Thursday, May 28, 2026
spot_img
Home Blog Page 82

জাদুঘরে রবিরশ্মির আয়োজনে এপার ও ওপার বাংলার শিল্পীদের গান

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

রবীন্দ্র ভিত্তিক সংগীত সংগঠন ‘রবিরশ্মি’, ২৩ মে, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টায়, কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে, বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর, শাহবাগ, ঢাকায় ‘এসো শ্যামল সুন্দর’ শীর্ষক সঙ্গীতানুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করে রবিরশ্মি ও কলকাতার সংগীত সংগঠন সুর ও সাধনার শিল্পীবৃন্দ।

অনুষ্ঠানের প্রথম পর্ব শুরু হয় রবিরশ্মির শিল্পীবৃন্দের কণ্ঠে সমবেত গানের মধ্য দিয়ে। এরপর একক গান পরিবেশন করেন, বিশিষ্ট সংগীত শিল্পী সোহেলা হোসেন ( প্রধান উপদেষ্টা- রবিরশ্মি, ভাইস চেয়ারম্যান- এনসিসি ব্যাংক, চেয়ারম্যান-মীর আক্তার হোসেন কন্সট্রাকশন  লিমিটেড ও প্রেসিডেন্ট- মীর গ্রুপ অব ইন্ডাসট্রি)। নৃত্য পরিবেশন করেন শিল্পী ফলক রায় (কলকাতা)।

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, রবিরশ্মির পরিচালক ও বিশিষ্ট সংগীত শিল্পী মহাদেব ঘোষ ও বিশিষ্ট সংগীত শিল্পী ও প্রশিক্ষক কিংশুক রায় (কলকাতা)। এ সময় সম্মাননা জানানো হয়, জনাব ড. আলাউদ্দিন আহমেদ (বিশিষ্ট সমাজ সেবক) ও শ্রী গৌরাঙ্গ বিহারী রায় (প্রাক্তন প্রশাসক, কলকাতা)। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মো. কামরুজ্জামান (মহাপরিচালক, বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর)।

অনুষ্ঠানের তৃতীয় পর্বে একক গান পরিবেশন করে সুর ও সাধনা (কলকাতা)- এর শিল্পীবৃন্দ। একক গান পরিবেশন করেন, ডা. জয়ন্ত ধর,  শ্রী কিংশুক রায়, শ্রীমতী রত্না রায়, শ্রীমতী তমালী ব্যানার্জী, শ্রীমতি ড. নিবেদিতা মিত্র। এরপর আবৃত্তি পরিবেশন করেন, বিশিষ্ট আবৃত্তি শিল্পী, ড. শাহাদাৎ হোসেন নিপু। ফয়জুল্লাহ সাঈদের গ্রন্থনা ও নির্দেশনায় আবৃত্তি পরিবেশন করে আবৃত্তি সংগঠন ‘শিল্পবৃত্ত’। অনুষ্ঠানের এ পর্যায়ে একক গান পরিবেশন করেন, বিশিষ্ট সংগীত শিল্পী ও রবিরশ্মির পরিচালক মহাদেব ঘোষ।

অনুষ্ঠানের সঞ্চালনায় ছিলেন ড. শাহাদাৎ হোসেন নিপু (আবৃত্তি শিল্পী) ও রবিরশ্মির সদস্য ও শিল্পী শাশ্বতী মাথিন। অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ত্ব করেন, জনাব মোখলেস আলম (বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও সভাপতি, রবিরশ্মি)। অনুষ্ঠানের সার্বিক পরিকল্পনা ও পরিচালনায় ছিলেন মহাদেব ঘোষ ও কিংশুক রায়।

কে ক্র্যাফটে হেলথ এন্ড বিউটিকেয়ার প্রোডাক্ট আমলকি

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

দেশের অন্যতম প্রধান ফ্যাশন হাউজ কে ক্র্যাফট দীর্ঘদিন ধরে দেশীয় পোশাক ও কারুশিল্প নিয়ে কাজ করে আসছে। ক্রেতাদের চাহিদা ও প্রয়োজনের কথা ভেবে প্রতিষ্ঠানটি ব্রিটিশ স্কিন কেয়ার ইনিশিয়েটিভ ‘আমলকি’- এর সঙ্গে গত ১৭ মে সাইনিং সেরেমনির আয়োজন করে।

এখন থেকে কে ক্র্যাফট- এর রিং রোড, সোবহানবাগ, মিরপুর ও যমুনা ফিউচার পার্কের শোরুমে আমলকির সব পণ্য পাওয়া যাবে। পর্যায়ক্রমে অনলাইন সহ প্রতিটি কে ক্র্যাফট আউটলেটে আমলকির পণ্য থাকবে।

ছবি : কে ক্র্যাফট
ছবি : কে ক্র্যাফট

১০০ ভাগ প্রাকৃতিক হেলথ অ্যান্ড বিউটিকেয়ার পন্যের মধ্যে- রয়েছে ফেস প্যাক, ফেস মাস্ক, বডি স্ক্রাব, ক্লে মাস্ক, চারকল মাস্ক, ব্রাইটেনিং প্যাক, অ্যান্টি অ্যাজিং মাস্ক, অ্যান্টি অ্যাজিং গ্লোইং স্কিন ক্রিম, ন্যাচারাল বডি পাউডার, হেয়ার প্যাক, হেয়ার ক্লিন্সার ও স্মুথার, হেয়ার অয়েল, সাবান সহ রয়েছে অনেক কিছু।

পারসোনাল কেয়ার ও সৌন্দর্য সচেতন মানুষের জন্য কে ক্র্যাফট-এ ‘আমলকি’ এর গুণগত মানসম্পন্ন, পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মুক্ত এবং ত্বক বান্ধব পন্য প্রাপ্তি জীবন যাপনকে সুন্দরতর করবে।

ক্লান্তি দূর করতে যেভাবে খাবার খেতে হয়

ফারজানা ফাতেমা (রুমী)

ক্লান্তি দূর করতে যেমন এর কারণ বুঝে চিকিৎসা নিতে হয় এবং দৈনন্দিন জীবনযাপনের পরিবর্তন করতে হয়, তেমনি খাবারদাবারের বিষয়েও খেয়াল রাখতে হয়। সঠিক খাবারের রুটিন এবং কিছু খাবার ক্লান্তি দূর করতে সহায়ক।

পানি পান

কখনো কখনো কেবল পানিশূন্যতার কারণে শরীর ক্লান্ত হয়ে পরে। তাই পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করতে হবে। প্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য সারাদিনে অন্তত ৩ লিটার। বিশেষ করে ব্যায়াম কিংবা ভারী কাজের পরে এক গ্লাস পানি পান শক্তি ফিরিয়ে আনবে।

ক্যাফেইন

যে কেউ ক্লান্ত বোধ করলে ক্যাফেইন বাদ দেওয়া উচিত। সর্বোত্তম উপায় হলো- তিন সপ্তাহের মধ্যে ধীরে ধীরে সমস্ত ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় (কফি, চা ও কোলা) খাওয়া বন্ধ করে দেওয়া। এটি ছাড়া কম ক্লান্ত বোধ করেন কি না তা দেখতে এক মাসের জন্য ক্যাফেইন সম্পূর্ণরূপে বন্ধ রাখার চেষ্টা করুন।

সকালের খাবার

এটি আপনার হজম পক্রিয়া ভালো রাখে এবং শরীরকে শক্তি দেয়। মস্তিষ্ক জ্বালানির জন্য গ্লুকোজের ওপর নির্ভর করে। তাই কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ সকালের খাবার যেমন চিড়া, রুটি, ভাত বেছে নিন। সকালের খাবার এড়িয়ে যাবেন না। বেশিক্ষণ খাবার ছাড়া রক্তে শর্করার মাত্রা কমে যায়। আপনার খাদ্য তালিকায় ফল, সবজি, কম চর্বিযুক্ত দুগ্ধজাত খাবার এবং চর্বিহীন মাংসের পরিমাণ বাড়ান। অতিরিক্ত চর্বি, চিনি ও লবণযুক্ত খাবারের পরিমাণ কমিয়ে দিন।

দুপুরের খাবার

প্রোটিন ও কার্বোহাইড্রেটের সংমিশ্রণ খাদ্যতালিকায় রাখুন । কার্বোহাইড্রেট শক্তির জন্য গ্লুকোজ সরবরাহ করে। প্রোটিন আপনার মনকে মনোযোগী ও সতর্ক রাখতে সাহায্য করে।

রাতের খাবার

চেষ্টা করুন রাত ৮ টার মধ্যে খেয়ে নিতে এবং পরিমাণে কম খেতে। হজমে সমস্যা না হলে এক গ্লাস দুধ খান।

ছয়বার খাদ্য গ্রহণ

সারাদিন আপনার শক্তির মাত্রা বজায় রাখতে অতিরিক্ত খাবেন না। প্রতিদিন তিন বারের বেশি খাবার খাওয়ার পরিবর্তে ছয়বার অল্প খাওয়ার চেষ্টা করুন।

আয়রন সমৃদ্ধ খাবার

নারীর ক্ষেত্রে বেশিরভাগ সময় আয়রনের ঘাটতি বেশি দেখা দেয়। আপনার খাদ্যতালিকায় আয়রন সমৃদ্ধ খাবার যেমন, কচুশাক, কচুর লতি, বেগুন, পেয়ারা, আপেল ইত্যাদি রাখুন।

লেখক : মনোবিজ্ঞানী

ক্লান্তি দূর করার চিকিৎসা কী?

ফারজানা ফাতেমা (রুমী)

ক্লান্তি দূর করতে হলে প্রথমে খেয়াল করতে হবে, কী কারণে সমস্যাটি হচ্ছে। এখানে রোগী এবং তার পরিবারের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, ডাক্তারের প্রশ্নের সঠিক উত্তর রোগ নির্ণয়ের জন্য জরুরি।

কিছু প্রশ্ন
১. সকালে ঘুম থেকে উঠলে রোগী কি সুস্থ বোধ করেন?
২. সারাদিনে ক্লান্তি কি বেড়ে যায়?
৩. ব্যক্তি কি অপ্রত্যাশিতভাবে ঘুমান বা দৈনন্দিন কাজকর্ম সম্পূর্ণ করার জন্য ক্যাফেইনের মতো অতিরিক্ত মাত্রায় উদ্দীপক গ্রহণ করেন?
৪. ক্লান্তি কি ধীরে ধীরে বা হঠাৎ আসে?
৫. এটা কি প্রতিদিনের ঘটনা, না কি মাঝে মাঝে হয়?
৬. কী করলে ক্লান্তি দূর হয় এবং কী করলে বাড়ে?
৭. ক্লান্তির কারণে রোগীর জীবন কীভাবে বদলেছে?
৮. ক্লান্তি কি শারীরিক থেকে মানসিক বেশি?

ক্লান্তির বিরুদ্ধে লড়াই যেভাবে করবেন

ঘুমের রুটিন
ক্লান্তির একটি সাধারণ কারণ পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়া। প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময়ে বিছানায় যান এবং সকালে উঠুন। রাতে ঘুমের আগে কুসুম গরম পানিতে গোসল করুন।

মেডিটেশন ও প্রার্থনা
কীভাবে রিলাক্সেজন মেডিটেশন বা শিথিলকরন করা যায়, তা জানুন। উদাহরণস্বরূপ, আপনি একটি প্রাকৃতিক আরামদায়ক দৃশ্যের কথা ভাবুন। শান্তভাবে শ্বাস-প্রশ্বাসের ওপর ফোকাস করুন। নিয়মিত প্রার্থনা করুন। এতে মনোযোগ কেন্দ্রীভূত হতে পারে।

ঘুমের ওষুধ
ঘুমের ওষুধ এড়িয়ে চলুন। এগুলো দীর্ঘমেয়াদী সমাধান নয়। কারণ, এগুলো অনিদ্রার সমস্যার সমাধান করে না৷

ধূমপান
সিগারেটের ধোঁয়ায় অনেক ক্ষতিকারক পদার্থ থাকে। এ কথা জেনেও আমরা ছাড়তে পারি না। ধূমপায়ীদের সাধারণত অধূমপায়ীদের তুলনায় কম শক্তির মাত্রা থাকার অনেক কারণ রয়েছে। শরীরকে শক্তি তৈরি করতে অক্সিজেনের সঙ্গে গ্লুকোজকে একত্রিত করতে হবে, কিন্তু সিগারেটের ধোঁয়ায় থাকা কার্বন মনোক্সাইড রক্তের অক্সিজেনের পরিমাণ কমিয়ে দেয়।

ব্যায়াম ও শারীরিক ক্রিয়াকলাপ
আমরা ভাবি, শুয়ে বসে থাকলেই বুঝি শরীর ভালো থাকে। তবে ধারণাটি সঠিক নয়। টেলিভিশন দেখা, কম্পিউটার ব্যবহার ইত্যাদি বসে থাকা কাজ কমিয়ে দিন। প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট ব্যায়াম রাতে ভালো ঘুমাতে সাহায্য করবে। ব্যায়ামে অভ্যস্ত না হলে, স্থূল হলে, ৪০ বছরের বেশি বয়সী হলে কিংবা দীর্ঘস্থায়ী চিকিৎসায় থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যায়াম করুন।

মাদক
অতিরিক্ত অ্যালকোহল সেবন বা বিনোদনের জন্য ড্রাগ ব্যবহার ক্লান্তির জন্য দায়ী। এটি অস্বাস্থ্যকর ও বিপজ্জনক। এটি ছাড়তে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিন।

কর্মক্ষেত্রে সমস্যা
কর্মক্ষেত্রের দ্বন্দ্ব ক্লান্তির একটি কারণ। কাজের সমস্যা সমাধানের জন্য পদক্ষেপ নিন। সমস্যা সমাধানের জন্য সহকর্মী কিংবা মানবসম্পদ অফিসারের সঙ্গে কথা বলুন। আপনার ডেস্কের পাশেই ১০ মিনিট হাটার ব্যাবস্থা রাখুন কিংবা ৫ মিনিট ডিপ ব্রিদিং অনুশীলন করে নিন।

কাউন্সেলিং সেবা
গবেষণায় দেখা গেছে, শতকরা ৫০ থেকে ৮০ ভাগ মানুষের মাঝে ক্লান্তি প্রধাণত মনস্তাত্ত্বিক কারণে হয়। গবেষণায় প্রমাণিত যে কাউন্সেলিং থেরাপি বা জ্ঞানীয় আচরণগত থেরাপি ক্লান্তির বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে।

স্ট্রেস কমানো
স্ট্রেস বা চাপ প্রচুর শক্তি খরচ করে। মনে প্রশান্তি আনে এমন কাজ করার চেষ্টা করুন। হতে পারে জিমে ব্যায়াম করা, ধ্যান, যোগব্যায়াম, গান শোনা, বই পড়া, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা।

জীবনযাত্রার মূল্যায়ন
আপনার জীবনযাত্রা কেমন তা পূণরায় ভাবুন। আপনি কি অপ্রয়োজনীয় চাপের মধ্যে আছেন? আপনার জীবনে কি চলমান সমস্যা আছে যা দীর্ঘস্থায়ী উদ্বেগ বা বিষণ্নতার কারণ? পারিবারিক, কর্মজীবন বা ব্যক্তিগত সমস্যা সমাধানের জন্য পেশাদার পরামর্শ গ্রহণ করুন।

নতুন কিছু করা
আধুনিক জীবনের একটি ত্রুটি হলো নিজেকে আরও উচ্চ অবস্থানে নিয়ে যাওয়ার চাপ ৷ এই ব্যস্ততা মাঝেমাঝে ক্লান্তিকর। আড্ডা দেওয়ার জন্য সপ্তাহে কয়েক ঘণ্টা রাখুন, নতুন কিছু করুন।

প্রাণখুলে হাসুন
হয়তো আপনি কাজের চাপে এতটাই ব্যস্ত যে আপনি মজা করার জন্য পর্যাপ্ত সময় পান না। হাসি অন্যতম সেরা শক্তি বৃদ্ধিকারী। প্রিয়জনের সঙ্গে প্রাণখুলে হাসুন।

মধ্য দুপুরের ক্লান্তি
বেশিরভাগ মানুষ দুপুরের খাবারের পরে তন্দ্রা অনুভব করে। মধ্য-বিকেলের এই শক্তির মাত্রা হ্রাস মস্তিষ্কের সার্কাডিয়ান ছন্দের সঙ্গে যুক্ত। আপনার নিয়ন্ত্রিত জীবনধারাই এ থেকে মুক্তি দিতে পারে।

ছেলেরা বেশি বয়সী নারীর প্রেমে পড়ে ৮ কারণে

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
আশেপাশে তাকালে এমন অনেক দম্পতিরই উদাহরণ মিলবে, যেখানে নারী সঙ্গীটি পুরুষের তুলনায় বয়সে বড়। অনেক সময় পুরুষ কিন্তু বয়সে বড় নারীর প্রেমে পড়ার এই ধারণাটিকে বেশ পছন্দ করে। যেমন, বলিউডের তারকা প্রিয়াঙ্গা চোপড়া ও নিক জোনাস, সাইফ আলী খান ও অমৃতা সিং (সাবেক স্ত্রী), ঐশ্বরিয়া রায় ও অভিষেক বচ্চন।

এখন আর বয়সে বড় নারীর প্রেমে পড়ার বিষয়টি নতুন কিছু নয়। তবে জানেন কি কেন পুরুষ বয়সে বড় নারীর প্রেমে পড়ে? এর পেছনে মনোজগতের কোন কোন বিষয়গুলো কাজ করে? ভারতীয় ওয়েবসাইট পিংকভিলা তাদের এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে এর উত্তর।

  • বয়সে বড় নারী পরিপক্ক ও অভিজ্ঞ। তাদের দৃষ্টিভঙ্গী, ধ্যান-ধারণা গুছানো ও ভারসাম্যপূর্ণ।
  • বিশেষ করে তারা সারাক্ষণই পরচর্চা করতে থাকে না। বয়সে বড় নারী জানে কীভাবে ‘টক্সিক’ ব্যক্তিকে সামলাতে হয়। তারা সারাক্ষণই তাদের হতাশার কথা শুনিয়ে সঙ্গীকে বিরক্ত করে না। তারা খুব পরিপক্বভাবে বিষয়গুলো সামলায়।
  • বেশিরভাগ সময় তারা অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী হয় এবং তাদের আত্মশক্তিও বেশি হয়। এ ধরনের নারী সাধারণত খুব সহজে ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়ে না। কঠিন সময়কে সামলাতে তারা পটু।
  • যৌন অভিজ্ঞতাও এ ক্ষেত্রে একটি বড় বিষয়। স্বভাবতই বয়সে বড় নারীর যৌন অভিজ্ঞতা অন্যদের তুলনায় বেশি। আর এই বিষয়টি পুরুষকে আকৃষ্ট করে।
  • বয়সে বড় নারী বিশ্বাস করে, সে ছাড়াও সঙ্গীর ‘ব্যক্তিগত সময় বা পারসোনাল স্পেস’ রয়েছে। বিষয়টি অনুধাবন করে সে সঙ্গীকে তার মতো ছেড়ে দেয়।
  • বয়সে বড় নারী আবেগীয়ভাবে পরিপক্ক হওয়ার কারণে সম্পর্কের অস্থিতিশীল সময়গুলো চমৎকারভাবে সামলাতে পারে এবং অযথা নাটকে জড়িয়ে সঙ্গীকে বিব্রত করে না।
  • পরিপক্ক নারীর সঙ্গে প্রেম করা মানে প্রতিদিন নতুন কিছু শেখা। পুরুষদের এ বিষয়টিও ভালো লাগে।
  • এ ধরনের নারী স্বামী বা সঙ্গীকে আর্থিকভাবেও সাহায্য করে। এটা কখনো কখনো ছেলেটির জন্য বেশ সুবিধার বিষয় হয়।

বৃষ্টির পানিতে চুল ভিজলে ৬ কাজ অবশ্যই করুন

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

বৃষ্টি-বিলাস কার না ভালো লাগে? তবে বৃষ্টির পানি লাগলে চুল ফ্রিজি বা কুঞ্চিত হয়ে পড়ে। এ ছাড়া মাথার ত্বকেও দেখা দিতে পারে জটিলতা। চুলে বৃষ্টির পানি লাগলে করণীয় বিষয়ে জানিয়েছে জীবনধারা বিষয়ক ওয়েবসাইট স্কিনক্র্যাফ্ট।

# চুল ভিজে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সাধারণ পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
# মোটা দাঁতের চিরুনি দিয়ে চুল কয়েকটি ভাগে ভাগ করে আচড়ান।
# চুল সম্পূর্ণ না শুকালে বাইরে যাবেন না।
# বৃষ্টির দিনে চুল একটু বেশিই ভঙ্গুর হয়। তাই এ সময় চুলের যত্নে হালকা কোনো ব্র্যান্ডের হারবাল শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার ব্যবহার করতে পারেন।
# এ সময় চুলের যত্নে হেয়ার মাস্ক ব্যবহার করুন।
# এ ছাড়া চুলের যত্নে নারকেল তেলের মধ্যে ভিটামিন ই ক্যাপ ক্যাপসুল দিয়েও লাগাতে পারেন। এটি চুল মসৃণ ও সুন্দর হতে সাহায্য করে।

উজ্জ্বলা ও জয়িতা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বিউটিফিকেশ প্রশিক্ষণ

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
শেষ হলো উজ্জ্বলা ও জয়িতা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত ‘বিউটিফিকেশন এবং বিউটি পার্লার পরিচালনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ’। গত ৬ই মে থেকে শুরু হওয়া ১০ দিনের প্রশিক্ষণ প্রকল্পে ২০ জন নারী অংশ নেয়।

প্রশিক্ষণ প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, জয়িতা ফাউন্ডেশনের সক্ষমতা বিনির্মাণ প্রকল্পের মহা ব্যবস্থাপক (উপসচিব) জনাব নিপুল কান্তি বালা ও প্রকল্প পরিচালক (উপসচিব) শেখ মুহাম্মদ রেফাত আলী। প্রথম দিন ক্লাস নেন সেলেব্রেটি মেকআপ আর্টিস্ট ও উজ্জ্বলার সহ প্রতিষ্ঠাতা আফরোজা পারভীন।

ছবি : উজ্জ্বলা

এই প্রশিক্ষণের ধারাবাহিকতায় উজ্জ্বলা এবার দেশের ৪টি জেলায় ৫টি প্রশিক্ষণ প্রকল্প পরিচালনার সুযোগ পেয়েছে। প্রতিটি প্রকল্পে ২০ জন নারী প্রশিক্ষণ গ্রহণের সুযোগ পাবে।

ময়মনসিংহ – ২০ মে থেকে ৩০ মে
চট্টগ্রাম – ২৩ মে থেকে ৩ জুন (১ম পর্ব)
চুয়াডাঙ্গা – ২৭ মে থেকে ৬ জুন
রাজশাহী – ৩১ মে থেকে ১১ জুন
চট্টগ্রাম – ১৭ জুন থেকে ২৭ জুন (২য় পর্ব)

ছবি : উজ্জ্বলা

কোর্স সংক্রান্ত যেকোনো বিষয় বিস্তারিত জানতে মেসেজ করুন উজ্জ্বলার ফেইসবুক পেইজে অথবা কল করুন ০১৩২৪৭৩৪১৫৭ নম্বরে।

https://www.facebook.com/Ujjwala

BDhttps://www.instagram.com/UjjwalaBD/

বিষণ্ণতা ও উদ্বেগ কেন ক্লান্তি বাড়ায়?

ফারজানা ফাতেমা (রুমী)

‘ক্লান্তি’ এমন একটি শব্দ, যা শক্তির অভাবের সামগ্রিক অনুভূতি। সারাদিনের কাজের শেষে আমরা ক্লান্তি অনুভব করি। আর সেটা খুব স্বাভাবিক ব্যাপার। তবে এই ক্লান্তি ও ফ্যাটিগ (Fatigue) বা অবসাদ এক বিষয় নয়। ফ্যাটিগ বা দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তি হলো- শক্তির অভাবের অনুভূতি, যা বিশ্রাম করলে, ঘুমালে, পুষ্টিকর খাবার খেলেও দূর হয় না।

ক্লান্তি কখন সমস্যা

ক্লান্তি একজন ব্যক্তিকে স্বাভাবিকভাবে প্রতিদিনের কাজ করতে বাধা দেয়। এটি এক মাস বা তার কম থেকে ছয় মাস বা এর বেশি সময় স্থায়ী হতে পারে। যখন প্রায় ১৫ দিন বা ২ সপ্তাহ এরকম ক্লান্তির কারণে স্বাভাবিক জীবনের কাজ ব্যাহত হয়, তখন অবশ্যই এটি একটি সমস্যা এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

ক্লান্তি উপসর্গ, তবে রোগ নয়

মনে রাখতে হবে, এটি বিভিন্ন রোগের উপসর্গ এবং এটি রোগ নয়। প্রায়শই, ক্লান্তির উপসর্গটি ধীরে ধীরে শুরু হয় এবং ব্যক্তি তা বুঝতে পারেন আগে কাজ করার ক্ষমতার সঙ্গে তুলনা করে। অনেকে ভাবেন বয়স বাড়ছে তাই এমন হচ্ছে। এর মাত্রা হালকা থেকে তীব্র হতে পারে।

উদ্বেগ ও ক্লান্তি

উদ্বেগের কারণে হতে পারে ক্লান্তি। এই ধরনের ক্লান্তি উদ্বেগ, প্যানিক ডিসঅর্ডার, দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপের সঙ্গে যুক্ত। দীর্ঘস্থায়ী দুশ্চিন্তা, খারাপ কিছুর আশংকা শরীর ও মনে উত্তেজনা সৃষ্টি করে। বাড়ি কিংবা কর্মক্ষেত্রে প্রতিদিন সকল কাজ সূক্ষ্মভারে যথাযথ সময়ে শেষ করতে হবে, এমন অতিরিক্ত ব্যস্ততা, বিশ্রাম নেওয়া না হলে মানসিক এবং শারীরিক ক্লান্তি শুরু হতে পারে।

বিষণ্ণতা ও ক্লান্তি
একজন ব্যক্তি দীর্ঘ সময়ের জন্য কষ্টে থাকে, আশাহীন বোধ করে তখন তার মধ্যে বিষণ্ণতার ঝুঁকি বাড়ে। যারা বিষণ্নতায় ভোগে তাদের প্রায়ই ঘুমের সমস্যা হয়। তারা খুব বেশি ঘুমাতে পারে বা একেবারেই ঘুমাতে পারে না। এ থেকে ক্লান্তি বাড়ে।

শারীরিক কোনো অসুস্থতা ছাড়াই ক্লান্তিজনিত সমস্যায় ভোগার ক্ষেত্রে কিছু উপসর্গ দেখা দিতে পারে। এ ক্ষেত্রে ব্যক্তিদের তিনটি প্রাথমিক অভিযোগ থাকে। তবে আগে নিশ্চিত হতে হবে যে কোনো শারীরিক অসুস্থতা রয়েছে কি না।

১. অনুপ্রেরণার অভাব বা কাজ শুরু করতে সমস্যা, শরীর ভারী অনুভব করা

২. কাজ শুরু করার অল্প সময়েই সহজে ক্লান্ত হওয়া

৩. একাগ্রতা ও মনোযোগ নিয়ে কোনো কাজ শুরু বা সম্পন্ন করতে না পারা

লেখক : মনোবিজ্ঞানী

মায়ের জন্য চিঠি

ডা. মমতাজ রহমান

মা, তোমায় নিয়ে লিখতে গেলে, দুচোখ বেয়ে নিমেষে জল গড়িয়ে পড়ে। কত বছর ‘মা’ ডাকতে পারি না। পিপাসিত ব্যথাভরা হৃদয় আমার অনাথ আশ্রয়হীন। প্রচণ্ড ঝড়ে ডানাভাঙা পাখিটির মতো এই ডাল থেকে ওই ডালে আশ্রয় খুঁজে। আর যে ডালে পা রাখি, সেই ডালটি ভেঙ্গে যায়।

তোমার বুকের মানিকটি পথে হারিয়ে আজ কাঁদছে। শুধু একবার বুকে জড়িয়ে নাও, মা। এভাবে আমার পৃথিবীকে অন্ধকার করে তুমি চলে গেলে, কে দেবে ফিরিয়ে আমার জীবনের আলো?

আমি তো তোমায় নিয়ে লিখতে চাইনি কবিতা। অশান্ত হৃদয়ে পাথর চাপা দিয়ে তৃষিত চাতকির মতো শুধু এদিকে-ওদিকে একটু আশ্রয় খুঁজেছিলাম। ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে ছিলাম। হঠাৎ কে আমার ঘুম ভাঙালো? আবার এই রক্তমাখা বুকে আগুণ জ্বালালো?

তুমি বিনা আমার পৃথিবী রংহীন। শুধু তোমার চরণ যুগলে একটু ঠাই চাই মা। পৃথিবীর সব কাগজ আর কালি আনলেও যে হবে না শেষ আমার এ লেখা। এক পৃথিবী ভলোবাসা যে মায়ের পায়ের নিচে, সেই মাকে আমি কেমন করে ভুলে থাকবো বলো?

রত্নগর্ভা বলতো তোমায় সকলে। বুকভরা স্বপ্ন নিয়ে তাইতো সুদূর রাশিয়ার পথে পাড়ি জমালাম তোমার আশীষ নিয়ে। বঞ্চিত বুকের কষ্টগুলোকেও বরফচাপা দিয়ে এসেছি। বলিনি কোনোদিন, তুমি কষ্ট পাবে তাই।

তোমার জঠরে থেকে যে আমি মর্টার আর মেশিন গানের তাণ্ডবলীলা শুনেছি মা। আর, তুমি তখন হায়নাদের হাত থেকে তোমার আর আমার প্রাণ বাঁচানো নিয়ে ছুটছো নিরন্তর। গণমানুষের বিভিষিকাময় সে তাণ্ডবলীলার মাঝে বিভৎস আর বোবাকান্না যে আমিও শুনেছি মা। বাবা আমাদের প্রাণ বাচাতে যুদ্ধরত। আর, বলেছিল যুদ্ধ করবে, শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত। যখন দেশ স্বাধীন হলো, জন্মদিলে, চিরদুখিনীকে কোলে তুলে দিয়ে বাবাকে বললে, ‘তোমার মানিক, তোমায় দিলাম।’

তোমাদের প্রথম ভালোবাসা, সেই আমি, তোমাদের অনেক সাধনার ধন। কিছুই দিতে পারিনি মা গো। তোমার একধার দুধ আর একফোঁটা ঘামের মূল্য দেবার সাধ্য কি রয়েছে আমার? আর যে পারছি না লিখতে বুক ফেটে যায়। তোমার চিরবিদায়ের ছবিখানি মোর কলমের পথ করেছে রূদ্ধ।

বুকের রক্তে লিখলাম তোমায় নিয়ে। ভলো থেকো আমার জননী তুমি ওপারেতে। চলে গেছো আমায় ছেড়ে।
নিষ্ঠুর পৃথিবীর বুকে ভালোবাসার যে বড়ই অভাব মা গো, ওগো মা, মা, মা।

লেখক :
কনসালটেন্ট সনোলজিস্ট,
ল্যাব এইড ক্যান্সার হসপিটাল এন্ড সুপার স্পেশালিটি সেন্টার।

বিউটি আর্টিস্ট হয়ে নিজের পায়ে দাঁড়িয়েছি

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

‘আমার কাজ দেখে যখন একজন মানুষ আস্থা পায় এবং প্রসংশা করে, তখন মনে হয়, পেরেছি ও পারছি। আমি জীবনে নিজের পায়ে দাঁড়াতে চেয়েছিলাম, প্রতিষ্ঠিত হতে চেয়েছিলাম। তবে একজন নারী হিসেবে অনেক সময় চাকরি- সন্তান একসঙ্গে সামলানো কঠিন। তাই এই ব্যাবসাটি আমাকে দুটো সমানভাবে করতেই সাহায্য করেছে’- কথাগুলো বলছিলেন বিউটি আর্টিস্ট মাহবুবা আক্তার রুনি।

উজ্জ্বলার সহ প্রতিষ্ঠাতা আফরোজা পারভীনের সঙ্গে মাহবুবা আক্তার। ছবি : সংগৃহীত
উজ্জ্বলার সহ প্রতিষ্ঠাতা আফরোজা পারভীনের সঙ্গে মাহবুবা আক্তার। ছবি : সংগৃহীত

মাহবুবা আক্তার রুনি বউটি আর্টিস্ট প্রশিক্ষণ কেন্দ্র উজ্জ্বলা থেকে কোর্স কমপ্লিট করে দিনাজপুর শহরে একটি স্যালন খুলেছেন। প্রথম মাসেই বেশ ভালো ইনকাম হয় তার। মাহবুবা বলেন, ‘আমি একটি বেসরকারি স্কুলের শিক্ষক ছিলাম। তবে কিছু জটিলতার কারণে সেই চাকরি আর করা হয়ে উঠেনি। তখন মনে হলো, কী করা যায়, যেটি থেকে আয় হবে। এ সময় ফেসবুকে উজ্জ্বলার পেজ দেখলাম। উজ্জ্বলায় যোগাযোগ করলাম। আর ছোটবেলা থেকে যেহেতু আমার মেকআপের প্রতি একটি ঝোঁক ছিল, তাই মনে হলো এই কাজটি করতে পারবো।’

উজ্জ্বলার ফ্যাকাল্টি সোনিয়া খানের সঙ্গে মাহবুবা আক্তার। ছবি : সংগৃহীত
উজ্জ্বলার ফ্যাকাল্টি সোনিয়া খানের সঙ্গে মাহবুবা আক্তার। ছবি : সংগৃহীত

উজ্জ্বলার সবচেয়ে বড় সুবিধা ছিল, এখানে হোস্টেল রয়েছে। আমি দিনাজপুর থেকে এসে হোস্টেলে থেকে কোর্সগুলো করেছি। জায়গাটি নিরাপদ। তাই আমার পরিবার থেকেও সম্মতি দেয়- জানান মাহবুবা আক্তার।

উজ্জ্বলাতে ২০২২ সাল থেকে কোর্স করা শুরু করেন মাহবুবা। কোর্সের ফাঁকে ফাঁকেই ফ্রি ল্যান্সিং করেও আয় করতেন তিনি। বলেন, ‘উজ্জ্বলা খুব সুন্দর করে বেসিক নলেজটা দেয়। আমাকে স্বাবলম্বী ও উদ্যোক্তা করার পেছনে উজ্জ্বলার ভূমিকা এ টু জেড।’

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

ভবিষ্যতে মাহবুবা আক্তার চান, যেই সার্ভিসগুলো এখনো তার শহরে আসেনি, সেগুলো তার পার্লারে শুরু করতে।

বি : দ্র : বাংলাদেশের বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিং ইন্ডাস্ট্রিতে উদ্যোক্তা তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে উজ্জ্বলা লিমিটেড। উজ্জ্বলায় প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এবং সংগ্রাম করে সাফল্য অর্জন করেছেন, এমন কয়েকজন নারী ও পুরুষের সাক্ষাৎকার নিয়ে সাতকাহনের ধারাবাহিক পর্ব চলছে। এই পর্বটি ছিলো ৬০তম। উজ্জ্বলা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন :

https://www.facebook.com/UjjwalaBD

https://www.instagram.com/UjjwalaBD/

ফোন : ০১৩২৪৭৩৪১৫৭

- Advertisement -
সাতকাহন
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.