Sunday, September 27, 2026
spot_img
Home Blog Page 76

পুজোর আগেই নিন ত্বকের যত্ন

সুপ্রীতি গোস্বামী

মেঘলা আকাশ, নদীর ধারে কাশফুলের সারি, দোকানে দোকানে জমে উঠেছে ভিড়- বোঝা যাচ্ছে পুজোর আর বেশি দেরি নেই। এই সময় কেনা-কাটার প্রস্তুতিতে প্রায়ই নিজের যত্নের বিষয়টি অবহেলিত থেকে যায়।

দেখা যায়, পুজোর আগেরদিন কোনো মতে পার্লারে গিয়ে একটা ফেসিয়াল বা স্পা করে নিজেকে এক প্রকার সান্ত্বনা দেওয়া হয়। তবে, এতে কি আসলেই যত্নটা ঠিকঠাক মতো হয়? মোটেও না। তাই চলুন জেনে নিই, পুজোর আগে ত্বকের যত্নের কিছু ঘরোয়া উপায়।

মুুখের ত্বকের যত্ন

  • ফল যেমন দেহের অভ্যন্তরে গিয়ে কাজ করে, তেমনি ত্বকের বাহিরের আবরণেরও কাজ করে। শুষ্ক ব্রণহীন ত্বকের উজ্জ্বলতা ফেরাতে, এক ইঞ্চি আপেল, এক চামচের চার ভাগের একভাগ মিষ্টি দই, এক ইঞ্চি কলা, এক ইঞ্চি পাঁকা পেঁপে এবং এক চামচ মুগ ডালের বেসন একসঙ্গে মিশিয়ে ১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে তিনদিন এই পদ্ধতি অনুসরণ করুন। ত্বকের উজ্জ্বলতা ফিরবে।
  • তৈলাক্ত ত্বকেও এই প্যাক ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে ব্রণ থাকলে, শুধু দুধের পরিমাণ কমিয়ে, কমলার রস ব্যবহার করতে হবে।
  • ব্রণযুক্ত ত্বকে উজ্জ্বলতা ফেরাতে চন্দন ও বাসায় শুকানো কাঁচা হলুদই মহৌষধ। বাজারে খোলা চন্দন গুঁড়া না ব্যবহার করে, চন্দন কাঠ পাটায় ঘসে তার সঙ্গে বাসায় তৈরি করা এক চিমটি হলুদ গুঁড়া মিশিয়ে, মুখে লাগিয়ে রেখে শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। প্রতিদিন রাতে ব্যবহার করলে ব্রণ কমবে এবং ত্বকে উজ্জ্বলতা ফিরবে। কারণ, হলুদ ও চন্দন দুটোই অ্যান্টিসেপটিক উপাদান ৷

হাত-পায়ের যত্ন

পা কোমল রাখা নিয়ে সবাই কম-বেশি চিন্তিত থাকেন। অল্প একটু সময় ব্যয় করলে এই সমস্যা থেকে চটজলদি মুক্তি পাওয়া যাবে এবং পূজার আগেই ফিরে আসবে হাত-পায়ের কোমলতা।

যা যা প্রয়োজন- হাফ কাপ দুধ, এক চামচ কমলার খোসা বাটা, সামান্য কাঁচা হলুদ, চার থেকে পাঁচ ফোঁটা লেবুর রস, এক চা চামচ গোলাপ পাপড়ি গুঁড়া, তিন থেকে চারটি জাফরান, পাঁচ থেকে ছয় চা চামচ মুগডালের বেসন, দুই চা চামচ টক দই।

সব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে রেখে দিতে হবে ৩০ মিনিট। একটা বিষয় মনে রাখতে হবে, এই মিশ্রণে কোনো রকম পানি মেশানো যাবে না; দুধ দিয়েই মেশাতে হবে। গোসলের আগে এই মিশ্রণ দিয়ে ১০ থেকে ১৫ মিনিট ম্যাসাজ করে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে তিন দিন এই পদ্ধতি অণুসরণ করলে ভালো। তবে প্রতিদিন করলে আরও ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে। এটা বানিয়ে এয়ার টাইট কন্টেনারে সাত দিন সংরক্ষণ করতে পারবেন।

বাড়তি পরামর্শ

• দিনে আট থেকে ১০ গ্লাস পানি পান করুন।
• ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ খাবার খাদ্যতালিকায় রাখুন।
• পর্যাপ্ত পরিমাণে সবুজ শাক- সবজি খেতে হবে।
• রোদে গেলে ছাতা বা সানব্লক ব্যবহার করুন।
• ক্ষারযুক্ত সাবান বা ফেসওয়াশ কম ব্যবহার করতে হবে।
• ভেজা চুল বেঁধে রাখবেন না।
• বাহির থেকে এসে অবশ্যই চুল ও ত্বক পরিষ্কার করবেন ৷

লেখক : রূপ বিশেষজ্ঞ

উজ্জ্বলার প্রেরণায় স্বাবলম্বী হয়েছি

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

মেকআপের বিষয়টি শুরু থেকে অপছন্দ ছিল সারমিন আলমের পরিবারের। বিশেষ করে মা ভাবতেন মেয়ে মেকআপ আর্টিস্ট হলে আত্মীয়-স্বজন কী বলবে ! তবে স্বামী খুব সহযোগিতা করেছিল বিউটি আর্টিস্ট হয়ে উঠতে।

পরে যখন পরিবারের মানুষ দেখলেন দূর-দূরান্ত থেকে অনেকেই সারমিনের কাছে বউ সাজতে আসছেন এবং তার প্রশংসা করছেন, পাশাপাশি সে আয়ও করছে, তখন বিষয়টিকে স্বাভাবিকভাবে নেওয়া শুরু করে।

‘ প্রথমে আমার কাজটিকে কেউ পছন্দ করছিল না। সমাজে বিউটিফিকেশন যে একটি চমৎকার পেশা হতে পারে এবং এটিও যে নারীকে স্বাবলম্বী করে একটি ভালো আয়ের উৎস হয়ে উঠতে পারে, সেটি পরিবারকে বোঝাতে আমার অনেক সময় লাগে ‘, বলছিলেন সারমিন।

সারমিন আলম। ছবি : সংগৃহীত
সারমিন আলম। ছবি : সংগৃহীত

করোনার লক ডাউনের সময় একদম বাসায় বসা ছিলাম। তখন ফেসবুকে একটি পেইজ খুলি। এরপর একটু একটু করে মেকআপ প্র্যাকটিস করতাম, ভিডিও আপলোড করি। এভাবেই কাজ শুরু করা এবং বিউটিফিকেশনকে সম্পূর্ণ পেশা হিসেবে নেওয়া, জানান তিনি।

২০১৯ সালে বরিশালে একটি ক্লাস করা হয় উজ্জ্বলার। সেখানে প্রথম ক্লাস করি। এটি ছিল বউ সাজানোর ওপর। উজ্জ্বলার প্রতিষ্ঠাতা আফরোজা পারভীন ম্যামকে সবসময় টিভিতে দেখেছি। তার কাছ থেকে শেখার আগ্রহ ছিল জানিয়ে সারমিন আলম বলেন, ‘ সেই ক্লাসটি করার পর উজ্জ্বলা ও আফরোজা পারভীন ম্যামকে আরো ভালোভাবে জানি। ২০২৩ সালে বরিশালে জয়িতা ফাউন্ডেশন ও উজ্জ্বলার যৌথ উদ্যোগে ১০ দিনের একটি কোর্স হয়, সেটায় অংশ নেই। এটি খুব কাজে লেগেছে। বর্তমানে বাড়িতেই একটি মেকআপের স্টুডিও দিয়েছি। বর্তমানে এখানে কেবল বউ সাজিচ্ছি। আয় খারাপ না।’

ক্যাপশন : উজ্জ্বলার সহ প্রতিষ্ঠাতা আফরোজা পারভীনের সঙ্গে সারমিন আলম। ছবি : সংগৃহীত
ক্যাপশন : উজ্জ্বলার সহ প্রতিষ্ঠাতা আফরোজা পারভীনের সঙ্গে সারমিন আলম। ছবি : সংগৃহীত

উজ্জ্বলা জীবনকে বদলে দিতে সাহায্য করেছে। উজ্জ্বলার প্রেরণাতে আজ স্বাবলম্বী হতে পেরেছি। ভবিষ্যতে নিজের স্টুডিওকে আরো বড় করবো, বলেন সারমিন।

বি : দ্র : বাংলাদেশের বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিং ইন্ডাস্ট্রিতে উদ্যোক্তা তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে উজ্জ্বলা লিমিটেড। উজ্জ্বলায় প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এবং সংগ্রাম করে সাফল্য অর্জন করেছেন, এমন কয়েকজন নারী ও পুরুষের সাক্ষাৎকার নিয়ে সাতকাহনের ধারাবাহিক পর্ব চলছে। এই পর্বটি ছিলো ৭২তম। উজ্জ্বলা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন :

https://www.facebook.com/UjjwalaBD

https://www.instagram.com/UjjwalaBD/

ফোন : ০১৩২৪৭৩৪১৫৭

নিজে স্বাবলম্বী হয়েছি, পরিবারকেও সাহায্য করছি

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

পরিবারের সব সময় এমন একটি বিষয় ছিল যে, পুরুষ সব কাজ করতে পারে। নারী পারে না। নারীর কাজ কেবল ঘর-গৃহস্থালী সামলানো। পরিবারের এই ভাবনাটি একজন মেয়ে হিসেবে রাবেয়া আক্তার পরশ মণিকে খুব আহত করতো। প্রতিনিয়ত ভাবতো কীভাবে স্বাবলম্বী হওয়া যায়, উচ্চ শিক্ষিত হয়ে নিজের পায়ে দাঁড়ানো যায় এবং পরিবারকেও সাহায্য করা যায়।

এই ভাবনা থেকেই বি বি এ পড়ার পাশাপাশি উজ্জ্বলা ও জয়িতা ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে বরিশালে বিউটিফিকেশনের ওপর একটি কোর্সে অংশ নেয় সে। সেখান থেকে ১০ দিনের প্রশিক্ষণ থেকে বর্তমানে বাড়িতে একটি ঘরে নিজেই একটি স্যালন খুলেছে। আয়ও হচ্ছে ভালোই। স্বাবলম্বী তো হচ্ছেই, পাশাপাশি হয়ে উঠছেন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা।

‘সবসময় ভাবতাম আমাকে এগিয়ে যেতে হবে। করোনার সময় লেখাপড়ায় দুই বছরের বিরতি পড়ে। পরীক্ষা হচ্ছিল না। খুব বিষণ্ণ হয়ে পড়েছিলাম। মনে হচ্ছিল এমন কী করা যায়, যাতে অর্থ উপার্জন করতে পারি। তখনই ভাবলাম সাজাতে পছন্দ করি আমি। তাহলে একেই পেশা হিসেবে গ্রহণ করি’- বলছিলেন পরশ মণি।

‘উজ্জ্বলা সম্পর্কে আগে থেকে জানলেও কখনো সৌভাগ্য হয়নি এখানে কোর্স করার। ২০২৩ সালেই প্রথম এখানে কোর্স করা। উজ্জ্বলার সহ প্রতিষ্ঠাতা আফরোজা পারভীন ম্যামের কাজ টেলিভিশনে দেখতাম। পত্র-পত্রিকায় পড়তাম। তার ফেসবুক পেইজ থেকেই প্রথমে উজ্জ্বলা সম্পর্কে জানা’ বলেন পরশ মণি।

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

উজ্জ্বলা আমার জীবনকে পুরোপুরি বদলে দিয়েছে জানিয়ে পরশ মণি বলেন, ‘এখান থেকে কোর্স করার আগে আমি ভাবতে পারছিলাম না, কী করবো, কীভাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করবো। উজ্জ্বলা থেকে কোর্স করার পর আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয়ে ভালোভাবে জানতে পেরেছি এবং কাজের বিষটিতেও আমি আত্মবিশ্বাসী হয়েছি; স্বনির্ভরতার পথে আরো এগিয়ে যাচ্ছি।’

‘আমার পরিবার আমার মাথার ভেতর ঢুকিয়ে দিয়েছিল যে মেয়েরা কিছুই পারবে না। এতে আমি অনেক কষ্ট পাচ্ছিলাম। তবে এই কোর্সটির পর আমি বুঝতে পারি, নারী নিজেকে প্রমাণ করতে পারে, আয় করতে পারে। এটি বোঝার পর আমার মনে হয়েছে, আমি টাকা আয় করবো। পরিবারকে সহযোগিতা করবো। ভবিষ্যতে নিজের স্যালনটা বড় করতে চাই। বিউটিফিকেশনে আরো কিছু কোর্স করে মানুষকে ভালোভাবে সেবা দেওয়া আমার আশা।’

বি : দ্র : বাংলাদেশের বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিং ইন্ডাস্ট্রিতে উদ্যোক্তা তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে উজ্জ্বলা লিমিটেড। উজ্জ্বলায় প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এবং সংগ্রাম করে সাফল্য অর্জন করেছেন, এমন কয়েকজন নারী ও পুরুষের সাক্ষাৎকার নিয়ে সাতকাহনের ধারাবাহিক পর্ব চলছে। এই পর্বটি ছিলো ৭১তম। উজ্জ্বলা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন :

https://www.facebook.com/UjjwalaBD

https://www.instagram.com/UjjwalaBD/

ফোন : ০১৩২৪৭৩৪১৫৭

নারী উদ্যোগ কেন্দ্রের ক্যানসার নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির উদ্বোধন

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

নারী উদ্যোগ কেন্দ্রের ‘নারীদের ক্যানসার নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচী’ (Women’s Cancer Control Program) এর উদ্বোধন হয়েছে। গতকাল, ৭ অক্টোবর ঢাকায় নারী উদ্যোগ কেন্দ্রের কার্যালয়ে এই উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী পরিচালক মাশহুদা খাতুন শেফালী’র সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন নারী স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. হালিদা হানুম আখতার ও ক্যানসার রোগতত্ত্ববিদ, জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইন্সটিটিউট ও হাসপাতালের ক্যানসার এপিডেমিওলোজি বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান ও নারী উদ্যোগ কেন্দ্রের উইমেন্স ক্যানসার কন্ট্রোল প্রোগ্রামের পরামর্শক অধ্যাপক ডা. মো. হাবিবুল্লাহ তালুকদার রাসকিন। আলোচনায় অংশ নেন বিশিষ্ট সাংবাদিক হামিম কবির, নাসরিন সুলতানা, জান্নাতুল ফেরদৌসী মানু, ইয়াসমিন পিউ, ইসমত জেরিন স্মিতা ও কমিউনিটি অনকোলজি সেন্টার ট্রাস্টের চেয়ারম্যান মোসাররত সৌরভ, সেক্রেটারি ইকবাল মাহমুদ, উন্নয়ন ধারা’র নির্বাহী পরিচালক মাহবুব শওকত এবং নারী উন্নয়ন কেন্দ্রের নির্বাহী পরিষদের সদস্যগণ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে নির্বাহী পরিচালক মাশহুদা খাতুন শেফালী সংগঠনের প্রতিষ্ঠাকাল, তিন দশকের কার্যক্রম ও নারীদের ক্যানসার নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির বিভিন্ন দিক ও কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করেন। তিনি জানান, নারী উদ্যোগ কেন্দ্র (নউক) একটি বেসরকারি নারী উন্নয়ন সহযোগী সংগঠন। সমাজের সর্বস্তরে নারীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা সহ নারী-পুরুষের সমতা ও গ্রামীণ দরিদ্র নারী জনগোষ্ঠির দারিদ্রতা বিমোচন তথা নারীর মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৯১ সাল থেকে প্রতিষ্ঠানটি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। নারীর ক্ষমতায়ন এর লক্ষ্যে যুব নারী নেতৃত্ব গঠন, বাল্যবিবাহ বন্ধ, নারীর প্রতি যে কোনো ধরনের সহিংসতা রোধ ও নারীর নিরাপদ স্বাস্থ্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পরিচালিত অন্যান্য কর্মসূচির পাশাপাশি নারী উদ্যোগ কেন্দ্র (নউক) এর ‘উইমেনস ক্যান্সার কন্ট্রোল প্রোগ্রাম’ নামে একটি বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে ।
কর্মসূচির আওতায় জাতীয়, আঞ্চলিক ও সামাজিক পর্যায়ে স্তন ও জরায়ুমুখের ক্যানসার প্রতিরোধে জনসচেতনতা, প্রাথমিক অবস্থায় ক্যানসার নির্ণয় ও চিকিৎসা বিষয়ক দিক-নির্দেশনা প্রদান করা হবে। জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কর্মস্থল ও সমাজভিত্তিক কার্যক্রমও পরিচালনা করা হবে। উক্ত কার্যক্রমটি প্রাথমিকভাবে কিশোরগঞ্জ জেলার ১৩টি উপজেলায় পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে।

কিশোরগঞ্জ জেলা শহর, পাকুন্দিয়া উপজেলার এগারসিন্দুর ইউনিয়ন ও ঢাকার সাভারে অবস্থিত মোট তিনটি স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সমাজভিত্তিক ক্যান্সার সেবা চালু করা হবে। টেলিমেডিসিনের সহায়তায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শ নেয়ার ব্যবস্থাও থাকবে।

অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ডা. হাবিবুল্লাহ তালুকদার নারীদের ক্যানসার নিয়ন্ত্রণে বিশেষ কার্যক্রমের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করেন। বিশেষ করে গ্রামীণ নারীদের অসচেতনতা ও সঙ্কোচবোধের কারণে ক্যান্সার অনেক দেরীতে ধরা পড়ে। ফলে চিকিৎসায় কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যায় না। সমাজভিত্তিক ক্যান্সার সেবা এর উত্তরণ ঘটাতে পারে। তিনি জানান, নারী উদ্যোগ কেন্দ্রের দীর্ঘ দিনের অভিজ্ঞতা আছে সমাজভিত্তিক চক্ষু সেবা প্রদানের। সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে সমাজভিত্তিক ক্যানসার সেবার বাস্তব প্রয়োগে একটি দিশারী ভূমিকা পালন করতে পারে।

অধ্যাপক ডা. হাবিবুল্লাহ তালুকদার আরও জানান, দুঃখজনক হলেও সত্য, দেশে কোন সংগঠিত ক্যান্সার স্ক্রিনিং কর্মসূচী নেই। অপরচুনিস্টিক বা অসংগঠিত স্ক্রিনিং চালু আছে সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের হাসপাতালে শুধু জরায়ুমুখের ক্যান্সারের জন্য। নারী উদ্যোগ কেন্দ্রের পক্ষ থেকে কিশোরগঞ্জের জেলার পাকুন্দিয়া উপজেলায় স্তন, জরায়ুমুখ ও মুখগহ্বরের ক্যান্সারের একটি সমন্বিত ও সংগঠিত স্ক্রিনিয়ের একটি পাইলট প্রকল্প চালু করা হচ্ছে।

ড. হালিদা হানুম আক্তার বলেন, নারীর ক্যানসারের পাশাপাশি পুরুষদের ক্যানসার নিয়েও কথা বলতে হবে, যাতে পরিবারের পুরুষ সদস্যরা এটি প্রতিরোধ, নির্ণয় ও চিকিৎসার বিষয়ে সচেতন হয়।

বিউটিফিকেশন শিখে বিয়ের মৌসুমে ঘরে বসেই আয় ৪০ হাজার

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

পার্লারের কাজ করা নিয়ে আত্মীয়-স্বজনের কাছ থেকে বেশ কটু কথা শুনতে হতো বরিশালের মেয়ে হামিদা আফরিন তন্নির। মাঝে মাঝে বিষয়টি ভীষণ মন খারাপ করিয়ে দিত। তবে এই নেতিবাচক কথাগুলো তাকে পিছিয়ে দিতে পারেনি। সেগুলোকে শক্তি হিসেবে ধারণ করে সামনের দিকে এগিয়ে গেছে ও যাচ্ছে সে।

বরিশালে ১০ দিনব্যাপী বাংলাদেশ মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত প্রতিষ্ঠান ‘জয়িতা ফাউন্ডেশন’ ও বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিং সেক্টরের পথ প্রদর্শক উজ্জ্বলার যৌথ উদ্যোগে করা একটি প্রশিক্ষণ করে বর্তমানে বাড়িতেই একটি স্যালন খুলেছে। এখান থেকে প্রতি মাসে আয় হয় প্রায় ১৫ হাজার টাকা। আর বিয়ের মৌসুমে কখনো কখনো এই আয় ৪০ হাজার টাকা ছাড়িয়ে যায়।

নিজের ইচ্ছাকে বাস্তবে রূপান্তর করতে কীভাবে কাজ করছে হামিদা আফরিন তন্নি সেই গল্পই রইল পাঠকদের জন্য।

নিজেকে ও অন্যকে সাজাতে পছন্দ করতাম

বেশিরভাগ নারীই বোধ হয় চায়, নিজেকে সুন্দর করে উপস্থাপন করতে। আমিও চাইতাম নিজেকে সুন্দর করে সাজাতে, উপস্থাপন করতে। একটা সময় মনে হলো, অন্যকেও সাজাই। অনেককেই একদম বিনা পয়সায় সাজিয়েছি। মানুষ আমার কাজ পছন্দ করতো। এক পর্যায়ে মনে হলো, মেকআপের ওপর প্রশিক্ষণ নিই। এতে আমি আরো দক্ষ হয়ে উঠবো। এই ভাবনা থেকেই প্রশিক্ষণ নিয়ে এই পেশায় আসার ইচ্ছা।

ক্যাপশন : উজ্জ্বলার সহ প্রতিষ্ঠাতা আফরোজা পারভীনের সঙ্গে হামিদা আফরিন তন্নি। ছবি : সংগৃহীত
ক্যাপশন : উজ্জ্বলার সহ প্রতিষ্ঠাতা আফরোজা পারভীনের সঙ্গে হামিদা আফরিন তন্নি। ছবি : সংগৃহীত

জানতামই না মেকআপে বেসিক বলে কিছু হয়

আমি প্রায়ই উজ্জ্বলার সহ প্রতিষ্ঠাতা আফরোজা পারভীন ম্যামের বিউটি টিউটোরিয়ালগুলো দেখলাম। পত্র-পত্রিকায় তাকে নিয়ে অনেক লেখা ছাপা হতো, তিনি বাংলাদেশের একজন স্বনামধন্য নারী- এই বিষয়টি আমাকে তাঁর কাছে শেখার বিষয়টিতে খুব আগ্রহী করে তোলে।

এরপর বরিশালে একটি ব্রাইডাল মেকআপের ক্লাসে আমি
প্রথম আফরোজা পারভীন ম্যাম ও বিউটি আর্টিস্ট সোনিয়া খান ম্যামকে দেখতে পাই। তাদের মাধ্যমে উজ্জ্বলাকে আরো ভালোভাবে জানি। তখন আমি জানতাম না মেকআপের বেসিক বলে কিছু থাকে। তারাই বিষয়টি শিখিয়েছিলেন। এরপর জয়িতা ফাউন্ডেশন ও উজ্জ্বলার যৌথ উদ্যোগে হওয়া কোর্সটি করি। প্রথম কোর্স করার পর ফেসবুকে বিউটিবেজ একটি ছোট পেইজ খুলি। তবে পরের ১০ দিনের কোর্সটি থেকে অনেক শিখি এবং স্যালন খোলার সাহস পাই।

ক্যাপশন : উজ্জ্বলার সহ প্রতিষ্ঠাতা আফরোজা পারভীনের সঙ্গে হামিদা আফরিন তন্নি। ছবি : সংগৃহীত
ক্যাপশন : উজ্জ্বলার সহ প্রতিষ্ঠাতা আফরোজা পারভীনের সঙ্গে হামিদা আফরিন তন্নি। ছবি : সংগৃহীত

উজ্জ্বলা যেন জাদুর স্পর্শ

একজন নারীকে স্বাবলম্বী করতে ম্যাজিকেল টাচ বা জাদুর স্পর্শ হলো উজ্জ্বলা। আর এর সঙ্গে জয়িতা ফাউন্ডেশন যুক্ত হয়ে আমাদের আরো এগিয়ে নিয়ে গেল। উজ্জ্বলা তাদের শিক্ষার্থীদের হাত ধরে একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্য পৌঁছে দেওয়ার জন্য কাজ করে।

চাকরির বাজার প্রতিযোগিতামূলক। ব্যবসা করলে ক্ষতি কী?

আমার মনে হয়, চাকরির বাজার প্রতিযোগিতামূলক। এখানে নিজেই একটি মেয়ে স্বনির্ভর হয়ে উঠতে পারলে এবং অন্যকেও সহযোগিতা করতে পারলে, খারাপ কী?

বর্তমানে আমি বরিশাল বিএম কলেজে একাউন্টিং বিভাগে ফোর্থ ইয়ার পড়ছি। যেহেতু ব্যাবসা বিষয় নিয়ে পড়ছি এবং বিউটিফিকেশন প্রশিক্ষণ নিয়ে স্যালন দিয়েছে। তাই ভবিষ্যতে দুটো বিদ্যাকেই কাজে লাগাতে চাই। স্যালনটিকে আরো বড় করাই এখন আমার স্বপ্ন।

বি : দ্র : বাংলাদেশের বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিং ইন্ডাস্ট্রিতে উদ্যোক্তা তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে উজ্জ্বলা লিমিটেড। উজ্জ্বলায় প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এবং সংগ্রাম করে সাফল্য অর্জন করেছেন, এমন কয়েকজন নারী ও পুরুষের সাক্ষাৎকার নিয়ে সাতকাহনের ধারাবাহিক পর্ব চলছে। এই পর্বটি ছিলো ৭০তম। উজ্জ্বলা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন :

https://www.facebook.com/UjjwalaBD

https://www.instagram.com/UjjwalaBD/

ফোন : ০১৩২৪৭৩৪১৫৭

নারীর চরম সুখের ৩ রহস্য

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

নারীর ক্ষেত্রে অরগাজম বা চরম সুখের বিষয়টি কখনো কখনো অধরা রয়ে যায়। প্রায় ২০ শতাংশ নারীর যৌনজীবনে কখনো অরগাজম বা চরম তৃপ্তি আসে না। ৫০ শতাংশ নারী অভিযোগ করে, তারা সহবাসে আরেকটু বেশি চায়। স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট মেডলাইন এর একটি গবেষণার প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।

তবে কিছু কৌশল অবলম্বন করলে এই অধরা বিষয়টি কিন্তু সহজেই ধরা দিতে পারে। নারীর অরগাজমের ৩ কৌশল জানিয়েছে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট এভরি ডে হেলথ।

ফোরপ্লে-তে বেশি সময়
সহবাসের চূড়ান্ত পর্যায়ের আগে সঙ্গীর সঙ্গে খুনসুটি বা ফোরপ্লের বিষয়টি অনেকেই এড়িয়ে যায়। বিশেষ করে ছেলেরা দ্রুতই ক্লাইমেক্সে চলে যেতে চায়। আর এতে কিছু ক্ষেত্রে নারী সঙ্গীর অরগাজমের বিষয়টি অপূর্ণই থাকে।

সহবাসের আগে চুমু খাওয়া, সুগন্ধি কোনা তেল দিয়ে দেহে ম্যাসাজ, নিজেদের মধ্যে দুষ্টুমি বা মজার কোনো গল্প বলা ইত্যাদি ফোরপ্লের কাজ করে।

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

নির্দিষ্ট অঙ্গে স্পর্শ
নারী দেহের কিছু নির্দিষ্ট অঙ্গ রয়েছে যেখানে স্পর্শ করলে তাদের মস্তিষ্কের নার্ভগুলো বেশি উত্তেজিত হয়। এমনই দুটো অঙ্গ হলো, ক্লাইটোরিস ও জি স্পট। এনসাইক্লোপিডিয়া অব সেক্সুয়াল সাইকোলজি অ্যান্ড বিহেইভিয়ার জানিয়েছে এই তথ্য। ক্লাইসোটিস থাকে যোনির ১৫ সেন্টিমিটার বা ৬ ইঞ্চি ভেতরে। যোনির পাঁচ থেকে আট সেন্টিমিটার ভেতরে জি স্পটের অবস্থান।

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

নারীর জন্য সুবিধাজনক অঙ্গবিন্যাস
সেক্সুয়াল পজিশন বা সহবাসের সময় অঙ্গবিন্যাসের বিষয়টিও অরগাজমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে নারী সঙ্গীর জন্য যেই অঙ্গবিন্যাস সুবিধাজনক, সেটি করাই উত্তম। এই ক্ষেত্রে ওমেন অন টপ (Woman on Top), সিটিং (Sitting), মিশনারি ওইথ অ্যা টুইস্ট (Missionary With a Twist) , স্পুনিং (Spooning) ইত্যাদি উপকারী।

দুধে গোসলের ৩ ধাপ

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
কর্মব্যস্ত একটি দিন কাটানোর পর ভালো একটা গোসল প্রশান্তি আনে। আর তা দুধ দিয়ে হলে তো কথাই নেই। স্বস্তির পাশাপাশি, সতেজও লাগবে।

দুধের মধ্যে রয়েছে ল্যাকটিক এসিড। এটি মৃতকোষ দূর করে ত্বককে মসৃণ ও প্রাণবন্ত করে। এ ছাড়া মিল্ক বাথ বা দুধ দিয়ে গোসল ত্বকের জেল্লা বাড়াতেও কার্যকর। এই গোসলের কিছু নিয়ম জানিয়েছে জীবনধারা বিষয়কওয়েবসাইট ফেমিনা।

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

এই গোসলের রয়েছে তিনটি ধাপ। ক্রিম মাখা, স্ক্রাবার ব্যবহার ও গোসল।

১. প্রথমে দুই কাপ কাঁচা দুধের সঙ্গে চারটি লেবুর রস মিশিয়ে দেহে মাখুন।

২. এবার লেবুর খোসা কুচি করে চিনি, দুধ বা ঘিয়ের সঙ্গে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এটি স্ক্রাবার হিসেবে ব্যবহার করতে হবে। গোসলের আগে ২০ থেকে ২৫ মিনিট এটি ব্যবহার করুন।

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

৩. গোসলের জন্য দুধের সঙ্গে লেবুর তেল বা লেমন ওয়েল মিশিয়ে জ্বাল দিন। তবে বেশিক্ষণ দেবেন না। এতে দুধ ফেটে যেতে পারে। স্ক্রাব করা শেষে জ্বাল দেওয়া দুধ মিশ্রিত পানি দিয়ে গোসল করে নিন।

শিল্পা শেঠি দিন শুরু করেন এই ৩ খাবারে

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
‘হেলদি ইটার’ হিসেবে বলিউডের ফিটনেস আইকন শিল্পা শেঠির বেশ সুনাম রয়েছে। খাবারের ভারসাম্য কীভাবে করতে হয় এবং সব খাবার খেয়েও কীভাবে নিজেকে ফিট রাখতে হয়, সেটি যেন তার নখদর্পনে।

সম্প্রতি এক সাক্ষাতকারে এই বলিউড অভিনেত্রী জানান তার সকালের খাবারের ম্যানু। তিনি জানান, সকালে অন্যান্য নাস্তার সঙ্গে তার পাতে থাকে হলুদ, ঘি ও গোল মরিচ। আর এই খাবারগুলো নিয়মিতই খান বাজিগর সিনেমার এই নায়িকা। ভারতীয় ওয়েবসাইট টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে এসব তথ্য।

শিল্পা শেঠি ; ছবি : সংগৃহীত
শিল্পা শেঠি ; ছবি : সংগৃহীত

হলুদে রয়েছে কারকিউমিন। এতে রয়েছে শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি ইনফ্লামেটরি উপাদান। এটি দেহের বিপাককে ভালো রাখতে সাহায্য করে। শিল্পা মনে করেন, এটি তাঁর তারুণ্য ধরে রাখতে বেশ কার্যকরী।

ঘি খাওয়া ভীষণ পছন্দ শিল্পার। গবেষণায় বলা হয়, সকালের নাস্তার আগে এক চা চামচ ঘি খাওয়া দেহের ক্যালসিয়ামের চাহিদার অনেকটাই পূরণ করে। এটি হাড়কে শক্ত রাখে ও ওজন নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে। আর খালিপেটে কাঁচা গোলমরিচ খাওয়া পাকস্থলী থেকে হাইড্রক্লোরিক এডিস বের করতে সাহায্য করে। এটি পেট পরিষ্কার রাখে।

শিল্পা শেঠি ; ছবি : সংগৃহীত
শিল্পা শেঠি ; ছবি : সংগৃহীত

এ ছাড়াও সকালের নাস্তায় তিনি দুধ দিয়ে এক বাটি রান্না করা ওটস খান। সঙ্গে থাকে দুটো ডিম, টোস্ট ও ভেজানো কাঠবাদাম। পাশাপাশি নিয়মিত যোগব্যায়াম করেন এই অভিনেত্রী। আর এগুলোই হলো তাঁর ফিটনেসের রহস্য।

মোবাইল ফোন থেকে কি ব্রেইন টিউমার হয় ?

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

মোবাইল ফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার কি ব্রেইন টিউমার ঘটাতে পারে ?- বর্তমানে সারাবিশ্বেই এ নিয়ে চলছে বিস্তর গবেষণা। গবেষণার ফলাফলে এর সঠিক উত্তর উঠে না আসলেও, এই রেডিয়েশন যে দেহের জন্য ভালো কিছু নয়, এর সঙ্গে একমত হয়েছে বিজ্ঞানীরা।

সাধারণত রেডিয়েশনের দুটো ধরণ পাওয়া যায়। একটি ইনোজিনিক, অপরটি নন-ইনোজিনিক। মোবাইল ফোন থেকে নন-ইনোজিনিক ইলকট্রোমেগনেটিক ফিল্ডস (আরএফ-ইএমএফএস) নির্গত হয়। এটি ইনোজিনিক রেডিয়েশন (যেমন : এক্স রে, গামা রে)-এর চেয়ে কিছুটা কম শক্তির। ইনোজেনিক রেডিয়েশন অণু ও পরমাণুতে শক্তিশালীভাবে থাকা ইলেকট্রনের বন্ধনকে ভেদ করতে পারে। এতে অনেক সময় ডিএনএ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ে।

নন ইনোজেনিক রেডিয়েশনের ডিএনএ ক্ষতি করার মতো শক্তি নেই। তবে আরএফ-ইএমএফএস টিস্যুকে আঘাত করে এবং পরোক্ষভাবে দেহের ক্ষতি করতে পারে। ২০১১ সালে করা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার একটি গবেষণার ফলাফলে বলা হয়, আরএফ-ইএমএফএস সম্ভবত মানুষের দেহের জন্য কারসিনোজেনিক। কোনো পদার্থ কারসিনোজেনিক হলে ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। সরাসরি টিউমারের সঙ্গে এর সম্পর্ক রয়েছে কি না বিষয়টি এখনো বলা যায় না। তবে এর কিছু স্বাস্থ্যঝুঁকি তো রয়েছেই।

বিশ্বের ১৩টি দেশের ওপর করা একটি ইন্টারফোন গবেষণার ফলাফলে দেখা যায়, ব্রেইন টিউমারের দুটো ধরণ গ্লিওমা অথবা মেনিনগিওমা- কোনো ক্ষেত্রে মোবাইলের রেডিয়েশন তেমন প্রভাব ফেলে না। তবে এ নিয়ে পরবর্তী সময়ে আরো গবেষণার অবকাশ রয়েছে।

তাই, মোবাইল ব্যবহারে সতর্ক হওয়ার পরামর্শই দেন বিজ্ঞানীরা। কারণ, টিউমার হোক আর না হোক, দেহের যে কিছু ক্ষতি হয়, তা তো অস্বীকার্য।

- Advertisement -
সাতকাহন
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.