পূজার রেসিপি : বাঁধাকপির ঘণ্ট
সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
পূজার খাবার-দাবারে সবজি না হলে কি চলে ? তাই, পূজার বিশেষ আয়োজনে রইল বাঁধাকপির ঘণ্ট। এই সবজিটি ঝামেলা ছাড়াই খুব সহজে রান্না করে নিতে পারবেন।
উপাদান
- আস্ত বাঁধা কপি – ১টি
- গোল আলু – ২টি
- সয়াবিন তেল – আধা কাপ
- পাঁচ ফোড়ন – ১ টেবিল চামচ
- কাঁচা মরিচ – ৪ থেকে ৫টি (আস্ত)
- তেজপাতা – ২টি
- হলুদ গুঁড়া – ১/৪ টেবিল চামচ
- ধনিয়া গুঁড়া – ১/৪ টেবিল চামচ
- জিরা গুঁড়া – ১/৪ টেবিল চামচ
- পানি – আধা কাপ
- মটরশুঁটি – আধা কাপ
- চিনি – আধা টেবিল চামচ
- ঘি – ২ টেবিল চামচ
- লবণ- স্বাদমতো
প্রণালি
প্রথমে বাঁধাকপি চিকন ও কুচি করে কেটে নিন। আলাদাভাবে আলু ছোট করে কাটুন। চুলায় বাঁধাকপি ভালোভাবে সিদ্ধ করে এরপর পানি ঝরিয়ে রাখুন।
এবার একটি পাত্রে তেল নিন। তেল গরম হয়ে আসলে পাঁচফোড়ন, কাঁচামরিচ, তেজপাতা দিন। এরপর কেটে রাখা আলু দিয়ে দিতে হবে। এবার হলুদ, ধনিয়া, জিরা গুঁড়া ও লবণ দিন। অল্প পানি দিয়ে হালকা কষিয়ে এতে সিদ্ধ করা বাঁধাকপি ও মটরশুঁটি দিতে হবে। সবজিগুলো ভালো করে নাড়ুন। এবার ভাজা ভাজা হয়ে আসলে সামান্য চিনি ও ঘি দিয়ে নামিয়ে পরিবেশন করুন।
রেসিপি দিয়েছেন :

মিথিলা ঘোষ, বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতার (ঢাকা)-এর তালিকাভুক্ত রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী।
আত্মবিশ্বাসী হাসি পেতে পাঁচ জরুরি পরামর্শ
ডা. মো. আসাফুজ্জোহা রাজ
সর্বক্ষেত্রে প্রতিযোগিতার এই যুগে নিজেকে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করতে আমাদের কত চেষ্টা! বিভিন্ন কসমেটিক পণ্য ব্যবহার, পার্লারে যাওয়া, ত্বকের যত্ন নেওয়া, নতুন ডিজাইনের পোশাক পরাসহ কত কিছু। তবে গবেষণা বলছে, হাসি সুন্দর না হলে সবই বৃথা।
একজন মানুষের ব্যক্তিত্ব নির্ভর করে তার আত্মবিশ্বাসী হাসি দিয়ে। তবে অনেকের সেটি মলিন থাকে নানা কারণে। বোঝেও না, কী করলে আকর্ষণীয় হাসি সহজেই পাওয়া যাবে। তাই হাসি মলিন হওয়ার কারণ এবং এটি আকর্ষণীয় করার উপায় রইল পাঠকের জন্য।
মুখের দুর্গন্ধ
গবেষণায় বলা হয়, প্রতি চারজনের একজন মুখের দুর্গন্ধে ভোগেন, সামাজিকভাবে হেয় হয়ে মানুষের সামনে কথা বলা পর্যন্ত লজ্জাজনক হয়ে পড়ে। এমনটি হওয়ার প্রধান কারণ সঠিক উপায়ে মুখ পরিষ্কার না করা।
দাঁতের ফাঁকে, বিশেষ করে আক্কেল দাঁত বাঁকা হয়ে থাকলে এর মধ্যে খাবার জমে। এতে খাবার পচে গন্ধের সৃষ্টি হয়। সঠিক উপায়ে নিয়মিত দাঁত ব্রাশ করা, ডেন্টাল ফ্লস অথবা ইন্টার ডেন্টাল ব্রাশ ব্যবহার করা, মাউথওয়াশ ব্যবহার করা এবং জিহ্বা পরিষ্কার রাখা প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে। তবে বছরে অন্তত একবার চিকিৎসকের কাছে গিয়ে পরিষ্কার করানো জরুরি।
এ ছাড়া মুখের শুষ্কতা, লিভার ও কিডনি রোগ, সাইনোসাইটিস, অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিসসহ গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থেকেও দুর্গন্ধ হতে পারে। বিব্রতকর এসব সমস্যার সমাধান পাওয়া যায় সুচিকিৎসায়।
বিবর্ণ দাঁত
দাঁত কালো, খয়েরি বা অন্য কোনো রঙের হয়ে থাকলে হাসি তো ফাঁসির মতো মনে হয়। বিবর্ণ দাঁতের প্রধান কারণ ধূমপান, পান-সুপারি খাওয়া, দাঁতের পৃষ্ঠে জমে ওঠা পাথর, কিছু ওষুধের পার্শ্বপতিক্রিয়া, আঘাত, ধাতব ফিলিং, গঠনগত ক্রটি ইত্যাদি।
বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই অধুনিক স্কেলিং ও পলিশিংয়ের মাধ্যমে দাঁত সাদা হয়ে যায়। তবে কিছু ক্ষেত্রে টুথ হোয়াইটেনিং বা ব্লিচিং করার প্রয়োজন পড়ে। অনেক ক্ষেত্রে বিশেষ ফিলিং বা ভিনিয়ারের প্রয়োজন পড়তে পারে। ডেন্টাল চিকিৎসকের কাছে গেলে এসব সমস্যার সমাধান সহজে মেলে।
দাঁতহীন মুখ
এক বা একাধিক দাঁত না থাকলে শুধু খাবার চিবানোতে সমস্যা হয় তা নয়, মুখের গঠন ভেঙে যাওয়া, অন্য দাঁতের সামঞ্জস্য নষ্ট হওয়া, হাসি অসুন্দর হওয়াসহ ডিমেনশিয়া হতে পারে। কোনো কারণে দাঁত হারালে ডেঞ্চার (খোলাযোগ্য, বিশেষ প্লেটের মাধ্যমে তৈরি বস্তু), ব্রিজ (দুই পাশের ভালো দাঁত কাজে লাগিয়ে প্রক্রিয়া করে লাগানো) বা ইমপ্ল্যান্ট (চোয়ালের মধ্যে ধাতব স্ক্রু ঢুকিয়ে এর ওপর দাঁত লাগানো) ইত্যাদি যে কোনো একটি পদ্ধতি বেছে নিয়ে সুন্দর হাসি ফিরে পাওয়া সম্ভব।
অসম বা আঁকাবাঁকা দাঁত
কসমেটিক ডেন্টাল চিকিৎসা এখন এতটাই নিরাপদ, বিভিন্ন বয়সের যে কোনো দাঁতকে সুন্দর ও সুসজ্জিত করা যায়। যেমন : দাঁত ভেঙে গেলে বা গর্ত হলে বা সামনের দাঁতের মাঝে ফাঁকা হলে একদিনেই এর নিজস্ব রং অনুযায়ী বিশেষ বন্ডিং ফিলিং করা সম্ভব। এতে সুস্থ ও আকর্ষণীয় দাঁত পাওয়া যায়।
অন্যদিকে উঁচু-নিচু আঁকাবাঁকা দাঁতকে অর্থোডন্টিক ব্রেসের মাধ্যমে সুসজ্জিত করে তোলা কেবল সময়ের অপেক্ষা মাত্র। এলোমেলো দাঁত শুধু সৌন্দর্যের অন্তরায় নয়, মুখের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় প্রতিবন্ধক। তাই নিজেকে সুন্দর করতে এবং দৃঢ় ব্যক্তিত্বের করতে চাইলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে দাঁতকে সুসজ্জিত করতে পারেন।
দাঁত ও মাড়ির অস্বাভাবিক সংযুক্তি
জন্মগত সমস্যা, মাড়িতে প্রদাহ ও ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ইত্যাদি কারণে দাঁতের বেশির ভাগ অংশ মাড়ি দিয়ে ঢেকে থাকতে পারে অথবা দাঁতের শিকড় উন্মুক্ত হতে পারে। ত্রুটিপূর্ণ এসব অবস্থা চিকিৎসার মাধ্যমে ঠিক করা সম্ভব।
সুতরাং নিজেকে আত্মবিশ্বাসী, যোগ্য বা প্রাণচঞ্চল রাখতে সুন্দর হাসির গুরুত্ব বুঝতে হবে। না হলে পিছিয়ে পড়তে পারেন মূল স্রোতের বহমানতা থেকে।
লেখক : চিকিৎসক; রাজ ডেন্টাল সেন্টার
কলাবাগান বশির উদ্দিন মসজিদসংলগ্ন, ঢাকা
ফোন : ০১৯১১৩৮৭২৯২
পূজার রেসিপি : ছানার সন্দেশ
সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
পূজার সময় ছানার সন্দেশ না হলে যেন উৎসবটাই অপূর্ণ রয়ে যায়। দুধের তৈরি এই অসাধারণ খাবারটি যেমন খেতে সুস্বাদু, তেমনি বাড়িতে অতিথি এলে চটজলদি তৈরিও করে ফেলা যায়। তাই, পূজার বিশেষ আয়োজনে পাঠকদের জানানো হল ছানার সন্দেশ তৈরির রেসিপি।
ছানা তৈরির উপাদান ও প্রণালি
- পানি -চার কাপ
- ভিনেগার বা লেবুর রস – ১/৪ কাপ
(পানির সঙ্গে ভিনেগার বা লেবুর রস ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে।) - ময়দা – ১ টেবিল চামচ
- ময়দা গুলানোর পানি- ২ থেকে ৩ টেবিল চামচ
(এবার ময়দা ও পানি ভালোভাবে মেশাতে হবে, যেন শক্তভাব না থাকে।) - তরল দুধ- ১ থেকে ২ লিটার
এবার চুলায় একটি পাত্রে দুধ জ্বাল দিন। এতে পানি দিয়ে গুলানো ময়দা যোগ করুন। চামচ দিয়ে নেড়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন, যেন নিচে লেগে না যায়। এরপর পানি মেশানো ভিনেগার অল্প অল্প ছিঁটিয়ে দিতে হবে। দেখা যাবে, দুধ থেকে ছানা তৈরি শুরু হয়ে গেছে। এবার হালকা করে নেড়ে নিন।
সন্দেশ তৈরির প্রণালি
এবারে চুলা থেকে নামিয়ে দুধের মিশ্রণটি একটি স্টিলের ট্রে বা থালায় ঢালুন। এরপর ১০ থেকে ১৫ মিনিট ঠান্ডা হওয়ার জন্য অপেক্ষা করুন। শক্ত হয়ে এলে ছুরি দিয়ে কেটে সন্দেশ আকৃতির বানিয়ে নিন। যারা মিষ্টি খেতে পছন্দ করেন, তারা খাওয়ার আগে চাইলে একটু চিনি ছড়িয়ে নিতে পারেন।
রেসিপি দিয়েছেন :

মিথিলা ঘোষ, বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতার (ঢাকা)-এর তালিকাভুক্ত রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী।
শিশুর হাতে স্মার্টফোন, অভিভাবকের ৫ ভুল
সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
প্রযুক্তিগত উন্নয়নের এই যুগে সাধারণত শিশুর হাতে স্মার্টফোন দিতেই হয় অভিভাবককে। অনেক সময় স্কুলের ক্লাস করা, শিক্ষাগত তথ্য বা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য শিশুকে জানাতে স্মার্টফোনের দ্বারস্থ হতেই হয়। তবে এটি ব্যবহার করতে দেওয়ার সময় কিছু ভুল করে বসেন অভিভাবকরা।
স্মার্টফোন ততক্ষণই উপকার, যতক্ষণ পরিমিতভাবে, বুঝে-শুনে ব্যবহার করা যায়। শিশুকে স্মার্টফোন দেওয়ার সময় অভিভাবকরা করেন এমন কিছু ভুলের কথা জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।
অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম দেওয়া
অতিরিক্ত স্মার্টফোন দেখা বা স্ক্রিন টাইম বেশি হওয়া শিশুর সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। এতে ঘুমের অসুবিধা, সামাজিক যোগাযোগের অদক্ষতা, মানসিক অস্থিরতা ইত্যাদি তৈরি হয়। তাই সন্তানের স্ক্রিন টাইম নিয়ন্ত্রণে আনা জরুরি।
গবেষণায় বলা হয়, ১৮ থেকে ২৪ মাসের শিশুর জন্য ইলেকট্রনিক ডিভাইস দেখা একদমই উপযোগী নয়। ২৪ মাস বা দুই বছর বয়সের পরের শিশুদের দিনে এক ঘণ্টা স্ক্রিন টাইম রাখা যেতে পারে।
শিশুর স্মার্টফোনের ব্যবহার পর্যবেক্ষণ না করা
শিশু স্মার্টফোনে কী ধরনের অ্যাপ ব্যবহার করছে বা কনটেন্ট দেখছে, সেটি পর্যবেক্ষণ করা খুব জরুরি। পাশাপাশি শিশুকে বোঝানো প্রয়োজন ভুল-ভাল অ্যাপ জীবনে কী ধরনের ক্ষতি বয়ে আনতে পারে।
নিজে বেশি স্মার্টফোন ব্যবহার করা
আপনি নিজে সারাক্ষণ স্মার্টফোন ব্যবহার করলে, একটু পরপর মেসেজ, নোটিফিকেশন চেক করতে থাকলে শিশুকে শোধরাতে অসুবিধা হবে। তাই আগে নিজে স্মার্টফোন ব্যবহারের বিষয়ে সতর্ক হন। পাশাপাশি সন্তানের সঙ্গে গুণগত সময় কাটান।
শিশুকে বাইরে খেলাতে উৎসাহিত না করা
শিশুর হাতে কেবল স্মার্টফোন ধরিয়ে দিলে চলবে না, তাকে শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকতেও উৎসাহ দিতে হবে। ভারসাম্যপূর্ণ জীবনের জন্য বাইরে গিয়ে তার পছন্দের কোনো খেলা বা শখ পূরণেও সময় বের করা জরুরি। এতে সামাজিক যোগাযোগ দক্ষতা বাড়বে।
ডিজিটাল আদবকেতা না শেখানো
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কীভাবে অন্যের সঙ্গে কথা বলতে হয়, ভদ্রতা বজায় রাখতে হয়, সেটি শিশুকে না শেখানো একটা বড় ভুল। দয়া, গোপনীয়তা, সঠিক যোগাযোগ দক্ষতা ইত্যাদি বিষয় নিয়ে শিশুর সঙ্গে আলোচনা করা প্রয়োজন। তাহলে শিশু ঠিকঠাকভাবে বিষয়টিতে দক্ষ হয়ে উঠবে। সর্বোপরি, নিজেকে ডিজিটাল আদবকেতা জানতে হবে এবং শিশুকেও সেটি শেখাতে হবে।
নারীর হরমােনের ভারসাম্যহীনতা : তিন পুষ্টির দিকে নজর দিন
সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
আমাদের সার্বিক স্বাস্থ্যে হরমোনের বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। নারীর ক্ষেত্রে সাধারণত থাইরয়েডের সমস্যা, অনিয়মিত ঋতুস্রাব, পিসিওএস ইত্যাদি হয় হরমোনের প্রভাবের কারণে। তাই এটি ভারসাম্যহীন হলে সম্পূর্ণ দেহের কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে। হরমোনের ভারসাম্যহীনতা কমাতে কিছু পুষ্টিসম্পন্ন খাবারের দিকে নজর দেওয়া জরুরি।
ভিটামিন ডি
নারীর হরমোনের ভারসাম্যহীনতা রোধে ভিটামিন ‘ডি’ একটি বড় ভূমিকা পালন করে। তাই এটি গ্রহণ প্রয়োজন। ভিটামিন ‘ডি’ সূর্যের আলোতে পাওয়া যায়। এ ছাড়া এটি পেতে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে সাপ্লিমেন্টও সেবন করতে পারেন।
ম্যাগনেসিয়াম
ম্যাগনেসিয়াম ব্লাড সুগারকে নিয়ন্ত্রণ করে হরমোনের ভারসাম্যহীনতা কমায়। এই ক্ষেত্রে সবুজ শাক-সবজি, বাদাম, টফু, কুমড়ো বীজ ইত্যাদি খাদ্যতালিকায় রাখা যেতে পারে।
স্বাস্থ্যকর চর্বি
হরমোন ঠিকঠাক রাখতে খাদ্যতালিকায় স্বাস্থ্যকর চর্বি রাখতে হবে। এ ক্ষেত্রে অলিভ ওয়েল, ফ্লেক্সিড ওয়েল, অ্যাভাকাডো ওয়েল, বিভিন্ন বাদাম ও বীজ জাতীয় খাবার খাদ্যতালিকায় রাখুন। এগুলো দেহকে সুস্থ রাখতে উপকারী।
সূত্র : নিউট্রিশনফরচেইঞ্জ
প্রতিদিন কাঠবাদাম খাওয়া উপকারী কেন ?
সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
কাঠবাদামে রয়েছে ভিটামিন ‘সি’, সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন, ভিটামিন ‘বি৬’। এসব উপাদান সুস্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। তাই, প্রতিদিন কাঠবাদাম খাওয়ার পরামর্শ দেন পুষ্টিবিদরা। নিয়মিত কাঠবাদাম খাওয়ার কিছু উপকারের কথা জানিয়েছে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলথআপ্টা।
- কাঠবাদাম ভিটামিন ‘ই’-তে ভরপুর। এই শক্তিশালী অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ত্বককে ফ্রি রেডিক্যালের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে। ত্বককে তারুণ্যদীপ্ত ও উজ্জ্বল রাখে।
- কাঠবাদামের মধ্যে থাকা উপকারী চর্বি দেহের ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমায়। হার্ট ভালো রাখে। এ ছাড়া, এর মধ্যে থাকা ম্যাগনেসিয়াম পেশিকে শক্তিশালী রাখে এবং রক্তের সুগারের মাত্রা কমায়।
- এই বাদামে উচ্চ পরিমাণ আঁশ রয়েছে। এটি হজম ভালো করে এবং গাটের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। পাশাপাশি এটি খেলে অনেকক্ষণ পেট ভরা অনুভূত হয়। এতে অন্যান্য খাবার খাওয়ার ইচ্ছেও কমে, ওজন নিয়ন্ত্রণ হয়।
- এটিতে থাকা প্রয়ােজনীয় অ্যামিনো এসিড পেশি পুণর্গঠন ও বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। ব্যায়ামের পরে কাঠবাদাম খেলে পেশি শক্তি পায়।
এসব উপকার পেতে প্রতিদিন একমুঠো কাঠবাদাম খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে কিডনির সমস্যা ও অ্যালার্জি থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে খাওয়াই ভালো মতামত বিশেষজ্ঞদের।


