Tuesday, May 26, 2026
spot_img
Home Blog Page 18

ঈদুল আজহার নতুন কালেকশন নিয়ে ‘কে ক্র্যাফট’

0

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

পরিবার-পরিজন নিয়ে ঈদ উৎসবকে আরও প্রাণবন্ত করতে ট্রেডিশনাল লুকের নান্দনিক পোশাকের বিশেষ আয়োজন নিয়ে এসেছে ‘কে ক্র্যাফট’।

যেহেতু ঈদের প্রথম দিনটি অনেকের ব্যস্ততার মধ্যে কাটে তাই ঈদের সকাল, বিকেল ও সন্ধ্যায় কাঙ্ক্ষিত বা উপযোগী পোশাক নির্বাচনে ক্যাজুয়াল কিংবা এক্সক্লুসিভ সবই মিলবে এবারের আয়োজন থেকে।

এ ছাড়া ঈদের লম্বা ছুটিতে যেখানেই যান তার জন্য প্রয়োজন স্টাইলিশ কিন্তু রিলাক্সড পোশাক। ছোট-বড় সবার জন্যই আবহাওয়া ও পরিবেশের সঙ্গে মানানসই এমনি সব পোশাক থাকবে এবারের ঈদ আয়োজনে।

ঈদ আয়োজনের সালোয়ার কামিজ গুলোতে স্বস্তির জন্য যেমন ব্যবহার হয়েছে আরামদায়ক সুতি কাপড় তেমনি এক্সক্লুসিভ লুক পেতে সিল্ক, জর্জেট, অরগাঞ্জা কাপড়। এ ছাড়াও রয়েছে নানা প্যাটার্নের লং-কুর্তি, রেগুলার কুর্তি, টপস্, ডাবল লেয়ারড কুর্তি, টিউনিক, গাউন, প্যান্টসহ টপস, টপস-স্কার্ট সেট। শাড়িতে কালার কম্বিনেশন ও মোটিফ ফুটিয়ে তুলতে নানা মিডিয়ার ব্যবহার সকলের দৃষ্টি কাড়বে।

ঈদের মতো বড় উৎসবে পাঞ্জাবি পরা অনেকটা অলিখিত নিয়মে দাঁড়িয়েছে। তাই বরাবরের মতোই ছেলেদের জন্য রয়েছে পছন্দের ব্র্যান্ড কে ক্র্যাফটের রেগুলার, কাট বেইজড ও ফিটেড পাঞ্জাবি। এ ছাড়াও পাওয়া যাবে এথনিক শার্ট, ফতুয়া ও টি-শার্ট।

ঈদের আনন্দটা সবচেয়ে বেশি উপভোগ তো করবে শিশুরাই, তাই তাদের জন্য উৎসব ভিত্তিক পোশাকতো থাকবেই। শিশুদের পোশাকে প্যাটার্ন, ফ্যাব্রিক ও রঙের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মেয়ে শিশুদের জন্য থাকছে- সালওয়ার কামিজ সেট, টপস-স্কার্ট সেট, টপস-পালাজো সেট, ফ্রক, কুর্তি, টপ। ছেলে শিশুদের জন্য পাঞ্জাবি, শার্টি, টি-শার্ট ফতুয়া সহ নানা আয়োজন।

ফ্যামিলি পোশাক থাকবে বরাবরের মত। অর্থাৎ মা ও মেয়ের মিলিয়ে পরার মতো সালওয়ার কামিজ, কুর্তি; বাবা ও ছেলের জন্য পাঞ্জাবি।

কাঁথা স্টিচ, ফ্লোরাল, জিওমেট্রিক, মুঘল, ট্রাইবাল, জামদানি, ইক্কত ও মিক্সড মোটিফের অনুপ্রেরণায় এবারের বিভিন্ন সিরিজের পোশাক। এ ছাড়া আরও নানা মোটিফ ফুটিয়ে তুলতে হাতের কাজ, এমব্রয়ডারি, কারচুপি, স্ক্রিন ও ব্লক প্রিন্ট, সিকুইন ওয়ার্ক, ডিজিটাল প্রিন্ট এবং টাই-ডাই মিডিয়ার ব্যবহার হয়েছে।

পরিবেশ ও আবহাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আরামদায়ক বিষয়টি মাথায় রেখে নেওয়া হয়েছে কটন, জ্যাকার্ড কটন, সুইস কটন, হ্যান্ডলুম কটন, জর্জেট, সিল্ক, জয়স্রী সিল্ক, হাফ সিল্ক ও অরগাঞ্জা কাপড়।

রঙ হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে মেরুন, রিগ্যাল পার্পল, গ্রে, কপার, ক্রিমসন রেড, জাভা গ্রিন, মেটালিক গ্রিন, ব্ল্যাক, টারকুইস, নেভি, অরেঞ্জ, পিচ, স্যালমন পিঙ্ক, ভায়োলেট, ল্যাভেন্ডার, বার্গান্ডি, গোল্ডেন ব্রাউন, পার্ল হোয়াইট, ম্যাজেন্টা সহ নানান রঙ। আরামদায়ক, সময় উপযোগী ও উৎসবধর্মী এই আয়োজন সবার থেকে আপনাকে বিশেষ করে তুলবে।

কে ক্র্যাফটের ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, খুলনা, কুমিল্লার সকল শো-রুম ছাড়াও অনলাইন শপ kaykraft.com থেকে ঈদ আয়োজন এর পোশাক পাওয়া যাবে সাশ্রয়ী মূল্যে। এ ছাড়াও ফেসবুক পেজ থেকেও অর্ডার করা যাবে।

নজরুলের জন্মোৎসবে ‘রঙ বাংলাদেশ’

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

‘বল বীর, বল উন্নত মম শির’ – এই একটি লাইন দিয়েই যিনি প্রতিটি বাঙালির শিরে ঠাঁই করে নিয়েছেন, অধিকার করেছেন আমাদের মন ও মননকে, শাণিত করে চলেছেন বাঙালির চেতনাবোধ, তিনি কবি কাজী নজরুল ইসলাম।

নজরুল যেমন আমাদের বিদ্রোহে রয়েছেন, একই সঙ্গে রয়েছেন প্রেমের অনুভবেও। তার কবিতায় তিনি ঘোষণা করে গেছেন, ‘মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী, আর হাতে রণ তূর্য’। সুতরাং যতদিন বাঙালির বুকে প্রেম আর দ্রোহের অনুভব বিদ্যমান, ততদিন নজরুলকে আমরা উদযাপন করব আমাদের গৌরবে।

কবি কাজী নজরুলের জন্মোৎসবে সেই গৌরব উদযাপনের আকাঙ্ক্ষা নিয়েই দেশের শীর্ষস্থানীয় দেশীয় পোশাক প্রস্তুতকারী ব্র্যান্ড ‘রঙ বাংলাদেশ’ তাদের পোশাকে নজরুলের চেতনা সমৃদ্ধ কবিতার লাইন ব্যবহার করে কবিকে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করছে এবং আমাদেরও এই উদযাপনে সামিল হতে যেন উদ্বুদ্ধ করে তোলার আয়োজন সম্পন্ন করেছে।

সেই লক্ষ্যে রঙ বাংলাদেশের আউটলেটগুলোতে প্রবেশ করলেই পাওয়া যাবে কবির কবিতা সংবলিত টিশার্ট, শাড়ি ও পাঞ্জাবি। যারা নজরুল জন্মোৎসবের উদযাপন প্রিয় মানুষটিকে সঙ্গে নিয়ে উপভোগ করতে চান, তাদের জন্যে রয়েছে শাড়ি ও পাঞ্জাবির ম্যাচিং কাপল সেট।

বরাবরের মতোই রঙ বাংলাদেশ এবারও মনোযোগী ছিল সুতা, রঙ আর সেইলাইয়ের উন্নতমানটি ধরে রাখতে। ভুলে যায়নি আরাম ও স্বস্তির ব্যাপারটিও। আশা করি নজরুলকে নিয়ে পোশাকের এই সমাহার গ্রাহককে সন্তুষ্ট করে তুলতে সক্ষম হবে পুরোপুরি।

সুতরাং বাংলাদেশের জাতীয় কবির জন্মদিনটিকে যারা উদযাপন করতে আগ্রহী তারা ঘুরে আসতে পারেন দেশের প্রশংসিত ফ্যাশন ব্র্যান্ড রঙ বাংলাদেশ থেকে। ঢাকা ও ঢাকার বাইরের সকল আউটলেটেই পাওয়া যাবে কাজী নজরুল ইসলামের জন্মজয়ন্তী আয়োজনের পোশাক।

কর্পোরেট প্রোগ্রাম বা যেকোনো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সব ধরনের আয়োজনেই রঙ বাংলাদেশের পোশাক ক্রেতাকে করবে আকর্ষণীয়। ঘরে বসে কেনাকাটার জন্য রয়েছে ই-কমার্স সাইট www.rang-bd.com এবং ফেসবুক পেজ www.facebook.com/rangbangladesh. নজরুল জন্মজয়ন্তীর পোশাক অনলাইনে কেনাকাটায় পুরো মাস জুড়েই পাবেন ১০% মূল্যছাড়। যেকোনো প্রয়োজনে ফোন / হোয়াটসঅ্যাপে রয়েছে সাহায্যকারী 01777744344 এবং 01799998877 নম্বরে।

মা হতে হলে কি কেবল গর্ভেই ধরতে হবে?

সায়মা সাফীজ সুমী

আগামী ১১ মে ‘বিশ্ব মা’ দিবস। মা দিবসকে ঘিরে লিখেছেন মেডিটেশন ও ইয়োগা সেন্টার ‘প্রশান্তি’- এর প্রতিষ্ঠাতা সায়মা সাফীজ সুমী।

তিন সন্তানের জননি হয়েও যার তেমনভাবে গর্ভধারিণী হয়ে উঠা হয়নি, তার হাতেই হোক মা-কে ঘিরে লেখা। বেশ গোলমেলে ঠেকছে তাই তো? আসুন তা হলে জানি, ‘মা’ শব্দটি বা বিষয়টির ব্যপ্তি সম্পর্কে।

‘মা’ বিষয়টি কি কেবলই গর্ভধারণের ভেতরেই সীমাবদ্ধ? বিষয়টি মোটেও তা নয়। যেকোনো নারী ‘মা’ না হয়েও মাতৃত্ববোধে পরিপূর্ণ মানুষ হতে পারেন। আবার কোনো পুরুষের মাঝেও থাকতে পারে এই গুণ।

তবে এটি ঠিক আমাদের প্রত্যেকের বাইলোজিক্যাল একজন মা তো থাকেন। তা না হলে ধরাতলে আসা প্রায় অসম্ভব বলা চলে। তারপরও মাকে ঘিরে এই লেখায় নিজের অভিজ্ঞতার আলোকে বলতে চাই, যে কেউ যেকোনো সময় যে কাউকে মা বলে ডাকতে পারেন, যদি মানুষটিকে তার মাতৃত্ববোধে পূর্ণ মনে হয়।

মা হতে হলে কেবলই রক্তের সম্পর্ক বা খুব কাছের পরিচিত জনই হতে হবে বিষয়টি কিন্তু তেমন নয়। ব্যাপারটা হচ্ছে নিজের ভিতর থেকে এর জন্য প্রচণ্ড শ্রদ্ধা, ভক্তি বা ভালো লাগা থাকতে হবে। সঙ্গে একটা আত্মীক সংযোগবোধ করাও জরুরি। তাহলে আসলে বিষয়টি সঠিকভাবে প্রস্ফুটিত হয়।
আমাকে যারা ‘মা’ ডাকেন, তারা কেবল আমার চেয়ে বয়সে ছোট নয়। বরং আমার চাইতে অনেক বড় প্রায় ৮২ বছর বয়সের একজন রয়েছেন। এমনকি অনেকে অন্য দেশেরও। তারপরও আমাকে ‘মা’ ডাকেন।

এতো কিছু বলার আসলে একটাই কারণ মা হতে হলে, কেবল পেটে ধরতেই হবে বা নারী বা পুরুষই হতে হবে বিষয়টা কিন্তু এমন নয়। আসলে মানুষটির ভিতর মাতৃত্ববোধ বিষয়টি থাকতে হবে ভিতর থেকে।

বিজ্ঞানের অগ্রগতির কারণে এখন শারীরিক প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও বাবা-মা হওয়া সম্ভব সারোগেসির মাধ্যমে। এ ছাড়া বড় একটা মানবিক বিষয়ও রয়েছে যেমন দত্তক নেওয়া। এর মাধ্যমেও নিজের মাতৃত্বের মানবিক ইচ্ছেকে সার্থক করা সম্ভব।

এবারের মা দিবসকে সামনে রেখে, আমি আসলে প্রথাগতভাবে মা হওয়ার বাহিরেও যে মাতৃত্ব সম্ভব সেটাই বোঝাতে চেয়েছি। জগতের সকল মা ভালো থাকুক শারীরিক, মানসিক ও আত্মীকভাবে।

আর হ্যাঁ, যেকোনো মাকে সম্মান, শ্রদ্ধা করার ভেতরেই সার্থক হয়ে উঠবে এই বিশেষ দিন জগত জুড়ে।

লেখক: প্রতিষ্ঠাতা ‘প্রশান্তি’;
প্রশান্তি একটি মেডিটেশন ও ইয়োগা সেন্টার।

স্ক্যাবিস: এক অভিন্ন রোগের ভিন্ন অভিজ্ঞতা

ডা. তাওহীদা রহমান ইরিন

আজকের এই লেখায় আমি শেয়ার করতে চাই আমার একাডেমিক ও প্রফেশনাল জীবনের কিছু গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতা, যা কেন্দ্রীভূত একটি পরিচিত ত্বকের রোগ—স্ক্যাবিস—নিয়ে।

শুরুর দিকে, আমি যখন শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজে পোস্ট গ্রাজুয়েশন ট্রেনিং করছিলাম এবং ডার্মাটোলজি বহির্বিভাগে নিয়মিত রোগী দেখতাম, প্রতিদিন গড়ে ১৫০ জনের মতো রোগী দেখা হতো। সেখানে প্রায় ৭০ থেকে ৮০ জন রোগীর মধ্যে একটি প্রচলিত ত্বকের সমস্যা দেখা যেত—স্ক্যাবিস। এটি আমাদের দেশে এতটাই সাধারণ একটি রোগ যে চিকিৎসক হিসেবে আমরা প্রায় সবাই একে খুব ভালোভাবেই চিনি।

পরে, আমি পোস্ট গ্রাজুয়েশনের জন্য থাইল্যান্ডে গেলে, এক বিস্ময়কর অভিজ্ঞতা হয়। পুরো ট্রেনিং পিরিয়ডে মাত্র একবার একটি স্ক্যাবিস কেস এসেছিল। আমাদের ডিপার্টমেন্টের হেড তখন বললেন, ‌‌’এটি একটি খুবই বিরল স্কিন কেস।’ আমরা সবাই উৎসাহ নিয়ে সেই কেস দেখতে ছুটে যাই।

মাইক্রোস্কোপিক পরীক্ষার মাধ্যমে জীবাণুটি—Sarcoptes scabiei—চিহ্নিত করা হয়। এতদিন যে স্ক্যাবিস আমরা নিয়মিত রোগী হিসেবে দেখে এসেছি, এবার সেই একই জীবাণুকে চোখের সামনে মাইক্রোস্কোপে দেখতে পারা ছিল সত্যিই এক ভিন্ন অভিজ্ঞতা।

এরপর আফ্রিকায় আমার অ্যাটাচমেন্ট ট্রেনিংয়ের সময়, আমি প্রথমবারের মতো দেখলাম নরওয়েজিয়ান স্ক্যাবিস। এটি মূলত, HIV পজিটিভ বা ইমিউনোকম্প্রোমাইজড রোগীদের মাঝে দেখা যায়। সাধারণ স্ক্যাবিসের তুলনায় এটি অনেক বেশি ভয়াবহ। এর উপসর্গগুলো হয় অত্যন্ত ক্রাস্টেড ও বিস্তৃত।

একই রোগ—স্ক্যাবিস—তবে ভিন্ন ভিন্ন দেশে, ভিন্ন ভিন্ন পরিবেশে, ভিন্ন ভিন্ন উপস্থাপনায় দেখা পেয়েছি। আজকের এই লেখার মাধ্যমে সেই অভিজ্ঞতাগুলোই আপনাদের সঙ্গে ভাগ করে নিলাম। স্ক্যাবিস বা চুলকানি রোগটির সঙ্গে আমরা সবাই কম-বেশি পরিচিত। এটি এখন এত বেশি বেড়েছে যে, তা আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

একে বাংলায় পাঁচড়া বলা হয়। খুব সহজেই স্কিনের এই রোগটি সারকোপটিস স্ক্যাবি নামক মাইট দ্বারা সংক্রমিত হতে পারে।
ক্ষুদ্র পরজীবী জীবাণুটি ত্বকের অগভীরে ডিম পাড়ে এবং বারোজ তৈরি করে। জীবাণু দ্বারা আক্রমণের দুই থেকে ছয় সপ্তাহের মধ্যে উপসর্গ দেখা দেয়। যেমন: চাকা, তীব্র চুলকানি, যা বিকেলের দিকে শুরু হয় এবং রাতে আরও তীব্র আকার ধারণ করে এবং অসহনীয় পর্যায়ে চলে যায়।

এই ছোট চাকাগুলো শরীরের নির্দিষ্ট কিছু স্থান যেমন- কবজি, নাভি, যৌনাঙ্গ, আঙুলের ফাঁকে দেখা দিতে পারে। স্ক্যাবিস শিশু, কিশোর, বৃদ্ধ, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবারই হতে পারে। তৃতীয় বিশ্বের অনুন্নত দেশে এর প্রকোপ বেশি। কারণ, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও অপরিচ্ছন্নতার কারণে এই রোগগুলো বেশি হয়ে থাকে। আক্রান্ত ব্যক্তির তোয়ালে, বালিশ ও বিছানার চাদর দ্বারা এই রোগটি সংক্রমিত হয় বলে ঘনবসতিপূর্ণ আবাসিক মেছগুলোতে রোগটির প্রাদুর্ভাব বেশি।

চিকিৎসা বিজ্ঞানে স্ক্যাবিস প্রতিরোধে পারমেথ্রিন ও বেনজাইল বেনজোয়েটের ভূমিকা অতুলনীয়। এগুলো লোশন ও ক্রিম হিসেবে পাওয়া যায়। এটি পা থেকে গলা পর্যন্ত মেখে আট থেকে ১০ ঘণ্টা রাখতে হয়। তাই চিকিৎসকরা রাতে শোবার আগে এ ওষুধগুলো ব্যবহার করতে বলে থাকেন। সালফার মলম, লিনডেন লোশন ব্যবহার করা হয়। এ ধরনের টপিক্যাল ক্রিম/লোশন যখন অকার্যকর হয়ে পরে তখন ওরাল আইভারমেকটিন দেওয়া হয় এবং সেই সঙ্গে গোসলে পারমেথ্রিন সোপ ব্যবহার করতে বলা হয়।

আর বিরক্তিকর উপসর্গের হাত থেকে রক্ষার জন্য অ্যান্টি-হিস্টামিন জাতীয় ওষুধ খাওয়া যেতে পারে। তবে ইনফ্যাকটেড স্ক্যাবিসের ক্ষেত্রে অ্যান্টি-বায়োটিক সেবন করার প্রয়োজন দেখা দেয়।

সম্পূর্ণরূপে স্ক্যাবিস নিরাময় করতে হলে পরিবেশগত ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। যেমন:

১. ডিকন্টামিনেশন (পরিষ্করণ)
আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত পোশাক, বিছানার চাদর সবকিছু গরম পানি দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে এবং ভালোভাবে রোদে শুকাতে হবে। বিকল্পভাবে এগুলো ড্রাই ক্লিন করতে হবে অথবা কমপক্ষে ৭২ ঘণ্টা একটি সিল করা প্লাস্টিক ব্যাগে রাখতে হবে, যেন মাইট মারা যায়।

২. একযোগে চিকিৎসা
পরিবারের সকল সদস্য ও ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শে থাকা ব্যক্তিদের একই সময়ে চিকিৎসা নিতে হবে, তাদের মধ্যে উপসর্গ থাকুক বা না থাকুক। পুণরায় সংক্রমণ প্রতিরোধে এটি করতে হবে।

৩. সচেতনতা বৃদ্ধি
জনগণের মধ্যে স্ক্যাবিস কীভাবে ছড়ায়, এর লক্ষণসমূহ এবং চিকিৎসার গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য শিক্ষা কার্যক্রম চালু করতে হবে।

প্রতি বছর বিশ্বের জনসংখ্যার এক থেকে ১০ ভাগ লোক স্ক্যাবিসে আক্রান্ত হয়। এ রোগের উপসর্গ দেখা মাত্রই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে সহজেই স্ক্যাবিস বা চুলকানি থেকে মুক্ত থাকতে পারেন।

বন্ধুত্ব কি তৈরি হচ্ছে কেবল লাভ-ক্ষতি দেখে?

রুবাইয়া বিধু

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আমাদের সমাজে একটি বিষয়ের ব্যাপক পরিবর্তন লক্ষণীয়। সেটি হলো, বন্ধুত্বের সংজ্ঞা। বিশেষ করে ফেসবুকের মতো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের আগ্রাসনে ‘ফ্রেন্ড’ বা ‘বন্ধুত্ব’ শব্দটি আজ যেন শুধুই একটি সংখ্যা, একটি অনলাইন তালিকার উপাদান।

আয়ের মাধ্যম বা ইনকাম জেনারেট করার প্রবণতা, জনপ্রিয়তা বাড়ানোর উদ্দেশ্য, কিংবা কন্টেন্ট ছড়ানোর নামে বন্ধুত্ব আজ এক ধরনের ব্যবসায়িক সম্পর্ক হয়ে উঠছে। এতে প্রকৃত বন্ধুত্বের যে আন্তরিকতা, গভীরতা ও দায়িত্ববোধ—তা হারিয়ে যাচ্ছে।

একসময় বন্ধুত্ব গড়ে উঠত আত্মিক মিলের ভিত্তিতে। চিন্তাধারায় মিল, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, মানসিক সামঞ্জস্য—এসবই ছিল বন্ধুত্বের ভিত্তি। আজ তা ভেঙে পড়েছে। বর্তমানে দেখা যাচ্ছে, cognitive height (মানসিক উচ্চতা বা চিন্তাশক্তির গভীরতা) এবং social height (সামাজিক মর্যাদা বা অবস্থান) না মেলাতেও কেবল বাহ্যিক আকর্ষণ, উপকার বা প্রদর্শনের জন্য সম্পর্ক গড়ে উঠছে। এতে এসব সম্পর্ক হয় স্বল্পস্থায়ী, ঠুনকো, এবং মাঝেমধ্যেই বিশ্বাসঘাতকতায় পরিণত।

এই ভঙ্গুর সম্পর্কগুলো সামাজিক অবক্ষয়েরও কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। মানুষ এখন সম্পর্ককে দৃষ্টিভঙ্গির জায়গা থেকে নয়, বরং লাভ-ক্ষতির হিসাবে দেখে। যেসব বন্ধুত্ব চিন্তার জায়গা থেকে তৈরি হয় না, সেসব সম্পর্ক একসময় বিভ্রান্তি, মনোমালিন্য এমনকি বিশ্বাসহীনতার জন্ম দেয়। সমাজে তখন ব্যক্তির প্রতি ব্যক্তির আস্থা কমে যায়, ভ্রাতৃত্বের বোধ দুর্বল হয়ে পড়ে।

বন্ধুত্ব এমন এক সম্পর্ক—যেখানে কেউ কারো জীবনের কঠিন সময়ে পাশে দাঁড়ায়, এমনকি সম্পত্তির দায়িত্ব গ্রহণেরও যোগ্য হয়ে ওঠে। কিন্তু আজকাল সেই বন্ধুর সংজ্ঞা ফেসবুকের স্ক্রিনে একগুচ্ছ নামের ভেতর আটকে গেছে।

এই অবস্থার পরিবর্তন দরকার। প্রয়োজন, বন্ধুত্ব গড়ার আগে চিন্তা-ভাবনায় মিল খোঁজার। কারো সঙ্গে সামাজিক অবস্থান মিলে বা লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা থাকলেই সে বন্ধু—এই মনোভাব থেকে আমাদের বের হয়ে আসতে হবে। সমাজের ভারসাম্য রক্ষায়, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ফিরিয়ে আনতে চাই মানসিক উচ্চতা ভিত্তিক বন্ধুত্ব, বাহ্যিক প্রভাব নয়।

লেখক : কলামিস্ট

টেনিস এলবো: কী, হলে করণীয়?

ডা. দবির হোসেন

টেনিস এলবো একটি প্রচলিত কনুইয়ের ব্যথার নাম। টেনিস এলবো (Tennis Elbow) হলো একটি সাধারণ অস্থি-সন্ধির সমস্যা, যাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় Lateral Epicondylitis ( ল্যাটারাল ইপিকন্ডিলাইটিস) বলা হয়।

এটি সাধারণত কনুইয়ের বাইরের অংশে ব্যথা ও অস্বস্তির সৃষ্টি করে। এটি প্রধাণত কবজি ও বাহু অতিরিক্ত ব্যবহারে বা চাপের কারণে হয়।

কারণ

যদিও নাম শুনে মনে হতে পারে এটি শুধু টেনিস খেলোয়াড়দের হয়, বাস্তবে এই সমস্যা যেকোনো পেশার মানুষের হতে পারে। বিশেষ করে যারা দীর্ঘক্ষণ একই ধরনের হাতের কাজ করেন। যেমন:

  • টাইপিস্ট
  • কাঠমিস্ত্রি
  • রান্নার কাজ
  • চিত্রশিল্পী
  • দর্জি বা সেলাই মেশিন অপারেটর

অতিরিক্ত ব্যবহারজনিত কারণে কনুইয়ের বাইরের দিকে যেসব মাংসপেশি যুক্ত থাকে, সেগুলোর সংযোগস্থলে ছোট ছোট ছিঁড়ে যাওয়া ও প্রদাহ তৈরি হয়। এতে সৃষ্টি হয় ব্যথা ও দুর্বলতা।

লক্ষণ

  • কনুইয়ের বাইরের দিকে তীক্ষ্ণ বা গভীর ব্যথা
  • হাতে কিছু ধরলে ব্যথা বাড়ে
  • হাতের শক্তি কমে যাওয়া
  • কফি কাপ, কলম বা ব্যাগ ধরলেও ব্যথা অনুভব হওয়া

চিকিৎসা ও প্রতিকার

টেনিস এলবো সাধারণত বিশ্রাম ও ব্যায়ামের মাধ্যমে ধীরে ধীরে সেরে যায়। তবে দীর্ঘমেয়াদি হলে চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজন। সাধারণ চিকিৎসার ধাপগুলো হলো:

১. বিশ্রাম ও বরফ সেঁক

প্রথমদিকে আক্রান্ত হাতকে বিশ্রামে রাখা উচিত। ১৫ থেকে ২০ মিনিট করে দিনে তিনবার বরফ সেঁক দিলে উপকার পাওয়া যায়।

২. ফিজিওথেরাপি (একজন ফিজিওথেরাপি চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী)

  • স্ট্রেচিং ও শক্তিবর্ধক ব্যায়াম, (ফিজিওথেরাপি চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী)
  • হালকা ম্যাসাজ/ডিটিএফএম (ডিপ ট্রান্সভার্স ফ্রিকশন ম্যাসাজ)
  • আল্ট্রাসাউন্ড বা TENS থেরাপি

৩. ওষুধ ও ব্যথানাশক

প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যথানাশক বা অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ওষুধ খাওয়া যায়।

৪. ব্রেস বা স্ট্র্যাপ

বিশেষ ধরনের টেনিস এলবো স্ট্র্যাপ বা ব্রেস ব্যবহার করলে ব্যথা কমে।

৫. ইনজেকশন বা সার্জারি (প্রয়োজনে)

উপরের কোনো পদ্ধতি কাজ না করলে, চিকিৎসক স্টেরয়েড ইনজেকশন বা রেয়ার কেসে সার্জারির পরামর্শ দিতে পারেন।

প্রতিরোধ

  • একই কাজ বারবার না করা
  • কাজের মাঝে বিরতি নেওয়া
  • সঠিক ভঙ্গিমায় কাজ করা
  • হাত ও কবজির ব্যায়াম করা

টেনিস এলবো একটি বিরক্তিকর কিন্তু নিরাময়যোগ্য সমস্যা। সঠিক সময়ে চিকিৎসা গ্রহণ এবং নিয়মিত ব্যায়ামের মাধ্যমে এ রোগ পুরোপুরি ভালো হয়ে যেতে পারে।

লেখক : জুনিয়র কনসালটেন্ট, পেইন ম্যানেজমেন্ট রিজুভা ওয়েলনেস

K Craft’s New Collection of Formal Wear

Shatkahon24.com desk

K Craft is excited to introduce its latest collection of formal workwear, designed to keep you stylish and comfortable throughout your workday. When selecting office-appropriate clothing, it’s essential to balance comfort, style, and the environment. This new collection not only caters to all weather conditions but also reflects good taste and professionalism, helping you maintain confidence in any meeting or presentation.

Men’s Formal Wear
For men, K Craft offers a wide range of formal shirts in elegant colors and patterns, including stripes and checks. These versatile shirts can be paired with formal pants or chinos, available in both dark and light shades, even extending to stylish denim for a modern twist.

Women’s Ethnic Wear
The collection also embraces ethnic-inspired formal wear for women. Options include trendy kurtis, elegant salwar kameez, and classic sarees that are perfect for the workplace. The designs incorporate exquisite embellishments, screen printing, and subtle hand embroidery, striking a balance between classic aesthetics and formal work attire. This ensures that women of all ages can find suitable and fashionable options for their daily office wear.

Shop with Us
To explore the complete collection, visit any K Craft showroom or place your orders through our online shop at www.kaykraft.com.

Your support is greatly appreciated as we strive to enhance your workwear wardrobe!

হেড-নেক ক্যানসার: সচেতন হোন এখনই

ডা. মিরাজ আহমেদ

হেড নেক ক্যানসার সচেতনতার মাস এপ্রিল। আজ শেষ দিন। কিছু কথা হোক।

আমাদের দেহে যত ক্যানসার হয়, তার আট শতাংশ হতে দেখা যায় মাথা ও ঘাড়ের অংশে। তবে এই হার আমাদের দেশে অনেক। শতকরা ৩০ ভাগ। গলা, নাক, সাইনাস ও মুখের ভিতরে বা আশেপাশে এই ক্যানসারের উদ্ভব হয়।

কারণ

  • তামাক
  • পান সুপারি
  • অ্যালকোহল
  • হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস
  • শিল্প কারখানার কেমিক্যাল
  • অতিরিক্ত লবণ দেওয়া মাছ
  • রেডিয়েশন

লক্ষণ

  • মুখ ও মুখগহ্বরে সাদা বা লাল দাগ অথবা দীর্ঘস্থায়ী ঘা
  • খেতে অসুবিধা
  • গলার স্বরের স্থায়ী পরিবর্তন
  • নাক দিয়ে রক্ত আসা
  • শ্বাস নিতে অসুবিধা
  • গলার উপরিভাগে গোটা
  • গলায় কাঁটা কাঁটা অনুভূতি

রোগ নির্ণয়

  • ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা
  • এন্ডোস্কোপির সাহায্যে পরীক্ষা
  • বায়োপসি
  • আলট্রা সনোগ্রাম
  • সি.টি স্ক্যান বা এম. আর.আই
  • পি.ই.টি – সি.টি
  • টিউমার মার্কার

চিকিৎসা

এই ক্যানসারের চিকিৎসার জন্য মাল্টি ডিসিপ্লিনারি টিমের মাধ্যমে সঠিক ও সর্বোত্তম পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়।
বাংলাদেশেও রয়েছে এই উদ্যোগ। টিমে অংশ নেন :

  • হেড নেক সার্জন
  • ক্যানসার বিশেষজ্ঞ
  • প্লাস্টিক সার্জন
  • রেডিওলজিস্ট
  • ফিজিওথেরাপিস্ট
  • ক্যানসার প্রশিক্ষিত নার্স
  • প্যাথলজিস্ট
  • স্পিচ -ল্যাঙ্গুয়েজ প্যাথলজিস্ট
  • অডিওলজিস্ট
  • মনোবিজ্ঞানী
  • সমাজকর্মী
  • পুষ্টিবিদ

চিকিৎসার বিভিন্ন পদ্ধতি

  • সার্জারি
  • রেডিওথেরাপি
  • কেমোথেরাপি
  • ইমিউনোথেরাপি
  • রেডিও আয়োডিন থেরাপি
  • টার্গেটেড থেরাপি

প্রতিরোধের উপায়

  • তামাক ও অ্যালকোহল বর্জন করা।
  • মুখ ও মুখগহ্বরে দীর্ঘস্থায়ী ঘায়ের গুরুত্ব সহকারে চিকিৎসা নেওয়া।
  • মুখ ও মুখগহ্বরের স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলা।
  • চৌদ্দ দিনের বেশি কণ্ঠস্বরের পরিবর্তনে ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়া।
  • ভাইরাস বিরোধী টিকা নেওয়া।
  • শিল্প কারখানায় ফেসমাস্ক ব্যবহার করা।
  • পরিমাণমতো আয়োডিনযুক্ত খাবার খাওয়া।
  • সুষম খাদ্য গ্রহণ করা।

এ ছাড়া দেশে বিদ্যমান চিকিৎসা সুবিধাগুলো সম্পর্কে জানতে ও জানাতে হবে। সঠিক সময়ে চিকিৎসা নেওয়া জরুরি। এ বিষয়ে অন্যকেও উৎসাহিত করতে হবে। রেডিওথেরাপি যন্ত্রপাতি আরো সহজলভ্য করার দাবি তোলা জরুরি। আরো বেশি সংখ্যক শতভাগ নিবেদিত চিকিৎসক জনবল গড়ে তুলতে হবে। পাশাপাশি সকল ক্ষেত্রে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়াও জরুরি।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক (ইএনটি)
জাতীয় নাক কান গলা ইন্সটিটিউট

মানসিক স্বাস্থ্য ও সৌন্দর্য

‘কে ক্র্যাফট’-এ ফরমাল পোশাকের নতুন কালেকশন

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

কে ক্র্যাফট নিয়ে এসেছে ওয়ার্কওয়্যার বা অফিস উপযোগী পোশাকের নতুন কালেকশন। অফিস, মিটিং কিংবা প্রেজেন্টেশনে গ্রহণযোগ্য লুক পেতে ফরমাল পোশাক নির্বাচনে আরামে থাকা আর পরিবেশকে মাথায় রাখতে হয়।

এ ছাড়া আবহাওয়া উপযোগী হওয়ার পাশাপাশি ভালো রুচিরও পরিচয় দিতে হবে। অফিসে দিনভর আরামে থাকা যাবে এমন পোশাকই হওয়া চাই, যা আপনার আত্মবিশ্বাসকেও বাড়িয়ে তুলবে। প্রিমিয়াম ফ্যাব্রিকে তৈরি কে ক্র্যাফটের ফরমাল নতুন কালেকশন থেকে মিলবে আপনার সেই কাঙ্ক্ষিত পোশাক।

নতুন ওয়ার্কওয়্যার কালেকশনে প্রত্যেকের জন্যই রয়েছে ফরমাল পোশাক। ছেলেদের জন্য স্ট্রাইপ, চেক ছাড়াও রয়েছে বিভিন্ন মার্জিত রঙের ও শেডের ফর্মাল শার্ট এবং এই ডিজাইনগুলো গাঢ় ও হালকা উভয় শেডের ফরমাল প্যান্ট বা চিনোসের সঙ্গে এমনকি ডেনিমের সঙ্গেও মিলিয়ে পরা যাবে।

ছেলেদের পাশাপাশি মেয়েদের জন্যেও রয়েছে এথনিক ডিজাইনের ফরমাল পোশাক। এ ছাড়াও রয়েছে অন্যান্য বিকল্প পোশাক। মেয়েদের জন্য ট্রেন্ডি কুর্তি, সালোয়ার কামিজ ও শাড়ি থেকে বেছে নিতে পারেন আপনার ওয়ার্ক প্লেসের জন্য উপযোগী পোশাক। সকল বয়সের মেয়েরাই তাদের দৈনন্দিন অফিসের জন্য উপযোগী পোশাক পাবেন এই নতুন কালেকশন থেকে।

আপনার পছন্দের ওয়ার্কওয়্যার কে ক্র্যাফটের সকল শো-রুম ছাড়াও অনলাইন শপ www.kaykraft.com থেকে অর্ডার করা যাবে।

- Advertisement -
সাতকাহন
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.