Thursday, May 28, 2026
spot_img
Home Blog Page 66

বিউটিফিকেশনের কাজে জীবন বদলেছে নিশার

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
আর্থিক অস্বচ্ছলতা বেশ ভুগিয়েছে রাজশাহীর মেয়ে শ্রাবণী আক্তার নিশাকে। ২০১৩ সালে তিনি বিউটিফিকেশনের ওপর কোর্স করেন স্থানীয় একটি পার্লারে। সেই কাজ শিখে বাড়িতে ছোট একটি পার্লার দেন। সেখানকার সামান্য আয় দিয়ে বাবা ও নিজের পরিবার চালাতেন।

এরপর উজ্জ্বলা ও জয়িতার যৌথ উদ্যোগে বিউটিফিকেশনের ওপর ১০ দিনব্যাপী রাজশাহীতে একটি কোর্স করেন। সেই কোর্স করে বর্তমানে তিনি আরো দক্ষ হয়ে উঠেছেন। আগে যেখানে ১০ হাজার টাকা আয় হতো, সেখানে এখন অনায়াসে ২০ হাজার টাকা আয় হয়। বিউটি আর্টিস্ট হয়ে শ্রাবণী আক্তার নিশার স্বাবলম্বী হওয়ার গল্প রইলো পাঠকদের জন্য।

বিউটিফিকেশনে কাজ করে জীবন বদলেছে

আমার মা-বাবা খুব অসুস্থ। তাই তাদের পরিবারের খরচ আমাকেই চালাতে হতো। আমার ভাইয়ের পড়ার সম্পূর্ণ খরচ আমিই বহন করি। পাশাপাশি আমার নিজের সংসারের ব্যয়ভারের অনেকটাই আমার উপর। অস্বচ্ছ্বলতার কারণে ভীষণ হিমশিম লাগতো। শুধু মনে হচ্ছিল, এই পরিস্থিতি থেকে বের হওয়া দরকার। এরপর বিউটিফিকেশনের ওপর কোর্সগুলো করলাম। আমার জীবন এখন অনেকটাই বদলে গেছে।

শ্রাবণী আক্তার নিশা। ছবি : সংগৃহীত
শ্রাবণী আক্তার নিশা। ছবি : সংগৃহীত

রিবন্ডিংয়ের প্রচুর ক্লাইন্ট পাই

২০২৩ সালের জুলাই মাসে রাজশাহীতে উজ্জ্বলা ও জয়িতা ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে বিনামূল্যে একটি বিউটিফিকেশন কোর্স করানো হয়। এটা ছিল আমার কাছে সুবর্ণসুযোগ। আমি এখানে অংশ নিই। আগে যতটুকু কাজ পারতাম, এই কয়েকদিনের কোর্সে আরো দক্ষ হয়ে উঠি। হেয়ার রিবন্ডিং
এখন খুব ভালোভাবে পারি। কোর্স শেষ হওয়ার পর আমার কাছে ২৩টি রিবন্ডিং করিয়েছি। খুব ভালো সাড়া পাচ্ছি।

সবসময় স্বাবলম্বী হতে চেয়েছি
আমি সবসময় চেয়েছি নিজেকে স্বাবলম্বী করতে। আমার মনে হতো মেয়ে সন্তান হয়েছি তো কী হয়েছে বাবার পরিবারকে আমি সাহায্য করবো। আর আমার এই স্বপ্নকে শক্তিতে রূপ দিয়েছে উজ্জ্বলা। বর্তমানে নিজেকে গর্ব করে স্বাবলম্বী একজন নারী বলতে পারি। ভবিষ্যতে নিজের পার্লারটিকে আরো বড় পরিসরে আনতে চাই। ভবিষ্যতে একজন সফল উদ্যোক্তা হবো, এটাই স্বপ্ন দেখি।

বি : দ্র : বাংলাদেশের বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিং ইন্ডাস্ট্রিতে উদ্যোক্তা তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে উজ্জ্বলা লিমিটেড। উজ্জ্বলায় প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এবং সংগ্রাম করে সাফল্য অর্জন করেছেন, এমন কয়েকজন নারী ও পুরুষের সাক্ষাৎকার নিয়ে সাতকাহনের ধারাবাহিক পর্ব চলছে। এই পর্বটি ছিল ৮৩তম। উজ্জ্বলা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন :

https://www.facebook.com/UjjwalaBD

https://www.instagram.com/UjjwalaBD/

ফোন : ০১৩২৪৭৩৪১৫৭

মানসিক শক্তি বাড়িয়েছিল উজ্জ্বলা

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

২০০৯ সালে বিয়ে হয় হামিদা ইয়াসমিনের। সংসার তেমন সুখের ছিল না। একরাতে স্বামী তাকে মেরে বাসায় ফেলে রেখে চলে যায়। অজ্ঞান অবস্থায় প্রতিবেশীরা উদ্ধার করে। এরপর ২০১৬ সালে ডিভোর্স হয়ে যায় হামিদার। একটি সন্তান রয়েছে। তাও স্বামী রেখে দেয়।

এমনই এক চরম বিপদগ্রস্ত অবস্থায় নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে, স্বনির্ভর হওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠে হামিদা। উজ্জ্বলা থেকে পারসোনাল গ্রুমিং ও হেয়ার ট্রিটমেন্টের কোর্স করে। বর্তমানে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরির পাশাপাশি বিউটি হেলথ- নিয়ে কাজ করছে সে। উজ্জ্বলা কেয়ারের বিভিন্ন পন্যের ( শ্যাম্পু, বডি ওয়েল ইত্যাদি) সেলস পারসন হিসেবেও কাজ করছে। উজ্জ্বলার সঙ্গে যুক্ত হয়ে বর্তমানে স্বাবলম্বী হয়েছেন এই নারী।

‘ জীবনটা শুরু থেকেই খুব কষ্টের ছিল। ভীষণরকম বিষণ্ণতায় পড়ে গিয়েছিলাম। ডিভোর্সের পর সন্তান ছাড়া হয়ে কী করবো দিশা পাচ্ছিলাম না। এখন অনেকটাই ঠিকঠাক আছি। আমি আমার স্বামীকে দেখাতে চাই, তাকে ছাড়াও সফলতা অর্জন করা যায়। আমি তাঁর ওপর নির্ভরশীল নই- বলছিলেন, হামিদা।

 হামিদা ইয়াসমিন। ছবি : সংগৃহীত

হামিদা ইয়াসমিন। ছবি : সংগৃহীত

উজ্জ্বলা আমার জীবনকে বদলে দেওয়ার জন্য ৯০ ভাগ সহযোগিতা করেছে জানিয়ে হামিদা বলেন, ‘ উজ্জ্বলার কথা আমি প্রথম জানতে পারি একজন সহকর্মীর মাধ্যমে। এরপর প্রতিষ্ঠানটির কক্সবাজার শাখায় ২০১১ সালে প্রশিক্ষণ নিই। উজ্জ্বলার পারসোনাল গ্রুমিংয়ের ক্লাসটি আমার আত্মশক্তি বাড়িয়ে দিয়েছিল। আবারও নতুনভাবে কাজ করার শক্তি পেয়েছিলাম। এখন অনেকটাই স্বনির্ভর হতে পেরেছি।’

ভবিষ্যতে বিউটি পার্লারের ব্যবসা করে একজন সফল উদ্যোক্তা হওয়ার ইচ্ছা রয়েছে হামিদার। জানালেন, আমার স্বপ্ন উদ্যোক্তা হওয়ার। আমি মানুষকে দেখিয়ে দিতে চাই, সব প্রতিকূলতার মধ্যেও একজন নারী আত্মশক্তি নিয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকতে পারে।

বি : দ্র : বাংলাদেশের বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিং ইন্ডাস্ট্রিতে উদ্যোক্তা তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে উজ্জ্বলা লিমিটেড। উজ্জ্বলায় প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এবং সংগ্রাম করে সাফল্য অর্জন করেছেন, এমন কয়েকজন নারী ও পুরুষের সাক্ষাৎকার নিয়ে সাতকাহনের ধারাবাহিক পর্ব চলছে। এই পর্বটি ছিল ৮২তম। উজ্জ্বলা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন :

https://www.facebook.com/UjjwalaBD

https://www.instagram.com/UjjwalaBD/

ফোন : ০১৩২৪৭৩৪১৫৭

বিউটিফিকেশন প্রশিক্ষণ নিয়ে স্বনির্ভর তানিয়া

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

ছোটবেলায় বাবা মারা যায় ময়মনসিংহের মেয়ে তানিয়া আক্তারের। পাঁচ বোন দুই ভাইয়ের মধ্যে সবচেয়ে ছোট তিনি। আর্থিক অনটনে পড়ে কেবল পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়ার সুযোগ পান। ছোটবেলাটা খুব কষ্টে কাটে। কখনো খেতে পেতেন, কখনো পেতেন না। সবসময় ভাবতেন নিজেকে স্বাবলম্বী করতে হবে। নিজের পায়ে দাঁড়াতে হবে।

এরপর জয়িতা ফাউন্ডেশন ও উজ্জ্বলার যৌথ উদ্যোগে হওয়া একটি বিউটিফিকেশন প্রশিক্ষণে অংশ নেন তিনি। ১০ দিন ব্যাপি হওয়া বিনামূল্যের এই প্রশিক্ষণ তাঁর জীবনকে অনেকটাই বদলে দিতে সাহায্য করে। বর্তমানে তিনি একটি স্থানীয় পার্লারে কর্মরত রয়েছেন।

‘আমার ছোটবেলাটা খুব যন্ত্রণার ছিল। লেখাপড়া বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর মনে হয় কীভাবে জীবনকে এগিয়ে নেব। দরিদ্র হওয়াটা একটা অভিশাপের মতো লাগছিল। তবে সবসময় চেয়েছি স্বাবলম্বী হতে। ভাবতাম, এই অবস্থা থেকে উঠে আসতে, কী করা যায়? তখনই উজ্জ্বলা ও জয়িতা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে হওয়া এই বিউটিফিকেশন কোর্স শুরু হয়। এটি আমার জীবনে নতুন সম্ভাবনার পথ খুলে দেয়’, বলছিলেন তানিয়া।

তানিয়া আক্তার। ছবি : সংগৃহীত
তানিয়া আক্তার। ছবি : সংগৃহীত

‘এই প্রশিক্ষণটি আমার সাহস জুগিয়েছে। এটি নিয়ে আমি অনেকদূর এগিয়েছি। যতটুকু বাকি রয়েছে চেষ্টা করছি শেষ করার জন্য। উজ্জ্বলা আমাকে একা চলতে শিখিয়েছে, হাসতে শিখিয়েছে, বাঁচতে শিখিয়েছে। আমাদের মতো মেয়েদের জন্য এই ধরনের প্রশিক্ষণগুলো খুবই জরুরি। সরকারের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি ‘ – বলেন তানিয়া।

ভবিষ্যতে নিজের একটি পার্লার দেওয়ার স্বপ্ন দেখেন ১৯ বছর বয়সী এই তানিয়া। পরিবারকে আর্থিকভাবে সাহায্য করতে চান। তানিয়া জানান, আমি চাই সম্পূর্ণভাবে একজন কর্মজীবী ও স্বাবলম্বী নারী হতে। মানুষ যেন আমায় দেখে শেখে এবং বলে, ‘এই মেয়েটি অনেক কষ্ট করে এখানে এসেছে’।

বি : দ্র : বাংলাদেশের বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিং ইন্ডাস্ট্রিতে উদ্যোক্তা তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে উজ্জ্বলা লিমিটেড। উজ্জ্বলায় প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এবং সংগ্রাম করে সাফল্য অর্জন করেছেন, এমন কয়েকজন নারী ও পুরুষের সাক্ষাৎকার নিয়ে সাতকাহনের ধারাবাহিক পর্ব চলছে। এই পর্বটি ছিল ৮১তম। উজ্জ্বলা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন :

https://www.facebook.com/UjjwalaBD

https://www.instagram.com/UjjwalaBD/

ফোন : ০১৩২৪৭৩৪১৫৭

উজ্জ্বলার কারণে স্বপ্ন বাস্তব হয়েছে

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

অনেক পার্লারেই বিশেষজ্ঞ বিউটি আর্টিস্ট না থাকায় এমনভাবে ফেয়ার পলিস, ফেসিয়াল, ম্যাসাজ করে, যে ত্বকের উপকার তো হয়ই না, উল্টো ক্ষতি হয়। এই বিষয়টি খুব ভাবিয়েছিল ঢাকার মেয়ে সুইটি বেগমকে।

তাই একটু সচেতন হবার পর থেকেই ভাবতেন একজন বিশেষজ্ঞ বিউটি আর্টিস্ট হবেন। আর সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে, তাকে সহযোগিতা করে বিউটিফিকেশন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র উজ্জ্বলা। ২০২২ সাল থেকে উজ্জ্বলায় কোর্স করেন তিনি। বছরখানেকের মধ্যেই নিজের একটি স্যালন দেন। বিউটি আর্টিস্ট হয়ে নিজেকে একজন স্বাবলম্বী ও উদ্যোক্তা হিসেবে তৈরি করেন।

‘ জীবনে এমন কিছু ঘটনা ঘটেছিল, যা আমাকে খুব ভেঙে ফেলে। তখন মনে হলো, নিজের পায়ের মাটি দুর্বল, শক্ত করতে হবে। আর বিউটিফিকেশন নিয়ে আমার ভাবনা যেহেতু আগে থেকেই ছিল, তাই ভাবলাম এই পেশাতে আসবো। বিশেষজ্ঞ হয়ে উঠতে পারলে বিউটি আর্টিস্ট হওয়া একজন নারীর জন্য অনেক ভালো একটি পেশা’, বলছিলেন সুইটি।

‘আমার স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে উজ্জ্বলা অনেক সাহায্য করেছে এবং আমার চলার পথকে মসৃণ করতে প্রতিষ্ঠানটির ভূমিকা অনেক। আমার ছোট একটি সন্তান রয়েছে। তাকে নিয়ে কীভাবে কাজ করবো, প্রশিক্ষণ নেবো- ভেবে পাচ্ছিলাম না। তবে আমার বাচ্চাকে উজ্জ্বলায় নিয়েই আমি প্রশিক্ষণটি করেছি। বাচ্চা একদিকে থাকতো। আমি আরেকদিকে প্রশিক্ষণ নিতাম। আমার বাচ্চাটি তাদের অনেক বিরক্ত করছে। তবে তারা বিরক্ত হতেন না। একজন নারীকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য উজ্জ্বলার এই যে সহযোগিতা, এটা আমার চিরদিনই মনে থাকবে। এখন পর্যন্ত উজ্জ্বলায় যতগুলো কোর্স করেছি, সবগুলো সফলভাবে করতে পেরেছি। ভালোভাবে বুঝেছি প্রতিটি বিষয়। শিক্ষকরাও খুব আন্তরিক ছিলেন’, বলেন সুইটি।

সুইটি স্বপ্ন দেখেন বাংলাদেশের প্রতিটি জেলায় তার পার্লারের একটি করে ব্র্যাঞ্চ হবে। বিউটি আর্টিস্ট হিসেবে তাকে অনেক মানুষ চিনবে এবং তাঁর কাজে সন্তুষ্ট হবেন। সুইটি বলেন, ‘বর্তমানে আমার স্যালনটি ভালোভাবেই এগোচ্ছে। নিজের পার্লারের মাধ্যমে শত শত মেয়ের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবো, এটাই এখন আশা’।

বি : দ্র : বাংলাদেশের বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিং ইন্ডাস্ট্রিতে উদ্যোক্তা তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে উজ্জ্বলা লিমিটেড। উজ্জ্বলায় প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এবং সংগ্রাম করে সাফল্য অর্জন করেছেন, এমন কয়েকজন নারী ও পুরুষের সাক্ষাৎকার নিয়ে সাতকাহনের ধারাবাহিক পর্ব চলছে। এই পর্বটি ছিল ৮০তম। উজ্জ্বলা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন :

https://www.facebook.com/UjjwalaBD

https://www.instagram.com/UjjwalaBD/

ফোন : ০১৩২৪৭৩৪১৫৭

মেয়ের কণ্ঠে মায়ের গান

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিনের কন্যা ইয়াসমিন ফাইরুজ বাঁধন নতুন করে কণ্ঠ দিয়েছেন মায়ের গানে। সম্প্রতি তিনি ‘আই মিডিয়া’ ইউটিউব চ্যানেলের জন্য মায়ের গাওয়া সেরা সাতটি গানে কণ্ঠ দেন।

গানগুলো হলো- প্রেমে পড়েছে মন, তোমার দুনিয়া দেখিয়া শুনিয়া, ও আমার রসিয়া বন্ধুরে, আমি আছি থাকবো, মনটা যদি খোলা যেত, অশ্রু দিয়ে লেখা এ গান এবং এই মন তোমাকে দিলাম।

সংগীত নিয়ে এগিয়ে যাওয়া প্রসঙ্গে বাঁধন জানান, আমার মা কিংবদন্তি শিল্পী সাবিনা ইয়াসমিনের গান উপমহাদেশে অত্যন্ত জনপ্রিয়। আমি সৌভাগ্যবতী তাঁর মেয়ে হয়ে। মায়ের অসংখ্য জনপ্রিয় গান থেকে সাতটি বাছাই করে গাওয়া খুবই দুঃসাহসী বিষয়টি ছিল। আশা করছি, গানগুলো শ্রোতাদের ভালো লাগবে।

এর কিছুদিন আগে অজয় মিত্রের সংগীত পরিচালনায় মৌলিক গান ‘পরবাস’ প্রকাশ হয় বাঁধনের।

শীতে বাড়তে পারে বিষণ্ণতা ; প্রতিরোধ করুন এভাবে

সায়মা আক্তার

শীতের আগমনে সচরাচর আমাদের চোখে ভেসে উঠে সূর্যের নরম আলো, নানা রকমের পিঠা, কুয়াশার ছবি ইত্যাদি। তবে অনেকেই রয়েছেন, যাদের শীত ঋতুর সঙ্গে এত নরম, উষ্ণ ভালোলাগার গল্প নেই। এ সময় অনেকেই তীব্রভাবে বিষণ্ণতায় ভোগেন।

এই শীতকে কেন্দ্র করে বিশেষ কিছু মানসিক লক্ষণ তৈরি হলে মনোবিজ্ঞানীরা তাকে বলছেন সিজনাল এফেক্টিভ ডিপ্রেশন বা উইন্টার ডিপ্রেশন।

শীতকালীন বিষণ্ণতায় ভুগছেন, কীভাবে বুঝবেন ?

বিষণ্ণতার মূল দুটো লক্ষণ রয়েছে। যথা : ১. সবসময় মন খারাপ থাকা, ২. কোনো কাজে আগ্রহ না পাওয়া। ডিএসএম ৫ অনুযায়ী, শীতকালীন বিষণ্ণতার ক্ষেত্রে এগুলো মধ্যে অন্তত যেকোনো একটি থাকতে হবে।

পাশাপাশি নিচের লক্ষণগুলোর মধ্যে যেকোনো ৫টি লক্ষণ থাকবে। যেমন :

  •  মানসিক অবস্থার পরিবর্তন : দিনের বেশির ভাগ সময় বিষণ্ণ মেজাজ, সমস্ত কার্যকলাপের প্রতি আগ্রহ বা আনন্দ লক্ষণীয়ভাবে কমে যাওয়া, অতীত নিয়ে নেতিবাচক চিন্তা করা, অপরাধবোধ, আত্মহত্যার চিন্তা এবং মনোযোগ দিতে না পারা।
  • শারীরিক লক্ষণ : খাবারের রুচি না থাকা, ক্লান্ত লাগা, ঘুম বেড়ে যাওয়া বা কমে যাওয়া।
  • সিজনাল এফেক্টিভ ডিপ্রেশনের যেসব লক্ষণ রয়েছে, সেগুলো হলো : বিষণ্ণতার উপসর্গগুলো শুধুমাত্র শীতের সময়ই থাকে; অন্য ঋতুতে এগুলো অনুপস্থিত। পাশাপাশি এসব লক্ষণ টানা দুই বছর ধরে দেখা যাচ্ছে।

কেন হয় ?

এই ধরনের লক্ষণ কেন হয় তা নিতে বেশ মতভেদ রয়েছে। ন্যাশনাল লাইব্রেরি অব মেডিসিনের রিপোর্ট অনুযায়ী প্রকাশিত একটি গবেষণায় এই লক্ষণ তৈরি হওয়ার কারণগুলো আলোচনা করা হয়েছে। এখানে শারীরিক কারণ হিসেবে সেরোটোনিন কমে যাওয়া এবং মেলাটোনিন বেড়ে যাওয়ায় শরীরের অভ্যন্তরীণ অবস্থাকে প্রভাবিত করে।

সেই সঙ্গে সূর্যের আলো শরীরের না লাগার কারণে শরীরের ভিটামিন ডি তৈরি হতে পারে না। তবে সেরোটোনিন, মেলাটোনিন, সার্কাডিয়ানরিদম, ভিটামিন ডি ও এসএডি-এর মধ্যে কার্যকরণ সম্পর্ক এখনও নিশ্চিত করা যায়নি।
তবে এই মূল কারণগুলোর মধ্যে সম্পর্ক পাওয়া গেছে। আরো গবেষণা চলছে।

প্রতিরোধ

  • নিয়মিত সূর্যের আলোতে কিছু সময় বসুন।
  • বিষণ্ণতার লক্ষণই হচ্ছে কিছু করার আগ্রহ না হওয়া। তাই নিজেকে মনে করিয়ে দিন যে এই লক্ষণগুলো তৈরি হতে পারে।আপনার ছোট ছোট চেষ্টা আপনাকে বিষণ্ণতা থেকে বের হতে সাহায্য করবে।
  • দিনের কাজগুলোকে ৩টি ভাগে ভাগ করে ফেলুন; ১. দৈনন্দিন কাজ, ২. প্রয়োজনীয় কাজ, ৩. আনন্দদায়ক কাজ।প্রতিটি কাজই অল্প অল্প করে করার চেষ্টা করুন।
  • নিজের মানসিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করুন। দৈনন্দিন কাজ করার পর কেমন লাগছে তা বোঝার চেষ্টা করুন। নিজের চেষ্টাকে স্বীকৃতি দিন।

সিজনাল এফেক্টিভ ডিপ্রেশন বা উইন্টার ডিপ্রেশন তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকলে আতঙ্কিত না হয়ে, নিজের লক্ষণগুলো বোঝার চেষ্টা করুন এবং সে অনুযায়ী পরিবর্তনের পরিকল্পনা করুন। নিজেকে ভালো রাখুন। প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞের সহায়তা নিন।

লেখক :
অ্যাসিসটেন্ট ক্লিনিকালসাইকোলজিস্ট ও ফাউন্ডার, সাইকোচ।

সাকিয়ার গৃহিনী থেকে কর্মজীবী হয়ে ওঠার গল্প

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

নরসিংদীর মেয়ে সাকিয়া জামানের বাবা ব্যবসা করতেন। তবে এক পর্যায়ে ব্যবসায় ভীষণভাবে লস খান বাবা। যেই মানুষ পকেট ভর্তি টাকা নিয়ে ঘুরতেন, তিনি হয়তো মেয়ের কাছে টাকা ধার চাইতেন। পুরোপুরি গৃহিনী হওয়ার কারণে এই টাকাটাও কখনো কখনো বাবাকে দিতে পারতেন না সাকিয়া। স্বামীর কাছে চাইতেও খুব লজ্জা হতো।

তখন সাকিয়া ভাবতেন, কী করা যায় ? এরই মধ্যে আবার পরপর দুটো সন্তানের গর্ভপাত হয় সাকিয়ার। বিষণ্ণতায় ভীষণভাবে ডুবে যান। এই সময় চিন্তা করলেন, মেকআপ নিয়ে কিছু করা যায় কি না। কারণ, ছোটবেলা থেকেই তাঁর মেকআপের প্রতি ভীষণ আগ্রহ। এরপর উজ্জ্বলায় প্রশিক্ষণ নেন তিনি। বর্তমানে ফ্রি ল্যান্সিং করেই মাসে আয় করছেন, ৫০ হাজার টাকা। উজ্জ্বলার শিক্ষার্থী সাকিয়ার গৃহিনী থেকে একজন কর্মজীবী নারী হয়ে ওঠার পথ চলাটাই জানাবো পাঠকদের।

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

‘উজ্জ্বলায় কোর্স করি ২০২০ সালে করোনার লকডাউনের সময়। উজ্জ্বলা তখন অনলাইনে ক্লাস নিতো। আমি নরসিংদী থেকে সেই ক্লাসে অংশ নেই। এরপর আমাকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। প্রতিষ্ঠানটি আমার জীবন বদলে দিয়েছে। গৃহিনী থেকে আজ আমি একজন সফল কর্মজীবী নারী ; স্বাবলম্বী। এখন আমি তো নিজের জন্য টাকা রোজগার করতে পারি। পাশাপাশি স্বামীকেও সাহায্য করি’, বলছিলেন সাকিয়া।

‘আমি জীবনে প্রথম আয় করি তিন হাজার টাকা। আমার মা-বাবা দেখে খুব খুশি হন। তবে এর দুইদিন পর আমার বাবা তিনতলার ছাদ থেকে পড়ে মারা যান। বাবা হাসপাতালে ভর্তি থাকার সময় আমার প্রথম আয়ের টাকা তাঁর চিকিতসায় ব্যয় করি। এটা আমার জন্য আনন্দের ছিল। তবে বাবা মারা যাওয়াটা ভীষণ বেদনাদায়ক। তিনি ছিলেন আমার অত্যন্ত প্রিয়জন। একটা কষ্ট রয়ে গেল জীবনে, বাবাকে বাঁচাতে পারিনি।’

সাকেয়া জামান । ছবি : সংগৃহীত
সাকিয়া জামান । ছবি : সংগৃহীত

ভালো সাজাই, তাই নরসিংদীতে আমার একটি ভালো পরিচিত রয়েছে জানিয়ে সাকিয়া বলেন, ‘একজন নারীর অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়াটা খুব জরুরি। হয়তো তাঁর বাবা বা স্বামীর অনেক টাকা রয়েছে। কিন্তু কে জানে, কখন কার জীবনে কী ঘটবে? তাই, প্রতিটি মেয়ের উচিত অর্থনৈতিকভাবে নিজেকে স্বাবলম্বী করা।’

ভবিষ্যতে পরিকল্পনা রয়েছে নিজের একটি পার্লার দেওয়ার। নিজেকে বিউটি সেক্টরে আরো যোগ্য হিসেবে দেখতে চান এই নারী।

বি : দ্র : বাংলাদেশের বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিং ইন্ডাস্ট্রিতে উদ্যোক্তা তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে উজ্জ্বলা লিমিটেড। উজ্জ্বলায় প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এবং সংগ্রাম করে সাফল্য অর্জন করেছেন, এমন কয়েকজন নারী ও পুরুষের সাক্ষাৎকার নিয়ে সাতকাহনের ধারাবাহিক পর্ব চলছে। এই পর্বটি ছিল ৭৯তম। উজ্জ্বলা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন :

https://www.facebook.com/UjjwalaBD

https://www.instagram.com/UjjwalaBD/

ফোন : ০১৩২৪৭৩৪১৫৭

নারীর উন্নয়নে কাজ করতে চায় উদ্যোক্তা রুমা দাস

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
রুমা দাস বিউটিফিকেশন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র উজ্জ্বলায় কোর্স করে ২০২০ সালে। এই পেশায় আসার আগে তিনি দীর্ঘ ১৭ বছর দুটো এনজিওতে কাজ করেন। এনজিওতে কাজ করার সময় শিশুদের নিয়ে কাজ করতে হতো তাঁকে।

শিশুদের নিয়ে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করতেন। সেই সুবাদে ওদের সাজাতে হতো। এক পর্যায়ে একজন দিদি বললেন, ‘আপনাকে যেহেতু সাজাতেই হয়, তাহলে বিউটিফিকেশনের ওপর প্রশিক্ষণ নিয়ে নিন।’ এরপর বিউটি আর্টিস্ট হিসেবে প্রশিক্ষণ নেন রুমা। সে সময়ই মাথায় আসে উদ্যোক্তা হওয়ার কথা। বর্তমানে উজ্জ্বলার প্রশিক্ষণ শেষে নিজেই একটি পার্লার খুলেছেন। মাসিক আয় ২০ থেকে ৪০ হাজার টাকা। তাঁর তত্ত্বাবধায়নে আরো নারী কাজ করছে। উদ্যোক্তা হিসেবে রুমার এই এগিয়ে যাওয়ার গল্প রইল পাঠকদের জন্য।

রুমা দাস। ছবি : সংগৃহীত
রুমা দাস। ছবি : সংগৃহীত

”বিউটিফিকেশনের ওপর প্রশিক্ষণ নেওয়ার সময় আমার মনে হচ্ছিল, আমি তো নিজের ব্যবসা শুরু করতে পারি। এখানে আমিই বস হবো এবং আরো নারীর জন্য কাজ করতে পারবো। একটা জেদ, তীব্র ইচ্ছা কাজ করতে থাকে মনে। অনেকেই আমাকে খোঁচা দিয়ে বলতেন, ‘এই মেয়ের যেহেতু এতো গুণ, তাইলে জীবনে কিছু করতে পারে না কেন? কিছু করে দেখাক।’ এই বিষয়টিও আমাকে ভীষণ আঘাত দেয় এবং আমার জেদকে আরো তীব্র করে। এরপর তো বিউটিফিকেশনের ওপর কোর্স করি। আর এখন নিজেই উদ্যোক্তা হয়েছি”, বলছিলেন রুমা।

উদ্যোক্তা রুমা বলেন, ‘উজ্জ্বলার কথা জানতে পারি আমার এক বান্ধবী (বিউটি আর্টিস্ট)-র কাছ থেকে। এরপর উজ্জ্বলার ফেসবুক পেইজ দেখি। প্রতিষ্ঠানটি আমার দক্ষতাকে কয়েক গুণ বাড়িয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির সহ প্রতিষ্ঠাতা আফরোজা পারভীন ম্যামের উৎসাহমূলক কথা আমার জীবনকে বদলে দিতে সাহায্য করেছিল। আমি শক্তি পেতাম তাঁর কথা থেকে।’

রুমা দাস। ছবি : সংগৃহীত
রুমা দাস। ছবি : সংগৃহীত

এই পার্লারের পাশাপাশি আমি একটি পোশাকের শোরুম করেছি। এখানে মেয়েদের জন্য পোশাক ও কসমেটিকস পাওয়া যায় জানিয়ে রুমা বলেন, ‘ আমার পরিকল্পনা অনেক বড়। আমি ব্যবসাকে আরো বড় করতে চাই। আমি চাই, আমার প্রতিষ্ঠানে আরো মেয়ে কাজ করুক। আমি অন্য মেয়েদের আদর্শ হয়ে উঠার স্বপ্ন দেখি। আসলে মেয়েদের নিজেদের পায়ে দাঁড়াতে হবে। আর মেয়েরা মেয়েদের সহযোগিতা করলে বিষয়টি আরো সহজ হয়। তাই আমার চাওয়া নিজে যেমন স্বাবলম্বী নারী ও সফল উদ্যোক্তা হয়েছি, তেমনি অন্য নারীদেরও স্বাবলম্বী করবো।’

বি : দ্র : বাংলাদেশের বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিং ইন্ডাস্ট্রিতে উদ্যোক্তা তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে উজ্জ্বলা লিমিটেড। উজ্জ্বলায় প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এবং সংগ্রাম করে সাফল্য অর্জন করেছেন, এমন কয়েকজন নারী ও পুরুষের সাক্ষাৎকার নিয়ে সাতকাহনের ধারাবাহিক পর্ব চলছে। এই পর্বটি ছিল ৭৮তম। উজ্জ্বলা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন :

https://www.facebook.com/UjjwalaBD

https://www.instagram.com/UjjwalaBD/

ফোন : ০১৩২৪৭৩৪১৫৭

শীতে চুল ভালো থাকবে কীভাবে?

সুপ্রিতী গোস্বামী

শীতকাল মানেই চুলের বিভিন্ন সমস্যা। এর মধ্যে অন্যতম হলো- চুলের রুক্ষতা, খুশকি, স্ক্যাল্পের রুক্ষতা, চুলের আগা ফেঁটে যাওয়া ইত্যাদি। তবে এগুলো নিয়ে একদমই চিন্তার কিছু নেই। ঘরে থাকা বিভিন্ন উপকরণেই মিলবে সমস্যার সমাধান।

১) স্ক্যাল্পের রুক্ষতা দূর করতে, নারকেল তেল, আমন্ড ওয়েল ও তিলের তেল একসঙ্গে মিশিয়ে গরম করে নিন। এরপর এই কুসুম গরম তেল স্ক্যাল্পে মালিশ করুন পাঁচ থেকে ১০ মিনিট। এভাবে সপ্তাহে তিন দিন পদ্ধতিটি অনুসরণ করুন ৷ এতে রুক্ষতা দূর হবে।

২) নারকেল তেল কুসুম গরম করে নিতে হবে। কুসুম গরম তেলে এক থেকে দুই চামচ লেবু দিয়ে ভালো করে ফেটে নিন। এর পর স্ক্যাল্পে ম্যাসাজ করে ৩০ মিনিট রাখুন। তারপর মাইল্ড (হালকা) শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে নিন ৷

৩) এক চা চামচ নারকেল তেল, একটি ডিমের সাদা অংশ, চার টেবিল চামচ দুধ, একটি পাঁকা কলা, দুই চা চামচ মেথি এবং পরিমাণমতো পানি দিয়ে মিশিয়ে ৩০ মিনিট রেখে দিন। তারপর মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে নিয়ে, কন্ডিশনার দিতে হবে। সপ্তাহে দুই দিন ব্যবহার করলে চুলের রুক্ষতা কমে আসবে।

৪) ভিটামিন ই ক্যাপসুল, অ্যালোভেরা জেল ও নারকেল তেল ১:১:১ অনুপাতে নিতে হবে। এরপর এক সঙ্গে সব উপকরণ মিশিয়ে ফেটে নিন। চুলের ফাঁটা অংশের ওপর থেকে ভালো করে ম্যাসাজ করে লাগিয়ে নিন। এরপর এক ঘণ্টা অপেক্ষা করে মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে চার দিন ব্যবহার করতে হবে। চুল আট সপ্তাহ পর পর হালকা ট্রিম করুন।

লেখক : বিউটি আর্টিস্ট ও রন্ধন শিল্পী

- Advertisement -
সাতকাহন
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.