Tuesday, May 26, 2026
spot_img
Home Blog Page 5

শিশুকে সফল করতে তিন বিষয় শেখান

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

শিশু বয়স এমন একটি সময়, যখন তাকে যা শেখানো হবে, সে তাই শিখবে। অর্থাৎ ভবিষ্যতের সফলতার বীজটা বপন করা হয়, এই বয়স থেকেই।

শিশুকে ভবিষ্যতের জন্য সফল করতে শেখানো জরুরি এমন পাঁচ বিষয়ের কথা জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া। চলুন জানি-

দায়িত্ব নেওয়া শেখানো
শিশুদের ছোটবেলা থেকেই দায়িত্ব নেওয়া শেখানো জরুরি। সবমসময় যে সব কাজে পারদর্শী হতে হবে বা সঠিক করতে হবে বিষয়টি তা নয়। শিশু ভুল করবে এটাই স্বাভাবিক। তবে তাকে দায়িত্ব নেওয়া থেকে বিরত রাখা যাবে না। ছোট ছোট কাজ করতে দিতে হবে। এভাবেই ধীরে ধীরে শিখবে, শক্ত হবে এবং বড় কাজও করতে পারবে; সফল হবে।

উৎসাহ দিন, তুলনা নয়
শিশু কোনো ভালো কাজ করলে সেটি করতে তাকে উৎসাহিত করুন। যদি না-ও পারে বা একটু কমও পারে অন্যের সঙ্গে তুলনা করবেন না। ‘সে পারলো, কিন্তু তুমি পারলে না’- এসব কথা বলা খুবই ভুল। এগুলো শিশুর আত্মবিশ্বাসকে নষ্ট করে দেয়। বরং কাজটি করার প্রতি তার যে আগ্রহ, সেটাকে বাড়াবার চেষ্টা করুন।

শিশুর ব্যর্থতাকে মেনে নিন
সাফল্য সবসময় পেরে যাওয়ার মধ্য দিয়ে আসে না। কখনো কখনো কোনো কিছুতে হেরেও যেতে পারে মানুষ। আর এটা স্বাভাবিক। আর ঠেকতে ঠেকতেই তো মানুষ শেখে। শিশুর বেলাতেও বিষয়টি এমন। সে ভুল করতে পারে, ব্যর্থ হতে পারে। এতে বকাঝকা না করে বিষয়টিকে মেনে নিন এবং পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য তাকে প্রস্তুত করুন।

এভাবেই সফলতা-ব্যর্থতার ভেতর দিয়ে চলতে চলতে শিশুটি জীবনের ভারসাম্য খুঁজে পায়। সফল হলে অহংকারী হয় না, আবার ব্যর্থতাও তাকে অস্থির করে তোলে না। এই মানসিক দৃঢ়তা ও সহনশীলতাই তাকে প্রকৃত অর্থে সফল করে তোলে।

পিসিওএস: জীবনযাপনের পরিবর্তন কমাতে পারে ভোগান্তি

ডা. তাওহীদা রহমান ইরিন

প্রথম পর্বের পর, শেষ পর্ব

পিসিওএসের পেশেন্টরা যেহেতু প্রি-ডায়াবেটিক বা ডায়াবেটিসের ঝুঁকিতে থাকে, তাই তারা সুগার কন্ট্রোল ( রক্তের সুগার নিয়ন্ত্রণে) করতে অনেক সময় মেটফরমিন দিয়ে থাকেন এবং লক্ষণ অনুযায়ী ওষুধ দেন।

ময়মনসিংহ মেডিক্যালের একটি স্টাডিতে দেখা গেছে, পিসিওএসের রোগীদের থাইরয়েডের সমস্যা দেখা দিয়ে থাকে। এই কারণে রোগীদের থাইরয়েড স্ক্রিনিং করাটাও খুব জরুরি এবং এন্ডোক্রাইনোলজিস্ট এই ক্ষেত্রে ভালো সমাধান দিতে পারেন। আর গাইনিকোলজিস্টরা পিসিওএসের রোগীদের যেভাবে চিকিৎসা দেন তা হলো, অবিবাহিতদের অনিয়মিত পিরিয়ডকে নিয়মিত করার জন্য ওরাল কন্ট্রাসেপটিভ পিল, এন্টি এন্ড্রোজেন হরমোন দিয়ে থাকেন। যারা বিয়ের পর সন্তান নিতে চায় তাদের ওভুলেশন ইনডিউসিং ড্রাগ দেওয়া হয়।

পিসিওএসের একটি প্রধান সমস্যা স্কিন ম্যানিফেস্টেশন। ত্বকের কিছু সমস্যা দেখা দেয়, যেটি আমি শুরুতেই গল্পের মাধ্যমে জানিয়েছি। এদের মধ্যে যখন ব্রণ দেখা দেয়, ডার্মাটোলজিস্টরা সেই অনুযায়ী একটি স্কিন কেয়ার দিয়ে থাকেন। সাধারণত ব্রণগুলো অনেক সময় প্রদাহজনিত ও সিস্টিক টাইপের হয়ে থাকে। এই ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে অ্যান্টিবায়োটিক ও রেটিন এ ডেরিভেটিভ আইসোট্রেটিনয়েন দেওয়া হয়ে থাকে। রেগুলার যে মূল ত্বকের যত্ন ব্রণের জন্য যেমন, ময়েশ্চারাইজার, ক্লিনজার, সানস্ক্রিন এবং ব্রণের উপর ব্যবহারের জন্য মেডিকেশন এগুলো দেওয়া হয়।

কিছু আধুনিক ট্রিটমেন্টও করা হয়ে থাকে। যেমন: পিলিং, ব্লু লাইট থেরাপি, আনওয়ান্টেড হেয়ারের ক্ষেত্রে হেয়ার রিডাকশন লেজার কয়েকটি সেশনে করা হয়। পিগমেন্টেশনের ক্ষেত্রে স্কিন লাইটেনিং কসমেসিউটিক্যালস প্রোডাক্টগুলো দেওয়া হয়। এগুলোতে আরবুটিন, কজিক এসিড, ল্যাকটিক এসিড থাকে। এগুলো স্লিপিং মাস্ক বা স্কিন লাইটেনিং ক্রিম ইত্যাদি ফর্মুলাতে পাওয়া যায়।

দুই দশক আগেও পিসিওএসের সমস্যা এতো প্রকট ছিল না। আমরা স্কুল-কলেজে পড়ার সময়, কিন্তু খুব কম স্থুলকায় মেয়েদের দেখতাম। অধিকাংশ মেয়েদেরই ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকতো। কারণ, আমরা খেলাধুলার জায়গা পেয়েছি, খেলেছি, আমাদের ফিজিক্যাল অ্যাক্টিভিটিস ছিল। এখনকার ছেলে-মেয়েদের সেটি নেই, চার দেয়ালে বন্দী।

প্রায় ৫০ শতাংশ স্থুলকায় রোগীরাই আমাদের কাছে আসে পিসিওএসের সমস্যা নিয়ে। বার বার আমার আলোচনার মাধ্যমে উঠে এসেছে – লাইফস্টাইল মডিফিকেশন। লাইফস্টাইল মডিফিকেশনের মাধ্যমে পিসিওএসের এর লক্ষণগুলো অনেকাংশে কমিয়ে আনা যায়। এর উৎকৃষ্ট উদাহরণ হচ্ছে আমাদের উপমহাদেশের স্বনামধন্য চিত্রনায়িকা সোনম কাপুর। তিনি তার একটি ডকুমেন্টরিতে বলেছেন, পিসিওএসের জন্য দেশে-বিদেশে অনেক ডাক্তার দেখিয়েছেন কিন্তু কোনোভাবেই এ সমস্যাগুলো থেকে মুক্তি পাচ্ছিলেন না। এরপর তিনি শুধুমাত্র এক্সারসাইজ, স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট এবং মিল প্ল্যান এই তিনটিতে ফোকাস করে তাঁর সমস্যা থেকে মুক্তি পেয়েছিলেন এবং সেটি তিনি সবার সঙ্গে শেয়ার করেছেন অন্যকে অনুপ্রাণিত করার জন্য। এই ক্ষেত্রে ওজন নিয়ন্ত্রণ বিশাল ভূমিকা রাখে। ওজন নিয়ন্ত্রণের কারণে হরমোনের ভারসাম্য হবে, অন্যান্য যে লক্ষণগুলো রয়েছে সেগুলো আস্তে আস্তে কমে আসবে। আনওয়ান্টেড হেয়ার, আনইভেন পিগমেন্টেশন বা ডার্ক প্যাচগুলো শরীরের বিভিন্ন স্থানে দেখা যায় সেগুলো কমে আসে। সবচেয়ে বড় কথা, ওজন কমার সঙ্গে সঙ্গে তার মনও ভালো হতে শুরু করে, মুড বুস্ট আপে হেল্প হয়।

প্রতিদিন ১০ হাজার স্টেপ হাঁটা এবং আধাঘন্টা ইয়োগার সময় রাখতেই হবে। কারণ এই ১০ হাজার স্টেপ হাঁটা বা এক ঘণ্টা হাঁটলে, প্রথম ৩০ মিনিট এটি তার রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে, পরের ৩০ মিনিট তার অতিরিক্ত ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। যারা জিমে যান, তাদের জন্য সেটা খুবই ভালো। আর যারা যেতে পারেন না, তারা নিজের ঘরে হাঁটতে পারেন, ইয়োগা করতে পারেন, লিফট ব্যবহার না করে সিঁড়ি ব্যবহার করতে পারেন। টিনএজারদের জন্য স্কিপিং, সুইমিং খুব ভালো একটা অপশন। যে যেভাবে ফিজিক্যাল অ্যাক্টিভিটি করতে পারে সেটাই তাদের জন্য বেশ উপকারী।

খাবার-দাবারের ক্ষেত্রে সুগারি ফুড, কমার্শিয়াল ড্রিংকস, প্যাকড জুস, প্রসেসড ও ক্যানড ফুড – এই খাবারগুলো এড়িয়ে চলতে হবে। জাংক ফুড বা ফাস্ট ফুডের প্রতি আসক্তি আমাদের ওজন ও সেই সঙ্গে পিসিওএসের ঝুঁকিও বাড়িয়ে দেয়। এ খাবারের পরিবর্তে হেলদি মিল প্ল্যান শুরু করতে হবে। It’s a good start to reduce weight with healthy meal plan. এই ক্ষেত্রে খাবার তালিকায় খাদ্যের প্রতিটি সুষম উপাদান থাকতে হবে। একে আমরা ভারসাম্যপূর্ণ খাদ্যাভ্যাস বলি। যেমন: কমপ্লেক্স কার্ব, প্রোটিন, প্রচুর ভিটামিন ও মিনারেল, হেলদি ফ্যাট – এগুলো দিয়ে খাদ্য তালিকা সাজাতে হবে।
কমপ্লেক্স কার্বে ওটস, বাদামী আটার রুটি, বাদামী চাল কাউন; প্রোটিনের মধ্যে প্রাণীজ প্রোটিন, যেমন: বিভিন্ন ধরনের মাছ, ছোট মাছ, তৈলাক্ত বা সামুদ্রিক মাছ যেখানে প্রচুর পরিমাণে ডিএইচএ ও ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড থাকে। এই ক্ষেত্রে স্যালমন, সারদিন যেমন তৈলাক্ত মাছ, তেমনি আমাদের দেশের কই, ইলিশও এই ধরনের মাছ। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, ভিটামিন ‘ডি’-এর অভাবের সঙ্গেও পিসিওএসের সমস্যার একটি সম্পর্ক রয়েছে। টক দই প্রোবায়োটিক ও ভিটামিন ‘ডি’ দেবে। বাদাম ও বীজ, স্বাস্থ্যকর চর্বির ভালো উৎস। গাঢ় সবুজ শাকসবজি, রঙিন মৌসুমি দেশী ফল ভিটামিন ও মিনারেলের প্রধান উৎস। শরীরকে আর্দ্র রাখতে প্রচুর পরিমাণ পানির সঙ্গে পান করতে পারেন গ্রিন টি, আদা চা, লেবু চা, হলুদের চা। এগুলোতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে বায়োফ্লেভোনয়েড।

কিছু খাবার, যেটা আমাদের ফিল গুড হরমোন ডোপামিন, সেরোটোনিনের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়, যেমন: বাদাম, খেজুর, বেরি, স্ট্রবেরি ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট যুক্ত খাবার। এগুলো স্লিপ ইনডিউসার হিসেবে কাজ করে। কারণ ঘুম ভালো হলে হরমোনের ভারসাম্য ঠিক থাকবে, ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকবে। ঘুম কম হলে আমাদের হাঙ্গার হরমোন লেপটিনের পরিমান কমে যায়। লেপটিন হলো, ক্ষুধা কমানোর হরমোন আর গ্রেলিন হচ্ছে ক্ষুধা বাড়ানোর হরমোন। ঘুম কম হলে গ্রেলিনের পরিমান বেড়ে যায়। পিসিওএসের রোগীদের এমনিতেই ঘুম কম হয়, তারপরেও কোনো কারণে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটলে, একটি সাইকেলের মত কাজ করে এবং ওজন বৃদ্ধিতে সহায়ক হয়।

লেখক: প্রধান চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ; রিজুভা ওয়েলনেস।

পিসিওএস: কী ও করণীয়?

ডা. তাওহীদা রহমান ইরিন

পর্ব- ১

ইদানিং মেয়েটি একেবারেই মুখচোরা হয়ে গেছে। মেহমান আসলে লুকিয়ে থাকে। খাবার টেবিলে সবার সঙ্গে বসে খাওয়া-দাওয়া করে না। বইয়ে মুখ গুঁজে বসে থাকে। মেয়েটি অবশ্য বরাবরই একটু মেধাবী এবং পড়ালেখা পছন্দ করে। কিন্তু হঠাৎ করে একদিন খাবার টেবিলে বাবা খেয়াল করলেন যে সে ওড়না দিয়ে মুখটা ঢেকে রয়েছে।

অনেক অনুরোধের পরেও সে মুখ থেকে ওড়না সরাচ্ছে না। মেয়েটির মা একটু ভয়ার্ত চোখে তাকালেন। তিনি বিষয়টি জানতেন। যখন একরকম বকা দিয়েই ওড়নাটা সরানো হলো তখন দেখা গেল, তার চিবুকে ও থুতনিতে দাঁড়ি-গোফের মতো আনওয়ান্টেড হেয়ার বা অবাঞ্ছিত লোম, যে জায়গায় মেয়েদের সাধারণত থাকে না। বাবা আঁতকে উঠে ভাবলেন, ব্যাপারটা কি!

মেয়েটি টেবিল থেকে দৌড়ে রুমে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দিল। মা তখন বললেন, সে কিছুদিন ধরেই এই সমস্যায় ভুগছিল। এ থেকে পরিত্রাণের জন্য শেভ করে ফেলেছিল। এরপর থেকেই এরকম হয়ে গেছে।

বাবা চিন্তায় পরে গেলেন এবং মেয়েকে নিয়ে আমার কাছে আসলেন। মেয়েটির ইতিহাস নিয়ে পেছনের গল্পটা জানা গেলাে। তার বয়স ১৮ বছর, সে এইচ এস সি পরীক্ষার্থী। বছর দুয়েক হলো তার ওজন হঠাৎ করে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ঘাড়ে, গলায় কালো ছোপ ছোপ দাগ দেখা দিচ্ছে, মুখে দেখা দিয়েছে ব্রণ। যদিও তার এ সমস্যাটি আগে কখনো ছিল না। তার পিরিয়ড শুরু থেকেই ছিল অনিয়মিত। তাই তার মা এটাকেই গুরুত্ব না দিয়ে স্বাভাবিক হিসেবে ধরে নিয়েছিলেন। ইতিহাস শুনে আমি তাদের আশ্বস্ত করলাম ও সময় নিলাম এবং কিছু ইনভেস্টিগেশন (পরীক্ষা) করতে দিলাম। রিপোর্ট দেখে বুঝলাম আমার আশঙ্কাই সত্যি হলো। মেয়েটি পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রমে বা পিসিওএস (PCOS) ভুগছে।

এই গল্প কেবল একটি মেয়ের নয়, এটি একটি বৈশ্বিক সমস্যা। সাধারণত ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সে এই সমস্যাটি বেশি হয়। সম্পূর্ণ বিশ্বে মেয়েদের রিপ্রোডাক্টিভ এজে দুই থেকে ২০ শতাংশ মেয়েরাই এ সমস্যায় ভোগে। পিসিওএস প্রথম আবিষ্কার হয় ১৯৩৫ সালে এর লক্ষণগুলোর উপর ভিত্তি করে।

পিসিওএস কেন হয়?
পিসিওএসের সঠিক কারণ পুরোপুরি বোঝা যায় না। সম্ভবত একাধিক কারণ রয়েছে। পিটুইটারি গ্ল্যান্ড থেকে প্রজনন হরমোনের অস্বাভাবিক মাত্রা, ফলিকল স্টিমুলেটিং হরমোন (এফএসএইচ), লুটিনাইজিং হরমোন (এলএইচ), ইনসুলিন এবং মেল সেক্স হরমোন (এন্ড্রোজেন) ওভারির স্বাভাবিক ফাংশন ব্যাহত করে।

পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম একটি এন্ডোক্রাইনাল সমস্যা। যারা পিসিওএসে ভুগছেন তারা স্বাভাবিক মাত্রার থেকে বেশি এন্ড্রোজেন উৎপাদন করেন। এটি একটি পুরুষ হরমোন যা মাসিক ওভুলেশন সাইকেলকে প্রভাবিত করে।

পলিসিস্টিক ওভারি ডিসঅর্ডার (পিসিওডি) হলো রিপ্রোডাক্টিভ সিস্টেমের হরমোনের ভারসাম্যহীনতার কারণে সৃষ্ট একটি ব্যাধি। হরমোনের ভারসাম্যহীনতা মেল হরমোন নিঃসরণ বাড়িয়ে দেয়, যা অনিয়মিত ঋতুস্রাব ও ডিলেইড এগ রিলিজ করে। এটি সিস্টেও পরিণত হতে পারে।

দীর্ঘদিন ধরে পিসিওএস থাকলে যে জটিলতা দেখা দেয় তার মধ্যে ডিপ্রেশন, নিদ্রাহীনতা, টাইপ ২ ডায়াবেটিস, গর্ভাবস্থায় ডায়াবেটিস, কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ (যেমন: হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে), ওজন বৃদ্ধি, ইনফার্টিলিটি, প্রিম্যাচিউর লেবার, অনিয়মিত মাসিক, ইউটেরাইন ব্লিডিং এবং জরায়ুতে ক্যানসারের ঝুঁকিও থাকে। আর্টিকেলের শুরুতেই যে সমস্যা গুলো জানিয়েছিলাম যে আনওয়ান্টেড হেয়ার, ব্রণ, চুল পরে যাওয়া, শরীরের ফোল্ড এরিয়াগুলোতে পিগমেন্টেশন বা ডার্ক প্যাচ হওয়া এ সমস্যা গুলো তো রয়েছেই।

পিসিওএস কিভাবে আমাদের মনের স্বাস্থ্যে প্রভাব বিস্তার করে?

একটা তো হরমোনাল ব্যাপার রয়েছেই, হরমোনাল ইমব্যালেন্সের কারণেও আমাদের মুড স্যুয়িং হয়। এ ছাড়াও পিসিওএসের কারণে ওজন বাড়ে। এর কারণে সেটিও আমাদের মনের স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলে নেতিবাচক ভাবে। পিসিওএসের রোগীদের দেখা যায় যে ওজন নিয়ন্ত্রণে আসতে বেশ বেগ পেতে হয়। বেশ কিছুটা সময় লাগে। এই জন্য অনেক সময় পেশেন্টরা এ জার্নিতে হতাশ হয়ে যায় এবং ডিপ্রেশনে পরে যায়। পিসিওএসের রোগীদের ঘুমের সমস্যা হয়। দীর্ঘদিন যদি ঘুম কম হতে থাকে তাহলে তাদের মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়, সেটিরও নেতিবাচক প্রভাব পরে সামাজিক ও পারিবারিক জীবনের উপর। সহজেই ক্লান্ত হয়ে যায়, কাজ করার প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলে এবং ভাবে যে আমাকে দিয়ে আর কিছুই হবে না। সবথেকে যেটি প্রভাব বিস্তার করে মনের স্বাস্থ্যে সেটি হলো আনওয়ান্টেড হেয়ার। আনওয়ান্টেড ফেসিয়াল হেয়ার যা সৌন্দর্যহানিকর এবং এটি তাদের আত্মবিশ্বাস ও সেলফ এস্টিম কমিয়ে দেয়। ঠিকমতো চিকিৎসার অভাবে হয়তো তারা ভুল করে ফেলে, ওয়্যাক্স করে ফেলে বা শেভ করে ফেলে, এতে হেয়ার টেক্সচার আরো ঘন হতে থাকে। ইনফার্টিলিটির একটি কারণ পিসিওএস। কিন্তু পিসিওএস মানেই যে বন্ধ্যাত্ব, সন্তান হবে না, সন্তান নিতে পারবে না এ ধারণাটি ভুল। সাধারণত সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে পিসিওএস নিয়ন্ত্রণে রাখা যায় সেই সঙ্গে ইনফার্টিলিটি রোধ করা সম্ভব। এ কারণে দেখা যায়, দাম্পত্য জীবনে কলহ হয়, অশান্তি হয়। এই ক্ষেত্রে কাউন্সেলিং অনেকখানি কাজ করে।

ল্যাব পরীক্ষায় মেল সেক্স হরমোনযেমন টেস্টোস্টেরন এবং DHEA , প্রোল্যাকটিন লেভেল পরিমাণ বেশি থাকে।
ফার্টিলিটি কেয়ারের ডিরেক্টর মার্ক পি ট্রলিস এমডির মতে, পিসিওএসে আক্রান্ত ৪০শতাংশ পর্যন্ত মহিলারা প্রি -ডায়াবেটিক। প্রি -ডায়াবেটিসের অনেক রোগীর ওজন বেশি, তিনি বলেন। PCOS আক্রান্ত ১০ শতাংশ রোগীর ডায়াবেটিস হবে। আল্ট্রাসনোগ্রামে সিস্টগুলো মুক্তার মালার মত ক্লাসিক নেকলেস চিহ্ন দেখা যায়।

চিকিৎসা যেভাবে দেয়া হয়ে থাকে –

অধিকাংশ ক্ষেত্রে পিসিওএস কিন্তু ডায়াগনোসিস হয়ে আসে না। দেখা যায়, তার হয়তো পিরিয়ডে সমস্যা হচ্ছে সেজন্য সে একজন গাইনিকোলজিস্টের শরণাপন্ন হচ্ছে। তখন গাইনিকোলজিস্টের অন্যান্য ইনভেস্টিগেশনের মাধ্যমে শনাক্ত হয় পিসিওএস। হরমোনাল ইমব্যালেন্সের কারণে হয়তো এন্ডোক্রাইনোলজিস্ট বা মেডিসিন স্পেশালিস্টের কাছে যায়। ত্বকে নানা সমস্যা হলে ডার্মাটোলজিস্টের কাছে যায়।

এখানে একজন ডার্মাটোলজিস্ট এবং ওয়েলনেস কনসালটেন্ট যেমন হলিস্টিক এপ্রোচের মাধ্যমে তার ত্বকের স্বাস্থ্য এবং তার লাইফস্টাইলটা কি হবে সেটি মনিটর করবেন, সাইকোলজিস্ট কাউন্সেলিং করেবেন, একজন এন্ডোক্রাইনোলজিস্ট তার হরমোনাল ইমব্যালেন্সের ব্যাপারটি দেখবেন। একজন গাইনিকোলজিস্ট তার পিরিয়ড সম্পর্কিত বা ফিমেল হরমোন সম্পর্কিত সমস্যাগুলোর সমাধান দেওয়ার চেষ্টা করবেন। সুতরাং এটি টিম ওয়ার্ক হলে এর রেসপন্স আরো ভালো হয়।

লেখক: প্রধান চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ; রিজুভা ওয়েলনেস।

নিজেকে শক্তিশালী করুন ১০ অভ্যাসে

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

নিজেকে জীবনে এগিয়ে নিতে হলে এবং মানসিক শান্তি বজায় রেখে শক্তিশালী করতে কিছু অভ্যাসের ভেতর দিয়ে যেতে হয়। এগুলো পালনে মনের শক্তি যেমন বাড়ে, তেমনি দিক-নির্দেশনাও পাওয়া যায়। এমন কিছু অভ্যাসের কথা জানিয়েছে র্যানডম ফ্যাক্টস। চলুন জানি-

১. সকালে ঘুম থেকে তাড়াতাড়ি উঠুন।

২. যেই জায়গা বা মানুষ আপনার শক্তি ক্ষয় করছে সেখান থেকে সরে যান, ‘না’ বলুন।

৩. নিয়মানুবর্তী জীবনযাপন করুন।

৪. জীবনের চ্যালেঞ্জগুলোকে এড়িয়ে না গিয়ে মুখোমুখি হন।

৫. নিজের প্রতি বিশ্বাস রাখুন।

৬. বর্তমানে বাঁচুন।

৭. নিজের প্রতি সন্দেহ করা থেকে দূরে থাকুন।

৮. পরের দিনের কাজ আগের রাতেই ঠিক করে ফেলুন।

৯. জীবনের লক্ষ্য খুব স্পষ্ট ভাবে নির্ধারণ করুন।

১০. নেতিবাচক ও টক্সিক মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করুন বা কমিয়ে দিন।

ত্বকের যত্নে উপকারী এই তেল

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক 

চুলের জন্য বিভিন্ন তেলের গুণের কথা তো অনেকেরই জানা। তবে লোশন ও ময়েশ্চারাইজারের পাশাপাশি ত্বকের জন্যও কিছু ভালো তেল রয়েছে, সেটি কি সবাই জানেন?

হ্যাঁ, ঠিক তাই। ত্বকের যত্নেও এমন কিছু তেল রয়েছে, যা বেশ কার্যকর। আর যুগের পর যুগ ধরে ব্যবহৃতও হয়ে আসছে। ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো রাখে, এমন কিছু তেলের কথা চলুন জানি—

টি ট্রি অয়েল বা টি ট্রির তেল

  • টি ট্রি অয়েলের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিইনফ্ল্যামেটরি উপাদান। এগুলো ব্রণ তৈরিকারী ব্যাকটেরিয়ার সঙ্গে লড়াই করে।
  • এই তেল ত্বকের দাগ কমাতে উপকারী।
  • টি ট্রি অয়েলের মধ্যে থাকা অ্যান্টিইনফ্ল্যামেটরি উপাদান প্রদাহ কমায়।
  • এটি ত্বকের জন্য প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপটিকেরও কাজ করে। এতে ক্ষত সারতে সুবিধা হয়।

বি: দ্র:– তবে এই তেল সরাসরি ত্বকে ব্যবহারের বেলায় বিধিনিষেধ রয়েছে। সাধারণত অন্য কোনো উপাদান বা তেলের সঙ্গে মিশিয়ে এটি ব্যবহার করা হয়।

ইউক্যালিপটাস অয়েল বা ইউক্যালিপটাসের তেল

  • ত্বকের অস্বস্তি, লালচে ভাব (রেডনেস) বা স্পর্শকাতরতা (সেনসিটিভিটি) প্রতিরোধে ইউক্যালিপটাসের তেল কার্যকর।
  • এর মধ্যে থাকা উপাদান ত্বককে আর্দ্র করতে ও প্রদাহ কমাতে উপকার করে।
  • ইউক্যালিপটাস তেলের মধ্যে অ্যান্টিইনফ্ল্যামেটরি, অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ও অ্যানালজেসিক উপাদান রয়েছে। এগুলো ক্ষত সারাতে এবং ব্রণ প্রতিরোধে কার্যকর।
  • এই তেলের মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পরিবেশগত ক্ষতি থেকে ত্বককে সুরক্ষা দেয়।

বি: দ্র:– এটির ক্ষেত্রেও সরাসরি ত্বকে ব্যবহারে নিষেধ রয়েছে। এটিও অন্য কোনো উপাদান বা তেলের সঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

আমন্ড অয়েল বা কাঠবাদামের তেল

  • কাঠবাদামের তেল খুব দ্রুত ত্বকে মিশে যায়। এটি শুষ্কতা ও খসখসে ভাব কমায়; আর্দ্রতা ধরে রাখে। এই তেল ত্বককে সার্বিকভাবে ভালো রাখতে উপকারী।
  • এটি ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে এবং ক্ষতের দাগ সারাতে কার্যকর।
  • এই তেলের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টি-অ্যাজিং উপাদান, অর্থাৎ এটি ত্বকের দ্রুত বুড়িয়ে যাওয়া বা অকালবার্ধক্য প্রতিরোধ করে।
  • তেলটি দীর্ঘমেয়াদে ব্যবহারে ব্রণ প্রতিরোধ হয়।

অ্যালোভেরা অয়েল বা অ্যালোভেরার তেল

  • এই তেল ত্বককে গভীরভাবে আর্দ্র করে; শুষ্কতা ও ফাটা ভাব কমায়।
  • অ্যালোভেরা ত্বকের কোলাজেন বাড়াতে সাহায্য করে। এতে বলিরেখা ও দ্রুত বুড়িয়ে যাওয়া প্রতিরোধ হয়।
  • রোদে পোড়া ত্বককে অনেকটা সারাতে এই তেল উপকারী।
  • অ্যালোভেরার তেলের মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন ‘সি’ ও ভিটামিন ‘ই’ সার্বিকভাবে ত্বকের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।

কােকোনাট অয়েল বা নারকেল তেল

  • এই তেল ত্বককে গভীরভাবে আর্দ্র রাখে; শুষ্কতা কমিয়ে নরম করে।
  • ত্বকের কালো দাগ, লালচে ভাব, অসম রং (অর্থাৎ কোথাও উজ্জ্বল বা কোথাও গাঢ় রং) কমাতে কার্যকর।
  • নারকেল তেলের মধ্যে রয়েছে ফ্যাটি এসিড। এটি ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো রাখে।
  • এই তেলের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এটি ফ্রি র‍্যাডিক্যালের সঙ্গে লড়াই করে ত্বককে সুরক্ষা দেয়।

অলিভ অয়েল বা জলপাইয়ের তেল

  • জলপাইয়ের তেলের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এটি ফ্রি র‍্যাডিক্যালের সঙ্গে লড়াই করে; ত্বকের অকালবার্ধক্য প্রতিরোধ করে এবং প্রদাহ কমায়।
  • এর মধ্যে রয়েছে ভিটামিন ‘এ’, ভিটামিন ‘ডি’, ভিটামিন ‘ই’ ও ভিটামিন ‘কে’। এসব ভিটামিন ত্বকের জন্য উপকারী।
  • জলপাইয়ের তেলে রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান। এটি ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধে কার্যকর।
  •  জলপাইয়ের তেল গভীরভাবে আর্দ্র করে ত্বককে নরম রাখে; শুষ্কতা, লালচে ভাব ও খসখসে ভাব কমায়।

এখানে বর্ণনা করা প্রতিটি তেল ত্বকের জন্য উপকারী এবং নিজস্ব গুণে ভরপুর। তবে এই ছয়টি তেলের গুণাগুণ একত্রে পেয়ে যাবেন ‘উজ্জ্বলা কেয়ার স্কিন লাইটেনিং বডি অয়েল’-এ। উপরে উল্লিখিত ছয়টি তেল একসঙ্গে মিশিয়ে বিউটি কেয়ার প্রোডাক্ট তৈরিকারী প্রতিষ্ঠান ‘উজ্জ্বলা কেয়ার’ তৈরি করেছে এই বডি অয়েল।

এই তেল ব্যবহারে ত্বক চিটচিটে হবে না, আর্দ্র থাকবে দীর্ঘক্ষণ। প্রতিদিন ব্যবহারে ত্বক হবে উজ্জ্বল। পাশাপাশি দাগ ও রোদে পোড়া ভাব কমবে। এ ছাড়া শুষ্কতা কমে ত্বক নরম হবে। তাই অনেক গুণ একসঙ্গে একটি তেলের মধ্যে পেতে এবং ত্বক ভালো রাখতে বেছে নিতে পারেন ‘উজ্জ্বলা কেয়ার স্কিন লাইটেনিং বডি অয়েল’।

রাগ দ্রুত নিয়ন্ত্রণ করবেন কীভাবে?

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

কাজ আদায়ের জন্য কখনো কখনো রাগের প্রয়োজন রয়েছে। তবে আপনি কথায় কথায় রাগ করতে থাকলে এবং এটি অভ্যাসে পরিণত হলে, সেটি কখনোই ভালো কিছু বয়ে আনবে না।

এই আচরণের কারণে সমস্যাতো বাড়বেই, পাশাপাশি আপনার শরীর খারাপ করবে; মন বিক্ষিপ্ত হবে। অতিরিক্ত রাগ অনেক সময় এমন ক্ষতি ডেকে আনে, যা হয়তো আর কোনোভাবেই ঠিক করা সম্ভব হয় না। তাই এটি নিয়ন্ত্রণ জরুরি। রাগ নিয়ন্ত্রণের কিছু উপায় জানিয়েছে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট মায়োক্লিনিক।

জায়গা থেকে সরে আসুন
যেই অবস্থা, মানুষ বা জায়গা আপনাকে রাগান্বিত করছে, সেখান থেকে বা মানুষটির কাছ থেকে সরে আসুন; নিজেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলুন। শুধ বলুন, ‘আমার এই মুহূর্তে খুব রাগ হচ্ছে। আমি একটু ঠান্ডা হয়ে নিই। এরপর এই বিষয় নিয়ে কথা বলবো।’ এরপর নিজের জন্য পর্যাপ্ত সময় নিন এবং পরে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করুন।

গভীরভাবে শ্বাস নিন
রাগের সময় আমাদের শ্বাস-প্রশ্বাস দ্রুত বা ছোট হয়ে যায়। নিজেকে শান্ত করতে গভীরভাবে শ্বাস নিন। গভীরভাবে নাক দিয়ে দম নিয়ে ধীরে ধীরে মুখ দিয়ে ছাড়ুন। অন্তত পাঁচ থেকে সাত বার কাজটি করুন। এটি আপনাকে কিছুটা হলেও শান্ত করবে।

উল্টোদিকে গণনা
খুব উত্তেজিত হয়ে গেছেন মনে হলে উল্টোদিকে গণনা শুরু করুন। যেমন: ১শ, ৯৯, ৯৮, ৯৭….ইত্যাদি। মস্তিষ্ক এই কাজে লেগে থাকলে, এটি আপনার আবেগকে নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করবে। পাশাপাশি রেগে গিয়ে হুটহাট কিছু বলার ক্ষেত্রেও বাধা পাবেন।

পরিশ্রম হবে এমন কাজ করুন
রাগ দ্রুত নিয়ন্ত্রণে পরিশ্রম হবে এমন কোনো কাজ করা শুরু করে দিন। যেমন: হাঁটা, ঘর পরিষ্কার, স্ট্রেচিং ইত্যাদি।

মনকে বর্তমানে স্থিতিশীল করুন
তর্ক করা থামিয়ে, আপনার আশেপাশে চলছে এমন পাঁচটি জিনিস শোনার চেষ্টা করুন। দেয়াল বা পর্দার রং দেখতে থাকুন। আশেপাশে রয়েছে এমন চারটি জিনিস স্পর্শ করুন। এসব কাজ আপনার নেতিবাচক আবেগের কিছুটা হলেও লাগাম টানবে।

গভীরে গিয়ে আবেগকে বুঝুন
রাগের সময়ের প্রাথমিক অবস্থা কাটিয়ে নেওয়ার পর গভীরে গিয়ে বিষয়টি চিন্তা করুন। আপনি কেন রেগে যাচ্ছেন? এর কারণ কি আপনার জীবনের পুরোনো কোনো ট্রমা নিরাময় না হওয়া, না কি অন্য কিছু? প্রয়োজনে খাতায় লিখে ফেলুন চিন্তাগুলো। নিজে নিজে সব সমস্যার সমাধান করতে না পারলে কাছের ও বিশ্বস্ত কারো সাহায্য নিন। প্রয়োজনে কাউন্সেলরের কাছে যান। যেই জিনিস আপনার জন্য ক্ষতির, সেটি কেন করবেন বলুন তো?

- Advertisement -
সাতকাহন
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.