Sunday, September 27, 2026
spot_img
Home Blog Page 73

বিউটিফিকেশনে কোর্স করে স্বাবলম্বী আঁখি

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

জীবনে ভালো কিছু করবেন, নাম হবে- ছোটবেলা থেকে সবসময় এই রকম একটি স্বপ্ন দেখতেন আফরোজা আক্তার আঁখি। তবে পরিবারের আর্থিক অনটনের জন্য লেখাপড়া শেষ করতে খুব ঝামেলা পোহাতে হয় ময়মনসিংহের এই মেয়ের। এর মধ্যে এসএসসি পাশের পর বিয়ে হয়ে যায় তার।

বিয়ের পর দুই সন্তান জন্ম দেন। এর মধ্যে একজন প্রতিবন্ধী। প্রতিবন্ধী ছেলেকে নিয়ে শুরু হয় তার আরেক সংগ্রাম। তবে থেমে থাকেননি আঁখি। এরই মধ্যে ডিগ্রি পাশ করেন। দক্ষতা উন্নয়নে বিভিন্ন কোর্সে ভর্তি হন। নিজে একটি পার্লার খুলেন। উজ্জ্বলা থেকে কোর্স করে নিজের দক্ষতা আরো বাড়ান। বর্তমানে পার্লার থেকেই তার আয় হয় ২০ থেকে ৪০ হাজার টাকা।

উজ্জ্বলার ফ্যাকাল্টি সোনিয়া খানের সঙ্গে আফরোজা আক্তার আঁখি। ছবি : সংগৃহীত
উজ্জ্বলার ফ্যাকাল্টি সোনিয়া খানের সঙ্গে আফরোজা আক্তার আঁখি। ছবি : সংগৃহীত

উদ্যোক্তা হয়ে উঠার গল্প নিয়ে আঁখি বলেন, ‘পথটা সহজ ছিল না। আসলে ছোটবেলা থেকেই জীবনে একটি লড়াইয়ের মধ্যে দিয়ে গিয়েছি। এখনও যাচ্ছি। পার্লার শুরু করার আগে অনেকে অনেক ধরনের নেতিবাচক কথা বলেছিল। তবে আমার মনে হয়েছিল এই কাজটি আমি ভালোভাবে করতে পারব। সন্তান-সংসার সামলে এই কাজটি করা আমার জন্য সুবিধারও হবে। মন স্থির করি এই পেশাতেই আসব। কারো সহযোগিতা ছাড়া ব্যাংক ঋণের মাধ্যমে পার্লারটা শুরু হয়। আলহামদুলিল্লাহ্, এখন ভালো আয় হচ্ছে।’

উজ্জ্বলা আমার দক্ষতা বাড়াতে অনেক সাহায্য করেছে জানিয়ে আঁখি বলেন, উজ্জ্বলার সহ প্রতিষ্ঠাতা আফরোজা পারভীন ম্যামের বিভিন্ন ভিডিও ফলো করতাম। তার ভিডিও থেকেই উজ্জ্বলার কথা জানতে পারি। ২০২২ সালে প্রতিষ্ঠানটিতে ফোন করি, তাদের কোর্সের বিষয়ে জানতে। তবে, যেহেতু আমি ময়মনসিংহে থাকতাম, তাই ঢাকায় গিয়ে সেই মুর্হূতে কোর্স করা সম্ভব হয়নি। এরপর ২০২৩ সালে উজ্জ্বলা থেকে ব্রাইডাল কোর্স করানো হয় ময়মনসিংহে। তখন আমরা কয়েকজন মিলে ময়মনসিংহে আরো কোর্স করাতে অনুরোধ করি। এরপর ফান্ডামেন্টাল মেকআপের ওপর কোর্স হয় এখানে। সেটি করি। কোর্সগুলো খুব ভালো লেগেছে। মফস্বলে থেকে বিশ্বমানের মেকআপ শিখতে পারি।’

আফরোজা আক্তার আঁখি। ছবি : সংগৃহীত
আফরোজা আক্তার আঁখি। ছবি : সংগৃহীত

আমার জীবন বদলে দেওয়ার জন্য উজ্জ্বলার ভূমিকা অনেক। আমার আত্মবিশ্বাস অনেক বেড়েছে। এখন আমি সব ধরনের কাজ একাই করতে পারি- জানান তিনি।

জীবনে বাঁধা এসেছে, তবে থেমে থাকিনি- জানিয়ে আঁখি বলেন, এগিয়ে চলেছি, চলছি। এখন আমার একটাই স্বপ্ন নিজের পার্লারটিকে উপজেলা লেভেল থেকে জেলা লেভেলে নিয়ে যাওয়া। আমি যেন অন্য নারীর প্রেরণা হয়ে উঠতে পারি, এটাই স্বপ্ন দেখি।’

বি : দ্র : বাংলাদেশের বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিং ইন্ডাস্ট্রিতে উদ্যোক্তা তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে উজ্জ্বলা লিমিটেড। উজ্জ্বলায় প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এবং সংগ্রাম করে সাফল্য অর্জন করেছেন, এমন কয়েকজন নারী ও পুরুষের সাক্ষাৎকার নিয়ে সাতকাহনের ধারাবাহিক পর্ব চলছে। এই পর্বটি ছিল ৭৬তম। উজ্জ্বলা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন :

https://www.facebook.com/UjjwalaBD

https://www.instagram.com/UjjwalaBD/

ফোন : ০১৩২৪৭৩৪১৫৭

বিজয়ের আয়োজনে কে ক্র্যাফট

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

বিশেষ দিন ও উৎসবগুলোকে সর্বদাই পোশাকের মাধ্যমে তুলে ধরে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করতে কে ক্র্যাফট- এর প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। বিজয় দিবসের মতো একান্ত নিজেদের উৎসবে কে ক্র্যাফট তার দেশপ্রেমী ক্রেতা সঙ্গীদের সঙ্গেই পথ চলছে। বিজয়ের এই আবেগ ছড়িয়ে দিতে তাই প্রতিবারই থাকে কে ক্র্যাফটের বিশেষ আয়োজন, যা লাল-সবুজে উজ্জীবিত।

সময়, আবহাওয়া ও পরিবেশ অনুযায়ী পোশাক ভাবনায় এই দিনে মেয়েদের প্রধান সঙ্গী হতে পারে লাল-সবুজ রঙের শাড়ি। এ ছাড়াও বেছে নিতে পারেন আরামদায়ক সালোয়ার-কামিজ, কুর্তি কিংবা ভিন্ন কোনো প্যাটার্নের টপ বা টিউনিক। শীতে উষ্ণতার প্রয়োজনে অন্য কোনো রঙের পোশাকে জড়িয়ে
নিতে পারেন লাল-সবুজের শাল।

প্রতি বছরের মতোই ছেলেদের পোশাকে থাকছে পাঞ্জাবি, শার্ট, টি-শার্ট, শাল, কটি, মাফলার। বিজয়ের ফ্যাশনে লাল অথবা সবুজ রঙের পাঞ্জাবির সঙ্গে মিলিয়ে পরতে কটি বেছে নিতে পারেন চমৎকার সব সংগ্রহ থেকে। শিশুদের জন্য রয়েছে নানা পোশাকের আয়োজন। বরাবরের মতোই থাকছে যুগল ও পরিবারের সকল সদস্যদের সঙ্গে মিলিয়ে পরার জন্য উপযোগী পোশাক।

কে ক্র্যাফটের এবারের বিজয়/২৩ আয়োজন করা হয়েছে মূলত, রাগ, ডুডলিং, জিওমেট্রিক, জামদানি, ট্র্যাডিশনাল সহ নানা মোটিফের অনুপ্রেরণায়। এ ছাড়াও থাকছে বাংলাদেশের পতাকা ও মানচিত্র নিয়ে করা নানা পোশাক।

ছবি : কে ক্র্যাফট
ছবি : কে ক্র্যাফট

কটন, কোটা কটন, লিনেন, নিট ও তাঁতের মতো আরামদায়ক ফ্যাব্রিকে তৈরি পোশাকগুলোতে নকশা ফুটিয়ে তুলতে স্ক্রিনপ্রিন্ট, হাতের কাজ ও অ্যামব্রয়ডারি করা হয়েছে। রং হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে গ্রিন, বোটল গ্রিন, ফরেস্ট গ্রিন, পেইল গ্রিন, রেড, অরেঞ্জ, অফ- হোয়াইট। তবে অন্যান্য রঙের সমন্বয়ও থাকছে।

বিজয়ের ভাবনায় লাল-সবুজের পোশাক ছাড়াও বিভিন্ন স্যুভেনির ও উপহার সামগ্রীও থাকবে। কে ক্র্যাফটের ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, কুমিল্লা, খুলনা সহ সকল আউটলেট ছাড়াও অনলাইন শপ kaykraft.com থেকে বিজয়ের এসব পোশাক কিনতে পারেন বিশেষ সাশ্রয়ী মূল্যে। এ ছাড়া ফেসবুক পেজ থেকেও কেনাকাটা করার সুবিধা রয়েছে।

স্ট্রোক : প্রতিরোধ ও প্রতিকার

ডা. এম ইয়াছিন আলী

স্ট্রোক বর্তমানে সারাবিশ্বে একটি আতঙ্কের নাম। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, প্রতি তিন সেকেন্ডে একজন মানুষ স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়। আর এদের মধ্যে বেশীরভাগই মারা যায়। আবার নন কমিউনিকেশন ডিজিজ হিসাবে স্ট্রোককে এখন তৃতীয় মৃত্যর কারণ বলা হয়। তাই, সচেতনতা তৈরি করা এখন সবার দায়িত্ব।

স্ট্রোক দুই ধরনের হয়। যথা :

১. ইসকেমিক স্ট্রোক : মস্তিষ্কের অভ্যন্তরীণ রক্তনালীগুলোর মধ্যকার রক্ত সঞ্চালন কমে গেলে- মেডিকেলের ভাষায় যাকে থ্রম্বো এম্বোলিজম বলা হয়- এর কারণে হতে পারে।

২. হেমোরেজিক স্ট্রোক: ব্রেইনের অভ্যন্তরীন রক্তনালী ছিঁড়ে গিয়ে অভ্যন্তরে রক্তক্ষরণ হয়ে, আক্রান্ত স্থানের টিস্যুগুলোকে ক্ষতিগ্রস্থ করে, এতে রোগীর বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা দেখা যায়।
যেমন : শরীরের একপাশ ঝিম ঝিম বা অবশ মনে হওয়া অথবা শক্তি কমে যাওয়া, মুখ বেঁকে যাওয়া অথবা আক্রান্ত পাশের হাত -পা নাড়াতে না পারা ইত্যাদি।

তবে মজার ব্যাপার হলো, ইসকেমিক স্ট্রোক বা হেমোরেজিক স্ট্রোক- উভয়েরই উপসর্গ একই। তাই রোগ নির্ণয়ের জন্য ব্রেইনের সিটি স্ক্যান বা এম আর আই খুবই জরুরি। কারণ, দুই ধরনের স্ট্রোকের চিকিৎসা সম্পূর্ণ ভিন্ন।

আমরা জানি, কোনো রোগের ক্ষেত্রে প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই উত্তম। কীভাবে আমরা স্ট্রোক প্রতিরোধ করতে পারি ?

১. ধূমপান বন্ধ করা
২. ডায়াবেটিস ও উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা
৩. চর্বি জাতীয় খাবার না খাওয়া অর্থাৎ যাদের শরীরে রক্তে চর্বির পরিমাণ বেশি, তাদের সেটি কমানোর ব্যবস্থা নেওয়া
৪. নিয়মিত ব্যায়াম করা
৫. স্ট্রেস বা দুঃচিন্তা না করা ইত্যাদি।

স্ট্রোক হয়ে গেলে করণীয় কী?

অনেকেরই ধারণা এই ধরনের প্যারালাইসিসের কোনো চিকিৎসা নেই। এটা একেবারেই ভুল ধারণা। এখন বিশ্বে খুবই উন্নতমানের চিকিৎসা আবিষ্কার হয়েছে। একটি রোগী স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার চার ঘণ্টার মধ্যে, তার রোগ নির্ণয় করা গলে, ইসকেমিক স্ট্রোকের কারণে প্যারালাইসিস হয়েছে তা নিশ্চিত হলে, থ্রোম্বো এম্বোলিক এজেন্ট ইনজেকশন আকারে দিলে রোগী খুবই দ্রুত সুুস্থ হয়ে যেতে পারে। তবে বেশীরভাগ মানুষই সচেতনার অভাবে দেরিতে চিকিৎসকের কাছে যায় এবং সুযোগটি থেকে বঞ্চিত হয়।

এখন বলতে পারেন, যে রোগীটি স্ট্রোক পরবর্তী প্যারালাইসিসে আক্রান্ত হলেন, তাকে আবার আগের জীবনে ফিরিয়ে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে কি?

হ্যাঁ, সুযোগ রয়েছে। তবে যে বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে, তা হলো- স্ট্রোকে আক্রান্ত ব্যক্তিকে যত দ্রুত সম্ভব বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে নিতে হবে এবং নির্ণয় করতে হবে, কী ধরনের স্ট্রোকে তিনি আক্রান্ত হয়েছেন এবং নির্ণয় পরবর্তী চিকিৎসা শুরু করতে হবে।

এই ক্ষেত্রে চিকিৎসা দুই ধরনের-

১. ইসকেমিক স্ট্রোকের ক্ষেত্রে মেডিসিন বা সার্জারি- যা আক্রান্ত ব্যক্তির ব্রেইনের রক্ত চলাচল বাড়াতে সাহায্য করে। অন্যদিকে, হোমোরেজিক স্ট্রোকের ক্ষেত্রে রক্ত সরানোর জন্য কিছু কিছু রোগীর অপারেশনের প্রয়োজন পড়ে।

২. পুনর্বাসন চিকিৎসা – এটি একটি সমন্বিত চিকিৎসা পদ্ধতি। এখানে রোগীর ফিজিক্যাল রিহ্যাবিলিটেশন প্রয়োজন, প্রয়োজন অকুপেশনাল রিহ্যাবিলিটেশন, আবার কিছু রোগীর ক্ষেত্রে কথা বলতে অসুবিধা দেখা দিলে, স্পিচ অ্যান্ড ল্যাইেয়েজ পুনর্বাসন প্রয়োজন।

তাই চিকিৎসাটি হওয়া দরকার একটি মাল্টিডিসিপ্লিনারি টিম অ্যাপ্রোচ। এর মাধ্যমে একজন ব্যক্তি যেন তার সবগুলো অসুবিধা থেকে মুক্তি পেতে পারে। এই সমন্বিত চিকিৎসার মাধ্যমে রোগীর দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠা সম্ভব।

লেখক
ডা. এম. ইয়াছিন আলী
বাত, ব্যাথা, প্যারালাইসিস রোগে ফিজিওথেরাপি বিশেষজ্ঞ
কনসালটেন্ট ও বিভাগীয় প্রধান – ফিজিওথেরাপি বিভাগ
প্রো-অ্যাকটিভ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল লি.

চেয়ারম্যান ও চিফ কনসালটেন্ট,
ঢাকা সিটি ফিজিওথেরাপি হাসপাতাল,ধানমন্ডি, ঢাকা।
০১৭৮৭ ১০৬৭০২

রবিরশ্মির ২৫তম বর্ষপূর্তিতে শিল্পকলায় দু’দিনব্যাপী সংগীতানুষ্ঠান

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

সংগীত সংগঠন ‘রবিরশ্মি’ তার ২৫তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ‘ কী হেরিলাম হৃদয় মেলে ‘ শীর্ষক দু’দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। ৩ ও ৪ নভেম্বর ২০২৩, যথাক্রমে শুক্রবার ও শনিবার, সন্ধ্যা ৫ টা ৩০ মিনিটে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় সঙ্গীত ও নৃত্যকলা মিলনায়তনে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন অধ্যাপিকা সোহেলা হোসেন ( প্রধান উপদেষ্টা রবিরশ্মি, বিশিষ্ট রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী, প্রেসিডেন্ট মীর গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ ও ভাইস চেয়ারম্যান, এনসিসি ব্যাংক)। অনুষ্ঠানে সম্মাননা জানানো হয়, শ্রীমতি রীতা চক্রবর্তী ( বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী ও সংগঠক, আগরতলা, ত্রিপুরা) ও শ্রী রানা কুমার সিনহা (বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী ও সংগঠক, সিলেট, বাংলাদেশ)-কে।

১ম দিন
অনুষ্ঠানের প্রথম দিন অর্থাৎ ৩ নভেম্বর, সমবেত সংগীত পরিবেশন করেন, রবিরশ্মির শিল্পীবৃন্দ। নৃত্য পরিবেশন করেন, ত্রিপুরা থেকে আগত শিল্পী মানষী ঘোষ ( অধ্যাপিকা, শচীনদেব বর্মন গভ. মিউজিক কলেজ। তিনি একাধারে নৃত্যগুরু, কোরিওগ্রাফার, কথক ডেন্সার)। নেপথ্যে কণ্ঠে ছিলেন শিল্পী মহাদেব ঘোষ।

একক গান পরিবেশন করেন সম্মানিত শিল্পী রীতা চক্রবর্তী ও শিল্পী রাণা কুমার সিনহা। পাশাপাশি একক গান পরিবেশন করেন রবিরশ্মির শিল্পী- মিথিলা ঘোষ, সঞ্জীব সরকার, খান মো. রেজাউল কবির, পার্মিনা তোড়া দাস, বীর মুক্তিযোদ্ধা বিষ্ণুপদ দাস, অর্চনা রায়, বনশ্রী পাল, মনামী চক্রবর্তী। এ ছাড়া একক গান পরিবেশনায় ছিলেন, অতিথি শিল্পী গীতালী অম্বুলী (আগরতলা), প্রণব সিকদার (চট্টগ্রাম), শ্যামলী পাল (চট্টগ্রাম), বনানী শেখর রুদ্র (চট্টগ্রাম), লিংকন বড়ুয়া (চট্টগ্রাম)।

২য় দিন
অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় দিন অর্থাৎ ৪ নভেম্বর, শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন, জনাব নববিক্রম কিশোর ত্রিপুরা, (সাবেক সচিব, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার)। সম্মেলক সংগীত পরিবেশন করেন, রবিরশ্মি ও আগরতলার শিল্পীবৃন্দ ( রেখা ভট্টাচার্য, গীতালী অম্বুলী, ড. অপর্ণা গাঙ্গুলী, মনীষা ঘোষ ও শিপ্রা সাহা)। এ দিন একক গান পরিবেশন করেন, রবিরশ্মির শিল্পী- শাশ্বতী মাথিন, সুকুমার চক্রবর্তী, মনীষা চক্রবর্তী, সৌরভ গাঙ্গুলী, ভারতী চাকী, অরুণা সরকার, জাহানজীব সারোয়ার শিমুল, তপতী রায়, হাসানুল সাওদাত পিয়াস, সুস্মিতা হোসেন, শেলী চন্দ, লিলিয়েন পাল নীলা, অনামিকা ত্রিপুরা, দিলীপ কুমার দাস, শাহনাজ পাপড়ি, স্বপন কুমার চক্রবর্তী। এ ছাড়া একক গান পরিবেশনায় ছিলেন, অতিথি শিল্পী ড. অপর্ণা গাঙ্গুলী (আগরতলা), রেখা ভট্টাচার্য ( আগরতলা)। আবৃত্তি পরিবেশন করেন, বাচিক শিল্পী ওয়ালিদ হাসান।

এস. এইচ লিমন ও সাইফুর রহমান জুয়েলের পরিচালনায় নৃত্য পরিবেশন করেন, বুলবুল ললিতকলা একাডেমী, (মীরপুর শাখা, ঢাকা)। অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় ছিলেন, শাহাদাৎ হোসেন নিপু ও শাশ্বতী মাথিন।

রবিরশ্মির দু’দিনের ২৫তম এই বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠান শেষ হয় দেশবরেণ্য রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী ও রবিরশ্মির পরিচালক মহাদেব ঘোষের সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে। অনুষ্ঠানটির সার্বিক পরিকল্পনা ও পরিচালনায়ও ছিলেন তিনি।

বিশ্ব স্ট্রোক দিবসে বক্তারা, ‘স্ট্রোকের চিকিৎসা আছে ‘

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

স্ট্রোক একটি মারাত্মক রোগ। বিশ্বব্যাপী মৃত্যুর দ্বিতীয় কারণ এটি। বিশ্বব্যাপী প্রতি বছর ১২ মিলিয়ন মানুষ নতুন করে স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়।

বিশ্বে বর্তমানে ১০১ মিলিয়ন মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হয়ে জীবনযাপন করছে। গবেষণায় দেখা গেছে, ২০৫০ সালের মধ্যে এই হার প্রায় ৮০ গুণ বেড়ে যাবে। বাংলাদেশেও এই হার কিন্তু কম নয়। গবেষণায় দেখা গেছে, দেশে প্রতি ১ হাজারে প্রায় ১২ জন স্ট্রোকে আক্রান্ত। স্ট্রোকে মারা যাওয়াদের দুই-তৃতীয়াংশ নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের দেশে হয়ে থাকে। গতকাল, ২৯ অক্টোবর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালের নিউরোলজি বিভাগের উদ্যোগে বিশ্ব স্ট্রোক দিবস নিয়ে আলোচনা সভায় এসব কথাই বলেন বক্তারা।

এতে মূল নিবন্ধ উপস্থাপনা করেন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডা. হুমায়ুন কবীর হিমু। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল অধ্যাপক মামুন মুস্তাফি (অব)-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অধ্যাপক এস এ খান। আরও উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক নারায়ন চন্দ্র কুন্ডু, অধ্যাপক খুরশীদ মাহমুদ, ডা. শিরাজী শফিকুল ইসলাম, ডা. মোহাম্মদ উল্লাহ ফিরোজ।

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

সভায় বক্তারা বলেন, স্ট্রোক ভয়াবহ রোগ। ১৯৯৬ সালের আগে বিশ্বব্যাপী স্ট্রোকের চিকিৎসা ছিল না। আমাদের দেশেও স্ট্রোকের আধুনিক চিকিৎসা শুরু হয় বছর দশেক আগে। এখন স্ট্রোকের আধুনিক চিকিৎসা সরকারি ও বেসরকারিভাবে হচ্ছে।

মূল নিবন্ধ উপস্থাপনায় বলা হয়, যদি মুখ বেঁকে যায়, এক হাত অবশ হয়ে যায়, কথা জড়িয়ে যায় তাহলে দেরি না করে দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে। সাড়ে চার ঘণ্টার মধ্যে হাসপাতালে নিলে স্ট্রোকের অত্যাধুনিক চিকিৎসা আইভি থ্রোম্বলাইসিস করা সম্ভব। চিকিৎসা বিজ্ঞানের অগ্রগতির ফলে স্ট্রোকের চিকিৎসা সময় সাড়ে চার ঘণ্টা থেকে বেড়ে যাচ্ছে। আইভি থ্রোম্বলাইসিস ছাড়াও স্ট্রোকের আধুনিক চিকিৎসা মেকানিকাল থ্রোম্বেক্টমি দেশেই হচ্ছে। সে ক্ষেত্রে স্ট্রোকের ৬ ঘণ্টার মধ্যে রোগীকে হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব। তবে ক্ষেত্র বিশেষে স্ট্রোকের ৬ ঘণ্টা পরেও আইভি থ্রোম্বলাইসিস করা যায়।

সফল উদ্যোক্তা হয়ে আলো ছড়াচ্ছেন জোছনা

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

‘একটা সময় পার্লার ব্যবসায় মানুষ মনে করতো, মেকআপই মূল কাজ। তবে বর্তমানে পার্লারে কাজ দুটো ভাগে ভাগ হয়ে গেছে । একটি স্যালন আইটেম, আর একটি মেকআপ আইটেম। আমি মূলত কাজ করছি চুল ও ত্বক নিয়ে। হারবাল চিকিৎসা ও অত্যাধুনিক মাস্যাজ নিয়ে। আমি আমার সেক্টরে বেশ ভালো কাজ করছি ‘,বলছিলেন ঢাকাবাসী জোছনা আক্তার ঐশী।

উজ্জ্বলা থেকে বিউটিফিকেশনের ওপর কোর্স করে বর্তমানে পার্লার দিয়ে জােছনা প্রতি মাসে আয় করছেন ৪০ থেকে ৬০ হাজার টাকা। মিরপুর, রূপনগর আবাসিকে অবস্থিত তাঁর পার্লার ‘ঐশী বিউটি সেলুন’- এ স্যালন ও মেকআপ দুটো বিষয় নিয়েই কাজ করা হয়। সেখানে কর্মরত রয়েছে আরো চারজন মেয়ে।

জোছনা একজন স্বাবলম্বী নারী ও উদ্যোক্তা তো হয়েছেনই, পাশাপাশি অন্য নারীর কর্মসংস্থানেও কাজ করছেন। জোছনা বলেন, ‘ আমার কাছে সবসময় মনে হয়েছে বিউটিফিকেশন পেশা হিসেবে আমার জন্য নিরাপদ। এখানে আমি আমার মতো করে কাজ করতে পারবো। আমি মনে করি, উদ্যোক্তা হওয়া নারীদের জন্য খুব ভালো একটি বিষয়। বর্তমানের নারীকে যেহেতু একাধারে পরিবার ও অফিস সামলাতে হয়, তাই সে বিউটিফিকেশনের ওপর প্রশিক্ষণ নিয়ে বিউটি আর্টিস্ট হতে পারে। এতে সে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবে। আর নিজের ব্যবসা হওয়ায় পরিবার ও কাজ দুটো একসঙ্গে সামলানো সহজ হবে।’

ছবি : জোছনা আক্তার ঐশী
ছবি : জোছনা আক্তার ঐশী

‘উজ্জ্বলা থেকে ২০১৯ সালে বিউটিফিকেশনের ওপর কোর্স শুরু করি আমি। ধীরে ধীরে তাদের সবগুলো কোর্স শেষ করেছি। উজ্জলার থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে অনেক লাভবান হয়েছি। এখানে হাতে কলমে শেখানো হয়। একটা প্রতিষ্ঠান চালানোর জন্য এইটা বড় ভূমিকা রাখে বলে আমার মনে হয়’, বলছিলেন জোছনা।

নিজের স্যালন নিয়ে কোভিডের সময়টায় খুব হিমশিম খেতে হয়েছিল জোছনার। ঠিকমতো ক্লাইন্ট পাচ্ছিলেন না। ব্যবসার ভীষণ মন্দা অবস্থা গেছে। তবে সেই জায়গা থেকে উঠে দাঁড়িয়েছেন তিনি। বলছিলেন, ‘যেকোনো ব্যবসাতেই চড়াই-উৎড়াই থাকবে। এটি মাথায় রেখেই ব্যবসা করতে হয়। হতাশ হলে চলে না। লেগে থাকতে হয়। আর এখন পরিস্থিতি ঠিকও হয়ে গেছে।’

ছবি : জোছনা আক্তার ঐশী
ছবি : জোছনা আক্তার ঐশী

ভবিষ্যতে নিজের পার্লারকে আরো বড় পরিসরে সাজাতে চান জোছনা। আগামী জানুয়ারি মাস থেকে পার্লারের পাশাপাশি একটি জিম সেক্টরও শুরু করছেন। জোসনা বলেন, ‘স্বপ্ন দেখতে হয়। এটি মানুষকে বাঁচিয়ে রাখে। আমি আরো সফল একজন উদ্যোক্তা হবো, এই স্বপ্নই দেখে যাই।’

বি : দ্র : বাংলাদেশের বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিং ইন্ডাস্ট্রিতে উদ্যোক্তা তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে উজ্জ্বলা লিমিটেড। উজ্জ্বলায় প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এবং সংগ্রাম করে সাফল্য অর্জন করেছেন, এমন কয়েকজন নারী ও পুরুষের সাক্ষাৎকার নিয়ে সাতকাহনের ধারাবাহিক পর্ব চলছে। এই পর্বটি ছিল ৭৫তম। উজ্জ্বলা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন :

https://www.facebook.com/UjjwalaBD

https://www.instagram.com/UjjwalaBD/

ফোন : ০১৩২৪৭৩৪১৫৭

‘রবিরশ্মি’র ২৫তম বর্ষপূর্তি ৩ ও ৪ নভেম্বর

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

সংগীত সংগঠন ‘রবিরশ্মি’ তার ২৫তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ‘কী হেরিলাম হৃদয় মেলে’ শীর্ষক দু’দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে যাচ্ছে।

আগামী ৩ ও ৪ নভেম্বর ২০২৩, যথাক্রমে শুক্রবার ও শনিবার, সন্ধ্যা ৫ টা ৩০ মিনিটে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় সঙ্গীত ও নৃত্যকলা মিলনায়তনে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

সঙ্গীতানুষ্ঠানের পাশাপাশি শ্রীমতি রীতা চক্রবর্তী ( বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী ও সংগঠক, আগরতলা, ত্রিপুরা) ও শ্রী রাণা কুমার সিনহা ( বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী ও সংগঠক, সিলেট, বাংলাদেশ) সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হবে।

বিশিষ্ট রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী ও রবিরশ্মির পরিচালক অধ্যাপক মহাদেব ঘোষ জানান, ‘রবিরশ্মি’র ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। আমরা খুবই উচ্ছ্বসিত। অনুষ্ঠানকে ঘিরে শ্রোতাদের উপস্থিতি একান্তভাবে কামনা করছি।

- Advertisement -
সাতকাহন
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.