ঘাড়ব্যথার কারণ কী ?
সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
ঘাড়ব্যথা যেমন অস্বস্তির, তেমনি বিরক্তকরও। এটি হলে দৈনন্দিন কাজকর্মে ব্যাঘাত ঘটে। বিভিন্ন কারণে এই সমস্যায় ভোগেন একজন মানুষ। ঘাড়ব্যথার কিছু কারণের বিষয়ে জানিয়েছে রিজুভা ওয়েলনেসের পেইন ম্যানেজমেন্ট বিভাগের জুনিয়র কনসালটেন্ট ডা. এস. এম. দবির হোসেন।
ডা. দবির বলেন, ‘বর্তমান সময়ে ঘাড়ব্যথার প্রধান কারণ হচ্ছে বিভিন্ন ডিভাইস ব্যবহারের সময় ভুল দেহভঙ্গি। অর্থাৎ, মোবাইল ফোন, ডেস্কটপ বা ল্যাপটপ ব্যবহারের সময় আমাদের চোখের সঙ্গে মনিটরের সমন্বয় ঠিক না রাখার কারণে ঘাড়ব্যথা হয়।’
ঘুমের সময় বালিশের যে উচ্চতা রয়েছে, সেটি ঠিক না থাকলেও এই সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এ ছাড়া ডিস্ক প্রলাপস বা পিএলআইডি হলেও ঘাড়ে ব্যথা হতে পারে।
আবার অস্টিওআরথ্রাইটিস বা হাড় বেড়ে যাওয়ার কারণেও ব্যথা হওয়ার আশঙ্কা থাকে, বলে মতামত দেন ডা. এস. এম দবির।
সফল মানুষ যে ৬ বিষয় থেকে দূরে থাকে
সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
সফলতার সংজ্ঞা নিয়ে ভিন্ন মত থাকলেও, জীবনে বেশিরভাগ মানুষই এটি অর্জন করতে চায়। তবে কেবল পরিশ্রম ও স্মার্টভাবে কাজ করার পাশাপাশি বেশিরভাগ সফল মানুষ কিছু বিষয় থেকে নিজেকে দূরে রাখে। তারা মনে করে, এসব বিষয় বা অভ্যাস তাদের ব্যক্তিত্ব ও কাজকে নষ্ট করে দিতে পারে। সফল মানুষ দূরে থাকে বা করে না, এমন কিছু বিষয়ের কথা জানিয়েছে স্টোইকওইজডম।
অভিযোগ করা
সফল মানুষ কখনো অভিযোগ করে না। তারা অভিযোগের বদলে সমস্যা সমাধানের পথ খুঁজে বের করে। কারণ, তারা জানে অভিযোগ করে সময় অপচয়ের চেয়ে, সমস্যা সমাধানের পথ খুঁজে বের করা ভালো।
দোষারপ করা
নিজের জীবনের প্রতিটি কাজের দায়িত্ব এরা নিজে নিতে পছন্দ করে। তারা জানে অন্যের ওপর ভরসা করে ভুল কাজের জন্য দোষারাপ করার চেয়ে নিজের দায়িত্ব নিজে নেওয়াই বুদ্ধিমানের। আর চ্যালেঞ্জ নেওয়ার এই মনোভাব তাদের কঠিন পরিস্থিতিতেও দৃঢ় থাকতে সাহায্য করে।
তর্ক করা
সফল মানুষ অযথা তর্ক করার চেয়ে যেকোনো পরিস্থিতিতে নিজেকে শান্ত রাখার চেষ্টা করে। তারা জানে উত্তেজিত হয়ে তর্কে জড়িয়ে পড়ার চেয়ে নিজের কাজটি করে যাওয়া ভালো।
বড়াই করা
সাধারণত তারা কোনো কিছু নিয়েই বেশি বড়াই করতে যায় না। তারা জানে, কথা নয়, কাজ দিয়েই নিজের পরিচয় তৈরি করতে হয়।
কথা বেশি বলা
আপনার কাছের কোনো সফল মানুষকে একটু খেয়াল করলে দেখবেন, সে হয়তো বেশিরভাগ সময় চুপ থাকে এবং নিজের কাজটি করে যায়। আসলেই তাই, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এরা অতিরিক্ত কথা বলে সময় নষ্ট করা পছন্দ করে না। বরং বলার চেয়ে, অন্যের কথা শুনাই তাদের পছন্দ।
মিথ্যা বলা
মিথ্যা দিয়ে কখনো বিশ্বাস অর্জন করা যায় না এবং প্রতিযোগীতার যুগে টিকেও থাকা যায় না। এটি সফল মানুষ জানে। তাই তারা অন্যের আস্থা অর্জন করতে সত্যের পথই বেছে নেয়।
ব্যায়ামের পর ৩ কাজ নয়
সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
দেহকে ফিট রাখতে ব্যায়াম বেশ জরুরি। তবে অনেকেই ব্যায়ামের পর কিছু ভুল করে থাকে, যা পরে দেহকে আরো ক্ষতিগ্রস্ত করে দেয়। ওয়ার্কআউটের পর করা ঠিক নয়, এমন কিছু বিষয়ের কথা জানিয়েছে স্বাস্থ্যবিষয়ক ফেসবুক পেইজ হেলথআপ্টা।
- ব্যায়াম করা শেষ হলেই শুয়ে বা বসে পড়বেন না। এতে পেশি শক্ত হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা বাড়ে। কারণ, ব্যায়ামের সময় রক্ত চলাচল বেশি হয়। তবে হুট করে শুয়ে বা বসে পড়লে রক্ত চলাচল ধীর গতির হয়ে পড়ে। এতে পেশি শক্ত হয়ে যায়। এই সমস্যা এড়াতে মূল ব্যায়ামের পর পাঁচ থেকে ১০ মিনিট ধীরে ধীরে হাঁটুন বা স্ট্রেচ করুন।
- ব্যায়ামের পরপরই গরম পানি দিয়ে গোসল করবেন না। এমনিতেই এই সময় দেহের তাপমাত্রা বেশি থাকে। আর এর মধ্যে গরম পানি দিয়ে গোসল করলে পেশিতে প্রদাহ তৈরি হতে পারে।
- পোস্ট ওয়ার্কআউটের পর পুষ্টিকর খাবার খাওয়া বাদ দেবেন না। অনেকেই ব্যায়াম করার পর, পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করে না। তবে পেশির টিস্যু ও গ্রাইকোজেন ঠিকঠাক রাখতে অবশ্যই প্রোটিন ও কার্বহাইড্রেট জাতীয় খাবার খেতে হবে। এই খাবারটি ৩০ থেকে এক ঘণ্টার মধ্যে খাওয়ার পরামর্শ দেন ওয়ার্কআউট বিশেষজ্ঞরা।
শরতের স্নিগ্ধতায় ‘কে ক্র্যাফট’
সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
বর্ষার সমাপ্তিতে আবির্ভূত হয় শরৎকাল। বর্ষার বিদায়ে আকাশ যেন সাজে হালকা মেজাজের সাদা মেঘের পোশাকে। ঋতুর এই বৈচিত্র্যকে মাথায় রেখে প্রতি বছরই বিশেষ আয়োজন করে আসছে ফ্যাশন হাউজ ‘কে ক্র্যাফট’। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি।
প্রকৃতির এই অপরূপ সৌন্দর্যকে পোশাকে তুলে ধরার প্রচেষ্টায় প্রতিবারের মতোই শরৎ উপলক্ষে থাকছে নীল-সাদার সম্মিলন। কলকা, ফ্লোরাল, মুঘল, জামদানি, ট্র্যাডিশনাল, টামজারা, মানডালা সহ নানা মোটিফে তৈরি করা এবারের পোশাক সারিতে রয়েছে- শাড়ি, সালওয়ার কামিজ, কুর্তি, টপস, টিউনিক এবং ছেলেদের জন্য পাঞ্জাবি, ফতুয়া, শার্ট।

শরতের উষ্ণতায় আরাম আর স্বস্তিতে থাকাকে প্রাধান্য দিয়ে নেওয়া হয়েছে- কটন, জ্যাকার্ড কটন, ভয়েল, লিনেন, হাফ সিল্ক, অরগাঞ্জা ফ্যাব্রিক। চলতি ফ্যাশন ট্রেন্ড এবং ফিউশনধর্মী কাট ও প্যাটার্নে মিডিয়া হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছে এমব্রয়ডারি, স্ক্রিন প্রিন্ট, ব্লক প্রিন্ট, টাই-ডাই ও হাতের কাজ।
শুভ্র কাশবন, সাদা মেঘের ভেলা আর প্রশান্ত নীল আকাশের অনুপ্রেরণায় সাদা ও নীল রং ছাড়াও নেওয়া হয়েছে আকাশী, অফ-হোয়াইট, ল্যাভেন্ডার, ভায়োলেট, পেইল পিঙ্ক, নীলের বিভিন্ন শেড।

কে ক্র্যাফটের ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, খুলনা, কুমিল্লার সকল শো-রুম ছাড়াও অনলাইন শপ www.kaykraft.com থেকে শরৎ আয়োজনের পোশাক কিনতে পারেন সাশ্রয়ী মূল্যে। এ ছাড়াও ফেসবুক পেজ থেকেও অর্ডার করা যাবে।


