Tuesday, May 26, 2026
spot_img
Home Blog Page 19

‘রঙ বাংলাদেশ’-এর রবীন্দ্রজয়ন্তীর শ্রদ্ধা নিবেদন

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

রবীন্দ্রনাথ বাঙালির গৌরবের ধন। আমাদের সংস্কৃতির মহাকাশ। প্রতিটি বাঙালির জীবনযাপনে কিংবা চিন্তার অবিরাম চর্চায় রবীন্দ্রনাথ থাকেন অপরিসীম অনুপ্রেরণা হয়ে।

বাঙালির ভাষা, শিক্ষা, গল্প, গান, কবিতা, চিত্রশিল্পসহ সামগ্রিক সংস্কৃতিকে তিনি তার নানান কর্মের মধ্য দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন আমাদের। রবীন্দ্রনাথকে মুছে দিলে যেন বাঙালির সংস্কৃতিই মুছে যেতে চায়। রঙ বাংলাদেশ যেইভাবে বাংলা সংস্কৃতিকে বুকে ধারণ করে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এগিয়ে যেতে চায়, সেখানে রবীন্দ্রনাথ বড় অণুপ্রেরণা ও আবেগের নাম।

আর এই কারণেই বিশ্বকবির জন্মদিন মানে রঙ বাংলাদেশের কাছে বিশেষ এক অনুভূতি দিন এবং প্রতিষ্ঠানটি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করে এই অনুভূতি বাংলাদেশসহ সকল বাংলা ভাষাভাষী মানুষের।

ছবি: রঙ বাংলাদেশ
ছবি: রঙ বাংলাদেশ

আর তাই এই বৈশাখে, রবীন্দ্রনাথের ১৬৪তম জন্মদিনে প্রাণের কবিকে শ্রদ্ধা জানিয়ে রঙ বাংলাদেশ তাদের পোশাকের ডিজাইনে নিয়ে এসেছে কবির স্বাক্ষর, তার মুখাবয়ব ও কবির রচিত গানের বাণী। এগুলোকে ব্যবহার করে নানান রঙের শাড়ি, টি সার্ট, পাঞ্জাবিসহ বিভিন্ন পণ্য তৈরি করেছে তারা। রবীন্দ্র অনুরাগীদের জন্য এটি দারুণ এক ব্যাপার! আগ্রহীরা কবির জন্মদিনের আগেই ঘুরে দেখে আসতে পারেন দেশের প্রশংসিত ফ্যাশন হাউস রঙ বাংলাদেশ -এর আউটলেট।

ঢাকা ও ঢাকার বাইরের সকল আউটলেটেই পাওয়া যাবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মজয়ন্তী আয়োজনের পোশাক। রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তী আয়োজনকে ঘিরে যেকোনো অনুষ্ঠান বা আয়োজনের জন্য সবাই মিলে একই রকম পোশাক পরতে পাইকারি দামেও পাওয়া যাবে রঙ বাংলাদেশের পোশাক। কর্পোরেট প্রোগ্রাম বা যেকোনো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সব ধরনের আয়োজনেই রঙ বাংলাদেশের পোশাক ক্রেতাকে করবে আকর্ষণীয়। ঘরে বসে কেনাকাটার জন্য রয়েছে ই-কমার্স সাইট www.rang-bd.com এবং ফেসবুক পেজ www.facebook.com/rangbangladesh. যেকোনো প্রয়োজনে ফোন / হোয়াটসঅ্যাপে রয়েছে সাহায্যকারী 01777744344 এবং 01799998877 নম্বরে।

‘কে ক্র্যাফট’- এর বৈশাখী আয়োজন

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

সকল প্রাণে নব আনন্দের বার্তা নিয়ে আবার আসছে পহেলা বৈশাখ। বাঙালির এ সার্বজনীন আনন্দ উৎসব নববর্ষ বরণের নানা আয়োজন চলে দেশে এবং দেশের বাইরে। তাই বর্ষবরণের এ উৎসবকে সামনে রেখে কে ক্র্যাফট হাজির হয়েছে নতুন সংগ্রহ নিয়ে।

নানা মোটিফের অণুপ্রেরণায় আধুনিকতার সমন্বয়ে দেশীয় ঐতিহ্যকে নান্দনিকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে নানা রকম পোশাকে।

লোকজ, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী মোটিফ, জামদানি, নকঁশিকাঁথা, ইক্কাত, ট্র্যাডিশনাল, মুঘল, আল্পনা, রিকশা আর্ট এমন নানা মোটিফ ফুটিয়ে তুলতে হাতের কাজ, এমব্রয়ডারি, কারচুপি, স্ক্রিন ও ব্লক প্রিন্ট, ডিজিটাল প্রিন্ট এবং টাই-ডাই মিডিয়ার ব্যবহার হয়েছে।

পরিবেশ ও আবহাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আরামের বিষয়টি মাথায় রেখে ফেব্রিক হিসেবে নেওয়া হয়েছে কটন, জ্যাকার্ড কটন, সুইস কটন, হ্যান্ডলুম কটন, লিনেন, জর্জেট, সিল্ক, জয়স্রী সিল্ক, হাফ সিল্ক, ও অরগাঞ্জা। লাল সাদার চিরচরিত সমন্বয়, সঙ্গে নানা রঙের ছোঁয়ায় পোশাকগুলো পেয়েছে বর্ণিল রূপ । আরামদায়ক, সময়োপযোগী ও উৎসবধর্মী কে ক্র্যাফটের বৈশাখী আয়োজনের পোশাকগুলো সকলের দৃষ্টি কাড়বে।

ছবি: কে ক্র্যাফট
ছবি: কে ক্র্যাফট

আয়োজনে রয়েছে নানা প্যাটার্নের সালোয়ার কামিজ, লং-কুর্তি, রেগুলার কুর্তি, টপস্, ডাবল লেয়ারড কুর্তি, টিউনিক,গাউন, টপস-স্কার্ট। ছেলেদের জন্য রয়েছে পছন্দের ব্র্যান্ড কে ক্র্যাফটের রেগুলার, কাট বেইজড ও ফিটেড পাঞ্জাবি। এ ছাড়াও পাওয়া যাবে ক্যাজুয়াল শার্ট, এথনিক শার্ট, ফতুয়া ও টি শার্ট।

ছবি: কে ক্র্যাফট
ছবি: কে ক্র্যাফট

মেয়ে শিশুদের জন্য উৎসব ভিত্তিক পোশাকে থাকছে- সালওয়ার কামিজ, ফ্রক, কুর্তি, টপস, লেহেঙ্গা সেট, টপস সেট, স্কার্ট। ছোট ছেলেদের জন্য নানা রঙের পাঞ্জাবি, হাফহাতা শার্ট, ফতুয়া ও টি শার্ট। প্যাটার্নে ভিন্নতা ও রঙে উৎসবের আমেজ বহন করবে। এ ছাড়াও ছোট মেয়েরা, বোন অথবা মায়ের সঙ্গে মিলিয়ে পরার জন্য সালওয়ার কামিজ, কুর্তি এবং বাবা ও ছেলের জন্য পাঞ্জাবি ও শার্ট থাকবে বরাবরের মতো। এ ছাড়া যুগলদের জন্য থাকবে বিশেষ পোশাক।

এবারের বৈশাখ আয়োজন কে ক্র্যাফটের ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, খুলনা, কুমিল্লার সকল শো-রুম ছাড়াও অনলাইন শপ kaykraft.com থেকে কিনতে পারেন সাশ্রয়ী মূল্যে। এ ছাড়াও ফেসবুক পেজ থেকেও অর্ডার করা যাবে।

ঈদের রেসিপি: দই বড়া

ঈদের খাবার মুখরোচক হবে এটাই তো চাওয়া। আর এই মুখরোচক খাবারের আয়োজনে বাড়তি স্বাদ যোগ করতে পারে টক-ঝাল স্বাদের দই বড়া। রেসিপি দিয়েছেন সংগীত শিল্পী সেতু খন্দকার।

উপাদান

  • ১ কাপ মাশকলাই ডাল
  • ২ চা চামচ ভাজা জিরা, ধনে ও শুকনা লংকা গুঁড়া
  • ১ চা চামচ গোল মরিচ
  • ২ কাপ টক দই
  • ১ থেকে ২ কাপ তেঁতুল চাটনি
  • ৪ চা চামচ ধনে পাতার চাটনি
  • লবণ স্বাদমতো
  • তেল পরিমাণ মতো
  • ১ থেকে ২ চা চামচ বিটনুন

যেভাবে তৈরি করবেন

আগের দিন রাতে ডাল ভিজিয়ে পরের দিন মিহি করে বেটে নিন। বাটা ডাল খুব ভালো করে ফেটিয়ে একটা মুখ ঢাকা পাত্রে ঘণ্টা দুয়েক রাখুন।

টকদই এর মধ্যে বিটনুন মিক্সিতে ভালো করে ফেটিয়ে নিন।

এবার কড়াইতে বেশি করে তেল গরম করে বাটা ডাল থেকে একটি একটি করে বড়া ভেজে তুলুন। হালকা করে ভাজা হবে। ভেজে তুলে নিয়ে পানিতে কিছুক্ষণ ডুবিয়ে রাখুন।

তারপর পানি থেকে বড়াগুলাে তুলে নিয়ে অন্য পাত্রে সাজিয়ে রাখুন। এর ওপর ফেটানো দই ছড়িয়ে দিন। দেখবেন যেন বড়াগুলি ডুবে যায়।

এবার ওর উপর তেঁতুলের চাটনি, ধনেপাতার চাটনি দিয়ে দই বড়া পরিবেশন করুন।

ছবি: সেতু খন্দকার
রেসিপি দিয়েছেন সংগীত শিল্পী সেতু খন্দকার।

ঈদের সাজ কেমন হবে?

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

সারা মাস রোজা রাখার পর ঈদের দিনটির জন্য অপেক্ষা করে সবাই। এই দিনটিতে নিজেকে ভিন্ন ও আকর্ষণীয় লুকে সাজতে সবারই পছন্দ। তবে যেহেতু গরম পরে গেছে তাই সাজটা এমন হওয়া চাই যেটিতে আপনাকে স্নিগ্ধও লাগবে আবার গরমেও স্বস্তি মিলবে।

‘ঈদের সময়টা যেহেতু গরম পড়বে, ঘামও হবে, তাই সাজের আগে ত্বককে প্রস্তুত করাটা জরুরি’, বলছিলেন ‘প্রিটি লেডি বাই সোনিয়া খান’- এর স্বত্বাধিকারী রূপ বিশেষজ্ঞ সোনিয়া খান। তিনি বলেন, ‘ত্বককে প্রস্তুত করতে মেকআপের আগে সিটিএমএল অর্থাৎ ক্লিনিং, টোনিং, ময়েশ্চারাইজিং করে নিন। পাশাপাশি ঠোঁটের যত্নে ব্যবহার করুন লিপবাম।’

মেকআপ দীর্ঘক্ষণ টিকিয়ে রাখতে ত্বকের ধরন অনুযায়ী প্রাইমার ব্যবহার করতে পারেন। তৈলাক্ত ত্বক হলে তেল নিয়ন্ত্রণ করবে এমন ধরনের বা ম্যাট প্রাইমার ব্যবহার করুন। আর শুষ্ক ত্বকে ওয়েল বেজ প্রাইমার ব্যবহার করা ভালো।

সাজ হালকার মধ্যে রাখতে চাইলে ত্বকের সঙ্গে মিলিয়ে সামান্য ফাউন্ডেশন বা বিবি ক্রিম ব্যবহার করা যেতে পারে জানিয়ে রূপ বিশেষজ্ঞ সোনিয়া খান বলেন, ‘এতে ত্বক প্রাকৃতিক ও স্বাস্থ্যকর দেখাবে। আই মেকআপের ক্ষেত্রে হালকা আইশ্যাডো, মাস্কারা ও কাজল ব্যবহার করতে পারেন। রাতের সাজে ভারি ফাউন্ডেশন ব্যবহার করা যায়। মোটা করে আইলাইনারও ব্যবহার করতে পারেন এই সময়ে।’

লিপস্টিকের ক্ষেত্রে দিনের বেলা নিউট্রাল বা মৃদু রঙের লিপস্টিক ব্যবহার করুন। রাতে ব্যবহার করতে পারেন খুব গাঢ় বা উজ্জ্বল লাল, গোলাপি বা পিচ রঙা লিপস্টিক- জানান সোনিয়া খান।

চুল খোলা রাখতে চাইলে ক্ষেত্রে সোজা বা হালকা কার্ল ভালো লাগে। আপনি চাইলে পনিটেল, বান বা প্লেইন ব্রেইড করতে পারেন। গর্জিয়াস লুক আনতে সামনের দিকের চুল আঁটসাঁটভাবে বেঁধে পেছনে খোঁপাও করা যায়।

ঈদ আসলে খুব বিশেষ একটি দিন। তাই সাজ নিয়ে খুব পরীক্ষা-নিরীক্ষা না করে যা আপনার ব্যক্তিত্বের সঙ্গে মানাবে এমন সাজ-পোশাকই নির্বাচন করা ভালো- এমনটাই পরামর্শ রূপ বিশেষজ্ঞ সোনিয়া খানের।

ঈদের রেসিপি: চিকেন চিজ রোল

ঈদের দিন ভারি খাবারের পাশাপাশি একটু ভিন্ন ধরনের স্ন্যাকস আইটেম হলে কেমন হয়? নিশ্চয়ই স্বাদে আসবে ভিন্ন আমেজ। আর সেই ক্ষেত্রে তৈরি করে নিতে পারেন মজাদার চিকেন চিজ রোল। রেসিপি দিয়েছেন সংগীত শিল্পী সেতু খন্দকার।

উপাদান

  • ২ কাপ ময়দা
  • ১ চা চামচ বেকিং পাউডার
  • ১ টা ডিম
  • ১ কাপ পরিমাণ চিকেন কিমা
  • পরিমাণ মতো সয়াবিন তেল
  • স্বাদমতো লবণ
  • ১ টেবিল চামচ গোল মরিচ গুঁড়া
  • ১ চা চামচ গরম মসলা গুঁড়া
  • ১ চা চামচ ভাজা জিরার গুঁড়া
  • ৩ টেবিল চামচ পেঁয়াজ বেরেস্তা
  • ২ টেবিল চামচ ধনেপাতা কুচি
  • ১ চা চামচ আদা বাটা
  • ১ চা চামচ রসুন বাটা
  • ১ থেকে ২ চা চামচ লাল মরিচের গুঁড়া
  • ২০০ গ্ৰাম ব্রেড ক্রামবস্
  • ১ কাপ গ্ৰেট করা মোজেরলা চিজ
  • ১ টেবিল চামচ সয়াসস

যেভাবে তৈরি করবেন

  •  সামান্য পানিতে তেল ও তিন টেবিল চামচ ময়দা গুলিয়ে নিতে হবে।
  • সব উপকরণ গুছিয়ে আগেই চিকেন কিমা রান্না করে ফেলুন। চিকেন কিমার জন্য একটি প্যানে পরিমাণ মতো তেল গরম করে তাতে পেঁয়াজ কুচি ভেজে চিকেন কিমা ঢালুন। এরপর সয়াসস ও সব রকমের মসলা দিয়ে চিকেন কিমা নেড়েচেড়ে ভালো করে ভেজে নিন। চিকেন কিমা থেকে পানি উঠে আসলে সেটা শুকিয়ে নিতে হবে। কিমা রান্না হয়ে গেলে নামিয়ে ঠান্ডা করুন।
  • এবার মোজেরলা চিজ গ্ৰেটার দিয়ে গ্ৰেট করে নিন।
  • এখন রোলের সিট তৈরি করার জন্য ডো তৈরি করুন। এই জন্য ময়দা, বেকিং পাউডার, সামান্য লবণ মিশিয়ে নিয়ে চেলে নিন এবং সয়াবিন তেল পরিমাণমতো দিয়ে ময়ান করুন। সঠিকমাপে ডো বানান। ডো থেকে পাতলা ছোট ছোট রুটি বেলে নিন।
  • এবার চিকেনের পুরের সঙ্গে গ্ৰেট করা চিজ মিশিয়ে নিতে হবে। এরপর ছোট ছোট রুটি গুলোর মধ্যে চিজি চিকেন পুর পরিমাণ মতো দিয়ে রোল গুলো প্যাচিয়ে নিন। পানি দিয়ে গুলানো ময়দা দিয়ে রোলের মুখ বন্ধ করুন। এভাবে প্রত্যকটা রোল তৈরি করে নিন।
  • এখন ফেটানো ডিমের মিশ্রণে রোলগুলো ডুবিয়ে ব্রেড ক্রামবসে্ গড়িয়ে ডুবো তেলে ভেজে নিন। সবশেষে টমেটো সসের সঙ্গে পরিবেশন করুন গরম গরম চিকেন চিজ রোল।
ছবি: সেতু খন্দকার
রেসিপি দিয়েছেন সংগীত শিল্পী সেতু খন্দকার।

বাংলাদেশের বিউটি সেক্টরে উজ্জ্বল নাম সোনিয়া খান

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

ঢাকা শহরের অভিজাত এলাকা গুলশানের নিকেতনে ব্লক সি, ৬ নম্বর রোডের, ৪৩ নম্বর বাড়ির সামনে থামতেই চোখে পড়বে ‘প্রিটি লেডি বাই সোনিয়া খান’- এর সাইনবোর্ড।

বিউটি স্যালন ‘প্রিটি লেডি বাই সোনিয়া খান’- এর স্বত্তাধিকারী সোনিয়া খান বাংলাদেশের বিউটি ইন্ডাসট্রির একটি অন্যতম নাম। তিনি রূপ বিশেষজ্ঞ, প্রশিক্ষক ও উদ্যোক্তা হিসেবে কাজ করছেন প্রায় চার থেকে পাঁচ বছর ধরে।

বিউটি স্যালন ‘প্রিটি লেডি বাই সোনিয়া খান’- এর যাত্রা শুরু হয় ২০০৮ সালে। প্রথমে ছোট পরিসরে থাকলেও ২০২৩ সালে নিকেতনে বড় করে এর আউটলেট শুরু হয়। ‘প্রিটি লেডি বাই সোনিয়া খান’- এ মেকওভারের পাশাপাশি স্কিন কেয়ার, হেয়ার রিবন্ডিং, হেয়ার কালার, মেনিকিউর, পেডিকিউর সহ সব ধরনের বিউটি সার্ভিসগুলো একজন ক্লাইন্ট পেয়ে যাবেন। পাশাপাশি নেইল ও আইল্যাশ এক্সটেনশনের কাজগুলোও করা হয় এখানে। সোনিয়া খান জানান, ‘গতাণুগতিকের বাইরে একটু ভিন্ন রকম ও দৃষ্টিনন্দন লুক বা মেকআপের মাধ্যমে ক্লাইন্টদের সন্তুষ্ট করাই প্রতিষ্ঠানটি লক্ষ্য’।

রূপ বিশেষজ্ঞ সোনিয়া খান দেশ ও বিদেশ মিলিয়ে মেকআপের ওপর প্রায় ৮৫টির উপরে কোর্স করেছেন। বাংলাদেশে আফরোজা পারভীন, কামরুল, বিউটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র উজ্জ্বলায় কোর্স করেছেন। আর আন্তর্জাতিকভাবে জর্জিকট, নাইম খান, মিশেলি পালমা, রাফায়েল অলিভার প্রমুখের কাছ থেকে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন।

রূপ বিশেষজ্ঞ সোনিয়া খান। ছবি: সংগৃহীত
রূপ বিশেষজ্ঞ সোনিয়া খান। ছবি: সংগৃহীত

উদ্যোক্তা হিসেবে পথ চলাটা শুরুতেই এতো মসৃণ ছিল না এই রূপ বিশেষজ্ঞের। শুরুতে পারিবারিক বাঁধাও পেয়েছেন অনেক। তবে কাজটির প্রতি ভীষণ আগ্রহ ও ভালোবাসা তাকে এগিয়ে যেতে সহযোগিতা করেছে। সোনিয়া খান বলেন, ‘আমরা যখন কাজ শুরু করি, ২০০৮ এর দিকে, বিউটি সেক্টরকে খুব নিচু চোখে দেখা হতো। কষ্ট লাগতো এতো সুন্দর একটি কাজকে হীনভাবে দেখা হয়। এখন আলহামদুলিল্লাহ্ অনেকেই এই ইন্ডাট্রিতে কাজ করতে এসেছে। তবে আন্তর্জাতিকভাবে বিউটি সেক্টর যে সম্মানটুকু পায়, আমাদের দেশে এর এখনো অনেক ঘাটতি রয়েছে। আর এটি এমন একটি সেক্টর একজন মেয়ে সৎভাবে কাজ করলে খুব সুন্দরভাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে। পুরুষশাষিত সমাজে অনেক নারীই স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে না, তবে এটি এমন একটি সেক্টর যেখানে একজন নারীর তার স্বাধীনতা নিয়ে কাজ করা সম্ভব।

সোনিয়া খান বিউটি প্রশিক্ষক হিসেবেও কাজ করছেন দীর্ঘদিন ধরে। গত তিন বছর ধরে বিউটি আর্টিস্ট প্রশিক্ষণ কেন্দ্র উজ্জ্বলায় প্রশিক্ষণ দিয়ে যাচ্ছেন। পাশাপাশি ব্যক্তিগত পর্যায়েও কাজটি করছেন। তাঁর কাছে শিখে অনেক নারীই বিউটি আর্টিস্ট হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত ও স্বাবলম্বী করেছে।

কেবল রূপ বিশেষজ্ঞ ও প্রশিক্ষকই নন, ক্রাফটিং, অর্নামেন্টস তৈরি, ফ্লাওয়ার মেকিং ইত্যাদি সৃষ্টিশীল কাজের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন সোনিয়া খান। ভবিষ্যতে এসব নিয়ে একটি সৃজনশীল স্কুল তৈরির ইচ্ছা রয়েছে তাঁর। পাশাপাশি একটি জিমও শুরু করতে চান তিনি। সোনিয়া খান বলেন, ‘কাজকে আমি ভালোবাসি। কাজ নিয়েই বেঁচে থাকি। ভবিষ্যতে আমি নিজেকে মেকআপ আর্টিস্ট, বিউটি এক্সপার্ট ও ট্রেইনার হিসেবেই দেখতে চাই এবং নিজের কাজ দিয়ে সবার মনে জায়গা করে নিতে চাই।বাংলাদেশ আমাকে আমার কাজের মাধ্যমে এক নামে চিনবে এটাই স্বপ্ন।’

‘বিউটি আর্টিস্ট পেশাকে অনেকে তুচ্ছ করে দেখে’

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

‘বিউটি আর্টিস্ট হওয়া বা বিউটি স্যালন তৈরি করাকে অনেকে খুব হীন দৃষ্টিতে দেখে। তাদের কাছে একে খুব তুচ্ছ পেশা মনে হয়। তবে আমি আমার বিউটি স্যালন দিয়ে নিজের পরিবারের খরচ চালাচ্ছি, পাশাপাশি আরো পাঁচটি মেয়ের সংসারের খরচ উঠে আসে এই প্রতিষ্ঠান থেকে,’ বলছিলেন চট্টগ্রামের মেয়ে সিমলা পাল।

সিমলা ২০১৭ সালে ‘উজ্জ্বলা’-তে বিউটি আর্টিস্ট হওয়ার জন্য প্রশিক্ষণ নেন। ছোটবেলা থেকে সাজতে পছন্দ করা এই মেয়েটি, এক সময় নিজেই ভাবলেন অন্যদের সাজাবেন। নিজেকে এই পেশায় দক্ষ করে তুলে সুনাম অর্জন করবেন। সিমলা বলেন, ‘এই পেশার কথা শুনলে মানুষ যখন খুব ছোট করে দেখতো, তখন বেশ রাগ হতো। মনে হতো, তাদের একদিন দেখিয়ে দেবো। আলহামদুলিল্লাহ্, আমি পারছি। আমি মনে করি এটি এমন একটি পেশা, যার মাধ্যমে একজন মেয়ে খুব চমৎকারভাবে উদ্দ্যোক্তা হয়ে উঠতে পারে এবং আরো কয়েকটি মানুষকে চাকরি দিয়ে তাদেরও সহযোগিতা করতে পারে। বর্তমানে পার্লারের পাশাপাশি আমার একটি বুটিকসও রয়েছে।’

সিমলা উজ্জ্বলার কথা জানতে পারেন ফেসবুক পেইজের মাধ্যমে। তিনি বলেন, উজ্জ্বলা আমাকে বিউটিফিকেশন জীবনে সফলতা আনতে শতভাগ সাহায্য করেছে। এ জন্য আমি তাদের কাছে কৃতজ্ঞ। এমনও হয়েছে আমি একটি কোর্স দুই বারও করেছি। আমার অনেক ভালো লাগতো। আর উজ্জ্বলার সহ প্রতিষ্ঠাতা ও বিউটি আর্টিস্ট আফরোজা পারভীন আপা এমনভাবে প্রেরণা দিয়েছেন, মনে হয়েছে সব বাধা উপেক্ষা করে আমিও এগিয়ে যেতে পারবো। উনি আমার আইডল।’

সিমলা স্বপ্ন দেখেন, তার ক্ষুদ্র উদ্যোগ আগামীতে আরো সফলতার মুখ দেখবে এবং তার মাধ্যমে আরো নারীর কর্মসংস্থান হবে। সিমলা বলছিলেন, ‘নিজের চেষ্টায় জীবনটাকে অনেক দূর এগিয়ে নিতে চাই। আমার মনে হয়, একটি মেয়ের অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হওয়াটা খুব জরুরি। স্বনির্ভরতার এক অন্যরকম শক্তি থাকে।’

বি : দ্র : বাংলাদেশের বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিং ইন্ডাস্ট্রিতে উদ্যোক্তা তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে উজ্জ্বলা লিমিটেড। উজ্জ্বলায় প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এবং সংগ্রাম করে সাফল্য অর্জন করেছেন, এমন কয়েকজন নারী ও পুরুষের সাক্ষাৎকার নিয়ে সাতকাহনের ধারাবাহিক পর্ব চলছে। এই পর্বটি ছিল ৯৬তম। উজ্জ্বলা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন :

https://www.facebook.com/UjjwalaBD

https://www.instagram.com/UjjwalaBD/

ফোন : ০১৩২৪৭৩৪১৫৭

ঈদের রেসিপি: নবাবি সেমাই

সেমাই ছাড়া ঈদ যেন অপূর্ণ। ঈদের দিন অনেক খাবারের আয়োজনের মধ্যে ছটপট তৈরি করে নিতে পারেন নবাবি সেমাই। রেসিপি দিয়েছেন সংগীত শিল্পী সেতু খন্দকার।

উপাদান

৪০০ গ্রাম লাচ্ছা সেমাই
২ টেবিল চামচ ঘি
৪ টেবিল চামচ গুঁড়া দুধ
২ টেবিল চামচ কর্ন ফ্লাওয়ার
২ টেবিল চামচ কাস্টার্ড পাউডার
৩ থেকে ৪ কাপ ডানো ক্রিম
১ থেকে ২ কাপ কনডেন্স মিল্ক
১ লিটার তরল দুধ
১ থেকে ৪ চা চামচ এলাচ গুঁড়া
৪ টেবিল চামচ পেস্তা বাদাম কুচি

যেভাবে তৈরি করবেন

লাচ্ছা সেমাই ভেঙে ছোটো ছোটো করে নিতে হবে। একটি পাতিল মৃদু আঁচে চুলায় বসিয়ে ঘি গরম করে নিয়ে ভাঙা সেমাই দিয়ে দিতে হবে। গুঁড়া দুধ ৪ টেবিল চামচ ও চিনি আধা কাপ দিয়ে সময় নিয়ে অনবরত নেড়ে ভাজতে হবে। ভাজতে ভাজতে দেখবেন চিনি গলে গিয়ে সেমাইয়ের সঙ্গে মিশে গেছে। তখন সেমাই নামিয়ে নিতে হবে। মৃদু আঁচে মোটামুটি ১৫ মিনিট সময় লাগবে এই পর্যায়ে আসতে।

এবার একটি পাতিলে তরল দুধে ডানো ক্রিম, কাস্টার্ড পাউডার, কর্ন ফ্লাওয়ার, কনডেন্সড মিল্ক ও গুঁড়া দুধ দিয়ে ভালোভাবে মিশাতে হবে, যাতে কোনো চাকা না থাকে। এরপর চুলায় মাঝারি থেকে কম আঁচে অনবরত নেড়ে রান্না করতে হবে মিশ্রণটি ঘন হওয়া পর্যন্ত। ঘন হয়ে বড় বড় বলক আসলে নামিয়ে নিতে নিন।

এবার ২০০ গ্রাম ভেজে রাখা সেমাই সমানভাবে চেপে চেপে বিছিয়ে দিন। তারপর দুধের পুর গরম থাকা অবস্থায়ই ঢেলে দিন সেমাইয়ের লেয়ারের ওপর। দুধের পুরের ওপর বাকি সেমাইটুক বিছিয়ে দিন। সবশেষে পেস্তা বাদাম ছড়িয়ে দিয়ে তিন থেকে চার ঘণ্টা ফ্রিজে রাখুন। ফ্রিজ থেকে বের করে সার্ভ করুন ক্রিমি নবাবি সেমাই।

ছবি: সেতু খন্দকার
রেসিপি দিয়েছেন সংগীত শিল্পী সেতু খন্দকার

রোজায় আনারস খাওয়ার উপকার

নিশাত শারমিন নিশি

রোজায় সময় ইফতারে আনারস একটি চমৎকার খাবার। আনারস অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর। এতে রয়েছে ভিটামিন ‘বি’, ভিটামিন ‘সি’, আয়রন ও ডায়াটারি ফাইবার। এই ফলটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে উপকারী।

রোজার সময় পানি কম পানের কারণে অনেকেরই বিভিন্ন রকম অসুস্থতা দেখা দেয়। এর মধ্যে কোষ্ঠকাঠিন্য অন্যতম। এটি দূর করতে আনারস খাওয়া যেতে পারে। ইফতারের সময় আনারসের স্লাইস বা জুস খেতে পারেন।

তবে এটি খেলে অনেকেরই এসিডিটির সমস্যা হতে পারে। তাই হালকা কিছু খেয়ে আনারস গ্রহণ করা ভালো। আর যাদের কিডনি জনিত সমস্যা রয়েছে, তারা এই খাবারটি খেতে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন।

লেখক: প্রধান পুষ্টিবিদ; পপুলার মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

- Advertisement -
সাতকাহন
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.