Saturday, September 26, 2026
spot_img
Home Blog Page 67

বসন্ত সাজে

শাশ্বতী মাথিন

‘ওরে ভাই, ফাগুন লেগেছে বনে বনে,
ডালে ডালে ফুলে ফুলে পাতায় পাতায় রে,
আড়ালে আড়ালে কোণে কোণে।’

বসন্ত মানেই প্রকৃতিতে রঙের খেলা। শীতের শুষ্ক-রুক্ষতাকে পায়ে দলে প্রকৃতি সাজে নতুন রঙে। কোকিলের কুহু সুর আর ফুলে ফুলে প্রজাপতির মেলা বসন্তের আগমনীকে আরও সরব করে তোলে। ফাগুনের উদাসী বাতাস আর রঙের এই সমারোহ প্রভাব ফেলে মানুষের মনেও। তাই তো বসন্তের প্রথম দিনটি বরণ করে নিতে এত আয়োজন; অপেক্ষা।

যেহেতু এবার পহেলা ফাল্গুন ও বিশ্ব ভালোবাসা দিবস একই সঙ্গে পড়েছে, তাই সাজ-পোশাকে দুটোরই আবেদন থাকতে পারে। কয়েক বছর ধরে বসন্ত মানেই যেন হলুদ, কমলা বা সবুজ রঙের শাড়ি। এবারে কিন্তু শাড়ির রঙে রয়েছে ভিন্নতা। বাসন্তী, কমলা বা হলুদের সঙ্গে যোগ হয়েছে চাপা সাদা, মেজেন্টা, গোলাপি, সবুজ, লাল, টিয়া, পিচ, নীল, বিস্কিট ইত্যাদি রং। ভালোবাসা দিবসের থিম রং বলতেই যেমন লালকে ধরা হতো, এবার কিন্তু এর পরিবর্তন হয়েছে। বাসন্তী ও লাল রঙের একসঙ্গে মিশেল দেখা গেছে পোশাকের ভেতর।

ফ্যাশন হাউস কে ক্র্যাফট-এর প্রতিষ্ঠাতা খালিদ মাহমুদ বলেন, ‘আমরা সব সময়ই বিভিন্ন উৎসব-পার্বণে ভিন্নধর্মী পোশাক উপস্থাপনের চেষ্টা করি। এবারও এর ব্যতিক্রম ঘটেনি। এবার ফ্লোরাল, ট্র্যাডিশনাল, মানডালা, ওরিয়েন্টাল, মিক্সড মোটিফ, মুঘল, বেলারুস, জামদানি ইত্যাদি নানা মোটিফে তৈরি করা হয়েছে পোশাক। কটন, স্লাব কটন, লিনেন, সিল্ক, হাফ সিল্ক, অরগাঞ্জা, টু-টোন কাপড়ে তৈরি পোশাকগুলোতে নকশা ফুটিয়ে তুলতে হাতের কাজ, এমব্রয়ডারি, স্ক্রিন, ব্লকপ্রিন্ট, ডিজিটাল প্রিন্ট ও টাই-ডাই মিডিয়ার ব্যবহার হয়েছে। এগুলো পরে যে কেউ স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করবেন।’

ছবি : কে ক্র্যাফট
ছবি : কে ক্র্যাফট

ফাগুনের প্রথম দিনটিতে রঙিন পোশাক পরবেন আর একটু ভিন্নভাবে সাজবেন না, তা কি হয়? পোশাকের পাশাপাশি সাজেও আনতে পারেন বৈচিত্র্য।

‘বসন্ত মানেই যেহেতু রঙিন কিছু, তাই সাজেও থাকবে রঙের ব্যবহার। তবে তা হবে পরিমিত’, বলছিলেন বিউটিফিকেশন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র উজ্জ্বলার ফ্যাকাল্টি ও রূপ বিশেষজ্ঞ সুপ্রিতী গােস্বামী। তিনি বলেন, ‘এদিন দিনের বেলায় চোখের মেকআপে হালকা রঙের ব্যবহার করাই ভালো। যেমন : হালকা গোলাপি, সবুজ, জলপাই ও বাদামি ইত্যাদি রং।’

চোখে পরতে পারেন কাজল বা টানা আইলাইনার। মাশকরা অবশ্যই থাকবে। আর সেটা হবে ডাবল লেয়ারের। এ ছাড়া চোখের ওপর কাজল টেনে হালকা ম্যাশ করে নিতে পারেন। এতে খুব কম মেকআপেই চোখ ভরাট মনে হবে।

দিনের বেলার ত্বকের বেইজ মেকআপ হবে খুব হালকা। একেবারে স্কিন টোন অনুযায়ী। একটু বিবি বা সিসি ক্রিম ব্যবহার করে কমপ্যাক্ট বুলিয়ে নিন। গালে ও চিক বোনে লাগান টিনট ব্লাশন। ঠোঁটে লাগাতে পারেন মানানসই ম্যাট বা ন্যুড লিপস্টিক। খোঁপায় একটা-দুটো জারবেরা বা গোলাপ থাকলে তো সোনায় সোহাগা। এই তো হয়ে গেল দিনের বেলার সাজ।

ছবি : কে ক্র্যাফট
ছবি : কে ক্র্যাফট

তবে রাতে বেইজ মেকআপটা একটু ভারী করতে পারেন। এমনটা জানিয়ে রূপ বিশেষজ্ঞ সুপ্রিতী গোস্বামী বলেন, ‘এই সময় হালকা গ্লিটারি বা একটু গাঢ় রঙের মেকআপ করা যেতে পারে। চোখে পোশাকের সঙ্গে মানিয়ে সবুজ, গোলাপি, ব্লু স্মোকি রঙের ব্যবহার থাকুক। লিপস্টিক একটু গ্লোসি হলেও চলবে। তবে যেহেতু শীত থেকে গরমের দিকে আবহাওয়া মোড় নিচ্ছে, তাই মেকআপের আগে ত্বকের যত্নটা বিশেষভাবে নিতে হবে। মেকআপের আগে অবশ্যই ক্লিনজিং, টোনিং ও ময়েশ্চারাইজিং ভালোভাবে করে নেবেন। আর সাজে পরিপূর্ণতা আনতে হাতভর্তি চুড়ি, মেটাল বা কাপড়ের গয়না এবং কপালে টিপ পরতে ভুলবেন না যেন।’

সাজ মানুষের ব্যক্তিত্ব ও রুচির পরিচায়ক। তাই বিশেষ এই দিনটিতে এমনভাবে সাজুন, যেন সেটি আপনার ব্যক্তিত্ববিরোধী না হয় এবং অন্যের চোখকেও আরাম দেয়। বসন্ত কাটুক আনন্দে।

অসম্মানের জবাব দেওয়ার কৌশলী ৮ উপায়

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
গরীব থেকে আমির, দুর্বল থেকে শক্তিশালী- সবাই জীবনের কোনো না কোনো সময়ে অসম্মানের মুখোমুখি হয়। অসম্মানের জবাব দিতে গিয়ে আমরা অনেকেই মারমুখি হয়ে উঠি বা অন্যকে গালিগালাজ করে সেটার সমাধান করার চেষ্টা করি।

তবে খুব ভদ্রভাবেও এর জবাব বা প্রতিউত্তর দেওয়া যায়। এতে শাপও মরে আর লাঠিও ভাঙে না। দৃঢ়তার সঙ্গে এবং চিৎকার-চেঁচামেচিতে না করে কীভাবে অসম্মানের উত্তর দেবেন তার কিছু কৌশলী উপায় বাতলেছে ওয়ার্ডস অব উইসডম।

শান্ত থাকুন
মনে মনে নিশ্চয়ই ভাবছেন, কেউ আমাকে অসম্মান করছে, আর আমি চুপচাপ বসে থাকবো, সেটা হয় না কি ? হ্যাঁ, বিষয়টি বেশ কঠিন। তবে, কেন শান্ত থাকার কথা বলা হচ্ছে ? কারণ, এই জটিল সময়েও আপনি যখন ধীর থাকবেন, তখন বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। ওই যে বলা হয়, রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন। বিষয়টি একদমই তাই। নিজের জাহাজের ক্যাপটেন নিজেই হোন। অন্যের কাজ, কথায় আপনি আহত হোন, রেগে যান বা আপনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করা যায়, বিষয়টি অপরপক্ষ বুঝে গেলেই বিপদ। তারা আপনাকে আরো আঘাত দেওয়ার চেষ্টা করবে। তাই শান্ত থাকুন।

শান্ত থাকা মানে কিন্তু দুর্বলতা নয়। এর মানে হলো, নিজের নিয়ন্ত্রণটা, নিজের হাতেই রয়েছে।

অসম্মান কেন করা হচ্ছে, চিন্তা করুন
প্রতিউত্তর দেওয়ার আগে সম্পূর্ণ অবস্থাটি নিয়ে স্মার্টভাবে চিন্তা করুন। কেন আপনাকে অসম্মান করা হচ্ছে? এটা কি ইচ্ছা করে অপরপক্ষ করছে? না কি ভুল বোঝাবুঝির কারণে হচ্ছে? অযথা যুদ্ধে জড়ানোর আগে একটু পেছনে থেকে খেলুন। অবস্থা পর্যবেক্ষণ করুন।

ক্যাপশন : অসম্মানের উত্তর দিতে পারেন নিরবতা দিয়ে। ছবি : সংগৃহীত
ক্যাপশন : অসম্মানের উত্তর দিতে পারেন নিরবতা দিয়ে। ছবি : সংগৃহীত

নিজের প্রতিক্রিয়ার দিকে নজর দিন
আপনি অন্যের আচরণ নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন না। তবে আপনি তার বাজে আচরণের প্রতিউত্তরে কী প্রতিক্রিয়া জানাবেন সেটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।

ব্যক্তিগতভাবে নেবেন না
কেউ আপনাকে অসম্মান করছে বা আপনার সম্পর্কে ভুলভাল ভাবছে, এটা কিন্তু আপনার সমস্যা নয়, তার চিন্তার প্যাটার্ন এই রকম। তাই অসম্মানকে খুব ব্যক্তিগতভাবে চিন্তা করতে যাবেন না। আপনি শান্ত থাকলে, যে আপনাকে অসম্মান করছে, সে নিজেই অন্যের চোখে ছোট হবে। অন্যের নেতিবাচকতার কারণে নিজের আনন্দ কেন নষ্ট করবেন?

দেয়াল তুলে দিন
নিজের মানসিক শান্তির দায়িত্বটা আসলে নিজেরই। যারা অসম্মান করে বা করছে, তাদের সঙ্গে মেলামেশা কমিয়ে দিন। মানসিকভাবে দেয়াল তুলুন। অসম্মানকে কোনোভাবেই সহ্য করার কারণ নেই। শক্ত হয়ে নিজেকে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে আসুন, যেন তারাও এক পর্যায়ে বুঝতে পারে, তাদের আচরণ ভুল ছিল। নিজের মন ও শরীরকে নিরাপদে রাখুন।

 ক্যাপশন : সবকিছু ব্যক্তিগতভাবে নেবেন না। ছবি : সংগৃহীত
ক্যাপশন : সবকিছু ব্যক্তিগতভাবে নেবেন না। ছবি : সংগৃহীত

চুপ থাকুন
কখনো কখনো নিরবতা শব্দের চেয়ে শক্তিশালী। এর মানে কিন্তু আপনি অবস্থাকে এড়াচ্ছেন না। আপনি কেবল অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে নিরব থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। নিরবতার এই সময়টা আপনাকে বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে, ভেবেচিন্তে ও যুক্তির সঙ্গে উত্তর দেওয়া শেখাবে। আপনি কিন্তু অসম্মানের বিপক্ষে যুদ্ধ করছেন, তবে শব্দে নয়, নিরবতা দিয়ে। এর মানে আপনি নিজের নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা অন্যের হাতে দিচ্ছেন না।

নিজেকে তৈরি করুন
কেউ আপনাকে অসম্মান করলে, তাকে দেখিয়ে দিন আপনি কতটা যোগ্য। কথা নয়, কাজ দিয়ে, নিজের ব্যক্তিগত উন্নতির মাধ্যমে চড়টা মারুন। সর্বপোরি, নিজেকে তৈরি করুন।

হেসে উড়িয়ে দিন
আরেকটি কাজও করতে পারেন। কেউ অসম্মান করলে প্রথমে হেসে উড়িয়ে দিন। আর সেটি সম্ভব না হলে, তার চোখের দিকে তাকিয়ে বলুন, ‘ আপনি ঠিক আছেন তো? মনে হচ্ছে, আপনি ঠিক নেই।’ দেখুন তো, এই কথা বলার পর কী প্রতিক্রিয়া হয় ?

সুস্থ ত্বক পেতে প্রতিদিন পান করুন এই পানীয়

অপরাজিতা অরু

সারাদিন কর্মক্ষম থাকতে চান ? তাহলে সকালে নাস্তার পর একগ্লাস গাজরের মিল্কশেক পান করুন। সকালে এই পানীয়টি পান, পাঁচ থেকে ছয় ঘণ্টা আপনাকে রাখবে কর্মক্ষম ও প্রফুল্ল।

প্রতিদিন এক গ্লাস গাজরের জুস বাড়াবে আপনার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। গাজরে রয়েছে ক্ষণিজ, পটাসিয়াম ও ফসফরাস। এগুলো হাড় গঠন ও মস্তিস্কের কার্যক্ষমতা বাড়ায়।

গাজর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ডায়েটরি ফাইবারে পরিপূর্ণ একটি সবজি। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ফসফরাসের মত পুষ্টি উপাদান ত্বক শুকিয়ে যাওয়া এবং ত্বককে দাগ পড়া থেকে রক্ষা করে। এ ছাড়াও স্কিন টোনকে উন্নত করে এসব উপাদান। নিয়মিত গাজর খাওয়ার অভ্যাস চুল পড়া কমাতেও কার্যকরী।

গাজরে থাকা পটাশিয়াম কোলেস্টেরল ও ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে বেশ উপকারী। এতে ক্যালরি ও সুগারের উপাদান খুবই কম। এ ছাড়া ডায়াবেটিস প্রতিরোধে যেসব ভিটামিন ও খনিজের প্রয়োজন সেসব উপাদানে ভরপুর এই সবজি। এটি এমন একটি সবজি ওজন কমাতেও যার জুড়ি মেলা ভার।

ক্যারট মিল্কশেক তৈরিতে যেসব উপাদান প্রয়োজন

গাজর কুচি – দুই কাপ
গরুর দুধ – ২৫০ গ্রাম
মধু – ৪ টেবিল চামচ
সাদা এলাচ – ৪ টি
খেজুর – দুইটি (পানিতে আধঘণ্টা ভিজিয়ে রাখা)

যেভাবে তৈরি করবেন

প্রথমে দুধ ফুটিয়ে নিন। এবার গাজর কুচি, দুধ, মধু খেজুর ও এলাচ সবকিছু একসঙ্গে একটি ব্ল্যান্ডারে অথবা জুসারে ব্ল্যান্ড করে নিন। এবার গ্লাসে ঢেলে পছন্দ মত বাদাম কুচি কিসমিস দিয়ে পরিবেশন করুন।

খেজুর ও মধুর পরিবর্তে প্রয়োজন মত চিনিও ব্যবহার করতে পারেন। তবে ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য চিনি বাদ দেওয়াটাই ভালো। হালকা গরম অবস্থায় ক্যারট মিল্ক শেক পান করুন।

সূত্র : ডিঙডিগুল ফুড কোর্ট ও জয়শ্রি’স কিচেন

যোনিস্বাস্থ্য ভালো রাখবেন কীভাবে ?

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
বেশিরভাগ ক্ষেত্রে নারী তার সৌন্দর্য নিয়ে যতটা সচেতন থাকে, ঠিক ততটাই অবহেলা করে তার স্বাস্থ্যকে। বিশেষ করে নারী অঙ্গগুলোর স্বাস্থ্যকে। এতে স্তন, জরায়ু, যোনি ইত্যাদির মতো স্পর্শকাতর অঙ্গগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয় বেশি।

যৌনিতে যেহেতু পানি বা অন্যান্য জিনিসের স্পর্শ বেশি হয়, এই জন্য এই অঙ্গটি সহজেই সংক্রমিত হয়ে পড়ে। তাই এর সঠিক যত্ন নেওয়াটা জরুরি। যৌনিস্বাস্থ্য সুরক্ষায় কিছু পরামর্শ জানিয়েছে মোরল্যান্ড ডটকম।

পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা
কম ক্ষার রয়েছে এই ধরনের সাবান ও হালকা গরম পানি দিয়ে প্রতিদিন অন্তত একবার যৌনি ধোন। ধোয়ার পর ভালোভাবে জায়গাটি পরিষ্কার করুন, যেন কোনোভাবেই ভেজা না থাকে।

প্রত্যেকবার টয়লেট ব্যবহারের পর অবশ্যই ভালোভাবে জায়গাটিকে পরিষ্কার করবেন।

সহবাসের পর পরিচ্ছন্নতা
অনেকেই সহবাসের সময় লুব্রিকেন্ট ব্যবহার করেন। এ ক্ষেত্রে এমন ধরনের ব্যবহার করুন, যেন যৌনির ক্ষতি না হয়। এ ছাড়া সহবাসের পর দ্রুত যৌনাঙ্গ ধুয়ে পরিষ্কার করে নিন। না হলে সংক্রমণের আশঙ্কা বাড়ে।

পিরিয়ডের সময়ের যত্ন
পিরিয়ডের সময় অন্তত চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা পর পর প্যাড পরিবর্তন করুন। যৌনির সংক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে প্রোবায়োটিকস জাতীয় খাবার খান। প্রোবায়োটিকস দইয়ের মধ্যে পাবেন। এ সময় পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করুন।

পিউবিক হেয়ার
পিউবিক হেয়ার বা যৌনির চুল সেইভ বা ওয়্যাক্স করে পরিষ্কার রাখাটা জরুরি। নোংরা পিউবিক হেয়ারের কারণেও যৌনিতে বিভিন্ন সংক্রমণ হয়।

‘সৎ সাহস থাকলে সবাই সফল হতে পারে’

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
মেয়েটির গায়ের রং কালো ছিল। ছোটবেলায় মা ছাড়া এমন কোনো মানুষ ছিল না, যারা গায়ের রং কালো বলে, তাকে উপহাস করেনি। যত সবার উপহাস বেড়েছে, তত ত্বকের যত্ন ও সাজসজ্জার প্রতি আগ্রহ বেড়েছে তার। সেই আগ্রহ বাড়তে বাড়তে এক সময় বিউটিফিকেশন পেশায় আসার ইচ্ছা তৈরি হয়।

২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে বিউটিফিকেশন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র উজ্জ্বলা থেকে কোর্স করে বর্তমানে নিজেই একটি স্যালন খুলেছেন। পাশাপাশি নারীদের জন্য তৈরি একটি জিমের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান প্রশিক্ষক তিনি। গায়ের রং, দেহের আকৃতির প্রতিবন্ধকতা তাকে থামিয়ে রাখতে পারেনি। তিনি চলছেন উদ্দ্যম গতিতে। যার কথা বলছি, তিনি বরিশালের মেয়ে সামিয়ারা ইসলাম স্বর্ণা। একজন সফল উদ্যোক্তা হিসেবে তাঁর পথচলার গল্পই রইল পাঠকদের জন্য।

সামিয়ারা ইসলাম স্বর্ণা। ছবি : সংগৃহীত
সামিয়ারা ইসলাম স্বর্ণা। ছবি : সংগৃহীত

বিউটিফিকেশনের সব আধুনিক প্রশিক্ষণ উজ্জ্বলায় পাই

যেহেতু সাজসজ্জার প্রতি আমার একটি আগ্রহ ছিল, তাই অনেকদিন ধরেই একটা বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান খুঁজছিলাম, যেখানে আমি বিউটিফিকেশনের সব আধুনিক প্রশিক্ষণ নিতে পারি। খুঁজতে খুঁজতে হঠাৎ উজ্জলার বিজ্ঞাপন সামনে আসে। উজ্জলার কথা আমি ফেইসবুক অ্যাডের মাধ্যমে জেনেছি।

উজ্জলায় আসার আগ পর্যন্ত আমি আসলে কিছুটা দ্বিধায় ছিলাম, আমার স্বপ্ন পূরণ করতে পারব কি না। তবে যেদিন প্রথম উজ্জলার ক্লাস করতে আসি, মনে হয়, আমি আর একা নই, আমার পরিবার খুঁজে পেয়েছি। সবার এতো সহযোগিতা পেয়েছি, আমার লক্ষ্যে পৌঁছানোর মনোবল আরো দৃঢ় হয়েছে। আমার সব সুবিধা-অসুবিধায় আমি উজ্জলাকে পেয়েছি। উজ্জ্বলা আমাকে নতুন করে হাসতে শিখিয়েছে।

মায়ের মৃত্যুতে ভীষণ অসহায় হয়ে পড়ি

আমার আম্মু ২০০৭ সালে মারা গেছেন। এরপর থেকে আসলে জীবনে ট্রেজিডি অনেক হয়েছে। প্রত্যেকটা ঘটনার পর পরই মনে হতো এর থেকে মরে যাওয়া ভালো। এস. এস. সি পরীক্ষার পর একটু একটু করে সাহস আসতে শুরু করে। তখন ভাবতে শুরু করি, জীবনে এমন কিছু করতে হবে যেন আমার মত যে মেয়েরা একা, যাদের পাশে কেউ নেই, তাদের পাশে দাঁড়াব। আমি একজন সফল নারী হবই।

এরপর জীবনে অনেক কিছু ঘটে গেছে, তবে আমি কখনও দমে যাইনি। প্রত্যেকটা ঘটনা আমাকে আরও একটু শক্ত করেছে। আমি মনে করি, এতগুলো দুর্ঘটনা ঘটেছে বলেই হয়ত আজ আমি এতটা বাস্তববাদী। এখন আর আমার মধ্যে কোনো ভয় কাজ করে না। মানুষ হিসেবে কিছু অনুভূতি মাঝে মাঝে মানসিক যন্ত্রণা দিলেও জিমে একঘণ্টা ওয়ার্কআউট করলে সব ভুলে যাই। আজকের আমি অতীতের অনেক মনভাঙা মানসিক যন্ত্রণার সমষ্টি। এখন রয়েছে সামনে চলার জেদ। নিজে ভালো থাকতে চাই, আর অন্য মেয়েদের ভালো রাখতে চাই।

সামিয়ারা ইসলাম স্বর্ণা। ছবি : সংগৃহীত
সামিয়ারা ইসলাম স্বর্ণা। ছবি : সংগৃহীত

নারীকে সৌন্দর্যের পাশাপাশি সুস্বাস্থ্যের প্রতি নজর দিতে হবে

বর্তমানে পার্লারের পাশাপাশি আমি একটি লেডিস জিমের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান প্রশিক্ষক। বরিশালে আমার এই জিমটির নাম, ফিটনেস স্টুডিও বাই সামিয়ারা। আমাদের সমাজে মেয়েদের সৌন্দর্য নিয়ে সবাই যতটা আগ্রহ প্রকাশ করে, তার অর্ধেকও মেয়েদের সুস্বাস্থ্য নিয়ে সচেতন নয়। মেয়েদের হরমোনের সমস্যার কারণে অনেক সময় ওজন বেড়ে যায়।আবার পোস্ট পার্টাম ডিপ্রেশন তো অনেক সময় মেয়েদের আত্মঘাতী করে তোলে। এসব সমস্যা সমাধানে সঠিক কাউন্সিলিং ও ওয়ার্কআউটের মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব। অনেক মেয়েরা ছেলেদের সঙ্গে ওয়ার্কআউট করতে স্বস্তিবোধ করে না, আবার পরিবারও অনুমতি দেয় না। তাদের কথা চিন্তা করে শুধুমাত্র মেয়েদের জন্য জিমটি শুরু করেছি। পার্লারের কাজও চলছে।

সামিয়ারা ইসলাম স্বর্ণা। ছবি : সংগৃহীত
সামিয়ারা ইসলাম স্বর্ণা। ছবি : সংগৃহীত

মেয়েদের আত্মনির্ভরশীলতা বাড়াতে কাজ করতে চাই

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তো অনেক কিছুই রয়েছে। এর মধ্যে নিজের ব্যবসাকে সততার সঙ্গে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া এবং জীবনে আরো সফল হওয়া অন্যতম। তবে সমাজের অন্য মেয়েদের সাহসী ও আত্মনির্ভরশীল হতে যেন অনুপ্রেরণা দিতে পারি এমন কিছু করতে চাই। অনেকই নিজে কিছু করতে পারছে না বলে বিভিন্ন অন্যায় মেনে নেয়। এমন কিছু করতে চাই, যাতে আমাকে দেখে তারাও অনুভব করতে পারে মেয়েরা দুর্বল না, হোক সে একা। আমি মনে করি সৎ সাহস, দূরদর্শিতা ও দক্ষতা থাকলে সবাই সফল হতে পারে।

বি : দ্র : বাংলাদেশের বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিং ইন্ডাস্ট্রিতে উদ্যোক্তা তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে উজ্জ্বলা লিমিটেড। উজ্জ্বলায় প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এবং সংগ্রাম করে সাফল্য অর্জন করেছেন, এমন কয়েকজন নারী ও পুরুষের সাক্ষাৎকার নিয়ে সাতকাহনের ধারাবাহিক পর্ব চলছে। এই পর্বটি ছিল ৯২তম। উজ্জ্বলা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন :

https://www.facebook.com/UjjwalaBD

https://www.instagram.com/UjjwalaBD/

ফোন : ০১৩২৪৭৩৪১৫৭

পোশাকে ফাগুন

অপরাজিতা অরু

শীতের রুক্ষতা শেষে প্রকৃতি সাজে নিজের মতো করে। দরজায় কড়া নাড়ে ঋতুরাজ বসন্ত। শীতের জীর্ণতাকে মাড়িয়ে বসন্তে প্রকৃতি সাজে নব রূপে, নব আনন্দে।

প্রকৃতির এই কলতান মানুষের মনেও দোলা দেয়। বাঙালি বসন্তের প্রথম দিনটি উদযাপন করে বাহারি রঙের সাজ-পোশাকের মধ্য দিয়ে। উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। এবার পহেলা ফাল্গুন, সরস্বতী পুজো ও ভালোবাসা দিবস একই দিনে। এ আনন্দকে বাড়িয়ে দিতে দেশের অন্যতম শীর্ষ ফ্যাশন হাউসগুলো সেজে উঠেছে নানা রং ও পোশাকে।

ছবি : কে ক্র্যাফট
ছবি : কে ক্র্যাফট

দেশের অন্যতম ফ্যাশন হাউজ কে-ক্র্যাফটের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার নাসির আহমেদ বলেন, ‘এবারের ফাল্গুন-ভালোবাসা দিবস-এর বিশেষ কালেকশন নিয়ে এসেছে তারা। যেহেতু পহেলা ফাল্গুন ও ভালোবাসা দিবস দুটি একই দিনে, তাই সাজ পোশাক নির্বাচনে একটু দ্বিধায় পড়তে হয় ক্রেতাদের। সেই ভাবনা মাথায় রেখেই করা হয়েছে পোশাকের ডিজাইনগুলো। পোশাকে মোটিফ ও ডিজাইনের ডিটেইলসে থাকছে উৎসবের আমেজ। এ গুলোতে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে বিশেষভাবে বাছাই করা প্যাটার্ন ও রং; যা বসন্ত ও ভালোবাসা দিবস- দুটো উৎসবকেই সমানতালে ফুটিয়ে তুলবে।’

ফাল্গুন ও ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে এথনিক, ট্র্যাডিশনাল, ফিউশনধর্মী নানা পোশাকের আয়োজন করা হয়েছে। ফ্লোরাল, ট্র্যাডিশনাল, মানডালা, ওরিয়েন্টাল, মিক্সড মোটিফ, মুঘল, বেলারুস, জামদানি সহ নানা মোটিফে তৈরি করা এবারের পোশাক।

শাড়ি, সালোয়ার কামিজ, লং-কুর্তি, রেগুলার কুর্তি, টপস, কাফতান, টিউনিক, টপস-স্কার্ট, ছেলেদের জন্য রেগুলার ও ফিটেড পাঞ্জাবি, শার্ট, কটি, ও শিশুদের জন্য নানা ডিজাইনের পোশাক থাকছে।

ছবি : কে ক্র্যাফট
ছবি : কে ক্র্যাফট

পরিবারের সকলের জন্য মিলিয়েও রয়েছে পোশাক। অর্থাৎ মা ও মেয়ের কুর্তি, বাবা ও ছেলের জন্য পাঞ্জাবি জানিয়ে নাসির আহমেদ বলেন, ‘ উপাদান হিসেবে থাকছে কটন, স্লাব কটন, লিনেন, সিল্ক, হাফ সিল্ক, অরগাঞ্জা, টু-টোন কাপড়। নকশা ফুটিয়ে তুলতে হাতের কাজ, এমব্রয়ডারি, স্ক্রিন ও ব্লক প্রিন্ট, ডিজিটাল প্রিন্ট ও টাই-ডাই মিডিয়ার ব্যবহার হয়েছে। রং হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে ইয়েলো, লেমন ইয়েলো, নিওন লাইম, জাভা গ্রিন, রেড, কোরাল রেড, হট পিঙ্ক, পার্পল, ভায়োলেট, ল্যাভেন্ডার, মেরিগোল্ড, মেরুন, ম্যাজেন্টা, অফ-হোয়াইট, মাস্টার্ড ইয়েলো ইত্যাদি। নারী, পুরুষ ও শিশুদের বছরজুড়ে পরার মতো সমসাময়িক ফ্যাশনের মানানসই পোশাক নিয়েই এবারের আয়োজন।’

ছবি : কে ক্র্যাফট
ছবি : কে ক্র্যাফট

অন্যতম দেশীয় ফ্যাশন হাউজ ট্রিভোর স্বত্বাধিকারী আঁখি ভদ্র বলেন, ‘এ বছর সরস্বতী পুজো, পহেলা ফাল্লুন ও ভালোবাসা দিবস একই সাথে হওয়ায় উৎসবটা বেশি জাঁকজমকপূর্ণ। একই দিনে এতগুলো উৎসবকে কেন্দ্র করে ট্রিভোতে থাকছে বিভিন্ন ম্যাটারিয়ালের শাড়ি। সিল্ক, কটন, তন্তুজা সহ দেশীয় কাপড়ের আরো ধরন। যেহেতু বসন্ত উৎসব জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকলেই উৎযাপন করে, তাই এটি একটি বড় উৎসব। সব বয়সী মানুষের জন্যই দিনটি আনন্দের সবাই চায় নিজেকে একটু সাজাতে। তাই শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধ পর্যন্ত সব বয়সী মানুষের কথা মাথায় রেখে ট্রিভোর শাড়ির রঙে শোভা পাচ্ছে বসন্তের নানা ফুলের রঙ। এসবের দাম থাকছে ১ হাজার ১শ থেকে শুরু করে ৪৫ হাজার টাকা পর্যন্ত।’

যেকোনো উৎসবের আনন্দকেই দ্বিগুণ করে তোলে বাহারি রঙের পোশাক। এই বসন্তেও থাকুক তার রেশ। প্রকৃতির মতো মানুষও নিজেকে রাঙিয়ে তুলুক নতুন ঢঙে, নতুন সাজে। উৎসবে মাতোয়ারা হোক গোটা দেশ।

ভালোবাসা দিবসে প্রিয় মানুষকে কী দিচ্ছেন ?

অপরাজিতা অরু

প্রতি বছর ৭ ফেব্রুয়ারি ‘রোজ ডে’ দিয়ে শুরু হয় ভ্যালেন্টাইন্স উইক; শেষ হয় ১৪ ফেব্রুয়ারি। সারা বছর বিশ্বের সকল প্রেমিক- প্রেমিকা অপেক্ষা করে থাকেন এই বিশেষ দিনটির জন্য। এ বছর ভ্যালেন্টাইন দিবসের সঙ্গে পালিত হবে সরস্বতী পুজোও।

বিশেষ এই দিনে সঙ্গীকে উপহার হিসেবে কী দিবেন, এ নিয়ে ভাবতেই হিমশিম খান অনেকেই। হাতে সময় কম তারপরও সেরা উপহারটিই দিতে চান সবাই। শেষ মুহূর্তে এসে আপনার জন্য থাকছে বিশেষ কিছু টিপস যতে সঙ্গীর জন্য সেরা উপহারটি বেছে নিতে পারেন সহজেই।

বই
ভ্যালেন্টাইন্স ডে’তে উপহার হিসেবে বইয়ের কথা শুনে অনেকেরই হয়তো ভ্রু কুঁচকে গেলো। তবে এমন অনেক মানুষই রয়েছেন, যার কাছে নতুন নতুন বই পড়া আর সংগ্রহে রাখা খুব আনন্দের ব্যাপার, তাই উপহার হিসেবে বইয়ের চেয়ে সেরা আর কিছুই হতে পারে না। সেইসঙ্গে বিশেষ মানুষটিকে নিয়ে ঘুরে আসতে পারেন একুশে বইমেলায়। কাটাতে পারেন চমৎকার একটি সময়। বইপ্রেমী এমন সঙ্গী থাকলে হতাশ না হয়ে বরং নিজেকে ভাগ্যবান মনে করতে পারেন।

পেইন্টিং

যাকে উপহার দেবেন সেই মানুষটিরই একটা ছবি এঁকে নিতে পারেন কোনো পেশাগত শিল্পীর মাধ্যমে। তারপর সেটা একটি ফ্রেমে বাঁধিয়ে উপহার দিন। এই উপহারের গায়ে মোড়ানো মোড়ক উন্মোচনের পর প্রিয়জনের খুশিটা দেখতে পাবেন নিজের চোখেই।

পারফিউম/অলঙ্কার

ছেলেদের কাছে পারফিউম আর মেয়েদের কাছে যেকোনো ধরনের স্টাইলিশ অলঙ্কার সবসময়ই অনেক প্রিয়। আর সেটা যদি উপহার হিসেবে সবচেয়ে কাছের মানুষ দেয়, এর চেয়ে রোমান্টিক আর কী হতে পারে?

স্মার্টওয়াচ

ডিজিটাল জমানায় যে ডিভাইস ছাড়া থাকা যায় না তা হল একটি স্মার্টওয়াচ। স্মার্টফোনের মতো এতেও একাধিক ফিচার পাওয়া যায়। রয়েছে ব্লুটুথ কলিং, হেলথ ট্র্যাকিংয়ের মতো সুবিধা। বর্তমানে বহু স্মার্টওয়াচে অ্যাডভান্স ফিচারও দেওয়া হয়। গুগল ম্যাপ থেকে মিউজিক সব রয়েছে এতে। স্মার্টওয়াচও একটি দারুণ উপহার হতে পারে যে কারোর জন্যই।

প্রসাধনী

আজকাল ছেলে-মেয়ে সবাই কম বেশি রূপচর্চা করে। আর রূপচর্চার জন্য ভালো ব্রান্ডের প্রসাধনী পেলে কে না খুশি হয়? এবারের ভ্যালেন্টাইনে আপনার সঙ্গীকে খুশি করতে উপহার দিতে পারেন তার পছন্দের প্রসাধনী।

শোপিস

উপহার যদি একইসঙ্গে ঘরের সৌন্দর্যবর্ধন আর অনেক দিন সংরক্ষণ করার মতো হয় তাহলেতো কথাই নেই। পছন্দের মানুষের জন্য এমন উপহার বেছে নিন, যা আপনার অস্তিত্বকে জানান দিবে বহু সময় ধরে। আবার সৌন্দর্যও হবে এমন যেন জুড়ি মেলা ভার। শেষ মুহূর্তে এমন উপহার কিনে ফেলুন তাড়াতাড়ি।

শখের জিনিস

সঙ্গীর পছন্দ-অপছন্দ, শখ সম্পর্কে জানে না আজকালকার যুগে এমন যুগল খুঁজে পাওয়া যাবে না। একটু মনে করে দেখুন, এমন কোনো পছন্দের বা শখের জিনিসসের কথা কখনো বলেছিলো কি না, যা আপনার প্রিয় মানুষটির সংগ্রহে এখনও নেই? আর সেই বস্তুটিই উপহার হিসেবে সঙ্গীকে দিন।

ভালোবাসা দিবসে উপহার দেওয়া-নেওয়া শুধু যে প্রেমিক প্রেমিকার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে তেমনটা নয়। স্বামী-স্ত্রী, বাবা-মা, ভাই-বোন, সন্তান এবং যে কোনও প্রিয় বন্ধুর জন্যই উপহার কিনতে পারেন এই ভ্যালেন্টাইনে। ছোট একটি উপহার ভালোবাসার মানুষদের সঙ্গে সর্ম্পক আরও বেশি মধুর করে তোলে, করে তোলে বিশেষ। তাই উপহার দিন আর যত্ন নিন সম্পর্কের।

বসন্তে ভালবাসায় কে ক্র্যাফট -এর আয়োজন

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
বসন্তে প্রকৃতি যেমন ফুলেল উৎসবে মেতে ওঠে তেমনি উৎসব প্রিয় বাঙালি বসন্তের প্রথম দিনটি উদযাপন করে বাহারি রঙের সাজ পোশাকে। বসন্ত যে এসে গেছে তার প্রকাশ যেন সাজ পোশাকেই ঘটে।

বসন্ত আসুক, বাসায় কিংবা অফিসে কর্ম ব্যস্ততা থেকে তো আর রেহাই নেই। আবার তাই বলে কি বসন্ত উদযাপন হবে না? নিজের পছন্দের পোশাক বসন্তের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে পরা যেতেই পারে।

দেশের অন্যতম প্রধান ফ্যাশন ব্র্যান্ড কে ক্র্যাফট এবারের ফাল্গুন-ভালোবাসা দিবস এর বিশেষ কালেকশন নিয়ে এসেছে। পহেলা ফাল্গুন ও ভালোবাসা দিবস দুটি একই দিনে, তাই সাজ পোশাক নির্বাচনে একটু দ্বিধায় পরতে হয়। তবে পছন্দসই পোশাকই মিলবে কে ক্র্যাফট এর আয়োজন থেকে। পোশাকে মোটিফ ও ডিজাইনের ডিটেইলসে থাকবে উৎসবের আমেজ। এ ছাড়া প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে বিশেষভাবে বাছাই করা প্যাটার্ন ও রং, যা বসন্ত ও ভালোবাসা দিব- দুটো উৎসবকেই সমানতালে ফুটিয়ে তুলবে। নারী, পুরুষ ও শিশুদের বছরজুড়ে পরার মতো সমসাময়িক ফ্যাশনের মানানসই পোশাক নিয়েই এবারের আয়োজন।

ফাল্গুন ও ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে এথনিক, ট্র্যাডিশনাল, ফিউশনধর্মী নানা পোশাকের আয়োজন করা হয়েছে। ফ্লোরাল, ট্র্যাডিশনাল, মানডালা, ওরিয়েন্টাল, মিক্সড মোটিফ, মুঘল, বেলারুস, জামদানি ইত্যাদি নানা মোটিফে তৈরি করা পোশাক সারিতে রয়েছে – শাড়ি, সালোয়ার কামিজ, লং-কুর্তি, রেগুলার কুর্তি, টপস, কাফটান, টিউনিক, টপস-স্কার্ট, ছেলেদের জন্য রেগুলার ও ফিটেড পাঞ্জাবি, শার্ট, কটি, শার্ট ও শিশুদের জন্য নানা আয়োজন তো থাকছেই। ফ্যামিলি পোশাক থাকবে বরাবরের মত। অর্থাৎ মা ও মেয়ের কুর্তি, বাবা ও ছেলের জন্য পাঞ্জাবি। এ ছাড়া যুগলদের জন্য বিশেষ পোশাক।

ছবি : কে ক্র্যাফট
ছবি : কে ক্র্যাফট

কটন, স্লাব কটন, লিনেন, সিল্ক, হাফ সিল্ক, অরগাঞ্জা, টু-টোন কাপড়ে তৈরি পোশাকগুলোতে নকশা ফুটিয়ে তুলতে হাতের কাজ, এমব্রয়ডারি, স্ক্রিন ও ব্লক প্রিন্ট, ডিজিটাল প্রিন্ট ও টাই-ডাই মিডিয়ার ব্যবহার হয়েছে। রঙ হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে ইয়েলো, লেমন ইয়েলো, নিওন লাইম, জাভা গ্রিন, রেড, কোরাল রেড, হট পিঙ্ক, পার্পল, ভায়োলেট, ল্যাভেন্ডার,মেরিগোল্ড, মেরুন, ম্যাজেন্টা, অফ- হওয়াইট, মাস্টার্ড ইয়েলো সহ নানান রঙ।

লাইফস্টাইল সেগমেন্টে থাকছে অরনামেন্টস, নানা উপহার সামগ্রী, হোম ডেকর আইটেম এবং নানা প্রয়োজনীয় ফ্যাশন অনুষঙ্গ।

কে ক্র্যাফটের সকল আউটলেট ছাড়াও দেশে এবং দেশের বাইরের যে কোন প্রান্ত থেকে অনলাইন শপ kaykraft.com থেকে ফাল্গুন-ভালোবাসা দিবস এর পোশাক কিনতে পারেন বিশেষ সাশ্রয়ী মূল্যে। এ ছাড়া ফেসবুক পেজ থেকেও কেনাকাটা করার সুবিধা রয়েছে।

‘বিউটিফিকেশন স্বাধীন পেশা, সচ্ছলতাও আসে’

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

‘আমি সবসময় চাইতাম স্বাবলম্বী হতে। আমরা দুই বোন। আমি চাইতাম মা-বাবাকে অর্থনৈতিকভাবে সাহায্য করতে। আমার একজন বয়ফ্রেন্ড ছিল, যার সঙ্গে পারিবারিকভাবে অ্যানগেজমেন্টও হয়। সে আমার ইচ্ছার কথা জানতো এবং আমাকে কাজ করতে সম্মতিও দেয়।

তবে কাজ করা শুরু করার পর সে বাধা দিতে শুরু করে। কোনোভাবে চাইতো না আমি স্বাবলম্বী হই। আরো কিছু বাজে ঘটনার পর এক বছরের মাথায় আমাদের বিচ্ছেদ ঘটে। আমি মানসিকভাবে ভীষণ অসুস্থ হয়ে পড়ি এবং হাসপাতালে ভর্তি হই। উজ্জ্বলা আমাকে মানসিকভাবে শক্ত করতে সাহায্য করে’- কথাগুলো বলছিলেন চট্টগ্রামের মেয়ে জান্নাতুল নাসরিন।

বর্তমানে তিনি জয়িতা ফাউন্ডেশন ও উজ্জ্বলার যৌথ উদ্যোগে করা একটি বিউটিফিকেশন কোর্স করে বাড়িতে ছোট একটি পার্লার দিয়েছেন, পাশাপাশি হোম সার্ভিস দিচ্ছেন।

জান্নাতুল নাসরিন। ছবি : সংগৃহীত
জান্নাতুল নাসরিন। ছবি : সংগৃহীত

‘আমি সবসময় স্বাবলম্বী হতে চেয়েছি। আমার কাছে মনে হয়েছে একজন মেয়ের জীবনে শক্তিশালীভাবে চলার জন্য স্বাবলম্বী হওয়াটা খুব জরুরি’, বলছিলেন জান্নাতুল।

জান্নাতুল ২০২৩ সালে উজ্জ্বলার বিউটিফিকেশন কোর্সটিতে অংশ নেয়। বলছিলেন, ‘বিউটিফিকেশনকে স্বাধীন পেশা হিসেবে নেওয়া যায় এবং নিজের প্রতিভা প্রমাণের পাশাপাশি আর্থিক সচ্ছলতাও আসে। বিনামূল্যের এই কোর্সটি থেকে আমি অনেক শিখতে পেরেছি। কেবল হাত-কলমে বিউটিফিকেশনের কাজ শিখেছি তা নয়, মানসিকভাবে শক্তিশালীও হয়েছি এর মাধ্যমে।’

ভবিষ্যতে আরো দক্ষ বিউটি আর্টিস্ট হতে চায় জান্নাতুল। বলেন, ‘এই পেশায় নিজেকে আরো প্রতিষ্ঠিত করতে চাই এবং অন্যান্য নারীর কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে চাই।’

বি : দ্র : বাংলাদেশের বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিং ইন্ডাস্ট্রিতে উদ্যোক্তা তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে উজ্জ্বলা লিমিটেড। উজ্জ্বলায় প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এবং সংগ্রাম করে সাফল্য অর্জন করেছেন, এমন কয়েকজন নারী ও পুরুষের সাক্ষাৎকার নিয়ে সাতকাহনের ধারাবাহিক পর্ব চলছে। এই পর্বটি ছিল ৯১তম। উজ্জ্বলা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন :

https://www.facebook.com/UjjwalaBD

https://www.instagram.com/UjjwalaBD/

ফোন : ০১৩২৪৭৩৪১৫৭

- Advertisement -
সাতকাহন
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.