Wednesday, May 27, 2026
spot_img
Home Blog Page 37

নিজেকে ভালোবাসলে ৫ কাজ আজ থেকেই নয়

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

‘নিজেকে ভালোবাসুন’- এমন কথা প্রায় প্রতিদিনই শুনি। আর এটি প্রয়োজনও। তবে কেবল পার্লারে যাওয়া, নিজের জন্য শপিং করা, ভালো পোশাক কেনা, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা ইত্যাদিই কি নিজেকে ভালোবাসা?

না, নিজেকে প্রকৃত অর্থে ভালোবাসতে হলে মানসিকভাবে শক্ত হওয়া প্রয়োজন। আর এই ক্ষেত্রে কিছু কাজ এখন থেকেই বন্ধ করা জরুরি।

  • ভালোবাসা ভিক্ষা না চাওয়া। আপনি কাউকে ভালোবাসছেন, তবে সে ঠিক সেভাবে আপনাকে গ্রহণ করছে না। একটু থামুন। তাকে জোর করবেন না বা ভালোবাসা চাইতে যাবেন না। এতে আত্মসম্মান নষ্ট হবে। ভালোবাসতে চাইলে প্রথমে নিজেকে সম্মান দিন।
  • কেবল একাকিত্বে ভুগছেন বলেই টক্সিক বা বিষাক্ত মানুষকে জীবনে আসতে দেবেন না। নিজের সঙ্গ উপভোগ করতে শিখুন। যতক্ষণ পর্যন্ত নিজের সঙ্গে উপভোগ করতে না পারবেন, ততক্ষণ টক্সিক মানুষজন জীবনে আসতেই থাকবে, আর আপনাকে ধ্বংস করবে।
  • কখনো অন্যের সঙ্গে নিজের তুলনা করে মন খারাপ করতে যাবেন না বা মানসিক প্রশান্তি নষ্ট করবেন না। যখন আপনার পথ ভিন্ন, জীবন ভিন্ন, মস্তিষ্ক ও ভাগ্যও আলাদা তখন অন্যের সঙ্গে সবকিছু মিলবে কীভাবে?
  • এমন মানুষের সঙ্গে ত্যাগ করুন যারা আপনাকে অসম্মান করে, মন খারাপ করিয়ে দেয়। এ ধরনের মানুষের সঙ্গে থাকলে আত্মবিশ্বাস একদমই শূন্যের কোঠায় নেমে যায়। তাই, তাদের ‘না’ বলুন।
  • অতীতের ভুল নিয়ে পরে না থাকাই ভালো। এতে আপনার ক্ষতি হবে। কারণ, যে আপনার সঙ্গে খুব শুদ্ধতা বা সঠিক হওয়ার ভান করছে, তারও ভুল রয়েছে। অর্থাৎ সবারই কিছু না কিছু সমস্যা থাকে। এর চেয়ে জীবনে এগিয়ে যেতে হলে ভুল থেকে শিখুন এবং সামনের পথ মসৃণ করুন।

সূত্র : উপেনভার্মা ইন্সটাগ্রাম

আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছেন? ফিরে পাওয়ার ৮ শক্তিশালী উপায়

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

অর্থনৈতিক টানাপোড়েন, কর্মহীনতা, নিজেকে প্রতিনিয়ত ছোট হতে দেখা, কোনো কাজ নিয়ে সংগ্রাম করা ইত্যাদি আত্মবিশ্বাস কমিয়ে দেয়। তবে দিন তো সবারই একরকম যায় না, সময়ের পরিবর্তন হয়; সফলতাও ধরা দেয়।

কেবল মাঝখানের সময়টিতে বিভ্রান্ত না হয়ে নিজেকে স্থির রাখাটাই জরুরি। আত্মবিশ্বাস কমে গেলে সেটি বাড়ানোর কিছু শক্তিশালী ও উপকারী পদক্ষেপের কথা জানিয়েছে জীবনধারাবিষয়ক ইউটিউব চ্যানেল ও ওয়েবসাইট টেসটেড অ্যাডভাইস ও এনএইচএস। চলুন জানি-

নিজেকে বুঝুন
আত্মবিশ্বাস বাড়াতে প্রথমে নিজেকে জানতে হবে। আপনার জীবনের উদ্দেশ্য কী, আপনি কী করতে চান– সেটি পরিষ্কারভাবে বুঝুন। বিখ্যাত দার্শনিক এপিকটিটাস বলেন, ‘প্রথমে জানতে হবে, আমাদের ভয়গুলো কী। প্রকৃত আত্মবিশ্বাস কেবল তখনই আসে, যখন নিজেকে বোঝা যায়। নিজের সামর্থ্য ও দুর্বলতা সম্পর্কে ভালোভাবে জানুন। সেভাবেই আগান।’

কোনো কিছুতে ভয়ের প্রতিক্রিয়া দেখানোর আগে ভাবুন, আসলেই কি এটি এত বেশি কঠিন, যতটা আপনি ভাবছেন?

কমফোর্ট জোন থেকে বের হন
কোনো কিছুই পরিশ্রম ও পরিকল্পনা ছাড়া অর্জন করা যায় না। আপনি চাইছেন অনেক সাফল্য, তবে সে অনুযায়ী কোনো কাজই করছেন না। এমনটা না করে আপনার কমফোর্ট জোন বা সুবিধাজনক জায়গা থেকে বের হন। নিজেকে চ্যালেঞ্জ দিন। লক্ষ্য নির্ধারণ করে কঠোর পরিশ্রম করুন। আত্মবিশ্বাস বাড়াতে পরিশ্রমের কোনো বিকল্প নেই।

নিজের সঙ্গে ইতিবাচক কথা বলা
নিজের সম্পর্কে নেতিবাচক কথা বলা বন্ধ করুন। হ্যাঁ, এটা খুব জরুরি। জীবনে এগিয়ে যেতে হলে পজিটিভ সেলফ টক বা নিজের সঙ্গে ইতিবাচক কথা বলতে হবে। আপনি জীবনে যা অর্জন করতে চান, তার একটি তালিকা তৈরি করুন এবং সে অনুযায়ী কথা বলুন বা অটোসাজেশন দিন। নিজেকে বলুন, ‘আমি কাজটি করতে পারছি, সবকিছু আমার অনুকূলে থাকছে। আমি জীবনে অনেক সফল ও সুখী হয়েছি।’

ইতিবাচক সম্পর্ক গড়ে তুলুন
যারা আপনাকে নিচু করতে চায়, ছোট দেখাতে চায়, অসম্মান করে– সেসব মানুষের কাছ থেকে দূরে থাকুন। মানুষ আসলে তার নিরাপত্তাহীনতা, স্বার্থপরতা, ঈর্ষাপরায়ণতা, চিন্তার ধরন, সমাজকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি ইত্যাদি দিয়ে অন্যকে বিচার করে। সে ক্ষেত্রে বেশির ভাগ সময়ই আপনার কিছু করার নেই।

তবে আপনি এদের আচরণে প্রভাবিত হলে বা কষ্ট পেলে দূরে থাকুন। আপনি যতটা জীবনে পিছিয়ে রয়েছেন, তার চেয়ে অনেক পিছিয়ে দেবে এরা। তাই নিজের লক্ষ্যকে স্থির রেখে পরিকল্পনা অনুযায়ী কঠোর পরিশ্রম করে এগিয়ে যান। আর যারা আপনার প্রকৃত বন্ধু, সেটা একজন হলে তার সঙ্গেই মিশুন। ইতিবাচক মানুষ আপনাকে কথার আঘাতে জর্জরিত না করে এগিয়ে দিতে সাহায্য করবে।

নিজের প্রতি দয়ালু হন
অন্যের যত্ন ও মনোরঞ্জন করতে গিয়ে নিজেকেও যে ভালোবাসতে হয়, এই কথাটা অনেক সময় ভুলে যাই আমরা। তাই নিজেকে ভালোবাসুন। নিজের প্রতি দয়ালু হন।

কঠিন সময়ে অন্যকে আপনি কীভাবে মানসিক সাহায্য করতেন, সেটি ভেবে নিজেকে সহযোগিতা করুন। সর্বোপরি নিজের মানসিক নিরাময়ে মনোযোগী হন।

দৃঢ় থাকুন
আত্মবিশ্বাস কমে গেলে বেশির ভাগ সময়ই মানসিক অস্থিতিশীলতা তৈরি হয়। আর এই সুযোগটাই নেয় অপর পক্ষ। অসম্মান, অপদস্থ বা কোনো সুযোগ-সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করে। তাই দুনিয়াকে নিজের আবেগ যতটা কম দেখাবেন, তত ভালো। বরং নিজের মানসিক, আধ্যাত্মিক ও কর্মক্ষেত্রের উন্নতির জন্য কাজ করুন। কথা নয়, আপনি কী, সেটি প্রমাণ প্রমাণ করুন কাজ দিয়ে; দৃঢ় থাকুন।

‘না’ বলা শিখুন
আত্মবিশ্বাস কমে গেলে অনেকেই যেই কাজটি করতে চায় না, সেটিতেও ‘হ্যাঁ’ বলে। অনেকটা দ্বিধাদ্বন্দ্বের মধ্যে পড়ে যায়। এই ঝুঁকি তার ওপর অতিরিক্ত বোঝা তৈরি করে। এতে সে রাগান্বিত, হতাশ, বিরক্তি হয়। তাই যেই কাজ আপনি করতে চাইছেন না, সেটিতে ‘না’ বলুন। তবে কাউকে আঘাত করে নয়, এমনভাবে বলুন যেন আপনার অবস্থাটি সে বুঝতে পারে।

কৃতজ্ঞতা বোধ
এ মুহূর্তে আপনার যা রয়েছে, তার প্রতি কৃতজ্ঞ থাকুন। এই কৃতজ্ঞতা বোধের অনুশীলন আপনাকে মানসিকভাবে স্থির রাখতে সাহায্য করবে এবং আরও কাজ করার প্রতি উৎসাহ দেবে।

দুর্গাপূজার আয়োজন নিয়ে ‘কে ক্র্যাফট’

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

বছর ঘুরে আবারও চলে এলো সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সব থেকে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। সনাতন ধর্মাবলম্বী বাঙালিদের সবচেয়ে বড় এ উৎসবে ধর্মীয় আচার আনুষ্ঠানিকতার পাশাপাশি অনুষ্ঠানের ভাব গাম্ভীর্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নানা পোশাক ও অনুষাঙ্গিকে সেজে উঠবার রীতি বহু শতাব্দীর।

তাই পূজাকে কেন্দ্র করে যেমন চলছে নানা আয়োজনের প্রস্তুতি তেমনি পাঁচদিনব্যাপী এই উৎসবে কেমন পোশাক পরবেন তা নিয়েও চিন্তা থাকবে।

পূজা উৎসবকে আরো বর্ণিল করার প্রয়াসে কে ক্র্যাফট নিয়ে এসেছে বৈচিত্র্যময় উপযোগী পোশাক। মান্ডালা, ফ্লোরাল, টামজারা, ট্রাইবাল, ট্র্যাডিশনাল, ভিন্টেজ সহ মিক্সড মোটিফের অনুপ্রেরণা এবং নানান রঙের বিন্যাসে চলমান ট্রেন্ড অনুযায়ী ডিজাইন করা হয়েছে শারদীয় দূর্গাপূজা কালেকশন। প্যাটার্নে ভিন্নতা আনা হয়েছে। ক্ল্যাসিক লুকের সঙ্গে রেট্রো লুকের কম্বিনেশনে আনবে নতুন মাত্রা। এ ছাড়া ট্র্যাডিশনাল প্যাটার্নেও করা হয়েছে নানান পোশাক।

আরামদায়ক, সময় উপযোগী ও উৎসবধর্মী পোশাকের আয়োজনকে ঘিরে করা হয়েছে শাড়ি, সালোয়ার-কামিজ, কুর্তি, টপস, টিউনিক ও স্কার্ট। ছেলেদের জন্য রয়েছে রেগুলার ও ফিটেড পাঞ্জাবি। এ ছাড়াও পাওয়া যাবে স্মার্ট ক্যাজুয়াল শার্ট, এথনিক শার্ট ও ফতুয়া।

ছবি : কে ক্র্যাফট
ছবি : কে ক্র্যাফট

মেয়ে শিশুদের জন্য উৎসব ভিত্তিক পোশাকে থাকছে – সালোয়ার কামিজ, ফ্রক, কুর্তি, টপস, লেহেঙ্গা সেট ও অন্যান্য পোশাকের সেট। ছেলে শিশুদের জন্য পাঞ্জাবি, শার্ট, ফতুয়া সহ নানা আয়োজন। প্যাটার্নে ভিন্নতা এবং রঙে উৎসবের আমেজ বহন করবে। ফ্যামিলি পোশাক থাকবে বরাবরের মতো। এ ছাড়া যুগলদের জন্য থাকবে বিশেষ পোশাক। এর সঙ্গে মিলিয়ে পরার জন্য অনুষঙ্গ হিসেবে থাকবে জুয়েলারি এবং অন্যান্য উপহার সামগ্রী।

এবারের পূজা কালেকশন দেখে নিতে পারেন এই লিংক থেকে https://www.kaykraft.com/product-category/puja24/ ।

ছবি : কে ক্র্যাফট
ছবি : কে ক্র্যাফট

পোশাকের জন্য ফ্যাব্রিক নির্বাচনে উৎসব ভিত্তিক পরিবেশে স্বস্তিতে থাকাকে প্রাধান্য দিয়ে থাকছে- কটন, হ্যান্ডলুম কটন, সুইস কটন, জ্যাকার্ড কটন, লিনেন, হাফ সিল্ক, জর্জেট, সিল্ক, অরগাঞ্জা ফেব্রিক, যা স্বাচ্ছন্দের পাশাপাশি আকর্ষণীয় করে তুলবে। মিডিয়া হিসেবে ব্যবহার হয়েছে হাতের কাজ, এমব্রয়ডারি, স্ক্রিন ও ব্লক প্রিন্ট, ডিজিটাল প্রিন্ট এবং কারচুপির কাজ। পোশাকে নানা রঙে থাকছে- রেড, হোয়াইট, অফ-হোয়াইট, ক্রিম, পিঙ্ক, পাউডার পিঙ্ক, মেরুন, ম্যাজেন্টা, ব্রিক রেড, অরেঞ্জ, টেন ব্রাউন, মেরি গোল্ড, ল্যাভেন্ডার, নেভি, গোল্ডেন, কোরাল রেড, ক্রিমসন রেড সহ আরও অন্যান্য শেড।

কে ক্র্যাফটের ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, খুলনা, কুমিল্লার সকল শো-রুম ছাড়াও অনলাইন শপ kaykraft.com থেকে পূজা আয়োজনের পোশাক কিনতে পারেন সাশ্রয়ী মূল্যে। এ ছাড়াও ফেসবুক পেজ থেকেও অর্ডার করা যাবে।

সবসময় দুশ্চিন্তায় ভোগেন ? ৩টি প্রশ্ন নিজেকে করুন

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

একমাত্র বেশি চিন্তা করা মানুষ বা ওভারথিংকাররাই জানে কোনো বিষয় ঘটলে সেটি নিয়ে ভেবে কীভাবে মস্তিষ্কের রফাদফা করে তারা। যদিও কখনো কখনো এই অতিরিক্ত চিন্তা সঠিক বিষয়টি দ্রুত ধরতে সাহায্য করে তাদের।

তবে, দুশ্চিন্তায় রাতের ঘুম, নাওয়া-খাওয়া সবই হারাম হয়। তাই ওভারথিংকিং থামানো জরুরি। আর এই ক্ষেত্রে বেশি চিন্তা বা দুশ্চিন্তার সময় তিনটি প্রশ্ন নিজেকে করতে পারেন। এগুলো আপনার ভাবনাকে কিছুটা সময়ের জন্য হলেও বাধা দেবে এবং সমস্যা সমাধানের পথ সহজ করবে।

১. আপনি যেভাবে বিষয়টি নিয়ে ভাবছেন- এভাবে কি সবসময়ই ভাবেন? এটি কি আপনার ছোটবেলার প্যাটার্ন, না কি চিন্তাটি সচেতনভাবেই করছেন ? এই প্রশ্ন আপনাকে অতীতের সঙ্গে বর্তমানের দূরত্ব বাড়াতে সাহায্য করবে। এবং কেবল বর্তমান নিয়ে ভাবতেই মনোযোগী হবেন।

২. বেশি চিন্তার সময় যেকোনো জনপ্রিয় কমেডিয়ানের কথা মনে করুন। এবার নিজের মনকে জিজ্ঞেস করুন এরা আপনার এই অবস্থাকে বর্ণনা করলে, কীভাবে করতো ? এই প্রশ্ন অবস্থার গুরুত্ব বা জটিলতা কমাতে সাহায্য করবে। আর কিছুটা হাস্যরস মুডে থাকলে সমস্যাকে আরেকটু সহজভাবে ব্যবস্থাপনা করতে পারবেন।

৩. কোনো আগন্তুক বা অপরিচিত মানুষ একই অবস্থায় পড়লে আপনি তাকে কী উপদেশ দিতেন? এটিও ভাবুন। এই প্রশ্ন আপনার ভেতরের জ্ঞানকে নাড়া দেবে এবং সমস্যা সমাধানের পথ বের করে হয়তো একটু স্থির হতে পারবেন।

সূত্র : সুররভিগান্ধী

ম্যাচিউর নারী সম্পর্কে যে ১০ কাজ করে না

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

ভালোবাসা খুব যত্ন ও সম্মানের বিষয়। আর একজন ম্যাচিউর বা পরিপক্ব নারী এই কথাটি খুব ভালোভাবে বুঝে। সে জানে একটি সম্পর্কে কেউ ছোট বা বড় নয়।

সে নিজেকে যেমন সম্মান দেয়, তেমনি শ্রদ্ধা রাখে সঙ্গীর প্রতিও। আর তাই সম্পর্ক সুস্থ ও সুন্দর রাখতে কিছু কাজ থেকে বিরত থাকে তারা। একজন পরিপক্ব নারী সম্পর্কে করে না, এমন কিছু বিষয়ের কথা জানিয়েছে রিলেশনশিপ রুলস।

  • কেবল প্রেম-ভালোবাসা বা সঙ্গীর জন্য সে অন্যান্য সম্পর্কগুলোকে বিসর্জন দেয় না। সঙ্গীর প্রতি যেমন যত্নশীল থাকে, তেমনি খেয়াল রাখে পরিবারের অন্যান্য মানুষ ও বন্ধু-বান্ধবদের প্রতি।
  • এরা সঙ্গীর ভালো কাজে সবসময় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে এবং ধন্যবাদ জানায়।
  • সঙ্গী জীবনে চলে এসেছে বলেই তারা নিজেদের অর্থনৈতিক স্বাধীনতার কথা ভুলে যায় না। তারা পরিশ্রম করে এবং নিজে টাকা আয় করে। মোদ্দাকথা, অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হওয়া যে একজন মেয়ের জন্য খুব জরুরি, এটা জানে। তাই নিজেকে সেভাবেই তৈরি করে।
  • একজন পরিপক্ব নারী সম্পর্কে নাটক করে সময় নষ্ট করে না।
  • তারা নিজের সম্পর্ককে দুনিয়ার সামনে লোক দেখানোভাবে প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকে।
  • তারা কখনো সঙ্গীকে অসম্মান করে না।
  • নিজেদের অশ্রদ্ধা তারা কখনোই পছন্দ করে না। এরা আত্মসম্মানবোধ বজায় রাখে।
  • সম্পর্কে থাকলেও তারা নিজেদের জীবনের লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হয় না।
  • সম্পর্ক থাকলেও নিজেকে সময় দেওয়ার জন্য তারা নির্দিষ্ট সময় রাখে।
  • ‘আমি তোমায় ভালোবাসি’- এই কথাটির মূল্য তাদের কাছে অনেক। একে তারা যথাযথ সম্মান করতে চায় এবং অপর পক্ষ থেকেও সেটি আশা করে।

প্রাক্তনকে ফিরিয়ে আনতে চার কাজ করুন

সাতকাহন২৪. কম ডেস্ক

ত্রুটি থাকে বলেই সম্পর্কে টানাপোড়েন শুরু হয়, বিচ্ছেদ আসে। সাধারণত অবিশ্বাস, আস্থা না রাখতে পারা, সঙ্গীকে ছোট করা, ম্যানিপুলেশন ইত্যাদি বিভিন্ন কারণে সম্পর্ক ভেঙে যায়। এসব ঘটনার পর সব পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যাওয়াই ভালো।

তবে এরপরও প্রাক্তনের জন্য মন কাঁদলে এবং তাকে ফিরিয়ে আনতে চাইলে কিছু যত্নশীল পদক্ষেপ নিতে পারেন। সাবেককে ফিরিয়ে আনার কিছু পদক্ষেপের কথা জানিয়েছে ফেসবুক পেজ দ্যাঅফিসিয়ালগিত।

সময় নিন
সাবেককে ফিরিয়ে আনতে চাইলে কিছুটা সময় নিন। প্রাক্তনকে আগে তার নিজেকে বুঝতে দিন। আপনিও নিজেকে বুঝুন। মাঝেমধ্যে একসঙ্গে থাকলে এ বিষয়টি ভালোভাবে হয় না। তাই কিছুটা সময় নিয়ে অনুভূতিগুলো বোঝার চেষ্টা করুন।

এই সময়ের মধ্যে চিন্তা করুন আপনি আসলেই কী চান? আপনি কি সত্যিই তাকে অনুভব করছেন, নাকি সে শুধুই আপনার অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। নিজের ভাবনায় পরিচ্ছন্নতা এলেই পুনরায় সম্পর্কে আগান।

সমস্যাগুলো সমাধানের চেষ্টা করুন
খুব ভালো করে ভেবে দেখুন, আপনাদের মধ্যে যেসব কারণে সমস্যা হচ্ছিল সেগুলো কি সমাধানযোগ্য? সমাধানযোগ্য মনে না হলে, পেছনে না ফিরে মনকে সামলে সামনের এগিয়ে যান। কারণ, পেছনে ফিরলে আবারও একই বিষয় সামনে আসবে। সম্পর্কের অবনতি ঘটবে।

আর সমস্যা সমাধান করা গেলে কীভাবে এগুলো ঠিকঠাক করা যায়, তার পরিকল্পনা করুন। সে অনুযায়ী আগান।

প্রাক্তনের সঙ্গে দেখা করুন
প্রাক্তনের সঙ্গে দেখা করে নিজেদের মধ্যে কথা বলুন। তাকে জিজ্ঞেস করুন, সে-ও কি আপনার সঙ্গে বাকি পথটা হাঁটতে চায়? সমস্যাগুলো সমাধানের বিষয়ে দুজনে মিলে পরিকল্পনা করুন।

সম্পর্কে চেষ্টা করুন
সম্পর্ক গাছের মতো। গাছ বড় করতে যেমন প্রতিদিন যত্ন করতে হয়, সম্পর্কও ঠিক তাই। যত্ন ছাড়া এটি কখনোই মজবুত হয় না। তাই সম্পর্কের পরিচর্যা করুন। একে ভালো রাখতে চেষ্টা করুন। মোদ্দাকথা, জোর দিন বিষয়টি সুন্দর করতে।

- Advertisement -
সাতকাহন
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.