Wednesday, May 27, 2026
spot_img
Home Blog Page 36

আত্মবিশ্বাসীদের পাঁচ ‘বডি ল্যাঙ্গুয়েজ’

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

বডি ল্যাঙ্গুয়েজ বা শারীরিক ভাষা আমাদের ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাব ফেলে। অন্য মানুষ আমাদের যেসব বিষয় দিয়ে বিচার-বিশ্লেষণ করে, তার মধ্যে অন্যতম হল, এই শারীরিক ভাষা।

কেবল ভুল অঙ্গভঙ্গির কারণে আপনাকে দেখতে দুর্বল ও ভীত মনে হতে পারে। তাই দ্বিধাহীন বা সাহসী দেখাতে কিছু বডি ল্যাঙ্গুয়েজ জানা প্রয়োজন। মনের শক্তি বাড়াতে আত্মবিশ্বাসীদের পাঁচ বডি ল্যাঙ্গুয়েজের কথা জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।

চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলুন
কারো সঙ্গে কথা বলার সময় ভালোভাবে চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলুন। এতে যত্ন ও দৃঢ়ভাব প্রকাশ পায়। তবে আবার এতো কঠিনভাবে তাকাবেন না যে অপরপাশের ব্যক্তিটি ভয় পেয়ে যায়। একটি ভারসাম্যপূর্ণ চোখের যোগাযোগ মেনে চলুন। এতে যে শুনছে তার কাছে আপনাকে যত্নবান ও প্রকৃত মানুষ মনে হবে; বিশ্বাস ও আস্থা বাড়বে।

সোজা হয়ে দাঁড়ান
সবসময় সোজা হয়ে দাঁড়ান। এতে আত্মবিশ্বাসী লাগবে। কুঁজো হয়ে দাঁড়ালে আপনাকে অস্থিতিশীল ও অপ্রস্তুত মনে হবে। ভালো অঙ্গভঙ্গি কেবল আপনার শরীরকেই সুস্থ রাখবে না, মানসিক শক্তি বাড়াতেও সাহায্য করবে।

সুস্পষ্টভাবে কথা বলুন
আমাদের কণ্ঠ ও কথা বলার ধরন আত্মবিশ্বাস প্রকাশের অন্যতম মাধ্যম। কারো সঙ্গে কথা বলার সময় সুস্পষ্টভাবে বলুন। যতটা সম্ভব ফিলার ওয়ার্ড বা অর্থহীন শব্দ কম ব্যবহার করুন। যেমন: ‘অ্যাঁ অ্যাঁ’, ‘উমম’ ‘ইয়ে মানে’ ইত্যাদি। ধীরে ও সরাসরি কথা বলা অন্যের কাছে আপনাকে দৃঢ় করে তুলবে।

দরজ বন্ধ করার সময় বাহিরে তাকাবেন না
কোনো কক্ষে প্রবেশ করলে দরজা বন্ধ করার সময় বাহিরের দিকে ফিরে তাকাবেন না। দরজা বন্ধ করে সরাসরি ভেতরে ঢুকে যান। না হলে, ঘরের মধ্যে থাকা মানুষের মনে আপনার প্রতি নেতিবাচক মনোভাব তৈরি হবে। তখন, আপনি আপনার সিদ্ধাতের প্রতি নিশ্চিত নন, এমন ভাব প্রকাশ পাবে।

মুখের অঙ্গভঙ্গি নিয়ন্ত্রণ করুন
চেষ্টা করুন মুখের অঙ্গভঙ্গিতে আবেগ (রাগ, ক্ষোভ, হাসি, কান্না ইত্যাদি) কম প্রকাশ করার। আলোচনার সময় চেহারার অঙ্গভঙ্গি নিয়ন্ত্রণে রাখুন। এতে আপনাকে আত্মবিশ্বাসী লাগবে এবং বিশেষ অবস্থায় নার্ভাসনেসকেও লুকাতে পারবেন।

ওজন কমাতে ৮০-২০ পদ্ধতি

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

জানেন কি তৈলাক্ত বা ভাজাপোড়া খাবার ( যেমন : বার্গার, পিৎজা, ফ্রেন্স ফ্রাই ইত্যাদি ) খেয়েও ওজন কমানো সম্ভব ? হ্যাঁ, ঠিকই পড়ছেন। কেবল খাবার নির্বাচন ও ক্যালরির পরিমাণের দিকে একটু নজর রাখলেই এসব খেয়েও ওজন নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

আর সেই জন্য আপনাকে মেনে চলতে হবে ৮০-২০ পদ্ধতি। একে প্যারেটো প্রিনসিপালও বলা হয়। এই পদ্ধতিটি কী, আর এটি অনুসরণ করে কীভাবে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়, সেই পথ বাতলেছে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলথআপ্টা।

এই পদ্ধতি অনুসরণ করে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে গেলে আপনাকে মূল খাদ্যতালিকার ৮০ শতাংশ সবজি, মুরগির মাংস, মাছ, স্বাস্থ্যকর চর্বি ( অ্যাভাক্যাডো, বাদাম ) ভূসি বা ভূসি সমেত খাবার দিয়ে ভরপুর রাখতে হবে। এগুলো দেহের শক্তি বাড়াবে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করবে।

অপর ২০ ভাগ পূর্ণ রাখতে পারেন তৈলাক্ত বা ভাজাপোড়া খাবার দিয়ে। এ ধরনের খাবার সুস্বাদু হওয়ায় অনেকেই খেতে পছন্দ করে।

তবে এসব খাবার অস্বাস্থ্যকর হওয়ার কারণে ওজন বেড়ে যায়। তাই পরিমাণে খুবই কম খেতে হবে। দুই থেকে তিন কামড়। এভাবে পূর্ণ হল ২০ শতাংশ।

তাহলে, ৮০ ভাগ পুষ্টিকর খাবার এবং ২০ ভাগ অন্যান্য খাবার খাওয়ার এই পদ্ধতি অনুসরণ করে সহজেই ওজন কমিয়ে আনতে পারবেন। আর মজাদার খাবার খাওয়ার ইচ্ছেও পূরণ হবে।

বিশ্ব ফুসফুস দিবস : ফুসফুসে সমস্যার ৬ লক্ষণ

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

বিশ্ব ফুসফুস দিবস আজ। ফুসফুস-সংক্রান্ত সচেতনতা বাড়াতে প্রতি বছর ২৫ সেপ্টেম্বর দিবসটি পালন করা হয়। সারাবিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও দিবসটি পালন হচ্ছে।

অ্যাজমা, সিওপিডি, ফুসফুসে ক্যানসার, দীর্ঘমেয়াদি কফ-কাশি ইত্যাদি ফুসফুসের সমস্যা। যেকোনো রোগ প্রতিরোধে সচেতন হওয়ার বিকল্প নেই। আর তাই রোগ প্রতিরোধে ফুসফুসের সমস্যার লক্ষণগুলো জানা জরুরি। ফুসফুসে সমস্যার কিছু লক্ষণের বিষয়ে জানিয়েছে স্বাস্থ্যবিষয়কওয়েবসাইট লাংওআরজি।

দীর্ঘমেয়াদি কাশি
কাশি আট সপ্তাহ বা এর বেশি থাকলে একে ক্রনিক বা দীর্ঘমেয়াদি বলা হয়। এটি শ্বাসতন্ত্র ও ফুসফুসের সমস্যার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাথমিক লক্ষণ।

শ্বাস ছোট নেওয়া
ব্যায়ামের পর শ্বাস ছোট হলে এটি সমস্যা নয়। তবে সারাক্ষণই শ্বাস নিতে অসুবিধা হলে এবং শ্বাস ছোট মনে হলে সতর্ক হওয়া জরুরি। এমন হলে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলুন।

দীর্ঘমেয়াদি শ্লেষ্মা তৈরি
শ্বাসতন্ত্রে প্রদাহ বা সংক্রমণ হলে শ্লেষ্মা তৈরি হতে পারে। তবে এটি মাস খানেকের বেশি থাকলে ফুসফুসে সমস্যা রয়েছে কি না পরীক্ষা করতে হবে।

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

শ্বাস নেওয়ার সময় সাঁ সাঁ শব্দ
সাধারণত ফুসফুস ও শ্বাসতন্ত্রের মধ্যকার পথ সঁরু হয়ে গেলে শ্বাস নেওয়ার সময় বাঁশির মতো বা সাঁ সাঁ শব্দ হতে পারে। এমন হলে চিকিৎসককে দেখান।

রক্তসহ কাশি
রক্তসহ কাশি বের হলে, এটি ফুসফুস বা শ্বাসতন্ত্রের ওপরের অংশ থেকে আসতে পারে। এমন হওয়ার অর্থই হল আপনার স্বাস্থ্যগত কোনো সমস্যা হচ্ছে।

দীর্ঘমেয়াদি বুক ব্যথা
দীর্ঘমেয়াদি বুকে ব্যথা, বিশেষ করে শ্বাস নেওয়ার সময় বা কাশির সময়, ফুসফুসে সমস্যার লক্ষণ। এমন হলেও দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

কিশমিশ না কি খেজুর, কোনটি ভালো ?

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

কিশমিশ ও খেজুর দুটোই খেতে বেশ সুস্বাদু। আর দেহকে কর্মক্ষম রাখতেও উপকারী। তবে এ দুটোর মধ্যে কোনটি বেশি ভালো বা পুষ্টিকর? চলুন জেনে নিই-

শুষ্ক কিশমিশে ক্যালরি বেশি থাকে। ১০০ গ্রাম কিশমিশে প্রায় ৩০০ ক্যালরি পাওয়া যায়। এতে প্রাকৃতিক চিনির পরিমাণও অনেক। পাশাপাশি কিশমিশে রয়েছে আঁশ, বি কমপ্লেক্স, ভিটামিন, আয়রন ও পটাশিয়াম। এটি হজমের জন্য উপকারী।

এবার আসি খেজুরের বিষয়ে। খেজুর ক্যারামেল ফ্লেবারের হয়। এটিও ক্যালরিতে পরিপূর্ণ। ১০০ গ্রামে প্রায় ২৮০ ক্যালরি পাওয়া যায়। প্রাকৃতিক চিনিও বেশি থাকে। এই খাবারটি আঁশ, বি কমপ্লেক্স, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও আয়রনে ভরপুর।

তাই বলা যায়, কিশমিশ ও খেজুর দুটোই পুষ্টিগুণ সম্পন্ন। তবে ক্যালরির দিক থেকে একটু বেশি-কম। এগুলো বেশি খেলে ওজন বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই দুটোই খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন, তবে পরিমাণ মতো।

সূত্র : গুনঞ্জান শটস

কেউ ঈর্ষা করছে, বুঝুন ৫ লক্ষণে

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

নিজের নিরাপত্তাহীনতা ও ব্যক্তিত্বের ধরনের কারণে অনেকেই আপনার সুখী থাকা পছন্দ করবে না। আপনাকে সবসময় নিচু দেখাতে, ছোট করতেই যেন তাদের শান্তি।

এ ধরনের মানুষ আশেপাশে রয়েছে মনে হলে, গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনা, গোপন বিষয়, লক্ষ্য ইত্যাদি শেয়ার করা থেকে বিরত থাকুন। তাদের ও আপনার মধ্যে একটি দেয়াল তৈরি করুন। তবে এ ধরনের মানুষের কাছ থেকে দূরে থাকতে, তাদের ভালোভাবে চেনাও জরুরি। কীভাবে চিনবেন ?

  • ঈর্ষাপরায়ণ মানুষ আপনাকে কখনো প্রশংসা করবে না। তবে সবকিছুতেই খুব নজর রাখবে। আবার অনেক বিষয়ই আপনার মতো কপি করবে।
  • আপনার কোনো বিষয় ‘সঠিক’ করার ইচ্ছা হলে, সে আলাদা করে বলবে না। সবার সামনে ঢোল পিটিয়ে বলবে। কারণ, এতে সে মজা পায়।
  • আপনার জীবনে ভালো কিছু ঘটলে সে মন খুলে প্রশংসা করবে না। প্রশংসা করার চেষ্টা করলেও তার চেহারায় সেই নকলভাব প্রকাশ পেয়ে যাবে।
  • কোনো মানুষ সবসময়ই আপনার সঙ্গে তার তুলনা করতে থাকলে, এর মানে সে নিজেকে নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। এ ধরনের মানুষ সবচেয়ে বেশি ঈর্ষাপরায়ণ হয়। তাই, এদের কাছ থেকে সাবধান।
  • আপনার প্রশংসা করার প্রয়োজন হলে, সে ‘ব্যাকহেনডেড কসপ্লিমেন্ট’ দেবে। অর্থাৎ ঘুরিয়ে- পেঁচিয়ে কথাটি বলবে। যেমন : ‘বাহ্, তুমি এত ভালো চাকরি পেয়ছো। আমিতো ভাবিনি তুমি কখনো এটা পাবে।’
     

    তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এরা নিজের নিরাপত্তাহীনতা থেকে আপনাকে ছোট করার চেষ্টা করে বা যেকোনো কথা বলে কষ্ট দেওয়ার চেষ্টা করে। তাই তাদের কথায় খুব আঘাত পেয়ে নিজেকে কষ্ট না দেওয়াই বুদ্ধিমত্তার। নিজের মানসিক শান্তির জন্য তাদের কেবল পাত্তা দেওয়া বন্ধ করে দিন।

সূত্র: উপেনভার্মা ইন্সটাগ্রাম

- Advertisement -
সাতকাহন
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.