. আরিফ মাহমুদ, স্বাস্থ্য সংস্কার কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. লিয়াকত আলী ও অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আকরাম হোসেন, ক্যানসার প্রতিরোধ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. মো. হাবিবুল্লাহ তালুকদার, নারী অধিকার সংস্কার কমিশনের সদস্য ড. হালিদা হানুম আখতার, প্রশমন সেবার পথিকৃৎ অধ্যাপক ডা. নিজাম উদ্দিন আহমেদ।

এ ছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন, সাংবাদিক ও লেখক আসিফ হাসান নবী, ক্যানসার বিশেষজ্ঞ ডা. মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, পুষ্টিবিদ ইশরাত জাহান, স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. সারিয়া তাসনিম, কৃষিবিদ ও নিরাপদ খাদ্য আন্দোলনের নেতা ড. মো. জয়নুল আবেদীন, স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশনের সদস্য মাশহুদা খাতুন শেফালী, ক্যানসার প্রতিরোধ কর্মী মোসাররত সৌরভ, ক্যানসার জয়ী যোদ্ধা ফারজানা আলী লাবনী প্রমুখ।

বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাজমুল হোসেন ও জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউটের ডা. মো. জাহাঙ্গীর কবির।

জীবনকে ‘রিস্টার্ট’ করুন সাত উপায়ে

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

জীবনে অনেক সময় এমন পরিস্থিতি আসে, যা আবেগীয়ভাবে ভীষণরকম ভেঙে দেয় মানুষকে। হোক সেটা প্রিয়জনের মৃত্যু, সম্পর্কে বিচ্ছেদ, অর্থনৈতিক ছন্দপতন অথবা টানা কাজ করার ক্লান্তি ইত্যাদি।

তবে সব পার করেই মানুষকে সামনে এগিয়ে চলতে হয়, জীবনকে নতুনভাবে শুরু করতে হয়। আর এভাবেই প্রকৃতি তার ধারাবাহিকতা বজায় রাখে। জীবনকে রিস্টার্ট করতে বা পুনরায় নতুন গতিতে আনতে কিছু ছোট ছোট অভ্যাসের কথা জানিয়েছে ফেসবুকভিত্তিক পেইজ মিস ম্যাচিউর। চলুন জানি-

  • সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠুন। সকালবেলা ঘুম থেকে তাড়াতাড়ি উঠলে দৈনন্দিন কাজগুলো আগেভাগেই করে ফেলা যায়। এতে চাপ কমে।
  • নিজের কাজে ফোকাস করুন। কাজের ফলাফল ভালো আসতে শুরু করলে নিজের কাছেও শান্তি লাগবে।
  • নিজেকে সুখী রাখার চেষ্টা করুন। যেসব চিন্তা আপনাকে কষ্ট দেয়, সেগুলো বার বার মনের মধ্যে চর্চা করবেন না। যেসব কাজ আপনাকে সুখী রাখে সেগুলোই করুন।
  • সৃষ্টিকর্তার পরিকল্পনায় বিশ্বাস রাখুন। সবকিছু সবসময় আমাদের নিয়ন্ত্রণে থাকে না। কিছু বিষয় প্রকৃতি বা সৃষ্টিকর্তার হাতে ছেড়ে দিতে হয়। এটি মাথায় রেখে সামনে আগান।
  • বেশি আড্ডা দেওয়া বা বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে মেশা কমিয়ে নিজেকে সময় দিন। বন্ধুচক্র ছোট রাখুন। আপনার আশেপাশে দুই-চারজন মানুষ থাকুক, তবে তারা আপনাকে বুঝতে পারুক। এটাই জরুরি।
  • কথা কম বলুন। কাজ বেশি করুন।
  • লক্ষ্য নির্ধারণ করে এগিয়ে যান এবং কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখুন।

ভূমিকম্প: ৯ করণীয়

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

ঠিক কখন ভূমিকম্প হবে, সেটি হয়তো আগে থাকে জানা যায় না। তবে যেসব এলাকায় ভূমিকম্প বেশি হতে পারে সেগুলোকে শুরুতেই নির্ণয় করা সম্ভব। তাই আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন বা সতর্ক হওয়াটা জরুরি।

ভূমিম্পের সময়, আগে ও পরে করণীয় কিছু বিষয়ের কথা জানিয়েছে আমেরিকান রেডক্রস ডটওআরজি, ম্যাস ডটগভ ও ট্র্যাভেলস ডটকম। চলুন জানি-

  •  ভূমিকম্পের সময় ‘ড্রপ, কভার অ্যান্ড হোল্ড অন’ পদ্ধতি অনুসরণ করতে পারেন। এই পদ্ধতি অনুসারে ভূমিকম্প শুরু হলে মেঝেতে বা মাটিতে বসে পড়ুন। এরপর কোনো টেবিল বা ডেস্কের নিচে ঢুকে যান। এটি আপনার মাথাকে কভার করতে বা সুরক্ষিত রাখতে সাহায্য করবে। হাত দিয়ে মাথা ও ঘাড় ঢেকে নিন। এমন টেবিল বা ডেস্কের নিচে যান, যেটা মুভ বা নড়াচড়া করানো যাবে।
  •  কম্পন শুরু হলে অস্থির হবেন না। শান্ত হয়ে পরিস্থিতি মোকাবেলা করুন। কারণ, এই সময়ে ভুল সীদ্ধান্ত আপনার তো বটেই অন্যদেরও ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
  •  খোলা জায়গায় আশ্রয় নিতে পারেন। ঘর থেকে বের হওয়ার সময় বৈদ্যুতিক সুইচ, পানি ও গ্যাস লাইন বন্ধ করুন।
  •  ঘরের মধ্যে যেসব জিনিস শুরুতেই কম্পনের কারণে নড়ে উঠতে পারে সেগুলো থেকে নিরাপদ দূরত্বে থাকুন বা সেগুলোকে এমন জায়গায় স্থানান্তর করুন, যেন ভূমিকম্প হলেও আপনি কিছুটা নিরাপদে থাকতে পারেন। যেমন: টেলিভিশন, ফ্রিজ, বুকসেল্ফ, কাচের তৈজসপত্র রাখার সেল্ফ, আলমারী ইত্যাদি।
  •  বাড়ির দলিল-পত্র, সার্টিফিকেট বা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র একটি নির্দিষ্ট জায়গায় বা ফাইলে রাখুন। এতে ভূমিকম্প হোক বা আগুন লাগা- যেকোনো দুর্ঘটনার সময় সঙ্গে নিয়ে বাইরে বের হতে পারবেন। কারণ, দুর্যােগ পরবর্তী সময়ে এগুলো সঙ্গে থাকলে ভরসা লাগবে। পাশাপাশি এসব কপি আগে থেকে একটি জিমেইল একাউন্ট খুলে ইন্টারনেটেও সংরক্ষণ করতে পারেন।
  •  লিফটের বদলে সিঁড়ি ব্যবহার করুন।
  •  একটি ব্যাগ সবসময় আগে থেকেই তৈরি করে রাখুন। এখানে প্রয়োজনীয় ওষুধ-পত্র, বিস্কিটের প্যাকেট ও মুড়ির প্যাকেট, পানির বোতল, টর্চ, টাকা ইত্যাদি রাখতে পারেন। যেকোনো দুর্যোগের সময় এটি আপনার কাজে দেবে।
  •  ঘর থেকে শক্ত, অতিরিক্ত ভারী ও ধাঁরালো জিনিসপত্র আগে থেকেই সরিয়ে রাখুন। যেমন: লোহার কোনো জিনিস, বড় বটি, চাকু ইত্যাদি।
  •  ভবনে কোনো ফাটল বা ত্রুটি থাকলে সাধারণ মিস্ত্রী দিয়ে নিজে নিজে ঠিক করতে যাবেন না। যারা এসব বিষয়ে অভিজ্ঞ এমন বিশেষজ্ঞ ইঞ্জিনিয়ারের পরামর্শ নিন।

চুলের জন্য ভালো কোন তেল?

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

সৌন্দর্যবোধের চর্চায় চুল সব সময়ই একটি গুরুত্বপূর্ণ আসনজুড়ে ছিল। সাহিত্যেও ঠাঁই নিয়েছে দীঘল, ঘন-কালো চুলের মাদকতা। দেহের এই অঙ্গ মুখের সৌন্দর্যকে অনন্য মাত্রায় পৌঁছে দেয়। আর স্বাস্থ্যোজ্জ্বল ও সুন্দর চুল প্রায় সবারই পছন্দ।

তবে চুলকে সুন্দর রাখতে এর যত্ন নিতে হয় ষোলোআনা। দেহের এই অঙ্গের যত্নে বহুকাল আগে থেকে ব্যবহার হয়ে আসছে তেল। কিছু তেল রয়েছে, যেগুলো চুলকে সুস্থ রাখতে বেশ কার্যকর। চুলের জন্য উপকারী এমন কিছুর কথা চলুন জানি–

কোকোনাট অয়েল বা নারকেল তেল

  • চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে নারকেল তেল অন্যতম। এটি চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। এই তেল প্রোটিনের ক্ষয় কমাতে পারে। এতে চুল মজবুত হয় এবং কম পড়ে।
  • এটিতে থাকা ফ্যাটি এসিড চুলের ময়েশ্চার বা আর্দ্রতা ধরে রাখে।
  • নারকেল তেলের মধ্যে থাকা অ্যান্টিফাঙ্গাল ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান খুশকির সঙ্গে লড়াই করে এবং স্ক্যাল্পের বিভিন্ন সংক্রমণ কমায়।
  • তেল দিয়ে ম্যাসাজ করলে স্ক্যাল্পে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে। এতে ফলিকল ভালোভাবে তৈরিতে সহযোগিতা হয়। এটি চুলের জন্য জরুরি। এই তেল কিউটকলকে নরম রাখে।
  • তাপ, দূষণ ও পরিবেশগত বিভিন্ন কারণে চুল ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। নারকেল তেল ব্যবহার করলে এসব ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

ক্যাস্টর অয়েল বা রেড়ির তেল

  • ক্যাস্টর অয়েলকে রেড়ি গাছের তেল বা ভেন্নার তেলও বলা হয়। এই তেলে রয়েছে উচ্চ পরিমাণ ফ্যাটি এসিড ও পুষ্টি। এটি শুষ্ক চুলকে বেশ ভালোভাবে আর্দ্র ও কোমল করে।
  • এটি চুল পড়া ও আগা ফাটা প্রতিরোধে উপকারী।
  • ক্যাস্টর অয়েলে রয়েছে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ও অ্যান্টিইনফ্ল্যামেটরি উপাদান। এসব উপাদান একত্রে খুশকির সঙ্গে লড়াই করে, চুলকে নরম রাখে এবং স্ক্যাল্পের প্রদাহ কমায়।
  • এটি স্ক্যাল্পের পিএইচের ভারসাম্য বজায় রাখে। কেমিক্যালের কারণে হওয়া ক্ষতি থেকে চুলকে পুনরুদ্ধার করে।
  • এই তেলের নিয়মিত ব্যবহারে চুল হয় স্বাস্থ্যোজ্জ্বল ও ঝলমলে। এটি দেহের এই অঙ্গটিকে ঘন ও মজবুত করতে কার্যকর। এই তেল চুলের জট বা কুঞ্চিত ভাব কমায়।

 

ছবি: উজ্জ্বলা কেয়ার
ছবি: উজ্জ্বলা কেয়ার

অলিভ অয়েল বা জলপাইয়ের তেল

  •  চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে এই তেলও উপকারী। জলপাইয়ের তেলের মধ্যে থাকা অ্যান্টিইনফ্ল্যামেটরি উপাদান খুশকি থেকে চুলকে সুরক্ষা দেয়।
  • এর মধ্যে রয়েছে ভিটামিন ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এসব উপাদান খসখসে ভাব ও শুষ্কতা দূর করে এবং চুল নরম রাখে।
  • জলপাইয়ের তেল ব্যবহারে চুলে এক ধরনের সুরক্ষা দেয়াল তৈরি হয়। এতে তাপ ও পরিবেশগত ক্ষতি থেকে এই অঙ্গ রক্ষা পায়।
  • এই তেলও চুলের বাইরের কিউটিকলকে নরম করে। এতে চুল আরও ঝলমলে হয়।
  • এর মধ্যেও রয়েছে ফ্যাটি এসিড। এটি চুলকে আর্দ্র রাখতে বেশ উপকারী। এই তেল ব্যবহারে চুলের ভঙ্গুরতা প্রতিরোধ হয় এবং চুল পড়া কমে। এটি আগা ফেটে যাওয়া থেকে সুরক্ষা দেয়।

মেথির তেল

  •  মেথির তেলে রয়েছে প্রোটিন ও আয়রন। এগুলো চুলের বৃদ্ধির জন্য ভালো।
  • এর মধ্যে থাকা অ্যান্টিফাঙ্গাল ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান ছত্রাকের সঙ্গে লড়াই করে। এতে খুশকি কমে।
  • এই তেল ব্যবহারে চুলের ফলিকল মজবুত হয়। এতে চুল পড়া কমে। পাশাপাশি সাদা হওয়া প্রতিরোধ হয়।
  • শুষ্কতা ও চুলকানি দূর করে এই তেল স্ক্যাল্পের স্বাস্থ্যও ভালো রাখে।
  • এটি আর্দ্রতা রক্ষা ও কন্ডিশনের কাজ একত্রে করে। এতে চুল কোমল ও ঝলমলে হয়।

 

ছবি: উজ্জ্বলা কেয়ার
ছবি: উজ্জ্বলা কেয়ার

আমন্ড অয়েল বা কাঠবাদামের তেল

  • কাঠবাদামের তেল চুলকে আর্দ্র করতে দারুণভাবে কাজ করে। চুলকে নরম ও মসৃণ করতে শ্যাম্পু করার আগে এই তেল ব্যবহার করত পারেন।
  • এই তেলের মধ্যে রয়েছে বায়োটিন (ভিটামিন ‘বি৭’), ভিটামিন ই ও ম্যাগনেসিয়াম। এগুলো চুলকে শক্ত করে, ফলিকল পুনরুদ্ধার করে এবং চুলের বৃদ্ধিতে সহযোগিতা করে।
  • নিয়মিত এই তেলের ব্যবহারে কিউটিকল মসৃণ হয় এবং শুষ্কতা দূর হয়। এটি চুলের ভেঙে যাওয়া প্রতিরোধ করে; চুল ঝরঝরে হয়।
  • কাঠবাদামের তেলে থাকা অ্যান্টিইনফ্ল্যামেটরি উপাদান স্ক্যাল্পের শুষ্কতা ও চুলকানি ভাব কমায়।
  • এটি ক্ষতিগ্রস্ত চুল পুনর্গঠনে সাহায্য করে; গোড়া থেকে মজবুত করে। এটি সান ড্যামেজ বা সূর্যের আলোর কারণে হওয়া ক্ষতি থেকে চুলকে সুরক্ষা দেয়।

অ্যালোভেরার তেল

  • অ্যালোভেরার মধ্যে রয়েছে উচ্চ পরিমাণ ভিটামিন, মিনারেলস ও অ্যামাইনো এসিড। এসব উপাদান চুলের ফলিকলের যত্ন নেয় এবং ভঙ্গুরতা কমায়; চুল পড়া প্রতিরোধ হয়।
  • এই তেলের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিইনফ্ল্যামেটরি উপাদান ও স্যালিসাইলিক এসিড। এগুলো প্রদাহ কমায় এবং চুলকানি প্রতিরোধ করে।
  • এই তেল মাথার স্ক্যাল্প থেকে মৃত কোষ দূর করে, খসখসে ভাব কমায় এবং খুশকি প্রতিরোধ করে।
  • এটি স্ক্যাল্পের পিএইচের ভারসাম্য রক্ষা করে। এতে চুলের বৃদ্ধি ভালোভাবে হয়।
  • অ্যালোভেরার মধ্যে থাকা এনজাইম চুলকে আলতোভাবে পরিষ্কার করে। এই তেল ব্যবহারে মস্তিষ্কের রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায়। এতে বৃদ্ধি ভালো হয়।

আমলা অয়েল বা আমলকীর তেল

  • আমলার তেলে থাকা পুষ্টিগুণ চুলকে গোড়া থেকে শক্ত করে, পড়া কমায়। এই তেল ব্যবহারে চুল ঘন হয়।
  • এর মধ্যেও রয়েছে অ্যান্টিইনফ্ল্যামেটরি ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান। এগুলো সংক্রমণ প্রতিরোধ করে। মৃতকোষ কমায় এবং খুশকি দূর করতে কার্যকর।
  • আমলকীর তেল প্রাকৃতিক কন্ডিশনার হিসেবে খুব ভালো। এটি মলিনতা কমিয়ে চুলকে স্বাস্থ্যােজ্জ্বল রাখে।
  • এটিতে থাকা উচ্চ পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন ‘সি’ অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের সঙ্গে লড়াই করে এবং মেলানিন তৈরিতে সহায়তা করে। এতে চুল দেরিতে পাকে।
  • পাশাপাশি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাব থেকে চুলকে সুরক্ষা দেয়।
ছবি: উজ্জ্বলা কেয়ার
ছবি: উজ্জ্বলা কেয়ার

এখানে আলোচনা করা প্রত্যকটি তেলের রয়েছে নিজস্ব গুণ। এগুলো আলাদা করে ব্যবহার করা এবং জোগাড় করা একটু কষ্টসাধ্যই বটে। তবে এই ঝামেলাপূর্ণ বিষয়টি সহজ করে দিয়েছে বিউটি কেয়ার প্রোডাক্ট তৈরিকারী প্রতিষ্ঠান ‘উজ্জ্বলা কেয়ার’। উপরে উল্লেখিত এই সাতটি তেলের প্রতিটির সমন্বয়ে তৈরি করা হয়েছে ‘উজ্জ্বলা কেয়ার অ্যান্টি হেয়ারফল হারবাল হেয়ার অয়েল’।

এই তেলটি ক্লিক্যালই পরীক্ষিত। এটি চুলকে ঘন, কালো ও মজবুত করতে সাহায্য করে। মাত্র চার সপ্তাহ ব্যবহারে চুল পড়া অনেকটাই কমে যায়। এ ছাড়া চুলের মলিনতা ও ভঙ্গুরতা প্রতিরোধেও সুরক্ষা দেয়াল হিসেবে কাজ করে এই তেল। তাই, চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে, চুল পড়া কমাতে এবং সব তেলের গুণাগুণ একত্রে পেতে আপনিও ব্যবহার করতে পারেন উজ্জ্বলা কেয়ারের এই পন্যটি।

- Advertisement -
সাতকাহন
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.