Wednesday, May 27, 2026
spot_img
Home Blog Page 39

দুর্গোৎসবের পোশাক নিয়ে রঙ বাংলাদেশ

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

শুভ্র আকাশ, মেঘের ছোটাছুটি, ঋতু পরিবর্তনের এই হাওয়া জানান দিচ্ছে, শরৎকাল এসেছে। মহালয়ার সঙ্গে সঙ্গেই দেবীপক্ষের সূচনা হয়ে যাবে কিছুদিন পরেই। দেবীকে বরণ করার জন্য প্রস্তুত হচ্ছে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।

উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়ছে সবদিকেই। বাঙ্গালির উৎসব তালিকায় যতগুলো রয়েছে, তার মধ্যে দুর্গোৎসব অন্যতম। দুর্গাপূজার ষষ্ঠী থেকে দশমী, কুমারী পূজা থেকে সিঁদুর খেলা, ধুনুচি নাচ থেকে প্রসাদ বিতরণ, প্রতিদিন সন্ধ্যা আর সকালের অঞ্জলি থেকে ভাসান- প্রতিটি অংশেই আনন্দ আরো বেড়ে যায় মাননসই পোশাক পরিধানে।

দেশীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে পোশাক শিল্পে উজ্জীবিত করার লক্ষ্যে নিরলস কাজ করে যাওয়া অন্যতম ফ্যাশন ও লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড রঙ বাংলাদেশ এবারও দুর্গোৎসবের আয়োজন নিয়ে এসেছে। ‘দেশের পোশাকে, দেশের উৎসব’ শ্লোগানকে ব্রত করে এবারে কাপড় থাকছে সব বয়সী মানুষের জন্য।

কম্বোডিয়ার বিশ্ব ঐতিহ্যের প্রতীক আঙ্করভাট মন্দিরের নান্দনিক শিল্পশৈলী রঙ বাংলাদেশ এর প্রেরণা হয়েছে দুর্গোৎসবের আয়োজনে। বৈচিত্র্যময় থিম বা মোটিফ-এর আলোকে কাজ করার ধারাবাহিকতায় আঙ্করভাট মন্দিরের নানান ডিজাইন দিয়ে সাজিয়েছে নকশা। এ ছাড়াও রয়েছে আলপনা, টেরাকোটা, পদ্মফুল, পূজার মন্ত্র ও নানান অনুসঙ্গ; যা প্রতিটি পোশাককে করেছে আকর্ষণীয় ও নান্দনিক।

উৎসবপ্রেমী বাঙ্গালি দুর্গোৎসব-এর পছন্দে রঙিন কাপড়কেই প্রাধান্য দিয়ে থাকে। এতে রঙ বাংলাদেশ এবারের পোশাক লাল, হলুদ, মেরুন, ভায়োলেট, গেরুয়া ও সাদা কালার কম্বিনেশনে ডিজাইন করেছে। সময়, স্থান ও কাল বিবেচনায় যেহেতু এখন আবহাওয়া উষ্ণ ও আর্দ্র থাকে, তাই সচেতনভাবেই ব্যবহার করা হয়েছে কটন, স্লাব কটন, জ্যাকার্ড কটন, ভয়েল, লিনেন, হাফসিল্ক ও ধুপিয়ান ফেব্রিক্সের বিভিন্ন কম্বিনেশন। পাশাপাশি ভ্যাল্যু অ্যাড করা হয়েছে বিভিন্ন প্রকার স্কিনপ্রিন্ট, ব্লক প্রিন্ট, কারচুপি, এমব্রয়ডারি, প্যাচওয়ার্ক ও কাট অ্যান্ড স্যু-এর মাধ্যমে।

ছবি : রঙ বাংলাদেশ
ছবি : রঙ বাংলাদেশ

রঙ বাংলাদেশের এবারের দুর্গোৎসব আয়োজনে থাকছে অনিন্দ্য সুন্দর সব শাড়ি, সালোয়ার কামিজ, সিঙ্গেল কামিজ, আনস্টিজ ড্রেস, স্কার্ট, ওড়না, পাঞ্জাবি, ধুতি, টি-শার্ট, শার্ট, ফতুয়া, কাতুয়া, উত্তরীয়, ব্যাগ, গহনাসহ পোশাক ও এক্সেসরিজের বিশাল সম্ভার।

এ ছাড়াও পরিবারের সকলে মিলে একই ডিজাইনের কাপড় পরিধানের জন্য রয়েছে ফ্যামেলি ম্যাচিং, বাবা-ছেলে, মা-মেয়ের ম্যাচিং, কাপল প্যাকেজ, ডুয়েট প্যাকেজ। এটি দুর্গোৎসবের আয়োজনকে করবে উৎসবমুখুর- আনন্দময়।

সেলাইবিহীন থ্রিপিস সেলাই করা, একই ধরনের ম্যাচিং পাঞ্জাবি ও শাড়ির সঙ্গে প্রয়োজনীয় অনুষঙ্গ ব্লাউজ বা পেটিকোট তৈরি করেও নিতে পারবেন ক্রেতাসাধারণ রঙ বাংলাদেশের যেকোনো আউটলেটের মাধ্যমে।

দুর্গোৎসবে সবার বাজেট বিবেচনায় রেখে পোশাকের মূল্য রাখা হয়েছে ক্রয়সাধ্যের মধ্যেই, থাকছে নানান অফারও। রঙ বাংলাদেশ-এর ঢাকা ও ঢাকার বাহিরের সকল আউটলেটেই পাবেন সকল আয়োজন।

ভিড় এড়িয়ে ঘরে বসে কেনাকাটার জন্য রয়েছে ই-কমার্স সাইট www.rang-bd.com এবং ভেরিফাইড ফেসবুক পেজ www.facebook.com/rangbangladesh। যেকোনো প্রয়োজনে ফোন/ হোয়াটসঅ্যাপে রয়েছে সাহায্যকারী ০১৭৭৭৭৪৪৩৪৪ এবং ০১৭৯৯৯৯৮৮৭৭ নম্বরে।

কোমরব্যথা প্রতিরোধে ফিজিওথেরাপি কতটা কার্যকরী ?

ডা. দবির হোসেন

২০২৪ সালের ফিজিওথেরাপি দিবসে কোমরব্যথাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ৮ সেপ্টেম্বর, ফিজিওথেরাপি দিবসের প্রতিপাদ্য ‘কোমর ব্যথা ব্যবস্থাপনা ও প্রতিরোধে ফিজিওথেরাপিস্টের ভূমিকা রয়েছে’।

এই রোগের পেছনে অনেক কারণ থাকতে পারে। কারণ সঠিকভাবে নির্ণয় করা গেলে একজন ফিজিওথেরাপিস্টের জন্য চিকিৎসা করা সহজ হয়। কোমরব্যথার বিভিন্ন কারণের মধ্যে রয়েছে- মেকানিক্যাল পেইন, নন মেকানিক্যাল পেইন, প্যাথলজিক্যাল পেইন ইত্যাদি। কোমরব্যথা যে কারণেই হোক না কেন, রোগ নির্ণয়ের পর ফিজিওথেরাপি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

বর্হিবিশ্বের মতো এখন এশিয়াতেও ফিজিওথেরাপিকে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা পদ্ধতি হিসেবে ধরা হচ্ছে। শুধু কোমরব্যথাই নয়, যত ধরনের প্যারালাইসিস রোগী রয়েছে প্রত্যেকের ক্ষেত্রে এটি এখন গ্রহণযোগ্য ও উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থা।

কোমরব্যথা প্রতিরোধে ফিজিওথেরাপি কীভাবে কাজ করে ?

প্রথমত, কোমরব্যথার কারণ পশ্চেরাল হলে সেটি ঠিক করতে ফিজিওথেরাপি ভূমিকা রাখতে পারে। তবে ব্যথা আরথ্রাইটিস বা বাতের কারণে হলে এর মাধ্যমে চিকিৎসা খুবই কার্যকরী। অনেক সময় এসব কোমরব্যথায় দীর্ঘমেয়াদে ওষুধ ক্ষতি বয়ে আনতে পারে।

দ্বিতীয়ত, কোমরের কোনো পেশি বা হাড়ে টান পড়লে বা জয়েন্টে সমস্যা হলে ফিজিওথেরাপি কাজ করে। অনেক সময় এই রোগে সার্জারি ছাড়া মেডিসিন ভালোভাবে কাজ করতে চায় না। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, সার্জারির পরও কেবল মেডিসিন খেলে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে পারে। এর চেয়ে বেশি কার্যকর ফিজিওথেরাপি।

তৃতীয়ত, কোমরে কোনো আঘাত পেলে অস্ত্রোপচার বা কাটাছেঁড়া না লাগলে, ওষুধের পাশাপাশি ফিজিওথেরাপি করা যেতে পারে। এখানেও এই চিকিৎসা পদ্ধতির বড় ভূমিকা রয়েছে।

ডা. দবির হোসেন দিনু
ডা. দবির হোসেন

লেখক : জুনিয়র কনসালটেন্ট, পেইন ম্যানেজমেন্ট
রিজুভা ওয়েলনেস

ফিজিওথেরাপির প্রয়োজনীয়তা কী?

ডা. এস. এম. দবির হোসেন

বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস আজ। প্রতিবছর ৮ সেপ্টেম্বর সারাবিশ্বে দিবসটি পালন করা হয়। এবারের প্রতিপাদ্য ‘কোমর ব্যথা ব্যবস্থাপনা ও প্রতিরোধে ফিজিওথেরাপিস্টের ভূমিকা রয়েছে’।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা WHO-এর নির্দেশনা অনুযায়ী ফিজিওথেরাপি বা ফিজিক্যালথেরাপি হলো এমন একটি চিকিৎসা ব্যবস্থা, যা সম্পূর্ণ স্বাধীন এবং একজন ফিজিওথেরাপি চিকিৎসক স্বতন্ত্রভাবে রোগীর রোগ নির্ণয় করে চিকিৎসা ব্যবস্থা প্রদান করতে পারেন।

ফিজিওথেরাপি কী?

ফিজিও (শারীরিক) ও থেরাপি (চিকিৎসা) শব্দ দুটি মিলে ফিজিওথেরাপি বা শারীরিক চিকিৎসা কথাটি এসেছে। ফিজিওথেরাপি আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের এক অন্যতম ও অপরিহার্য শাখা।

শুধু ওষুধ সব রোগের পরিপূর্ণ সুস্থতা দিতে পারে না। বিশেষ করে বিভিন্ন মেকানিক্যাল সমস্যা থেকে যে রোগের সৃষ্টি হয়, তার পরিপূর্ণ সুস্থতা লাভের উপায় ফিজিওথেরাপি।

ফিজিওথেরাপি হলো একটি আধুনিক ও বিজ্ঞানসম্মত চিকিৎসা পদ্ধতি। এখানে একজন থেরাপিস্ট রোগীর সব কথা শুনে-বুঝে, ভালোভাবে দেখে এবং প্রয়োজনে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে সঠিক রোগ নির্ণয় করে থাকেন। এরপর আঘাত বা অঙ্গ বিকৃতির ধরন নির্ণয় করে রোগীকে বিভিন্ন ধরনের ফিজিক্যাল পদ্ধতির মাধ্যমে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

সড়ক দুর্ঘটনা, শারীরিক প্রতিবন্ধিতা, বিকলাঙ্গতা, পক্ষাঘাত ও বড় কোনো অস্ত্রোপচারের পর রোগীর স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার ক্ষেত্রে ফিজিওথেরাপির ভূমিকা অনস্বীকার্য। এ ছাড়া বিভিন্ন ধরনের বাত, মাথা, ঘাড়, কাঁধ, পিঠ, কোমর ও হাঁটুর ব্যথায় এবং স্পোর্টস ইনজুরিতে ফিজিওথেরাপি বিশ্বব্যাপী একটি স্বীকৃত চিকিৎসা ব্যবস্থা।

ফিজিওথেরাপির প্রয়োজনীয়তা

আমরা যত আধুনিক প্রযুক্তির দিকে এগিয়ে চলছি, তত স্বাস্থ্যগত সমস্যায় আক্রান্ত হচ্ছি। দেখা গেছে, শরীরের বিভিন্ন রোগ শুধু ওষুধ দিয়ে নিরাময় করা সম্ভব হয় না। বিশেষ করে যেসব রোগের উৎস বিভিন্ন মেকানিক্যাল সমস্যা, সেখানে ওষুধের ভূমিকা তুলনামূলকভাবে কম। যেমন– বাত, কোমর ব্যথা, ঘাড়ব্যথা, হাঁটুব্যথা, আঘাতজনিত ব্যথা, হাড় ক্ষয়জনিত রোগ, জয়েন্ট শক্ত হয়ে যাওয়া, স্ট্রোক, প্যারালাইসিস, মুখ বেঁকে যাওয়া, সেরিব্রাল পালসি, স্পোর্টস ইনজুরি ইত্যাদি।

ফিজিওথেরাপি এসব রোগ থেকে মানুষকে পুরোপুরি মুক্তি না দিতে পারলেও উপশম করতে পারে। এতে রোগীর উন্নতি হয়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এবং ওয়ার্ল্ড কনফেডারেশন ফর ফিজিক্যাল থেরাপির (ডব্লিউসিপিটি) মতে, স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক প্রফেশনাল ডিগ্রিধারীরাই ফিজিওথেরাপি চিকিৎসক বা ফিজিওথেরাপিস্ট এবং স্বাধীনভাবে চিকিৎসা সেবা প্রদান করতে পারেন।

লেখক : জুনিয়র কনসালটেন্ট, পেইন ম্যানেজমেন্ট; রিজুভা ওয়েলনেস

‘উজ্জ্বলার অনুপ্রেরণাতেই এগিয়ে যাচ্ছি’

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

চট্টগ্রামের হাটহাজারির বাসিন্দা জান্নাতুল মাওয়া কলি। নিজেকে সাধারণ পরিচয় দিতেই পছন্দ করেন। অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ার পর বিয়ে হয়ে যায়। বিয়ের চার বছর পর এক ভীষণ অর্থনৈতিক সংকট শুরু হয় সংসারে। সেই জীবন সংগ্রামের মাঝেই উজ্জ্বলা থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে হয়ে উঠেন বিউটি আর্টিস্ট ও উদ্যোক্তা। একজন স্বাবলম্বী নারী উদ্যোক্তা হিসেবে তার জীবন সংগ্রামের গল্প রইলো পাঠকদের জন্য।

সন্তানের ওষুধ কেনার টাকাও জোগাড় করতে পারতাম না

বিয়ের চার বছর পর্যন্ত অনেক ভালো ছিলাম। আমার স্বামী তখন ব্যবসা করতো। তবে চার বছর পর তার ব্যবসা বন্ধ হয়ে যায়। তখন অর্থনৈতিকভাবে খুব অসুবিধার মধ্যে পড়ি। এর পর আমার স্বামী অল্প বেতনে একটি চাকরি শুরু করে। তার একার আয়ের টাকায় সংসার চালানো অনেক কষ্টের হয়ে যাচ্ছিল। এমন অবস্থা ছিল যে আমার সন্তানের ওষুধ কেনার টাকাও পর্যন্ত জোগাড় হচ্ছিল না। এভাবে প্রায় দেড় পছর চলে যায়।

এক পর্যায়ে আমার মাকে সব খুলে বলি। আমার মায়েরও তেমন কিছু করার ছিল না। তারাও মধ্যবিত্ত। এ সময় মা তার নিজের একটি সেলাই মেশিন আমাকে দিয়ে দেয়। এরপর কাপড় সেলাই শিখে কিছু টাকা আয় করা শুরু করি। রাতদিন এমনভাবে কাজ করতাম যে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলাম। এরপর কিছুদিন বিশ্রাম নিতে হয়।

টিভিতে আফরোজা পারভীনের অনুষ্ঠান দেখে বিউটি আর্টিস্ট হতে চাই

একদিন টেলিভিশনে উজ্জ্বলার সহ প্রতিষ্ঠাতা আফরোজা পারভীন আপার একটি ভিডিও দেখে আমার অনেক ভালো লাগে। এরপর থেকে নিয়মিত প্রোগরামটি দেখতাম। ইউটিউবেও তার ভিডিও দেখি। পাশাপাশি ‘জি বাংলা’র দিদি নম্বর ওয়ান অনুষ্ঠানটি দেখতাম। মেয়েদের এগিয়ে যাওয়ার গল্পগুলো আমাকে খুব শক্তি জোগাতো।

আফরোজা আপার ভিডিও দেখে অনেকটাই শিখে গিয়েছিলাম সাজগোজ। এরপর আত্মীয় স্বজনের বিয়েতে তাদের সাজিয়ে দিতাম। এক পর্যায়ে আমার অনেক সুনাম হয়। এরপর সেলাইয়ের কাজ ছেড়ে সাজানোর কাজের দিকে মনোযোগী হই।

২০১৮ সালে আমার স্বামী একটি ভালো চাকরি পায়। আমার ক্লাইন্ট দেখে এবং আগ্রহ দেখে স্বামী অনেক সহযোগিতা করে। সে আমাকে উৎসাহ দেয় প্রশিক্ষণ নিয়ে কাজটি ভালোভাবে শিখতে। আমি রাজি হই।

এরপর কিছু টাকা জমিয়ে একটি পার্লারে শিখতে যাই। তবে সেখানে ভালোভাবে শেখায়নি। আমি খুব হতাশ হয়ে পড়ি। টাকাও চলে গেল, আবার কিছু শিখতেও পারলাম না। এরপর শুধু মেকআপ নিয়ে একটি পার্লার শুরু করি।

ক্যাপশন : উজ্জ্বলার সহ প্রতিষ্ঠাতা আফরোজা পারভীনের সঙ্গে জান্নাতুল মাওয়া। ছবি : সংগৃহীত
ক্যাপশন : উজ্জ্বলার সহ প্রতিষ্ঠাতা আফরোজা পারভীনের সঙ্গে জান্নাতুল মাওয়া। ছবি : সংগৃহীত

উজ্জ্বলার অনুপ্রেরণাতেই এগিয়ে যাচ্ছি

এই সময় উজ্জ্বলায় শিখেছে এমন এক আপুর সঙ্গে পরিচিত হলাম। এরপর এখানে আফরোজা পারভীন রয়েছেন শুনে আস্বস্ত হই এবং উজ্জ্বলার চট্টগ্রাম শাখায় ভর্তি হয়ে যাই। এখানে ক্লাস করে আমি এখন মেকআপের বেজ খুব ভালোভাবে করতে পারি। কোনো কাস্টমারকে আমার এখন ফেরাতে হয় না। আর আগের চেয়ে বেশি টাকা আয় করছি। উজ্জ্বলা এমনভাবে অনুপ্রেরণা দিয়েছে যে আবারও লেখাপড়া শুরু করেছি। আমি এখনও উজ্জ্বলায় শিখছি।

এখন নিজে তো উদ্যোক্তা হয়ে স্বাবলম্বী হয়েছি, চাই আরো নারী আমার প্রতিষ্ঠানে কাজ করে নিজের পায়ের মাটি শক্ত করুক। আসলে নারীকে স্বাবলম্বী হতে হবে, না হলে এ ধরনের পারিবারিক অর্থনৈতিক সংকটগুলো কাটিয়ে উঠা মুশকিল। আর কে জানে, কার জীবনে কখন, কী সংকট আসে ?

বি : দ্র : বাংলাদেশের বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিং ইন্ডাস্ট্রিতে উদ্যোক্তা তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে উজ্জ্বলা লিমিটেড। উজ্জ্বলায় প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এবং সংগ্রাম করে সাফল্য অর্জন করেছেন, এমন কয়েকজন নারী ও পুরুষের সাক্ষাৎকার নিয়ে সাতকাহনের ধারাবাহিক পর্ব চলছে। এই পর্বটি ছিল ৯৫তম। উজ্জ্বলা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন :

https://www.facebook.com/UjjwalaBD

https://www.instagram.com/UjjwalaBD/

ফোন : ০১৩২৪৭৩৪১৫৭

রাতের খাবারের পরই ডেজার্ট নয়

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

মিষ্টি, চকোলেট, আইসক্রিম ইত্যাদি ডেজার্টের নাম শুনলে জিভে জল আসে না, এমন মানুষ হয়তো খুঁজে পাওয়া কঠিন। একটি ভারী খাবারের পর অনেকেই হয়তো একটু ডেজার্ট চেখে দেখতে পছন্দ করেন।

তবে জানেন কি, রাতের খাবার বা ডিনারের পরপরই এটি খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর ? রাতের খাবারের পরই ডেজার্ট খাওয়া কিছু ঝুঁকির কথা জানিয়েছে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলথআপ্টা।

  • রাতের খাবার খাওয়ার পরপরই ডেজার্ট বা মিষ্টিজাতীয় কিছু খেলে হজম ধীর গতির হয়ে পড়ে। কারণ, দুটো খাবার একত্রে হজম করতে পাকস্থলীর অনেক সময় লাগে। আর ডেজার্টে বেশি চর্বি ও চিনি হলে তো কথাই নেই।
  • রাতের খাবার খাওয়ার পরপর ডেজার্ট খেলে দেহের সুগারের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। এতে ক্লান্ত লাগতে পারে।
  • মিষ্টিজাতীয় ডেজার্ট রাতের খাবারের পরেই খেলে পুষ্টির শোষণ কমে যায়। কারণ, দেহ তখন ডেজার্টের চর্বি ও চিনি প্রক্রিয়া করতে ব্যস্ত থাকে। এতে অন্যান্য খাবারের গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদানগুলো ভালোভাবে শোষণ হয় না। তাই, এমনটা ঘটে।

এই জন্য রাতে ডেজার্ট খেতে হলে ভারী খাবার গ্রহণের অন্তত ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর খাওয়াই ভালো, এমনটা মতমত পুষ্টিবিদদের।

- Advertisement -
সাতকাহন
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.