Thursday, May 28, 2026
spot_img
Home Blog Page 80

রাজশাহীতে জয়িতা ফাউন্ডেশন ও উজ্জ্বলার উদ্যোগে বিউটিফিকেশন প্রশিক্ষণ

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
বিউটি সেক্টরে উদ্যোক্তা তৈরি করে নারীকে স্বাবলম্বী ও আত্মনির্ভশীল করতে বাংলাদেশ মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত প্রতিষ্ঠান ‘জয়িতা ফাউন্ডেশন’ ও বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিং সেক্টরের পথ প্রদর্শক উজ্জ্বলার যৌথ উদ্যোগে রাজশাহীতে ১০ দিনব্যাপী এক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ ১৮ জুন, রবিবার, কর্মশালার সমাপনী দিনে রাজশাহীর ‘ফ্রেন্ডস পিক কনভেনশন সেন্টার’-এ ‘বিউটিফিকেশন ও বিউটি পার্লার পরিচালনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানটিতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ২০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে সার্টিফিকেট দেওয়া হয়।

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জয়িতা ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব আফরোজা খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জয়িতা ফাউন্ডেশনের সক্ষমতা বিনির্মাণ প্রকল্পের মহাব্যবস্থাপক জনাব নিপুল কান্তি বালা (উপ-সচিব)। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, জয়িতা ফাউন্ডেশনের সক্ষমতা বিনির্মাণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক জনাব শেখ মুহাম্মদ রেফাত আলী (উপ-সচিব)।

রাজশাহী বিভাগের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, রাজশাহীর বিউটি পার্লার ওউনার অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট, মউ বিউটি পার্লার অ্যান্ড স্কিন কেয়ার সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা রুখসানা হুদা, বিউটি পার্লার ওউনার অ্যাসোসিয়েশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সাফা হারবাল বিউটি পার্লার অ্যান্ড ট্রেনিং ইন্সটিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা জেসমিন আরা বিউটি, পার্লার ওউনার অ্যাসোসিয়েশনের উপদেষ্টা ও ওয়াসিস ড্রিংকিং ওয়াটারের প্রতিষ্ঠাতা রফিকুল ইসলাম স্বাধীন।

প্রশিক্ষণ কর্মশালায় আরো উপস্থিত ছিলেন, উজ্জ্বলার চেয়ারম্যান জনাব আদিত্য সোম, উজ্জ্বলার সহ প্রতিষ্ঠাতা ও বাংলাদেশের স্বনামধন্য বিউটি আর্টিস্ট আফরোজা পারভীন এবং জয়িতা ফাউন্ডেশন ও উজ্জ্বলার কর্মচারীবৃন্দ। প্রশিক্ষণ কর্মশালাটি শুরু হয় ৯ জুন থেকে।

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জয়িতা ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব আফরোজা খান বলেন, ‘জয়িতা অর্থ, বিজয়ী নারীর প্রতীক। এই নাম মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া। এই প্রশিক্ষণ শেষে আপনি একটি ব্যবসা শুরু করতে পারবেন। জয়িতা ফাউন্ডেশনের পরবর্তী কর্মকাণ্ডে আপনাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। একজন নারীকে কাজের মাধ্যমে দক্ষতা বাড়াতে হবে। যত কাজ করবেন, তত দক্ষ হবেন। নিজেদের স্বপ্নের পথে কঠোর পরিশ্রম করে এগিয়ে যেতে হবে।’

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জয়িতা ফাউন্ডেশনের সক্ষমতা বিনির্মাণ প্রকল্পের মহাব্যবস্থাপক জনাব নিপুল কান্তি বালা বলেন, ‘বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নারীকে দক্ষ করার জন্য জয়িতা ফাউন্ডেশন তৈরি করেছেন। আপনাদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলা আমাদের মূল উদ্দেশ্য। প্রশিক্ষণ ছাড়া ভালো কাজ করার সুযোগ কম। দেশের ৬৪ জেলায় এই প্রশিক্ষণ দেওয়ার লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। দেশের জনসংখ্যার বেশিরভাগই এখন নারী। নারীকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করা দরকার। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এই উদ্যোগেই কাজ করছেন।’

সভাপতির বক্তব্যে জয়িতা ফাউন্ডেশনের সক্ষমতা বিনির্মাণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক জনাব শেখ মুহাম্মদ রেফাত আলী বলেন, ‘১০ দিনের এই প্রশিক্ষণটি সত্যিকার অর্থে সফল হবে, আপনারা নিয়মিত ও সঠিকভাবে শেখানো বিষয়গুলো চর্চা করলে। আপনারা একধাপ এগিয়ে গেছেন দেখলে, আমরা আপনাদের তিন ধাপ এগিয়ে দেবো।’

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে জয়িতা ফাউন্ডেশন ও উজ্জ্বলার যৌথ উদ্যোগে এই রকম একটি কর্মশালা রাজশাহীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে জানিয়ে রাজশাহীর বিউটি পার্লার ওউনার অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট রোখসানা হুদা বলেন, ‘যেকোনো ব্যবসা করতে গেলে অনেক প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হতে হয়। আবার শুরুতে কোনো প্রতিষ্ঠানের সুনাম নষ্ট হলে, সেটি ঠিক করা কঠিন হয়। এই বিষয়গুলো মাথায় রেখেই সুনামের সঙ্গে সামনে এগোতে হবে।’

রাজশাহীর পার্লার ওউনার অ্যাসোসিয়েশনের উপদেষ্টা রফিকুল ইসলাম স্বাধীন বলেন, ‘রাজশাহীকে উদ্যোক্তা নগরী বলা হয়। উদ্যোক্তা হলো রাষ্ট্রের সম্পদ। আমি ধন্যবাদ জানাই বাংলাদেশ সরকারকে, এই রকম একটি উদ্যোগ গ্রহণের জন্য। এখানে প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা চমৎকারভাবে আগ্রহ নিয়ে কাজটি শিখেছে। এটি চর্চার মাধ্যমে ধরে রাখতে হবে।’

কর্মশালার বিষয়ে উজ্জ্বলার সহ প্রতিষ্ঠাতা আফরোজা পারভীন বলেন, ‘একজন নারী মনের শক্তিতে অনেক শক্তিশালী থাকে। তাদের মধ্যে উদ্যোক্তা হওয়ার ক্ষমতা ও ধৈর্য বেশি। রাজশাহীতে যে ২০ জন নারী প্রশিক্ষণ নিয়েছে, তাদের মধ্যে অদম্য উদ্দীপনা, সাহস ও তারুণ্য দেখেছি। প্রশিক্ষণের শেখানো বিষয়গুলো নিয়মিত চর্চার মধ্য দিয়ে তারা আরো সামনে এগিয়ে যেতে পারবে।’

সমাপনী বক্তব্যে উজ্জ্বলার চেয়ারম্যান আদিত্য সোম জানান, জয়িতার সঙ্গে এই কাজটি করতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। জয়িতা ও উজ্জ্বলা একত্রিত হয়ে বাংলাদেশের নারীদের স্বাবলম্বী করতে এরকম আরো কাজ করবে এই আশা রাখি।

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

নারীর যেই তিন রঙের পোশাক ছেলেদের আকৃষ্ট করে

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

কথায় রয়েছে, আগে দর্শনধারী। পরে গুণবিচারী। কথাটা সেকেলে হলেও, এই যুগেও এর চল রয়েছে। আর তাই তো মেধার পাশাপাশি স্মার্ট পোশাকের বিষয়টিতে গুরুত্ব দিতে বলে ক্যারিয়ার এক্সপার্টরা।

আর স্মার্ট পোশাকের ক্ষেত্রে রঙের নির্বাচন কিন্তু বেশ গুরুত্বপূর্ণ। জায়গা বুঝে সেই অনুযায়ী পোশাক পরাও জরুরি। তবে কিছু বিশেষ রঙ রয়েছে যেগুলো সহজেই নজর কাড়ে। বিশেষ করে ডেটে গেলে এসব পোশাক প্রিয় মানুষটিকে আপনার প্রতি আরো আকৃষ্ট করবে। এ রকম কয়েকটি রঙের কথা জানিয়েছে জীবনধারা বিষয়ক ওয়েবসাইট গুডল্যাগ।

লাল
লালকে মোহবিষ্ট ও গভীর আসক্তির রং বলা হয়। এই রঙটি পুরুষকে ভীষণভাবে আকৃষ্ট করে। আর মনোবিজ্ঞানীরা বিভিন্ন গবেষণাতে এর প্রমাণও পেয়েছে। তাই সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মত, প্রথম ডেটে গেলে অবশ্যই লাল পরুন। এতে আপনার আত্মবিশ্বাস ও ব্যক্তিত্বও ফুটে উঠবে।

গোলাপি
ইংরেজিতে একটি প্রবাদ রয়েছে, ‘পিংক টু মেক দ্যা বয়েস ইউঙ্ক’। অর্থাৎ ছেলেদের চোখ আটকে দিতে গোলাপির জুরি নেই। গোলাপি হলো ভীষণরকম তারুণ্যদ্বীপ্ত, মেয়েলি ও প্রেম জাগানিয়া একটি রং। পাশাপাশি এটি ভীষণ মিষ্টিও। পোশাকে লাল ও গোলাপির সমন্বয় কিন্তু বেশ আকৃষ্ট করবে প্রিয় মানুষটিকে।

কালো
কালো রহস্যে ঘেরা রং। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই রঙের পোশাক পুরুষকে নারীর প্রতি জানার আগ্রহ বাড়ায়। একটি কালো রঙের জর্জেট শাড়ি বা সালোয়ার কামিজ আপনাকে যেমন আকর্ষণীয় করবে, তেমনি দ্রুতই অন্যের চোখকে আকৃষ্ট করবে।

শতভাগ আসল জামদানি কম দামে যেখানে পাবেন

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
বাঙালির কাছে জামদানি শাড়ির কদর চিরন্তন। ছোট-খাট ঘরোয়া অনুষ্ঠান হোক বা বিয়ে বাড়ির জমকালো সাজ, জামদানির আবেদন সবসময়ই। ভারী বা হালকা যেকোনো কাজের নকশাতেই এই শাড়িতে নারী হয়ে উঠে অপরূপ।

শতভাগ আসল জামদানি শাড়ি, কম মূল্যে ক্রেতাদের সামনে নিয়ে আসতে ২০১৮ সালের ডিসেম্বর মাস থেকে কাজ করে যাচ্ছে ফেসবুকভিত্তিক পেইজ আমেন কালেকশন। নিজস্ব তাঁতিদের কাছ থেকে সংগ্রহ করে ক্রেতাদের পছন্দ অনুযায়ী পৌঁছে দিচ্ছে শাড়ি। আমেন কালেকশন-এর প্রতিষ্ঠাতা ডা. দিলরুবা নাসরিন পেশায় একজন চিকিৎসক। চিকিৎসা পেশার পাশাপাশি তিনি হয়ে উঠেছেন উদ্যোক্তা। আর স্ত্রীকে পূর্ণ সহযোগিতা করে যাচ্ছেন প্রতিষ্ঠানটির সহ প্রতিষ্ঠাতা ইফতেখার আমিন। আমেন কালেকশন নিয়ে কথা হয় এই দুজনের সঙ্গে। তাঁদের উদ্যোক্তা হয়ে উঠা এবং পথচলার চড়াই-উৎড়াইয়ের গল্পই জানবো এই লেখায়।

ক্যাপশন : আমেন কালেকশন-এর প্রতিষ্ঠাতা ডা. দিলরুবা নাসরিন এবং সহ প্রতিষ্ঠাতা ইফতেখার আমিন। ছবি : আমেন কালেকশন
ক্যাপশন : আমেন কালেকশন-এর প্রতিষ্ঠাতা ডা. দিলরুবা নাসরিন এবং সহ প্রতিষ্ঠাতা ইফতেখার আমিন। ছবি : আমেন কালেকশন

সাতকাহন২৪.কম : জামদানি নিয়ে কাজ করার ইচ্ছাটা কেন হলো?
ডা. দিলরুবা নাসরিন : দেশি শাড়ি সবসময়ই খুব পছন্দ করি। আর জামদানি শাড়ির প্রতি ভীষণ একটা ব্যক্তিগত ভালোবাসা ও ভালোলাগা ছিল। সেখান থেকেই সবার আগে এই শাড়ির কথা মাথায় আসলো।

ইফতেখার আমিন : দেশীয় পণ্যের প্রতি সবসময় আলাদা একটি আগ্রহ কাজ করতো। আর বাংলাদেশে যতগুলো পন্য জি আই সনদপ্রাপ্ত, এর মধ্যে জামদানি অন্যতম। সারাবিশ্বে খুব কম সংখ্যক পন্যই এই সনদটি পায়। যেহেতু জামদানি আন্তর্জাতিক পন্য হিসেবে স্বীকৃত, আর আমাদের দেশে তো এর কদর রয়েছে, তাই এর প্রচার ও প্রসার বাড়ানোই ছিল আমাদের উদ্দেশ্য।

মডেল : সানজিদা হোসেন পাপিয়া, ছবি : আমেন কালেকশন
মডেল : সানজিদা হোসেন পাপিয়া, ছবি : আমেন কালেকশন

সাতকাহন২৪.কম : আমিন কালেকশন তৈরির পেছনের গল্পটা-
ইফতেখার আমিন : শুরুটা হুট করে হয়নি। শুধুমাত্র অনলাইন বেইজ সেকেন্ডারি তথ্যের ওপর নির্ভর করিনি। ব্যক্তিগতভাবে আমার স্ত্রী কাজটি করতে চাইলে, আমি মনে করেছি একজন পার্টনার হিসেবে তাকে সহযোগিতা করা জরুরি।

শুরুতে আমরা বিষয়টি নিয়ে অনেক তথ্য সংগ্রহ করি। কোথা থেকে ভালো জামদানি তৈরি করা যাবে, কীভাবে এর মূল্য সহজলভ্য করা সম্ভব সেসব বিষয়ে রীতিমতো গবেষণা করি। প্রায় এক মাস এক থেকে দুই দিন পর পর আমি বিভিন্ন জায়গায় যাই। এর মধ্যে ডেমরা ছিল, শীতলক্ষ্যা নদী পার হয়ে গেছি। এরপর নিজস্ব তাঁতি দিয়ে কাজ করানো শুরু করি। আমার প্রথম চ্যালেঞ্জ ছিল আমেন কালেকশন-এর ফেসবুক পেইজটি জনপ্রিয় করা। শুরুতে মাত্র ১০ হাজার টাকা পুঁজি নিয়ে ব্যবসা শুরু করি।

এ ছাড়া একটা ব্যবসা করা এতোটা সহজ ছিল না। যেহেতু আমাদের দুজনেরই কোনো ব্যবসার অভিজ্ঞতা ছিল না। এখানে প্রচুর নকল জামদানি রয়েছে, আর যারা কাজ করে, তারা সবাই যে সৎ, তা কিন্তু নয়। তাই বিষয়গুলোকে সূক্ষ্মভাবে বুঝতে হয়েছে। এতেই অনেকটা সময় লেগে গেছে। ধীরে ধীরে যারা আসল জামদানি নিয়ে কাজ করে, তাদের জেনেছি এবং কাজ করতে শুরু করেছি। এরপর কাজ করতে করতে অভিজ্ঞতা হয়েছে। ঠকেছি অনেকবার। তবে হাল ছাড়িনি কখনো। এখন ঠিকই দাঁড়িয়ে গেছি।

সাতকাহন২৪.কম : কতটা সারা পাচ্ছেন?
ডা. দিলরুবা নাসরিন : ধীরে ধীরে সারা বাড়ছে। প্রথমে পরিচিত বন্ধু-বান্ধবরাই ছিল ক্রেতা। তাদের কাছ থেকে এখন পরিচিতি আরেকটু বেড়েছে। তবে এটা ঠিক যারা একবার আমাদের পন্য নেয়, তারা বারবারই আমাদের কাছে আসে।

মডেল : সানজিদা হোসেন পাপিয়া, ছবি : আমেন কালেকশন
মডেল : সানজিদা হোসেন পাপিয়া, ছবি : আমেন কালেকশন

ইফতেখার আমিন : আর আমাদের জামদানির মূল শক্তি এর গুণগত মান ও নকশায় ভিন্নতা। আমরা সবসময় এটা মেনে চলার চেষ্টা করি। আমরা সময়মতো জামদানি ডেলিভারি দেওয়ার চেষ্টা করি। এতে ক্রেতারা আনন্দিত হয়। আর আমরা বাজারের চেয়ে কম মূল্যে ১০০ ভাগ আসল জামদানি ক্রেতাদের দিই। এই বিষয়গুলোর কারণেই আমেন কালেকশন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। ক্রেতারা এখানে নিশ্চিন্তে শতভাগ আসল জামদানি সঠিক মূল্যে পায়।

সাতকাহন২৪.কম : জামদানি শাড়ির দাম বাড়ছে। এই ক্ষেত্রে কতটা প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হচ্ছেন?
ডা. দিলরুবা নাসরিন: ক্রেতারা আসলে দুই ধরনের। এক ধরনের ক্রেতারা জামদানি সম্পর্কে একদম আগাগোঁড়া জানেন। খুব কেনা-কাটা করেন। তাদের সাধারণত জামদানির বাজার সম্পর্কে বোঝাতে কষ্ট হয় না। তবে যারা একটু কম জানেন, তাদের বোঝাতে মাঝে মাঝে অসুবিধা হয়।

ইফতেখার আমিন : আমাদের নিজস্ব তাঁতি রয়েছে এবং তাদের কাছ থেকে একদম প্রান্তিক জায়গা থেকে আমরা জামদানি নিয়ে আসি। তাই হচ্ছে কিছুটা কম মূল্যে ক্রেতাদের দিতে পারি। তবে সম্প্রতি সুতা ও রঙের দাম বাড়ায় জামদানি শাড়ির দাম কিছুটা বেড়েছে। আমাদের এসব প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে।

মডেল : সানজিদা হোসেন পাপিয়া, ছবি : আমেন কালেকশন
মডেল : সানজিদা হোসেন পাপিয়া, ছবি : আমেন কালেকশন

সাতকাহন২৪.কম : ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী?
ডা. দিলরুবা নাসরিন: ভবিষ্যতে দেশিয় শাড়ি নিয়ে আরো পরিকল্পনা রয়েছে। টাঙাইলের তাঁত বা মণিপুরি নিয়ে কাজ করার ইচ্ছে রয়েছে। নিয়মিত পড়ার জন্য যেসব শাড়ি মানুষ খুঁজে সেগুলো নিয়ে কাজ করবো।

আর দ্বিতীয়তো, হোম ডেকর নিয়ে কাজ করার ইচ্ছে রয়েছে, আমেন কালেকশন থেকে।

ইফতেখার আমিন : তবে আমাদের জামদানি শাড়ি সবসময়ই থাকবে। উত্তরত্তোর আমরা চেষ্টা করবো একে কীভাবে আরো প্রসার করা যায়। অলরেডি আমরা বিদেশেও আমেন কালেকশন থেকে ডেলিভারি শুরু করে দিয়েছি। আমরা চেষ্টা করছি জামদানির এই গণ্ডি কেবল দেশে না রেখে কীভাবে বিদেশে ছড়িয়ে দেওয়া যায়। এ ছাড়া কেবল জামদানি শাড়ি নয়, আমরা ওয়ান পিস, টু পিস নিয়েও কাজ করছি। এভাবেই আমরা ক্রেতাদের মাঝে বিশ্বস্ততা ও আস্থাভাজন হয়ে পৌঁছে যেতে চাই।

আমেন কালেকশন- এর ফেসবুক পেইজ : AmenCollectionBD

ফোন : 01730-430897

ই মেইল : [email protected]

ঈদ উল আজহায় কে ক্র্যাফটের আয়োজন

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

বরাবরের মতোই ঈদ উল আজহাকে সামনে রেখে সকল বয়সীদের জন্য উৎসবভিত্তিক ও আবহাওয়া উপযোগী স্বাচ্ছন্দময় পোশাকের আয়োজন নিয়ে এসেছে কে ক্র্যাফট।

পরিবেশ উপযোগী সব ধরনের পোশাক থাকবে এবারের ঈদ আয়োজনে। কাট, প্যাটার্ন ও নকশার সমন্বয়ে করা পোশাকের জন্য ফ্যাব্রিক নির্বাচনে উৎসবভিত্তিক পরিবেশে স্বস্তিতে থাকাকে প্রাধান্য দিয়ে থাকছে- কটন, জর্জেট, লিনেন, সিল্ক, হাফ সিল্ক, জয়শ্রী সিল্ক, ডুপিয়ন সিল্ক, সুইস কটন, মসলিন, হ্যান্ডলুম কটন, টু-টোন, সাটিন ইত্যাদি।

বিভিন্ন মোটিফের বিচিত্র ব্যবহার তুলে ধরা হয়েছে পোশাকে। অরনামেন্টেড ফ্লোরাল, ফ্লোরাল, ট্র্যাডিশনাল, হেরিটেজ, কাঁথা স্টিচ, ট্রাইবাল,জিওমেট্রিক, মডার্ন, ফোক, জামদানি, মুঘলিও আর্ট, কুইলট, কাশ্মীরি মোটিফের অনুপ্রেরণায় করা হয়েছে এবারের পোশাক।

রঙ হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে মেরুন, রেড, ক্রিমসন রেড, পেস্ট, ব্ল্যাক, টারকুইস, নেভি, অরেঞ্জ, পিচ, আপ্রিকট, কোরাল পিঙ্ক, লাইট পিঙ্ক, অ্যাশ, অলিভ, গ্রিন, অ্যাকুয়া গ্রিন, ভায়োলেট, ল্যাভেন্ডার, ব্রাউন, হওয়াইট, অফ- হওয়াইট, সিলভার, ইন্ডিগো, ম্যাজেন্টা, মাস্টার্ড ইয়েলো সহ নানান রঙ। পোশাকগুলোতে নকশা ফুটিয়ে তুলতে হাতের কাজ, এমব্রয়ডারি,কারচুপি, স্ক্রিন ও ব্লক প্রিন্ট, সিকুইন ওয়ার্ক, ডিজিটাল প্রিন্ট এবং টাই-ডাই মিডিয়ার ব্যবহার হয়েছে।

মেয়েদের জন্য রয়েছে ট্র্যাডিশনাল ক্ল্যাসিক, রেট্রো, ফিউশন, এ লাইন, আংরাখা, কাট বেইসড সহ বৈচিত্রময় নানা প্যাটার্নের সালোয়ার কামিজ, ডাবল লেয়ারড সালোয়ার কামিজ, লং-কুর্তি, রেগুলার কুর্তি, টপস্, ডাবল লেয়ারড কুর্তি, টিউনিক, শ্রাগ, কাফটান,প্যান্ট সহ টপস, টপস-স্কার্ট, টপস-পালাজো সেট, বিভিন্ন প্যাটার্নের প্যান্ট।

এ ছাড়া ঈদকে সামনে রেখে কটন, সিল্ক, হাফ সিল্ক, মসলিন শাড়ির বৈচিত্রপূর্ণ ডিজাইনের একটি বড় আয়োজন থাকছে। নিজস্ব ডিজাইনের শাড়িতে মোটিফের ব্যবহার, কালার কম্বিনেশন ও ভ্যালু অ্যাডিশনে নানা মিডিয়ার ব্যবহার সকলের দৃষ্টি কাড়বে।

ছেলেদের জন্য রয়েছে পছন্দের ব্র্যান্ড কে ক্র্যাফটের রেগুলার ও ফিটেড পাঞ্জাবি। এ ছাড়াও রয়েছে কাট বেইসড এক রঙা পাঞ্জাবিও। সঙ্গে অনুষঙ্গ হিসেবে বেছে নিতে কালেকশনে থাকবে কাতান, সিল্ক ও কটন কাপড়ে হালকা ও ভারী প্রিন্ট করা কটি। এ ছাড়াও পাওয়া যাবে শেরওয়ানি, স্মার্ট ক্যাজুয়াল শার্ট, এথনিক শার্ট, ফতুয়া, পলো শার্ট ও টি শার্ট ।

মেয়ে শিশুদের জন্য উৎসব ভিত্তিক পোশাকে থাকছে – সালওয়ার কামিজ, ফ্রক, কুর্তি, টপস, পাফি পার্টি ড্রেস, লেহেঙ্গা সেট। ছেলে শিশুদের জন্য পাঞ্জাবী, শার্ট, কটি, ফতুয়া, পলো শার্ট, টি শার্ট ও শেরওয়ানি সহ নানা আয়োজন। শিশুদের পোশাকে প্যাটার্ন, ফ্যাব্রিক ও রঙের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্যাটার্নে ভিন্নতা এবং রঙে উৎসবের আমেজ বহন করবে।

ফ্যামিলি পোশাক থাকবে বরাবরের মতো। অর্থাৎ মা ও মেয়ের মিলিয়ে পরার মতো সালওয়ার কামিজ, কুর্তি, বাবা ও ছেলের জন্য পাঞ্জাবি, শেরওয়ানি, কটি, শার্ট । যুগলদের জন্য থাকবে বিশেষ পোশাক।

কে ক্র্যাফটের ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, খুলনা, কুমিল্লার সকল শো-রুম ছাড়াও অনলাইন শপ kaykraft.com থেকে ঈদ আয়োজন এর পোশাক কিনতে পারেন সাশ্রয়ী মূল্যে। এ ছাড়াও ফেসবুক পেজ থেকেও অর্ডার করা যাবে।

আন্তর্জাতিক ইয়োগা স্পোর্টস চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের ৮ পদক

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

আর্ন্তজাতিক ইয়োগা স্পোর্টস চ্যাম্পিয়নশিপে মোট ৮ টি পদক পেয়েছে বাংলাদেশ। নেপালে অনুষ্ঠিত তৃতীয় সাউথ এশিয়ান ইয়োগা স্পোর্টস এবং দ্বিতীয় মাউন্ট এভারেস্ট ইয়োগা ফেস্টিভাল চ্যাম্পিয়নশিপে ৫জন বাংলাদেশি প্রতিযোগী এনে দিয়েছে এসব পদক।

নেপালের কাঠমাণ্ডুতে আট থেকে ১০ জুন পর্যন্ত তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়। তৃতীয় সাউথ এশিয়ান ইয়োগা স্পোর্টস চ্যাম্পিয়নশিপে তাসনুভা ও রওশন আরা দ্বিতীয় স্থান, আফিফা হোসেন অর্পা ও মানসিফ হেলালি তৃতীয় স্থান এবং শাহনাজ বেগম পঞ্চম স্থান অধিকার করে। পাশাপাশি দ্বিতীয় মাউন্ট এভারেস্ট ইয়োগা ফেস্টিভালে তাসনুভা দ্বিতীয় স্থান, মানসিফ হেলালি ও শাহনাজ বেগম তৃতীয় স্থান অধিকার করে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, মাননীয় সচিব মোহাম্মদ মোরশেদুর রহমান তালুকদার (বাংলাদেশ নেপাল দূতাবাস), ডা. জয়দেব আরিয়া (সেক্রেটারি জেনারেল, ইন্ডিয়ান ইয়োগা ফেডারেশন এন্ড ওয়ার্ল্ড ইয়োগা অসানা), জনাব বাহাদুর বিস্থা ( প্রাক্তন ফার্স সেক্রেটারি অফ নেপাল), উমাং ডন (সহ-সভাপতি, ন্যাশনাল স্পোর্টস ফেডারেশন), দিব্যা ডন (প্রেসিডেন্ট, ইন্টারন্যাশনাল হাঠা ইয়োগা ফেডারেশন)। বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চিত্তরঞ্জন সামন্ত, চোগমনি বেড়া, ডা. নিপা পাণ্ডে সহ অনেকে।

বাংলাদেশ ইয়োগা স্পোর্টস অ্যাসোসিয়েশন-এর সহযোগিতায় ও জয়সান ইয়োগা বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এই প্রতিযোগিতা ও উৎসবের প্রতিনিধিত্ব করে। সার্কভুক্ত দেশগুলো ছাড়াও ইরান ও সৌদি আরবসহ মোট ৩শ জন এই অনুষ্ঠানে অংশ নেয়।

নেপালে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক যোগ উৎসবে যাচ্ছে বাংলাদেশের ছয়জন

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

বাংলাদেশ থেকে আন্তর্জাতিক যোগ উৎসব ২০২৩-এর জন্য ছয়জনের একটি ইয়োগা স্পোর্টিস দল নেপালের কাঠমাণ্ডুতে যাচ্ছে। প্রথমবার অংশগ্রহণকারীরা দ্বিতীয় মাউন্ট এভারেস্ট ইন্টারন্যাশনাল ইয়োগা চ্যাম্পিয়নশিপ এবং তৃতীয় সাউথ এশিয়ান যোগ স্পোর্ট চ্যাম্পিয়নশিপে অংশগ্রহণ করবে। এটি অনুষ্ঠিত হবে ৮ থেকে ১০ জুন পর্যন্ত।

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করছে নেপাল যোগ ও প্রকৃতি নিরাময় সমিতি। সহযোগিতায় করছেন নেপাল যোগ স্পোর্টস অ্যাসোসিয়েশন এবং ওয়ার্ল্ড হাথ যোগ ফেডারেশন। আন্তর্জাতিক এই দুটি ইয়োগা স্পোর্টস কম্পিটিশনে সাউথ এশিয়ার আটটি দেশ যথাক্রমে ভারত, বাংলাদেশ, নেপাল ভুটান, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপ অংশগ্রহণ করছে।

আয়োজকরা বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য জয়সান যোগ এবং বাংলাদেশ যোগাসন ক্রিয়া অ্যাসোসিয়েশনকে দায়িত্ব দেন। কুশল রায় জয়ের তত্ত্বাবধানে এবং শফিকুল আলমের প্রশিক্ষিত যোগ ক্রীড়ায় এই কয়দিনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে যাচ্ছে দলটি।

মহাত্মা গান্ধী আন্তর্জাতিক শান্তি পুরস্কার পেলেন বাংলাদেশের কুশল রায়

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

এশিয়ান বিজনেস পার্টনারশিপ সামিট আয়োজিত ‘ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী উৎসব-২০২৩’- এ দুই বাংলার বিশিষ্ট গুণীজনদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এখানে যোগ চিকিৎসায় বিশেষ অবদানের জন্য ‘মহাত্মা গান্ধী আন্তর্জাতিক শান্তি পুরস্কার ২০২৩’ পেয়েছেন বাংলাদেশ থেকে কুশল রায় জয়।

যোগ চিকিৎসায় বিশেষ অবদানের জন্য মঙ্গলবার, ৬ জুন, বিকেল ৪ টায়, রথীন্দ্র মঞ্চ, জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারতে দুই বাংলার গুণীজন সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠানে তাকে এই পদক দেওয়া হয়।

কুশল রায় জয়সান ইয়োগার প্রতিষ্ঠাতা, রবীন্দ্র সৃজনকলা বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগ শিক্ষক, সাওল হার্ট সেন্টারের যোগ চিকিৎসক, মাই কেয়ার প্যালিয়েটিভি অ্যান্ড জেরিয়াট্রিক সেন্টারের যোগ চিকিৎসক, যোগ ভারতী পুরস্কারপ্রাপ্ত ।

তিনি ভারত থেকে যোগ চিকিৎসা বিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতকোত্তর শেষ করেছেন। যোগ চিকিৎসা, সঙ্গীত চিকিৎসা, আয়ুর্বেদ সহ প্রাচীন বিভিন্ন চিকিৎসা পদ্ধতির সমন্বয়ে সহজ থেকে জটিল রোগের চিকিৎসা করছেন তিনি। তার এই নিরলসভাবে যোগ চিকিৎসার কাজকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এপার বাংলা ও ওপার বাংলায় গুণীজনেরা।

ডা. মৌ ভট্টাচার্যের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কলকাতা প্রেসক্লাবের সভাপতি স্নেহাশীষ সুর, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের নাতনী বিশিষ্ট সঙ্গীত শিল্পী নূপুর কাজী, মানসী রায় চৌধুরী, অধ্যাপক ডাক্তার এন সি বাড়ৈ, বিশিষ্ট নাট্য ব্যক্তিত্ব ও সমাজসেবী ইন্দ্রানী গাঙ্গুলী, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাবেক সচিব বিকর্ণ কুমার ঘোষ, এশিয়ান বিজনেস পার্টনারশিপের পরিচালক এম গোলাম ফারুক মজনু সহ অনেকে।

বিশাল এই উৎসবের আয়োজন করেন এশিয়ান বিজনেস পার্টনারশিপ সামিট, সাউথ এশিয়া সোশ্যাল কালচারাল কাউন্সিল এবং ইন্টারন্যাশনাল নন কমিউনাল কাউন্সিল।অনুষ্ঠানে দুই বাংলার শিল্পীরা সংগীত, নৃত্য ও নাটক পরিবেশনা করেন।

হিট স্ট্রোক হলে জরুরি ৬ কাজ করুন

ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ

অতিরিক্ত গরম আবহাওয়ায় শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে ১০৫ ডিগ্রি ফারেনহাইটের ওপর হলে তাকে হিট স্ট্রোক বলে। এই সময় কিছু বিষয় জরুরিভাবে করতে হবে। আবার এমন কিছু বিষয় রয়েছে যেগুলো এড়িয়ে যেতে হবে।

১. আক্রান্ত ব্যক্তিকে সঙ্গে সঙ্গে ঘরের ভেতর বা ছায়া রয়েছে এমন ঠান্ডা জায়গায় নিয়ে যান।

২. গায়ের জামাকাপড় খুলে ফ্যানের বাতাস দিন বা এসি চালিয়ে দিন।

৩. ভিজে কাপড় দিয়ে সারা শরীর মুছিয়ে দিন ৷

৪. লবণ পানি নুন- চিনির শরবত, খাবার স্যালাইন খাওয়াতে থাকুন ৷

৫. তবে জ্ঞান হারিয়ে ফেললে এসব খাওয়াবেন না। সম্পূর্ণ জ্ঞান ফেরার পরই খাবার বা পানি দেওয়া যাবে আক্রান্তকে ৷

৬. অবস্থার উন্নতি না হলে আক্রান্তকে নিকটবর্তী স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান।

লেখক : মেডিসিন বিশেষজ্ঞ,
অধ্যাপক এমিরিটাস, ইউজিসি অধ্যাপক
প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক।

রাজধানীতে ক্যানসার সার্ভাইভারস ডে পালিত

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

আজ ৪ জুন, বিশ্ব ক্যানসার সার্ভাউভারস ডে। এই উপলক্ষ্যে গতকাল ৩ জুন ক্যানসার কেয়ার কমিউনিটি, বাংলাদেশ- এর আয়োজনে বাংলা একাডেমির কবি শামসুর রাহমান হলে উদযাপিত হলো ক্যানসার সার্ভাইভারস ডে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইমেরেটাস অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘ক্যানসার ব্যক্তির সমস্যা নয়, এটা সামাজিক সমস্যা। ক্যানসার কেন হচ্ছে? বায়ু দূষণ, জল দূষণসহ সামাজিক নানা কারণে। এগুলো পুঁজিবাদী ব্যবস্থারই একটা অংশ। ক্যানসার প্রতিরোধে পারিবারিক, সামাজিক সমর্থন ও রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ দরকার। রাষ্ট্র এগিয়ে আসলে সমাজও এগিয়ে আসবে।
সামাজিক উদ্যোগ হিসেবে বিভিন্ন কমিউনিটি ও সংগঠন গড়ে তুলতে হবে। এই সংগঠনের মধ্য দিয়ে সচেতনতা বাড়বে।

অনুষ্ঠানে ক্যানসার প্রতিরোধে সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন, এমন ১০ জন ‘সারভাইভারদের’ সম্মাননা দেওয়া হয়। সম্মানিতরা হলেন- উদ্যোক্তা ও প্রশিক্ষক ড. রুবিনা হোসেন, আইনজীবী ও ক্যানসার সংগঠক দেবাহুতি চক্রবর্তী, ক্যানসার সংগঠক তাহমিনা গাফফার, চিকিৎসক সালেহ উদ্দিন মাহমুদ তুষার, ব্যবসায়ী খুজিস্তা নূর ই নাহারিন (মুন্নি), লেখক অদিতি ফাল্গুনী, চলচ্চিত্র নির্মাতা রফিকুল আনোয়ার রাসেল, শিক্ষক জেসমিন পারভীন সীমা, ক্যানসার সংগঠক নূর-এ শাফী আহনাফ ও ক্লিনিক্যাল ডায়েটিশিয়ান অ্যান্ড নিউট্রিশনিস্ট আনিকা তাহসিন।

তাদের একজন খুজিস্তা নাহারিন বলেন, ‘আমরা মূল গোড়ার দিকে কেন লক্ষ্য করছি না যে, কেন আমাদের ক্যানসার হচ্ছে। আমাদের খাদ্যে বিষ, বাতাসে শিশার পরিমাণ অনেক বেশি। ঢাকা শহর একটা দূষিত শহর। তাহলে আমরা বাঁচব কী করে? আজকে আমার ক্যানসার হয়েছে, কালকে আপনারও হবে। খাবারে ফরমালিন, এগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে আমরা আজকে যারা সারভাইভার তারা কেন, অনেক মানুষই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’

ক্যানসার কেয়ার কমিউনিটি, বাংলাদেশের আহ্বায়ক জাহান-ই-গুলশান শাপলার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট ক্যানসার বিশেষজ্ঞ ডা. হাবিবুল্লাহ তালুকদার রাসকিন, অধ্যাপক নিজামুদ্দিন আহমাদ। সভাপতিত্ব করেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. আবু জামিল ফয়সাল।

এসি ছাড়া গরমে ঘর ঠান্ডা রাখুন ৫ উপায়ে

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

গরমে অতিষ্ট জনজীবন। তাপমাত্রার পারদ যেন আকাশ ছুঁই ছুঁই। এই সময় একটু স্বস্তি চায় সবাই। আর সারাদিন কর্মব্যস্ত দিন শেষে যেহেতু ঘরটাই হয় শেষ আশ্রয়, তাই এই জায়গাটির পরিবেশ হওয়া চাই আরামদায়ক। গরমে ঘরকে আরামদায়ক ও ঠান্ডা রাখার কিছু কৌশল বাতলেছে সুইটহোম ডট কম।

১. গরমে ঘরকে শিতল রাখতে ইন্টরিয়র প্ল্যান্ট ব্যবহার করা যেতে পারে। বারান্দা, টয়লেট, শোবার ঘর, বসার জায়গা, খাবার টেবিলের কোণায় ছোট ছোট টবে করতে রাখতে পারেন এসব গাছ।

২. এই সময় ঘরে ছোট ছোট পাত্রে পানি রাখুন। এতে তাপমাত্রা কমে ঘর থাকবে শিতল।

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

৩. প্রয়োজনে ওয়াটার প্ল্যান্ট, ফিস অ্যাকুরিয়াম বা বারান্দার দিকে কৃত্রিম ঝর্ণা রাখতে পারেন। এতে যেমন সৌন্দর্য বাড়বে, তেমনি ঘরও থাকবে ঠান্ডা।

৪. ঘর আরামদায়ক স্নিগ্ধ রাখতে দেয়ালে হালকা রং ব্যবহার করুন। পাশাপাশি টেবিল, কুশন ও সোফার কভারে হালকা রঙের ব্যবহারই ভালো। যেমন : সাদা, পার্পেল, হালকা নীল, হলুদ, পেস্ট, বেবি পিংক ও ধূসর ইত্যাদি।

৫. চলাচলের পথে ও প্রবেশদ্বারে আসবাব রাখবেন না। এতে বাতাস চলাচলে অসুবিধা হয়। ছোট ঘরে সম্ভব হলে ছোট ছোট হালকা আসবার রাখুন। এতেও চোখ স্বস্তি পাবে। পাশাপাশি ভারি পর্দা ও ভারি বিছানার চাদর ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।

- Advertisement -
সাতকাহন
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.