Wednesday, May 27, 2026
spot_img
Home Blog Page 40

কোমরব্যথার ৪ কারণ

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

বর্তমান সময়ের এক প্রচলিত সমস্যার নাম কোমরব্যথা। সাধারণত সপ্তাহ খানেকের মধ্যে এটি ভালো হয়ে যেতে পারে। তবে কারো কারো ক্ষেত্রে বার বার ফিরে আসে।

কোমরব্যথা বিভিন্ন কারণে হয়। তবে সঠিক অঙ্গবিন্যাস, নিয়মিত কিছু ব্যায়াম ও জীবনযাত্রার পরিবর্তনে এটি অনেকটাই প্রতিরোধ করা যায়। কোমরব্যথার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণের বিষয়ে জানিয়েছে ডা. দবির হোসেন দিনু। তিনি জুনিয়র কনসালটেন্ট, পেইন ম্যানেজমেন্ট; রিজুভা ওয়েলনেস।

১. অনেক সময় ভারী কিছু তুলতে গিয়ে কোমরে টান পড়ে পেশি ক্র্যাম্প হয়ে ব্যথা হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

২. দীর্ঘক্ষণ বসে থাকলে, কোনো একটি কারণে মেরুদণ্ডের ভেতর যে পিচ্ছিল পদার্থ বা জেলি থাকে- যেটাকে ডিস্ক বলা হয়- সেটি প্রোলাপস হয়ে বা বের হয়ে কোমর ব্যথা হতে পারে।

৩. প্রবীণ বয়সে হাড় ক্ষয় বা অস্টিওপরোসিসের কারণে এই সমস্যা বাড়ে।

৪. এ ছাড়া অনেক সময় অস্টিও আরথ্রাইটিস বা হাড় বেড়ে যাওয়ার কারণেও কোমরব্যথা হয়।

দেহে পুষ্টির ঘাটতি হচ্ছে, বুঝবেন ৬ লক্ষণে

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

দ্রুতগতির এই বিশ্বে সহজেই দেহের পুষ্টির প্রতি অবহেলা হয়ে যায়। কাজের তাড়াহুড়ায় অনেকে প্রক্রিয়াজাত খাবারের ওপর নির্ভর করে অথবা ভারসাম্যপূর্ণ খাবার গ্রহণের কথা ভুলেই যায়। তবে শরীর ঠিকই জানান দেয় পুষ্টির এই ঘাটতির কথা।

কিছু লক্ষণ রয়েছে, যেগুলো দেখলে বোঝা যাবে দেহে ভারসাম্যপূর্ণ খাবারের ঘাটতি হচ্ছে। দেহে পুষ্টির ঘাটতি রয়েছে, এমন কিছু লক্ষণের কথা জানিয়েছে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলথআপ্টা।

ক্লান্ত লাগা
সারাক্ষণই ক্লান্ত বোধ করা পুষ্টির ঘাটতির অন্যতম লক্ষণ। পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিটামিন ও মিনারেলের অভাব হলে দেহ দুর্বল হয়ে পড়ে। উদাহরণস্বরূপ– আয়রন ও ভিটামিন বি-১২।

সাধারণত আয়রনের ঘাটতি হলে অবসাদ লাগে বা ক্লান্তি অনুভব হয়, বিশেষ করে নারীদের ক্ষেত্রে। আয়রন হিমোগ্লোবিন তৈরির জন্য জরুরি। এর ঘাটতিতে দেহে অ্যানিমিয়া হতে পারে। ড্রাই ফ্রুটস, বাদাম, কলিজা, লতি, কচু ইত্যাদিতে আয়রন পাওয়া যায়।

তবে কেবল আয়রন নয়, ভিটামিন বি-১২-এর ঘাটতি হলেও অবসন্ন বোধ হওয়ার আশঙ্কা থাকে। সাধারণত বি-১২ পাওয়া যায় প্রাণিজ খাদ্যে। তাই নিরামিষভোজী ও ভেগানদের এ সমস্যায় বেশি ভুগতে দেখা যায়।

ভঙ্গুর চুল ও নখ
নখ একটুতে ভেঙে গেলে বা চুল পড়ে গেলে দেহে ভিটামিনের ঘাটতি হচ্ছে কিনা খেয়াল করুন। সাধারণত শক্ত নখ ও চুলের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ প্রোটিন প্রয়োজন। এ জন্য বায়োটিন খুব গুরুত্বপূর্ণ। ডিমের কুসুম, বাদাম, মিষ্টিআলু, কলা ও ব্রকলি ইত্যাদিতে বায়োটিন পাওয়া যায়।

মেজাজের ওঠানামা
আমরা যেসব খাবার খাই, সেগুলো কেবল দেহেরই শক্তি জোগায় না, মস্তিষ্ককেও প্রভাবিত করে। এতে আমাদের মন-মেজাজও প্রভাবিত হয়। সাধারণত দেহে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিডের ঘাটতি হলে মুড সুইং বা মন-মেজাজের ওঠানামা হতে পারে। ওমেগা থ্রি-এর ঘাটতির সঙ্গে বিষণ্ণতা বাড়ার সংযোগ রয়েছে।

আমাদের দেহ নিজে এটি তৈরি করতে পারে না। তাই খাদ্য তালিকায় এটি রাখতে হবে। ফ্যাটি ফিশ (যেমন : স্যামন, ম্যাকরল ও সারদিন), ফ্ল্যাক্স সিড, চিয়া সিড ও ওয়ালনাট ইত্যাদিতে ওমেগা থ্রি রয়েছে।

মুড সুইংয়ের আরেকটি অন্যতম কারণ হতে পারে ভিটামিন ডি-এর অভাব। মস্তিষ্কের কার্যক্রম ঠিকঠাক রাখতে ভিটামিন ডি-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এই পুষ্টির ঘাটতিতে বিষণ্ণতা ও মুড ডিজঅর্ডারের সমস্যা হয়। ভিটামিন ডি পাবেন সূর্যের আলো থেকে। পাশাপাশি ডিম, ফর্টিফাইট দুগ্ধজাতীয় খাবার থেকেও এটি পাওয়া যায়।

ক্ষত সারতে দেরি হওয়া
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো থাকলে দেহের ক্ষত দ্রুত সারে। তবে ক্ষত সারতে নির্দিষ্ট সময়ের চেয়ে বেশি লাগলে দেহে পুষ্টির ঘাটতি রয়েছে বোঝা যায়। সাধারণত ভিটামিন সি-এর অভাবে এমনটা হয়। এই ভিটামিন নতুন ত্বক ও ব্লাড ভ্যাসেল তৈরিতে সাহায্য করে। এ ছাড়া এটি কোলাজেন তৈরিতেও উপকারী। বিভিন্ন শাকসবজি, সাইট্রাস ফ্রুট, ব্রকলি ইত্যাদিতে ভিটামিন-সি পাওয়া যায়।

বারবার সংক্রমণ
বারবার ঠান্ডা-কাশি লাগা দেহের পুষ্টির ঘাটতির লক্ষণ। সাধারত দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেলে এই সমস্যা হয়। এখানেও ভিটামিন সি-এর বড় ভূমিকা রয়েছে। ভিটামিন সি খেলে ঠান্ডা-কাশি দ্রুত সারে।

এ ছাড়া ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি হলেও বারবার সংক্রমণের আশঙ্কা থাকে। এটি দেহের টি সেল সক্রিয় রাখে এবং শ্বেত রক্তকণিকা বাড়ায়। এগুলো বাইরের জীবাণু থেকে দেহকে সুরক্ষিত রাখে। এ ছাড়া জিঙ্কের ঘাটতি হলেও এ ধরনের সমস্যা হতে পারে।

পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়া
মানসিক চাপ, মোবাইল ও ল্যাপটপ বেশি দেখা ইত্যাদি পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়ার কারণ। তবে পুষ্টির ঘাটতিও ঘুম কম হওয়ার জন্য দায়ী। এর জন্য অন্যতম পুষ্টি উপাদান হলো ম্যাগনেসিয়াম। এই মিনারেল নিউরোট্রান্সমিটারের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এটি পেশি শিথিল রাখে এবং মানসিক চাপ কমায়। এতে ঘুম ভালোভাবে হয়। সবুজ শাকসবজি, বাদাম, বীজ, ভুসি ও ভুসিসমেত খাবারে ম্যাগনেসিয়াম পাওয়া যায়। এ ছাড়া ভিটামিন ডি-এর ঘাটতির কারণেও ঘুমে অসুবিধা হতে পারে।

প্রেমে পড়লে মস্তিষ্কে যে দুই পরিবর্তন ঘটে

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

জানেন কি, প্রাচীন সময়ে প্রেমে পড়াকে একটি রোগ হিসেবে ধরা হতাে? কারণ, ওই সময়ে মানুষের খাবার খাওয়ার ইচ্ছা কমে যেত, হার্টবিট অস্বাভাবিক হতো এবং তারা ভিন্নভাবে চিন্তা করত।

তবে আধুনিক বিজ্ঞানের কল্যাণে এটি জানা হয়ে গেছে যে প্রেমে পড়া কোনো রোগ নয়। তবে বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রেমে পড়লে মানুষের মস্তিষ্কে বিভিন্ন পরিবর্তন আসে। আর এটি তাদের মধ্যে আচরণগত অস্বাভাবিকতা তৈরি করে। প্রেমে পড়লে মস্তিষ্কের কী পরিবর্তন হয়, চলুন জানি-

১. আমাদের মস্তিষ্কে এক ধরনের কেমিক্যাল রয়েছে, যার নাম ফিনাইলইথালামিন। প্রেমে পড়লে এটি বেড়ে যায়। এটি আমাদের বিচার-বুদ্ধিকে দুর্বল করে দেয়। যেমন : হয়তো প্রেমের শুরুর দিকে সঙ্গীর কোনো কিছুতেই ভুল ধরবেন না আপনি। মানে তার কোনো কিছুই ভুল মনে হবে না।

২. আমাদের মস্তিষ্কের যে অংশ সামাজিক বিচার ও ভয়ের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে, সেটি অকার্যকর হয়ে পড়ে এই সময়। তাই হয়তো অনেকে বলে, পেয়ার কিয়া তো ডারনা ‌ক্যায়া। অর্থাৎ, প্রেমে পড়লে ভয় কীসের? কারণ, আসলেই ভয় অনেকটা কমে যায় প্রেমের সময়।

সূত্র : সুরভিগান্ধি ইন্সটাগ্রাম

কোন ড্রাই ফ্রুটস খাওয়ার আগে ভেজানো ভালো, কোনটি নয়?

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

ড্রাই ফ্রুটস পুষ্টিতে ভরপুর। আর এতে অনেক স্বাস্থ্যগুণও রয়েছে। তবে কিছু ড্রাই ফ্রুটস খাওয়ার আগে ভেজালে পুষ্টি বাড়ে এবং হজমে সুবিধা হয়। আবার কিছু না ভিজিয়ে খাওয়াই ভালো। কোন ড্রাই ফ্রুটস খাওয়ার আগে ভেজালে ভালো এবং কোনটি নয়, এ বিষয়ে জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।

কাঠবাদাম

কাঠবাদাম বেশ জনপ্রিয় ড্রাই ফ্রুটস। এতে রয়েছে উচ্চ পরিমাণ স্বাস্থ্যকর চর্বি, প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও প্রোটিন। কাঠবাদাম ভিজিয়ে খাওয়া ভালো। এতে হজমে সুবিধা হয়। পাশাপাশি ভিটামিন ই ও ম্যাগনেসিয়াম বেশি পাওয়া যায়। এ ছাড়া এটি চিবাতেও সুবিধা। এ ক্ষেত্রে সারারাত (আট থেকে ১২ ঘণ্টা) কাঠবাদাম ভিজিয়ে পরের দিন খাওয়ার পরামর্শ দেন পুষ্টিবিদরা।

কিশমিশ

প্রাকৃতিকভাবে মিষ্টি এই ড্রাই ফ্রুটটি খেলে বেশ শক্তি পাওয়া যায়। কিশমিশও ভিজিয়ে খাওয়া ভালো, এমনটাই মতামত পুষ্টিবিদদের। এতে হজমে সুবিধা হয় এবং কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ হয়। এ ছাড়া শুকনো কিশমিশের তুলনায় ভেজাটিতে গ্লাইসেমিক্স ইনডেক্সের মাত্রা কম থাকে। এটি রক্তের সুগার ভারসাম্যপূর্ণ রাখে।

ওয়ালনাট

ওয়ালনাটের মধ্যে রয়েছে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড, অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও প্রয়োজনীয় ভিটামিন। ওয়ালনাট ভিজিয়ে রাখলে, এর মধ্যে থাকা উপদান ট্যানিন কমে যায়। এই উপাদানটি হজমে সমস্যা করতে পারে। এই ড্রাই ফ্রুটটি জিংক, আয়রন ও ক্যালসিয়ামের শোষণ বাড়াতে সাহায্য করে।

কাজু বাদাম

কাঠবাদাম ও ওয়ালনাটের মতো কাজু বাদাম ভিজিয়ে রাখার তেমন প্রয়োজনীয়তা নেই। কাজু বাদাম এমনিতেই কিছুটা নরম প্রকৃতির এবং হজমেও সুবিধা। শুকনো অবস্থাতেই এটি খেলে পুষ্টিগুলোও ঠিকঠাক পাওয়া যায়।

পেস্তা

এটিও এমন একটি ড্রাই ফ্রুট, যা খাওয়ার আগে ভেজাবার প্রয়োজন নেই। পেস্তার মধ্যে রয়েছে প্রোটিন, আঁশ ও স্বাস্থ্যকর চর্বি। এটি ভেজালে বেশি নরম হয়ে যেতে পারে এবং গন্ধও পরিবর্তন হয়। তাই একেও শুকনো অবস্থায় খাওয়ার পরামর্শ পুষ্টিবিদদের।

বয়ঃসন্ধি ছেলে শিশুর সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়বেন যেভাবে

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্প ‘ছুটি’র কথা নিশ্চয়ই মনে আছে ? ফটিক নামের একটি বয়ঃসন্ধি বালকের মনোস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েন নিয়ে রচিত এই গল্পে এক জায়গায় বলা হয়েছে, ‘তেরো-চৌদ্দ বৎসরের ছেলের মতো পৃথিবীতে এমন বালাই আর নেই।’

আসলেই যেন তাই। এই সময় একজন বয়ঃসন্ধি শিশু না পারে সম্পূর্ণভাবে নিজেকে জানতে, না পারে অন্যের কাছে প্রকাশ করতে। আসলে এটি এমন একটি সময়, যেখানে সন্তান ও অভিভাবক উভয়কেই চ্যালেঞ্জিং সময় পার করতে হয়। আর তাই সন্তানের সঙ্গে মা-বাবার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলা জরুরি।

বয়ঃসন্ধি ছেলেকে সামলাতে এবং তাকে আবেগীয়ভাবে সুস্থ রাখতে, তার সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলার কিছু পথ বাতলেছে টাইমস অব ইন্ডিয়া। চলুন জানি-

তার কাজের প্রতি আগ্রহ দেখানো

বয়ঃসন্ধি ছেলে শিশুটি যা করতে পছন্দ করে সেটির প্রতি আপনি মন থেকে আগ্রহ দেখান। অর্থাৎ সে খেলা-ধুলা, গান, ছবি আঁকা ইত্যাদি যা করতে পছন্দ করুক না কেন, তাকে উৎসাহ দিন। এতে তার ব্যক্তিগত জগতে ধীরে ধীরে প্রবেশ করতে পারবেন এবং শক্তিশালী বন্ধন তৈরি হবে।

বিচারহীন হয়ে কথা বলুন

তার সঙ্গে নন জাজমেন্টাল বা বিচারহীন হয়ে সৎ ও খোলামেলাভাবে কথা বলুন। আপনি এমন একটি জায়গায় পরিণত হন, যেখানে ছেলেটি সব কথা, চিন্তা ও অনুভূতি ভয়হীনভাবে প্রকাশ করতে পারবে। প্রতিদিনকার অর্থবহ আলোচনা আপনার সঙ্গে তার বোঝাপড়াকে আরো পরিপক্ব করবে।

গুণগত সময় দিন

আপনি যত ব্যস্তই থাকুন না কেন, কাজের বিরতিতে এমন একটি সময় বের করুন, যেখানে সন্তানের সঙ্গে কোয়ালিটি টাইম বা গুণগত সময় কাটানো যায়। একসঙ্গে কোনো ছবি দেখুন, রান্না করুন, বেড়াতে যান। এসব কাজে বয়ঃসন্ধি ছেলেটির মনে হবে আপনি তাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন।

তার গোপনীয়তাকে সম্মান দিন

সন্তান বড় হতে থাকলে তার নিজের একটি জগৎ তৈরি হয়; গোপনীয়তা তৈরি হতে থাকে। এই গোপনীয়তাকে
সম্মান দিন। আসলে বিশ্বাস ও পরিপক্বতাই পারে একটি
ভারসাম্যপূর্ণ, স্বাস্থ্যকর সম্পর্ক গড়ে তুলতে।

তাকে উৎসাহ দিন, সহযোগিতা করুন

তার জীবনের চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করতে সহযোগিতা করুন এবং বাধা পেড়িয়ে এগিয়ে যেতে উৎসাহ দিন। পাশাপাশি ছোট-বড় সব অর্জনগুলো উদযাপন করুন। সে যেন জীবনে এগিয়ে যেতে আপনাকে পথ প্রদর্শক হিসেবে সবসময়ই পায়।

ইতিবাচক আদর্শ হন

তার মধ্যে আপনি যেই প্রতিচ্ছবি দেখতে চান, সেই আচরণ নিজেও অন্যদের সঙ্গে করুন। কারণ, শিশুরা অনুকরণ প্রিয়। দায়িত্ববোধ, আর্দশ ও সততার ক্ষেত্রে আপনিই যেন তার রোল মডেল হয়ে উঠতে পারেন, সেই চেষ্টা করুন। তবেই তো সে আপনাকে ধারণ করবে।

তার মতামতের গুরুত্ব দিন

আপনি অসম্মত থাকলেও তার সিদ্ধান্ত ও মতামতকে সম্মান ও গুরুত্ব দিন। মতামতকে গুরুত্ব দিলে সে আরো সহজভাবে আপনার সঙ্গে আলোচনা করতে পারবে।

নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করুন

নিজের বয়ঃসন্ধিকালের অভিজ্ঞতা শিশুটিকে শেয়ার করুন। এতে সে নিজেকে আপনার সঙ্গে সংযুক্ত করতে পারবে; সম্পর্ক গভীর হবে এবং বোঝাপড়া বাড়বে।

নিজের ধৈর্য বাড়ান এবং বুঝদার হন

মূলত, বয়ঃসন্ধি একটি অস্থির সময়। শিশুটি নিজেও এই সময় বোঝে না, কী আচরণ করলে সে অন্যের কাছে মূল্যবান হয়ে উঠবে। এই সময় বিভিন্ন দৈহিক ও মানসিক পরিবর্তনের কারণে নতুন করে নিজেকে আবিষ্কার করতে থাকে। তাই, সন্তানের বয়ঃসন্ধিতে অধৈর্য হয়ে আবেগপ্রবণ আচরণ না করে তাকে বোঝার চেষ্টা করুন। আপনার সহানুভূতিমূলক আচরণই পারবে আপনাদের সম্পর্ককে আরো গভীর করে তুলতে।

- Advertisement -
সাতকাহন
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.