সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
‘হেলদি ইটার’ হিসেবে বলিউডের ফিটনেস আইকন শিল্পা শেঠির বেশ সুনাম রয়েছে। খাবারের ভারসাম্য কীভাবে করতে হয় এবং সব খাবার খেয়েও কীভাবে নিজেকে ফিট রাখতে হয়, সেটি যেন তার নখদর্পনে।
সম্প্রতি এক সাক্ষাতকারে এই বলিউড অভিনেত্রী জানান তার সকালের খাবারের ম্যানু। তিনি জানান, সকালে অন্যান্য নাস্তার সঙ্গে তার পাতে থাকে হলুদ, ঘি ও গোল মরিচ। আর এই খাবারগুলো নিয়মিতই খান বাজিগর সিনেমার এই নায়িকা। ভারতীয় ওয়েবসাইট টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে এসব তথ্য।
শিল্পা শেঠি ; ছবি : সংগৃহীত
হলুদে রয়েছে কারকিউমিন। এতে রয়েছে শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি ইনফ্লামেটরি উপাদান। এটি দেহের বিপাককে ভালো রাখতে সাহায্য করে। শিল্পা মনে করেন, এটি তাঁর তারুণ্য ধরে রাখতে বেশ কার্যকরী।
ঘি খাওয়া ভীষণ পছন্দ শিল্পার। গবেষণায় বলা হয়, সকালের নাস্তার আগে এক চা চামচ ঘি খাওয়া দেহের ক্যালসিয়ামের চাহিদার অনেকটাই পূরণ করে। এটি হাড়কে শক্ত রাখে ও ওজন নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে। আর খালিপেটে কাঁচা গোলমরিচ খাওয়া পাকস্থলী থেকে হাইড্রক্লোরিক এডিস বের করতে সাহায্য করে। এটি পেট পরিষ্কার রাখে।
শিল্পা শেঠি ; ছবি : সংগৃহীত
এ ছাড়াও সকালের নাস্তায় তিনি দুধ দিয়ে এক বাটি রান্না করা ওটস খান। সঙ্গে থাকে দুটো ডিম, টোস্ট ও ভেজানো কাঠবাদাম। পাশাপাশি নিয়মিত যোগব্যায়াম করেন এই অভিনেত্রী। আর এগুলোই হলো তাঁর ফিটনেসের রহস্য।
মোবাইল ফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার কি ব্রেইন টিউমার ঘটাতে পারে ?- বর্তমানে সারাবিশ্বেই এ নিয়ে চলছে বিস্তর গবেষণা। গবেষণার ফলাফলে এর সঠিক উত্তর উঠে না আসলেও, এই রেডিয়েশন যে দেহের জন্য ভালো কিছু নয়, এর সঙ্গে একমত হয়েছে বিজ্ঞানীরা।
সাধারণত রেডিয়েশনের দুটো ধরণ পাওয়া যায়। একটি ইনোজিনিক, অপরটি নন-ইনোজিনিক। মোবাইল ফোন থেকে নন-ইনোজিনিক ইলকট্রোমেগনেটিক ফিল্ডস (আরএফ-ইএমএফএস) নির্গত হয়। এটি ইনোজিনিক রেডিয়েশন (যেমন : এক্স রে, গামা রে)-এর চেয়ে কিছুটা কম শক্তির। ইনোজেনিক রেডিয়েশন অণু ও পরমাণুতে শক্তিশালীভাবে থাকা ইলেকট্রনের বন্ধনকে ভেদ করতে পারে। এতে অনেক সময় ডিএনএ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ে।
নন ইনোজেনিক রেডিয়েশনের ডিএনএ ক্ষতি করার মতো শক্তি নেই। তবে আরএফ-ইএমএফএস টিস্যুকে আঘাত করে এবং পরোক্ষভাবে দেহের ক্ষতি করতে পারে। ২০১১ সালে করা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার একটি গবেষণার ফলাফলে বলা হয়, আরএফ-ইএমএফএস সম্ভবত মানুষের দেহের জন্য কারসিনোজেনিক। কোনো পদার্থ কারসিনোজেনিক হলে ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। সরাসরি টিউমারের সঙ্গে এর সম্পর্ক রয়েছে কি না বিষয়টি এখনো বলা যায় না। তবে এর কিছু স্বাস্থ্যঝুঁকি তো রয়েছেই।
বিশ্বের ১৩টি দেশের ওপর করা একটি ইন্টারফোন গবেষণার ফলাফলে দেখা যায়, ব্রেইন টিউমারের দুটো ধরণ গ্লিওমা অথবা মেনিনগিওমা- কোনো ক্ষেত্রে মোবাইলের রেডিয়েশন তেমন প্রভাব ফেলে না। তবে এ নিয়ে পরবর্তী সময়ে আরো গবেষণার অবকাশ রয়েছে।
তাই, মোবাইল ব্যবহারে সতর্ক হওয়ার পরামর্শই দেন বিজ্ঞানীরা। কারণ, টিউমার হোক আর না হোক, দেহের যে কিছু ক্ষতি হয়, তা তো অস্বীকার্য।
সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
বিশ্বব্যাপী নারীদের মধ্যে শীর্ষস্থানে থাকা, নিরব ঘাতক স্তন ক্যানসার। প্রতি বছর বাংলাদেশে প্রায় ১৩ হাজার নারী নতুন করে এই রােগে আক্রান্ত হয়। মারা যায় প্রায় আট হাজার। আক্রান্তের তুলনায় মৃত্যুহার অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
বাংলাদেশ স্তন ক্যানসার সচেতনতা ফোরামের দশম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গতকাল, ১ অক্টোবর, রবিবার সকাল ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানানো হয়। সম্মেলনে আগামী ১০ অক্টোবর স্তন ক্যানসার সচেতনতা দিবস উপলক্ষে সারাদেশে মাসব্যাপী কর্মসূচির ঘোষণা হয়।
স্তন ক্যানসার নিয়ে কাজ করে এমন ৩০টি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের মোর্চা বাংলাদেশ স্তন ক্যানসার সচেতনতা ফোরাম। ফোরামের উদ্যোক্তা ও প্রধান সমন্বয়কারী, জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিটের ক্যানসার ইপিডেমিওলোজি বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. হাবিবুল্লাহ তালুকদার তার বক্তব্যে জানান, সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্যানসার সম্পর্কে সচেতনতার অভাব এবং নারীদের সংকোচবোধ দেরিতে চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার কারণ। বাংলাদেশে সার্বিকভাবে রোগটির নির্ণয় ও চিকিৎসা ব্যবস্থাও অপ্রতুল। স্তন ক্যানসার প্রতিরোধ, প্রাথমিক অবস্থায় নির্ণয় ও ক্যানসার স্ক্রিনিংয়ের কোনো জাতীয় কর্মকৌশল, কর্মপরিকল্পনা ও কর্মসূচি নেই।’
ডা. রাসকিন বলেন, ক্যানসার স্ক্রিনিংয়ের মাধ্যমে প্রাথমিক অবস্থায় স্তন নির্ণয় করা গেলে ও সময়মতো পরিপূর্ণ চিকিৎসা দিতে পারলে শতকরা ৯০ ভাগ রোগীর সুস্থ হওয়া সম্ভব। দুঃখের বিষয়, আমরা এখানে অনেক পিছিয়ে থাকায় তিন-চতুর্থাংশ রোগী ধরা পড়ে রোগের শেষ পর্যায়ে।’
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন বারডেমের সাবেক পরিচালক ও বাংলাডেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত স্বাস্থ্যবিষয়ক লেখক অধ্যাপক ডা. শুভাগত চৌধুরী, জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাকাল্টি ড. হালিদা হানুম আক্তার, জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত চলচ্চিত্রকার মশিউদ্দিন শাকের, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. আবু জামিল ফয়সল ও অন্যান্য ক্যানসার বিশেষজ্ঞ ও ফোরামের বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
ছবি : সংগৃহীত
২০১৩ সালের ১ অক্টোবর বাংলাদেশ স্তন ক্যানসার সচেতনতা ফোরামে গঠিত হয় এবং ২০১৩ থেকেই প্রতি বছর ১০ অক্টোবর বাংলাদেশে ফোরামের আহ্বানে বেসরকারিভাবে স্তন ক্যানসার সচেতনতা দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। এই বছর মাসব্যাপি কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে, ১০ অক্টোবর সারাদেশে স্তন ক্যানসার সচেতনতা দিবস উদযাপন করা। আলোচনা সভা, শোভাযাত্রা ও সহজ ভাষায় লেখা লিফলেট বিতরণ। ঢাকার মহাখালিতে আইইডিসিআর মিলনায়তনে কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠান উদযাপন। এখান থেকেই একটি টিম বৃহত্তর ময়মনসিংহের ৬টি জেলা অভিমুখে রওনা হবে চারদিনের গোলাপি সড়ক শোভাযাত্রায়।
জেলা ও উপজেলায় পথসভা, শোভাযাত্রা, সেমিনারসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের পাশাপাশি মানুষের হাতে সরাসরি সচেতনতার বার্তা পৌঁছে দেওয়া হবে। ১০ অক্টোবর মঙ্গলবার ঢাকা থেকে রওনা হয়ে কিশোরগঞ্জের ভৈরব, কুলিয়ারচর, কটিয়াদি উপজেলা সদর ও জেলা সদরে কাজ করবে। পরদিন দুপুর বারোটায় গুরুদয়াল কলেজে অনুষ্ঠান শেষে নান্দাইল, ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা হয়ে ময়মনসিংহে পৌঁছাবে। এভাবে নেত্রকোণা, শেরপুর, জামালপুর, টাঙ্গাইল জেলা সদর ও কয়েকটি উপজেলায় এই শোভাযাত্রা সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করবে।
ছবি : সংগৃহীত
ফোরামের অন্যতম সদস্য সংগঠন কমিউনিটি অনকোলজি সেন্টার ট্রাস্ট পুরো অক্টোবর মাস শুক্রবার ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ফ্রি স্তন ক্যান্সার স্ক্রিনিং সেবা চালু থাকবে। একজন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নারী চিকিৎসক প্রথমে পরীক্ষা করবেন। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিবেন। কোনো পরীক্ষা লাগলে তা ৫০ ভাগ ডিসকাউন্টে করা যাবে ধানমন্ডির মেডিনোভা ও সোবহানবাগের বায়োমেড ল্যাব থেকে। দরিদ্র রোগীদের জন্য সিওসি ট্রাস্টের রোগীকল্যাণ তহবিলের সহযোগিতায় বিনামূল্যে পরীক্ষা করে দেওয়ার ব্যবস্থা থাকবে।
এই সেবার জন্য নিবন্ধন করা যাবে ০১৭৮৯৪৪৪৭৬৭, ০২-২২৩৩১০৬৫৫ নম্বরে ফোন করে কিংবা ০১৯৭৭-৫৯১৯০৭ নম্বরে এসএমএস করে রোগীর নাম, বয়স, ঠিকানা ও ফোন নম্বর পাঠিয়ে। অনলাইনে নিবন্ধনের সুযোগ থাকবে।
সোবহানবাগে সালিমা ইনস্টিটিউটেও অক্টোবরের তিন তারিখ থেকে সরাসরি স্ক্রিনিং করা যাবে।
ফোরামের বিভিন্ন সংগঠন সচেতনতা ও স্ক্রিনিং কর্মসূচি হাতে নিয়েছে এই মাসে। সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আমন্ত্রণে ফোরাম ও কমিউনিটি অনকোলজি সেন্টার সচেতনতা ও স্ক্রিনিং আয়োজনে সহযোগিতা করবে।
নারী উদ্যোগ কেন্দ্র ঢাকা ও কিশোরগঞ্জে নারীদের ক্যানসার নিয়ন্ত্রণে বিস্তারিত কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। ৭ ও ১০ অক্টোবর যথাক্রমে ঢাকা ও কিশোরগঞ্জে এর উদ্বোধন হবে।
সেই রাজার গল্পটির কথা মনে আছে ? রাজার ছিল তিন মেয়ে। একদিন তিনি মেয়েদের ডেকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘কে তাকে কতটুকু ভালোবাসে’? বড় মেয়ে জানাল, সে তাকে মধুর মতো ভালোবাসে। মেজ জানাল, সে চিনির মতো। আর ছোটজন জানাল, সে তাকে লবণের মতো ভালোবাসে।
লবণের মতো ভালোবাসার কথা শুনে রাজা ছোট মেয়ের প্রতি বেজায় ক্ষেপলেন। একদম বনবাসে পাঠিয়ে দিলেন তাকে। আর রাজ্যের সব খাবারে লবণ দেওয়া নিষেধ করে দিলেন। তবে কিছুদিন পরেই দেখলেন কোনোকিছুতেই আর স্বাদ নেই। একদম মুখে রুচছে না খাবার। এর পর রাজা মেয়েকে ফিরিয়ে আনলেন। আর তার ভুল বুঝলেন।
বিষয়টা কিন্তু এমনই। লবণ ছাড়া খাবারের স্বাদ যেন ভাবাই যায় না। তবে উল্টোটাও রয়েছে। বেশি লবণ পড়ে গেলে কিন্তু বিপত্তি। স্বাদের একদম রফাদফা। তবে এ থেকে রয়েছে বাঁচার উপায়। খাবারে বেশি লবণ কমাবার কিছু উপায় বাতলেছে জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই।
আলু
তরকারির অতিরিক্ত লবণ কমাতে আলু ব্যবহার করতে পারেন। কাঁচা আলু তরকারিতে দিয়ে ১৫ মিনিট ফুটিয়ে নিন। এতে লবণাক্তভাব কমবে।
পেঁপে
তরকারির লবণাক্ততা কমাতে আলুর মতো পেঁপেও ব্যবহার করতে পারেন। তবে এই ক্ষেত্রে ১০ মিনিট সিদ্ধ করলেই যথেষ্ট।
দুধ
খাবারে বেশি লবণ হলে অল্প একটু দুধ দিয়ে কিছুক্ষণ রান্না করুন। এতে স্বাদ বাড়বে, লবণও কমবে।
চিনি
লবণাক্ততা কমাতে চিনিও কার্যকর। খাবারে বেশি লবণ হয়ে গেলে এই উপাদানটিও ব্যবহার করা যেতে পারে।
সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
অক্সিজেনের প্রধান উৎস গাছ। বিজ্ঞান নিয়ে যাদের কিছুটা নাড়াচাড়া রয়েছে, তারা তো জানেনই গাছ দিনে অক্সিজেন দেয়। রাতে ছাড়ে কার্বন- ডাই- অক্সাইড। তবে মজার বিষয় হলো কিছু গাছ কিন্তু রাতেও অক্সিজেন দেয়।
স্ন্যাক প্ল্যান্ট
এই ইনডোর প্ল্যান্ট বা অন্দরের গাছটি রাতেও অক্সিজেন ছাড়ে। এই গাছটি খুব দ্রুত ফরমাল্ডিহাইড ও কার্বন -ডাই- অক্সাইড শোষণ করে ঘরের বাতাসকে পরিষ্কার রাখে।
অ্যালােভেরা
অ্যালোভেরার রয়েছে অনেক ওষুধি গুণ। ত্বক ও চুলের যত্নে এটি উপকারী। অ্যালোভেরা দিন ও রাত দুবেলাতেই অক্সিজেন দেয়।
তুলসি গাছ
সনাতন ধর্মে একে পবিত্র গাছ হিসেবে বলা হয়। এই গাছটিও দিন ও রাতে অক্সিজেন দেয়। এই গাছের পাতা ঠান্ডা, কাশি, শ্বাসকষ্টের সমস্যা কমাতে কার্যকর।
অর্কিড
এই সুন্দর গাছটি ঘরের পরিবেশকে মনোরম করার জন্য দারুণ। শুষ্ক সারে এটি খুব দ্রুত বড় হয়ে উঠে। রাতেও অক্সিজেন পেতে বাড়িতে এই গাছটি লাগাতে পারেন।
জারবেরা
জারবেরা গাছ অন্দরকে ফ্রেশ রাখতে দারুণ কার্যকর। এই গাছটি প্রায় ২৪ ঘণ্টাই অক্সিজেন দেয়। এটি উপযুক্ত পরিবেশ পেলে প্রায় দুই বছরের মতো বাঁচে।
চিপস ছোট-বড় প্রায় সবারই পছন্দের একটি খাবার। তবে কখনো কি ভেবেছেন চিপসের প্যাকেটে এতো বাতাস থাকে কেন? কেনই বা এটি এতো ফাঁপা হয় ?
অনেকেই মনে করেন, এর কারণ হলো, মানুষকে বোকা বানানো। প্যাকেট বেশি ফোলা থাকলে মনে হবে ভেতরে অনেক চিপস রয়েছে। আর এতে ওই প্যাকেট কেনার প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়বে। তবে এর আসল কারণ জানলে আপনি আশ্চর্যই হবেন। বিজ্ঞানভিত্তিক ইউটিউব চ্যানেল ফিউনডিসকভার এফেক্ট জানিয়েছে এর সঠিক তথ্য। আসুন জানি।
প্যাকেটে কিছু চিপস রাখার পরে এর মধ্যে এক ধরনের গ্যাস ভরে দেওয়া হয়। এই গ্যাসটি হলো নাইট্রোজেন। এটি চিপসকে বেশি ও দীর্ঘমেয়াদে সময় ধরে তাজা ও মচমচে রাখতে সাহায্য করে। এতে কোম্পানির দুটো লাভ হয়। চিপস তাজা থাকে। আর মানুষেরও মনে হয় প্যাকেটে অনেক চিপস রয়েছে।
তাই পরের বার এই মজার খাবারটি কেনার আগে বেশি ফোলা প্যাকেটই কিনতে পারেন। এতে খাদ্য সংখ্যা কম হলেও চিপস তাজা থাকবে এটি নিশ্চিত।
সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে এক কাপ দুধ-চা না খেলে অনেকের যেন দিনই শুরু হয় না। তবে জানেন কি এই চায়ের রয়েছে অনেক ক্ষতিকর দিক ? এটি এসিড সহ দেহের বিভিন্ন সমস্যা তৈরি করে। দুধ-চায়ের কিছু ক্ষতিকর বিষয়ের কথা জানিয়েছে ভারতীয় ওয়েবসাইট টাইমস অব ইন্ডিয়া।
পেট ফাঁপা
চায়ের মধ্যে ক্যাফেইন থাকে। বেশি ক্যাফেইন গ্রহণ পেট ফাঁপাভাব তৈরি করে।
কাষ্ঠকাঠিন্য
ক্যাফেইন ছাড়াও দুধ চায়ে রয়েছে থিওফাইলিন। এতে দেহ শুষ্ক ও পানিশূন্য হয়ে পড়ে। পানিশূন্যতা কোষ্ঠকাঠিন্যের কারণ।
উদ্বেগ
বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত ক্যাফেইন উদ্বেগ ও ক্লান্তিভাব বাড়ায়।
ঘুমের অসুবিধা
অতিরিক্ত ক্যাফেইন গ্রহণ ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়। দীর্ঘমেয়াদে অতিরিক্ত দুধ-চা পান ইনসোমনিয়া তৈরি করতে পারে।
রক্তচাপের ভারসাম্যহীনতা
গবেষণায় দেখা গেছে, অতিরিক্ত দুধ-চা খাওয়া রক্তচাপকে ভারসাম্যহীন করে। তাই এর পরিবর্তনে ভেষজ চা উপকারী।
ব্রণ বাড়ে
অতিরিক্ত দুধ-চা দেহে ক্যামিক্যালের ভারসাম্যহীনতা তৈরি করে। এতে ব্রণ ও ফুসকুড়ি হতে পারে।
মাথাব্যথা
মাথাব্যথা বা ঝিমুনিভাব কমাতে অনেকেই দুধ-চা খান। তবে জানেন কি অতিরিক্ত খেলে মাথাব্যথা আরো বাড়ে। চা-কফি খেলে দেহে পানিশূন্যতা তৈরি হয়। আর পানিশূন্যতা মাথাব্যথার অন্যতম কারণ।
শুরু হয়েছে বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল হেলথকেয়ার এক্সপো-২০২৩। আজ, ২৮ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর শাহবাগে অবস্থিত বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব কনভেনশন হলে এই মেলার উদ্বোধন হয়।
তিন দিনব্যাপী এই মেলার উদ্বোধন করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ড. শারফুদ্দিন আহমেদ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. শাহ মনির হোসেন, ইন্টারন্যাশনাল হেলথকেয়ার এক্সপোর আয়োজক মুরাদ হোসাইন, এমপ্যাথি সলিউশনের (ইন্ডিয়া) ডিরেক্টর দালিপ কুমার চোপড়া, এনএবিএইচের প্রশিক্ষক ডা. শক্তি দত্ত শর্মা, বামরুনগাদ হসপিটাল থাইল্যান্ডের সিবিও রাজিব রাজন, মেদান্তা হাসপাতাল ইন্ডিয়ার সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট নবনীত মালহোত্রা।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্যে (বিএসএমএমইউ’র) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন বলেন, ‘এক্সপোতে আট থেকে ১০ টি বৈজ্ঞানিক সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছে। আমাদের প্রত্যাশা এই সেমিনারের মাধ্যমে বাংলাদেশের চিকিৎসকদের নানা ধরনের অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ মিলবে। যেহেতু বিশ্বে ভিন্ন দেশে চিকিৎসা বিজ্ঞানে প্রযুক্তির প্রসার ঘটেছে, বাংলাদেশও এতে পিছিয়ে নেই। এখন সুযোগ এসেছে দেশের বাইরে থেকেও বাংলাদেশে এসে কম খরচ ও চিকিৎসা সেবা নেওয়ার। বিশেষ করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় কিডনি প্রতিস্থাপন, হৃদরোগ, বন্ধ্যাত্বের সুচিকিৎসা ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে। অন্যান্য দেশের মানুষ চাইলে বাংলাদেশে এসে কম খরচে চিকিৎসা সেবা নিতে পারে।’
ছবি : সংগৃহীত
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. শাহ মনির হোসেন বলেন, ‘ অনেকেই এই মেলার উদ্দেশ্য সম্পের্ক জানতে চায়। আমি বলতে চাই, এই মেলায় বিভিন্ন দেশের হাসপাতাল, মেডিকেল প্রযুক্তি ও চিকিৎসা ব্যবস্থা সম্পর্কে জ্ঞান লাভ হবে। পাশাপাশি পারস্পরিক প্রযুক্তি বিনিময়ের সুযোগ তৈরি করাই এর উদ্দেশ্য। এতে নিজের প্রয়োজনে মানুষ যেমন দেশের বাইরে চিকিৎসা নিতে যেতে পারবে, তেমনি যেসব ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এগিয়ে সেসব চিকিৎসা অন্যান্য দেশের মানুষ এই দেশে এসে নিতে পারবে।’
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর দুইদিনব্যাপী কয়েকটি সেশনে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের চিকিৎসক ও চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের অংশগ্রহণে বৈজ্ঞানিক সেমিনার ও চিকিৎসক, মেডিকেল ভ্যালু ট্রাভেল ফ্যাসিলিটেটর, স্বাস্থ্য কর্মীদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা থাকছে ।
ছবি : সংগৃহীত
ইন্টারন্যাশনাল হেলথকেয়ার এক্সপো-২০২৩ এ বাংলাদেশসহ ভারত, ইরান, তুরস্ক, থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়ার হাসপাতালসহ ৩০টির বেশি হাসপাতাল ও হেলথকেয়ার পরিসেবা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে এই মেলা চলবে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল ১০ থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত এই মেলা চলবে। মেলাতে দর্শনার্থীদের জন্য বিনামূল্যে পরিদর্শনের সুযোগ থাকছে।
মেলাতে পরিসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোর সর্বশেষ প্রযুক্তি, পণ্য ও পরিসেবা প্রদর্শন করবে। এটি আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্যসেবা/পেশাজীবীদের সঙ্গে বিশ্বের সর্বাধুনিক চিকিৎসা উদ্ভাবন তথ্য আদান-প্রদান, স্বাস্থ্য সেক্টরে পারস্পরিক সহায়তা, নলেজ শেয়ারিং, টেকনোলজি ট্রান্সফারের সুযোগ করে দিবে। এটি বাংলাদেশ ও এর বাইরেও স্বাস্থ্যসেবার ভবিষ্যৎ গঠনে সহায়তা করবে।
অষ্টম শ্রেণিতে পড়ার সময় প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে বিয়ে করেন রাবেয়া তাসনিম। প্রেমের সময় সম্পর্কটা যত মধুর ছিল, বিয়ের পর যেন ততটাই তিক্ত হয়ে উঠে।
বিয়ের পর বিভিন্ন প্রতিকূলতা পেরিয়ে এসএসসি পাস করেন রাবেয়া। এক পর্যায়ে ডিভোর্স হয় তাঁর।
বিপর্যস্ত রাবেয়া ভাবছিলেন কী করা যায়? কীভাবে এগিয়ে যাওয়া যায়? লেখাপড়া শেষ করে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর এক অদম্য ইচ্ছা ছিল তাঁর। বর্তমানে বিউটিফিকেশন শিখে রাবেয়া একটি স্যালন খুলেছেন। প্রথম মাসেই আয় হয়েছে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা।
উজ্জ্বলার সহ প্রতিষ্ঠাতা আফরোজা পারভীনের সঙ্গে রাবেয়া। ছবি : সংগৃহীত
‘ ডিভোর্সের পর আমি ঢাকায় চলে যাই। সেখানে দুই বছর বিউটিফিকেশনের কোর্স করি। ২০২৩ সালে বাংলাদেশ মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত প্রতিষ্ঠান ‘জয়িতা ফাউন্ডেশন’ ও বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিং সেক্টরের পথ প্রদর্শক উজ্জ্বলার যৌথ উদ্যোগে কক্সবাজারে একটি প্রশিক্ষণ হয়। সেখানে অংশ নেই। এই ১০ দিনের প্রশিক্ষণ আমার জীবন বদলে দেয়। এখানে অংশ নিয়ে আমার আত্মবিশ্বাস বাড়ে। সাহস পাই নিজের স্যালন খোলার এবং স্যালন চালু করি’- বলছিলেন রাবেয়া।
আমার মায়ের জন্ম হয় দুবাইয়ে। নানা-নানু সেখানেই থাকতেন। তারা বাঙালি ছিলেন। আমার মায়ের বিয়ের পর তিনি কক্সবাজারে চলে আসেন। আমার মা খুব সৌখিন ছিলেন। ছোটবেলা থেকেই আমাকে খুব সাজিয়ে-গুছিয়ে রাখতেন। আমিও গুছিয়ে থাকতে পছন্দ করতাম। ইন্টারনেটে প্রচুর ভিডিও দেখতাম মেকআপের ওপর। যখন আমার ডিভোর্স হয়, ভাবছিলাম নিজের পায়ে দাঁড়াতে হবে। তখনই মাথায় আসে বিউটি আর্টিস্ট হওয়ার কথা। এটি একটি ভালো পথ হতে পারে, যা দিয়ে আমি স্বনির্ভর হতে পারবো। এখন তা-ই হয়েছি- জানান রাবেয়া।
রাবেয়া তাসনিম
যত বাধাই আসুক না কেন, প্রতিটা মেয়ের আত্মনির্ভরশীল, স্বনির্ভর হয়ে নিজের পায়ে দাঁড়ানো খুব জরুরি মন্তব্য করে রাবেয়া বলেন, ‘ অন্তত আমি আমার জীবন দিয়ে সেটি বুঝেছি। ছোটবেলায় বিয়ে করে একটি ভীষণ ভুল করেছিলাম, যার মাশুল দিয়ে যাচ্ছি এখনো। এর মাঝে আবার আমার বাবা মারা যায়। সব আমাকে ভীষণ বিপর্যস্ত করে তুলেছিল। শুধু পথ খুঁজতাম কীভাবে মুক্তি পাবো। বিউটিফিকেশন আমাকে সেই পথ দেখিয়েছে।’
রাবেয়া তাসনিম
এই পেশায় আরো নারী আসুক। এটি বিশাল একটি ইন্ডাসট্রি। এখানে মেয়েদের কাজ করার অনেক সুযোগ রয়েছে। ভবিষ্যতে নিজের স্যালনকে আরো বড় করতে চাই- বলেন রাবেয়া।
বি : দ্র : বাংলাদেশের বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিং ইন্ডাস্ট্রিতে উদ্যোক্তা তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে উজ্জ্বলা লিমিটেড। উজ্জ্বলায় প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এবং সংগ্রাম করে সাফল্য অর্জন করেছেন, এমন কয়েকজন নারী ও পুরুষের সাক্ষাৎকার নিয়ে সাতকাহনের ধারাবাহিক পর্ব চলছে। এই পর্বটি ছিলো ৬৯তম। উজ্জ্বলা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন :