Tuesday, May 26, 2026
spot_img
Home Blog Page 14

কাজের চাপ সামলানোর ছয় কার্যকরী উপায়

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

প্রযুক্তির এই উৎকর্ষের বিশ্বে মানুষ প্রতিনিয়ত দৌড়াচ্ছে। কেউ দৌড়াচ্ছে অর্থনৈতিক স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য। কেউ বাড়তি কিছু পাওয়ার লক্ষ্যে। একটুও যেন বিরাম নেই।

সব মিলিয়ে এক অস্থির জীবন-যাপনের মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে বেশিরভাগ মানুষকে। আর এই চাপ থেকে এক সময় শুরু হয় স্ট্রেস বার্ন আউট, অ্যাংজাইটি, ডিপ্রেশনের মতো সমস্যাগুলো। তাই সময় থাকতে কাজ ব্যবস্থাপনার বিষয়গুলো না শিখলে চাপটা বাড়বে আপনারই। কাজের চাপ ব্যবস্থাপনার কিছু কৌশল জানিয়েছে মাইকেলপেইজ ডট কো ডট ইউকে। চলুন জানি-

গুরুত্ব অনুসারে কাজকে ভাগ করুন
সব কাজই করতে হবে। তবে কাজের গুরুত্ব অনুযায়ী সেটা ভাগ করে নিলে চাপটা একটু কমবে। এই ক্ষেত্রে কাজকে চারটি ভাগে ভাগ করে নিতে পারেন।

১. জরুরি ও গুরুত্বপূর্ণ
২. গুরুত্বপূর্ণ তবে এখনই জরুরি নয়
৩. জরুরি তবে গুরুত্বপূর্ণ নয়
৪. জরুরিও নয়, গুরুত্বপূর্ণও নয়

এভাবে করতে পারলে কাজের চাপ খানিকটা কমবে। সঠিকভাবে ব্যবস্থাপনাও হবে।

লক্ষ্য পরিষ্কার রাখুন
লক্ষ্য নির্দিষ্ট করুন। আপনার কাজ থেকে আপনি কী চান, সেটা বোঝার চেষ্টা করুন। বড় লক্ষ্যকে ছোট ছোট ভাগে ভাগ করে আগান। একদিন বড় লক্ষ্যও পূর্ণ হয়ে যাবে।

রুটিন তৈরি করুন
দৈনন্দিন কাজের একটি রুটিন তৈরি করুন। রুটিন অনুযায়ী আগান। এখানে অফিসের কাজ, কাজের বিরতি এবং ব্যক্তিগত কাজগুলো রাখুন। এতে কিছুটা রিল্যাক্স হওয়ার সময়ও পাবেন।

অন্যদের মধ্যে কাজ ভাগ করে দিন
কাজের চাপ বাড়লে সব একা সামলানো বা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয় না। তাই যেসব কাজ অন্যরা করতে পারে, তাদের মধ্যে সেগুলো ভাগ করে দিন। সব নিজে করতে যাবেন না। কেবল তদারকি করুন, কাজগুলো ঠিকমতো হলো কি না।

ছোট ও সহজ কাজগুলো আগে করুন
ধরুন একটি ফোন কল করা খুব জরুরি। আর সেটা করতে এক মিনিট হয়তো লাগবে। এই ধরনের কাজগুলো আগে করে ফেলুন। এসব কাজে গড়িমসি করতে যাবেন না।

অফিসের কাজ ও ব্যক্তিগত জীবনে ভারসাম্য রাখুন
জীবনের ভারসাম্য রাখতে অফিস ও ব্যক্তিগত জীবন দুটোর ভারসাম্য রাখাটা জরুরি। খুব কাজের চাপের মধ্যে কখনো কখনো এটা করা একটু কঠিনই হয়ে পড়ে হয়তো। তবে দুটো সেক্টরকেই আলাদা গুরুত্ব চায়। আর সেটা ঠিকমতো করতে পারলে হয়তো আপনি শান্তিও পাবেন। তাই পরিবারের জন্যও সময় রাখুন।

টক্সিক সম্পর্কের চার লক্ষণ

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

সম্পর্কে টক্সিক আচরণ অপর সঙ্গীটিকে মানসিক ও শারীরিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে। আবেগে বা মায়ায় পড়ে প্রথম দিকে অনেকেই হয়তো সঙ্গীর এসব আচরণ সহ্য করে নেয়। তবে ধীরে ধীরে সেটা চরম অশান্তির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। কিছু লক্ষণ রয়েছে যেগুলো দেখলে বোঝা যায় সম্পর্ক টক্সিক বা বিষাক্ত হয়ে পড়ছে।

গ্যাসলাইটিং
গ্যাসলাইটিং এমন এক ধরনের ম্যানুপুলেটিভ বা অপরকে সূক্ষ্মভাবে ব্যবহার করার পদ্ধতি যেখানে সঙ্গী আপনার স্মৃতি, ধারণা ও বাস্তবতাকে চ্যালেঞ্জ করবে। হয়তো আপনার সঙ্গে এমন কোনো আচরণ করলো, যেটি সে পরবর্তী সময়ে পুরোপুরি অস্বীকার করে গেলো। আরেকটু খোলাসা করে বললে হয়তো, আগের দিন সে এমন একটি কাজ করেছে, যেটি আপনার মনে রয়েছে। তবে সে বলছে ‘এটি করেনি।’ এই ধরনের মিথ্যা বলা একধরনের কৌশল অন্যকে অস্থিতিশীল করার জন্য।

উপহাস করা
বাজে মন্তব্য, অযথা সমালোচনা, উপহাস ইত্যাদির মাধ্যমে অনেকেই সঙ্গীকে ছোট করে। এটা মোটেও কোনো ভালো লক্ষণ নয়। সম্পর্কে শ্রদ্ধাবোধ না থাকলে সেটা সহজেই নষ্ট হয়ে যায়।

অভিযোগ করা
একটি সম্পর্কে একজন সঙ্গী যখন সবসময় অপরকে দোষারোপ করতে থাকে, তখন সেটা ভীষণ রকম টক্সিক হয়ে পড়ে। ব্লেইম গেইম খেলে কখনো জীবনে শান্তি আসে না। অযথা সম্পর্ক হারায়।

ঈর্ষা ও নিয়ন্ত্রণ করতে চাওয়া
মাত্রাতিরিক্ত ঈর্ষা সম্পর্ককে ভীষণ রকম টক্সিক করে তোলে। ঈর্ষা থেকেই আসে অপরকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা। আসলে প্রত্যেকটা মানুষই কিছুটা হলেও স্বাধীনতা চায়। আর সেটাতে বাধা এলে সম্পর্কের ভিত নড়ে পড়ে।

সূত্র: কামডটকম

ত্বকের যত্নে নারকেল তেল কতটা উপকারী?

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

নারকেল তেল ত্বকের যত্নে উপকারী। নারকেল তেলের মধ্যে থাকা অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান ক্ষতিকর মাইক্রোগ্যানিজম থেকে রক্ষা করে। ত্বকের সংক্রমণ, ব্রণ ইত্যাদি থেকে সুরক্ষা দেয়।

এ ছাড়া এই তেল ব্যবহারে রয়েছে আরো উপকারিতা। ত্বকের যত্নে নারকেল তেলের উপকারিতার কথা জানিয়েছে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলথ লাইন।

প্রদাহ রোধ করে
নারকেল তেলের মধ্যে রয়েছে ৯০ ভাগ স্যাচুরেটেড ফ্যাট। এর মধ্যে সামান্য পরিমাণ মনো ও পলিস্যাচুরেটেড ফ্যাট রয়েছে। এক টেবিল চামচ নারকেল তেলে ১২ গ্রাম স্যাচুরেটেড ফ্যাট এবং এক গ্রাম আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট পাওয়া যায়। নারকেল তেলে থাকা ত্বকের প্রদাহ কমাতে কাজ করে। বিভিন্ন ধরনের সমস্যা যেমন সোরিয়াসিস, ডারমাটাইটিস ও একজিমা প্রতিরোধে উপকারী।

ময়েশ্চারাইজারের কাজ করে
নারকেল তেল ব্যবহারে ত্বক কোমল ও মসৃণ হয়। এটি ত্বকে ময়েশ্চারাইজারের কাজ করে। শুষ্ক ত্বকে নারকেল তেল ব্যবহার বেশ কার্যকরী।

কারা ব্যবহার করবেন না?
গবেষণায় দেখা গেছে নারকেল তেল ত্বক ও স্বাস্থ্যের জন্য ভালো হলেও সবার জন্য উপকারী না-ও হতে পারে। বিশেষ করে যাদের তৈলাক্ত ত্বক তাদের এই তেল ব্যবহার না করাই ভালো। অতিরিক্ত তেল ত্বকে ময়লা জমাট বাঁধিয়ে লোমকূপ বন্ধ করতে পারে। এ থেকে ব্ল্যাকহেডস হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

আবার স্পর্শকাতর ত্বকেও এই তেল ক্ষতির কারণ হতে পারে। তাই অবশ্যই ত্বকের অবস্থা বুঝে ও চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ব্যবহার করুন।

অ্যাংজাইটি অ্যাটাক থেকে মুক্তির নয় উপায়

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

হঠাৎ করেই হয়তো কোনো কিছু নিয়ে অযথা ভয় বা আশঙ্কা দানা বাঁধতে শুরু করলো মনে। হঠাৎ করেই বুক ধরফর করা বা হাত-পা ঠান্ডা হয়ে আসা শুরু করলো। এসব অ্যাংজাইটি অ্যাটাক বা প্যানিক অ্যাটাকের লক্ষণ।

অ্যাংজাইটি অ্যাটাক থেকে মুক্তি পেতে কিছু উপায় জানিয়েছে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট এনএইচএস ইনফর্ম।

  • উল্টো দিক থেকে নম্বর গণণা শুরু করুন। যেমন: ৫,৪,৩,২,১।
  • নিজেকে বার বার বলুন, ‘আমি নিরাপদ আছি। সব ঠিক থাকছে।’
  • নিয়মিত মাইন্ডফুলনেস মেডিটেশনের অভ্যাস গড়ে তুলুন।
  • গভীরভাবে কয়েকবার শ্বাস নিন।
  • সুরা বা মন্ত্র বা অটোসাজেশন ইত্যাদির যেগুলো আপনাকে শান্তি দেয়, সেগুলো মনে মনে উচ্চারণ করতে থাকুন।
  • প্যানিক অ্যাটাকের সময় বসে না থেকে, একটু হাঁটুন বা শরীর নড়াচড়া করান।
  • মুখে বা গায়ে ঠান্ডা পানির ঝাপটা দিন।
  • পেশি শিথিলায়নের চেষ্টা করুন।
  • মনে মনে কোনো শান্তিপূর্ণ জায়গায় গেছেন এমন কল্পনা করুন।

বর্ষাকালে ঘরে থেকেও করতে পারেন তিন কার্যকরী ব্যায়াম

সায়মা সাফীজ সুমী

বর্ষাকালে বাইরে গিয়ে হাঁটা বা দৌড়ানো কঠিন হয়ে পড়ে, তবে ফিট থাকার জন্য ঘরে বসেও অনেক ধরনের ব্যায়াম করা যায়। নিচে ঘরে বসে করার মতো তিনটি সহজ ও কার্যকর ব্যায়ামের উপায় দেওয়া হলো:

১. জাম্পিং জ্যাকস
এটি করতে কোনো যন্ত্রপাতির প্রয়োজন হয় না। তবে এটি করলে শরীর গরম থাকে।

যেভাবে করবেন

  • সোজা হয়ে দাঁড়াবেন।
  • একসঙ্গে হাত দুটো উপরে তুলুন এবং পা ছড়িয়ে লাফ দিন।
  • তারপর আবার শুরুর অবস্থানে ফিরে আসুন।
  • এক দিনে তিন সেট করুন, প্রতি সেটে ২০ বার করে করুন।

২. স্কোয়াট
স্কোয়াট পায়ের পেশি ও শরীরের নীচের অংশ শক্তিশালী করতে সাহায্য করে। ব্যায়ামটি ঘরে বসে সহজে করা যায়।

যেভাবে করবেন

  • সোজা হয়ে দাঁড়ান, পা কাঁধ সমান ফাঁকে রাখুন।
  • ধীরে ধীরে নিচে বসার ভঙ্গিমায় নেমে যান, যেন আপনি কল্পনায় একটি চেয়ারে বসছেন। আবার ধীরে ধীরে উঠে আসুন।
  • দিনে তিন সেট করুন, প্রতি সেটে ২০ বার করে করুন।

৩. প্ল্যাঙ্ক
এই ব্যায়ামটি মূলত পেট ও পিঠের পেশি শক্তিশালী করতে উপকারী। এতে শরীরের ভারসাম্য ও সহ্যক্ষমতাও বাড়ে।

যেভাবে করবেন

  • মুখ নিচের দিকে রেখে পেটের ভঙ্গিমায় শুয়ে পড়ুন। কনুই ও পায়ের আঙুলের ওপর ভর দিয়ে শরীর উপরে তুলুন।
  • পিঠ ও কোমর সোজা রাখুন।
  • এটি ৩০ সেকেন্ড থেকে শুরু করে ধীরে ধীরে সময় বাড়িয়ে দুই মিনিট করা যেতে পারে।
মডেল: পুষ্পিতা
মডেল: পুষ্পিতা

টিপস

  • ব্যায়াম শুরুর আগে ও পরে হালকা স্ট্রেচিং করা যায়।
  • একটি মাদুর বা কার্পেটের ওপর ব্যায়াম করলে আরামদায়ক হবে।
  • নিয়মিত করার চেষ্টা করুন, অন্তত সপ্তাহে চার থেকে পাঁচ দিন।

ঘরেই তৈরি করুন ফ্রেঞ্চ ফ্রাই

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

বিকেলের নাশতায় বা শিশুর স্কুলের টিফিনে ফ্রেঞ্চ ফ্রাই একটি চমৎকার খাবার। এটি যেমন চটজলদি তৈরি করে ফেলা যায়, তেমনি মজাদারও হয়। খুব সহজে ঘরেই ফ্রেঞ্চ ফ্রাই তৈরির রেসিপি জানিয়েছেন আমেনা আক্তার।

উপাদান

আলু- চারটি
লবণ- স্বাদ মতো
বেসন- আধা কাপ

যেভাবে তৈরি করবেন
আলুর খোসা ছাড়িয়ে ফ্রেন্স ফ্রাইয়ের আকারে কেটে নিন। এবার আলুগুলো সিদ্ধ করুন। এই সময় পানিতে লবণ দিয়ে নিন। সিদ্ধ হয়ে এলে পানি ঝড়িয়ে নিন। এরপর একটি টিস্যু পেপারের ওপর আলুগুলো বিছিয়ে দিন। পানি শুকিয়ে এলে বেসনের মধ্যে গড়িয়ে ডুবো তেলে ভেজে নিন। তৈরি হয়ে গেলো মজাদার ফ্রেন্ঞ্চ ফ্রাই। এর ওপর সামান্য চাট মসলা দিয়ে পরিবেশন করতে পারেন।

আট ধরনের মানুষকে এড়িয়ে চলুন

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

যেকােনো প্রাণী মাত্রই ভালোবাসা চায়। যেকোনো মানুষেরই মূল চাওয়া ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা। আপনি যে-ই হোন না কেন, আপনারও এগুলো প্রাপ্য। আর যারা ভালোভাবে এই ব্যবহারটুকু দিতে জানে না বা করে না, নিজের মানসিক শান্তি বজায় রাখার জন্য তাদের এড়িয়ে যাওয়াই উত্তম।

  •  সেই ধরনের মানুষকে এড়িয়ে চলুন, যারা ভুল করে ভালোভাবে ক্ষমা চায় না।
  • সবকিছুর জন্য যারা আপনাকেই দোষারোপ করে এবং নিজেদের কাঁধে কোনো দায়িত্ব নেয় না।
  • আপনার আবেগ নিয়ে যারা সূক্ষ্মভাবে খেলার চেষ্টা করে।
  • নিজেদের কৃতকর্মের জন্য যারা কখনোই কোনো দায়িত্ব নিতে চায় না।
  • আপনাকে সবসময় ছোট করার চেষ্টা করে এবং আপনার আত্মবিশ্বাসকে নষ্ট করে।
  • যারা সর্বক্ষণ অন্যের নামে নিন্দা করে।
  • শুধুমাত্র তাদের প্রয়োজন অনুসারে তারা আপনার সঙ্গে মেশে।
  • যাদের কথা ও কাজের মধ্যে মিল থাকে না।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

- Advertisement -
সাতকাহন
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.