Thursday, May 28, 2026
spot_img
Home Blog Page 81

হিট স্ট্রোক হয়েছে কীভাবে বুঝবেন ?

অধ্যাপক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ

অতিরিক্ত গরম আবহাওয়ায় শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে ১০৫ ডিগ্রি ফারেনহাইটের ওপর হলে তাকে হিট স্ট্রোক বলে। স্বাভাবিক অবস্থায় রক্ত দেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। কোনো কারণে শরীরের তাপমাত্রা বাড়তে থাকলে ত্বকের রক্তনালি প্রসারিত হয় এবং অতিরিক্ত তাপ পরিবেশে ছড়িয়ে দেয়। প্রয়োজনে ঘামের মাধ্যমেও শরীরের তাপ কমে যায়।

তবে বেশি গরম ও আর্দ্র পরিবেশে বেশি সময় অবস্থান বা পরিশ্রম করলে তাপ নিয়ন্ত্রণ আর সম্ভব হয় না। এতে শরীরের তাপমাত্রা দ্রুত বিপৎসীমা ছাড়িয়ে যায় এবং হিট স্ট্রোক দেখা দেয়।

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

উপসর্গ

# দেহের তাপমাত্রা ১০৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট ছাড়িয়ে যায়।
# রক্তচাপ কমে যায়।
# রোগী শকেও চলে যেতে পারে, এমনকি অজ্ঞানও হয়ে যেতে পারে।
# শরীর থেকে ঘাম বের হয় না বা বন্ধ হয়ে যায়।
# ত্বক শুষ্ক ও লালচে হয়ে যায়।
# নিশ্বাস দ্রুত হয়।
# নাড়ির স্পন্দন ক্ষীণ ও দ্রুত হয়।
# খিঁচুনি, মাথা ঝিমঝিম করা, অস্বাভাবিক আচরণ, হ্যালুসিনেশন, অসংলগ্নতা ইত্যাদি দেখা দেয়।
# প্রস্রাবের পরিমাণ যথেষ্ট কমে যায়।

লেখক : মেডিসিন বিশেষজ্ঞ,
অধ্যাপক এমিরিটাস, ইউজিসি অধ্যাপক
প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক।

গর্ভবতী মায়ের দাঁতের যত্নে ৩ জরুরি পরামর্শ

ডা. সানজিদা হোসেন পাপিয়া

গর্ভবতী মায়েরা মুখের ও দাঁতের বিভিন্ন সমস্যায় ভুগে থাকেন। কারণ, হরমোনের ভারসাম্যহীনতার জন্য বিভিন্ন জটিলতা তাদের হতে পারে।

আবার গবেষণায় দেখা যায়, গর্ভাবস্থায় যে বমি হয়, এর কারণে এসিড নিঃসরণ হয়। এতে দাঁত আক্রান্ত হতে পারে। দাঁত ক্ষয় হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এসব সমস্যা প্রতিরোধে জানানো হলো কিছু পরামর্শ-

১. দিনে দুই বেলা দাঁত ব্রাশ করার যে কথা বলা হয়, সেটি অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে। রাতে ঘুমাবার আগে এবং সকালে নাশতার আগে দাঁত ব্রাশ করুন।

২. দুই দাঁতের মাঝামাঝি জায়গা পরিষ্কার করার জন্য ডেন্টাল ফ্লস ব্যবহার করতে পারেন।

৩. এসিডিটির কারণে হওয়া সমস্যা থেকে দাঁতকে রেহাই দিতে এক কাপ পানিতে এক চা চামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে কুলি করুন। এতে দাঁতের সমস্যা প্রতিরোধ করা যাবে।

লেখক : কনসালটেন্ট ডেন্টাল সার্জন
চেম্বার : অনামিকা ডেন্টাল , ২/১ মধ্য বাসাবো, টেম্পুস্ট্যান্ড, ঢাকা ১২১৪
ফোন : ০১৯৩৩১৩৩৪৮৬

ফুড পয়জনিং কেন হয়, প্রতিরোধে করণীয়

ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ

গরমে অনেকেই ফুড পয়জনিংয়ে আক্রান্ত হয়। কোনো খাবার খেয়ে বার বার বমি, পাতলা পায়খানা, জ্বর, পেট ব্যথা ইত্যাদি হলে তাকে ‘ফুড পয়জনিং’ বলে। অস্বাস্থ্যকর, জীবাণুযুক্ত খাবার খেলে এ ধরনের সমস্যা হতে পারে। এ ছাড়া ময়লাযুক্ত থালা বাসনে খাবার খেলেও ফুড পয়জনিং হয়।

যেসব সমস্যা হয়

সময়মতো এর চিকিৎসা করা না হলে এ থেকে পানিশূন্যতা অথবা রক্তস্বল্পতা হতে পারে। এতে রোগীর কিডনি অকেজো হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এ ছাড়া শরীরের যেকোনো অঙ্গ আক্রান্ত হতে পারে। অনেক সময় এটি মৃত্যুর কারণ হয়েও দাঁড়ায়।

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

কেন হয়?
১. সাধারণত বাসি খাবার, পচা খাবার, অস্বাস্থ্যকর, জীবাণুযুক্ত খাবার, অনেকক্ষণ গরমে থাকার ফলে নষ্ট হয়ে যাওয়া খাবার খেলে ফুড পয়জনিং হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

২. খাবারের জন্য ব্যবহৃত থালা বাটি ভালোভাবে না ধোয়ার কারণে এ সমস্যা হতে পারে।

৩. খাবার আগে হাত ভালো করে না ধুলেও এই সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

৪. গরমের কারণে দেহের ভেতরে পানির চাহিদা বেড়ে যায়। এ জন্য হয়তো অনেকেই রাস্তার তৈরি শরবত খেয়ে ফেলেন। এ থেকে ফুড পয়জনিং হতে পারে। কেননা রাস্তার খাবার বেশির ভাগ সময় পরিষ্কার থাকে না।

৫. এ ছাড়া গরমে নিজের ঘরের খাবারও অনেক্ষণ ধরে বাইরে রাখা হলে সেগুলো নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এ থেকেও ফুড পয়জনিং হতে পারে।

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

প্রতিরোধের উপায়

১. রাস্তার খোলা খাবার খাবেন না।

২. পানি ফুটিয়ে খেতে হবে।

৩. বাসন কোসন ভালোভাবে ধুতে হবে।

৪. খাওয়ার আগে হাত ভালো করে ধুতে হবে।

৫. দুধ, কলা, ফলমূল বেশি দিন পুরনো হয়ে গেলে খাবেন না।

৬. গরমের সময় হোটেলের খাবার এড়িয়ে যাওয়াই ভালো।

৭. কেননা অনেক হোটেলেই স্বাস্থ্য সচেতনতার বিষয়টি খেয়াল রাখা হয় না।

৮. যতটা সম্ভব টাটকা খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন। কয়েকদিন ধরে ফ্রিজে রাখা রয়েছে এমন খাবার খাওয়াও ঠিক না।

৯. খাবার ঠিকমতো ঢেকে রাখুন, নয়তো বিভিন্ন ধরনের কীটপতঙ্গ খাবারে বসে জীবাণু ছড়াতে পারে।

চিকিৎসা

গরমের এই সময়ে ডাবের পানি, স্যালাইন, শরবত ইত্যাদি খাওয়া যেতে পারে। অবস্থা বেশি খারাপ হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। রোগী মুখে না খেতে পারলে এবং অবস্থা খুব জটিল হলে চিকিৎসকরা শিরার মাধ্যমে স্যালাইন দিয়ে চিকিৎসা করে থাকেন। কিছু কিছু রোগীর বেলায় অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা হয়ে থাকে। ফুড পয়জনিং রোধে নিজের সচেতনাতাই সবচেয়ে বেশি জরুরি।

লেখক
অধ্যাপক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ
সাবেক ডিন, মেডিসিন বিভাগ, বিএসএমএমইউ।
বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত চিকিৎসক।

ডেঙ্গু রোগী কী খাবেন, খাবেন না

শাশ্বতী মাথিন
সারা দেশে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। পাশাপাশি বাড়ছে মৃত্যুহারও। দেহের প্লাটিলেট কমে যাওয়া, চোখের পেছনে ব্যথা, মাথাব্যথা, মাংসপেশিতে ব্যথা, র্যাশ ওঠা ইত্যাদি ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ লক্ষণ।

ডেঙ্গুর চিকিৎসায় সাধারণত কোনো ভ্যাকসিন বা অ্যান্টিবায়োটিক না থাকায় জ্বর ও ব্যথা কমাতে প্যারাসিটামল ও তরলের ভারসাম্য রক্ষা করে রক্তচাপ ঠিকঠাক রাখতে হয়। পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এ সময় খাবার-দাবারের প্রতি বিশেষ যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। না হলে পানিশূন্যতা, রক্তশূন্যতার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

যা খেতে পারেন

ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীকে পানিশূন্যতা প্রতিরোধে এবং ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখতে তরল জাতীয় খাবার বেশি দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি তো পান করবেই, পাশাপাশি ফলের রস, ডাবের পানি, মুরগির স্যুপ ও রঙিন সবজির স্যুপ খাদ্যতালিকায় রাখা জরুরি। সহজ পাচ্য ধরনের খাবার খেতে হবে। যেমন : জাও ভাত, সাগু, নরম করে রান্না করা সবজি ইত্যাদি। এমন খাবার খাওয়াতে হবে যেন তাড়াতাড়ি হজম হয় এবং রোগী পুষ্টি পায়- জানান পুষ্টিবিদ তামান্না চৌধুরী।

ডেঙ্গু রোগীর তরল গ্রহণের বিষয়ে অ্যাপোলো ইম্পেরিয়াল হাসপাতালের (চট্টগ্রাম) প্রধান পুষ্টিবিদ মাহফুজা আফরোজ বলেন, ‘যারা হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন, তাদের আইভি ফ্লুইডের পাশাপাশি মুখে তরল খাবার দিতে হবে। এতে দেহের চাহিদা অনুযায়ী তরলের ভারসাম্য ঠিকঠাক থাকবে। অন্যদিকে যারা বাসায় থাকছেন, তাদের পানিসহ অন্যান্য খাবার মিলিয়ে তিন লিটার তরল গ্রহণ করতে হবে।’

ডেঙ্গুর সময় প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার খাওয়া জরুরি। প্রোটিন সাধারণত পাওয়া যায় মাছ ও মাংসে। এ ক্ষেত্রে লো ফাইবারযুক্ত মাছ, যেমন- শিং, পাবদা, শোল ইত্যাদি এবং মুরগির মাংস দেওয়া যেতে পারে। এ ছাড়া দুধ ও দুগ্ধজাতীয় খাবারেও প্রোটিন থাকে। তবে দুধে অনেকেরই হজমে সমস্যা বা ল্যাকটোজেন ইন্টলারেন্স হয়। এ ধরনের সমস্যা না থাকলে প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে দুধও খেতে পারেন। এটি ভিটামিন বি-১২-এরও চাহিদা মেটাবে।

কেবল জ্বরের সময় নয়, ডেঙ্গু সেরে যাওয়ার পরও কিছুদিন খাদ্যতালিকায় অবশ্যই প্রোটিন রাখতে হবে। এ ক্ষেত্রে কলিজা, বীজজাতীয় খাবার, মাশরুম ইত্যাদি রাখতে পারেন। এগুলোও প্রোটিনের চমৎকার উৎস।

ডেঙ্গু হলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন সি-সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া প্রয়োজন। যেমন : কমলা, পাকা পেঁপে, আপেল, পেয়ারা, আমড়া, মাল্টা, সবুজ শাকসবজি, বাঁধাকপি, ব্রকলি ইত্যাদি। এগুলো শারীরিক দুর্বলতা কাটিয়ে তুলতে সাহায্য করবে। পাশাপাশি খাদ্যতালিকায় রাখতে হবে আয়রনজাতীয় খাবার। যেমন : গাঢ় সবুজ শাক, মিষ্টিকুমড়া, আনার, সামুদ্রিক মাছ, খেজুর, মটরশুঁটি ইত্যাদি। এগুলো রক্তস্বল্পতা কমাতে কাজ করে। এ সময় পেঁপে পাতার রস খেতে পারেন। এতে প্রদাহরোধী উপাদান রয়েছে। এটি শরীর ব্যথা কমাতে উপকারী।

যা খাবেন না

ডেঙ্গু হলে কিছু খাবার খাদ্যতালিকায় রাখতে হবে। আবার কিছু খাবার একদমই এড়িয়ে যেতে হবে। এ বিষয়ে পুষ্টিবিদ মাহফুজা আফরোজ বলেন, ‘ডেঙ্গুতে গায়ে র্যাশ থাকলে অ্যালার্জি বাড়ায় এমন খাবার এড়িয়ে গেলেই ভালো। যেমন : ইলিশ মাছ, হাঁসের ডিম, গরুর মাংস, বেগুন, চিংড়ি মাছ ইত্যাদি। জ্বরের সঙ্গে ডায়রিয়া ও বমি হলে ডাল, দুধ বা দুগ্ধজাত খাবার এড়িয়ে যাওয়াই ভালো হবে।’

এ সময় ভাজাপোড়া খাবার, ফাস্টফুড, জাঙ্ক ফুড একদমই এড়িয়ে যাবেন। পাশাপাশি কোমল পানীয়, দুধ চা-কফি ইত্যাদিও খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দিতে দিন। এগুলো দেহে পানিশূন্যতা তৈরি করতে পারে। অনেকে একটু সুস্থ হয়ে উঠলে ভারী খাবার খাওয়া শুরু করেন। এটি একদমই করা যাবে না। এতে বদহজমসহ বিভিন্ন সমস্যা হয়ে রোগী আরও দুর্বল হয়ে যেতে পারেন। আর জ্বরের সময় একেবারেই খালি পেটে থাকা যাবে না। অল্প অল্প করে বারবার খেতে হবে। এতে রোগী সবল থাকবে বলে জানান পুষ্টিবিদ তামান্না চৌধুরী।

ডেঙ্গু জ্বর সাধারণত তিন থেকে সাত দিনের মধ্যে সেরে যায়। তবে জ্বর-পরবর্তী ক্লান্তি ও দুর্বলতা থাকে অনেক দিন। আর এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে দৈনন্দিন জীবনে। তাই কেবল ডেঙ্গু জ্বর হলেই নয়, রোগ সেরে গেলেও খাবারের প্রতি নজর দিন। তবেই পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠা সহজ হবে।

পুরুষের পেছনে ছুটতে নেই কেন?

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
যাকে ভালোবাসব, তাকে তো সবটা দিয়েই ভালোবাসব। একটু প্রকাশ করব, একটু করব না, সেভাবে কি ভালোবাসা যায়?- এই রকম প্রশ্ন হয়তো অনেকের মনেই দানা বাঁধে। কিন্তু সত্যটা হলো, পুরুষ আসলে সম্পর্কের মধ্যে একটু রহস্য, একটু সীমা পছন্দ করে। তারা সবকিছুর ভেতরেই নিজের জন্য একটা জায়গা চায়।

তাই, প্রেমে যতই হাবুডুবু খান না কেন, নিজেকে একটু সংযত করতেই হয়। না হলে যে ক্ষতিগুলো হয়, সে বিষয়ে জানিয়েছে সম্পর্ক বিষয়ক ওয়েবসাইট কমিটমেন্ট কানেকশন। চলুন, জেনে নিই-

আগ্রহ হারাবে

সারাক্ষণই তাকে টেক্সট করে বা মুখে ভালোবাসি ভালোবাসি বলে অস্থির করে তুলবেন না। নিজের আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করুন। সাধারত যে নারী পুরুষকে সারাক্ষণই আষ্টেপৃষ্ঠে ধরে রাখতে চায়, সেখানে পুরুষ আগ্রহ হারায়। এমনকি শুরুতে আপনার প্রতি যতটা আগ্রহ দেখিয়েছে, ততটাও চলে যেতে পারে। প্রেমিকের পিছনে না ছুটে, নিজেকেই এমনভাবে তৈরি করুন, যেন সে আপনার শূন্যতা অনুভব করে।

আপনাকে ব্যবহার করতে পারে

অনেকেই নারীর কাছে আসে কেবল তাদের শারীরিক ও আবেগীয় তৃপ্তির জন্য। সেই নারীকে কখনোই সে বিয়ে করে না বা তাকে নিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করে না। তাই এ ধরনের পুরুষ যদি বুঝে যায়, আপনি তার প্রতি মাত্রাতিরিক্ত আগ্রহী, তাহলে সে আপনাকে ব্যবহার করতে পারে।

আত্মসম্মান নষ্ট হয়

ভালোবাসুন কোনো অসুবিধা নেই। তবে এমন কোনো কাজ কখনোই করতে যাবেন না, যেখানে নিজের আত্মসম্মান বিসর্জন দিতে হয়। কারণ ,পৃথিবীতে আপনার প্রথম ভালোবাসার মানুষ কিন্তু আপনি নিজেই। তাই, সবচেয়ে বেশি ভালোবাসুন নিজেকে।

আপনি যাকে খুঁজছেন, সে সেই মানুষটি নয়

তার পেছনে সারাক্ষণ লেগে থাকতে হলে একটু ভেবে দেখুন তো সে আপনার জন্য যোগ্য মানুষ কি না? না, হয়তো। কারণ, যে আপনাকে আসলেই ভালোবাসবে, সম্মান করবে- সে তো আপনার যত্ন নেবে। তাই না?

আপনাকে বিরক্তিকর ভাববে

শুরুতে আপনার প্রতি তার আগ্রহ থাকলেও, আপনার এসব অস্থিরতা দেখে কিন্তু সে পিছু হটতে পারে। হয়তো ভাবতে পারে, আপনি ধৈর্যশীল না বা তাকে সামলাতে পারবেন না। এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করতেও দ্বিধাগ্রস্ত হবে। তাই, নিজেকে সংযত করে, একটু ধীরে আগান। ধৈর্য ধরুন। সে আপনার হলে, ঠিকই আসবে।

গরমে কে ক্র্যাফটের স্বস্তিদায়ক পোশাক

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

আমাদের নিত্যদিনের ব্যস্ততার মাঝে এখন অস্বস্তিকর গরম বিদ্যমান। পরিবেশ-পরিস্থিতি অনুযায়ী চাই স্বস্তিদায়ক আরামের পোশাক। তবে যারা ফ্যাশন সচেতন তাদের ক্ষেত্রে পোশাক শুধু আরামদায়ক হলেই চলে না, চিন্তায় থাকে ট্রেন্ডের বিষয়টিও।

তাই স্বস্তিদায়ক ও ফ্যাশনের কথা চিন্তা করে বেছে নেওয়া যেতে পারে পোলো শার্ট অথবা টি-শার্ট। দিনভর ব্যস্ততায় স্বাচ্ছন্দ্যে থাকার পাশাপাশি পলো শার্ট অথবা টি-শার্ট দিবে স্মার্ট ক্যাজুয়াল আর সেমিফরমাল লুক।

ছবি : কে ক্র্যাফট
ছবি : কে ক্র্যাফট

অতি গরমে আজকাল অনেক অফিসে ড্রেস কোডের বাধ্যবাধকতা থাকে না। সে ক্ষেত্রে অনায়াসেই বেছে নেওয়া যেতে পারে পোলো শার্ট। তবে এ ক্ষেত্রে রং নির্বাচনে একটু সাবধানি হতে হয়। বেছে নেওয়া যায় লাইট গ্রে, হোয়াইট, লাইট অ্যাশ, অফ-হোয়াইট, স্কাই, লাইট গ্রিন, ফিরোজার মতো হালকা রঙ। অফিস ছাড়াও ক্যাজুয়াল আর সেমিফরমাল লুকে পার্টি, ডে আউট বা বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডায় পরা যেতে পারে পোলো শার্ট। ডেনিম জিন্স, ফরমাল প্যান্ট কিংবা চিনোসের সঙ্গে মিলিয়ে পরার ক্ষেত্রেও পোলো শার্টের জুড়ি নেই। তাই তরুণরা ছাড়াও সব বয়সীদের কাছে এখন পোলো শার্টের রয়েছে বিশেষ কদর।

এবারের সামারে কে ক্র্যাফট পোলোর পাশাপাশি নতুন ডিজাইনের টি-শার্ট এর কালেকশন নিয়ে এসেছে। টি-শার্টের নকশায় আধুনিকতার সঙ্গে দেশীয় সংস্কৃতিকেও প্রিন্টের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে, যা সংগ্রহে রাখার মতো।

ছবি : কে ক্র্যাফট
ছবি : কে ক্র্যাফট

প্রিমিয়াম কটন ফ্যাব্রিকে তৈরি নেভি, স্কাই, অফহোয়াইট, গ্রে, হোয়াইট, বটল গ্রিন, রেড, গ্রিন, মেরুন, ইয়েলো, ফিরোজা, পেস্ট, অ্যাশ, মেজেন্টা, অ্যাশ, ব্ল্যাক কালার ছাড়াও হালকা লাইট কালার থেকে সহজেই বেছে নিতে পারেন আপনার পছন্দের আরামের পোলো অথবা টি-শার্ট।

আরামদায়ক, ফ্যাশনেবল ও সাধ্যের মধ্যে পোলো এবং টি-শার্ট এর বড় কালেকশন কে ক্র্যাফটের সকল শো-রুম ছাড়াও অনলাইন শপ www.kaykraft.com থেকে অর্ডার করা যাবে।

প্রথমবারের মতো চুয়াডাঙার নারীরা পাচ্ছে বিউটিফিকেশন প্রশিক্ষণের সুযোগ

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

বিউটি সেক্টরে উদ্যোক্তা তৈরি করে নারীকে স্বাবলম্বী ও আত্মনির্ভশীল করতে বাংলাদেশ মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত প্রতিষ্ঠান ‘জয়িতা ফাউন্ডেশন’ ও বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিং সেক্টরের পথ প্রদর্শক উজ্জ্বলার যৌথ উদ্যোগে চুয়াডাঙ্গায় প্রথমবারের মতাে শুরু হয়েছে ১০ দিনব্যাপি ‘বিউটিফিকেশন ও বিউটি পার্লার পরিচালনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ’।

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

গত ২৭ মে, শনিবার, চুয়াডাঙার শাহিদ প্যালেস হোটেলে এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়। প্রশিক্ষণে ২০ জন নারী অংশ গ্রহণ করেন। প্রথম দিন প্রশিক্ষক হিসেবে ছিলেন সেলিব্রেটি বিউটি আর্টিস্ট ও উজ্জ্বলার সহ প্রতিষ্ঠাতা আফরোজা পারভীন।

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

প্রশিক্ষণ প্রকল্পের বিষয়ে আফরোজা পারভীন বলেন, ‘২০১৩ সাল থেকে নিজের উদ্যোগে বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিং সেক্টরে নারী উন্নয়ন এবং নারীকে স্বাবলম্বী করার কাজটি আমি শুরু করি। সম্পূর্ণ বাংলাদেশের সমস্ত জেলা শহর, ইউনিয়ন ঘুরে ঘুরে স্কিল ডেভেলপমেন্টের কাজটি করছি। তবে কোনো সময়ই আমার নিজের শহর চুয়াডাঙায় এই উন্নয়নের কাজটি করতে পারিনি বা সুযোগ হয়নি। অবশেষে আমার স্বপ্নের কাজটি পূরণ করতে পেরেছি। এমন একটি কাজে সহযোগিতার জন্য জয়িতা ফাউন্ডেশনকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই।’

মূলত, নারী ও তরুণ সমাজকে বিউটি ও গ্রুমিং সেক্টরে স্বাবলম্বী ও উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলাই উজ্জ্বলার লক্ষ্য জানিয়ে আফরোজা পারভীন বলেন, ‘তরুণ সমাজকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের অর্থনীতির চাকাকে বেগবান করতে উজ্জ্বলা বদ্ধ পরিকর।’

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

প্রশিক্ষণটি শেষ হবে আগামী ৬ জুন। প্রতিদিন সকাল ৯ টা থেকে ৪ টা পর্যন্ত প্রশিক্ষণ চলবে।

কোর্স সংক্রান্ত যেকোনো বিষয় বিস্তারিত জানতে মেসেজ করুন উজ্জ্বলার ফেইসবুক পেইজে অথবা কল করুন ০১৩২৪৭৩৪১৫৭ নম্বরে।

https://www.facebook.com/Ujjwala

BDhttps://www.instagram.com/UjjwalaBD/

প্রেমিকের মন গলাতে চান? ঘুমের আগে ৮ টেক্সট করুন

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

প্রেম একটা অদ্ভুত অনুভূতির নাম। তবে প্রিয় মানুষটিকে কেবল ‘ভালোবাসি’ বলে গেলেই তো হয় না। সঙ্গে আরো কিছু কথা বলতে হয়, যেগুলো তাকে আপনার ওপর নির্ভর করতে আরেকটু সহযোগিতা করবে। আর তাই ঘুমের আগে প্রেমিককে করতে পারেন, এই ৮ টেক্সট।

১. তোমায় ‘শুভ রাত’ লিখে টেক্সট করতে ভালো লাগে। তবে আরো ভালো লাগতো তোমার কানে কানে গিয়ে কথাটি বলতে পারলে।

২. ইশ্, তোমার বুকটা যদি আমার বালিশ হতো!

৩. আমার ঘুম পাচ্ছে। কিন্তু তোমার সঙ্গেও কথা বলতে ইচ্ছে করছে।

৪. সাধারণত আমি নগ্ন হয়েই ঘুমাই। কিন্তু তোমাকে দেখানোর জন্য আমি একটা নতুন নাইট গাউন কিনেছে।

৫. তুমি কি আমায় শুনছো? আজ তোমাকে ঘুমাতে দেবো না।

৬. মাঝে মাঝে রাতে আমার অস্বস্তি লাগে। কিন্তু তুমি আমায় শান্ত করে দাও।

৭. ঘুমের ভেতরে স্বপ্নে আমায় দেখো।

৮. আজ একটা কথা স্বীকার করতেই হবে। তুমিই সেই যে সকালবেলা ঘুম ভেঙে আমার মনে আসো। আর রাতেও তোমাকে ভেবেই ঘুুুুুুমাই।

সূত্র : কমিটমেন্ট কানেকশন

উজ্জ্বলার বিউটিফিকেশন প্রশিক্ষণের দ্বিতীয় পর্ব শুরু

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
উজ্জ্বলা ঢাকা লার্নিং সেন্টারে শুরু হয়েছে জয়িতা ফাউন্ডেশন কর্তৃক আয়োজিত ‘বিউটিফিকেশন এবং বিউটি পার্লার পরিচালনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ’ প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্ব।

গত ২৫ মে প্রশিক্ষণ প্রকল্পের উদ্বোধন ঘোষণা করেন, প্রধান অতিথি জয়িতা ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, জনাব আফরোজা খান।

ঢাকার দ্বিতীয় পর্বের এই উদ্বোধনী এই অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জয়িতা টাওয়ার নির্মাণ প্রকল্প পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) জনাব মো. শহিদুল ইসলাম ও সক্ষমতা বিনির্মান প্রকল্পের মহাব্যাবস্থাপক (উপসচিব) জনাব নিপুল কান্তি বালা।

প্রথম দিনে ক্লাস নিয়েছেন সেলেব্রেটি মেকআপ আর্টিস্ট আফরোজা পারভীন। ১০ দিনের এই প্রশিক্ষণ প্রকল্পে ২০ জন নারী প্রশিক্ষণ গ্রহণের সুযোগ পাবে।

কোর্স সংক্রান্ত যেকোনো বিষয় বিস্তারিত জানতে মেসেজ করুন উজ্জ্বলার ফেইসবুক পেইজে অথবা কল করুন ০১৩২৪৭৩৪১৫৭ নম্বরে।

https://www.facebook.com/Ujjwala

BDhttps://www.instagram.com/UjjwalaBD/

পুষ্টিবিদ তামান্না চৌধুরীর ‘কিডনিবান্ধব পথ্য’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

দেশের বিশিষ্ট পুষ্টিবিদ তামান্না চৌধুরীর বই ‘কিডনিবান্ধব পথ্য’ – এর মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে। শুক্রবার, ২৬ মে, জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হলে বইটির মোড়ক উন্মোচন করা হয়।

এভারকেয়ার হাসপাতালের প্রধান এই পুষ্টিবিদ বলেন, ‘তার কর্মজীবনে খুব কাছ থেকে হাজার হাজার কিডনি রোগীর জীবন সংগ্রাম দেখেছেন। এই অভিজ্ঞতার আলোকে তিনি বইটি সাজিয়েছেন। এটি কিডনি রোগীদের দৈনন্দিন খাবারের মেন্যু তৈরিতে সাহায্য করবে।’

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য শবনম জাহান, এভারকেয়ার হাসপাতালের পরিচালক (মেডিসিন সার্ভিস) ডা. আরিফ মাহমুদ এবং ডা. আক্তারুজ্জামান চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে দেশের বিশিষ্ট চিকিৎসক, শিক্ষক, পুষ্টিবিদ, রন্ধনশিল্পী, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বইটি প্রকাশ করেছে ক্রিয়েটিভ ঢাকা পাবলিকেশনস। বইটির মূল্য ৪০০ টাকা।

তামান্না চৌধুরী খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞানের ওপর স্নাতকোত্তর এবং ভারত থেকে ডায়াবেটিক শিক্ষায় স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। বর্তমানে তিনি বেসরকারি এভারকেয়ার হাসপাতালের প্রধান পুষ্টিবিদ হিসেবে কর্মরত আছেন তিনি। পুষ্টিবিজ্ঞানকে বাংলাদেশে একটি উঁচু আসন দেওয়ার জন্য, এ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করছেন এই পুষ্টিবিদ।

- Advertisement -
সাতকাহন
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.