Saturday, September 26, 2026
spot_img
Home Blog Page 70

বড়দিনের থিমে সাজ

একই রকম সাজ তো অনেক সাজলেন, তবে এবার বড়দিনের উৎসবে আনতে পারেন একটু নতুনত্ব। আর সেই ক্ষেত্রে বড়দিনের থিমকে ঘিরেই কিন্তু সাজতে পারেন আপনি। চোখের কোণে হয়তো এঁকে দিলেন সান্তা ক্লসের টুপি অথবা সুন্দর একটি ক্যান্ডি।

বড়দিনে থিম বেজ সাজের খুঁটিনাঁটি সম্পর্কে জানিয়েছেন প্রিটি ল্যাডি বাই সোনিয়া খানের স্বত্বাধিকারী ও রূপ বিশেষজ্ঞ সোনিয়া খান। চলুন জেনে নেওয়া যাক।

ত্বকের প্রস্তুতি

যেভাবেই সাজুন না কেন শুরুতে ত্বককে প্রস্তুত করে নিতে হবে। যেহেতু বড়দিন শীতের সময় পড়ে, তাই ত্বক শুষ্ক হয়ে পড়ে। এ ক্ষেত্রে ত্বকের ধরন অনুযায়ী প্রথমে ভালো করে ময়েশ্চারাইজ ব্যবহার করে নিতে হবে। ওয়েল বেজ ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। ঠোঁট ভালো করে স্ক্রাব করে, লিপ বাম লাগিয়ে নিন।

এভাবেই মেকআপের আগে প্রস্তুত করতে হবে। আর স্বাস্থ্যকর ত্বক হলে তো কোনো কথাই নেই। ত্বক ভালো হলে যেকোনো মেতআপই খুব ভালোভাবে বসে। তাই ত্বকের যত্নটা কিন্তু সবসময় নেওয়া চাই।

ঠোঁট ও চোখের সাজ

বড়দিনের দিনের বেলার সাজে একটু গাঢ় রঙের লিপস্টিক ব্যবহার করতে পারেন। যেমন : লাল, মেরুণ ইত্যাদি। চোখে গ্লিটারি, সাইনি আই মেকআপ করে আইলাইনার যোগ করা যেতে পারে। ক্রিসমাসের মূল রঙের মধ্যে লাল, সবুজ, সাদা এই রঙগুলোই প্রাধান্য পায়। তাই চোখে আইলাইনার ব্যবহারের ক্ষেত্রে এই রঙগুলো ব্যবহার করতে পারেন।

থিম বেজ মেকআপও করতে পারেন। এতে নতুনত্ব আসবে। রাতে পার্টি থাকলে এবং ক্রিসমাস থিম ব্যবহার করতে চাইলে, চোখের ওপরে সুন্দর করে স্নো ফ্ল্যাক্স, সান্তা ক্লসের টুপি, ক্যান্ডি ইত্যাদি আঁকা যেতে পারে।

চুলের সাজ

চুলের ক্ষেত্রে চেহারায় খুব নান্দনিক লুক দিতে চাইলে স্ট্রেইট বা কার্ল করা যেতে পারে। অথবা টেনে পলিশ করে নিয়ে পনি টেল বা টাইট বান করতে পারেন। এতে অভিজাত লুক আসে। পনি টেল টাইট করে করে করলে এর সঙ্গে একটু কার্ল চুল লাগিয়ে নিলে দেখতে সুন্দর লাগবে।

পোশাক গাউন ধরনের বা বডি কম ধরনের হলে হাই পনি করা যেতে পারে একটু লুস কার্ল সামনে রেখে দিন। এতে ভালো লাগবে।

মূলত, সাজ মানুষের ব্যক্তিত্বকে ফুটিয়ে তোলে। তবে সাজের ক্ষেত্রে একটু নতুনত্ব আনলে কিন্তু মন্দ হয় না। তাই আপনিও বড়দিনের থিমে নিজেকে সাজিয়ে চমকে দিতে পারেন সবাইকে।

বড়দিনের রেসিপি : মিষ্টান্নতে বিশেষ পুডিং

অপরাজিতা অরু

উৎসব আয়োজনে বাঙালির খাবার টেবিলে থাকে নানাপদ। শেষপাতে একটু মিষ্টিমুখ না করলে খাবারের আনন্দ যেনো অপূর্ণই থেকে যায়। তাই আপনাদের জন্য বড়দিনের থাকছে সহজ একটি ডেজার্ট রেসিপি। ঘরে থাকা উপকরণ দিয়ে বানিয়ে ফেলতে পারবেন এই ডেজার্টটি।

পুডিং তৈরিতে প্রয়োজনীয় উপকরণ

  •  গুঁড়া দুধ দেড় কাপ কাপ
  • ডিম ৪ টি
  • চিনি ১কাপ।
  • সাদা এলাচ গুঁড়া ২ টি
  • কাজুবাদাম, কাঠবাদাম, চিনাবাদাম, কিসমিস (পছন্দমত)
  •  ক্যারামেল এর জন্য চিনি ৪ টেবিল চামচ

যেভাবে তৈরি করবেন

চুলায় একটি পাত্রে মেজারমেন্ট কাপের দেড় কাপ পানি দিন। পানি ফুটিয়ে নিয়ে ১কাপ করে নিন। ফুটানো পানিটা হালকা ঠান্ডা করে নিয়ে এতে গুঁড়া দুধ ঢেলে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। ব্যাস তৈরি পুডিংয়ের দুধ।

এবার একটি বাটিতে ডিম ভেঙ্গে নিয়ে ভালো করে ফেটিয়ে নিন যাতে পুরোটা ভালোভাবে গলে যায়। ফেটানো হলে দুধ এবং এককাপ চিনি দিয়ে ভালোভাবে নেড়ে মিশিয়ে নিতে হবে, যেন ডিম দুধের সঙ্গে ভালোভাবে মিশে যায়। এই পর্যায়ে এলাচ গুঁড়া মিশ্রণে দিয়ে দিন। সম্পূর্ণ মিশ্রণটা গলে গেলে একটা ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে নিতে পারেন। ছাঁকতে না চাইলেও অসুবিধে নেই।

এই পর্যায়ে একটি স্টিলের পুডিং বাটি অথবা আপনি যেটাতে পুডিং বানাতে চান সেই বাটি নিয়ে তাতে ঘি বা মাখন লাগিয়ে ৪ টেবিল চামচ চিনি তলায় ছড়িয়ে দিয়ে চুলায় বসিয়ে দিন ক্যারামেল তৈরির জন্য। চুলার আঁচ খুবই হালকা রাখতে হবে নয়ত ক্যরামেল পুড়ে যাবে।

চিনি গলে শিরা তৈরি হয়ে লাল হয়ে ক্যারামেলের মতো তৈরি হয়ে গেলেই চুলা থেকে নামিয়ে নিন। বাটি গরম থাকা অবস্থাতেই ক্যারামেলের ওপর পছন্দমত বাদাম, কিসমিস ছড়িয়ে দিন। কাজুবাদাম, পেস্তা কিংবা কাঠবাদাম না থাকলেও চিনাবাম ব্যবহার করতে পারেন। এতে চমৎকার একটা ফ্লেভার তৈরি হয়।

ক্যারামেলের রঙ বেশি গাড় করতে যাবেন না, এতে ক্যারামেল পুড়ে স্বাদ আর গন্ধ দুটোই নষ্ট হয়ে যাবে।

বাটিটা ঠান্ডা অবস্থায় বেশিক্ষণ রাখলে ক্যারামেল ফেটে যাবে। তাই ক্যারামেল সহ বাদাম শক্ত হয়ে গেলে সঙ্গে সঙ্গেই ডিম-দুধের মিশ্রণ ঢেলে দিয়ে বাটিটি ঢেকে দিন।

তারপর একটি বড় সসপ্যান ধরনের পাত্র চুলায় দিয়ে পুডিংয়ের বাটিটা বসিয়ে দিন। প্যানের অর্ধেক অংশ পানি দিয়ে ভরে দিন। খেয়াল রাখতে খেয়াল রাখতে হবে প্যানে পানির উচ্চতা এমন হবে যেন পুডিং এর বাটির অর্ধেক হয় আর পানি বাটিতে না ডুবে না যায়। নয়তো ভেতরে পানি ঢুকে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

প্যানটি ভালো করে ঢেকে উপরে ভারী কিছু দিয়ে চাপা দিন। এখন সসপ্যানের পানি মাঝারি আঁচে জ্বাল করতে থাকুন।

৩০ থেকে ৪০ মিনিটের মধ্যেই পুডিং হয়ে যাবে, তাই সতর্ক থাকুন যেনো শুকিয়ে না যায়। চুলা থেকে নামানোর আগে একটি কাঠি দিয়ে পুডিং ঠিকমতো হয়েছে কিনা পরীক্ষা করে নিন। ঠান্ডা হলে পরিবেশন করুন।

বড়দিনের উপহারে নতুন কী থাকতে পারে ?

অপরাজিতা অরু

দরজায় কড়া নাড়ছে খ্রিস্টীয় ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব বড়দিন। এই উৎসবকে কেন্দ্র করে বিশ্বব্যাপী উঠেছে সাজ সাজ রব। উৎসব আয়োজনে পিছিয়ে নেই বাংলাদেশও। বড়দিনকে কেন্দ্র করে গির্জাগুলোতে চলছে সাজসজ্জা, আলোকসজ্জা, ক্রিসমাস ট্রি লাগানো, সান্তাক্লোজকে সাজানোসহ অনেক কিছু।

উৎসবের এই নানা রীতির মতো বড়দিনে পরিবার, আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব, প্রিয়জনের মাঝে চলে উপহার বিতরনের পালা। আর এই উপহার কেনা নিয়েই পড়তে হয় বিপাকে। ফুল, চকলেট, কেক তো প্রতি বছরেরই চল। নতুন কী উপহার দেওয়া যায় প্রিয়জনকে সে সিদ্ধান্ত নেওয়া মুশকিল। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক, কী হতে পারে এবারের বড়দিনের উপহার।

গাছ

বিশ্ব উষ্ণায়নের এই সময়ে একটি গাছ হতে পারে খুবই উপকারী একটি উপহার। উন্নয়নের স্বার্থে প্রতিনিয়ত বাড়ছে উঁচুউচু দালানকোটা। সেই সঙ্গে কমছে আবাদযোগ্য জমি এবং রোপণ করার জায়গা। তাই বিভিন্ন ইনডোর প্ল্যান্ট উপহার দিতে পারেন প্রিয়জনকে। মানি প্ল্যান, ক্যাকটাস, ঘৃতকুমারী কিংবা বনসাই হতে পারে একটি চমৎকার উপহার। বাজেটের মধ্যে অনেক সুন্দর সুন্দর গাছ পেয়ে যাবেন।

পারফিউম

পারফিউম পছন্দ করে না এমন মানুষ পাওয়া দুষ্কর। আপনার প্রিয়জনকে উপহার দিতে পারেন পছন্দের কোনো একটি পারফিউম। তবে অবশ্যই খেয়াল রাখবেন জিনিসটা যেনো ভালো ব্র্যান্ডের হয়।

মোমবাতি

মোমবাতি হতে পারে আপনার উপহারের একটি সামগ্রী। বাজারে এখন নান্দনিক ডিজাইনের বিভিন্ন মোমাবাতি কিনতে পাওয়া যায়। অনেক আবার সুগন্ধীযুক্তও। বিভিন্ন সুপারশপে বা শপিংমলে পাবেন এগুলো। এ ছাড়া বিভিন্ন অনলাইন পেইজ থেকেও অর্ডার করতে পারেন। আলোর সঙ্গে ছড়িয়ে পড়া সুগন্ধ তৈরি করতে পারে আপনার প্রিয় মানুষের জীবনে সুন্দর একটি মুহূর্ত।

বই

ছোট, বড় সকলের জন্যই বই হতে পারে একটি দারুণ উপহার। বাচ্চাদের জন্য হলে রুপকথার নানা গল্প, সাইন্স ফিকশান উপহার দিতে পারেন। বড়দের জন্য তাদের পছন্দের কোনো লেখকের বইও দিতে পারেন। শুধু বড়দিনেই নয় আপনার দেওয়া উপহারটি সারাবছরই তার কাছে থাকবে প্রিয় হয়ে।

পোশাক

প্রিয় মানুষের জন্য পোশাক হতে পারে একটি উৎকৃষ্ট উপহার। আমাদের দেশে যে কোনো উৎসবে শাড়ি-পাঞ্জাবি পরার চল রয়েছে। এর বাইরেও এই শীতকালে দিতে পারেন শীতের কোনো শাল, হুডি, মাফলার কিংবা সোয়েটার। আপনার উপহারের পোশাকটি উষ্ণতায় জড়িয়ে রাখবে আপনার প্রিয় মানুষটিকে।

প্রসাধনী

শীতের শুষ্কতা রুক্ষ করে দেয় ত্বককে। এই শীতে উৎসবের আমেজে প্রিয়জনকে দেওয়া যেতে পারে বিভিন্ন ধরনের ময়েশ্চারাইজার। বাজারে নানা ব্র্যান্ডের অনেক ময়েশ্চারাইজিং ক্রিম, লোশান, অয়েল পাওয়া যায়। এই উপহারটি প্রয়োজনীয় ও উপকারী। তাই এটি হতে পারে ভিন্ন ধরনের একটি উপহার।

হস্তশিল্পের জিনিস

ঐতিহ্যকে ধারণ করে এমন শিল্প উপকরণও দিতে পারেন বড়দিনের উপহারে। পাটের তৈরি, কাগজের তৈরি কিংবা মাটির তৈরি নানা উপকরণ এখন খুব সহজেই পেয়ে যাবেন হাতের কাছে। হারানো ঐতিহ্যের শৈল্পিক এসব জিনিসের চাহিদা দিন দিন বেড়ে চলেছে। ঘর সাজাতে এমন উপহার অতুলনীয়।

ক্যানভাস

দেয়াল জুড়ে একটি ক্যানভাস বদলে দেয় ঘরের আবহ। হ্যান্ডপেইন্ট বা তৈলচিত্রের একটি ক্যানভাস হতে পারে দারুণ একটি উপহার। দেয়ালে একটি ক্যানভাস সেঁটে দিলে সারাবছর ধরে সেটি থেকে যায় ঘরে। এমন একটি উপহার পেলে খুশিতে চকচকে হয়ে উঠবে আপনার আপনজনের মুখ। তাই উপহারের তালিকায় রাখতে পারেন পছন্দের একটি ক্যানভাস।

উপহার এমন হওয়া প্রয়োজন, যা দৈনন্দিন কাজে লাগে কিংবা বছর জুড়ে রয়ে যায় এর কার্যকারিতা। এমন ভিন্নভাবে ভাবতে পারলে প্রিয়জনদের কাছে শুধু উৎসবেই নয় সারাবছরের জন্য আপনি হয়ে উঠতে পারেন বিশেষ একজন মানুষ।

বড়দিনের রেসিপি : রাতের খাবারে বিফ স্টেইক

অপরাজিতা অরু

খ্রিষ্টান ধর্মালম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব বড়দিন। পরিবার-পরিজন, আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে নিয়ে বেশ আয়োজন করে পালন হয় এই উৎসব। এই দিনের খাবার তাই বিশেষ না হলে কি চলে ? বড়দিনকে মাথায় রেখে তাই আমাদের আজকের বিশেষ রেসিপিতে থাকছে বিফ স্টেইক।

স্টেইক তৈরির ক্ষেত্রে মাংস বাছাইটা খুবই জরুরি। সচারচর আমরা দেখি টো-বোন স্টেইক অর্থাৎ গরুর পিঠের একটা বিশেষ অংশের মাংস দিয়ে তৈরি। গরুর কোন অংশের স্টেক, তার ওপর ভিত্তি করে ভিন্ন ভিন্ন নাম হয় সেগুলোর— যেমন-টি বোন, রিব আই, স্ট্রিপ, টেন্ডার লাইন, স্কার্ট, ফ্ল্যাঙ্ক। আমাদের আজকের রেসিপিতে থাকছে রিব আই বিফ স্টেইক রান্নার সহজ রেসিপি।

রিব আই বিফ স্টেইক

গরুর পাঁজরের মাংস দিয়ে তৈরি হয় রিব-আই স্টেক। অর্থাৎ বুকের দিকের মাংসকেই রিব আই বিফ বলা হয়।

উপাদান

  •  ষাড়ের বুকের/পাঁজরের দিকের হাড় ছাড়া মাংস ২৫০ গ্রাম করে ২ পিস
  •  অলিভ অয়েল ১ চা চামচ
  •  গোল মরিচ গুঁড়া ২ চা চামচ
  •  সয়া সস ২ চা চামচ
রিব আই বিফ স্টেইক । ছবি : সংগৃহীত
রিব আই বিফ স্টেইক । ছবি : সংগৃহীত

যেভাবে তৈরি করবেন

প্রথমে মাংস ভালো করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে কিচেন টাওয়েল বা টিস্যু দিয়ে মুছে নিন, যাতে পানি মাংসে লেগে না থাকে।

এবার কাটা চামচ/টুথ পিক/স্টেইক হ্যামার দিয়ে মাংসকে ছিদ্র করে নিন। এতে মাংসের ভিতরে ম্যারিনেট এর মশলা ভালোভাবে ঢুকে যাবে এবং নরম থাকবে।

এরপর এক চা চামচ গোল মরিচ ও বাকি সব উপকরণ দিয়ে খুব ভালোভাবে মাংসের সঙ্গে মিশিয়ে নিন। ভালোমতো মেশানো গেলে বাকি এক চামচ গোল মরিচ মাংসের দুই পাশে মাখিয়ে নিন। এই অবস্থায় নরমাল ফ্রিজে ঢেকে রেখে দিন ৪/৫ ঘন্টা।

এখন একটি ননস্টিক ফ্রাই প্যানে অলিভ অয়েল বা সাদা তেল ব্রাশ করে নিন এবং মাংসের পিস দিয়ে সম্পূর্ণ আঁচে তিন থেকে পাঁচ মিনিট রাখুন। বারবার নাড়তে যাবেন না। পাঁচ মিনিট পরে চুলার আঁচ কমিয়ে আরো কিছুক্ষণ প্যানে রাখুন।

একই পদ্ধতিতে অন্য পাশটাও ভেজে নিন তিন থেকে পাঁচ মিনিট। এরপর ঢাকনা খুলে ৫০ গ্রামের এক টুকরো বাটার উপরে দিয়ে তিন মিনিট ঢেকে রাখুন।

স্টেইকের আসল স্বাদ তৈরি হয় রান্নার পর রেস্টে। একটি ফয়েল পেপারে এক টুকটো বাটার ব্রাশ করে নিয়ে তার মধ্যে স্টেকের টুকরোগুলো ভালোভাবে মুড়িয়ে সাত থেকে আট মিনিটের জন্য রেস্টে রাখুন।

এরপর ম্যাশ পটেটো, গ্রিন সালাদ, সস দিয়ে বা পছন্দমত সাজিয়ে পরিবেশন করুন রিব আই বিফ স্টেইক।

বড়দিনের রেসিপি : উৎসবে থাকুক চিকেন ফ্রাইড রাইস

অপরাজিতা অরু

উৎসব কিংবা অতিথি আপ্যায়ন- জমজমাট হয়ে উঠে খাবারের আয়োজনে। বড়দিনের উৎসবকে আরো জমজমাট করতে খাবারের হরেক পদের মধ্যে রাখতে পারেন চিকেন ফ্রাইড রাইস।

আর এই রান্নায় ঝক্কিও নেই তেমন। ঘরে থাকা কয়েকটি উপাদান দিয়ে রেস্টুরেন্টের স্বাদে খুব সহজেই তৈরি করে ফেলতে পারেন চিকেন ফ্রাইড রাইস।

উপকরণ

  • বাসমতি চাল/যেকোনো পোলাউয়ের চাল- ২ কাপ
  • মুরগির মাংস (হাড় ছাড়া) – ২৫০ গ্রাম
  • গাজর স্লাইস করে কাটা- ১ কাপ
  • বরবটি কুচি- ১/২ কাপ
  • ২ টি বড় আকারের পেঁয়াজ স্লাইস করে কাটা
  • ক্যাপসিকাম স্লাইস – ১ কাপ
  • কাঁচা মরিচ – ৬ টি
  • পেঁয়াজ পাতা কুচি -১/২ কাপ
  • সয়া সস- ২ টেবিল চামচ
  • গোটা গোলমরিচ – ১ চা চামচ
  • রসুন কুচি – ১ টেবিল চামচ
  • ভেজিটেবল অয়েল- ১/৪ কাপ
  • লবণ স্বাদমতো

চিকেন ফ্রাই করার জন্য

  • কর্ণফ্লাওয়ার- ২ টেবিল চামচ
  • আদা রসুন বাটা- ১ চা চামচ
  • গোলমরিচ গুঁড়া- ১/২ চা চামচ
  • সয়া সস – ১ চা চামচ
  • চিলি ফ্লেক্স – ১ চা চামচ
  • ডিম – ১ টি
  • চিকেন ভাজার জন্য তেল – ১ কাপ

যেভাবে তৈরি করবেন

চাল ধুয়ে ১৫ মিনিট পানিতে ভিজিয়ে রেখে দিন। এরপর চালের পানি ঝরিয়ে নিন। একটা পাত্রে পানি দিয়ে তার মধ্যে স্বাদ মতো লবণ দিয়ে ফুটান। এবার ফুটন্ত পানিতে চাল দিয়ে দিন। চালটা ৮০ শতাংশ ভাত হয়ে গেলে পানিটা ঝরিয়ে নিন। খেয়াল রাখতে হবে ভাত যেনো শক্ত থাকে। এবার ভাত ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। এতে রাইসটা ঝরঝরে থাকবে।

এবার মুরগির মাংসের টুকরো গুলোকে সয়া সস, কর্নফ্লাওয়ার, আদা রসুন বাটা, চিলি ফ্লেক্স, গোলমরিচ গুঁড়া ও ডিম দিয়ে ম্যারিনেট করে ১৫ মিনিট রেখে দিন। ১৫ মিনিট পরে ফ্রাই প্যানে তেল দিয়ে ম্যারিনেট করা চিকেনগুলো মৃদু আঁচে ভালো করে করে ভেজে নিন। চিকেনগুলো বাদামি রঙ হয়ে গেলে নামিয়ে রাখুন।

এবার একটি কড়াইতে তেল গরম করে তাতে রসুন কুচি দিয়ে এক মিনিট মত ভেজে নিন। এবার পেয়াঁজ স্লাইস, ক্যাপসিকাম, গাজর, বিন্স দিয়ে মাঝারি আঁচে ভেজে নিন। কিছুটা ভাজা হয়ে গেলে পরিমাণ মত লবণ, গোলমরিচ, কেটে রাখা অর্ধেক পেঁয়াজ পাতা কুচি যোগ করে ভালো করে মিশিয়ে দুই মিনিট ভেজে নিয়ে নিন। এবার সবজি মধ্যে ভাত যোগ করে দিন।

ভাতের মধ্যে সয়া সস, কাঁচা মরিচ, বাকি পেঁয়াজ পাতা কুচি, ভেজে রাখা মাংসগুলো আর পরিমাণ মত লবণ যোগ করে চুলার আঁচ বাড়িয়ে দুই থেকে তিন মিনিট ভালো করে ভেজে নিয়ে দম দিয়ে রাখুন। তিন থেকে চার মিনিট পরেই নামিয়ে নিন।

এবার গরম গরম পরিবেশন করুন চিকেন ফ্রাইড রাইস। এই পরিমাণটি চারজন মানুষ খেতে পারবে। আরো বেশি রান্না করার জন্য উপকরণ বাড়িয়ে নিতে পারেন।

ভালোবেসে কাজ করলে সফলতা আসে

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

এইচএসসির পর বিয়ে হয়ে যায় চট্টগ্রামের মেয়ে নিলিমা বড়ুয়ার। শ্বশুর বাড়ির মানুষ অনেক শিক্ষিত ছিলেন, তারা সবসময় চাইতেন নিলিমা শিক্ষত হোক এবং নিজের পায়ে দাঁড়াক। এরপর বাংলায় অনার্স ও মাস্টার্স শেষ করে সে। মাস্টার্স শেষে কয়েকটি সরকারি চাকরির জন্য আবেদনও করে। তবে ব্যাটে-বলে মিলে উঠছিল না।

এই সময় নিলামার মনে হয় বিউটিফিকেশনে আসবেন। ছোটবেলা থেকেই তিনি অন্যকে ও নিজেকে সাজাতে ভালোবাসতেন। আর পরিবারের মানুষও তাঁর সাজের প্রশংসা
করতো। যেহেতু বিষয়টির প্রতি তাঁর আগ্রহ রয়েছে, তাহলে তো এটিকে পেশা হিসেবে নেওয়াই যায়। এই ভাবনা থেকে বিউটিফিকেশনের ওপর কয়েকটি কোর্স করে একটি স্টুডিও স্যালন দিয়েছেন তিনি। হয়ে উঠেছেন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা।

‘২০২৩ সালের শুরুতে চট্টগ্রামে জয়িতা ফাউন্ডেশন ও বিউটিফিকেশন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র উজ্জ্বলার যৌথ উদ্যোগে একটি কোর্স হয়। বিনামূল্যের এই ১০ দিনের কোর্স আমার দক্ষতাকে কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। উজ্জ্বলার প্রতিষ্ঠাতা আফরোজা পারভীনের গ্রুমিং ও ম্যানেজমেন্টের ক্লাসটি বেশ ভালো ছিল। আরো প্রশিক্ষণ নিয়ে আমি প্রতি মুহূর্তেই নিজেকে দক্ষ করে তোলার চেষ্টা করছি’, বলছিলেন, নিলিমা।

নিলিমা বড়ুয়া। ছবি : সংগৃহীত
নিলিমা বড়ুয়া। ছবি : সংগৃহীত

‘একজন নারীর স্বাবলম্বী হওয়াটা জরুরি। হাতে টাকা থাকাটা শক্তির বিষয়। আর সেটা নিজের আয়ের হওয়াটা সম্মানের। আমার শ্বশুর বাড়ি ও বাবার বাড়ির মানুষ – এসব ক্ষেত্রে আমাকে অনেক সহযোগিতা করেছে। অনেকেই বিয়ের পর হয়তো লেখাপড়াটা চালিয়ে যেতে পারে না বা চাকরি করতে পারে না। তবে আমার শ্বশুর বাড়ির মানুষ সবসময় চাইতেন আমি এগিয়ে যাই। বরং প্রথম সন্তান হওয়ার সময় আমারই লেখাপড়া থেকে এক বছরের জন্য বিরতি নিতে হয়েছিল। তবে জেদ ছিল যেটা শুরু করেছি, শেষ করবো- জানান নিলিমা।

এতো লেখাপড়া শিখে কেন বিউটিফিকেশনকে পেশা হিসেবে নিলেন- এ নিয়ে অনেকের কাছ থেকে প্রশ্নের সম্মুখিন হতে হয়েছে নিলিমাকে। বললেন, ‘আমার মনে হয়েছে এটি একটি সৎ পেশা এবং এটি ভালোভাবে শিখতে পারলে আয়ও ভালোই করা যায়। তাহলে কেন এই পেশায় আসবো না? আর আমার মনে হয় এটি করলে সংসার-সন্তান সবকিছু ম্যানেজ করে কাজটি করতে পারবো। আমার প্যাশনের জায়গাও ছিল এটি।

নিলিমা বড়ুয়া। ছবি : সংগৃহীত
নিলিমা বড়ুয়া। ছবি : সংগৃহীত

নিজের পার্লারটিকে আরো বড় করবেন এবং নিজে আরো দক্ষ হবেন জানিয়ে নিলিমা বলেন, ‘যেকোনো কাজের ক্ষেত্রে ভালোবাসাটা খুব জরুরি। ভালোবেসে কাজ করলে সফলতা আসে। আমি এটা বিশ্বাস করি।’

বি : দ্র : বাংলাদেশের বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিং ইন্ডাস্ট্রিতে উদ্যোক্তা তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে উজ্জ্বলা লিমিটেড। উজ্জ্বলায় প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এবং সংগ্রাম করে সাফল্য অর্জন করেছেন, এমন কয়েকজন নারী ও পুরুষের সাক্ষাৎকার নিয়ে সাতকাহনের ধারাবাহিক পর্ব চলছে। এই পর্বটি ছিল ৮৭তম। উজ্জ্বলা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন :

https://www.facebook.com/UjjwalaBD

https://www.instagram.com/UjjwalaBD/

ফোন : ০১৩২৪৭৩৪১৫৭

নতুন বছরে কে ক্র্যাফটে বিশেষ মূল্য ছাড়

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

নতুন বছর উদযাপনে কে ক্র্যাফট দিচ্ছে সকল পোশাকের উপর ২০ শতাংশ মূল্য ছাড়। এ সময়ে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক আয়োজন লেগেই থাকে। তাই সাশ্রয়ী কেনাকাটায় কাঙ্ক্ষিত যেকোনো পোশাক মিলবে বিশাল সংগ্রহ থেকে। এ ছাড়াও প্রিয়জনকে উপহার দিতে পোশাকের থাকে বিশেষ চাহিদা। পুরোনোর সঙ্গে নতুন কালেকশনও মিলবে।

ছবি : কে ক্রাফট
ছবি : কে ক্রাফট

মেয়েদের পোশাকের বিশাল সংগ্রহে থাকছে- সালোয়ার কামিজ, শাড়ি, টপস, টিউনিক, কটি, টপস- স্কার্ট ও অন্যান্য অনুসঙ্গ। ছেলেদের জন্য ক্যাজুয়াল শার্ট, ফতুয়া, পলো, টি-শার্ট, ডেনিম জিন্স, কটি ছাড়াও পাবেন রেগুলার ও ফিটেড পাঞ্জাবি । কিডস কর্নারে থাকছে ছোট মনিদের জন্য সকল ধরনের পোশাক।

বিভিন্ন রঙে প্রিন্ট, হাতের কাজ এবং উইভিং ডিজাইনে করা শাল পাওয়া যাবে, যা এই শীতের জন্য বেশ উপযোগী। এ ছাড়াও থাকছে অন্যান্য শীতের পোশাক।

ছবি : কে ক্রাফট
ছবি : কে ক্রাফট

কে ক্র্যাফট- এর সকল শো-রুম (দেশীদশ ছাড়া ) থেকেই বিশেষ ছাড়ে কেনাকাটার সুবিধা পাবেন। ঘরে বসে মূল্য ছাড়ে পছন্দের পোশাক অর্ডার করতে পারেন অনলাইন স্টোর kaykraft.com থেকে। এ ছাড়া ফেসবুক পেজ থেকেও কেনাকাটা করার সুবিধা রয়েছে।

‘ বাধা আসবে, অতিক্রমের শক্তিও থাকতে হবে ‘

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

শিখা খাতুন সবসময় চাইতেন নিজেকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার। ছোটবেলা থেকেই কখনো অলস সময় পার করতে পছন্দ করতেন না। কোনো না কোনো কাজের মধ্যে নিজেকে ডুবিয়ে রাখতেন। স্বাবলম্বী হওয়ার এই তীব্র জেদ আজ তাকে উদ্যোক্তা হিসেবে সমাজে সুপ্রতিষ্ঠিত করেছে।

ঢাকার খিলগাঁও তালতলায়, অধরা বিউটি জোন নামে তার একটি নিজস্ব পার্লার রয়েছে। পার্লারের আয় খারাপ নয়। বিউটি আর্টিস্ট হিসেবে এলাকাতে তার একটি সুনামও রয়েছে। শিখা বলেন, ‘ আমার গ্রামের বাড়ি সিরাজগঞ্জ। সেখানে আমার মামার একটি বিউটি পার্লার রয়েছে। সেখান থেকে টুকটাক কাজ শিখি আমি। এরপর অবশ্য আর এই পেশায় কাজ করার সুযোগ হয়নি। নার্সিং পেশায় চলে যাই। তবে বিয়ের পর স্বামীর সঙ্গে কুড়িগ্রাম চলে যাওয়ার কারণে চাকরি ছেড়ে দিতে হয়। এক বছর পর আবার ঢাকায় আসি। যেহেতু আমি কাজ ছাড়া থাকতে পারি না, তাই আমার স্বামী বললেন, বিউটিফিকেশন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র উজ্জ্বলা থেকে প্রশিক্ষণ নেওয়ার জন্য। তিনি আমাকে খুব সহযোগিতা করেছেন এই প্রশিক্ষণ নিতে। এরপর ২০২১ সালের শেষের দিকে উজ্জ্বলায় ভর্তি হই। সম্পূর্ণ কোর্স শেষ করে এখন স্যালন দিয়েছি।’

‘ আসলে উদ্যোক্তা হওয়ার ইচ্ছাটা আমার সবসময়ই ছিল। আমি প্রথমে সাদামাটা চলতে পছন্দ করতাম। তবে আমাদের সমাজে সবকিছুতে একটি শো অফের বিষয় রয়েছে। আমি এটা পারতাম না। আমাকে অনেক অবহেলার শিকার হতে হয়েছে এই জন্য। এই বিষয়টি আমার মধ্যে জেদ তৈরি করে। এই জেদ থেকেও স্বয়ংসম্পূর্ণভাবে কিছু করার ইচ্ছা হয়’, বলছিলেন শিখা।

উদ্যোক্তা হওয়ার পেছনে তাঁর স্বামী ও উজ্জ্বলার অবদানের কথা জানিয়ে শিখা বলেন, ‘ উজ্জ্বলার সহ প্রতিষ্ঠাতা আফরোজা পারভীন আপার কাছ থেকে অনেক মানসিক শক্তি পেয়েছি। আর উজ্জ্বলার ফ্যাকাল্টি সাদিয়া ইসলামের অনেক ভূমিকা রয়েছে আমাকে দক্ষ বিউটি আর্টিস্ট হিসেবে তৈরি করার পেছনে। আর স্বামীর সহযোগিতা তো ছিলই।’

শিখা খাতুন। ছবি : সংগৃহীত
শিখা খাতুন। ছবি : সংগৃহীত

উদ্যোক্তা হওয়ার পথটা এত সহজ ছিল না শিখার। অনেক বাঁধার সম্মুখিনও হয়েছেন। এসব বাঁধা অতিক্রম করেই আজ নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে স্বাবলম্বী হয়েছেন। বললেন, ‘ বিউটি আর্টিস্ট পেশাটিকে এখনো আমাদের সমাজ সহজভাবে নেয় না। একজন মেয়ে পার্লার দিবে, বিষয়টিকে খারাপভাবে চিন্তা করা হয়। যেন পার্লার মানে খারাপ ব্যবসা। যারা এই পেশার মধ্যে দিয়ে উদ্যোক্তা হয়েছেন, তারা কম-বেশি এই সমস্যার মুখোমুখি হয়। ১০০ জনের মধ্যে ১০ জন হয়তো খারাপ হতে পারে, তবে ৯০ জন তো নয় ? এই পেশায় থাকলে একজন মেয়ে যেমন চাকরির সুযোগ পায়, তেমনি নিজে কিছু করতে পারে। স্বনির্ভর হওয়ার জন্য পেশাটি খুবই উপযুক্ত।

যারা এই পেশার মাধ্যমে উদ্যোক্তা হতে চায়, তাদের জন্য শিখা বলেন, ‘ সবার আগে ভালো কাজ জানা দরকার। সম্পূর্ণ কাজ ভালোভাবে না জেনে এবং আত্মবিশ্বাস না তৈরি করে উদ্যোক্তা হওয়া যায় না। আমার কাজ যেন ভালো হয়, মানুষ যেন আস্থা পায়, সেই বিষয়টি তৈরি করতে হবে। অন্যের নেতিবাচক কথাকে পাত্তা দিলে চলবে না। নিজের লক্ষ্যকে স্থির থাকতে হবে। বাধা আসবে, অতিক্রমের মানসিক শক্তিও থাকতে হবে।’

ভবিষ্যতে আরো দক্ষ বিউটি আর্টিস্ট হতে চান শিখা। জানান, শেখার কোনো শেষ নেই। প্রতিনিয়তই শিখছি। নিজের কাজ যেন অনেকের কাছে ছড়িয়ে দিতে পারি, এটাই ইচ্ছা।

বি : দ্র : বাংলাদেশের বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিং ইন্ডাস্ট্রিতে উদ্যোক্তা তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে উজ্জ্বলা লিমিটেড। উজ্জ্বলায় প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এবং সংগ্রাম করে সাফল্য অর্জন করেছেন, এমন কয়েকজন নারী ও পুরুষের সাক্ষাৎকার নিয়ে সাতকাহনের ধারাবাহিক পর্ব চলছে। এই পর্বটি ছিল ৮৬তম। উজ্জ্বলা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন :

https://www.facebook.com/UjjwalaBD

https://www.instagram.com/UjjwalaBD/

ফোন : ০১৩২৪৭৩৪১৫৭

পুরুষের ৩ গুণ, নারীকে আকৃষ্ট করে

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

যাদের মধ্যে সেন্স অব হিউমার বা রসবোধ রয়েছে, সেসব পুরুষ নারীকে বেশি আকৃষ্ট করে। রসবোধের পাশাপাশি পুরুষের দয়ালু মনোভাবও নারীকে তার প্রতি টেনে নিয়ে আসে।

অপরদিকে যেসব পুরুষ দেখতে সুন্দর, তাদের সঙ্গে সাময়িকভাবে মেয়েরা ফ্লার্ট ( প্রেম প্রেম ভাব) করতে পছন্দ করলেও দীর্ঘমেয়াদে সম্পর্কে জড়াতে চায় না। জার্নাল অব পারসোনালিটি অ্যান্ড সাইকোলজিতে প্রকাশিত একটি গবেষণার ফলাফলে এমনই তথ্য ওঠে এসেছে। পুরুষের এমন আরো গুণ, যা নারীকে আকৃষ্ট করে- সেসবের কথা জানিয়েছে বিজনেস ইনসাইডার। চলুন জেনে নিই –

দাড়ি
বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দাড়িওয়ালা পুরুষের প্রতি নারী তীব্র আকর্ষণবোধ করে। দাড়ি পুরুষের সৌন্দর্যকে কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয়। এতে তাদের আরো বেশি শক্তিশালী ও বুনো মনে হয়। আর এই বিষয়টিই নারীর ভালো লাগার কারণ।

উপকারী মনোভাব
দ্যা জার্নাল অব সোস্যাল সাইকোলজির প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যাদের মধ্যে উপকারী মনোভাব রয়েছে, সেই সব পুরুষকে নিয়ে দীর্ঘমেয়াদে ভাবতে চায় মেয়েরা। অর্থাৎ বলা চলে, বিয়ের জন্য এ ধরনের পুরুষই অন্যতম পছন্দ মেয়েদের।

ঝুঁকি নিতে পারে যারা
কাপুরুষ বা ভীতু পুরুষ নারীর কাছে কখনোই আকর্ষণীয় ব্যক্তি নয়। যেই পুরুষের মধ্যে সাহস রয়েছে বা ঝুঁকি নেওয়ার মানসিক শক্তি রয়েছে, সাধারণত তাদের কাছেই নিজেকে সমর্পন করতে চায় মেয়েরা। তাই, এসব গুণ থাকলে আপনাকে নিঃসন্দেহে আকর্ষণীয় পুরুষ বলাই যায়।

- Advertisement -
সাতকাহন
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.