Thursday, May 28, 2026
spot_img
Home Blog Page 64

বিউটি ইন্ডাসট্রিতে কাজ করার অনেক সুযোগ

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

রাজশাহীর মেয়ে সোনালী আক্তারের বিয়ে হয় ২০১৫ সালে। তবে সংসার সুখের হয়নি। কালো বলে স্বামীর পছন্দ ছিল না সোনালীকে। এক পর্যায়ে পরকীয়ায় জড়িয়ে আরেকটি বিয়ে করে স্বামীটি। এরপর ২০২০ সালে ডিভোর্স হয়ে যায় সোনালীর। তখন থেকে তীব্র জেদ তৈরি হয়, নিজে কিছু করবে, নিজের পায়ে দাঁড়াবে।

এরপর বিউটিফিকেশনের ওপর কয়েকটি কোর্স করে সে।বর্তমানে বিউটি আর্টিস্ট হিসেকে চাকরি করছে সে। হয়েছে স্বাবলম্বী, স্বনির্ভর একজন নারী।

‘ডিভোর্সের পর খুব ভেঙে পড়েছিলাম। তীব্রভাবে বিষণ্ণতায় পড়ে যাই। শুধু গায়ের রঙের কারণে যে এতোটা অবহেলার শিকার হতে হয়, সেটা যে ভুক্তভোগী, সেই বুঝতে পারে। তবে সেই কঠিন সময়টা পার করে এসেছি। নিজেকে শক্ত করে কাজে মনোযোগী হয়েছি,’ বলছিলেন সোনালী।

সোনালী আক্তার । ছবি : সংগৃহীত
সোনালী আক্তার । ছবি : সংগৃহীত

২০২৩ সালে রাজশাহীতে জয়িতা ফাউন্ডেশন ও উজ্জ্বলার যৌথ উদ্যোগে ১০ দিন ব্যাপী বিনামূল্যে একটি বিউটিফিকেশন কোর্স হয়। এতে অংশ নেয় সোনালী। সোনালী বলেন, ‘এই কোর্স আমাকে অনেক দক্ষ করেছে। আমি বিউটিফিকেশনের সব কাজই করতে পারি। তবে রিবন্ডিং ও ফেসিয়ালের জন্য আমার একটি ভালো সুনাম রয়েছে। ক্লাইন্টরা বেশ সন্তুষ্ট হয় আমার কাছে কাজ করিয়ে। বিষয়টি আমাকে সাহস ও শক্তি দেয়। তখন আরো দক্ষ হওয়ার প্রেরণা পাই।’

‘উজ্জ্বলার কোর্সটি করে আমি অনেক শিখেছি। সাজের অনেক খুঁটিনাঁটি খুব সূক্ষ্মভাবে শিখিয়েছে উজ্জ্বলার শিক্ষকরা। আমি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। বর্তমানে বিউটিফিকেশন পেশার অনেক চাহিদা। কারণ, বর্তমান সময়ের মানুষ, আগের তুলনায় বেশি সৌন্দর্য সচেতন। তাই এই পেশায় কেউ ভালো কাজ শিখলে, সে একটি জায়গা করে নিতে পারে। আর এটি একটি সৎ পেশাও। এই ইন্ডারট্রিতে কাজ করার অনেক সুযোগ রয়েছে,’ বলেন সোনালী।

সোনালী আক্তার । ছবি : সংগৃহীত
সোনালী আক্তার । ছবি : সংগৃহীত

ভবিষ্যতে নিজের একটি স্যালন করার আশা জানিয়ে সোনালী বলেন, ‘আমি আরো বড় হওয়ার স্বপ্ন দেখি। যারা আমাকে কষ্ট দিয়েছে, তাদের দেখিয়ে দিতে চাই, আমি কতটা যোগ্য। ভবিষ্যতে নিজস্ব একটি স্যালন দেবো এবং আমার মতো আরো নারীর কর্মসংস্থান করবো এটাই এখন স্বপ্ন।’

বি : দ্র : বাংলাদেশের বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিং ইন্ডাস্ট্রিতে উদ্যোক্তা তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে উজ্জ্বলা লিমিটেড। উজ্জ্বলায় প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এবং সংগ্রাম করে সাফল্য অর্জন করেছেন, এমন কয়েকজন নারী ও পুরুষের সাক্ষাৎকার নিয়ে সাতকাহনের ধারাবাহিক পর্ব চলছে। এই পর্বটি ছিল ৯০তম। উজ্জ্বলা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন :

https://www.facebook.com/UjjwalaBD

https://www.instagram.com/UjjwalaBD/

ফোন : ০১৩২৪৭৩৪১৫৭

বিউটিফিকেশনে কাজ করার সুযোগ বেড়েছে

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

বাবার আয় কম ছিল, তাই এইচএসসি পাস করার পরই মেয়েকে বলে দেন, ‘আর পড়াতে পারবেন না’। কিন্তু মেয়ে ছিল নাছোড়বান্দা। মানুষকে সাজিয়ে, মেহেদী পরিয়ে নিজের আয়ে গ্রেজুয়েশন শেষ করে। এরপর বিউটিফিকেশনকেই পুরোপুরি পেশা হিসেবে বেছে নেয়।

বর্তমানে উজ্জ্বলা থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে বাড়িতেই একটি স্যালন দিয়েছে সে। মাসে আয় হয়, প্রায় ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা। যার কথা বলছি সে সাভারের মেয়ে সুমাইয়া রহমান ইমা। বিউটি আর্টিস্ট হিসেবে সুমাইয়ার জীবনের লড়াইের গল্প রইল পাঠকদের জন্য।

সাজসজ্জার বিষয়টি ছোটবেলা থেকে ভালো লাগতো

ছোটবেলা থেকেই সাজসজ্জা বিষয়টা পছন্দের ছিল। ভালো সাজাতে পারতাম, তাই একটি কদরও ছিল এলাকায়। পরিবার থেকে লেখাপড়ার বিষয়টি নিষেধ করার পর জেদ নিয়েছিলাম নিজে কিছু করবো। খুব কষ্ট পেয়েছিলাম বিষয়টিতে। মনে হয়েছে, নিজের পায়ে দাঁড়াতেই হবে। সেটা করে দেখিয়েছি। এখন নিজের খরচ নিজেই চালাতে পারি।

উজ্জ্বলার কারণে আত্মবিশ্বাস বেড়েছে

উজ্জ্বলার কথা আমি জানি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে। সাভার এনাম রোড বাগান বাড়ি রেস্টুরন্ট- এ জয়িতা ও উজ্জ্বলার উদ্যোগে ১০দিনব্যাপী একটি বিউটিফিকেশন কোর্স হয়। এতে অংশ নিই। প্রশিক্ষণটি আমার আত্মবিশ্বাস দৃঢ় করেছে। নিজেকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সাহস পেয়েছি। আমার জীবনে পরিবর্তন ও ঘুরে দাঁড়ানোর সম্পূর্ণ অবদান উজ্জ্বলার।

বিউটিফিকেশনের কদর বাড়ছে

দিন দিন বিউটিফিকেশনের চাহিদা বাড়ছে। আগের চেয়ে মানুষ এখন বেশি সৌন্দর্য সচেতন। তাই ক্লাইন্টও পাচ্ছি। এই পেশাটির কদরও বাড়ছে। ভবিষ্যতে ইচ্ছে রয়েছে মেকআপ ও হেয়াস্টাইল নিয়ে কাজ করার। এর পাশাপাশি আয়ুর্বেদ নিয়েও কাজ করতে চাই।

বি : দ্র : বাংলাদেশের বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিং ইন্ডাস্ট্রিতে উদ্যোক্তা তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে উজ্জ্বলা লিমিটেড। উজ্জ্বলায় প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এবং সংগ্রাম করে সাফল্য অর্জন করেছেন, এমন কয়েকজন নারী ও পুরুষের সাক্ষাৎকার নিয়ে সাতকাহনের ধারাবাহিক পর্ব চলছে। এই পর্বটি ছিল ৮৯তম। উজ্জ্বলা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন :

https://www.facebook.com/UjjwalaBD

https://www.instagram.com/UjjwalaBD/

ফোন : ০১৩২৪৭৩৪১৫৭

‘কৌশলী হলে ফ্রি ল্যান্সিং করে ভালো আয় হয়’

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

২০১৮ সালে হার্ট অ্যাটাকে মারা যায় চট্টগ্রামের মেয়ে রুম্পি বড়ুয়ার দাদা। রুম্পির পরিবারের উপর্জনক্ষম মানুষ ছিলেন দুজন। বাবা ও দাদা। বাবার বয়স হয়ে গিয়েছিল, তাই দাদার মৃত্যুতে অর্থনৈতিকভাবে চাপে পড়ে রুম্পির পরিবার।

এই সময় রুম্পি চিন্তা করে, কীভাবে পরিবারকে সাহায্য করা যায়। এই ভাবনা থেকে বিউটিফিকেশন পেশায় আসা। বর্তমানে উজ্জ্বলা থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে ফ্রি ল্যান্সিং করে মাসে আয় করছেন ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা। ফ্রি ল্যান্সার রুম্পির সফলতার গল্প রইল পাঠকদের জন্য।

দাদার ইচ্ছা ছিল এই পেশায় আসি

সাজতে খুব পছন্দ করতাম। আবার কোনো অনুষ্ঠান হলে আমার পরিচিত আপুরা আমার কাছে সাজতে আসতো এবং তাঁরা সাজার পর আমাকে বলতো, ‘তুমি যে পার্লারের কোনো প্রশিক্ষণ না নিয়ে এতো সুন্দর করে সাজাও, তুমি পার্লারের কাজ শিখলে আরো ভালো করবে। তুমি একটি প্রশিক্ষণ নাও।’ তবে তখনো বিউটিফিকেশনকে পেশা হিসেবে নেওয়া হয়নি।

তবে আমার দাদা, যদি ২০১৮ তে মারা গেছেন, তিনি চাইতেন আমি এই পেশায় আসি। এই পেশায় আসার ক্ষেত্রে আমার দাদার ভূমিকা অপরিসীম। আমার ভেতরে যে ইচ্ছেটা ছিল বিউটি আর্টিস্ট হওয়ার সে পথটা আরো সহজ করে দেয় সে। দাদা সবসময় বলতেন, ‘তোমার ভেতরে যে ইচ্ছাটা রয়েছে, একে কাজে লাগাও।’ দাদার মৃত্যুর পর পেশাটিকে সিরিয়াসলি নেওয়ার চিন্তা করলাম।

উজ্জ্বলার সহ প্রতিষ্ঠাতা আফরোজা পারভীনের সঙ্গে রুম্পি বড়ুয়া । ছবি : সংগৃহীত
উজ্জ্বলার সহ প্রতিষ্ঠাতা আফরোজা পারভীনের সঙ্গে রুম্পি বড়ুয়া । ছবি : সংগৃহীত

উজ্জ্বলায় বিউটিফিকেশন কোর্স করা

আমি বিউটিফিকেশন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র উজ্জ্বলায় প্রথম কোর্সটি করি ২০২২ সালে। আর ২০২৩ সালে উজ্জ্বলা ও জয়িতা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে হওয়া ১০দিন ব্যাপী একটি কোর্সে অংশ নিই।

এর আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে উজ্জ্বলার কথা জানতে পারি। আমার একটি ফেসবুক আইডি রয়েছে সেই সূত্রে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আনাগোনা। একদিন হঠাৎ উজ্জ্বলার পেইজটি আমার চোখে পড়ে। পেইজটিতে ফলো দিয়ে রেখেছিলাম। তাদের কাজগুলো দেখতে থাকি। এগুলো দেখে আমার ইচ্ছা হয়, তাদের কাছ থেকে শেখার।

উজ্জ্বলায় কোর্স করার আগে আমি অন্য একটি প্রতিষ্ঠানে ছয় মাসের একটি কোর্স করেছিলাম। উজ্জ্বলার কোর্স করার পর আমি বুঝতে পারি, সেখানে তেমন কিছু শিখতে পারিনি। বিউটিফিকেশনে কাজ করার জন্য যে আত্মবিশ্বাস দরকার, সেটি তৈরি করে দিয়েছে উজ্জ্বলা। আমি আমার কাজের মাধ্যমে ক্লাইন্টদের সন্তুষ্ট করতে পারি। বর্তমানে ফ্রি ল্যান্সিং বিউটি আর্টিস্ট হিসেবে কাজ করে মাসে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা আয় করছি।

কৌশলী হলে ফ্রি ল্যান্সিং করে ভালো আয় হয়

বিউটিফিকেশনে ফ্রি ল্যান্সিং করে ভালো আয় করা যায়। তবে এ ক্ষেত্রে একটু কৌশলী হওয়া প্রয়োজন। ফ্রি ল্যান্সারদের অনেক টাকা দিয়ে ব্যবসা শুরু করতে হয় না। কাজ ভালোভাবে জানা থাকলে নূন্যতম পুঁজি দিয়ে ভালো আয় হয়। ধরুন, আপনার কাছে এই মুহূর্তে দুই হাজার টাকা রয়েছে। আপনি এমন একটি পন্য কিনুন, যেটি দিয়ে তিন থেকে চার গুণ লাভ হয়। হয়তো আপনি রিবন্ডিং ভালো করতে পারেন, তাহলে রিবন্ডিংয়ে ব্যবহার হয় এমন পন্য কিনুন । একটি পন্য দিয়েই কিন্তু তিনজনের কাজ করিয়ে দেওয়া সম্ভব। তাহলে কম পুঁজি দিয়ে বেশি আয় হলো। এরপর ওই আয়ের টাকা দিয়ে আরো পন্য কিনে নিজের কাজের মাধ্যম বাড়ান। এভাবে একটা সময় ক্লাইন্টও ভালো পাবেন, আয়ও বাড়বে। কাজ ভালো জানা ও কৌশলী হওয়া দুটোই সফলতার মূলমন্ত্র।

কাজ শুরু করার সময় আমার পুঁজি ছিল পাঁচ হাজার টাকা। বর্তমানে নিজের যেই আয় হয়, তা দিয়ে নিজের ও বাবার পরিবারের অনেকটা খরচই বহন করছি।

আমার স্বামী কর্মসূত্রে বিদেশে থাকে। আমিও হয়তো সেখানে চলে যাবো। ইচ্ছা রয়েছে বিদেশে গিয়ে নিজের একটি বিউটি স্যালন দেবো এবং অন্যান্য মানুষের কর্মসংস্থানেও সহযোগিতা করবো।

বি : দ্র : বাংলাদেশের বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিং ইন্ডাস্ট্রিতে উদ্যোক্তা তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে উজ্জ্বলা লিমিটেড। উজ্জ্বলায় প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এবং সংগ্রাম করে সাফল্য অর্জন করেছেন, এমন কয়েকজন নারী ও পুরুষের সাক্ষাৎকার নিয়ে সাতকাহনের ধারাবাহিক পর্ব চলছে। এই পর্বটি ছিল ৮৮তম। উজ্জ্বলা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন :

https://www.facebook.com/UjjwalaBD

https://www.instagram.com/UjjwalaBD/

ফোন : ০১৩২৪৭৩৪১৫৭

বড়দিনের থিমে সাজ

একই রকম সাজ তো অনেক সাজলেন, তবে এবার বড়দিনের উৎসবে আনতে পারেন একটু নতুনত্ব। আর সেই ক্ষেত্রে বড়দিনের থিমকে ঘিরেই কিন্তু সাজতে পারেন আপনি। চোখের কোণে হয়তো এঁকে দিলেন সান্তা ক্লসের টুপি অথবা সুন্দর একটি ক্যান্ডি।

বড়দিনে থিম বেজ সাজের খুঁটিনাঁটি সম্পর্কে জানিয়েছেন প্রিটি ল্যাডি বাই সোনিয়া খানের স্বত্বাধিকারী ও রূপ বিশেষজ্ঞ সোনিয়া খান। চলুন জেনে নেওয়া যাক।

ত্বকের প্রস্তুতি

যেভাবেই সাজুন না কেন শুরুতে ত্বককে প্রস্তুত করে নিতে হবে। যেহেতু বড়দিন শীতের সময় পড়ে, তাই ত্বক শুষ্ক হয়ে পড়ে। এ ক্ষেত্রে ত্বকের ধরন অনুযায়ী প্রথমে ভালো করে ময়েশ্চারাইজ ব্যবহার করে নিতে হবে। ওয়েল বেজ ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। ঠোঁট ভালো করে স্ক্রাব করে, লিপ বাম লাগিয়ে নিন।

এভাবেই মেকআপের আগে প্রস্তুত করতে হবে। আর স্বাস্থ্যকর ত্বক হলে তো কোনো কথাই নেই। ত্বক ভালো হলে যেকোনো মেতআপই খুব ভালোভাবে বসে। তাই ত্বকের যত্নটা কিন্তু সবসময় নেওয়া চাই।

ঠোঁট ও চোখের সাজ

বড়দিনের দিনের বেলার সাজে একটু গাঢ় রঙের লিপস্টিক ব্যবহার করতে পারেন। যেমন : লাল, মেরুণ ইত্যাদি। চোখে গ্লিটারি, সাইনি আই মেকআপ করে আইলাইনার যোগ করা যেতে পারে। ক্রিসমাসের মূল রঙের মধ্যে লাল, সবুজ, সাদা এই রঙগুলোই প্রাধান্য পায়। তাই চোখে আইলাইনার ব্যবহারের ক্ষেত্রে এই রঙগুলো ব্যবহার করতে পারেন।

থিম বেজ মেকআপও করতে পারেন। এতে নতুনত্ব আসবে। রাতে পার্টি থাকলে এবং ক্রিসমাস থিম ব্যবহার করতে চাইলে, চোখের ওপরে সুন্দর করে স্নো ফ্ল্যাক্স, সান্তা ক্লসের টুপি, ক্যান্ডি ইত্যাদি আঁকা যেতে পারে।

চুলের সাজ

চুলের ক্ষেত্রে চেহারায় খুব নান্দনিক লুক দিতে চাইলে স্ট্রেইট বা কার্ল করা যেতে পারে। অথবা টেনে পলিশ করে নিয়ে পনি টেল বা টাইট বান করতে পারেন। এতে অভিজাত লুক আসে। পনি টেল টাইট করে করে করলে এর সঙ্গে একটু কার্ল চুল লাগিয়ে নিলে দেখতে সুন্দর লাগবে।

পোশাক গাউন ধরনের বা বডি কম ধরনের হলে হাই পনি করা যেতে পারে একটু লুস কার্ল সামনে রেখে দিন। এতে ভালো লাগবে।

মূলত, সাজ মানুষের ব্যক্তিত্বকে ফুটিয়ে তোলে। তবে সাজের ক্ষেত্রে একটু নতুনত্ব আনলে কিন্তু মন্দ হয় না। তাই আপনিও বড়দিনের থিমে নিজেকে সাজিয়ে চমকে দিতে পারেন সবাইকে।

বড়দিনের রেসিপি : মিষ্টান্নতে বিশেষ পুডিং

অপরাজিতা অরু

উৎসব আয়োজনে বাঙালির খাবার টেবিলে থাকে নানাপদ। শেষপাতে একটু মিষ্টিমুখ না করলে খাবারের আনন্দ যেনো অপূর্ণই থেকে যায়। তাই আপনাদের জন্য বড়দিনের থাকছে সহজ একটি ডেজার্ট রেসিপি। ঘরে থাকা উপকরণ দিয়ে বানিয়ে ফেলতে পারবেন এই ডেজার্টটি।

পুডিং তৈরিতে প্রয়োজনীয় উপকরণ

  •  গুঁড়া দুধ দেড় কাপ কাপ
  • ডিম ৪ টি
  • চিনি ১কাপ।
  • সাদা এলাচ গুঁড়া ২ টি
  • কাজুবাদাম, কাঠবাদাম, চিনাবাদাম, কিসমিস (পছন্দমত)
  •  ক্যারামেল এর জন্য চিনি ৪ টেবিল চামচ

যেভাবে তৈরি করবেন

চুলায় একটি পাত্রে মেজারমেন্ট কাপের দেড় কাপ পানি দিন। পানি ফুটিয়ে নিয়ে ১কাপ করে নিন। ফুটানো পানিটা হালকা ঠান্ডা করে নিয়ে এতে গুঁড়া দুধ ঢেলে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। ব্যাস তৈরি পুডিংয়ের দুধ।

এবার একটি বাটিতে ডিম ভেঙ্গে নিয়ে ভালো করে ফেটিয়ে নিন যাতে পুরোটা ভালোভাবে গলে যায়। ফেটানো হলে দুধ এবং এককাপ চিনি দিয়ে ভালোভাবে নেড়ে মিশিয়ে নিতে হবে, যেন ডিম দুধের সঙ্গে ভালোভাবে মিশে যায়। এই পর্যায়ে এলাচ গুঁড়া মিশ্রণে দিয়ে দিন। সম্পূর্ণ মিশ্রণটা গলে গেলে একটা ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে নিতে পারেন। ছাঁকতে না চাইলেও অসুবিধে নেই।

এই পর্যায়ে একটি স্টিলের পুডিং বাটি অথবা আপনি যেটাতে পুডিং বানাতে চান সেই বাটি নিয়ে তাতে ঘি বা মাখন লাগিয়ে ৪ টেবিল চামচ চিনি তলায় ছড়িয়ে দিয়ে চুলায় বসিয়ে দিন ক্যারামেল তৈরির জন্য। চুলার আঁচ খুবই হালকা রাখতে হবে নয়ত ক্যরামেল পুড়ে যাবে।

চিনি গলে শিরা তৈরি হয়ে লাল হয়ে ক্যারামেলের মতো তৈরি হয়ে গেলেই চুলা থেকে নামিয়ে নিন। বাটি গরম থাকা অবস্থাতেই ক্যারামেলের ওপর পছন্দমত বাদাম, কিসমিস ছড়িয়ে দিন। কাজুবাদাম, পেস্তা কিংবা কাঠবাদাম না থাকলেও চিনাবাম ব্যবহার করতে পারেন। এতে চমৎকার একটা ফ্লেভার তৈরি হয়।

ক্যারামেলের রঙ বেশি গাড় করতে যাবেন না, এতে ক্যারামেল পুড়ে স্বাদ আর গন্ধ দুটোই নষ্ট হয়ে যাবে।

বাটিটা ঠান্ডা অবস্থায় বেশিক্ষণ রাখলে ক্যারামেল ফেটে যাবে। তাই ক্যারামেল সহ বাদাম শক্ত হয়ে গেলে সঙ্গে সঙ্গেই ডিম-দুধের মিশ্রণ ঢেলে দিয়ে বাটিটি ঢেকে দিন।

তারপর একটি বড় সসপ্যান ধরনের পাত্র চুলায় দিয়ে পুডিংয়ের বাটিটা বসিয়ে দিন। প্যানের অর্ধেক অংশ পানি দিয়ে ভরে দিন। খেয়াল রাখতে খেয়াল রাখতে হবে প্যানে পানির উচ্চতা এমন হবে যেন পুডিং এর বাটির অর্ধেক হয় আর পানি বাটিতে না ডুবে না যায়। নয়তো ভেতরে পানি ঢুকে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

প্যানটি ভালো করে ঢেকে উপরে ভারী কিছু দিয়ে চাপা দিন। এখন সসপ্যানের পানি মাঝারি আঁচে জ্বাল করতে থাকুন।

৩০ থেকে ৪০ মিনিটের মধ্যেই পুডিং হয়ে যাবে, তাই সতর্ক থাকুন যেনো শুকিয়ে না যায়। চুলা থেকে নামানোর আগে একটি কাঠি দিয়ে পুডিং ঠিকমতো হয়েছে কিনা পরীক্ষা করে নিন। ঠান্ডা হলে পরিবেশন করুন।

বড়দিনের উপহারে নতুন কী থাকতে পারে ?

অপরাজিতা অরু

দরজায় কড়া নাড়ছে খ্রিস্টীয় ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব বড়দিন। এই উৎসবকে কেন্দ্র করে বিশ্বব্যাপী উঠেছে সাজ সাজ রব। উৎসব আয়োজনে পিছিয়ে নেই বাংলাদেশও। বড়দিনকে কেন্দ্র করে গির্জাগুলোতে চলছে সাজসজ্জা, আলোকসজ্জা, ক্রিসমাস ট্রি লাগানো, সান্তাক্লোজকে সাজানোসহ অনেক কিছু।

উৎসবের এই নানা রীতির মতো বড়দিনে পরিবার, আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব, প্রিয়জনের মাঝে চলে উপহার বিতরনের পালা। আর এই উপহার কেনা নিয়েই পড়তে হয় বিপাকে। ফুল, চকলেট, কেক তো প্রতি বছরেরই চল। নতুন কী উপহার দেওয়া যায় প্রিয়জনকে সে সিদ্ধান্ত নেওয়া মুশকিল। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক, কী হতে পারে এবারের বড়দিনের উপহার।

গাছ

বিশ্ব উষ্ণায়নের এই সময়ে একটি গাছ হতে পারে খুবই উপকারী একটি উপহার। উন্নয়নের স্বার্থে প্রতিনিয়ত বাড়ছে উঁচুউচু দালানকোটা। সেই সঙ্গে কমছে আবাদযোগ্য জমি এবং রোপণ করার জায়গা। তাই বিভিন্ন ইনডোর প্ল্যান্ট উপহার দিতে পারেন প্রিয়জনকে। মানি প্ল্যান, ক্যাকটাস, ঘৃতকুমারী কিংবা বনসাই হতে পারে একটি চমৎকার উপহার। বাজেটের মধ্যে অনেক সুন্দর সুন্দর গাছ পেয়ে যাবেন।

পারফিউম

পারফিউম পছন্দ করে না এমন মানুষ পাওয়া দুষ্কর। আপনার প্রিয়জনকে উপহার দিতে পারেন পছন্দের কোনো একটি পারফিউম। তবে অবশ্যই খেয়াল রাখবেন জিনিসটা যেনো ভালো ব্র্যান্ডের হয়।

মোমবাতি

মোমবাতি হতে পারে আপনার উপহারের একটি সামগ্রী। বাজারে এখন নান্দনিক ডিজাইনের বিভিন্ন মোমাবাতি কিনতে পাওয়া যায়। অনেক আবার সুগন্ধীযুক্তও। বিভিন্ন সুপারশপে বা শপিংমলে পাবেন এগুলো। এ ছাড়া বিভিন্ন অনলাইন পেইজ থেকেও অর্ডার করতে পারেন। আলোর সঙ্গে ছড়িয়ে পড়া সুগন্ধ তৈরি করতে পারে আপনার প্রিয় মানুষের জীবনে সুন্দর একটি মুহূর্ত।

বই

ছোট, বড় সকলের জন্যই বই হতে পারে একটি দারুণ উপহার। বাচ্চাদের জন্য হলে রুপকথার নানা গল্প, সাইন্স ফিকশান উপহার দিতে পারেন। বড়দের জন্য তাদের পছন্দের কোনো লেখকের বইও দিতে পারেন। শুধু বড়দিনেই নয় আপনার দেওয়া উপহারটি সারাবছরই তার কাছে থাকবে প্রিয় হয়ে।

পোশাক

প্রিয় মানুষের জন্য পোশাক হতে পারে একটি উৎকৃষ্ট উপহার। আমাদের দেশে যে কোনো উৎসবে শাড়ি-পাঞ্জাবি পরার চল রয়েছে। এর বাইরেও এই শীতকালে দিতে পারেন শীতের কোনো শাল, হুডি, মাফলার কিংবা সোয়েটার। আপনার উপহারের পোশাকটি উষ্ণতায় জড়িয়ে রাখবে আপনার প্রিয় মানুষটিকে।

প্রসাধনী

শীতের শুষ্কতা রুক্ষ করে দেয় ত্বককে। এই শীতে উৎসবের আমেজে প্রিয়জনকে দেওয়া যেতে পারে বিভিন্ন ধরনের ময়েশ্চারাইজার। বাজারে নানা ব্র্যান্ডের অনেক ময়েশ্চারাইজিং ক্রিম, লোশান, অয়েল পাওয়া যায়। এই উপহারটি প্রয়োজনীয় ও উপকারী। তাই এটি হতে পারে ভিন্ন ধরনের একটি উপহার।

হস্তশিল্পের জিনিস

ঐতিহ্যকে ধারণ করে এমন শিল্প উপকরণও দিতে পারেন বড়দিনের উপহারে। পাটের তৈরি, কাগজের তৈরি কিংবা মাটির তৈরি নানা উপকরণ এখন খুব সহজেই পেয়ে যাবেন হাতের কাছে। হারানো ঐতিহ্যের শৈল্পিক এসব জিনিসের চাহিদা দিন দিন বেড়ে চলেছে। ঘর সাজাতে এমন উপহার অতুলনীয়।

ক্যানভাস

দেয়াল জুড়ে একটি ক্যানভাস বদলে দেয় ঘরের আবহ। হ্যান্ডপেইন্ট বা তৈলচিত্রের একটি ক্যানভাস হতে পারে দারুণ একটি উপহার। দেয়ালে একটি ক্যানভাস সেঁটে দিলে সারাবছর ধরে সেটি থেকে যায় ঘরে। এমন একটি উপহার পেলে খুশিতে চকচকে হয়ে উঠবে আপনার আপনজনের মুখ। তাই উপহারের তালিকায় রাখতে পারেন পছন্দের একটি ক্যানভাস।

উপহার এমন হওয়া প্রয়োজন, যা দৈনন্দিন কাজে লাগে কিংবা বছর জুড়ে রয়ে যায় এর কার্যকারিতা। এমন ভিন্নভাবে ভাবতে পারলে প্রিয়জনদের কাছে শুধু উৎসবেই নয় সারাবছরের জন্য আপনি হয়ে উঠতে পারেন বিশেষ একজন মানুষ।

বড়দিনের রেসিপি : রাতের খাবারে বিফ স্টেইক

অপরাজিতা অরু

খ্রিষ্টান ধর্মালম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব বড়দিন। পরিবার-পরিজন, আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে নিয়ে বেশ আয়োজন করে পালন হয় এই উৎসব। এই দিনের খাবার তাই বিশেষ না হলে কি চলে ? বড়দিনকে মাথায় রেখে তাই আমাদের আজকের বিশেষ রেসিপিতে থাকছে বিফ স্টেইক।

স্টেইক তৈরির ক্ষেত্রে মাংস বাছাইটা খুবই জরুরি। সচারচর আমরা দেখি টো-বোন স্টেইক অর্থাৎ গরুর পিঠের একটা বিশেষ অংশের মাংস দিয়ে তৈরি। গরুর কোন অংশের স্টেক, তার ওপর ভিত্তি করে ভিন্ন ভিন্ন নাম হয় সেগুলোর— যেমন-টি বোন, রিব আই, স্ট্রিপ, টেন্ডার লাইন, স্কার্ট, ফ্ল্যাঙ্ক। আমাদের আজকের রেসিপিতে থাকছে রিব আই বিফ স্টেইক রান্নার সহজ রেসিপি।

রিব আই বিফ স্টেইক

গরুর পাঁজরের মাংস দিয়ে তৈরি হয় রিব-আই স্টেক। অর্থাৎ বুকের দিকের মাংসকেই রিব আই বিফ বলা হয়।

উপাদান

  •  ষাড়ের বুকের/পাঁজরের দিকের হাড় ছাড়া মাংস ২৫০ গ্রাম করে ২ পিস
  •  অলিভ অয়েল ১ চা চামচ
  •  গোল মরিচ গুঁড়া ২ চা চামচ
  •  সয়া সস ২ চা চামচ

যেভাবে তৈরি করবেন

প্রথমে মাংস ভালো করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে কিচেন টাওয়েল বা টিস্যু দিয়ে মুছে নিন, যাতে পানি মাংসে লেগে না থাকে।

এবার কাটা চামচ/টুথ পিক/স্টেইক হ্যামার দিয়ে মাংসকে ছিদ্র করে নিন। এতে মাংসের ভিতরে ম্যারিনেট এর মশলা ভালোভাবে ঢুকে যাবে এবং নরম থাকবে।

এরপর এক চা চামচ গোল মরিচ ও বাকি সব উপকরণ দিয়ে খুব ভালোভাবে মাংসের সঙ্গে মিশিয়ে নিন। ভালোমতো মেশানো গেলে বাকি এক চামচ গোল মরিচ মাংসের দুই পাশে মাখিয়ে নিন। এই অবস্থায় নরমাল ফ্রিজে ঢেকে রেখে দিন ৪/৫ ঘন্টা।

এখন একটি ননস্টিক ফ্রাই প্যানে অলিভ অয়েল বা সাদা তেল ব্রাশ করে নিন এবং মাংসের পিস দিয়ে সম্পূর্ণ আঁচে তিন থেকে পাঁচ মিনিট রাখুন। বারবার নাড়তে যাবেন না। পাঁচ মিনিট পরে চুলার আঁচ কমিয়ে আরো কিছুক্ষণ প্যানে রাখুন।

একই পদ্ধতিতে অন্য পাশটাও ভেজে নিন তিন থেকে পাঁচ মিনিট। এরপর ঢাকনা খুলে ৫০ গ্রামের এক টুকরো বাটার উপরে দিয়ে তিন মিনিট ঢেকে রাখুন।

স্টেইকের আসল স্বাদ তৈরি হয় রান্নার পর রেস্টে। একটি ফয়েল পেপারে এক টুকটো বাটার ব্রাশ করে নিয়ে তার মধ্যে স্টেকের টুকরোগুলো ভালোভাবে মুড়িয়ে সাত থেকে আট মিনিটের জন্য রেস্টে রাখুন।

এরপর ম্যাশ পটেটো, গ্রিন সালাদ, সস দিয়ে বা পছন্দমত সাজিয়ে পরিবেশন করুন রিব আই বিফ স্টেইক।

বড়দিনের রেসিপি : উৎসবে থাকুক চিকেন ফ্রাইড রাইস

অপরাজিতা অরু

উৎসব কিংবা অতিথি আপ্যায়ন- জমজমাট হয়ে উঠে খাবারের আয়োজনে। বড়দিনের উৎসবকে আরো জমজমাট করতে খাবারের হরেক পদের মধ্যে রাখতে পারেন চিকেন ফ্রাইড রাইস।

আর এই রান্নায় ঝক্কিও নেই তেমন। ঘরে থাকা কয়েকটি উপাদান দিয়ে রেস্টুরেন্টের স্বাদে খুব সহজেই তৈরি করে ফেলতে পারেন চিকেন ফ্রাইড রাইস।

উপকরণ

  • বাসমতি চাল/যেকোনো পোলাউয়ের চাল- ২ কাপ
  • মুরগির মাংস (হাড় ছাড়া) – ২৫০ গ্রাম
  • গাজর স্লাইস করে কাটা- ১ কাপ
  • বরবটি কুচি- ১/২ কাপ
  • ২ টি বড় আকারের পেঁয়াজ স্লাইস করে কাটা
  • ক্যাপসিকাম স্লাইস – ১ কাপ
  • কাঁচা মরিচ – ৬ টি
  • পেঁয়াজ পাতা কুচি -১/২ কাপ
  • সয়া সস- ২ টেবিল চামচ
  • গোটা গোলমরিচ – ১ চা চামচ
  • রসুন কুচি – ১ টেবিল চামচ
  • ভেজিটেবল অয়েল- ১/৪ কাপ
  • লবণ স্বাদমতো

চিকেন ফ্রাই করার জন্য

  • কর্ণফ্লাওয়ার- ২ টেবিল চামচ
  • আদা রসুন বাটা- ১ চা চামচ
  • গোলমরিচ গুঁড়া- ১/২ চা চামচ
  • সয়া সস – ১ চা চামচ
  • চিলি ফ্লেক্স – ১ চা চামচ
  • ডিম – ১ টি
  • চিকেন ভাজার জন্য তেল – ১ কাপ

যেভাবে তৈরি করবেন

চাল ধুয়ে ১৫ মিনিট পানিতে ভিজিয়ে রেখে দিন। এরপর চালের পানি ঝরিয়ে নিন। একটা পাত্রে পানি দিয়ে তার মধ্যে স্বাদ মতো লবণ দিয়ে ফুটান। এবার ফুটন্ত পানিতে চাল দিয়ে দিন। চালটা ৮০ শতাংশ ভাত হয়ে গেলে পানিটা ঝরিয়ে নিন। খেয়াল রাখতে হবে ভাত যেনো শক্ত থাকে। এবার ভাত ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। এতে রাইসটা ঝরঝরে থাকবে।

এবার মুরগির মাংসের টুকরো গুলোকে সয়া সস, কর্নফ্লাওয়ার, আদা রসুন বাটা, চিলি ফ্লেক্স, গোলমরিচ গুঁড়া ও ডিম দিয়ে ম্যারিনেট করে ১৫ মিনিট রেখে দিন। ১৫ মিনিট পরে ফ্রাই প্যানে তেল দিয়ে ম্যারিনেট করা চিকেনগুলো মৃদু আঁচে ভালো করে করে ভেজে নিন। চিকেনগুলো বাদামি রঙ হয়ে গেলে নামিয়ে রাখুন।

এবার একটি কড়াইতে তেল গরম করে তাতে রসুন কুচি দিয়ে এক মিনিট মত ভেজে নিন। এবার পেয়াঁজ স্লাইস, ক্যাপসিকাম, গাজর, বিন্স দিয়ে মাঝারি আঁচে ভেজে নিন। কিছুটা ভাজা হয়ে গেলে পরিমাণ মত লবণ, গোলমরিচ, কেটে রাখা অর্ধেক পেঁয়াজ পাতা কুচি যোগ করে ভালো করে মিশিয়ে দুই মিনিট ভেজে নিয়ে নিন। এবার সবজি মধ্যে ভাত যোগ করে দিন।

ভাতের মধ্যে সয়া সস, কাঁচা মরিচ, বাকি পেঁয়াজ পাতা কুচি, ভেজে রাখা মাংসগুলো আর পরিমাণ মত লবণ যোগ করে চুলার আঁচ বাড়িয়ে দুই থেকে তিন মিনিট ভালো করে ভেজে নিয়ে দম দিয়ে রাখুন। তিন থেকে চার মিনিট পরেই নামিয়ে নিন।

এবার গরম গরম পরিবেশন করুন চিকেন ফ্রাইড রাইস। এই পরিমাণটি চারজন মানুষ খেতে পারবে। আরো বেশি রান্না করার জন্য উপকরণ বাড়িয়ে নিতে পারেন।

ভালোবেসে কাজ করলে সফলতা আসে

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

এইচএসসির পর বিয়ে হয়ে যায় চট্টগ্রামের মেয়ে নিলিমা বড়ুয়ার। শ্বশুর বাড়ির মানুষ অনেক শিক্ষিত ছিলেন, তারা সবসময় চাইতেন নিলিমা শিক্ষত হোক এবং নিজের পায়ে দাঁড়াক। এরপর বাংলায় অনার্স ও মাস্টার্স শেষ করে সে। মাস্টার্স শেষে কয়েকটি সরকারি চাকরির জন্য আবেদনও করে। তবে ব্যাটে-বলে মিলে উঠছিল না।

এই সময় নিলামার মনে হয় বিউটিফিকেশনে আসবেন। ছোটবেলা থেকেই তিনি অন্যকে ও নিজেকে সাজাতে ভালোবাসতেন। আর পরিবারের মানুষও তাঁর সাজের প্রশংসা
করতো। যেহেতু বিষয়টির প্রতি তাঁর আগ্রহ রয়েছে, তাহলে তো এটিকে পেশা হিসেবে নেওয়াই যায়। এই ভাবনা থেকে বিউটিফিকেশনের ওপর কয়েকটি কোর্স করে একটি স্টুডিও স্যালন দিয়েছেন তিনি। হয়ে উঠেছেন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা।

‘২০২৩ সালের শুরুতে চট্টগ্রামে জয়িতা ফাউন্ডেশন ও বিউটিফিকেশন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র উজ্জ্বলার যৌথ উদ্যোগে একটি কোর্স হয়। বিনামূল্যের এই ১০ দিনের কোর্স আমার দক্ষতাকে কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। উজ্জ্বলার প্রতিষ্ঠাতা আফরোজা পারভীনের গ্রুমিং ও ম্যানেজমেন্টের ক্লাসটি বেশ ভালো ছিল। আরো প্রশিক্ষণ নিয়ে আমি প্রতি মুহূর্তেই নিজেকে দক্ষ করে তোলার চেষ্টা করছি’, বলছিলেন, নিলিমা।

নিলিমা বড়ুয়া। ছবি : সংগৃহীত
নিলিমা বড়ুয়া। ছবি : সংগৃহীত

‘একজন নারীর স্বাবলম্বী হওয়াটা জরুরি। হাতে টাকা থাকাটা শক্তির বিষয়। আর সেটা নিজের আয়ের হওয়াটা সম্মানের। আমার শ্বশুর বাড়ি ও বাবার বাড়ির মানুষ – এসব ক্ষেত্রে আমাকে অনেক সহযোগিতা করেছে। অনেকেই বিয়ের পর হয়তো লেখাপড়াটা চালিয়ে যেতে পারে না বা চাকরি করতে পারে না। তবে আমার শ্বশুর বাড়ির মানুষ সবসময় চাইতেন আমি এগিয়ে যাই। বরং প্রথম সন্তান হওয়ার সময় আমারই লেখাপড়া থেকে এক বছরের জন্য বিরতি নিতে হয়েছিল। তবে জেদ ছিল যেটা শুরু করেছি, শেষ করবো- জানান নিলিমা।

এতো লেখাপড়া শিখে কেন বিউটিফিকেশনকে পেশা হিসেবে নিলেন- এ নিয়ে অনেকের কাছ থেকে প্রশ্নের সম্মুখিন হতে হয়েছে নিলিমাকে। বললেন, ‘আমার মনে হয়েছে এটি একটি সৎ পেশা এবং এটি ভালোভাবে শিখতে পারলে আয়ও ভালোই করা যায়। তাহলে কেন এই পেশায় আসবো না? আর আমার মনে হয় এটি করলে সংসার-সন্তান সবকিছু ম্যানেজ করে কাজটি করতে পারবো। আমার প্যাশনের জায়গাও ছিল এটি।

নিলিমা বড়ুয়া। ছবি : সংগৃহীত
নিলিমা বড়ুয়া। ছবি : সংগৃহীত

নিজের পার্লারটিকে আরো বড় করবেন এবং নিজে আরো দক্ষ হবেন জানিয়ে নিলিমা বলেন, ‘যেকোনো কাজের ক্ষেত্রে ভালোবাসাটা খুব জরুরি। ভালোবেসে কাজ করলে সফলতা আসে। আমি এটা বিশ্বাস করি।’

বি : দ্র : বাংলাদেশের বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিং ইন্ডাস্ট্রিতে উদ্যোক্তা তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে উজ্জ্বলা লিমিটেড। উজ্জ্বলায় প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এবং সংগ্রাম করে সাফল্য অর্জন করেছেন, এমন কয়েকজন নারী ও পুরুষের সাক্ষাৎকার নিয়ে সাতকাহনের ধারাবাহিক পর্ব চলছে। এই পর্বটি ছিল ৮৭তম। উজ্জ্বলা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন :

https://www.facebook.com/UjjwalaBD

https://www.instagram.com/UjjwalaBD/

ফোন : ০১৩২৪৭৩৪১৫৭

নতুন বছরে কে ক্র্যাফটে বিশেষ মূল্য ছাড়

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

নতুন বছর উদযাপনে কে ক্র্যাফট দিচ্ছে সকল পোশাকের উপর ২০ শতাংশ মূল্য ছাড়। এ সময়ে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক আয়োজন লেগেই থাকে। তাই সাশ্রয়ী কেনাকাটায় কাঙ্ক্ষিত যেকোনো পোশাক মিলবে বিশাল সংগ্রহ থেকে। এ ছাড়াও প্রিয়জনকে উপহার দিতে পোশাকের থাকে বিশেষ চাহিদা। পুরোনোর সঙ্গে নতুন কালেকশনও মিলবে।

ছবি : কে ক্রাফট
ছবি : কে ক্রাফট

মেয়েদের পোশাকের বিশাল সংগ্রহে থাকছে- সালোয়ার কামিজ, শাড়ি, টপস, টিউনিক, কটি, টপস- স্কার্ট ও অন্যান্য অনুসঙ্গ। ছেলেদের জন্য ক্যাজুয়াল শার্ট, ফতুয়া, পলো, টি-শার্ট, ডেনিম জিন্স, কটি ছাড়াও পাবেন রেগুলার ও ফিটেড পাঞ্জাবি । কিডস কর্নারে থাকছে ছোট মনিদের জন্য সকল ধরনের পোশাক।

বিভিন্ন রঙে প্রিন্ট, হাতের কাজ এবং উইভিং ডিজাইনে করা শাল পাওয়া যাবে, যা এই শীতের জন্য বেশ উপযোগী। এ ছাড়াও থাকছে অন্যান্য শীতের পোশাক।

ছবি : কে ক্রাফট
ছবি : কে ক্রাফট

কে ক্র্যাফট- এর সকল শো-রুম (দেশীদশ ছাড়া ) থেকেই বিশেষ ছাড়ে কেনাকাটার সুবিধা পাবেন। ঘরে বসে মূল্য ছাড়ে পছন্দের পোশাক অর্ডার করতে পারেন অনলাইন স্টোর kaykraft.com থেকে। এ ছাড়া ফেসবুক পেজ থেকেও কেনাকাটা করার সুবিধা রয়েছে।

- Advertisement -
সাতকাহন
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.