Tuesday, May 26, 2026
spot_img
Home Blog Page 21

বাল্যবিবাহকে ‘না’ বলুন

ডা. হালিদা হানুম আখতার

আজ আমাদের বিশেষভাবে আলোচনার বিষয় বাল্যবিবাহকে আমরা প্রতিরোধ করবো কীভাবে? কারণ, একে বন্ধ করতে হবে, প্রতিরোধ করা জরুরি। এর জন্য একটি সম্মিলিত প্রচেষ্টার খুবই প্রয়োজন।

বাল্যবিবাহ একটি চুক্তি। একজন নারী ও পুরুষের মধ্যে এই চুক্তি হয়। এই চুক্তি হতে পারে, শুধু যারা সাবালক তাদের। আমাদের দেশের নিয়ম অনুযায়ী একজন নারী ১৮ বছর হলে তবে সাবালিকা হবে। একজন পুরুষ ২১ বছর হলে তবে সাবালক হয়। নারীর বয়স ১৮ এর আগে বিয়ে দেওয়া হলে, সে সাবালক হলো না এবং সে চুক্তির যোগ্যও হলো না।

একটি ছেলের ২১ এর কম বয়স হলে সে সাবালক হলো না, তার চুক্তিটি গ্রহণযোগ্য হবে না। সেই জন্য আমাদের এই জিনিসগুলো বুঝতে হবে। আইনগত ব্যবস্থাগুলো জানতে হবে। সেই জন্য আমরা চিন্তা করি ছোট অবস্থায় নারীর বিয়ে দিয়ে দিলে, তার যে শারীরিক বিভিন্ন ধরনের জটিলতা হয়, সেগুলো অনেক। সেখানে ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভ হবে, মাতৃমৃত্যুর ঝুঁকি থাকে, শিশু মৃত্যুর ঝুঁকি থাকে, বাধাগ্রস্ত প্রসব হতে পারে। বাধাগ্রস্ত প্রসবের জন্য আবার ফিসচুলার আশঙ্কা থাকে। ফিসচুলা হলে প্রস্রাবের গন্ধ গা দিয়ে বের হতে থাকে। অথবা পায়খানার রাস্তায় এটি হলে গা দিয়ে পায়খানার গন্ধ বের হবে। এমন হলে একজন নারীর জীবনে মহা বিপর্যয় চলে আসে।

আরেকটা জিনিস আমরা দেখেছি, একজন নারী ১৮ বছর বয়সের আগে বিয়ে হয়ে গেলে কিন্তু তার পড়াটা বন্ধ হয়ে যাবে। তার বিয়ে হলেই তাকে বলে যে ‘তুমি গর্ভধারণ করে দেখাও যে বন্ধ্যা নও’। যখন সে গর্ভধারণ করে ফেললো তখন তাকে স্কুল থেকে ছুটি নিয়ে নিতে হয়। এর মানে গর্ভবতী হয়ে গেলে তার স্কুলে যাওয়া বন্ধ হয়ে গেলো। যখন তার লেখাপড়া বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, তখন তার অর্থ উপার্জন করা, নিজের জীবনকে শক্তিশালী করার প্রক্রিয়া থাকে না। এর মানে বাল্যবিবাহ একটি নারীর জীবনে কত বড় অভিশাপ নিয়ে আসে, এটা সবাইকে বুঝতে হবে।

সে নারী বলেই আমাদের কোনো অধিকার নেই বলার, ‘তুমি এই অবস্থার শিকার হও বা তুমি একটি অন্যায়ের শিকার হও’। এটা আমাদের সামাজিকভাবে বুঝতে হবে, বাবা-মাকে বুঝতে হবে।

মা-বাবার হয়তো দুটো সন্তান। ছেলে ও মেয়ে। কিন্তু মেয়েকে বিসর্জনটা বেশি দিতে হবে। এই যে সামাজিকভাবে একটি মেয়ের প্রতি আমাদের অবজ্ঞা, অবহেলা ও বৈষম্যপূর্ণ আচরণ- এটি থেকে রুখে দাঁড়াতে হবে। সমষ্টিগতভাবে রুখে দাঁড়ানো দরকার।

সরকারকে প্রতিরোধ করতে হবে। কারণ, সরকার আইন করছে। তবে আইনের ব্যবস্থাপনাটাও যেন ভালো হয়, প্রয়োগ ঠিকমতো হয়, সেটি খেয়াল করতে হবে। আমরা যারা স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করছি, এটাও তাদের দায়িত্ব। তারা সোচ্চারে, কাজে, কর্মে, বক্তৃতায়, চর্চায় বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে বলবে। এই বাল্যবিবাহ দিয়ে একজন নারীর ওপর অন্যায় করা যেতে পারে না। মৃত্যৃর দিকে ঠেলে দেওয়া ঠিক নয়।

সামাজিকভাবে আমাদের কী করা দরকার? যখন আপনি জানতে পারছেন, এই বাড়িতে একটি বাল্যবিবাহ হচ্ছে, তখন আপনাকে কী করতে হবে? তখন আপনাকে প্রশাসনিক যেসব মানুষ রয়েছে, তাদের খবর দিতে হবে। জানাতে হবে এখানে বাল্যবিবাহ হচ্ছে, এটা বন্ধ করতে হবে। তবে এই ব্যাপারে অবগত সবাই কিন্তু কার্যকারিতাটা আমরা কম দেখি। সুতরাং সবাই মিলে এটি বন্ধ করতে না পারলে, অন্যায়কে প্রশ্রয় দিচ্ছি। এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। এটা আমাদের নৈতিকভাবে ঠিক নয়। একটা নারীকে তার অবস্থান থেকে সরিয়ে নিয়ে এসে তার উপর অত্যাচার করবো, অগ্রগতিকে বন্ধ করবো, সেটা হবে না। এটা যে একটি অন্যায় এই জ্ঞানটা মানুষের থাকতে হবে। এর জন্য নিজেদের মধ্যে আলোচনা করতে হবে, স্কুল কলেজের শিক্ষকদেরও এই বিষয়ে সোচ্চার হতে হবে। তাদেরও ওই মেয়েটাকে সুরক্ষা দিতে হবে।

আমরা দেখেছি, স্কুলে রচনা প্রতিযোগিতা করলে, সেখানে ছাত্রদের নিয়ে লিখতে বললে, তখনও শিশুদের মধ্যে সচেতনতা বাড়বে। তো একে একটি সামাজিক আন্দোলন হিসেবে আমাদের এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। না হলে, আমরা এই নারীদের পিছিয়েই রাখবো সারাজীবন। আর একটি দেশ কখনো উন্নত হয় না, যখন এর নারী পিছিয়ে থাকে। দেশের অগ্রগতি পিছিয়ে যায়। আমাদের বলতে হবে, ‘আসুন, আমরা সবাই মিলে বাল্যবিবাহকে রোধ করি’। সোচ্চার হই এটি বন্ধে। বাল্যবিবাহকে ‘না’ বলি।

লেখক:
রোকেয়া পদকে ভূষিত বিশিষ্ট নারী ও প্রজনন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ

নারী দিবস উপলক্ষে ‘কে ক্র্যাফট’-এর আয়োজন

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

আন্তর্জাতিক নারী দিবসে ‘কে ক্র্যাফট’-এর পক্ষ থেকে সকল নারীকে জানাই শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। নারী দিবসের প্রতীক বেগুনি রঙ সৃজনশীলতা, প্রেরণা, বিশ্বস্ততা, একনিষ্ঠতা, গৌরব, আভিজাত্য ও শক্তিকে উপস্থাপন করে। বেগুনি রঙের মাধ্যমেই এ দিনটিতে প্রকাশ হয় নিজের সংহতি বা একাত্মতা।

তবে পার্পল, ল্যাভেন্ডার, ভায়োলেট শুধু নয়, নারী দিবসের মূলভাবনার সঙ্গে মিলে যায় এমন আরও কিছু রঙয়ের পছন্দের শাড়ি ছাড়াও সালওয়ার-কামিজ কিংবা কুর্তি আপনি পড়তে পারেন এবারের নারী দিবসে। মিলবে কে ক্র্যাফটের সকল বিক্রয় কেন্দ্রে। সামাজিক চেতনার ভাবনা থেকে বরাবরের মতোই কে ক্র্যাফটের নানা প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

ছবি: কে ক্র্যাফট
ছবি: কে ক্র্যাফট

নানা মোটিফে তৈরি করা পোশাক সারিতে শাড়ি, সালোয়ার কামিজ ছাড়াও রয়েছে ট্র্যাডিশনাল ও ফিউশনধর্মী প্যাটার্নে লং-কুর্তি, রেগুলার কুর্তি, টপস, টিউনিক। কটন, টু-টোন, সিল্ক, হাফ সিল্ক কাপড়ে তৈরি পোশাকগুলোতে নকশা ফুটিয়ে তুলতে হাতের কাজ, এমব্রয়ডারি, স্ক্রিন ও ব্লক প্রিন্ট এবং টাই-ডাই মিডিয়ার ব্যবহার হয়েছে।

নারী দিবসের এই আয়োজন কে ক্র্যাফটের সকল আউটলেট ছাড়াও অনলাইন শপ kaykraft.com এবং ফেসবুক পেজ থেকে অর্ডার করা যাবে।

রমজানে ফিট থাকতে আট পরামর্শ

ডা. দবির হোসেন

অপেক্ষার পালা শেষ করে চলে এলো পবিত্র মাহে রমজান। যেহেতু এই সময়ে আমাদের দৈনন্দিন রুটিনের একটি পরিবর্তন আসে তাই স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কিছু বাড়তি যত্ন নেওয়া জরুরি। রমজানে কীভাবে নিজেকে ফিট রাখতে হবে, সেই নিয়েই আজকের আলোচনা।

  • নামাজ একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত, তাই সঠিক উপায়ে নামাজ পড়া, বিশেষ করে সঠিক উপায়ে রুকু ও সিজদার দিকে মনযোগ দিতে হবে। এতে করে দেহের অ্যান্টিগ্র‍্যাভিটি পেশিগুলো ফ্লেক্সিবল বা নমনীয় হয়।
  • পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান, ইফতার থেকে নিয়ে সেহরি পর্যন্ত মোট আট থেকে ১০ গ্লাস পানি পান করা।
  • যেসব খাবারে গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম সেগুলোর পরিমাণ বাড়ানো, বিশেষ করে আঁশ জাতীয় খাবার খাওয়া। তেল/ভাজাপোড়া একদম না খাওয়া।
  • যারা জিম করেন বা ওয়েট লিফটিং করেন তারা ইফতারের দুই ঘণ্টা পর হালকা ব্যায়াম করবেন। অন্য মাসের তুলনায় রমজানে ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ ব্যায়ামের মাত্রা কমিয়ে আনবেন।
  • যারা শারীরিক চর্চা করে অভ্যস্ত, তারা নতুন কোনো কিছু যোগ করবেন না এই মাসে। বিশেষ করে যারা কার্ডিও এক্সারসাইজ করেন তারা এক ঘণ্টার বেশি ব্যায়াম না করাই ভালো।
  • চেষ্টা করবেন হালকা ব্যায়াম (যেমন: স্ট্রেচিং এক্সারসাইজ ও কার্ডিও এক্সারসাইজ) এসব করার সময় তিন থেকে চারজন মিলে করতে। এতে মানসিকভাবে একটা সহযোগিতা পাবেন।
  • দিনের বেলায় সুযোগ হলে ৩০ থেকে ৪০ মিনিটের পাওয়ার ন্যাপ নিতে পারেন, এতে করে শরীর ও ব্রেইন চাঙ্গা থাকবে৷
  • রমজানে পর্যাপ্ত ঘুম ও ইবাদাত করতে হলে নিয়ম মেনে ব্যায়াম করা এবং স্বাস্থ্য সম্মত খাবারের কোনো বিকল্প নাই। তাই এসব বিষয় সঠিকভাবে মেনে করুন।

লেখক : জুনিয়র কনসালটেন্ট, পেইন ম্যানেজমেন্ট রিজুভা ওয়েলনেস

 

K Craft’s Exciting Eid Collection: Stylish and Comfortable for Everyone!

Shatkahon24.com desk

Eid is a time of joy and celebration, and as the biggest festival approaches, many start planning their festive outfits early. This year, K Craft is thrilled to present its new Eid clothing collection, designed to offer something special for customers and well-wishers of all ages, from children to adults.

Collection Overview:

K Craft’s Eid collection stands out with a vibrant mix of colored fabrics, unique styling, and delightful motifs. With warm weather in mind, the clothing emphasizes elegance along with comfort and ease, ensuring that everyone will look great while enjoying the festivities. The selection caters to various occasions throughout Eid, whether it’s a casual gathering or an exclusive event.

Clothing Options:

For Women:
– Salwar Kameez (including double-layered options)
– Long Kurtis
– Regular Kurtis and Tops
– Tunics, Gowns, and Kaftans
– Tops paired with Pants or Skirts

For Men:
– Regular, Cut-Based, and Fitted Punjabis
– Casual Shirts (Regular and Slim Fit)
– Ethnic Shirts and Fatua
– T-Shirts

For Children:
– Boys: Punjabis in various colors, half-sleeved shirts, Fatuas, T-shirts
– Girls: Festive Salwar Kameez, Frocks, Kurtis, Tops, Lehenga sets, Skirt sets
– Special emphasis on fun patterns and vibrant colors that children will love

K Craft also offers matching outfits for families and special attire for couples, creating a cohesive and festive look.

Inspiration and Design:

The collection draws inspiration from a rich variety of styles including Kantha Stitch, Floral, Geometric, Mughal, Tribal, Jamdani, Ikat, Turkish Art, and more. To enhance the unique motifs, techniques like handwork, embroidery, rigging, screen and block printing, sequin embellishments, digital prints, and tie-dye have been expertly utilized.

Fabric Choices:

Considering comfort and climate, a range of high-quality fabrics has been selected, such as:
– Cotton (including designed cotton and handloom)
– Swiss Cotton, Slab Cotton, Linen
– Georgette, Silk, Jayashree Silk, Half-Silk
– Satin and Organza

Color Palette:

The collection features a stunning array of colors, including:
– Maroon, Regal Purple, Red, Copper
– Crimson Red, Java Green, Metallic Green
– Black, Turquoise, Navy, Orange, Peach
– Cherry, Salmon Pink, Violet, Lavender
– Burgundy, Golden Brown, Pearl White, Magenta, and more.

Pricing:

– Sarees: 2000-8000 Taka
– Handloom Sarees: 1000-3500 Taka
– Salwar Kameez: 3000-8000 Taka
– Kurtis/Tops: 1500-4000 Taka
– Boys’ Punjabi: 1200-4500 Taka
– Casual Shirts: 1500-3000 Taka
– Girls’ Clothing:
– Salwar Kameez: 2000-3500 Taka
– Tops/Frocks: 900-2500 Taka
– Lehenga Sets: 1800-3500 Taka

Children’s Clothing:
– Punjabi: 700-2200 Taka
– Shirts: 600-1200 Taka

Where to Buy:

You can explore K Craft’s collection at showrooms located in Dhaka, Chittagong, Sylhet, Khulna, and Comilla. Additionally, visit the online shop at kaykraft.com or order conveniently through their Facebook page to find affordable Eid clothing that will make you stand out during the celebrations!

‘রঙ বাংলাদেশ’ এর ঈদ আয়োজন

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

ঈদ মানেই আনন্দ আর উৎসব। ঈদ মানেই ঝলমলে পোশাকে নিজেদের সাজিয়ে নেওয়া। ঈদুল ফিতরের উৎসবের আবহ বা প্রস্তুতি সাধারণত শুরু হয়ে যায় রমজানের প্রথম দিন থেকেই। বিশেষ করে পোশাকের প্রস্তুতি।

স্বাভাবিকভাবেই দেশের সবচেয়ে বড় এই উৎসবের আগ্রহকে গুরুত্ব দিয়ে দেশের অন্যতম দেশীয় পোশাকের প্রশংসিত প্রতিষ্ঠান ‘রঙ বাংলাদেশ’ও তাদের আয়োজন সম্পন্ন করে ফেলে একেবারে শুরু থেকেই। যেকোনো উৎসবকে রাঙাতেই প্রতিষ্ঠানটির প্রস্তুতি থাকে ব্যাপক। এই ঈদেও তার ব্যতিক্রম নয়।

প্রতিবারের মতো এবারও রঙ বাংলাদেশ থিম ভিত্তিক কালেশনের দিকেই মনোযোগ দিয়েছে। এবারের থিম ‘আল হামরা মসজিদ’, ‘টি’নালক উইভিং’ ও ‘ডিলাইট ইন ডিজাইন – ইন্ডিয়ান সিলভার ফর দ্য রাজ’, থিমগুলো নিয়ে একটু ব্যাখ্যা দিলেই এই প্রতিষ্ঠানটির বৈচিত্র্যময় নকশার ধারণা যে কতটা সমৃদ্ধ তা স্পষ্ট হয়ে উঠবে।

আল হামরা মসজিদ স্পেনের কর্ডোবা শহরে অবস্থিত উমাইয়া খলিফাদের নির্মিত একটি ঐতিহাসিক স্থাপত্য। ৭৮৪ সালে নির্মিত এই মসজিদটি ইসলামিস্থাপত্যশৈলীর এক অসাধারণ নিদর্শন।

এই মসজিদের অনন্য শিল্পশৈলীমণ্ডিত নকশার অনুপ্রেরণাকে রঙ বাংলাদেশ কাজে লাগিয়েছে ঈদের পোশাকে। টি’নালক উইভিং একটি ঐতিহ্যবাহী বুননশিল্প, যা ফিলিপাইনের টি’বোলি জনগোষ্ঠীর সামাজিক পরিচয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ। প্রাচীন এই শিল্প মাধ্যমে প্রাকৃতিক সুতোর ব্যবহারে সুন্দর নকশার টি’নালক শাড়ি ও অন্যান্য পোশাক তৈরি হয়, যা মূলত: স্বপ্ন ও প্রাকৃতিক দৃশ্য অনুপ্রাণিত জটিল জ্যামিতিক নকশা ও নিপুণ কারুকাজের জন্য পরিচিত।
এই শৈল্পিক বুননশিল্প টি’বোলি নারীদের দ্বারা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে সংরক্ষিত হয়েছে, রঙ বাংলাদেশ সেই শিল্প অনুপ্রেরণার ছাপ রেখেছে নিজস্ব ঈদ পোশাকের কালেকশনে।

‘ডিলাইট ইন ডিজাইন – ইন্ডিয়ান সিলভার ফর দ্য রাজ’ ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের সময় ভারতীয় কারিগরদের তৈরি রূপার শিল্পকর্ম। এটি ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী মোটিফ ও ব্রিটিশ নকশার সমন্বয়ে তৈরি, যা রাজপরিবার ও ঔপনিবেশিক অভিজাতদের জন্য ব্যবহৃত হতো। এই ব্যবহার্য্য শিল্পকর্মে রয়েছে সূক্ষ্ম খোদাই, জটিল নকশা এবং কারিগরদের সৃজনশীলতার ছাপ। ভারতীয় এবং ব্রিটিশ সংস্কৃতির মেলবন্ধনের এই শিল্পধারা থেকেও রঙ বাংলাদেশ তাদের ঈদ সামগ্রী তৈরিতে প্রেরণা নিয়েছে।

এই থিম নির্ভর আইডিয়ার সঙ্গে দেশীয় সংস্কৃতি, প্রকৃতি, আবহাওয়া, কাপড়ের আরাম, রঙ, বুনন এবং টেকসইয়ের দিকেও পূর্ণ মনোযোগ ও যত্নের ছাপও লক্ষ্যনীয় দেশের শীর্ষস্থানীয় এই ফ্যাশন হাউসের ঈদের পণ্যে।

ঈদে বড়দের চেয়ে ছোটদের আগ্রহ যেহেতু কম নয়, তাই বড়দের সঙ্গে সঙ্গে ছোটদের আয়োজনেও সমান গুরুত্ব দিয়ে তৈরি করা হয়েছে আকর্ষণীয় পোশাক। রয়েছে পরিবারের সবার জন্যে একই ধরনের ম্যাচিং পোশাক। এতে বাবা-মা, মা-মেয়ে, বাবা-ছেলে এমনকি পরিবারের সবাই একই ডিজাইন বা থিমের পোশাক পড়ে
উদযাপন করতে পারবে এবারের ঈদ উৎসব। এ ছাড়াও রঙ বাংলাদেশের সাবব্র্যান্ড হিসাবে থাকছে, তরুণ প্রজন্মের পছন্দকে মাথায় রেখে তৈরি করা ওয়েস্ট রঙের পোশাক, বয়োজ্যেষ্ঠদের আপন ভুবন শ্রদ্ধাঞ্জলি আর শিশুতোষ ফ্যাশনের আনন্দময় জগত রঙ জুনিয়র-এর ঈদ আয়োজন।

এবারের সংগ্রহে রয়েছে : মেয়েদের পোশাক: শাড়ি, থ্রি-পিস, সিঙ্গেল কামিজ, টিউনিক, টপস, ওড়না, রেডি ব্লাউজ, ব্লাউজপিস, আনস্টিচড থ্রি-পিস ইত্যাদি।

ছেলেদের পোশাক: পাঞ্জাবি, পায়জামা, কাতুয়া, কাবলি সেট, শার্ট, টি-শার্ট, পোলো টি-শার্ট, ইত্যাদি ।

ছোটদের পোশাক: থ্রি-পিস, সিঙ্গেল কামিজ, ফ্রক, স্কার্ট টপস, পাঞ্জাবি, শার্ট, টি-শার্ট।

রয়েছে টিনএজারদের উপযোগী টপস্। এ ছাড়া আরো রয়েছে জুয়েলারি, নানা ডিজাইনের ব্যাগ , পার্স, শো-পিস ও উপহার সামগ্রী। এ ছাড়াও নিয়মিত সকল আয়োজন তো থাকছেই।

সকল ক্রেতাসাধারণের কথা বিবেচনা করে পোশাকের মূল্যও রাখা হয়েছে ক্রয়সাধ্যের মধ্যে। রয়েছে অনেক রকম অফার। আপনজনকে উপহার দিতে রয়েছে ‘রঙ বাংলাদেশ ঈদি গিফট ভাউচার’। ঈদ আয়োজনকে ঘিরে যেকোনো অনুষ্ঠান বা আয়োজনের জন্য সবাই মিলে একই রকম পোশাক পরতে পাইকারি দামেও পাওয়া যাবে
রঙ বাংলাদেশ-এর পোশাক। কর্পোরেট প্রোগ্রাম বা যেকোনো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সব ধরনের আয়োজনেই রঙ বাংলাদেশ-এর পোশাক ক্রেতাকে করবে আকর্ষণীয় ও উৎসবমুখর।

রঙ বাংলাদেশ-এর ঢাকা ও ঢাকার বাহিরের সকল আউটলেটেই পাওয়া যাবে এই ঈদ আয়োজনের সামগ্রী। এ ছাড়া ঈদ আয়োজনের সকল পণ্যই পাবেন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে। ভিজিট করতে পারেন www.rang-bd.com অথবা রঙ বাংলাদেশের ফেসবুক পেজ www.facebook.com/rangbangladesh। আপনার অর্ডার করা পছন্দসই 'রঙ বাংলাদেশ' এর পণ্য সম্পূর্ণ সুরক্ষায় পৌছে যাবে আপনার ঘরে। যেকোনো
প্রয়োজনে ফোন / হোয়াটসঅ্যাপে রয়েছে সাহায্যকারী 01777744344 এবং 01799998877 নম্বরে।

আকর্ষণীয় ঈদ আয়োজন নিয়ে ‘কে ক্র্যাফট’

0

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

ঈদ আসে আনন্দের সহযাত্রী হয়ে। সবচেয়ে বড় উৎসব বলে ঈদকে ঘিরে আগে থেকেই শুরু হয় পোশাক নিয়ে ভাবনা।

তাই আসছে ঈদকে সামনে রেখে শিশু থেকে শুরু করে সকল বয়সী ক্রেতা, শুভানুধ্যায়ীদের প্রত্যাশিত নতুন কিছু দেবার জন্য কে ক্র্যাফট ইতোমধ্যে ঈদ আয়োজনের পোশাক নিয়ে হাজির হয়েছে।

মোটিফের সঙ্গে মিলিয়ে নানা রঙের ফেব্রিক ও স্টাইলিং- এর সমন্বয় সমৃদ্ধ করেছে কে ক্র্যাফটের এবারের ঈদ আয়োজন। যেহেতু গরম থাকবে তাই আরাম ও স্বস্তিতে থাকাকে প্রাধান্য দিয়ে পোশাকে থাকবে আভিজাত্য। সকল বয়সী নারী, পুরুষ ও শিশুদের জন্য আবহাওয়া ও উৎসব উপযোগী পোশাকগুলো সকলের দৃষ্টি কাড়বে।

ঈদের সকাল, বিকেল ও সন্ধ্যায় কাঙ্ক্ষিত পোশাক নির্বাচনে ক্যাজুয়াল কিংবা এক্সক্লুসিভ সবই থাকবে এবারের আয়োজনে।

আয়োজনে রয়েছে নানা প্যাটার্নের সালোয়ার কামিজ, ডাবল লেয়ারড সালোয়ার কামিজ, লং-কুর্তি, রেগুলার কুর্তি, টপস্, ডাবল লেয়ারড কুর্তি, টিউনিক,গাউন,কাফটান,প্যান্ট সহ টপস, টপস-স্কার্ট। ছেলেদের জন্য রয়েছে পছন্দের ব্র্যান্ড কে ক্র্যাফটের রেগুলার, কাট বেইজড ও ফিটেড পাঞ্জাবি। এ ছাড়াও পাওয়া যাবে রেগুলার ও স্লিম ফিট ক্যাজুয়াল শার্ট, এথনিক শার্ট, ফতুয়া ও টি শার্ট।

মেয়ে শিশুদের জন্য উৎসব ভিত্তিক পোশাকে থাকছে- সালওয়ার কামিজ, ফ্রক, কুর্তি, টপস, লেহেঙ্গা সেট, টপস সেট, স্কার্ট। ছোট ছেলেদের জন্য নানা রঙের পাঞ্জাবি, হাফহাতা শার্ট, ফতুয়া ও টি শার্ট। শিশুদের পছন্দ হবে বা ভালো লাগবে তাই প্রাধান্য পাচ্ছে এবার। শিশুদের পোশাকে প্যাটার্ন, ফ্যাব্রিক ও রঙের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্যাটার্নে ভিন্নতা ও রঙে উৎসবের আমেজ বহন করবে। এ ছাড়াও ছোট মেয়েরা, বোন অথবা মায়ের সঙ্গে মিলিয়ে পরার জন্য সালওয়ার কামিজ, কুর্তি এবং বাবা ও ছেলের জন্য পাঞ্জাবি, শার্ট থাকবে বরাবরের মত। এ ছাড়া যুগলদের জন্য থাকবে বিশেষ পোশাক।

কাঁথা স্টিচ, ফ্লোরাল, জিওমেট্রিক, মুঘল, ট্রাইবাল, জামদানি, ইক্কত, টার্কিশ আর্ট, ট্র্যাডিশনাল, বিউটি অফ রাগস, মিক্সড মোটিফের অনুপ্রেরণায় এবারের বিভিন্ন সিরিজের পোশাক। এ ছাড়া আরও নানা মোটিফ ফুটিয়ে তুলতে হাতের কাজ, এমব্রয়ডারি, কারচুপি, স্ক্রিন ও ব্লক প্রিন্ট, সিকুইন ওয়ার্ক, ডিজিটাল প্রিন্ট এবং টাই-ডাই মিডিয়ার ব্যবহার হয়েছে।

পরিবেশ ও আবহাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আরামদায়ক বিষয়টি মাথায় রেখে ফেব্রিক হিসেবে নেওয়া হয়েছে কটন, ডিজাইন্ড কটন, সুইস কটন, স্ল্যাব কটন, হ্যান্ডলুম কটন, লিনেন, জর্জেট, সিল্ক, জয়স্রী সিল্ক, হাফ সিল্ক, সাটিন ও অরগাঞ্জা।

রঙ হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে মেরুন, রিগ্যাল পার্পল, রেড, কপার, ক্রিমসন রেড, জাভা গ্রিন, মেটালিক গ্রিন, ব্ল্যাক, টারকুইস, নেভি,অরেঞ্জ, পিচ, চেরি, স্যালমন পিঙ্ক, ভায়োলেট, ল্যাভেন্ডার, বার্গান্ডি, গোল্ডেন ব্রাউন, পার্ল হোয়াইট, ম্যাজেন্টা সহ নানান রঙ । আরামদায়ক, সময় উপযোগী ও উৎসবধর্মী এই আয়োজন সবার থেকে আপনাকে বিশেষ করে তুলবে।

মূল্য

শাড়ি ২০০০ থেকে ৮০০০ টাকা, তাঁতের শাড়ি ১০০০ থেকে ৩৫০০ টাকা, সালওয়ার কামিজ ৩০০০ থেকে ৮০০০ টাকা, কুর্তি/ টপস ১৫০০ থেকে ৪০০০ টাকা।

ছেলেদের পাঞ্জাবি ১২০০-৪৫০০ টাকা, ক্যাজুয়াল শার্ট ১৫০০-৩০০০ টাকা।

মেয়ে শিশুদের পোশাক
সালওয়ার কামিজ ২০০০ থেকে ৩৫০০ টাকা, টপস/ফ্রক ৯০০ থেকে ২৫০০ টাকা, লেহেঙ্গা সেট ১৮০০ থেকে ৩৫০০ টাকা।

ছেলে শিশুদের পোশাক
পাঞ্জাবি ৭০০ থেকে ২২০০ টাকা, শার্ট ৬০০ থেকে ১২০০ টাকা।

কে ক্র্যাফটের ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, খুলনা, কুমিল্লার সকল শো-রুম ছাড়াও অনলাইন শপ kaykraft.com থেকে ঈদ আয়োজনের পোশাক কিনতে পারেন সাশ্রয়ী মূল্যে। এ ছাড়াও ফেসবুক পেজ থেকেও অর্ডার করা যাবে।

Which Tomato is good, red or green?

Shatkahon24.com desk

When it comes to choosing between red and green tomatoes, it depends on your intended use!

Red Tomatoes:
– These are ripe and tend to be sweeter and juicier. They are perfect for fresh salads, savory sauces, and hearty sandwiches.

Green Tomatoes:
– These are unripe and have a firmer texture with a more tart flavor. They are often used for frying, pickling, or making chutneys.

It’s also worth mentioning that naturally green varieties, like the Green Zebra, remain green even when ripe. They offer a unique tangy, slightly sweet flavor.

Ultimately, both types of tomatoes have their own qualities that make them great; it just comes down to what you’re planning to cook!

References:

  • USDA Agricultural Research
  • University Extension Services
  • Cookbooks & Culinary Guides
  • Scientific Journals

‘মাইন্ডফুলনেস মেডিটেশন’-এর আদ্যোপান্ত

সায়মা সাফীজ সুমী

দৈনন্দিন জীবনের টানা-পোড়েন, অস্থিরতা ও মানসিক চাপের মধ্যে নিজেকে শান্ত রাখা বেশ কঠিন। তবে এই শান্ত রাখার কাজটি অনেকটাই সহজ হতে পারে নিয়মিত ‘মাইন্ডফুলনেস মেডিটেশন’-এর অভ্যাসের মাধ্যমে।

মাইন্ডফুলনেস মেডিটেশন

‘মাইন্ডফুলনেস’ মূলত এক ধরনের ধ্যান। যত ধরনের ধ্যান রয়েছে এর মধ্যে মানসিক চাপ কমানোর একটি জনপ্রিয় কৌশল এটি। এর দুটো প্রধান অংশ রয়েছে। মনোযোগ বা Attention এবং গ্রহণযোগ্যতা বা Acceptance.

মাইন্ডফুলনেস মেডিটেশন এমন একটি চর্চা বা অভ্যাস, যা মস্তিষ্ককে বর্তমান মুহূর্তে থাকতে সাহায্য করে। মানুষের মন বেশিরভাগ সময় অতীত বা ভবিষ্যতে মগ্ন থাকে। এতে বর্তমানের সৌন্দর্যকে উপভোগ করা প্রায় কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে।

তবে এই ধ্যানটি ঠিকভাবে করা গেলে চিন্তাভাবনা ও অনুভূতি থেকে শুরু করে পারিপার্শ্বিকতা সম্পর্কে সচেতন থাকা যায় এবং কোনো ধরনের বিচার বা judgement ছাড়াই। এতে শরীর ও মনের দৈনন্দিন চাপ কমে। শারীরিক ও মানসিকভাবে বেশ ফুরফুরে অনুভব হয়।

মাইন্ডফুলনেস মেডিটেশন অনুশীলন যেভাবে করবেন

  • যেখানে ধ্যান করতে চান সেখানকার একটি শান্ত জায়গা খুঁজে আরাম করে বসুন। তবে মাটিতে সরাসরি না বসে একটি মাদুর বা চাদরের উপর বসতে পারেন। চাইলে চেয়ারে বসেও করা যেতে পারে।
  • শুরু করার সময় আপনার মনোযোগ থাকবে পুরোপুরি শ্বাসের উপর।
  • চেষ্টা থাকবে প্রতিটি শ্বাস নেওয়া ও ছাড়াতে মনোযোগ দেওয়ার। এ সময় মনে যেসব চিন্তা আসবে তাকে কোনরকম বাধা দেওয়ার দরকার নেই।
  • শুধু যখন বুঝতে পারবেন মন এদিক-সেদিক ছুটছে, তখন আবার শ্বাসের দিকে মনোযোগ দিন।
  • শ্বাসের প্রতি মনোনিবেশ করতে অসুবিধা হলে শুরুতে চাইলে লম্বা শ্বাস নিয়ে নিতে পারেন। এতে বিষয়টি সহজ হবে। এতেও অসুবিধা হলে নাকের যেই অংশ বা ছিদ্র দিয়ে দম যাওয়া-আসা করে সেখানে মনোযোগ দিন।
  • প্রথমে পাঁচ মিনিট করুন। ধীরে ধীরে অভ্যস্ত হয়ে গেলে ১০ মিনিট করা যেতে পারে। তবে বিষয়টি বেশ ভালো বা আরামদায়ক মনে হলে ২০ থেকে ২৫ মিনিট বা আপনার সুবিধাজনক সময় মেনে করতে পারেন।

কখন করবেন?

যেকোনো সময় শান্ত পরিবেশে, শান্তভাবে করতে পারলে, অর্থাৎ কোনো বাধা-বিঘ্ন ছাড়া করা যেতে পারলে, সেটি উপকারী। তবে আপনার প্রতিদিনের দৈনন্দিন কাজ শুরু করার আগে, অর্থাৎ ভোরে এটি অনুশীলন করা যেতে পারে। এই সময় পরিবেশ এমনিতেই শান্ত থাকে।

তাহলে আর দেরি কেন? আজ থেকেই শুরু করুন মাইন্ডফুলনেসের অভ্যাস। মানসিকভাবে সতেজ ও স্থির থাকুন।

লেখক: প্রতিষ্ঠাতা ‘প্রশান্তি’;
প্রশান্তি একটি মেডিটেশন ও ইয়োগা সেন্টার।

একুশের আয়োজন নিয়ে ‘কে ক্র্যাফট’

0

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

অমর একুশের চেতনা আমাদের সংস্কৃতিতে এতটাই গভীর যে বহু বছর ধরেই এই দিনে নানা আয়োজনের সঙ্গে পোশাকেও ধারন করা হয় শোক, শ্রদ্ধা ও গৌরবগাথা বিষয়গুলো।

প্রতি বছরের মতোই ‘কে ক্র্যাফট’ পূর্ণ মর্যাদা ও শ্রদ্ধার সঙ্গে এই দিনটি উপলক্ষে বিশেষ পোশাকের সংগ্রহ নিয়ে এসেছে।বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে গর্ব করার মতো বিশেষ দিনগুলোকে সর্বদাই পোশাকের মাধ্যমে তুলে ধরতে ‘কে ক্র্যাফট’- এর প্রচেষ্টা অব্যহত থাকে।

একুশের সংগ্রহ প্রতিষ্ঠানটির সবগুলো বিক্রয় কেন্দ্রে ফেব্রুয়ারির পুরো মাস ধরে কে ক্র্যাফটের আগ্রহী ও সহযোগী সম্মানিত ক্রেতাদের জন্য উপস্থিত থাকবে।

ছবি: কে ক্র্যাফট
ছবি: কে ক্র্যাফট

এখন শীতের প্রকোপ নেই বললেই চলে। তাই সুতি কাপড়ের প্রাধান্য রয়েছে। এ ছাড়া তাঁত, লিনেন, সিল্ক কাপড়ে তৈরি পোশাকগুলোতে নকশা ফুটিয়ে তুলতে হাতের কাজ, স্ক্রিন ও ব্লক প্রিন্ট, এমব্রয়ডারি এবং টাই-ডাই মিডিয়ার দৃষ্টিনন্দন ব্যবহারে প্রতিটি পোশাককে আকর্ষণীয় করে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে। রং এর ক্ষেত্রে নেওয়া হয়েছে শোকের কালো, সূর্যের লাল, বিষন্নতার ধূসর, সত্য ও পবিত্রতার প্রতীক সাদার সমতলকে; পাশাপাশি থাকবে কিছু নতুন রঙ।

এবারের নকশা অনুপ্রেরণায় বর্ণ ও শব্দ মালার বিন্যাস, ফুলেল ও জ্যামিতিক নিয়ে সৃজনশীল অলংকরণে তৈরি হয়েছে শাড়ি, সালোয়ার-কামিজ, কুর্তি, পাঞ্জাবি, ফতুয়া, শার্ট, টি-শার্ট।

যৌক্তিক মূল্য সীমায় পরিবারের সকলের উপযোগী একুশের পোশাক আয়োজন কে ক্র্যাফটের সকল বিক্রয় কেন্দ্র ছাড়াও অনলাইন শপ kaykraft.com এবং ফেসবুক পেজ থেকে অর্ডার করা যাবে।

নেতিবাচক সময়ে ইতিবাচক থাকবেন যেভাবে

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

আপনি নিশ্চয় শুনেছেন পজিটিভ বা ইতিবাচক চিন্তা জীবনকে বদলে দেয়। তবে সবসময় কি ইতিবাচক থাকা সম্ভব? সহজেই কি বলে দেওয়া যায়, ‘আমি সবসময়ই ভালো চিন্তা করবো’? কোনো নেতিবাচক বা নেগেটিভ বিষয় আমাকে প্রভাবিত করবে না।

আসলে সবসময় ইতিবাচক থাকা এতোটা সহজ নয়। বাটন চাপলেই এটি শুরু হয়ে যায় না। এটি আসলে চর্চার বিষয় এবং নিজের আবেগকে আমরা কীভাবে ব্যবস্থাপনা করছি, তার বিষয়। এই ক্ষেত্রে নিজের জীবনের ইতিবাচক ও সঠিক বিষয়গুলোর প্রতি মনোযোগ দেওয়া জরুরি।

নেতিবাচক সময়ে ইতিবাচক থাকার কিছু উপায় জানিয়েছে ড. কারিশমা আহুজা ইউটিউব চ্যানেল (ড. কারিশমা আহুজা স্প্রিচুয়াল ও মোটিভেশনাল স্পিকার ও ট্রেইনার)।

নিজের সঙ্গে সময় কাটান
নেতিবাচক পরিস্থিতিতে ইতিবাচক থাকতে হলে, নিজের সঙ্গে প্রতিদিন কিছুটা সময় কাটানো জরুরি। এই সময়টিতে গতকাল বা গত সপ্তাহে বা গত কয়েকটি মাস আপনার সঙ্গে কী কী ভালো জিনিস ঘটেছে, তাই চিন্তা করুন। নিজের সাবকনশাস মাইন্ড বা অবচেতন মনকে অভ্যাস করান সবসময় ভালো কিছু চিন্তা করতে।পাশাপাশি ‘মাইন্ডফুল নেস’-এর অভ্যাস করুন।

আবেগকে আটকাবেন না
সবসময় ইতিবাচক চিন্তা করতে হবে- তবে এর অর্থ এই নয় যে আপনি নিজের আবেগকে আটকাবেন। কঠিন মুহূর্তে কী অনুভব করছেন, সেটি বোঝার চেষ্টা করুন। আবেগকে অবদমন করার প্রয়োজন নেই। একে গ্রহণ করুন। নিজেকে বলুন, ‘ঠিক আছে। আমার এখন খারাপ লাগছে। খারাপ লাগতেই পারে। এটা স্বাভাবিক। তবে সারাক্ষণই আমি নিজেকে খারাপ অনুভব করাতে পারি না।’ অর্থাৎ আবেগকে গ্রহণ করুন এবং ‘লেট ইট গো’ করুন বা যেতে দিন।

নিজের সেরাটা দিন
বলা হয়, ‘ফলের চিন্তা করো না। কাজ করে যাও।’ বিষয়টি আসলে এইরকমই। যেই বিষয়টি নিয়ে চিন্তা হচ্ছে, সেটি দূর করতে কাজ করুন। এই কাজের ক্ষেত্রে নিজের সেরাটা দিন।
এই মুহূর্তে আপনার হয়তো নিজেকে ব্যর্থ মনে হচ্ছে। তবে এই নয় যে আপনি কখনোই লক্ষ্য পূরণ করতে পারবেন না।

সমাধানের দিকে নজর দিন
নেতিবাচক সময়ে উদ্বেগ, হতাশা, রাগ হওয়া স্বাভাবিক। তবে সমস্যা নয়, মনোযোগটা দিতে হবে সমাধানের প্রতি। কীভাবে এখান থেকে উদ্ধার পাওয়া যায়। কী কী করা যেতে পারে, সমস্যাটির সমাধান করতে সেসব বিষয়ে ভাবুন।

সর্বোপরি, ইতিবাচক থাকতে হলে জীবনে ভালো কী হচ্ছে, সেগুলোর প্রতি মনোযোগ দিন। সবসময় নিজেকে ও প্রকৃতিকে ধন্যবাদ জানান। কোনো নেতিবাচক চিন্তা এলে অবদমন না করে গ্রহণ করুন। তবে আকড়ে বসে থাকবেন না। নিজেকে বলতে থাকুন, ‘আমি সফল হচ্ছি। আমার সঙ্গে ভালো কিছুই ঘটবে।’

- Advertisement -
সাতকাহন
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.