যোনির শুষ্কতার ৫ কারণ
সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
যোনির শুষ্কতার কারণে সহবাসে অনিহা চলে আসে অনেকের এবং সহবাস অত্যন্ত ব্যথাদায়ক হয়। পাশাপাশি শুষ্কতার জন্য যোনি থেকে পানি নিঃসরণ ও ইনফেকশন হয়।
গবেষণায় দেখা গেছে, এই বিষয়টি মেনোপোজ বা দীর্ঘমেয়াদে মাসিক বন্ধ হওয়ার পর, ৪০ থেকে ৫৭ শতাংশ নারীর ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। আর ১৫ শতাংশ নারী মেনোপজের আগে, যোনির শুষ্কতার কারণে প্রভাবিত হয়। যোনির শুষ্কতার কিছু কারণ বর্ণনা করেছে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট এভরি ডে হেলথ।
ইসট্রোজেনের ঘাটতি
ইসট্রোজেন হরমোন দেহের রক্তসঞ্চালনকে স্বাভাবিক রাখে। এতে যৌনির টিস্যু আর্দ্র থাকে। এই হরমোনের ঘাটতি হলে যোনিতে শুষ্কতার সমস্যা হয়। ব্রেস্ট ফিডিং অবস্থায়, মেনোপোজের সময়, মেনোপোজের পরে এবং কিছু জন্ম নিয়ন্ত্রক ওষুধ গ্রহণের সময় এই সমস্যা হতে পারে। এ ছাড়া ক্যানসারের চিকিৎসায় ক্যামোথেরাপি বা রেডিওথেরাপি নেওয়ার সময় শুষ্কতার সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে।
পানিশূন্যতা
যোনি বা ভ্যাজাইনার কোষগুলো ঠিকঠাকমতো কাজ করতে বেশি পানির প্রয়োজন। আপনি হয়তো অনেক ব্যায়াম করলেন, তবে পানি পান করলেন না- ব্যাপরটি নিশ্চয়ই দেহের জন্য ক্ষতিকর। বিষয়টি অনেকটা এই রকম। মূলত, পানিশূন্যতা যোনির শুষ্কতার অন্যতম কারণ।
যোনির শুষ্কতা কমাতে পর্যাপ্ত পানি পান করুন। লুবি্রকেন্ট, ব্যবহার করেও শুষ্কতা রোধ করা যায়। এই সমস্যা সমাধানে অ্যান্টিহিস্টামিস জাতীয় ওষুধ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকরা।

প্রদাহ
যোনির শুষ্কতার আরেকটি অন্যতম কারণ প্রদাহ বা ইনফ্ল্যামেশন। সঠিকভাবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন না থাকা, ক্ষারযুক্ত সাবান, পারফিউম ইত্যাদি ব্যবহারের কারণে যোনিতে অনেক সময় প্রদাহ হয়। পাশাপাশি সংক্রমণের কারণেও এই সমস্যা হতে পারে।
বয়স বাড়া
তরুণ বয়সে যোনি যতটা পিচ্ছিল থাকে, বয়স বাড়তে থাকলে সেটি হারায়। এতে শুষ্কতা তৈরি হয়।
মানসিক ও আবেগীয় কারণ
মানসিক চাপ ও উদ্বেগ যৌনজীবনকে প্রভাবিত করে। এ ছাড়া সঙ্গীর সঙ্গে মানসিক দূরত্ব যৌনতার চাহিদাকে কমিয়ে দিতে পারে। এতে সহবাসের সময় যোনি শুষ্ক থাকার সমস্যায় পড়েন অনেকে।
প্রতিদিন ২ ব্যায়ামে কমবে পেটের মেদ
সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
পেটের মেদ নিয়ে অস্বস্তিতে থাকেন অনেকেই। এটি কমাতে অনেকে আবার জিমে দৌঁড়ান। তবে পেটের মেদ ঝড়াতে কিছু ব্যায়াম রয়েছে, যেগুলো ঘরে থেকে অনায়াসেই করতে পারেন।
প্রতিদিন এসব ব্যায়াম মেদ কমাতে বেশ উপকারী। পেটের মেদ কমাবার ৩ টি কার্যকরী ব্যায়ামের কথা জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া।

১. স্ট্যান্ডিং লেগ রেইজেস
- এই ক্ষেত্রে শুরুতে সোজা হয়ে দাঁড়ান।
- এরপর ডান পা উঁচু করে ওপরে তুলন। এমনভাবে পা উঁচু করবেন যেন পেটে চাপ পড়ে।
- এভাবে চার থেকে পাঁচ সেকেন্ড থাকুন।
- এরপর ডান পা নামিয়ে একইভাবে বাম পা উঁচু করে চার থেকে পাঁচ সেকেন্ড রাখুন।
- এভাবে ১০ থেকে ১৫ বার করুন।
-

স্ট্যান্ডিং সাইড লেগ লিফ্টস ; ছবি : সংগৃহীত
২. স্ট্যান্ডিং সাইড লেগ লিফ্টস
- হাতকে সোজা করে করে দাঁড়ান।
- এবার কোমর একটু ঘুরিয়ে ডান পা উঁচু করে বাম হাত দিয়ে ধরুন। ডান হাত থাকবে পাশে, উঁচু করা।
- যতক্ষণ পারুন এভাবে দাঁড়িয়ে থাকুন।
- এবার ডান বা নামিয়ে বাম পা উঁচু করে ডান হাত দিয়ে ধরে রাখুন। বাম হাত থাকবে পাশে।
- এভাবে ১০ থেকে ১৫ বার করুন। ব্যায়ামের সময় পেটে চাপ পড়ছে কি না অবশ্যই খেয়াল রাখুন। প্রতিদিন এই দুই ব্যায়ামে মেদ তো ঝড়বেই, ফিটও থাকবেন আপনি।
মধু বেশি খেলে ক্ষতি কী ? প্রতিদিন কতটুকু খাবেন ?
সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
মধুতে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও খনিজ। বিভিন্ন ওষুধি গুণের জন্য এটি যে দেহের জন্য ভালো, তা তো সবারই জানা। তবে অতিরিক্ত খেলে কিন্তু ঘটতে পারে বিপত্তি।
যেমন, মধুর মধ্যে রয়েছে সুগার ও কার্বহাইড্রেট। এটি বেশি খেলে রক্তে সুগারের মাত্রা বেড়ে যায়। ডায়াবেটিস থাকলে অতিরিক্ত মধু খাওয়া বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। বেশি মধু খাওয়ার আরো ক্ষতিকর দিকের কথা জানিয়েছে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলথশর্টস।
রক্তচাপ কমিয়ে দেয়
মধু রক্তচাপ বা ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। তবে বেশি মধু খেলে রক্তচাপ কমে যাওয়া বা হাইপোটেনশনের ঝুঁকি থাকে। এটি দীর্ঘমেয়াদে হার্টের ক্ষতি করে।
পাকস্থলীর সমস্যা বাড়ায়
কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে মধু কম খাওয়াই ভালো। এ ছাড়া বেশি মধু খাওয়া পেট ফাঁপা ও ডায়রিয়ার সমস্যা বাড়ায় ; অতিরিক্ত চিনি থাকার কারণে এটি হজমের জন্যও ক্ষতিকর।

ওজন বাড়ায়
মধুর মধ্যে থাকা উচ্চ পরিমাণ ক্যালরি, সুগার ও কার্বহাইড্রেট ওজন বাড়িয়ে দেয়। তাই ওজন বেশি থাকলে মধু খাওয়ার পরিমাণ কমাতে পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।
দাঁতের সমস্যা বাড়ায়
বেশি মধু খেলে অতিরিক্ত মিষ্টি খাওয়া হয়। বেশি মিষ্টি দাঁতের জন্য সবসময়ই ক্ষতিকর। ন্যাশনাল নিউট্রিয়েন্ট ডাটাবেজ বা ইউএসডি- এর মতে, মধুতে রয়েছে ৮২ শতাংশ মিষ্টি। এই পরিমাণটি দাঁতের ক্ষতির জন্য যথেষ্ট। এ ছাড়া মধু যেহেতু আঠালো, তাই দাঁতে সহজে লেগে থাকে। এতে পরে ক্ষয় রোগ হতে পারে।

কতটুকু মধু খাবেন?
অতিরিক্ত মধু খাওয়ার ক্ষতিকর দিক রয়েছে। তাই বলে তো খাওয়া বন্ধ করে এর উপকারগুলো থেকে নিজেকে বাদ দেওয়া যাবে না। খেতে হবে পরিমিত ও পরিমাণমতো। এই ক্ষেত্রে প্রতিদিন ৫০ মিলিলিটার বা এমএল মধু খেতে পারেন। তবে যেকোনো খাবার নিয়মিত আপনার ডায়েটে যোগ করার আগে শরীরের অবস্থা বুঝে, চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে নিন।
ভালো বিউটি আর্টিস্টের কদর সব জায়গায়
সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
একদিন মা ঘুমাচ্ছিল মেয়েটির। ঘুমন্ত মা-কে সাজাতে শুরু করে সে। মা -তো ঘুম থেকে উঠে মেয়ের কাণ্ড দেখে ভীষণ অবাক ! একি করেছে মেয়ে। তবে তখন থেকেই বাড়ির সবাই বুঝে যায়, এই মেয়ের সাজগোজের প্রতি ভীষণ আগ্রহ।
একবার ভাবী বললো, তুমি তো ভালোই সাজো। তাহলে এটা ভালোভাবে শিখে ফেলো। এরপর ভাবীর আগ্রহে উজ্জ্বলায় এসে ভর্তি হওয়া। সবগুলো কোর্স শেষ করে বর্তমানে সে এখন নিজেই উজ্জ্বলার চট্টগ্রাম শাখায় ব্র্যাঞ্চ ইনচার্জ হিসেবে কাজ করছে। যার কথা বলছি, সে উম্মে সালমা নূরী। চট্টগ্রামের এই মেয়ের বিউটি আর্টিস্ট হিসেবে গড়ে উঠার গল্পই রইল পাঠকদের জন্য।
বিউটিফিকেশনের বিশাল ইন্ডাসট্রি রয়েছে জানতামই না
বিউটিফিকেশনের যে একটি বিশাল ইন্ডাসট্রি রয়েছে, সেটা তেমনভাবে জানতাম না। এটি আমার পছন্দের জায়গা ছিল। কখনো ভাবিনি একে পেশা হিসেবে নেবো। আমি ইংরেজিতে অনার্স ও মাস্টার্স করেছি। ভেবেছিলাম সাবজেক্ট অনুযায়ী কোনো পেশা বেছে নেবো। তবে উজ্জ্বলায় কোর্স করার পর ভীষণভাবে বুঝতে পারলাম বিউটিফিকেশনকেও বেশ ভালোভাবে পেশা হিসেবে নেওয়া যায়। আর একজন ভালো বিউটি আর্টিস্টের কদর সব জায়গায়। কেবল বিউটি আর্টিস্ট হয়ে স্যালন দেওয়াই নয়, এর সঙ্গে সম্পর্কিত অন্যান্য কাজগুলোও করা যায়। যেমন, আমি এখন উজ্জ্বলার চট্টগ্রামের ব্র্যাঞ্চ ইঞ্চার্জ হিসেবে কাজ করছি । পাশাপাশি ফ্রি ল্যান্সিংও করছি। আর ফ্রি ল্যান্সিং করে যা আয় হয়, তাতে আমি সন্তুষ্ট।

আত্মবিশ্বাসী হয়েছি উজ্জ্বলার কারণে
উজ্জ্বলায় কোর্স শুরু করেছিলাম, ২০১৯ সালের নভেম্বর মাসে। তখন ব্র্যাকের মাধ্যমে আয়োজিত চারদিনের একটি বিউটিফিকেশনের ওপর দক্ষতা উন্নয়নের কোর্স করি। এরপর উজ্জ্বলায় ভর্তি হয়ে যাই। আর সবগুলো কোর্স ধীরে ধীরে করতে থাকি। উজ্জ্বলা আমার আত্মবিশ্বাসকে কয়েকগুণে বাড়িয়েছে।
আমার আত্মবিশ্বাস ছিল, তবে মাঝে মাঝে ভয় লাগতো। উজ্জ্বলায় আসার পর, এখানে ক্লাস করার পর দৃষ্টিভঙ্গী অনেকটাই পাল্টেছে। নিজের ওপর কীভাবে নির্ভরশীল হওয়া যায়, সেটি শিখেছি।
ভাবীর প্রতি কৃতজ্ঞ
শারীরিক অসুস্থতার কারণে আমি এসএসসি পরীক্ষা সময়মতো সহপাঠিদের সঙ্গে দিতে পারিনি। পরে যখন পরীক্ষা দেওয়ার সময় হলো, ছোটদের সঙ্গে শিখতে লজ্জা লাগতো। তখন এক বছর বিরতি দিয়েছিলাম। এটা আমাকে অনেকখানি পিছিয়ে দেয়। ২০১৩ সাল থেকে আমি আবার লেখাপড়া শুরু করি। লেখাপড়ার পেছনে আমার ভাবীর অনেক অবদান রয়েছে। সবাই তাকে বলেছিল, ‘এই মেয়ের তো আর লেখাপড়া হবে না। বিয়ে দিয়ে দাও।’ তবে তিনি রাজি হননি। আমাকে লেখাপড়া করিয়েছিলেন। আর আমার ভাবীর বিশ্বাসটি আমি ভাঙতে দিইনি। লেখাপড়া শেষ করেছি। এখনো তাঁর উৎসাহতেই বিউটিফিকেশনের কাজ করছি।

চুল নিয়ে কাজ করতে চাই
আমি চুল নিয়ে কাজ করতে পছন্দ করি। বিশেষ করে চুল কালারের বিষয়টিতে আগ্রহ রয়েছে। আমি ভবিষ্যতে চুলের ওপর বিশেষজ্ঞ হয়ে এগিয়ে যেতে চাই।
বি : দ্র : বাংলাদেশের বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিং ইন্ডাস্ট্রিতে উদ্যোক্তা তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে উজ্জ্বলা লিমিটেড। উজ্জ্বলায় প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এবং সংগ্রাম করে সাফল্য অর্জন করেছেন, এমন কয়েকজন নারী ও পুরুষের সাক্ষাৎকার নিয়ে সাতকাহনের ধারাবাহিক পর্ব চলছে। এই পর্বটি ছিলো ৬৫তম। উজ্জ্বলা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন :
https://www.facebook.com/UjjwalaBD
https://www.instagram.com/UjjwalaBD/
ফোন : ০১৩২৪৭৩৪১৫৭
নারীর অরগাজম কতটা জরুরি ?
সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
কারণ যাই হোক না কেন, নারীর অরগাজম বা যৌনতৃপ্তির বিষয়টি সমাজে যেন একটি ট্যাবু। সমাজে পুরুষের যৌনতৃপ্তি নিয়ে কথা বলাটা যতটা সহজ নারীর যৌনস্বাস্থ্য যেন ততটাই উপেক্ষিত।
তবে বিভিন্ন গবেষণায় উঠে এসেছে, শরীর ও মনের যত্নে মেয়েদেরও অরগাজম জরুরি। নারীর অরগাজমের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে জানিয়েছে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট ডক্টরপিডি।
মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়ে
২০১৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক নিউরোসাইনটিস্ট ও সেক্স থেরাপিস্ট ডা. নান ওয়াইসের করা একটি গবেষণায় দেখা যায়, অরগাজমের সময় মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালন অন্যান্য সময়ের তুলনায় ভালো হয়, বিশেষ করে উত্তেজনার চরমে থাকা অবস্থায়। রক্ত ভালোভাবে প্রবাহিত হওয়ার কারণে মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়ে এবং মস্তিষ্ক আরো ভালোভাবে কাজ করে।
ঘুম ভালো হয়
শরীর শিথিল থাকলে যেমন অক্সিটসিন, এন্ড্রোফিন ইত্যাদি হরমোন বের হয়, তেমনি অরগাজমের সময়ও হয়। এই দুই হরমোন ঘুম ভালো করতে উপকারী। বিশেষ করে, যারা মানসিক চাপ ও উদ্বেগে ভোগেন, তাদের জন্য। এ ছাড়া অরগাজমের পর প্রোল্যাকটিন নামক আরেকটি হরমোন নিঃসৃত হয়। এটি গভীর ঘুমের জন্য জরুরি।
মানসিক চাপ কমায়
সহবাসের সময় অক্সিটোসিন হরমোন বের হয়। এই হরমোন মানসিক চাপ, উদ্বেগ কমায়। পাশাপাশি মানসিক চাপের জন্য হওয়া লো প্রেশার প্রতিরোধেও উপকারী।

গর্ভধারণের প্রবণতা বাড়ায়
নিয়মিত সহবাসে গর্ভধারণের প্রবণতা বাড়ে। গবেষণায় বলা হয়, নারীর অরগাজমের সময়, বিশেষ করে যৌনতৃপ্তির শীর্ষে থাকা অবস্থায় পুরুষ সঙ্গীটিরও স্পার্ম দ্রুত নিঃসরণ হয়।
ব্যথা কমায়
দেহের বিভিন্ন ব্যথা কমাতে, বিশেষ করে পিরিয়ডের ব্যথা কমাতে অরগাজম বেশ জরুরি- এমনটাই মতামত বিশেষজ্ঞদের।
অকাল বার্ধক্য রোধ করে
২০০৯ সালে করা একটি গবেষণার ফলাফলে দেখা যায়, সহবাস করলে নারীর দেহে ইসট্রোজেন হরমোনের পরিমাণ বাড়ে। ত্বকের নমনীয়তা বাড়িয়ে এই হরমোন অকাল বার্ধক্য প্রতিরোধে কাজ করে।
খাওয়া ছাড়াও ৫ কাজে ব্যবহার করুন হলুদ
সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
রান্না থেকে শুরু করে ত্বকের যত্নের বিভিন্ন বিষয়ে হলুদের জুড়ি নেই। আয়ুবের্দ শাস্ত্রে এই মসলাটিকে ওষুধি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে খাওয়া বা ত্বকের যত্ন ছাড়াও, হলুদের রয়েছে আরো কার্যকর ব্যবহার। হলুদের কিছু ভিন্ন ব্যবহার জানিয়েছে ভারতীয় ওয়েবসাইট টাইমস অব ইন্ডিয়া।
সবজি ভেজাতে
কাটা বা রান্নার আগে হালকা গরম পানির মধ্যে হলুদ মিশিয়ে সবজি ভিজিয়ে রাখুন। হলুদের অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান
জীবাণু ও ময়লা ভালোভাবে পরিষ্কারে সাহায্য করে।
স্যুপে মেশান
স্যুপ রান্না শেষে এক চিমটি হলুদ ও মরিচের গুঁড়া মেশান। এসব মসলা দেহের ব্যকটেরিয়া সংক্রমণের সঙ্গে লড়াই করতে উপকারী।

দাঁত পরিষ্কার
হলুদ দাঁত সাদা বা পরিষ্কারেও কার্যকর। দাঁত পরিষ্কারে সামান্য হলুদ, সোডা ও লবণ একত্রে মিশিয়ে টুথপেস্টের মতো ব্যবহার করতে পারেন।
সবজি রান্নার আগে
সবজি রান্নার আগে হলুদ দিয়ে মেরিনেট করতে পারেন বা সবজিতে হলুদ মাখিয়ে রাখতে পারেন। এতে পুষ্টিগুণ বেড়ে যাবে।

প্রাকৃতিক প্লাস্টার হিসেবে
পা বা হাত মোচকে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসা হিসেবে হলুদ ব্যবহার করা যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে সম পরিমাণ ক্যালসিয়াম কার্বনেট ও হলুদ মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে মোচকে যাওয়া জায়গায় লাগিয়ে রাখুন। অস্বস্তি অনেকটা কমবে।
সকালে নাস্তার পরে কি ঘুম পায়? কারণ জানুন
সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
সকালবেলা ভরপেট নাস্তা করেছেন। ভাবছেন, সারাদিন বেশ শক্তি পাবেন। তবে ঘটল উল্টো। নাস্তার পরপরই কেমন যেন ঘুম ঘুম ভাব, অবসাদ এসে ভর করল দেহে। মনে হল, আরেকটু ঘুমিয়ে নিতে পারলে ভালো হতো।
সকালবেলা নাস্তার পরপর এই রকম সমস্যায় কি পড়েছেন কখনো? তাহলে এই প্রতিবেদন আপনার জন্য। বিভিন্ন কারণেই নাস্তার পর শরীরে অবসাদ ভর করে, লাগতে পারে ক্লান্তি। নাস্তার পরে ঘুম পাওয়ার কিছু কারণ জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া।
রক্তে সুগারের মাত্রার তারতম্য
সকালের খাবার রক্তের সুগারের ওপর প্রভাব ফেলে। সুগারের মাত্রার তারতম্যের কারণে নাস্তার পর ঘুম পায় বা ঘুম ঘুম ভাব হয়। সকালের নাস্তায় অতিরিক্ত কার্বহাইড্রেট জাতীয় খাবার (যেমন : সিরিয়ালস, রুটি অথবা চিনিযুক্ত খাবার) খেলে শরীর একে গ্লুকোজে ভাঙতে শুরু করে। গ্লুকোজ রক্তে পৌঁছে যায়। এতে রক্তে সুগারের মাত্রা বাড়ে। এটি সকালে নাস্তার পর পরই ঘুম পাওয়ার অন্যতম কারণ।
এই সমস্যা সমাধানে কার্বহাইড্রেট কম গ্রহণ করে প্রোটিন ( ডিম, দই, মাংস ইত্যাদি) ও আঁশযুক্ত ( সবজি, ফল ) খাবার খেতে পারেন। কার্বহাইড্রেটের ক্ষেত্রে ওটস, একটি ছোট রুটি সকালের নাস্তায় রাখা যেতে পারে।

খাবারের পরিমাণ
স্বাস্থ্যকর খাবারও সকালবেলা অতিরিক্ত খাওয়া হলে ঘুম পায়। বেশি খাবার খেলে হজম করতে বেশি শক্তি ও সময় লাগে; হজম ধীরগতির হয়। এতে শরীর ক্লান্ত হয়ে পড়ে; ঘুম পায়।
উচ্চ চর্বিযুক্ত খাবার
উচ্চ চর্বিযুক্ত বা তৈলাক্ত খাবার হজম করাও শরীরের জন্য কষ্টসাধ্য। এতে শক্তি বেশি লাগে; ঘুম ঘুম ভাব হয়। তাই সকালবেলার খাদ্যতালিকায় এই ধরনের খাবার না রাখার পরামর্শই দেন বিশেষজ্ঞরা।
প্রোটিনের ঘাটতি
প্রোটিন জাতীয় খাবারের অভাবেও শরীর ক্লান্ত লাগে এবং ঘুম পায়। তাই সকালবেলার খাদ্যতালিকায় ডিম, দই, মুরগির মাংস, বিচি জাতীয় খাবার ইত্যাদি রাখতে পারেন। এসব খাবার প্রোটিনের ঘাটতি পূরণে অনেকটাই সাহায্য করে।

পানিশূন্যতা
সারারাত ঘুমের পর শরীর পানিশূন্য হয়ে পড়ে। পানিশূন্যতা অবসন্ন ভাব বাড়ায়। সকালের নাস্তায় পর্যাপ্ত পানি পান ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করে।
ভালো ঘুমের অভাব
রাতে ঘুম ভালোভাবে না হলে, সকালে নাস্তার পরও অবসাদ লাগে। প্রতিদিন অন্তত সাত থেকে আট ঘণ্টার ঘুম শরীরকে চাঙা ও ফুরফুরে রাখতে উপকারী।


