Tuesday, May 26, 2026
spot_img
Home Blog Page 15

বর্ষাকালে চুল বেশি পড়ে কেন? প্রতিরোধের উপায় কী?

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

গরমের প্রচণ্ড দাবদাহ থেকে বর্ষাকাল মুক্তি দিলেও আবহাওয়ার উচ্চ আর্দ্রতা, অতিরিক্ত ময়েশ্চারাইজার, পরিবেশ দূষণ ইত্যাদি এই সময়টায় চুলকে মলিন ও রুক্ষ্ম করে তোলে। আর সব মিলিয়ে চুল পড়ার সমস্যাটাও বেড়ে যায় দ্বিগুণ। বর্ষাকালে অতিরিক্ত চুল পড়া প্রতিরোধের উপায় জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।

ভেজা চুল বাঁধবেন না

অনেকেই ভেজা চুল খুব আঁটসাঁট করে বাঁধেন। এতে মাথার তালুতে সংক্রমণ হওয়ার আশঙ্কা থাকে। আর এই সংক্রমণের কারণে চুল বেশি পড়ে।

কন্ডিশনার ব্যবহার না করা

বর্ষার সময় বার বার ভেজার কারণে চুল শুষ্ক ও রুক্ষ্ম হয়ে পড়ে। তাই এই সময়টায় কন্ডিশনার অবশ্যই ব্যবহার করুন।

বেশি চুল ধোয়া

বার বার ধোয়া চুল পড়ার অন্যতম কারণ। আর বর্ষায় যেহেতু হুটহাট বৃষ্টিতে চুলে পানি পড়ে, তাই এমনিতেই ভেজা থাকে। এতে মাথার প্রাকৃতিক তেল কমে যায়। তাই বর্ষায় চুল অতিরিক্ত পড়ে যাওয়া প্রতিরোধে বার বার ধোয়া থেকে বিরত থাকুন।

নিয়মিত তেল দিন ও হেয়ার মাস্ক ব্যবহার করুন

নিয়মিত তেল দেওয়া ও হেয়ার মাস্ক ব্যবহার করা রক্ত চঞ্চালন বাড়াবে এবং চুলের বৃদ্ধিতেও সহায়তা করবে। তাই চুলের শুষ্কতা প্রতিরোধে এই যত্নগুলো নিন।

বর্ষার দিনে পুদিনা পাতার চা পান করবেন কেন?

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

বাইরে ঝুম বৃষ্টি। কখনো থামছে, আবার খানিকবাদেই হয়তাে কালো মেঘ আকাশ ঘন করে এসে হাজির; আবার বৃষ্টি। এমন দৃশ্য বর্ষার দিনে হরহামেশার। তবে এমন আবহাওয়া চা প্রেমীদের তেষ্টাটা কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয় হয়তো।

আর তা পুদিনা পাতার চা হলেতো কথাই নেই। স্বাদের যেমন ভিন্নতা আসে, পাশাপাশি স্বাস্থ্যগত উপকারও হয়। বর্ষার দিনে পুদিনা পাতার চা পানের কিছু উপকারিতা জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া, দ্যা হেলথ সাইট ও এনডিটিভি।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
পুদিনার মধ্যে রয়েছে মেনথল। এটি নাক বন্ধ থাকা প্রতিরোধ করে নাসারন্ধ্রকে পরিষ্কার করে এবং সহজে শ্বাসপ্রশ্বাস নিতে সাহায্য করে। এ ছাড়া পুদিনার মধ্যে থাকা অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ও প্রদাহরোধী উপাদান বর্ষায় হওয়া সাধারণ সর্দি-কাশি-জ্বর প্রতিরোধে উপকারী।

হজম ভালো করে
পুদিনা পাতার মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, পাইথোনিউট্রিয়েন্টস। পুদিনা পাতার চা পাকস্থলী ভালো রাখতে সাহায্য করে। এটি পানে হজমের সমস্যা, পেট ফোলাভাব ও গ্যাস কমতেও উপকার হয়।

বিষণ্ণতা কমায়
সাধারণত প্রকৃতির বৈচিত্র্যময় আচরণ আমাদের মনেও প্রভাব ফেলে। বর্ষার মেঘাচ্ছন্ন আকাশ, স্যাঁত স্যাঁতে আবহাওয়া অনেক সময় অবসাদ বা বিষণ্ণতা তৈরি করতে পারে। পুদিনার গন্ধ এবং এর মধ্যে থাকা রিফ্রেশিং উপাদান কিছুক্ষণের জন্য হলেও মনকে চাঙা করে বিষণ্ণতা কমাতে সাহায্য করে।

বর্ষার দিনের খাবার: কী খাবেন ও এড়াবেন?

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

বর্ষায় ঠান্ডা-কাশি, জ্বর ও পানিবাহিত রোগ ইত্যাদি হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে। তাই এই সময় খাওয়ার ক্ষেত্রে যেমন সতর্কতা মেনে চলতে হয়, তেমনি পুষ্টিকর খাবারও খেতে হয়।

বর্ষায় খাবার-দাবার গ্রহণের ক্ষেত্রে কিছু প্রয়োজনীয় পরামর্শ জানিয়েছেন পপুলার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রধান পুষ্টিবিদ নিশাত শারমিন নিশি। চলুন জানি-

  • বর্ষায় বাহিরের খোলা খাবার খাওয়ার বেলায় সাবধানতা মেনে চলতে হবে। অনেক সময় দেখা যায়, ভ্যানে যেসব খাবার বিক্রি করা হয় (বিশেষ করে সবজি) সেগুলোতে অণুজীব বা ব্যকটেরিয়া তৈরি হয়। এসব শাক-সবজি কিনলে অবশ্যই ভালোভাবে রান্না করে খাওয়া ভালো। আধাসিদ্ধ খাওয়া যাবে না।
  • এই সময় যেহেতু আবহাওয়ায় একটি পরিবর্তন আসে, তাই অনেকের গলাব্যথা, গা ম্যাজ ম্যাজ করা ইত্যাদি ঝামেলা হতে দেখা যায়। এই ক্ষেত্রে আদার রস, আদার চা, মসলার চা ইত্যাদি খাওয়া যেতে পারে। এ ছাড়া সকালে তুলসি পাতা আদার রস খাওয়া যায়।
  • আবহাওয়া ভেজা ভেজা থাকার কারণে অনেকে আবার দেখা যায়, পানিও কম খায় এই সময়। পানিশূন্যতা প্রতিরোধে স্যুপ জাতীয় খাবার খাওয়া যেতে পারে। তবে ভালো হয়, বাসার তৈরি স্যুপ খেতে পারলে। এটি সবজি, মুরগির মাংস, ডিম দিয়ে তৈরি করা যায়। স্যুপে সেলেনিয়াম থাকায় এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কাজ করে।
  • এ ছাড়া এই সময়ে ডেঙ্গুসহ নানা ধরনের ভাইরাস জ্বর হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এই সময়ে যেই ফলগুলো পাওয়া যায়, সেগুলো খাদ্যতালিকায় রাখুন। বিশেষ করে জাম্বুরা, পেয়ারা, আমড়া ইত্যাদি ভিটামিন ‘সি’ জাতীয় ফলগুলো খাওয়া জরুরি।

বর্ষাকালে ঠান্ডা-কাশি প্রতিরোধে করণীয়

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

আবহাওয়ার উঠা-নামা, আর্দ্রতা বেড়ে যাওয়া, ঘর ও বাহিরে একটি স্যাঁত স্যাঁতে অবস্থা ইত্যাদি কারণে বর্ষায় সাধারণত কমন কোল্ড বা সাধারণ ঠান্ডা-কাশির সমস্যা দেখা যায়। এসব সমস্যা থেকে রেহাই পেতে কিছু উপায় বাতলেছে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট কন্টিনেন্টাল হসপিটাল।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ান

বর্ষায় এসব ঠান্ডা-কাশি-জ্বর প্রতিরোধে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবার বিকল্প নেই। এই ক্ষেত্রে খাদ্যতালিকায় যোগ করুন ভিটামিন ‘সি’ জাতীয় খাবার। যেমন: আমড়া, আমলকী, লেবু, কমলা, মাল্টা, পেয়ারা ইত্যাদি।

শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ যেন ভালোভাবে দূর হয়ে যেতে পারে তাই পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করুন। দিনে অন্তত ১০ থেকে ১২ গ্লাস পানি পান জরুরি। সাত থেকে নয় ঘণ্টা ঘুমান। এতে শরীরের কোষগুলো পুণর্গঠন হতে সাহায্য হবে।

মানসিক চাপ ব্যবস্থাপনার জন্য নিয়মিত ধ্যান ও যোগ ব্যায়ামের অভ্যাস করতে পারেন। কারণ, মানসিক চাপ শারীরিক সমস্যার বড় কারণ।

পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন
বাহির থেকে ঘরে এসে অবশ্যই হাত ও পা ভালোভাবে পরিষ্কার করুন। নোংরা বা ময়লা হাতে নাক-মুখ- চোখ ধরবেন না। জীবাণু দূর করার জন্য কেবল হাতের তালু নয়, কনুই পর্যন্ত সাবান বা স্যানিটাইজার দিয়ে পরিষ্কার করে নিন।

কাপড় নির্বাচনে সতর্ক হোন
বর্ষায় যেহেতু পোশাক দ্রুত ভিজে যায়, তাই এমন কাপড় পরুন, যা ভিজলেও দ্রুত শুকিয়ে যাবে। পাশাপাশি বাহিরে বের হওয়ার সময় সঙ্গে রাখুন রেইনকোট। আর এমন প্রয়োজনে প্লাটিকের জুতা বা স্যান্ডেল ব্যবহার করুন। এতে জুতা ভিজলেও পানি দ্রুত সরে যাবে।

ভেষজ পানীয় পান
এই সময়টায় সুস্থ থাকতে নিয়মিত পান করতে পারেন ভেষজ পানীয়। যেমন: লেবু-মধু-পানি। এক গ্লাস হালকা গরম পানিতে কয়েক টুকরো লেবুর রস মিশিয়ে এতে যোগ করতে পারেন এক চামচ মধু।

পাশাপাশি খেতে পারেন হলদু-দুধ। এক গ্লাস হালকা গরম দুধে কয়েক চিমটি হলদু মিশিয়ে খেতে পারেন। হলুদে থাকা প্রধাহরোধী উপদান ঠান্ডা-কাশি প্রতিরোধ করবে।

এ ছাড়া খেতে পারেন মসলা চা। লবঙ্গ, এলাচ, দারুচিনি, তেজপাতা সব একত্রে ফুটিয়ে সেই পানি পান করতে পারেন।

ব্যায়াম
ব্যায়াম যে সুস্থ থাকতে সাহায্য করে তা তো সবারই জানা। তবে বর্ষায় যেহেতু বাহিরে ব্যায়াম করাটা কঠিন, তাই ঘরেই করতে পারবেন এমন কিছু বিষয় শিখে নিন। এই ক্ষেত্রে যোগব্যায়াম, পেশি স্ট্র্যাচেনিং ইত্যাদি করুন। ভালো লাগলে গান ছেড়ে একটু নেচেও নিতে পারেন। এতে ব্যায়ামের কাজ হবে।

সর্বপোরি, বর্ষাকালে সুস্থ থাকতে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। স্বাস্থ্যগত কিছু বিষয় মেনে চলে নিজের যত্ন নিলে ফিট থাকতে পারবেন এই সময়টায়।

বন্ধুত্বের গল্প হোক ফ্যাশনে, ‘রঙ বাংলাদেশ’- এর আয়োজনে

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

বন্ধুত্ব মানে চুপচাপ পাশে বসে থাকার মতো এক সম্পর্ক—যেখানে না বললেও সব বলা হয়ে যায়। বন্ধুত্ব হলো এমন এক বোঝাপড়া, যেখানে ব্যস্ত সময়ের মাঝেও একটি ছোট্ট বার্তা—“কেমন আছিস?”—অথচ তার ওজন পুরো পৃথিবীর সমান।

এই মজবুত বন্ধনকে আরো দৃঢ় করতেই ‘রঙ বাংলাদেশ’- এর বন্ধু দিবস আয়োজন। এই দিবসে রঙ বাংলাদেশ জানাতে চায় কৃতজ্ঞতা সেইসব মানুষকে, যারা রঙহীন দিনগুলোতেও রঙের ছোঁয়া দিতে জানে। যাদের জন্য মন খারাপের দিনেও ভালো লাগার মতো কিছু থাকে।

রঙ বাংলাদেশ বিশ্বাস করে—একটি ভালো পণ্য যেমন দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্বের মতোই জীবনকে সহজ করে, ঠিক তেমনি একটি গভীর সম্পর্কও জীবনের সবচেয়ে বড় শক্তি।
বন্ধুত্ব মানে সব কিছুর পরেও ভালোবাসা বেঁচে থাকা। বন্ধুত্ব মানে—রঙ বাংলাদেশ! বিশ্বাসের মতো, অনুভবের মতো, আপন একজনের মতো পাশে থাকা। আর তাই বন্ধুদিবসে বন্ধুর সঙ্গে আদান প্রদান হোক রঙ বাংলাদেশ এর বিশেষ উপহার সামগ্রীও!

এই দিবসের আয়োজন রয়েছে রঙ বাংলাদেশের ১৯টি আউটলেটেই। এ ছাড়াও ঘরে বসে কেনাকাটার জন্য রয়েছে ই-কমার্স সাইট www.rang-bd.com এবং ফেসবুক পেজ www.facebook.com/rangbangladesh. সারাদেশের যেকোনো প্রান্তে অনলাইন অর্ডারে থাকছে ক্যাশ অন ডেলিভারি সুবিধাসহ হোম ডেলিভারি সুবিধা। ফোন/হোয়াটসঅ্যাপ 01777744344 নাম্বারে রয়েছে কাস্টমার সার্ভিস সাহায্যকারী এবং 01799998877 নম্বরে বিক্রয় প্রতিনিধি।

বিশ্ব যোগব্যায়াম দিবস: যোগব্যায়াম করবেন কেন?

সায়মা সাফীজ সুমী

বিশ্ব যোগব্যায়াম দিবস আজ। এবার যোগব্যায়াম দিবসের প্রতিপাদ্য ‘এক পৃথিবী, এক স্বাস্থ্যের জন্য যোগব্যায়াম’। মূলত, শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা এবং আধ্যাত্মিক সংযোগ ঘটায় এই ব্যায়াম। যোগব্যায়াম কেন করা জরুরি এই বিষয়ে রইলো আজকের আলোচনা।

  •  ইয়োগা বা যোগব্যায়াম করলে আমাদের কর্টিসল হরমোনের নিঃসরণ হয়। এতে মানসিক চাপ কমে।
  • যেহেতু ইয়োগা করলে মানসিক চাপ কমে, তাই দৈনন্দিন জীবনের অনেক কাজ প্রশান্ত মনে করা যায়।
  •  বিষন্নতা বা ডিপ্রেশন কমাতে ইয়োগার কিছু আসন ও প্রাণায়াম ভালো কাজ করে।
  • যোগব্যায়াম ও মাইন্ডফুলনেস মেডিটেশন আমাদের মানসিক ও শারীরিক শক্তির মাত্রা বাড়াতে পারে। এটি এন্ডোরফিন (ক্যামিক্যাল) নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করে এবং আমাদের মস্তিষ্কের জন্য প্রয়োজনীয় রক্তপ্রবাহ বাড়ায়।
  • যারা নিয়মিত ইয়োগা-মেডিটেশন করেন তারা দৈনন্দিন জীবনে অনেক ঠান্ডা মাথায় কাজ করতে পারেন এবং কঠিন পরিস্থিতিতে নিজেকে স্বাভাবিক রাখতে পারেন।

লেখক: প্রতিষ্ঠাতা ‘প্রশান্তি’;
প্রশান্তি একটি মেডিটেশন ও ইয়োগা সেন্টার।

- Advertisement -
সাতকাহন
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.