Wednesday, May 27, 2026
spot_img
Home Blog Page 44

শিশু মিথ্যা বললে এই ৫ কথা বলুন

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

মিথ্যা বলা বা সত্য গোপন করা যে আসলে হীতে বিপরীত ডেকে আনে, তা তো আর অজানা নয়। অনেক সময় শিশু ভুল-ভাল করে ফেললে, অভিভাবকদের বকা-ঝকার ভয়ে কখনো কখনো মিথ্যা বলে।

তবে তার সঠিক বিকাশের জন্য সে যে মিথ্যা বলছে, এটি কৌশলে বুঝিয়ে দেওয়া জরুরি এবং ছোটবেলা থেকেই সৎ থাকার উপকারী বিষয়গুলো বোঝানো দরকার। সন্তান মিথ্যা বললে, তার ভুলকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য পাঁচটি কথা বলা যেতে পারে। এগুলো তাকে নিজের সম্পর্কে ভাবতে সাহায্য করবে।

১. আমি চাই, আমরা যেন একে অপরকে বিশ্বাস করতে পারি।

২. সত্য বলা খুব সাহসের বিষয়। যে সত্য বলে সে সাহসী।

৩. ভুল মানুষ করতেই পারে। তবে এটাকে ঢাকার চেষ্টা না করাই ভালো।

৪. আমরা এই অবস্থাটিকে সত্য ও সততার সঙ্গে মোকাবিলা করতে পারি।

৫. তুমি কেন এতো চিন্তিত ? তুমি তো সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছো যে মিথ্যা বলবে। তাই না ?

সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া

কফির সঙ্গে খাওয়া ঠিক নয় ৩ খাবার

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

শরীরকে চাঙা করতে এবং মন-মেজাজ ভালো রাখতে এক কাপ কফির যেন কোনো জুড়ি নেই। তবে সমস্যাটা হয় তখনই, যখন এর সঙ্গে এমন কিছু খাবার খেয়ে ফেলা হয়, যা দেহের জন্য ক্ষতিকর। কফির সঙ্গে খাওয়া ঠিক নয়, এমন কিছু খাবারের নাম জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।

সাইট্রাস ফ্রুটস
কফি এমনিতেই পেটে এসিড তৈরি করতে পারে, আর এর সঙ্গে সাইট্রাস ফ্রুটস ( যেমন : লেবু, কমলা, জাম্বুরা ইত্যাদি) খেলে হজমের সমস্যা বাড়ে।

লাল মাংস
লাল মাংস (যেমন: গরু ও খাসি)- এর মধ্যে রয়েছে আয়রন। রক্তের সঞ্চালন, বিভিন্ন হরমোন তৈরি, রোগ প্রতিরোধ কার্যক্রম থেকে অনেক কাজ করে এটি। তবে গবেষণায় বলা হয়, কফির সঙ্গে এই জাতীয় খাবার খেলে আয়রণের উপকারগুলো শরীর কম পায়। তাই এ ধরনের খাবার এড়িয়ে যাওয়ার পরামর্শই পুষ্টিবিদদের।

উচ্চ সোডিয়াম জাতীয় খাবার
গবেষণায় বলা হয়, উচ্চ পরিমাণ সোডিয়াম সমৃদ্ধ খাবার (যেমন : প্রক্রিয়াজাত চিজ, স্যান্ডুইচ, পিৎজা ইত্যাদি) রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়। আবার কফি পান করলেও রক্তচাপ বাড়ার আশঙ্কা থাকে। তাই এই দুটো খাবার একসঙ্গে না খাওয়াই ভালো।

প্রতিদিন কলা খেলে পাবেন ৬ উপকার

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

কলা কেবল খেতেই সুস্বাদু নয়, এটি ভিটামিন, মিনারেল ও আঁশে ভরপুর। আর এসব উপাদান সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। তবে এই উপকার পুরোপুরি পেতে হলে প্রতিদিন কলা খাওয়া ভালো। প্রতিদিন এই ফলটি খাওয়ার কিছু উপকারের কথা জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।

  • কলা পটাশিয়ামে ভরপুর। এটি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং হার্টের স্বাস্থ্য ভালো রাখে।
  • কলার মধ্যে থাকা ডায়াটারি ফাইবার হজম ভালো করে। এটি গাটের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে উপকারী।
  • এই ফলটির মধ্যে থাকা উপাদান ট্রিপটােফেন দেহের ফিল গুড হরমোন নিঃসরণে সাহায্য করে। এতে মন-মেজাজ ভালো থাকে।
  • কলার মধ্যে ম্যানগানিজ ও ভিটামিন ‘সি’সহ অন্যান্য ভিটামিন ও মিনারেল রয়েছে। এগুলো হাড়ের শক্তি বাড়িয়ে অস্টিওপরোসিসের ঝুঁকি কমায়।
  • এই ফলটিতে ভিটামিন ‘এ’, ভিটামিন ‘সি’ ও ভিটামিন ‘ই’ পাওয়া যায়। এগুলো অকাল বার্ধক্য প্রতিরোধ করে এবং ত্বককে ভালো রাখে।
  • কলায় থাকা পানি দেহকে আর্দ্র রাখতে সাহায্য করে। এতে পানিশূন্যতা দূর হয়। তবে যেকোনো খাবার নিয়মিত খাওয়ার আগে শরীরের অবস্থা বুঝে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে গ্রহণ করুন।

চুলের যত্নে এই তেল ব্যবহার করেন মাধুরী

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

বলিউডের অন্যতম লাস্যময়ী অভিনেত্রী মাধুরী দীক্ষিতের আত্মপ্রকাশ ঘটে ১৯৮৪ সালে ‘অবোধ’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে। এরপর একের পর এক হিট ছবি দিয়ে ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম লিজেন্ট অভিনেত্রীর তকমা পান তিনি। ৫৭ বছর বয়সের এই অভিনেত্রীর সৌন্দর্য, নাচ ও অভিনয় দক্ষতায় এখনো কুপকাত হয় সম্পূর্ণ ইন্ডাসট্রি।

নিজের সৌন্দর্য ধরে রাখতে সাধারণত ঘরে তৈরি উপাদানই মাধুরী দীক্ষিতের প্রথম পছন্দ। আর তাই, চুলের যত্নে যেই তেলটি ব্যবহার করেন, সেটিও নিজে ঘরে বানিয়ে নেন।
এই অভিনেত্রী তাঁর নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেল ‘মাধুরী দীক্ষিত ন্যানে’- তে বলেন, ‘মেথি, নারকেল তেল, পেঁয়াজ ও কারি পাতা দিয়ে আমি একটি তেল তৈরি করি। এটি আমার চুলকে ঝলমলে ও প্রাণবন্ত রাখে। চুলের যত্নে আপনারাও এই তেল ব্যবহার করে দেখতে পারেন।’

মাধুরী দীক্ষিত। ছবি : সংগৃহীত
মাধুরী দীক্ষিত। ছবি : সংগৃহীত

তেল তৈরির উপাদান

নারকেল তেল – আধা কাপ
কারি পাতা – ১৫ থেকে ২০ পাতা
মেথি – ১ চা চামচ
পেঁয়াজ – ১ কাপ

তেল যেভাবে তৈরি করবেন

একটি প্যানে সবগুলো উপাদান একসঙ্গে নিয়ে সিদ্ধ করুন। সিদ্ধ হয়ে এলে তেলটি ছেঁকে নিন। এবার একটি কন্টেইনারে ভরে দুই দিন রেখে দিন। এরপরই ব্যবহারের উপযুক্ত হয়ে যাবে এটি।

সূত্র : ইউটিউব চ্যানেল মাধুরী দীক্ষিত ন্যানে

চকোলেট খেতে পছন্দ ? ৩টি বিষয় খেয়াল রাখুন

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

কেবল ছোটরাই নয় অনেক বড়রাও চকোলেট খেতে পছন্দ করে। মিষ্টি জাতীয় এই খাবারটির যেমন ভালো দিক রয়েছে, তেমনি রয়েছে অনেক মন্দ বিষয়ও। তাই চকোলেট খাওয়ার আগে একটু ভেবে-চিন্তে নির্বাচন করাই ভালো।

চকোলেট খাওয়ার আগে খেয়াল রাখা জরুরি এমন কয়েকটি বিষয় সম্পর্কে জানিয়েছে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলথআপ্টা।

১. কালো চকোলেটে কম চিনি থাকে। তাই ওজন বাড়ার আশঙ্কা কম। কালো চকোলেটে রয়েছে উচ্চ পরিমাণ ফ্লেভানলস। এই উপাদানটি হার্টের জন্য ভালো। পাশাপাশি এটি মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতাও বাড়ায়।

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

২. মিল্ক বা দুধ মিশ্রিত চকোলেট কম উপকারী কালোর তুলনায়। কারণ, কালোর মধ্যে থাকা উচ্চ পরিমাণ ফ্লেভানলস দুধ মিশ্রিত চকোলেটের মধ্যে কম পাওয়া যায়। এ ছাড়া এতে বেশি চিনি ও চর্বি থাকে। ফলাফল, ওজন ও ডায়াবেটিস বাড়ার আশঙ্কা।

৩. তবে দুধ মিশ্রিত চকোলেট আবার সাদার চেয়ে উপকারী। কারণ, দুধ মিশ্রিত চকোলেটে অন্তত কিছু পরিমাণ কোকো থাকে। আর বেশি কোকো মানে উচ্চ পরিমাণ ফ্লেভানলস। তাই চকোলেট খেতে চাইলে কালোকেই বেছে নেওয়ার পরামর্শ দেন বেশিরভাগ পুষ্টিবিদ।

পেটের মেদ কমাবে এই ডিটক্স পানীয়

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

পেটের মেদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভুগছেন ? আপনার দুশ্চিন্তা দূর করবে শসা-গাজরের ডিটক্স পানীয়। প্রতিদিন খাবার খাওয়ার অন্তত ২০ মিনিট আগে এই পানীয় পান পেটের মেদ কমাতে খুবই কার্যকরী।

এই পানীয়টি বাড়তি খাবার খাওয়ার পরিমাণ কমাবে এবং বিপাক ভালো করবে। শসা-গাজরের ডিটক্স পানীয়টির রেসিপি জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিষয়ক ওয়েবসাইট হেলথআপ্টা।

উপাদান
শসা – ২টি
পুদিনা পাতা – ১ মুঠো
গাজর – ১টি
আদা – ১টি ছোট

শসার মধ্যে রয়েছে ৯৮ ভাগ পানি। এটি দেহকে পরিশোধিত করতে সাহায্য করে। পুদিনা পাতা বিপাক ভালো করতে উপকারী। গাজরে কম ক্যালরি থাকে এবং উচ্চ পরিমাণ আঁশ থাকে। আদা ফ্যাট সেল তৈরিকারী হরমোন লেপটিন বৃদ্ধিতে সহায়তা করে ক্ষুধা কমায়।

যেভাবে তৈরি করবেন
সবগুলো উপাদান ছোট ছোট টুকরো করে কেটে নিন। এবার এক গ্লাস পানির মধ্যে উপাদানগুলো একত্রে দিয়ে ব্লেন্ড করুন। তৈরি হয়ে যাবে শসা-গাজরের ডিটক্স পানীয়।

পুরুষের বন্ধ্যত্ব: আজুস্পার্মিয়া হলেই স্বপ্নের শেষ নয়

রফিক-উল-আলম

সন্তান জন্ম দেওয়ার জন্য একদিকে যেমন মেয়েদের ডিম্বাণুর প্রয়োজন, একইভাবে পুরুষের শুক্রাণুর (Sperm) দরকার। কারণ, সুস্থ-সবল শুক্রাণুর সঙ্গে ডিমের মিলনের ওপরই একটা সফল গর্ভধারণ নির্ভর করে।

ল্যাবে পরীক্ষা করে কোনো পুরুষের বীর্য বা সিমেনে সন্তান জন্মদানের জন্য অত্যাবশ্যকীয় স্পার্ম (শুক্রাণু) একটিও পাওয়া না গেলে সে অবস্থাটাকে আজুস্পার্মিয়া (Azoospermia), জিরো স্পার্ম বা নীল স্পার্ম কাউন্ট বলে।

ইদানীং নারীর পাশাপাশি পুরুষ বন্ধ্যত্বের একটা অন্যতম কারণই হয়ে দাঁড়িয়েছে এই আজুস্পার্মিয়া। জিরো স্পার্ম বা নীল স্পার্ম শোনামাত্রই সন্তানপ্রত্যাশী দম্পতিরা এ বিষয়ে পরিষ্কার ধারণা না থাকায় একেবারে দিশেহারা হয়ে পড়েন। নিজের সমস্যা সম্পর্কে কিছু না জেনেই ছোটাছুটি শুরু করেন। তবে এটি কোনোভাবেই সমস্যা থেকে উত্তরণের পথ নয়।

বীর্য পরীক্ষায় আজুস্পার্মিয়া নির্ণিত হলে হুট করেই চিকিৎসায় না গিয়ে বরং এক থেকে দুই সপ্তাহ পর যথার্থ ‘সিমেন অ্যানালাইসিস প্রটোকল’ অনুসারে ভালো মানের ল্যাব থেকে পুনরায় বীর্য পরীক্ষা করে নিশ্চিত হওয়া জরুরি।

আজুস্পার্মিয়া হলে দিশেহারা হয়ে ছোটাছুটি করা একদম যাবে না। এখানে-সেখানে দেখিয়ে যাওয়া, অমুক প্যাথি, তমুক প্যাথি, কবিরাজি, ঝাড়-ফুঁক, তাবিজ-কবজ এগুলো থেকে বিরত থাকতে হবে। এ ছাড়া না বুঝেই এর-তার কথায়, ভিন দেশে ছোটা বা হুট করেই আইভিএফ বা টেস্ট টিউব বেবির পরিকল্পনা না করাই ভালো। কারণ, এ সম্পর্কে ধারণা ও সম্পূর্ণ পূর্বপ্রস্তুতি ছাড়া এমন উদ্যোগে সফলতার দেখা মেলা ভার।

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

মনে রাখতে হবে, আজুস্পার্মিয়ার ক্ষেত্রে নিশ্চিত সফলতা বলে কিছু নেই। যা-ই করা হোক না কেন, সবকিছুই শুধু চান্স হিসেবে নেওয়া। তাই তো এ ক্ষেত্রে অবশ্যকরণীয়–

১. যে কোনো কিছু করতে যাওয়ার আগেই নিজের সমস্যার প্রকৃতি সম্পর্কে সব জানতে হবে, ধারণা পেতে হবে।

২. সমস্যার পেছনের সম্ভাব্য কারণগুলো (Causes) চিহ্নিত করতে হবে।

৩. আজুস্পার্মিয়ার ধরন (Type), অর্থাৎ অণ্ডকোষের ভেতরে স্পার্ম তৈরি হচ্ছে, কিন্তু বাইরে আসতে পারছে না (Obstructive Azoospermia), নাকি অণ্ডকোষ স্পার্মই তৈরি করতে পারছে না (Non Obostructive Azoospermia)– তা জেনে চিহ্নিত করতে হবে।

৩. সমস্যার প্রকৃতি, কারণ ও ধরন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিলেই শুধু আজুস্পার্মিয়াকে কিছুটা হলেও পরাস্ত করে লক্ষ্যে পৌঁছানোর সুযোগ থাকে।

সেই সঙ্গে এটিও মনে রাখতে হবে, শুধু ওষুধপত্র খেয়ে আজুস্পার্মিয়া ভালো হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। সমস্যার প্রকৃতি, কারণ, ধরন অনুযায়ী উপযুক্ত চিকিৎসার পাশাপাশি বিশেষ ধরনের খাবার-দাবার, লাইফস্টাইল মেইনটেইন করে প্রয়োজনীয় ডায়েটরি সাপ্লিমেন্ট নিলে আজুস্পার্মিয়ার ক্ষেত্রে কিছুটা সহায়ক হয়।

এ ছাড়া আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানে রিজেনারেটিভ মেডিসিন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে টেস্টিকুলার রিজেনারেশন, অর্থাৎ অণ্ডকোষ পুনরায় কার্যকর করে সক্রিয়ভাবে স্পার্ম (শুক্রাণু) উৎপাদন করা সম্ভব। এই পদ্ধতি অন্ধকারে যেন আশার আলো জাগাচ্ছে। এই টেস্টিকুলার রিজেনারেশনের (পুনরুদ্ধার/পুনর্জন্ম) মাধ্যমে অণ্ডকোষের ডিএনএজনিত ত্রুটি ও বিভিন্ন ধরনের স্পার্মের সমস্যা, এমনকি জিরো স্পার্ম বা আজুস্পার্মিয়াকে পরাস্ত করা যায়। এতে ‘ডোনার স্পার্ম’ ছাড়াই একেবারে নিজের স্পার্মেই সন্তান নেওয়ার পথ সুগম হয়। আর এই প্রক্রিয়াটির ফলাফল সাধারণত নির্ধারিত হয়ে যায় সর্বোচ্চ তিন থেকে চার মাসের মধ্যেই।

রফিক-উল-আলম
রফিক-উল-আলম

লেখক : ইনফার্টিলিটি ও আইভিএফ কাউন্সেলর
ইমপালস হাসপাতাল, ঢাকা
ফোন: +৮৮০১৬৮৪৩৪২৪৪৯
#FertilityHelpline

মেয়েদের অফিস-সাজে ৭ পরামর্শ

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

একজন অফিসকর্মী হিসেবে মেয়েদের সাজপোশাক হওয়া চাই প্রফেশনাল, সাবলীল এবং অফিসের পরিবেশের সঙ্গে মানানসই। সাজের ক্ষেত্রে এমন কিছু নিয়ম ও মানদণ্ড রয়েছে, যা মেনে চললে অফিসের পরিবেশ ও প্রফেশনালিজম– উভয়ই বজায় থাকে।

বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ‘এনটিভি’র অনলাইন বিভাগে ক্রীড়া প্রতিবেদক হিসেবে কাজ করছেন হিমু আক্তার। ডেস্ক ও ফিল্ড দুটো জায়গাতেই কাজ করতে হয় তাকে। অফিসের জন্য নিজেকে কীভাবে তৈরি করেন- এ প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘কাজের জন্য যেহেতু একই পোশাক পরে দিনের একটা লম্বা সময় বাইরে থাকতে হয়, তাই আরামদায়ক কাপড় বেছে নেওয়ার চেষ্টা করি। ডেস্কের কাজ থাকলে সুতি বা ভালো আরামদায়ক কাপড়ের পোশাক পরি। মুখে ব্যবহার করি হালকা কমপ্যাক্ট পাউডার ও লিপগ্লস।’

এ ছাড়া ফিল্ড অ্যাসাইনমেন্টে যেতে হলে একটু ওয়েস্টার্ন আউটফিট বেছে নিই জানিয়ে সাংবাদিক হিমু আক্তার বলেন, ‘দীর্ঘক্ষণ বাইরে থাকা লাগলে অবশ্যই আরামদায়ক জুতা নেওয়ার চেষ্টা করি। এ সময়েও আমি কমপ্যাক্ট পাউডার এবং ভালো কোনো ম্যাট লিপিস্টিক ব্যবহার করি। মাঝেমধ্যে আইব্রো লাইনটাও শার্প করে নিই। আর কখনও আরেকটু ভারী মেকআপ নিলে সেটিং স্প্রে দিই। এতে মেকআপ দীর্ঘক্ষণ ভালো থাকে। আমি সব সময়ই সানস্ক্রিন ব্যবহার করি। আর কোনো মেকআপ প্রােডাক্ট সঙ্গে থাকুক বা না থাকুক, একটা কমপ্যাক্ট পাউডার ব্যাগে অবশ্যই রাখি।’

কাজের সময় চুলটা মেনটেইন করা খুব গুরুত্বপূর্ণ। আমি যেহেতু সব সময় খোলা চুলে অভ্যস্ত, তাই সাধারণভাবে আঁচড়ে নিলেই হয়। তবে এটা একেকজনের ক্ষেত্রে একেক রকম হতে পারে। সবচেয়ে বড় কথা, কীভাবে নিজেকে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করতে পছন্দ করবেন, সেটাই মুখ্য। এখানে নিজের স্বস্তির বিষয়টাই আগে বলে জানান সাংবাদিক হিমু।

মডেল : হিমু আক্তার। ছবি : সংগৃহীত
মডেল : হিমু আক্তার। ছবি : সংগৃহীত

অফিসে মেয়েদের সাজপোশাক কেমন হলে ভালো, এ নিয়ে পরামর্শ জানিয়েছেন প্রিটি লেডি বাই সোনিয়া খানের কর্ণধার রূপবিশেষজ্ঞ সোনিয়া খান। তাঁর পরামর্শ অনুযায়ী-

১. মেকআপ

অফিসে যাওয়ার জন্য মেকআপ হতে হবে মৃদু ও প্রাকৃতিক।

* ফাউন্ডেশন : ত্বকের সঙ্গে মিলিয়ে হালকা ফাউন্ডেশন বা বিবি ক্রিম ব্যবহার করুন। এতে ত্বক প্রাকৃতিক ও স্বাস্থ্যকর দেখাবে।

* আই মেকআপ : হালকা আইশ্যাডো, মাশকারা ও কাজল ব্যবহার করুন। খুব গাঢ় বা চকচকে রং এড়িয়ে চলাই ভালো। আইলাইনার ব্যবহার করতে পারেন। তবে খুব বেশি মোটা লাইন নয়।

* লিপস্টিক : অফিসের জন্য নিউট্রাল বা মৃদু রঙের লিপস্টিক ব্যবহার করুন। খুব গাঢ় বা উজ্জ্বল লাল, গোলাপি বা চকচকে লিপস্টিক অফিসের জন্য উপযুক্ত নয়।

২. চুলের স্টাইল

চুলের স্টাইল হতে হবে সিম্পল ও ন্যাচারাল।

মডেল : হিমু আক্তার। ছবি : সংগৃহীত
মডেল : হিমু আক্তার। ছবি : সংগৃহীত

* হেয়ারস্টাইল : চুল খোলা রাখতে চাইলে স্ট্রেইট বা হালকা কার্ল করে নিতে পারেন। এ ছাড়া চাইলে পনিটেল, বান বা প্লেইন ব্রেইড করা যেতে পারে।

৩. পোশাক

অফিসের পোশাক হতে হবে প্রফেশনাল, মার্জিত এবং অফিসের ড্রেস কোড অনুযায়ী।

* ফরমাল পোশাক : ব্লেজার, ট্রাউজার, শার্ট, কুর্তি ও ফরমাল স্কার্ট বা সালোয়ার-কামিজ অফিসের জন্য উপযুক্ত। খুব বেশি ফ্যাশনেবল বা ক্যাজুয়াল পোশাক এড়িয়ে চলাই ভালো।

* রং : নেভি ব্লু, ব্ল্যাক, গ্রে, বেইজ ইত্যাদি রঙের পোশাক অফিসে ব্যবহার করতে পারেন। খুব উজ্জ্বল বা চটকদার রং অফিসের জন্য ঠিক নয়।

৪. অ্যাকসেসরিজ

অ্যাকসেসরিজের ক্ষেত্রে পরিমিতি বোধ রাখা জরুরি।

* গহনা : হালকা ও ছোট গহনা ব্যবহার করুন। ছোট কানবল, চেইন বা লকেট এবং হাতে মৃদু ব্রেসলেট পরতে পারেন। ভারী গহনা অফিসের জন্য ঠিক নয়।

* ব্যাগ : অফিসের জন্য মাঝারি মাপের ফরমাল ব্যাগ ব্যবহার করা ভালো, যা পোশাকের সঙ্গে মানানসই হয়।

. সুগন্ধি

এ ক্ষেত্রে হালকা ও মৃদু ফ্লেভারের সুগন্ধি ব্যবহার করুন, যা অন্যদের জন্য আরামদায়ক হয়। খুব গাঢ় বা তীব্র সুগন্ধি অফিসের জন্য এড়িয়ে চলাই ভালো।

৬. জুতা

অফিসের জন্য ফরমাল জুতা নির্বাচন করুন।

* হিল : হাই হিলের পরিবর্তে মিডিয়াম বা লো হিল বেছে নিন। এ ছাড়া ফ্ল্যাট জুতা, বেলি বা লোফারও অফিসের জন্য উপযুক্ত হতে পারে।

* রং: জুতার রংও প্রফেশনাল হওয়া প্রয়োজন। যেমন : কালো, ব্রাউন বা নিউট্রাল শেড।

৭. পরিচ্ছন্নতা

অফিসের সাজগোজের পাশাপাশি ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। নখ, চুল ও ত্বক সবকিছুই পরিষ্কার এবং পরিপাটি থাকতে হবে।

 

- Advertisement -
সাতকাহন
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.