Wednesday, May 27, 2026
spot_img
Home Blog Page 45

মেয়েদের অফিস-সাজে ৭ পরামর্শ

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

একজন অফিসকর্মী হিসেবে মেয়েদের সাজপোশাক হওয়া চাই প্রফেশনাল, সাবলীল এবং অফিসের পরিবেশের সঙ্গে মানানসই। সাজের ক্ষেত্রে এমন কিছু নিয়ম ও মানদণ্ড রয়েছে, যা মেনে চললে অফিসের পরিবেশ ও প্রফেশনালিজম– উভয়ই বজায় থাকে।

বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ‘এনটিভি’র অনলাইন বিভাগে ক্রীড়া প্রতিবেদক হিসেবে কাজ করছেন হিমু আক্তার। ডেস্ক ও ফিল্ড দুটো জায়গাতেই কাজ করতে হয় তাকে। অফিসের জন্য নিজেকে কীভাবে তৈরি করেন- এ প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘কাজের জন্য যেহেতু একই পোশাক পরে দিনের একটা লম্বা সময় বাইরে থাকতে হয়, তাই আরামদায়ক কাপড় বেছে নেওয়ার চেষ্টা করি। ডেস্কের কাজ থাকলে সুতি বা ভালো আরামদায়ক কাপড়ের পোশাক পরি। মুখে ব্যবহার করি হালকা কমপ্যাক্ট পাউডার ও লিপগ্লস।’

এ ছাড়া ফিল্ড অ্যাসাইনমেন্টে যেতে হলে একটু ওয়েস্টার্ন আউটফিট বেছে নিই জানিয়ে সাংবাদিক হিমু আক্তার বলেন, ‘দীর্ঘক্ষণ বাইরে থাকা লাগলে অবশ্যই আরামদায়ক জুতা নেওয়ার চেষ্টা করি। এ সময়েও আমি কমপ্যাক্ট পাউডার এবং ভালো কোনো ম্যাট লিপিস্টিক ব্যবহার করি। মাঝেমধ্যে আইব্রো লাইনটাও শার্প করে নিই। আর কখনও আরেকটু ভারী মেকআপ নিলে সেটিং স্প্রে দিই। এতে মেকআপ দীর্ঘক্ষণ ভালো থাকে। আমি সব সময়ই সানস্ক্রিন ব্যবহার করি। আর কোনো মেকআপ প্রােডাক্ট সঙ্গে থাকুক বা না থাকুক, একটা কমপ্যাক্ট পাউডার ব্যাগে অবশ্যই রাখি।’

কাজের সময় চুলটা মেনটেইন করা খুব গুরুত্বপূর্ণ। আমি যেহেতু সব সময় খোলা চুলে অভ্যস্ত, তাই সাধারণভাবে আঁচড়ে নিলেই হয়। তবে এটা একেকজনের ক্ষেত্রে একেক রকম হতে পারে। সবচেয়ে বড় কথা, কীভাবে নিজেকে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করতে পছন্দ করবেন, সেটাই মুখ্য। এখানে নিজের স্বস্তির বিষয়টাই আগে বলে জানান সাংবাদিক হিমু।

মডেল : হিমু আক্তার। ছবি : সংগৃহীত
মডেল : হিমু আক্তার। ছবি : সংগৃহীত

অফিসে মেয়েদের সাজপোশাক কেমন হলে ভালো, এ নিয়ে পরামর্শ জানিয়েছেন প্রিটি লেডি বাই সোনিয়া খানের কর্ণধার রূপবিশেষজ্ঞ সোনিয়া খান। তাঁর পরামর্শ অনুযায়ী-

১. মেকআপ

অফিসে যাওয়ার জন্য মেকআপ হতে হবে মৃদু ও প্রাকৃতিক।

* ফাউন্ডেশন : ত্বকের সঙ্গে মিলিয়ে হালকা ফাউন্ডেশন বা বিবি ক্রিম ব্যবহার করুন। এতে ত্বক প্রাকৃতিক ও স্বাস্থ্যকর দেখাবে।

* আই মেকআপ : হালকা আইশ্যাডো, মাশকারা ও কাজল ব্যবহার করুন। খুব গাঢ় বা চকচকে রং এড়িয়ে চলাই ভালো। আইলাইনার ব্যবহার করতে পারেন। তবে খুব বেশি মোটা লাইন নয়।

* লিপস্টিক : অফিসের জন্য নিউট্রাল বা মৃদু রঙের লিপস্টিক ব্যবহার করুন। খুব গাঢ় বা উজ্জ্বল লাল, গোলাপি বা চকচকে লিপস্টিক অফিসের জন্য উপযুক্ত নয়।

২. চুলের স্টাইল

চুলের স্টাইল হতে হবে সিম্পল ও ন্যাচারাল।

মডেল : হিমু আক্তার। ছবি : সংগৃহীত
মডেল : হিমু আক্তার। ছবি : সংগৃহীত

* হেয়ারস্টাইল : চুল খোলা রাখতে চাইলে স্ট্রেইট বা হালকা কার্ল করে নিতে পারেন। এ ছাড়া চাইলে পনিটেল, বান বা প্লেইন ব্রেইড করা যেতে পারে।

৩. পোশাক

অফিসের পোশাক হতে হবে প্রফেশনাল, মার্জিত এবং অফিসের ড্রেস কোড অনুযায়ী।

* ফরমাল পোশাক : ব্লেজার, ট্রাউজার, শার্ট, কুর্তি ও ফরমাল স্কার্ট বা সালোয়ার-কামিজ অফিসের জন্য উপযুক্ত। খুব বেশি ফ্যাশনেবল বা ক্যাজুয়াল পোশাক এড়িয়ে চলাই ভালো।

* রং : নেভি ব্লু, ব্ল্যাক, গ্রে, বেইজ ইত্যাদি রঙের পোশাক অফিসে ব্যবহার করতে পারেন। খুব উজ্জ্বল বা চটকদার রং অফিসের জন্য ঠিক নয়।

৪. অ্যাকসেসরিজ

অ্যাকসেসরিজের ক্ষেত্রে পরিমিতি বোধ রাখা জরুরি।

* গহনা : হালকা ও ছোট গহনা ব্যবহার করুন। ছোট কানবল, চেইন বা লকেট এবং হাতে মৃদু ব্রেসলেট পরতে পারেন। ভারী গহনা অফিসের জন্য ঠিক নয়।

* ব্যাগ : অফিসের জন্য মাঝারি মাপের ফরমাল ব্যাগ ব্যবহার করা ভালো, যা পোশাকের সঙ্গে মানানসই হয়।

. সুগন্ধি

এ ক্ষেত্রে হালকা ও মৃদু ফ্লেভারের সুগন্ধি ব্যবহার করুন, যা অন্যদের জন্য আরামদায়ক হয়। খুব গাঢ় বা তীব্র সুগন্ধি অফিসের জন্য এড়িয়ে চলাই ভালো।

৬. জুতা

অফিসের জন্য ফরমাল জুতা নির্বাচন করুন।

* হিল : হাই হিলের পরিবর্তে মিডিয়াম বা লো হিল বেছে নিন। এ ছাড়া ফ্ল্যাট জুতা, বেলি বা লোফারও অফিসের জন্য উপযুক্ত হতে পারে।

* রং: জুতার রংও প্রফেশনাল হওয়া প্রয়োজন। যেমন : কালো, ব্রাউন বা নিউট্রাল শেড।

৭. পরিচ্ছন্নতা

অফিসের সাজগোজের পাশাপাশি ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। নখ, চুল ও ত্বক সবকিছুই পরিষ্কার এবং পরিপাটি থাকতে হবে।

 

শিশু কিছু লুকাচ্ছে, বুঝবেন কীভাবে ?

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

বাবা-মা বকবে বা শাস্তি দেবে- এমন ভাবনা থেকেই সাধারণত শিশুরা কিছু লুকায়। আসলে পরিবারে মা-বাবার এমন একটি পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন, যেখানে শিশুটি স্বাচ্ছন্দের সঙ্গে তার মনের কথাগুলো বা যেই কাজটি করেছে, সেই সম্পর্কে বলতে পারে।

যাই হোক, শিশু কোনো ভুল-ভাল কাজ করে ফেললে অভিভাবকরাই অস্বস্তির মধ্যে পড়ে। তাই সন্তান কী করছে, সেই বিষয়ে খেয়াল রাখা প্রয়োজন। শিশু কোনো কিছু লুকাচ্ছে সেটি বোঝার উপায় এবং সমাধানের পথ বাতলেছে টাইমস অব ইন্ডিয়া। চলুন জানি-

আচরণগত পরিবর্তন

শিশু কিছু লুকাচ্ছে মনে হলে তার আচরণের দিকে খেয়াল করুন। সে কি ভয় পাচ্ছে, কোনো নির্দিষ্ট কাজ করতে চাইছে না, রাগ দেখাচ্ছে বা মন খারাপ করছে ? কোনো বিষয় অর্ধের বলছে, বাকিটা বলছে না- এমন মনে হলে আচরণ দেখুন। এরপর গুণগত সময়ের বা কোয়ালিটি টাইমের মধ্য দিয়ে তার কাছে বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চান।

সমাধান

  • শিশু ভুল কিছু করলেও অতিরিক্ত শাস্তি না দেওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। ভুল জীবনেরই অংশ। আপনিও তো কখনো কখনো এমনটা করেন, তাই না? আর বেশি বকা-ঝকা করলে হিতে বিপরীত হতে পারে।
  • র্ধৈযের সঙ্গে শিশুর সব অনুভূতি শুনুন। সে কেনো কাজটি করেছিল, কেন তার এমন অনুভূতি হচ্ছে- সেটি জেনে সেই অনুযায়ী সমাধানের পথ বের করুন।
  • প্রয়োজনে চাইল্ড কাউন্সেলরের পরামর্শ নিতে পারেন। পাশাপাশি স্কুল শিক্ষকদের সঙ্গেও কথা বলে সমস্যার সমাধান করা যেতে পারে। সর্বোপরি শিশুটিকে বোঝান আপনি তার পাশে রয়েছেন এবং সে যেকোনো কিছু নির্দ্বিধায় আপনাকে বলতে পারে।

সারাদিন ইতিবাচক থাকার ৫ কৌশল

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

প্রতি মুহূর্তের প্রতিযোগিতার এই যুগে ইতিবাচক বা পজিটিভ মনোভাবের থাকা বেশ কঠিন। উদ্বেগ, অস্থিরতা ও হতাশার নাগপাশ যেন জাপটে রাখে আমাদের। তবে এসব থেকে বের হতে এবং নিজের কর্মক্ষমতা বাড়াতে ইতিবাচক থাকাটা বেশ জরুরি। কিছু কাজ রয়েছে যেগুলো সারাদিন ইতিবাচক রেখে মনোবল বাড়াতে সাহায্য করবে আপনার।

গভীরভাবে শ্বাস নিন
নিজের ইতিবাচকতা বাড়াতে শ্বাসের দিকে খেয়াল রাখুন। ছোট শ্বাস নিলে মস্তিষ্কে ভালোভাবে অক্সিজেন পৌঁছায় না। এতে ভাবনাগুলো ধোঁয়াশা হয়ে যায়। তাই গভীরভাবে শ্বাস নেওয়ার অভ্যাস জরুরি।

গভীরভাবে দম নেওয়ার অভ্যাসকে ইংরেজিতে ‘ডিপ ব্রেথ’ বলে। এতে মস্তিষ্কে অক্সিজেন ভালোভাবে পৌঁছে, উদ্বেগ কমে। ঘুম ভাঙার পর থেকে শুরু করে সারাদিন অন্তত চার থেকে পাঁচবার এভাবে শ্বাস নিন।

কৃতজ্ঞ থাকুন
হয়তো এই মুহূর্তে আপনি কোনো কিছু না পাওয়ার জন্য বা কাজ না হওয়ার জন্য নিজেকে শূন্য মনে করছেন। তবে একটু খেয়াল করে দেখবেন, জীবনে এমন অনেক জিনিসই পেয়েছেন যার জন্য প্রকৃতির কাছে শুকরিয়া আদায় করতে পারেন।

সকালে ঘুম থেকে ওঠে আপনার যা রয়েছে তার জন্য সৃষ্টিকর্তার কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করুন। কৃতজ্ঞবোধের এই অভ্যাস মনকে শান্ত করবে। এতে জীবনে ইতিবাচকতাও বাড়াবে।

ইতিবাচক কথা বলুন
ঘুম থেকে ওঠার পর পর অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সময় কাটানো শুরু করে। এটি না করে ঘুম থেকে ওঠে নিজের সঙ্গে ইতিবাচক কথা বলুন। যেমন : ‘আমি জীবনে সফল হয়েছি’, ‘আমি অনেক ধনী’, ‘আমার সব কাজ ঠিকমতো হয়ে যাচ্ছে’ ইত্যাদি। অর্থাৎ যা আপনি জীবনে চান, সেগুলো বলতে থাকুন। এগুলো আপনার অবচেতন মনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। সারাদিন কয়েকবার কথাগুলো বলার অভ্যাস করুন।

নিজের অনুভূতি সম্পর্কে পরিষ্কার হন
জীবনে ইতিবাচক থাকতে হলে নিজের অনুভূতি সম্পর্কে পরিষ্কার হওয়া জরুরি। প্রতি দুই ঘণ্টা পর পর নিজেকে দেখুন। আপনি কেমন অনুভব করছেন, বোঝার চেষ্টা করুন। আপনি কি রাগান্বিত, বিরক্ত কিংবা উদ্বিগ্ন ? এমনটা হলে সেই অনুযায়ী ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করুন।

সারাদিন ভালো যা হয়েছে তার তালিকা
ঘুমের আগে সারাদিন ভালো যেসব বিষয় ঘটেছে, তার একটি তালিকা তৈরি করতে পারেন। এগুলো আপনার মনকে স্বস্তি দেবে এবং পরবর্তী দিনের জন্য ইতিবাচক মানুষ হিসেবে তৈরি হবেন আপনি।

সূত্র : গুনঞ্জান শটস

গরম পানিতে এক চামচ ঘি, কী হয় খেলে ?

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

ঘি স্বাস্থ্যের জন্য ভালো- এ কথা স্বীকার করেছে প্রাচীন আয়ুর্বেদ থেকে শুরু করে আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান। এর মধ্যে রয়েছে উচ্চ পরিমাণ অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, ভিটামিন ও স্বাস্থ্যকর চর্বি।

তবে জানেন কি, ঘি পানিতে মিশিয়ে সকাল বেলা খালি পেটে খেলে আরো উপকার পাওয়া যায় ? এটি বিপাক যেমন ভালো করে, তেমনি সারাদিন কাজের শক্তিও বাড়ায়। এ ছাড়া ঘি-পানির রয়েছে আরো গুণ।

স্মৃতি শক্তি বাড়ায়
আয়ুর্বেদ অনুসারে, গরম পানিতে এক চামচ ঘি মিশিয়ে খেলে মস্তিষ্কের নার্ভের কার্যক্ষমতা বাড়ে; স্মৃতিশক্তি বাড়তে সহায়তা হয়। ঘি উদ্বেগ ও মস্তিষ্কের অন্যান্য সমস্যা কমাতেও উপকারী।

কোষ্ঠকাঠিন্য কমে
কোষ্ঠকাঠিন্য বর্তমানের খুব প্রচলিত সমস্যা। সকালে ঘি-পানি খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য অনেকটাই কমে। ঘিয়ের মধ্যে রয়েছে লুব্রিক এসিড। এটি বিপাক ভালো করতে সাহায্য করে। এতে মল ত্যাগ সহজে হয়।

ত্বক ভালো থাকে
ঘি ত্বক ভালো রাখতে উপকারী। এর মধ্যে থাকা এসেনসিয়াল ফ্যাটি এসিড ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ত্বকে সুরক্ষিত রাখে। এ ছাড়া ঘিয়ের মধ্যে থাকা উপাদান ময়েশ্চারাইজারের কাজ করে এবং জেল্লা বাড়ায়।

টিস্যু গঠনে উপকারী
আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে বিশ্বাস করা হয়, এই খাবারটি আমাদের দেহের টিস্যু গঠনে খুব উপকারী। তাই খাদ্যতালিকায় যুক্ত করতে পারেন ঘি-পানি।

কীভাবে তৈরি করবেন ঘি-পানি ?
২০০ মিলি লিটার কুসুম গরম পানি নিন। এর মধ্যে এক চা চামচ ঘি দিন। সকালে খালি পেটে এই পানি পান করুন। তবে যেকোনো খাবার নিয়মিত খাওয়ার আগে আপনার পুষ্টিবিদ ও চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া

শিশুকে শেখানো জরুরি ৫ বিষয়

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

শিশুরা একইসঙ্গে শেখা ও বড় হওয়ার প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যায়। চারপাশের পরিবেশের সঙ্গে তাল মেলাতে কিছু বিষয় তাদের জীবনের শুরুতেই শেখানো জরুরি। এতে তারা শক্তিশালী, আত্মনির্ভরশীল ও দয়ালু হয়ে ওঠে। জীবনগঠনে শিশুদের শেখানো জরুরি ৫ বিষয়ের কথা জানিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া।

আদবকেতা বা ম্যানারস জরুরি বিষয়

জীবনে চলার পথে আদবকেতা জানা ও পালন করাটা জরুরি। ‘প্লিজ’, ‘থ্যাংক ইউ’, ‘ওয়েলকাম’ ইত্যাদি আদবকেতামূলক শব্দ শিশুর যোগাযোগ দক্ষতাকে বাড়াতে সাহায্য করে। তাই একদম ছোটবেলা থেকেই শিশুকে এগুলো শেখাতে হবে।

সবাই তোমাকে পছন্দ করবে না

শিশুকে ছোটবেলা থেকেই বোঝান, ‘তুমি যত ভালোই করো না কেন, সবাই তোমাকে পছন্দ করবে না।’ মানুষ অন্যের সম্পর্কে মন্তব্য করে নিজের জ্ঞান, সিমাবদ্ধতা ও দৃষ্টিভঙ্গী থেকে। তাই সবাই ‘ভালো’ বলবে এই আশা করো না।

অভিযোগ শুধু সময়ই নষ্ট করে

অনেকেই সমাধানের পথ না খুঁজে কেবল অভিযোগ করতে থাকে। আর এই অভ্যাসটি মানুষ সাধারণত ছোটবেলা থেকেই শেখে। তাই খেয়াল করুন শিশু যেন অভিযোগপ্রবণ না হয়ে ওঠে। সে কােনো অভিযোগ নিয়ে আসলে, শুরুতেই আপনি সমাধান না করে তাকে করতে দিন। এতে শিশুর যোগাযোগ দক্ষতা বাড়বে।

জীবনের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা

কৃতজ্ঞতাবোধ মানুষকে সুখি করে। নিজের যা রয়েছে, যতটুকুই রয়েছে তাতে কৃতজ্ঞ থাকতে শেখান। তাকে বোঝান- পরিশ্রম ও মেধা দিয়ে আরো কিছু হয়তো অর্জন করা যাবে। তবে এই মুহূর্তে যা রয়েছে তাতে যেন সে আনন্দে থাকে। এই অভ্যাস মানসিক প্রশান্তি বাড়াবে।

অকৃতকার্য হওয়া মানে সব শেষ নয়

ইংরেজিতে একটি প্রবাদ রয়েছে। ফেইলিউর ইজ দ্যা পিলার অব সাকসেস। অর্থাৎ একবার অকৃতকার্য হলেই সব শেষ হয়ে যায় না। এটি সফল হওয়ার পথে একটি ধাপ মাত্র।

শিশুটি কিছু শিখতে গেলে, লেখা-পড়া করতে গেলে অকৃতকার্য হতেই পারে। এতে ভেঙে না পড়ে, সে যেন আরো শক্তিশালী ও প্রস্তত হয়ে পরীক্ষার মাঠে নামে, সেটি তাকে শেখানো জরুরি।

- Advertisement -
সাতকাহন
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.