Thursday, May 28, 2026
spot_img
Home Blog Page 69

পুজোর খাবারে ভিন্নধর্মী ২ নিরামিষ

সুপ্রিতী গােস্বামী

পুজোর খাবার মানেই একটু জমপেশ ও ভিন্নধর্মী আয়োজন। পুজোর আয়োজন চলবে, আর নিরামিষ রান্না হবে না তা কী হয় ? তাই, পাঠকদের জন্য রইল নিরামিষের দুইটি ভিন্নধর্মী রেসিপি।

১. মােচার পােলাও কাটারিভোগ চাল দিয়ে

উপকরণ

কাটারিভোগ চাল – ২৫০ গ্রাম
মােচা – ১ টি মাঝারি আকারের
ছোট মটর ডাল – ৫০ গ্রাম
ছোট মটর ডাল – ১ কাপ
আলু – ৬ থেকে ৭ টি
ঘি – ২ চা চামচ
লবণ – স্বাদ মতো
হলুদ – সামান্য
তেজপাতা- ২টি
সয়াবিন তেল পরিমাণমতো
দারুচিনির কাঠি – ২ টি
গোটা জিরা – সামান্য
আদা বাটা – ২ চা চামচ
জিরা বাটা – ২ চা চামচ
ভাজা মসলা ( জিরা, গরম মসলা, লবঙ্গ, ছোট এলাচ ও বড় এলাচ) – ১ চা চামচ
কিসমিস -১০ গ্রাম
শুকনো মরিচ গুঁড়া – ১ চা চামচ

মােচার পােলাও কাটারিভোগ চালে। ছবি : সংগৃহীত
মােচার পােলাও কাটারিভোগ চালে। ছবি : সংগৃহীত

যেভাবে রান্না করবেন

প্রথমে ডাল ভিজেয়ে মিহি করে বেটে নিতে হবে। অন্যদিকে চাল ধুয়ে পানি ঝড়িয়ে নিন। মোচা বেছে, কেটে লবণ দিয়ে সিদ্ধ করে নিন। আলুগুলোকে ছোট টুকরো করে কেটে নিতে হবে।

এবার বেটে রাখা ডালে লবণ ও হলুদ দিয়ে ভালো করে ফেটিয়ে ছোট ছোট বড়া ভেজে নিন। এরপর কড়াইয়ে তেল দিয়ে এতে, গোটা জিরা, তেজপাতা, ছোট এলাচ ফোঁড়ন দিয়ে ভাজুন। একটু ভাজা হলেই এতে আলু দিয়ে লাল করে ভেজে নিন। হয়ে আসলে এতে মোচা দিয়ে আবার ভাজতে হবে। মোচার জল শুকিয়ে গেলে বাটা মসলা, লবণ, হলুদ, শুকনো মরিচ গুঁড়া দিয়ে কষিয়ে নিতে হবে। কষতে কষতে তেল উঠে এলে চাল দিয়ে হালকা ভেজে পানি দিয়ে ঢেকে দিন।

পানি অল্প থাকতেই এতে ভেজে রাখা বড়া, কিসমিস, সামান্য চিনি দিয়ে আঁচ কমিয়ে দিয়ে দমে রাখুন। নামানোর আগে ঘি দিয়ে পরিবেশন করুন গরম গরম মোচা দিয়ে কাটারিভোগ চালের পোলাও।

২. পনিরের চপ

উপকরণ
পনির – ২০০ গ্রাম
বেসন – ১ কাপ
লবণ – পরিমাণ মতো
গরম মসলা গুঁড়া- সিকি চা চামচ
জিরা গুঁড়া- সামান্য
শুকনো মরিচ গুঁড়া- স্বাদ মতো
আমচুর পাউডার- সামান্য
চালের গুঁড়া- ২ চা চামচ
ময়দা- সামান্য
বেকিং পাউডার – সামান্য

পনিরের চপ। ছবি : সংগৃহীত
পনিরের চপ। ছবি : সংগৃহীত

যেভাবে রান্না করবেন

পনিরগুলোকে পছন্দমতো আকারে পাতলা করে কেটে নিন। সব উপকরণ সামান্য তেল দিয়ে পানি দিয়ে ফাটিয়ে ব্যাটার তৈরি করুন।

এরপর কড়াইয়ে তেল দিয়ে সম্পূর্ণ আঁচে গরম করে নিন। ধোঁয়া উঠতে থাকলে আঁচ একদম কমিয়ে কেটে রাখা পনিরগুলো ব্যাটারে ডুবিয়ে তেলে ছেড়ে মধ্যম আঁচে ভাজুন। পনির বাদামি হয়ে এলে কড়াই থেকে নামিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন, ভাত অথবা পোলাওয়ের সঙ্গে ৷

লেখক : রূপ বিশেষজ্ঞ ও রন্ধনশিল্পী

পূজায় শেষ মুহূর্তের কেনাকাটা

0

শাশ্বতী মাথিন

পূজা দোরগোড়ায়। শেষ মুহূর্তের কেনাকাটার পর্ব চলছে এখন। হয়তো গ্রামের বাড়ি যাচ্ছেন, পিসির জন্য একটা শাড়ি বা বড় দিদির জন্য একটা টপস কেনা বাদ পড়ে গেছে। অথবা কয়েক দিন আগে মার্কেটে দেখে এসেছেন একটা সুন্দর নকশার হাফ সিল্ক শাড়ি। তাড়াহুড়ায় সেটা কেনা হয়নি। আজ মনে হলো, সেটি কিনে নিই।

আসলে যে কোনো উৎসবে শেষ মুহূর্তে কেনাকাটাগুলো এমনই। তাই আপনাদের সুবিধার্থে সাতকাহন জানাচ্ছে পূজার বাজারে কী রয়েছে এবার।

ছবি : কে ক্র্যাফট
ছবি : কে ক্র্যাফট

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পূজাকে ঘিরে রয়েছে আরামদায়ক, সময় উপযোগী ও উৎসবধর্মী পোশাকের আয়োজন। মেয়েদের জন্য থাকছে শাড়ি, সালোয়ার-কামিজ, কুর্তি, টপস, টিউনিক, কটি, ওড়না, ওয়ান পিস, টু পিস, স্কার্ট ও অন্যান্য বোটম-ওয়্যার। পোশাকের নকশায় রয়েছে ফ্লোরাল, ওয়াটার লিলি, ট্রাইবাল, আলাম, ইক্কত, মুঘল, ট্র্যাডিশনাল, দুর্গার ফটোচিত্র ও মিক্সড মোটিফের ব্যবহার। প্যাটার্নে ভিন্নতা এনে ক্ল্যাসিক লুকের সঙ্গে রেট্রো লুকের কম্বিনেশনে আনা হয়েছে।

ফ্যাশন হাউস কে-ক্র্যাফটের স্বত্বাধিকারী খালিদ মাহমুদ খান বলেন, ‘পোশাকের জন্য ফেব্রিক নির্বাচনে উৎসবভিত্তিক পরিবেশে স্বস্তিতে থাকাকে প্রাধান্য দিয়ে থাকছে কটন, হ্যান্ডলুম কটন, সুইস কটন, লিনেন, হাফ সিল্ক, জর্জেট, সিল্ক, মম সিল্ক, ডুপিয়ন সিল্ক, কাতান, এলেক্স, অরগাঞ্জা ফেব্রিক। মিডিয়া হিসেবে ব্যবহার হয়েছে হাতের কাজ, এমব্রয়ডারি, স্ক্রিন-ব্লকপ্রিন্ট ও কারচুপির কাজ।’

পূজার পোশাকে রঙের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়েছে রেড, পিঙ্ক, চেরি পিঙ্ক, পাউডার পিঙ্ক, মেরুন, মেজেন্টা, হোয়াইট, অফ-হোয়াইট, ক্রিম, ব্রিক রেড, অরেঞ্জ, স্যালমন অরেঞ্জ, টেন ব্রাউন, মেরি গোল্ড, ল্যাভেন্ডার, নেভি, কোরা, কোরাল রেড, ক্রিমসন রেড, হলুদ, গেরুয়া ইত্যাদি।

ছবি : রঙ বাংলাদেশ
ছবি : রঙ বাংলাদেশ

রঙ বাংলাদেশের কর্ণধার সৌমিক দাস জানান, জন্মলগ্ন থেকেই ক্রেতার পছন্দ, সন্তুষ্টি ও স্বাছন্দ্য ধরে রাখাই রঙ বাংলাদেশের মূল লক্ষ্য। দুর্গোৎসব বাংলার সংস্কৃতির একটি বৃহত্তম অংশ। একসময় দুর্গাপূজার কেনাকাটার জন্য পার্শ্ববর্তী দেশের ওপর পুরোপুরি নির্ভর করা হতো। এই বিষয়টি থেকে বেরিয়ে আসতে যে কয়টি ফ্যাশন হাউস পোশাকশিল্পের নান্দনিক সব সৃষ্টি দিয়ে নির্ভরতা কমিয়েছে, এর মধ্যে রঙ বাংলাদেশ অন্যতম। রঙ বাংলাদেশে এবার আয়োজনে থাকছে অনিন্দ্যসুন্দর সব শাড়ি, সালোয়ার-কামিজ, উত্তরীয়, ব্যাগ, গহনাসহ পোশাক ও অ্যাক্সেসরিজের বিশাল সম্ভার। পাবেন বাবা-ছেলে, মা-মেয়ের ম্যাচিং পোশাক, কাপল প্যাকেজ; ডুয়েট প্যাকেজ আর পরিবারের সকলের জন্য একই ডিজাইনের ফ্যামিলি প্যাকেজ।

ছবি : রঙ বাংলাদেশ
ছবি : রঙ বাংলাদেশ

ফ্যাশন হাউস হরিতকীর ফ্যাশন ডিজাইনার অনিক কুণ্ডু বলেন, ‘দুর্গাপূজায় সব সময় আমরা একটু ভিন্নতা আনার চেষ্টা করি। এবার অনেক শাড়িতে নকশার ক্ষেত্রে আঁচলে ও পাড়ে দুর্গার অবয়ব আনা হয়েছে। ওড়নাতেও আনা হয়েছে একই ধরনের নকশা। এ ছাড়া বিভিন্ন বিখ্যাত ব্যক্তির মুখাবয়বের চিত্রও তুলে ধরা হয়েছে পোশাকে।’

ছবি : হরিতকী
ছবি : হরিতকী

দুর্গাপূজার পোশাকে এবার ছেলেদের জন্য রয়েছে রেগুলার ও ফিটেড পাঞ্জাবি। এ ছাড়া রয়েছে কাট বেইসড একরঙা পাঞ্জাবি। পাঞ্জাবির সঙ্গে পরার জন্য কালেকশনে রয়েছে কাতান, সিল্ক ও কটন কাপড়ে হালকা ও ভারী প্রিন্ট করা কটি। আরও পাওয়া যাচ্ছে স্মার্ট ক্যাজুয়াল শার্ট, অ্যাথনিক শার্ট, ফতুয়া, পলো শার্ট ও টি-শার্ট।

মেয়েশিশুদের জন্য উৎসবভিত্তিক পোশাকে থাকছে সালোয়ার-কামিজ, ফ্রক, কুর্তি, টপস, লেহেঙ্গা সেট ও অন্যান্য পোশাকের সেট। ছেলেশিশুদের জন্য পাঞ্জাবি, শার্ট, কটি, ফতুয়া, পোলো শার্ট, টি-শার্টসহ নানা আয়োজন।

ছবি : হরিতকী
ছবি : হরিতকী

তাহলে আর দেরি কেন? জলদি জলদি সেরে নিন পূজার কেনাকাটা, আর উৎসবের মুহূর্তগুলো করুন আনন্দঘন।

দুর্গাপূজায় ফ্যাশন হাউজ সাতকাহন- এর আয়োজন

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্য অন্যতম ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা। আশ্বিন ও কার্তিক মাসের পূর্ণিমা তিথিতে দুর্গাপূজা পালন করা হয়। দুর্গাপূজায় এবারে সাতকাহন-এর পোশাকে রয়েছে বিশেষ ও বৈচিত্র্যময় আয়োজন।

ছবি : ফ্যাশন হাউজ সাতকাহন
ছবি : ফ্যাশন হাউজ সাতকাহন

সুনিপুণ শৈলীর প্রতিফলন এবারও রয়েছে সাতকাহনের দুর্গাপূজা সংগ্রহে। এবারের পূজার পোশাকে নকশার উৎস হয়েছে বাংলার চিরচেনা ‘প্রকৃতি’। পোশাকের ভেতর রয়েছে শাড়ি, পাঞ্জাবি, সিঙ্গেল কামিজ। সাতকাহন-এর পোশাকে মূলত প্রাধান্য দেওয়া হয় রঙের। এবারও এর ব্যতিক্রম ঘটেনি। প্রায় সব ধরনের উজ্বল রং, যেমন- লাল, সাদা, কমলা, নীল ইত্যাদির রয়েছে বর্ণিল ব্যবহার। ব্লক, স্ক্রিন- প্রিন্ট, হ্যান্ডপেইন্টিং, টাই-ডাই, হ্যান্ড এমব্রয়ডারি, কারচুপি ইত্যাদি ব্যবহার করে ভিন্ন ভিন্ন নান্দনিক রূপ দেওয়া হয়েছে পোশাকে।

পোশাকের মূল উপকরণ কাপড় তৈরি হয়েছে টাঙ্গাইল, মানিকগঞ্জ, নরসিংদী, মিরপুর, উওরা, কুমিল্লা ইত্যাদি বিভিন্ন স্থানে। নিজস্ব তাঁতে বোনা কাপড়ের বুননেও আনা হয়েছে নতুনত্ব। তাঁতের বুননে তৈরি এক্সক্লুসিভ শাড়ির পাশাপাশি হাফসিল্ক, ধুপিয়ান- এর শাড়িতে বিভিন্ন কাজ করা হয়েছে।

ছবি : ফ্যাশন হাউজ সাতকাহন
ছবি : ফ্যাশন হাউজ সাতকাহন

দীর্ঘ ৯ বছরের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে সৃষ্টিশীল ভাবনায় বাংলার ঐতিহ্যকে প্রতিনিয়ত তুলে ধরা হচ্ছে পোশাকের নকশায়। দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে বিশেষ পোশাক প্রদর্শনী চলছে সাতকাহনের উওরা ও বসুন্ধরা শো-রুমে। কেনা যাবে ফেসবুক থেকে https://www.facebook.com/ShatkahonSharee । এ ছাড়া সরাসরি ফোন 1717-466896 করে অর্ডার করতে পারবেন।

ঢাকায় ইউরো রোবটিক সার্জারির বিষয়ে সেশন অনুষ্ঠিত

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

ভারতের অন্যতম মাল্টি স্পেশালিটি হাসপাতাল আর্টেমিস হাসপাতালের আয়োজনে ইউরো রোবটিক সার্জারির বিষয়ে একটি পারস্পারিক সেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গতকাল রবিবার সন্ধ্যায় ঢাকার বনানির একটি হোটেলে সেশনটি পরিচালনা করেন আর্টেমিস হাসপাতালের ইউরোলোজি, কিডনি প্রতিস্থাপন কর্মসূচি ও রোবটিক সার্জারি বিভাগের প্রধান ড. বিক্রম বড়ুয়া কৌশিক। আর্টেমিস হাসপাতালের বাংলাদেশ কান্ট্রি হেড পূজা চ্যাটার্জি সার্বিক সেশনটি সঞ্চালন করেন।

ড. বিক্রম বড়ুয়া কৌশিক গত ২০ বছরের বেশি সময় ধরে ইউরোলজি বিষয়ক অস্ত্রোপচারের অভিজ্ঞতার পাশাপাশি লেজার, মিনিম্যাল ইনভেসিভ ইউরোলজি ও রোবোটিক্স ইউরো সার্জারি বিষয়ে ভারতের অন্যতম এক অগ্রদূত হিসেবে বিবেচিত।

ড. কৌশিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের যুগান্তকারী আবিষ্কার রোবটিক শল্য প্রযুক্তির কর্ম পদ্ধতি ও এর নানা দিক তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘ অনেক জটিল ও সূক্ষ্ম ইউরোলজির অপারেশন সহজসাধ্য হয়ে গেছে রোবটিক প্রযুক্তির কল্যাণে। এই সার্জারিতে ঝুঁকি কম । রক্তপাত নেই বললেই চলে। রোগী দ্রুত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন। এতে হাসপাতালে বেশিদিন থাকতে না হওয়ায় খরচ কম। যদিও তুলনামূলকভাবে রোবটিক সার্জারি সাধারণ সার্জারির চেয়ে ব্যয় সাপেক্ষ। কিন্তু তুল্যমূল্য বিচারে রোগীর জন্য রোবটিক সার্জারি জীবন ঝুঁকি কমিয়ে অনেকটাই স্বস্তি এনে দেয়। প্রস্টেট ক্যানসার,
মূত্রনালির ক্যানসার, কিডনি ক্যানসার, ব্ল্যাডার ক্যানসারের জন্যও এই রোবোটিক প্রযুক্তি দারুণ কার্যকরী।

বাংলাদেশ মেডিক্যাল ভ্যালু ট্রাভেল আলাইন্স (এমভিটি) সদস্যদের জন্যই মূলত এই সেশনটির আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, এমভিটি আল্যায়েন্সের নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য মুরাদ হোসেন, রুনা লায়লা, ফিরোজুল ইসলাম, মোহাম্মদ শাহাদাৎ রশীদ, মো. রফিক – উল – আলম, মারুফ আজাদ, শ্রী রবীন লাল, মুশফিকুর রহমান, ইঞ্জি. মো. মিরাজ হোসাইন সহ চিকিৎসক ও হেলথ কেয়ার পেশাজীবি এবং এমভিটি এলায়েন্সের ঢাকা ও চট্টগ্রামের সদস্যগণ।

লেখালেখিতে অবদানের জন্য ‘স্টেলার উইমেন’ সার্টিফিকেট পেলেন তাহেরা আফরোজ

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

বিল্ডিং টেকনোলজি অ্যান্ড আইডিয়াজ লিমিটেড (বিটিআই) ও দ্য ডেইলি স্টার আয়োজিত ‘বিটিআই–দ্য ডেইলি স্টার স্টেলার উইমেন ২০২৩’-এ লেখক হিসেবে স্বীকৃতি পেলেন তাহেরা আফরোজ।

গত ১৪ অক্টোবর ঢাকায় বিটিআইর সেলিব্রেশন পয়েন্টে এই সার্টিফিকেট দেওয়া হয়। নারীর ক্ষমতায়নকে উদ্বুদ্ধ করতে চলতি বছরে ‘স্টেলার উইমেন’ নির্বাচন শুরু করে বিটিআই ও ডেইলি স্টার। এই উদ্যোগের মাধ্যমে ১২টি ক্যাটাগরিতে ১২ জন নারীকে দেশ ও সমাজে তাদের কাজের মাধ্যমে ভূমিকা রাখার জন্য এই সম্মাননা দেওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় অক্টোবর মাসে ‘লেখালেখি’ বিভাগে পাঁচজনকে মনোনীত করা হয়। লেখালেখিতে অসামান্য অবদানের জন্য সার্টিফিকেট পান কবি ও কথাসাহিত্যিক, আবৃত্তিশিল্পী তাহেরা আফরোজ ।

তাহেরা আফরোজ এক যুগের বেশি সময় ধরে লেখালেখির সঙ্গে জড়িত রয়েছেন। তাঁর প্রথম বই প্রকাশ হয় ২০১৭ সালে। তাঁর কবিতার বই তিনটি– জলতরঙ্গ, এই শহরের রূপকথা, মৃত্যু ক্ষুধা ও প্রেম। গল্পের বই– ঘুণপোকা, হাওয়াই মিঠাই ও সম্পাদিত গল্পগ্রন্থ রিলেরেস। তাঁর প্রকাশিত উপন্যাস তিনটি। আদিভৌতিক উপন্যাস রোজগার্ডেন, সমকালীন উপন্যাস সুরের আগুন, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস বকুল ফুল। তাঁর কলাম সংকলণ দুটো– বইয়ের মানুষের কথা ও নারী দিগন্ত। গীতিকার হিসেবেও নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। দেশবরেণ্য কণ্ঠশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিনের কণ্ঠে তাঁর লেখা একটি গান অবমুক্ত হয়েছে এই বছর নারী দিবসে। এ ছাড়াও মেঘদূত সাহিত্য পত্রিকার প্রধান সম্পাদক তিনি।

২৪তম বিসিএস কর্মকর্তা তাহেরা আফরোজ বর্তমানে গভর্নমেন্ট কলেজ অব অ্যাপ্লাইড হিউম্যান সায়েন্সের সমাজবিজ্ঞান বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত। তিনি মেঘদূত লেখক পর্ষদের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে যুক্ত রয়েছেন।

পূজার সাজের সেকাল-একাল

সুপ্রিতী গোস্বামী

পূজার সেকালের সাজ বলতেই মা, ঠাকুমা, পিসিমাদের ছবি ভেসে ওঠে চোখের সামনে। পুজায় সব সময় কলকাতার বনেদি সাজের একটা ছোঁয়া থাকত তাদের ভেতর।

বিশ্বায়নের কারণে মা-ঠাকুরমাদের টিভি দেখে অনুসরণের সুযোগ তখন সবে শুরু। তাই তারা পরিচিত হতেন মটকা, গরদ কিংবা বালুচুরি শাড়ির সঙ্গে। এসবের পাশে থাকত দেশীয় জামদানি, টাঙ্গাইলের তাঁত, রাজশাহী সিল্ক ইত্যাদি।

পূজার সকালে অঞ্জলি দিতে বা দশমীতে দেবী দুর্গাকে বরণ করতে তাঁরা ব্যবহার করতেন গরদ কিংবা মটকার ঘিয়ে অথবা সাদা রঙের লাল পেড়ে শাড়ি। এক পেঁচে শাড়ির সঙ্গে পরতেন বনেদি সোনার গয়না, বড় কানপাশা, মোব চেইন, হাতে মগর মুখ বালা। সঙ্গে থাকত পায়ে আলতা, কপালে লাল বড় টিপ, মাথায় খোঁপা আর সিঁথিভর্তি সিঁদুর; ঠোঁটে হালকা রঙের লিপস্টিক, চোখে হালকা কাজল।

ক্যাপশন : পূজার সাজের সেকাল। মডেল : সুপ্রিতী গোস্বামী। ছবি : সংগৃহীত
ক্যাপশন : পূজার সাজের সেকাল। মডেল : সুপ্রিতী গোস্বামী। ছবি : সংগৃহীত

তাদের সময় মেকআপ প্রসাধনীর এত ব্যবহার ছিল না। সেই তথাকথিত তিব্বত বা ফেয়ার অ্যান্ড লাভলী অথবা নিভিয়া ক্রিমের সঙ্গে যে কোনো ট্যালকম পাউডারের ব্যবহারই ছিল তাদের একমাত্র পছন্দ।

এ ছাড়া অন্যান্য সময় প্রতিমা দর্শনে বের হলে দেশীয় টাঙ্গাইল, জামদানি, বালুচুরি বা রাজশাহী সিল্কই থাকতে দেখা যেত তাদের পরনে। সাধারণ কুচি করে আঁচল ছেড়ে, আঁটসাঁট খোঁপা অথবা বেণি করে সেই ট্র্যাডিশনাল সাজেই সাজতেন তারা।

সময়ের পরিবর্তনে সাজ ও প্রসাধনীর পরিবর্তন আসে। বিভিন্ন মিডিয়ার সহজ প্রবাহের মাধ্যমে ঊনবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি তখনকার যুগের মানুষ জানতে পারে বহির্বিশ্বের রূপচর্চা ও ফ্যাশন সম্পর্কে। বাংলাদের বিউটি ইন্ডাস্ট্রিতে সেই সময় আসে আমূল পরিবর্তন।

ক্যাপশন : পূজার সাজের সেকাল। মডেল : সুপ্রিতী গোস্বামী। ছবি : সংগৃহীত
ক্যাপশন : পূজার সাজের সেকাল। মডেল : সুপ্রিতী গোস্বামী। ছবি : সংগৃহীত

পূজার সাজ মানেই সেই সময় নজর কাড়ে; কারচুপির শাড়ি, কুন্দনের শাড়ি, বিভিন্ন ধরনের সিল্ক ও জর্জেট শাড়ি। সঙ্গে কারচুপির সালোয়ারও যুক্ত হয়। দেখা যায়, দেবীর বরণে বা দশমীতে ট্র্যাডিশনাল লাল-সাদা থাকলেও গরদ ও মটকা শাড়ির ব্যবহার কমতে থাকে; ব্যবহার হয় সাদা-লাল সুতি, সিল্ক, জর্জেটসহ বিভিন্ন শাড়ি। সাজেও আসে পরিবর্তন। ব্যবহার হয় বেজ মেকআপ, আর কালার কারেকশন হিসেবে হলুদ প্যানকেক বা প্যান স্টিক। গায়ের রঙের শেড থেকে এক বা দুই শেড বাড়িয়ে ব্যবহার করা হতো এই প্যানকেক অথবা প্যান স্টিক। এর ওপর কমপ্যাক্ট পাউডার দিয়ে সেট করে গালে গোলাপি অথবা ব্রাউন ব্লাশন ব্যবহার করা হতো। ঠোঁটে ব্যবহার হতো সেমিগ্লসি লিপস্টিক, চোখে কাজল, চুলে খোঁপা, তাতে বাহারি গাজরা। সে সময় সোনার গয়নার চল কম হতে দেখা যায়। ব্রোঞ্জ বা ইমিটিশনের গয়নার ব্যবহারই বেশি থাকত ৷

রাতের সাজে থাকত ভিন্নতা। বেজ মেকআপ, প্যানকেক বা প্যান স্টিক ব্যবহারে একটু ভারী করা হতো দিনের তুলনায়। পরনে ভারী পোশাকের সঙ্গে মানানসই আইশ্যাডো, গ্লিটার আইশ্যাডো, চোখ আকর্ষণীয় করতে ব্যবহার হতো আইলাইনার ও মাশকারা ৷

তখনকার সময় চুল ছোট করে কেটে ছেড়ে রাখতেই বেশি দেখা যেত। তখন মেকআপে কন্টেরিং খুব গাঢ় ব্যবহার হলেও হাইলাইটারের ব্যবহার দেখা যেত না। তবে কপালে পোশাকের সঙ্গে ম্যাচ করে পাথরের টিপ থাকত–– লম্বা গোল বা চৌক ধরনের এবং সিঁদুর তখন বেশি লম্বা টানা করে পরা হতো না।

এবারের পূজার সাজ

ক্যাপশন : পূজার সাজের একাল। মডেল : সুপ্রিতী গোস্বামী। ছবি : সংগৃহীত
ক্যাপশন : পূজার সাজের একাল। মডেল : সুপ্রিতী গোস্বামী। ছবি : সংগৃহীত

সময় যেন ঘুরেফিরে আবার আগের জায়গায় গিয়ে পৌঁছে গেছে, আবারও সেই ট্র্যাডিশনাল ধারা ফিরে আসছে। আবার চাহিদার শীর্ষে সেই জামদানি, সিল্ক, মসলিনসহ নানান দেশীয় শাড়ি। বর্তমান অবস্থায় মেকআপ প্রসাধনীতে অনেক ভ্যারাইটি থাকা সত্ত্বেও মানুষ সেই প্রসাধনী ব্যবহার করেই মা-ঠাকুমাদের মতো ন্যাচারাল লুকেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে।

যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আপনিও এবারের পূজায় সাজতে পারেন সেই হালকা ও বনেদি সাজে। প্রথমে ত্বকের ধরন অনুযায়ী কারেক্ট খুব হালকাভাবে দিয়ে, এতে ত্বকের ধরন অনুযায়ী সেই টোনে ফাউন্ডেশন ও ওয়াটার প্রুফ সেটিং পাউডার দিয়ে সেট করুন। আই ব্রো চুলের চেয়ে এক বা দু শেড হালকা বাদামি ফিলার দিয়ে ফিল করে নিন। ম্যাট আইশ্যাডো অথবা লাইট সিমারি আইশ্যাডো ব্যবহার করতে পারেন।

দিনের বেলায় ম্যাটটাই ব্যবহার করা হয় বেশি এবং চোখে কাজল আর রাতে হলে কালজ আইলাইনারের সঙ্গে থাকে একটু ন্যাচারাল সিমার। ব্লাশনেও খুব ন্যাচারাল টোনের প্রাধান্য দেওয়া হয়। যেমন : পিচ, লাইট পিংক, লাইট ব্রাউন। তারপর হাইলাইটার।

 

ক্যাপশন : পূজার সাজের একাল। মডেল : সুপ্রিতী গোস্বামী। ছবি : সংগৃহীত
ক্যাপশন : পূজার সাজের একাল। মডেল : সুপ্রিতী গোস্বামী। ছবি : সংগৃহীত

যারা একটু সাদা টোনের, তারা সিলভার বা পিচ সিলভারের মিশ্রণে হাইলাইটার ব্যবহার করতে পারেন। পাশাপাশি যারা একটু গাঢ় টোনের, তারা গোল্ডেন বা গোল্ডেন ব্রাউন হাইলাইটার ব্যবহার করতে পারেন। লিপস্টিপ হিসেবে দিনের বেলায় হালকা রঙের সেমিম্যাট অথবা ম্যাট লিপস্টিপ ব্যবহার করা যেতে পারে এবং রাতে একটু গ্লোসি গাঢ় রং ব্যবহার করুন। ব্রাউন বা স্মোকি আই সব পোশাকের সঙ্গেই মানানসই। সেটি দেবীবরণে সাদা–লাল শাড়িতে হোক কিংবা রাতের পার্টি শাড়িতে। আবার কালো, সবুজ, সাদা, হলুদ, লাল, মেরুন ইত্যাদি বিভিন্ন রঙের পোশাকের সঙ্গে মানিয়ে যায় এই সাজ।

সাজের পরিপূর্ণতা আসে চুলেই। বর্তমান যুগে যেমন হেয়ার স্টাইলে এসেছে অসংখ্য পরিবর্তন এবং যুক্ত হয়েছে অনেক নতুন নতুন স্টাইল। তাই বন্ধ-গলা ব্লাউজে চুল ব্লোড্রার করে ছেড়ে দিলেই বেশ মানানসই লাগে। আবার সামনে হালকা পাফ করে ট্র্যাডিশনাল হেয়ার বানও করতে পারেন। তবে বরণের সময় বা দশমীতে সাদা-লাল শাড়ির সঙ্গে গোল গলা ব্লাউজেও এই ট্র্যাডিশনাল বান বেশ মানাবে। সঙ্গে থাকতে পারে শুভ্র বেলি অথবা কাঠ বেলির গাজরা।

আবার পার্টি শাড়ি অথবা যে কোনো পোশাকের সঙ্গে পনিটেইল করে কার্ল করলেও খুব সুন্দর মানায় এবং স্মার্ট দেখায়। অথবা একদম ঘাড়ের কাছে নিচু করে খোঁপাও করে নেওয়া যেতে পারে। এটিও বেশ মানায়। আর অল্প বয়সী বা টিনএজরা চাইলেই পার্টি ড্রেস অথবা শাড়ির সঙ্গে চুল স্ট্রেট করে ঘুরতে পারে অনায়াসে।

বাড়তি টিপস

১. মেকআপের আগে ত্বকের ধরন অনুযায়ী টোনিং ও ময়েশ্চারাইজিং করে নেবেন।
২. মেকআপ করার আগে সুন্দর করে ফেস ডাবল ক্লিনজিং করে নিন।
৩. অয়েলি স্কিন হলে ম্যাট ফাউন্ডেশন ব্যবহার করুন।
৪. শুষ্ক ত্বকে অয়েল বেজ ফাউন্ডেশন ব্যবহার করতে হবে।

পুজোর আগেই প্রাণবন্ত চুল ৫ উপায়ে

সুপ্রীতি গোস্বামী

পুজোর দিন চুলকে একটি সুন্দর লুক দিতে কিন্তু আগে থেকে যত্ন নেওয়াটা ভীষণ জরুরি। তাহলে পুজোর দিনগুলোতে যেকোনো স্টাইলে, যেকোনোভাবেই নিজেকে উপস্থাপন সহজ হয়।

১. চুলকে আকর্ষণীয় করতে প্রথমেই প্রয়োজন মানানসই একটি হেয়ারকাট। পুজাের আগেই সেরে নিন এটি।

২. চুলকে প্রাণবন্ত করতে সপ্তাহে দুদিন ঘরে করে ফেলুন হেয়ার স্পা। হেয়ার স্পা করতে লাগবে – দুধ চার থেকে পাঁচ চা চামচ, ডিম একটি, কলা একটি , নারকেল তেল দুই চা চামচ , অ্যালোভেরা জেল এক চা চামচ, ভিটামিন ই ক্যাপসুল একটি ( চুলের দৈর্ঘ্য বেশি হলে পরিমাণ বাড়িয়ে নিতে পারেন।)

সবগুলো উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে রেখে দিতে হবে আধা ঘণ্টা। এরপর চুলে লাগিয়ে অপেক্ষা করতে হবে ৪০ থেকে ৫০ মিনিট। পরে হালকা ধাঁচের কোনো শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন।

৩. চুল হালকা শুকানোর পর স্ট্রাকচার অনুযায়ী হেয়ার সিরাম ব্যবহার করুন। রং করা চুলে কালার প্রটেকটিভ সিরাম ব্যবহার করতে হবে।

৪. চুলে সপ্তাহে অন্তত দুদিন অয়েল ম্যাসাজ করুন। এই ক্ষেত্রে আমন্ড অয়েল, ক্যাস্টর অয়েল, রোজমেরি অ্যাসেন্সিয়াল অয়েল ও নারকেল তেল ব্যবহার করতে পারেন।

একটি বাটিতে গরম পানি নিয়ে, অন্য একটি বাটিতে সব তেল সমপরিমাণে মিশিয়ে এতে রোজমেরি আসেন্সিয়াল অয়েল দুফোঁটা মিশিয়ে গরম পানির বাটিতে বসিয়ে হালকা গরম করে নিয়ে আঙ্গুলের ডগা দিয়ে মাথার স্কাল্পে ভালোভাবে ম্যাসাজ করুন। এটি করতে হবে অন্তত ১০ থেকে ১৫ মিনিট। এতে মাথার স্কেল্পে রক্ত সঞ্চালন বাড়বে, চুল পড়া কমবে। নতুন চুল গজাতেও সাহায্য হবে। পাশাপাশি রুক্ষ চুল নরম করতে সাহায্য করবে এই পদ্ধতি।

৫. যাদের রিবন্ডিং হেয়ার তাদের জন্য বাড়তি যত্নের প্রয়োজন। অ্যালোভেরা জেল, নারকেল তেল ও ভিটামিন ই ক্যাপসুল একসঙ্গে মিশিয়ে সম্পূর্ণ চুলে ম্যাসাজ করে রেখে দিতে হবে ২০ মিনিট। এরপর মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে চুলে জেল্লা আসবে। সপ্তাহে অন্তত চার দিন এই পদ্ধতি অনুসরণ করুন।

সচেতনতা বাড়িয়ে স্তন ক্যানসার ঠেকানো সম্ভব

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

স্তন ক্যানসার সচেতনতার মাধ্যমে প্রাণঘাতী এই রোগ থেকে মৃত্যু ঠেকানো সম্ভব বলে মনে করেন বাংলাদেশ স্তন ক্যানসার সচেতনতা ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান সমন্বয়কারী অধ্যাপক ডা. হাবিবুল্লাহ তালুকদার রাসকিন।

আজ মঙ্গলবার, ১০ অক্টোবর, আইইডিসিআর (পুরাতন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সংলগ্ন) নতুন মিলনায়তনে বাংলাদেশ স্তন ক্যানসার সচেতনতা ফোরাম আয়োজিত আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন সাবেক স্বাস্থ্য সচিব এএফএম সরওয়ার কামাল, সাবেক স্বাস্থ্য সচিব সিরাজুল ইসলাম, বারডেমের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. শুভাগত চৌধুরী, জন হপকিনস ইউনিভার্সিটির অধাপক ডা. হালিদা হানুম আক্তার, বিশিষ্ট সঙ্গীতশিল্পী সামিনা চৌধুরী, প্রশিকার চেয়ারম্যান কবি রোকেয়া ইসলাম, কমিউনিটি অনকোলজি সেন্টার ট্রাস্টের চেয়ারপার্সন মুসারাত জাহান সৌরভ, আইইডিইআর এর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক অধ্যাপক ডা. জাকির হাবিব এবং ব্রেস্ট ক্যানসার অ্যাওয়ারনেস ফোরামের সমন্বয়কারী (যোগাযোগ) ইকবাল মাহমুদ, সমন্বয়কারী (অর্থ) মাহবুব শওকত, সমন্বয়কারী (মিডিয়া) জান্নাতুল ফেরদৌস মানু।

গ্লোবোকনের তথ্য তুলে ধরে ডা. রাসকিন বলেন, ‘প্রতি বছর বাংলাদেশে প্রায় ১৩ হাজার নারী নতুন করে নিরব ঘাতক স্তন ক্যানসার আক্রান্ত হন। মারা যান প্রায় আট হাজার। আক্রান্তের তুলনায় মৃত্যুহার অত্যন্ত উদ্বেগজনক। সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্যানসার সম্পর্কে সচেতনতার অভাব, নারীদের সংকোচবোধ আর দেরিতে চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার কারণে এত বেশি মৃত্যু হয়ে থাকে।

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে সার্বিকভাবে ক্যানসার নির্ণয় ও চিকিৎসা ব্যবস্থা অপ্রতুল ও ব্যয়বহুল। স্তন ক্যানসার প্রতিরোধ, প্রাথমিক অবস্থায় নির্ণয় ও ক্যানসার স্ক্রিনিংয়ের কোনো জাতীয় কর্মকৌশল, কর্মপরিকল্পনা ও কর্মসূচি নেই। এ বাস্তবতায়, ২০১৩ সালে স্তন ক্যানসার প্রতিরোধ নিয়ে কাজ শুরু করে স্তন ক্যানসার সচেতনতা ফোরাম। গত দশ বছর দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ফোরামের উদ্যোগে দিবসটি পালন করা হচ্ছে।

স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি ও সুরক্ষা, সূচনায় নির্ণয় ও স্ক্রিনিং এর উপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে সবার সচেতনতা তৈরি করতে এবারেও সড়ক শোভাযাত্রার আয়োজন করেছে সংগঠনটি।

যাদের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ ও সহযোগিতায় স্তন ক্যানসার অ্যাওয়ারনেস ফোরাম এর সচেতনতা মূলক কর্মসূচি বিস্তৃতভাবে প্রচার ও প্রসার হয়েছে, এমন ১০ জন মিডিয়া কর্মীকে সম্মাননা (কৃতজ্ঞতা) স্মারক প্রদান করা হয়।

- Advertisement -
সাতকাহন
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.