Sunday, September 27, 2026
spot_img
Home Blog Page 72

বিউটিফিকেশন প্রশিক্ষণ নিয়ে স্বনির্ভর তানিয়া

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

ছোটবেলায় বাবা মারা যায় ময়মনসিংহের মেয়ে তানিয়া আক্তারের। পাঁচ বোন দুই ভাইয়ের মধ্যে সবচেয়ে ছোট তিনি। আর্থিক অনটনে পড়ে কেবল পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়ার সুযোগ পান। ছোটবেলাটা খুব কষ্টে কাটে। কখনো খেতে পেতেন, কখনো পেতেন না। সবসময় ভাবতেন নিজেকে স্বাবলম্বী করতে হবে। নিজের পায়ে দাঁড়াতে হবে।

এরপর জয়িতা ফাউন্ডেশন ও উজ্জ্বলার যৌথ উদ্যোগে হওয়া একটি বিউটিফিকেশন প্রশিক্ষণে অংশ নেন তিনি। ১০ দিন ব্যাপি হওয়া বিনামূল্যের এই প্রশিক্ষণ তাঁর জীবনকে অনেকটাই বদলে দিতে সাহায্য করে। বর্তমানে তিনি একটি স্থানীয় পার্লারে কর্মরত রয়েছেন।

‘আমার ছোটবেলাটা খুব যন্ত্রণার ছিল। লেখাপড়া বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর মনে হয় কীভাবে জীবনকে এগিয়ে নেব। দরিদ্র হওয়াটা একটা অভিশাপের মতো লাগছিল। তবে সবসময় চেয়েছি স্বাবলম্বী হতে। ভাবতাম, এই অবস্থা থেকে উঠে আসতে, কী করা যায়? তখনই উজ্জ্বলা ও জয়িতা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে হওয়া এই বিউটিফিকেশন কোর্স শুরু হয়। এটি আমার জীবনে নতুন সম্ভাবনার পথ খুলে দেয়’, বলছিলেন তানিয়া।

তানিয়া আক্তার। ছবি : সংগৃহীত
তানিয়া আক্তার। ছবি : সংগৃহীত

‘এই প্রশিক্ষণটি আমার সাহস জুগিয়েছে। এটি নিয়ে আমি অনেকদূর এগিয়েছি। যতটুকু বাকি রয়েছে চেষ্টা করছি শেষ করার জন্য। উজ্জ্বলা আমাকে একা চলতে শিখিয়েছে, হাসতে শিখিয়েছে, বাঁচতে শিখিয়েছে। আমাদের মতো মেয়েদের জন্য এই ধরনের প্রশিক্ষণগুলো খুবই জরুরি। সরকারের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি ‘ – বলেন তানিয়া।

ভবিষ্যতে নিজের একটি পার্লার দেওয়ার স্বপ্ন দেখেন ১৯ বছর বয়সী এই তানিয়া। পরিবারকে আর্থিকভাবে সাহায্য করতে চান। তানিয়া জানান, আমি চাই সম্পূর্ণভাবে একজন কর্মজীবী ও স্বাবলম্বী নারী হতে। মানুষ যেন আমায় দেখে শেখে এবং বলে, ‘এই মেয়েটি অনেক কষ্ট করে এখানে এসেছে’।

বি : দ্র : বাংলাদেশের বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিং ইন্ডাস্ট্রিতে উদ্যোক্তা তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে উজ্জ্বলা লিমিটেড। উজ্জ্বলায় প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এবং সংগ্রাম করে সাফল্য অর্জন করেছেন, এমন কয়েকজন নারী ও পুরুষের সাক্ষাৎকার নিয়ে সাতকাহনের ধারাবাহিক পর্ব চলছে। এই পর্বটি ছিল ৮১তম। উজ্জ্বলা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন :

https://www.facebook.com/UjjwalaBD

https://www.instagram.com/UjjwalaBD/

ফোন : ০১৩২৪৭৩৪১৫৭

উজ্জ্বলার কারণে স্বপ্ন বাস্তব হয়েছে

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

অনেক পার্লারেই বিশেষজ্ঞ বিউটি আর্টিস্ট না থাকায় এমনভাবে ফেয়ার পলিস, ফেসিয়াল, ম্যাসাজ করে, যে ত্বকের উপকার তো হয়ই না, উল্টো ক্ষতি হয়। এই বিষয়টি খুব ভাবিয়েছিল ঢাকার মেয়ে সুইটি বেগমকে।

তাই একটু সচেতন হবার পর থেকেই ভাবতেন একজন বিশেষজ্ঞ বিউটি আর্টিস্ট হবেন। আর সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে, তাকে সহযোগিতা করে বিউটিফিকেশন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র উজ্জ্বলা। ২০২২ সাল থেকে উজ্জ্বলায় কোর্স করেন তিনি। বছরখানেকের মধ্যেই নিজের একটি স্যালন দেন। বিউটি আর্টিস্ট হয়ে নিজেকে একজন স্বাবলম্বী ও উদ্যোক্তা হিসেবে তৈরি করেন।

‘ জীবনে এমন কিছু ঘটনা ঘটেছিল, যা আমাকে খুব ভেঙে ফেলে। তখন মনে হলো, নিজের পায়ের মাটি দুর্বল, শক্ত করতে হবে। আর বিউটিফিকেশন নিয়ে আমার ভাবনা যেহেতু আগে থেকেই ছিল, তাই ভাবলাম এই পেশাতে আসবো। বিশেষজ্ঞ হয়ে উঠতে পারলে বিউটি আর্টিস্ট হওয়া একজন নারীর জন্য অনেক ভালো একটি পেশা’, বলছিলেন সুইটি।

‘আমার স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে উজ্জ্বলা অনেক সাহায্য করেছে এবং আমার চলার পথকে মসৃণ করতে প্রতিষ্ঠানটির ভূমিকা অনেক। আমার ছোট একটি সন্তান রয়েছে। তাকে নিয়ে কীভাবে কাজ করবো, প্রশিক্ষণ নেবো- ভেবে পাচ্ছিলাম না। তবে আমার বাচ্চাকে উজ্জ্বলায় নিয়েই আমি প্রশিক্ষণটি করেছি। বাচ্চা একদিকে থাকতো। আমি আরেকদিকে প্রশিক্ষণ নিতাম। আমার বাচ্চাটি তাদের অনেক বিরক্ত করছে। তবে তারা বিরক্ত হতেন না। একজন নারীকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য উজ্জ্বলার এই যে সহযোগিতা, এটা আমার চিরদিনই মনে থাকবে। এখন পর্যন্ত উজ্জ্বলায় যতগুলো কোর্স করেছি, সবগুলো সফলভাবে করতে পেরেছি। ভালোভাবে বুঝেছি প্রতিটি বিষয়। শিক্ষকরাও খুব আন্তরিক ছিলেন’, বলেন সুইটি।

সুইটি স্বপ্ন দেখেন বাংলাদেশের প্রতিটি জেলায় তার পার্লারের একটি করে ব্র্যাঞ্চ হবে। বিউটি আর্টিস্ট হিসেবে তাকে অনেক মানুষ চিনবে এবং তাঁর কাজে সন্তুষ্ট হবেন। সুইটি বলেন, ‘বর্তমানে আমার স্যালনটি ভালোভাবেই এগোচ্ছে। নিজের পার্লারের মাধ্যমে শত শত মেয়ের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবো, এটাই এখন আশা’।

বি : দ্র : বাংলাদেশের বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিং ইন্ডাস্ট্রিতে উদ্যোক্তা তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে উজ্জ্বলা লিমিটেড। উজ্জ্বলায় প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এবং সংগ্রাম করে সাফল্য অর্জন করেছেন, এমন কয়েকজন নারী ও পুরুষের সাক্ষাৎকার নিয়ে সাতকাহনের ধারাবাহিক পর্ব চলছে। এই পর্বটি ছিল ৮০তম। উজ্জ্বলা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন :

https://www.facebook.com/UjjwalaBD

https://www.instagram.com/UjjwalaBD/

ফোন : ০১৩২৪৭৩৪১৫৭

মেয়ের কণ্ঠে মায়ের গান

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিনের কন্যা ইয়াসমিন ফাইরুজ বাঁধন নতুন করে কণ্ঠ দিয়েছেন মায়ের গানে। সম্প্রতি তিনি ‘আই মিডিয়া’ ইউটিউব চ্যানেলের জন্য মায়ের গাওয়া সেরা সাতটি গানে কণ্ঠ দেন।

গানগুলো হলো- প্রেমে পড়েছে মন, তোমার দুনিয়া দেখিয়া শুনিয়া, ও আমার রসিয়া বন্ধুরে, আমি আছি থাকবো, মনটা যদি খোলা যেত, অশ্রু দিয়ে লেখা এ গান এবং এই মন তোমাকে দিলাম।

সংগীত নিয়ে এগিয়ে যাওয়া প্রসঙ্গে বাঁধন জানান, আমার মা কিংবদন্তি শিল্পী সাবিনা ইয়াসমিনের গান উপমহাদেশে অত্যন্ত জনপ্রিয়। আমি সৌভাগ্যবতী তাঁর মেয়ে হয়ে। মায়ের অসংখ্য জনপ্রিয় গান থেকে সাতটি বাছাই করে গাওয়া খুবই দুঃসাহসী বিষয়টি ছিল। আশা করছি, গানগুলো শ্রোতাদের ভালো লাগবে।

এর কিছুদিন আগে অজয় মিত্রের সংগীত পরিচালনায় মৌলিক গান ‘পরবাস’ প্রকাশ হয় বাঁধনের।

শীতে বাড়তে পারে বিষণ্ণতা ; প্রতিরোধ করুন এভাবে

সায়মা আক্তার

শীতের আগমনে সচরাচর আমাদের চোখে ভেসে উঠে সূর্যের নরম আলো, নানা রকমের পিঠা, কুয়াশার ছবি ইত্যাদি। তবে অনেকেই রয়েছেন, যাদের শীত ঋতুর সঙ্গে এত নরম, উষ্ণ ভালোলাগার গল্প নেই। এ সময় অনেকেই তীব্রভাবে বিষণ্ণতায় ভোগেন।

এই শীতকে কেন্দ্র করে বিশেষ কিছু মানসিক লক্ষণ তৈরি হলে মনোবিজ্ঞানীরা তাকে বলছেন সিজনাল এফেক্টিভ ডিপ্রেশন বা উইন্টার ডিপ্রেশন।

শীতকালীন বিষণ্ণতায় ভুগছেন, কীভাবে বুঝবেন ?

বিষণ্ণতার মূল দুটো লক্ষণ রয়েছে। যথা : ১. সবসময় মন খারাপ থাকা, ২. কোনো কাজে আগ্রহ না পাওয়া। ডিএসএম ৫ অনুযায়ী, শীতকালীন বিষণ্ণতার ক্ষেত্রে এগুলো মধ্যে অন্তত যেকোনো একটি থাকতে হবে।

পাশাপাশি নিচের লক্ষণগুলোর মধ্যে যেকোনো ৫টি লক্ষণ থাকবে। যেমন :

  •  মানসিক অবস্থার পরিবর্তন : দিনের বেশির ভাগ সময় বিষণ্ণ মেজাজ, সমস্ত কার্যকলাপের প্রতি আগ্রহ বা আনন্দ লক্ষণীয়ভাবে কমে যাওয়া, অতীত নিয়ে নেতিবাচক চিন্তা করা, অপরাধবোধ, আত্মহত্যার চিন্তা এবং মনোযোগ দিতে না পারা।
  • শারীরিক লক্ষণ : খাবারের রুচি না থাকা, ক্লান্ত লাগা, ঘুম বেড়ে যাওয়া বা কমে যাওয়া।
  • সিজনাল এফেক্টিভ ডিপ্রেশনের যেসব লক্ষণ রয়েছে, সেগুলো হলো : বিষণ্ণতার উপসর্গগুলো শুধুমাত্র শীতের সময়ই থাকে; অন্য ঋতুতে এগুলো অনুপস্থিত। পাশাপাশি এসব লক্ষণ টানা দুই বছর ধরে দেখা যাচ্ছে।

কেন হয় ?

এই ধরনের লক্ষণ কেন হয় তা নিতে বেশ মতভেদ রয়েছে। ন্যাশনাল লাইব্রেরি অব মেডিসিনের রিপোর্ট অনুযায়ী প্রকাশিত একটি গবেষণায় এই লক্ষণ তৈরি হওয়ার কারণগুলো আলোচনা করা হয়েছে। এখানে শারীরিক কারণ হিসেবে সেরোটোনিন কমে যাওয়া এবং মেলাটোনিন বেড়ে যাওয়ায় শরীরের অভ্যন্তরীণ অবস্থাকে প্রভাবিত করে।

সেই সঙ্গে সূর্যের আলো শরীরের না লাগার কারণে শরীরের ভিটামিন ডি তৈরি হতে পারে না। তবে সেরোটোনিন, মেলাটোনিন, সার্কাডিয়ানরিদম, ভিটামিন ডি ও এসএডি-এর মধ্যে কার্যকরণ সম্পর্ক এখনও নিশ্চিত করা যায়নি।
তবে এই মূল কারণগুলোর মধ্যে সম্পর্ক পাওয়া গেছে। আরো গবেষণা চলছে।

প্রতিরোধ

  • নিয়মিত সূর্যের আলোতে কিছু সময় বসুন।
  • বিষণ্ণতার লক্ষণই হচ্ছে কিছু করার আগ্রহ না হওয়া। তাই নিজেকে মনে করিয়ে দিন যে এই লক্ষণগুলো তৈরি হতে পারে।আপনার ছোট ছোট চেষ্টা আপনাকে বিষণ্ণতা থেকে বের হতে সাহায্য করবে।
  • দিনের কাজগুলোকে ৩টি ভাগে ভাগ করে ফেলুন; ১. দৈনন্দিন কাজ, ২. প্রয়োজনীয় কাজ, ৩. আনন্দদায়ক কাজ।প্রতিটি কাজই অল্প অল্প করে করার চেষ্টা করুন।
  • নিজের মানসিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করুন। দৈনন্দিন কাজ করার পর কেমন লাগছে তা বোঝার চেষ্টা করুন। নিজের চেষ্টাকে স্বীকৃতি দিন।

সিজনাল এফেক্টিভ ডিপ্রেশন বা উইন্টার ডিপ্রেশন তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকলে আতঙ্কিত না হয়ে, নিজের লক্ষণগুলো বোঝার চেষ্টা করুন এবং সে অনুযায়ী পরিবর্তনের পরিকল্পনা করুন। নিজেকে ভালো রাখুন। প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞের সহায়তা নিন।

লেখক :
অ্যাসিসটেন্ট ক্লিনিকালসাইকোলজিস্ট ও ফাউন্ডার, সাইকোচ।

সাকিয়ার গৃহিনী থেকে কর্মজীবী হয়ে ওঠার গল্প

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

নরসিংদীর মেয়ে সাকিয়া জামানের বাবা ব্যবসা করতেন। তবে এক পর্যায়ে ব্যবসায় ভীষণভাবে লস খান বাবা। যেই মানুষ পকেট ভর্তি টাকা নিয়ে ঘুরতেন, তিনি হয়তো মেয়ের কাছে টাকা ধার চাইতেন। পুরোপুরি গৃহিনী হওয়ার কারণে এই টাকাটাও কখনো কখনো বাবাকে দিতে পারতেন না সাকিয়া। স্বামীর কাছে চাইতেও খুব লজ্জা হতো।

তখন সাকিয়া ভাবতেন, কী করা যায় ? এরই মধ্যে আবার পরপর দুটো সন্তানের গর্ভপাত হয় সাকিয়ার। বিষণ্ণতায় ভীষণভাবে ডুবে যান। এই সময় চিন্তা করলেন, মেকআপ নিয়ে কিছু করা যায় কি না। কারণ, ছোটবেলা থেকেই তাঁর মেকআপের প্রতি ভীষণ আগ্রহ। এরপর উজ্জ্বলায় প্রশিক্ষণ নেন তিনি। বর্তমানে ফ্রি ল্যান্সিং করেই মাসে আয় করছেন, ৫০ হাজার টাকা। উজ্জ্বলার শিক্ষার্থী সাকিয়ার গৃহিনী থেকে একজন কর্মজীবী নারী হয়ে ওঠার পথ চলাটাই জানাবো পাঠকদের।

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

‘উজ্জ্বলায় কোর্স করি ২০২০ সালে করোনার লকডাউনের সময়। উজ্জ্বলা তখন অনলাইনে ক্লাস নিতো। আমি নরসিংদী থেকে সেই ক্লাসে অংশ নেই। এরপর আমাকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। প্রতিষ্ঠানটি আমার জীবন বদলে দিয়েছে। গৃহিনী থেকে আজ আমি একজন সফল কর্মজীবী নারী ; স্বাবলম্বী। এখন আমি তো নিজের জন্য টাকা রোজগার করতে পারি। পাশাপাশি স্বামীকেও সাহায্য করি’, বলছিলেন সাকিয়া।

‘আমি জীবনে প্রথম আয় করি তিন হাজার টাকা। আমার মা-বাবা দেখে খুব খুশি হন। তবে এর দুইদিন পর আমার বাবা তিনতলার ছাদ থেকে পড়ে মারা যান। বাবা হাসপাতালে ভর্তি থাকার সময় আমার প্রথম আয়ের টাকা তাঁর চিকিতসায় ব্যয় করি। এটা আমার জন্য আনন্দের ছিল। তবে বাবা মারা যাওয়াটা ভীষণ বেদনাদায়ক। তিনি ছিলেন আমার অত্যন্ত প্রিয়জন। একটা কষ্ট রয়ে গেল জীবনে, বাবাকে বাঁচাতে পারিনি।’

সাকেয়া জামান । ছবি : সংগৃহীত
সাকেয়া জামান । ছবি : সংগৃহীত

ভালো সাজাই, তাই নরসিংদীতে আমার একটি ভালো পরিচিত রয়েছে জানিয়ে সাকিয়া বলেন, ‘একজন নারীর অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়াটা খুব জরুরি। হয়তো তাঁর বাবা বা স্বামীর অনেক টাকা রয়েছে। কিন্তু কে জানে, কখন কার জীবনে কী ঘটবে? তাই, প্রতিটি মেয়ের উচিত অর্থনৈতিকভাবে নিজেকে স্বাবলম্বী করা।’

ভবিষ্যতে পরিকল্পনা রয়েছে নিজের একটি পার্লার দেওয়ার। নিজেকে বিউটি সেক্টরে আরো যোগ্য হিসেবে দেখতে চান এই নারী।

বি : দ্র : বাংলাদেশের বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিং ইন্ডাস্ট্রিতে উদ্যোক্তা তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে উজ্জ্বলা লিমিটেড। উজ্জ্বলায় প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এবং সংগ্রাম করে সাফল্য অর্জন করেছেন, এমন কয়েকজন নারী ও পুরুষের সাক্ষাৎকার নিয়ে সাতকাহনের ধারাবাহিক পর্ব চলছে। এই পর্বটি ছিল ৭৯তম। উজ্জ্বলা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন :

https://www.facebook.com/UjjwalaBD

https://www.instagram.com/UjjwalaBD/

ফোন : ০১৩২৪৭৩৪১৫৭

নারীর উন্নয়নে কাজ করতে চায় উদ্যোক্তা রুমা দাস

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
রুমা দাস বিউটিফিকেশন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র উজ্জ্বলায় কোর্স করে ২০২০ সালে। এই পেশায় আসার আগে তিনি দীর্ঘ ১৭ বছর দুটো এনজিওতে কাজ করেন। এনজিওতে কাজ করার সময় শিশুদের নিয়ে কাজ করতে হতো তাঁকে।

শিশুদের নিয়ে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করতেন। সেই সুবাদে ওদের সাজাতে হতো। এক পর্যায়ে একজন দিদি বললেন, ‘আপনাকে যেহেতু সাজাতেই হয়, তাহলে বিউটিফিকেশনের ওপর প্রশিক্ষণ নিয়ে নিন।’ এরপর বিউটি আর্টিস্ট হিসেবে প্রশিক্ষণ নেন রুমা। সে সময়ই মাথায় আসে উদ্যোক্তা হওয়ার কথা। বর্তমানে উজ্জ্বলার প্রশিক্ষণ শেষে নিজেই একটি পার্লার খুলেছেন। মাসিক আয় ২০ থেকে ৪০ হাজার টাকা। তাঁর তত্ত্বাবধায়নে আরো নারী কাজ করছে। উদ্যোক্তা হিসেবে রুমার এই এগিয়ে যাওয়ার গল্প রইল পাঠকদের জন্য।

রুমা দাস। ছবি : সংগৃহীত
রুমা দাস। ছবি : সংগৃহীত

”বিউটিফিকেশনের ওপর প্রশিক্ষণ নেওয়ার সময় আমার মনে হচ্ছিল, আমি তো নিজের ব্যবসা শুরু করতে পারি। এখানে আমিই বস হবো এবং আরো নারীর জন্য কাজ করতে পারবো। একটা জেদ, তীব্র ইচ্ছা কাজ করতে থাকে মনে। অনেকেই আমাকে খোঁচা দিয়ে বলতেন, ‘এই মেয়ের যেহেতু এতো গুণ, তাইলে জীবনে কিছু করতে পারে না কেন? কিছু করে দেখাক।’ এই বিষয়টিও আমাকে ভীষণ আঘাত দেয় এবং আমার জেদকে আরো তীব্র করে। এরপর তো বিউটিফিকেশনের ওপর কোর্স করি। আর এখন নিজেই উদ্যোক্তা হয়েছি”, বলছিলেন রুমা।

উদ্যোক্তা রুমা বলেন, ‘উজ্জ্বলার কথা জানতে পারি আমার এক বান্ধবী (বিউটি আর্টিস্ট)-র কাছ থেকে। এরপর উজ্জ্বলার ফেসবুক পেইজ দেখি। প্রতিষ্ঠানটি আমার দক্ষতাকে কয়েক গুণ বাড়িয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির সহ প্রতিষ্ঠাতা আফরোজা পারভীন ম্যামের উৎসাহমূলক কথা আমার জীবনকে বদলে দিতে সাহায্য করেছিল। আমি শক্তি পেতাম তাঁর কথা থেকে।’

রুমা দাস। ছবি : সংগৃহীত
রুমা দাস। ছবি : সংগৃহীত

এই পার্লারের পাশাপাশি আমি একটি পোশাকের শোরুম করেছি। এখানে মেয়েদের জন্য পোশাক ও কসমেটিকস পাওয়া যায় জানিয়ে রুমা বলেন, ‘ আমার পরিকল্পনা অনেক বড়। আমি ব্যবসাকে আরো বড় করতে চাই। আমি চাই, আমার প্রতিষ্ঠানে আরো মেয়ে কাজ করুক। আমি অন্য মেয়েদের আদর্শ হয়ে উঠার স্বপ্ন দেখি। আসলে মেয়েদের নিজেদের পায়ে দাঁড়াতে হবে। আর মেয়েরা মেয়েদের সহযোগিতা করলে বিষয়টি আরো সহজ হয়। তাই আমার চাওয়া নিজে যেমন স্বাবলম্বী নারী ও সফল উদ্যোক্তা হয়েছি, তেমনি অন্য নারীদেরও স্বাবলম্বী করবো।’

বি : দ্র : বাংলাদেশের বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিং ইন্ডাস্ট্রিতে উদ্যোক্তা তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে উজ্জ্বলা লিমিটেড। উজ্জ্বলায় প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এবং সংগ্রাম করে সাফল্য অর্জন করেছেন, এমন কয়েকজন নারী ও পুরুষের সাক্ষাৎকার নিয়ে সাতকাহনের ধারাবাহিক পর্ব চলছে। এই পর্বটি ছিল ৭৮তম। উজ্জ্বলা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন :

https://www.facebook.com/UjjwalaBD

https://www.instagram.com/UjjwalaBD/

ফোন : ০১৩২৪৭৩৪১৫৭

শীতে চুল ভালো থাকবে কীভাবে?

সুপ্রিতী গোস্বামী

শীতকাল মানেই চুলের বিভিন্ন সমস্যা। এর মধ্যে অন্যতম হলো- চুলের রুক্ষতা, খুশকি, স্ক্যাল্পের রুক্ষতা, চুলের আগা ফেঁটে যাওয়া ইত্যাদি। তবে এগুলো নিয়ে একদমই চিন্তার কিছু নেই। ঘরে থাকা বিভিন্ন উপকরণেই মিলবে সমস্যার সমাধান।

১) স্ক্যাল্পের রুক্ষতা দূর করতে, নারকেল তেল, আমন্ড ওয়েল ও তিলের তেল একসঙ্গে মিশিয়ে গরম করে নিন। এরপর এই কুসুম গরম তেল স্ক্যাল্পে মালিশ করুন পাঁচ থেকে ১০ মিনিট। এভাবে সপ্তাহে তিন দিন পদ্ধতিটি অনুসরণ করুন ৷ এতে রুক্ষতা দূর হবে।

২) নারকেল তেল কুসুম গরম করে নিতে হবে। কুসুম গরম তেলে এক থেকে দুই চামচ লেবু দিয়ে ভালো করে ফেটে নিন। এর পর স্ক্যাল্পে ম্যাসাজ করে ৩০ মিনিট রাখুন। তারপর মাইল্ড (হালকা) শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে নিন ৷

৩) এক চা চামচ নারকেল তেল, একটি ডিমের সাদা অংশ, চার টেবিল চামচ দুধ, একটি পাঁকা কলা, দুই চা চামচ মেথি এবং পরিমাণমতো পানি দিয়ে মিশিয়ে ৩০ মিনিট রেখে দিন। তারপর মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে নিয়ে, কন্ডিশনার দিতে হবে। সপ্তাহে দুই দিন ব্যবহার করলে চুলের রুক্ষতা কমে আসবে।

৪) ভিটামিন ই ক্যাপসুল, অ্যালোভেরা জেল ও নারকেল তেল ১:১:১ অনুপাতে নিতে হবে। এরপর এক সঙ্গে সব উপকরণ মিশিয়ে ফেটে নিন। চুলের ফাঁটা অংশের ওপর থেকে ভালো করে ম্যাসাজ করে লাগিয়ে নিন। এরপর এক ঘণ্টা অপেক্ষা করে মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে চার দিন ব্যবহার করতে হবে। চুল আট সপ্তাহ পর পর হালকা ট্রিম করুন।

লেখক : বিউটি আর্টিস্ট ও রন্ধন শিল্পী

দেশীয় চাদরে আভিজাত্য

অপরাজিতা অরু

শীতকালের কুয়াশাতে জড়িয়ে থাকে মায়া। এই মায়াকে উষ্ণতার ওম মিশিয়ে আরেকটু আপন করে নিতে দরকার পড়ে গরম কাপড়ের। হাল ফ্যাশনের সঙ্গে তাই নিজেকে মানিয়ে নিতে এই সময়ে গায়ে জড়াতে হয় বিভিন্ন গরম কাপড়।

সোয়েটার, ব্লেজার কিংবা ডেনিম জ্যাকেটের সঙ্গে প্রতিনিয়ত হচ্ছে স্টাইল। এগুলোর সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে নানা ধরনের নতুন পোশাক। এত সব বাহারি পোশাকের ভিড়ে শীতের চাদরের আবেদন কমেনি, বরং বেড়েই চলেছে।

মডেল : আঁখি ভদ্র । সৌজন্যে : ট্রিভো
মডেল : আঁখি ভদ্র । সৌজন্যে : ট্রিভো

কাশ্মীরি শাল কিংবা খাদি ব্যবহারের প্রচলন বহুকাল আগে থেকেই। সেই সঙ্গে বেড়ে চলেছে দেশীয় চাদরের কদর। আধুনিক সব ফ্যাশনের বিভিন্ন পোশাকের সঙ্গে চাদরের জমিনেও ফুটে উঠছে নানা ধরনের নকশা। ফুল, পাখি, কাঁথার নকশা ছাড়াও গ্রামীণ দৃশ্য, বিভিন্ন কবিতার লাইনে ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে নানা ধরনের সংস্কৃতি। সেসব ডিজাইন যেকোনো বয়সের মানুষের সঙ্গে মানানসই। আপনি শাড়ি কিংবা পাঞ্জাবি যে পোশাকটাই পরুন, এই শীতে একটি চাদর হতে পারে মানানসই। ব্যক্তিত্বের সঙ্গে বাহ্যিক লুকেও ফুটে উঠবে আভিজাত্য ও ঐতিহ্য।

ঐতিহ্যের কথা বলতেই চোখে ভেসে উঠে পূর্বপুরুষদের সেইসব পুরোনো দিন। দাদী-নানী কিংবা মা-খালাদের গায়ে একটা শাল জড়ানো শীতের সকাল কিংবা সন্ধ্যা। রাজা জমিদার কিংবা অভিজাত শ্রেণির মানুষের চাদর জড়ানো পরিপাট্য।

ফ্যাশন হাউজ কে ক্র্যাফট এর সহকারী সাধারণ ব্যবস্থাপক নাসির আহমেদ জানালেন, ২৫ থেকে ত্রিশোর্ধ্ব প্রায় সব বয়সী মানুষই তাদের ক্রেতা। বিভিন্ন মোটিফের ডিজাইন কিনছেন তারা। কাঁথা স্টিজ, ফুল, কলকা, মানডালা আর্ট (ময়ূর), জামদানি, জ্যামিতিক নকশা শোভা পাচ্ছে সেসব চাদরে। একই সঙ্গে ফ্যাশন ও আভিজাত্য মিলছে।

মডেল : শ্রাবণী জলি । সৌজন্যে : ট্রিভো
মডেল : শ্রাবণী জলি । সৌজন্যে : ট্রিভো

ফ্যাশন হাউজ ট্রিভোর স্বত্বাধিকারী শ্রাবণী জলি বলেন, ‘কোমড় তাঁতে তৈরি চাদর বা শাল বেশ জনপ্রিয়। পাশাপাশি খাদি, খেশ, তাঁতে তৈরি এক রঙা চাদরগুলোতে এখন টাইডাই, ব্লক, বাটিক, স্ক্রিন প্রিন্ট, অ্যামব্রয়ডারি, প্যাচওয়াক, তুলি দিয়ে নানা ডিজাইন করে আরো আকর্ষণীয় করা হয়। এখনকার গায়ের চাদরগুলো দৈর্ঘ- প্রস্থে কম হওয়াতে পরিধানে স্বস্তি তো আছেই, তা ছাড়া যে কোনোভাবে ফ্যাশনটাও করা যায়।

মডেল : শ্রাবণী জলি । সৌজন্যে : ট্রিভো
মডেল : শ্রাবণী জলি । সৌজন্যে : ট্রিভো

ট্রিভো- এর অন্যতম স্বত্বাধিকারী আঁখি ভদ্রের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দেশীয় হ্যান্ডলুম যত কাপড় রয়েছে সেসব নিয়েই তিনি কাজ করছেন কয়েক বছর ধরে। তারই ধারাবাহিকতায় দেশীয় ঐতিহ্য হ্যান্ডলুম চাদর বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। পাহাড়ি তাঁতে বোনা এসব উলের চাদরের বৈশিষ্ট্য হল, একই রকম ডিজাইনের মাত্র একটিই তৈরি হচ্ছে। যেহেতু হাতে বোনা তাই হুবহু একই রকমের দুইটি চাদর সম্ভব না। এই ভিন্নতাই খুব জনপ্রিয় হয়ে তরুণ ক্রেতাদের কাছে। হালকা থেকে ভারি শীতের জন্য এসব চাদরের দাম হাতের নাগালেই। তাই সহজেই দেশীয় তাঁতের এসব চাদর নিজের করে নিতে পারেন ক্রেতারা।

মডেল : আঁখি ভদ্র । সৌজন্যে : ট্রিভো
মডেল : আঁখি ভদ্র । সৌজন্যে : ট্রিভো

তরুণ প্রজন্মের হাত ধরে দেশীয় ঐতিহ্য, তাঁত ও দেশী পণ্য এভাবেই বিস্তৃতি লাভ করুক শীত কিংবা গ্রীষ্ম যেকোনো ঋতুতে।

নারীর অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়া জরুরি

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

ছোটবেলায় মা মারা যায় ফরিদা আক্তার সুইটির। ইন্টারমিডিয়েট পড়ার সময় বিয়ে দিয়ে দেওয়া হয় তাকে। বিয়ের পর জানতে পারেন, স্বামী তেমন লেখাপড়া করেনি। স্বামীর পরিবারও শিক্ষিত নয়। তবে সুইটি লেখাপড়া ছাড়েনি। সব প্রতিকূলতার ভেতরে ডিগ্রি পাশ করেন।

এরপর উজ্জ্বলা থেকে বিউটিফিকেশনের ওপর প্রশিক্ষণ নিয়ে বর্তমানে ফ্রি ল্যান্সিং কাজ করছে সে। ফ্রি ল্যান্সার হয়ে নিজেকে করেছেন স্বাবলম্বী। উজ্জ্বলা থেকে করা বিউটিফিকেশনের এই কোর্স তাঁর জীবন আমূল পরিবর্তনে সাহায্য করেছে। সুইটি জানান, কখনো কোনো ভালো কাজে শ্বশুড় বাড়ির তেমন সহযোগিতা পাইনি। সবসময় যেন তারা আমার পা আটকে রেখেছে। আমাকে আগাতে দেয়নি। তবে আমার মনে হয়েছিল নিজের পায়ে দাঁড়াতে হবে। লেখাপড়া শিখেছি। একে কাজে লাগাতে হবে। এরপর একটি এনজিওতে চাকরি শুরু করি। তবে চাকরি ও সংসার সামলানো বেশ কঠিন হয়ে যাচ্ছিল। এই সময় চাকরি ছেড়ে সেলাইয়ের কাজ শুরু করি। এই কাজটি আগে থেকে জানা ছিল। এরপর আসে সেই সুর্বণ সুযোগ। জয়িতা ফাউন্ডেশন ও উজ্জ্বলার যৌথ উদ্যোগে ১০দিনব্যাপী বিউটিফিকেশনের ওপর বিনামূল্যে কোর্সের সুযোগ পাই। আমার মনে হয়েছিল, যে করেই হোক কোর্সটি করতে হবে। এটি সরকারের অত্যন্ত ভালো একটি উদ্যোগ ছিল।’

প্রশিক্ষণ শেষে ফরিদা আক্তার সুইটি। ছবি : সংগৃহীত
প্রশিক্ষণ শেষে ফরিদা আক্তার সুইটি। ছবি : সংগৃহীত

‘এই কোর্সে সাজের অনেক খুঁটিনাঁটি জানতে পারি। কোর্সটি আমার আত্মবিশ্বাস বাড়াতে, আমার দক্ষতা উন্নয়নে অনেক সাহায্য করে। এটি শেষে বর্তমানে আমি ফ্রি ল্যান্সিং করছি। বর্তমানে বাসায় ফেসিয়াল সহ সব ধরনের কাজ করছি। আমার মাসিক আয় হয় ১০ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা’- বলছিলেন সুইটি।

উজ্জ্বলার ফ্যাকাল্টি মোহসেনা মুন্নির সঙ্গে ফরিদা আক্তার সুইটি। ছবি : সংগৃহীত
উজ্জ্বলার ফ্যাকাল্টি মোহসেনা মুন্নির সঙ্গে ফরিদা আক্তার সুইটি। ছবি : সংগৃহীত

আসলে এই সমাজ মেয়েদের এগিয়ে যেতে পদে পদে বাধা দেয়। লেখাপড়া শেখার সময়, চাকরি করার সময়- আমাকে বার বার বাধার মুখোমুখি হতে হয়েছে। কেউ আমাকে সাহায্য করেনি। আমার সবসময় মনে হয়েছে, কেন অবলা নারীর মতো আমি এই শারীরিক, মানসিক নির্যাতন সহ্য করবো ? আমি বেরিয়ে এসেছি সেই অন্ধকূপ থেকে। শিক্ষা ও কর্ম আমাকে মানুষ হিসেবে আলোকিত করেছে। আর আমার এই পথচলার পথে সহযোগিতা করেছে উজ্জ্বলা ও জয়িতা ফাউন্ডেশন- জানান সুইটি।

ভবিষ্যতে আমি একটি স্যালন খুলতে চাই আশা প্রকাশ করে সুইটি বলেন, ‘আরো ১০টা মেয়ের স্বাবলম্বী হওয়ার পথে কাজ করতে চাই। মেয়েদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়টা খুব জরুরি। না হলে কখনো নারীমুক্তি আসবে না।’

বি : দ্র : বাংলাদেশের বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিং ইন্ডাস্ট্রিতে উদ্যোক্তা তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে উজ্জ্বলা লিমিটেড। উজ্জ্বলায় প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এবং সংগ্রাম করে সাফল্য অর্জন করেছেন, এমন কয়েকজন নারী ও পুরুষের সাক্ষাৎকার নিয়ে সাতকাহনের ধারাবাহিক পর্ব চলছে। এই পর্বটি ছিল ৭৭তম। উজ্জ্বলা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন :

https://www.facebook.com/UjjwalaBD

https://www.instagram.com/UjjwalaBD/

ফোন : ০১৩২৪৭৩৪১৫৭

- Advertisement -
সাতকাহন
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.