Friday, May 29, 2026
spot_img
Home Blog Page 89

রোজায় পানিশূন্যতা প্রতিরোধে

ডা. হুমায়ুন কবীর হিমু

রোজার সময় আমাদের খাবারের সময়সূচিতে পরিবর্তন আসে। টানা ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা না খেয়ে থাকতে হয়। এ পরিবর্তনকে মেনে নিতে গিয়ে দেহে কিছু সমস্যা দেখা দেয়। এর মধ্যে পানিশূন্যতা অন্যতম। তবে কিছু বিষয়ে সতর্ক থাকলে পানিশূন্যতা প্রতিরোধ করে সুস্থভাবে রোজা পালন সম্ভব।

আসলে টানা পানি পান না করায় প্রায় সব রোজাদারই পানিশূন্যতায় ভোগে। তবে বয়স্ক ও যারা ডাইইউরেটিকস, যেমন- ফ্রুসেমাইড, থায়াজাইড, স্পাইরোনোল্যাকটোন জাতীয় ওষুধ খায় তাদের এই সমস্যা বেশি হয়।

পানিশূন্যতা থেকে রক্ষা পেতে ইফতারের পর থেকে ঘুমানোর আগ পর্যন্ত স্বাভাবিক তাপমাত্রার প্রচুর পানি পান করুন। ফ্রিজের খুব ঠান্ডা পানি পান না করাই ভালো। ইফতারে রাখুন বিভিন্ন ধরনের শরবত। সেই সঙ্গে শসা, ক্ষিরা, পাকা কলা ও অন্যান্য ফলমূল খেতে হবে এই সময়।

তবে পানিশূশ্যতার কারণে প্রচণ্ড মাথা ঘুরলে, দাঁড়িয়ে থাকতে না পারলে বা পারিপার্শ্বিক অবস্থা ভুলে যাওয়া শুরু করলে দ্রুত শরবত পান করুন। সেই সঙ্গে প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে থাকুন। আবার কেউ রোজা রেখে অচেতন হয়ে পড়লে তার মাথা নিচু করে পা উপরে তুলে ধরুন। এরপর জ্ঞান ফিরলে প্রচুর পানি পান করান। রোজার সময় পানিশূন্যতা খুব স্বাভাবিক সমস্যা। এই সমস্যা থেকে রেহাই পেতে সতর্কতার বিকল্প নেই।

লেখক
রেজিস্ট্রার, ইন্টারভেনশনাল নিউরোলজি বিভাগ
ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব নিউরোসাইন্স

ইফতার থেকে সেহরি : কেমন খাবার চাই?

ডা. হুমায়ুন কবীর হিমু

এই বছরের রোজার সময় একটু দীর্ঘ। তাই সারাদিনব্যাপী শরীরে শক্তি যোগান দেওয়ার জন্য চাই স্বাস্থ্যসম্মত খাবার। রোজার সময় কী ধরনের খাবার শরীরের জন্য উপকারী হবে জানানো হলো –

# কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার শরীরে অনেক সময় ধরে শক্তি যোগান দিতে পারে। তাই রোজার সময় এসব খাবার বেশি খাওয়া প্রয়োজন। গমের রুটি, বার্লি, ওটস, ময়দা, শস্যদানা, বাসমতি চালে কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট বেশি থাকে।

# আঁশ সমৃদ্ধ খাবার ধীরে ধীরে বিপাক হয়। তাই এরাও বেশিক্ষণ ধরে শক্তি জোগাতে পারে। আঁশ সমৃদ্ধ খাবার হলো শস্যদানা ও শস্যবীজ, শাকসবজি, ফলমূল, চামড়াসহ আলু ইত্যাদি। এগুলোও ইফতার ও সেহরিতে খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন।

# রমজানে ভাজা-পোড়া খাবার না হলে যেন অনেকের চলেই না। তবে এগুলো ভীষণ স্বাস্থ্যহানী ঘটায়। পাকোড়া, সমুচা, বেগুনি, পেঁয়াজু এগুলো বাদ দেওয়াই ভালো। এ ধরনের খাবারগুলো বুকজ্বলার অন্যতম কারণ।

# মিষ্টি, কেক, বিস্কুট, চকলেট, পেস্ট্রি, পরোটা ও অন্যান্য চর্বি ও তৈলাক্ত খাবার না খাওয়া উত্তম। বিভিন্ন ধরনের ফ্রাই খাওয়া বাদ দিন। ডিপ ফ্রিজে রাখা খাবার না খাওয়াই ভালো। তবে পুডিং, রসমালাই খেতে পারেন।

# চা, কফি ও ক্যাফেইনযুক্ত কোলা খাওয়া থেকে বিরত হোন। এগুলো শরীর থেকে পানি বের করে পানিস্বল্পতা করতে পারে। সেহরির খাবারের মাধ্যমে আমরা সারাদিনের শক্তি পাই। তাই এ খাবারটি হতে হবে পুষ্টিকর। এ সময় আঁশ ও কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ খাবার খাবেন বেশি করে।

# ইফতার হতে হবে হালকা। ইফতারি বলতে আমরা সচরাচার যা বোঝাই তা না খাওয়াই ভালো। খেঁজুর খুব দ্রুত এনার্জি জোগায়, তাই খেঁজুর খেতে পারেন বেশি করে। সারাদিনের পানির চাহিদা পূরণ করতে পানির পাশাপাশি ফলের জুস পান করুন বেশি করে। তবে সাবধান দোকানের জুস খাবেন না। এগুলো মিষ্টি ছাড়া আর কিছুই নয়। ইফতারির পর থেকে একটু একটু করে পানি প্রচুর পানি পান করতে থাকুন। এতে দেহে পানির ঘাটতি কমবে।

লেখক
রেজিস্ট্রার, ইন্টারভেনশনাল নিউরোলজি বিভাগ
ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব নিউরোসাইন্স

পানি পানে ত্বকে কী ঘটে ?

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান তারুণ্যদীপ্ত, সুস্থ-সুন্দর ত্বকের সহায়ক। এমন কথা প্রায়ই শুনবেন। অনেক সময় তো এমনও শুনবেন, প্রচুর পানি পান বলিরেখা কমায় এবং ত্বককে অকাল বার্ধক্য থেকে সুরক্ষা দেয়। প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ পানি পান আসলেই কি ত্বক ভালো রাখে? না কি এটি কেবলই একটি মিথ? আসুন জানি, ভেতরের রহস্য।

পানি সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যের জন্যই ভালো- এ কথা অনস্বীকার্য। চিকিৎসকরা একজন সুস্থ-সবল ব্যক্তিকে দৈনিক অন্তত ১০ থেকে ১২ গ্লাস পানি পানের পরামর্শ দেয়। পাশাপাশি ক্যাফেইন ও চিনি জাতীয় বেভারেজ গ্রহণের পরিমাণ কমাতে বলে। তবে পানি একজন স্বাস্থ্যবান মানুষের ত্বকের আর্দ্রতা বাড়ায় এবং চেহারার ওপর প্রভাব ফেলে, গবেষণায় এমন কোনো প্রমাণ নেই। অথবা বলা যায়, এমন গবেষণার অভাবও রয়েছে।

পানি পানে ত্বকে কী ঘটে ?
ঘটনাটি হলো, পানি পানের সময় এটি সরাসরি ত্বকে প্রবেশ করে না। এটি রক্তপ্রবাহের সময় শোষণের মাধ্যমে কোষকে আর্দ্র করে এবং কিডনি দিয়ে দেহের বিষাক্ত পদার্থগুলো ছেঁকে বের করে দেয়। তাহলে এক কথায় বলা যায়, পানি দেহের বিষাক্ত পদার্থ দূর করে এবং সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যকে আর্দ্র রাখে।
আর সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যকে যেহেতু ভালো রাখে, তাই এর প্রভাব ত্বকের ওপরও পড়ে। তবে পানি সরাসরি ত্বককে আর্দ্র রাখে, এ কথা শক্ত করে কোনো গবেষণায় পাওয়া যায় না।

অকাল বার্ধক্যের বেলায়
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ত্বকে কোলাজেন ও টান টান ভাব কমে আসে। ত্বক ঝুলে পড়ে, বলি রেখা দেখা যায়। তরুণ থাকলে ত্বক পুরো ও সামান্য তৈলাক্ত থাকে। তবে বয়স বাড়লে এটি পাতলা হয়। আর এই সম্পূর্ণ বিষয়টিতে পানির তেমন ভূমিকা নেই।

মানুষ খুব দ্রুত ত্বকের সৌন্দর্য বাড়াতে চায়। তবে বেশি পানি পান ত্বকে বলিরেখা পড়তে দেয় না বা বয়স বাড়ার প্রক্রিয়াকে ধীর করে বিষয়টি তেমন নয়। স্বাস্থ্য ভালো রাখতে পর্যাপ্ত পানি পানের গুরুত্ব অপরিসীম। আর আপনি স্বাস্থ্যবান থাকলে এমনিতেই ত্বকের মলিন বা ক্লান্তভাব কমে যাবে।

তাহলে কখন সাহায্য করে ?
পানি তখনই আসলে উপকার করে যখন আবহাওয়ার তাপমাত্রা বেশি থাকে এবং দেহে পানিশূন্যতার পরিমাণ বাড়ে। পানিশূন্যতা দেহের জন্য ক্ষতিকর। তাই তাপমাত্রা বাড়লে পর্যাপ্ত পানি পান জরুরি।

মোদ্দাকথা, পানি স্বাস্থ্যের জন্য ভালো সব চিকিৎসকই এ বিষয়ে একমত। তবে বলিরেখা না পড়া বা ত্বক চকচকে করার বিষয়গুলো সরাসরি কেবল পানি পানের ওপর নির্ভরশীল নয়। এগুলো নির্ভর করে ময়েশ্চারাইজ ব্যবহার ও দৈনন্দিন জীবনযাপনের উপর। ত্বক সুস্থ রাখার মূল শর্ত হলো, পানি পান, ধূমপান ও মদ্যপান এড়ানো, সানস্ক্রিন ব্যবহার, পুষ্টিকর খাবার খাওয়া, খাদ্যতালিকায় প্রচুর সবজি ফল ও স্বাস্থ্যকর চর্বি রাখা।

সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া

রোজার আগেই প্রস্তুত হোন

ডা. হুমায়ুন কবীর হিমু
শুরু হতে যাচ্ছে রমজান মাস। মুসলিমরা সুস্থ-অসুুস্থ সব অবস্থাতেই এই সময় রোজা ব্রত পালনে আপ্রাণ চেষ্টা করে। সুস্থ হলে তো রোজা রাখতে বাধা নেই, বরং গবেষণায় দেখা গেছে এতে শরীরের উপকার-ই হয়। আবার অসুস্থ থাকলেও যে রোজা পালন করতে পারবে না, তা নয়। তবে রোজা পালন করার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে নিতে হবে।

ডায়াবেটিসের রোগী
ডায়াবেটিসে আক্রান্তরা রোজা রাখতে পারবেন। তবে যদি ইনসুলিনই হয় একমাত্র চিকিৎসা, তবে না রাখাই ভালো।
এ ধরনের রোগীদের রোজা রাখলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে। ওষুধের মাত্রা কম লাগে। তাই বলে নিজে থেকে ওষুধ কমাবেন না। রোজা শুরুর আগেই আপনার চিকিৎসকের সঙ্গে দেখা করে ওষুধের মাত্রা ঠিক করে নিন।

পেপটিক আলসার
পেপটিক আলসারে আক্রান্তরা রোজা রাখতে পারবে কি না, তা নির্ভর করে রোগের অবস্থার উপর। সমস্যা বেশি হলে রোজা পালন না করাই শ্রেয়। তবে একেবারেই যে পালন করতেই পারবে না, তাও নয়। রোজা রেখে সঠিক খাদ্যাভ্যাস গ্রহণ করলে এবং পরিমিত খেলে, ভালো থাকা সম্ভব। এখানে একটি কথা না বললেই নয়, আমাদের দেশের প্রায় সবাই আলসরে আক্রান্ত। গ্যাস্ট্রিক নেই, এমন মানুষ হয়তো পাওয়া যাবে না। এটা কিন্তু ভুল। এটা আলসার নয়। খাদ্যাভাসের ত্রুটির জন্য পেটে কিছু সমস্যা দেখা দিতে পারে, তা আসলে আলসার নয়। এমন গ্যাস্ট্রিকে আক্রান্ত ব্যক্তিরা রোজা পালন করলে সুুস্থ থাকবেন। যাদের আলসার, মানে পেটে ঘা রয়েছে তারা রমজানের আগেই চিকিৎসকের সঙ্গে দেখা করে সিদ্ধান্ত নিন।

হৃদরোগ
হৃদরোগী ও উচ্চরক্তচাপে আক্রান্তরা রোজার মাধ্যমে বেশ উপকার পেতে পারে। রোজার মাধ্যমে ডায়াবেটিস ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ হওয়ার কারণে যারা হৃদরোগে অথবা উচ্চরক্তচাপে ভোগে তাদের জন্য রোজা অত্যন্ত উপকারী। এতে শরীরের, বিশেষ করে রক্তনালীর চর্বি কমে, রক্তনালীর এথেরোস্ক্লেরোসিস কমতে সাহায্য হয়; যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় ও উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। তারপরও রোজা শুরুর আগে চিকিৎসকের সঙ্গে দেখা করুন। কারণ, পানিশূন্যতা করে এমন ওষুধ থাকলে তা পরিবর্তন করতে পারে আপনার চিকিৎসক।

শ্বাসকষ্ট
শ্বাসকষ্ট বা অ্যাজমা রোগীদের রোজা রাখতে সমস্যা নেই। বরং এই রোগের প্রকোপ কমই থাকে। তবে শ্বাসকষ্ট যেন নিয়ন্ত্রণে থাকে, এই জন্য ওষুধ তো ব্যবহার করতে হবে। রাত্রে একবার বা দুইবার ওষুধ খেয়ে নিবেন। এতে দীর্ঘক্ষণ শ্বাসকষ্ট নিয়ন্ত্রণে থাকে। এ ধরনের ওষুধ বাজারে সহজেই পাওয়া যায়। চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে ব্যবস্থা নিন। দিনের বেলায় প্রয়োজন পরলে ইনহেলার জাতীয় ওষুধ ব্যবহার করা যায়, যা রোজার কোনো ক্ষতি করবে না।

কিডনির সমস্যায় আক্রান্ত রোগীরও রোজা রাখতে সমস্যা নেই। তবে কোনো সিদ্ধান্ত চিকিৎসক ছাড়া নয়।
অনেককেই নিয়মিত তিনবেলা ওষুধ সেবন করতে হয়। তাদের ক্ষেত্রে ডোজ পরিবর্তন করা আবশ্যক। এ কাজটি করতে সহায়তা করবে আপনার চিকিৎসক।

লেখক
রেজিস্ট্রার, ইন্টারভেনশনাল নিউরোলজি বিভাগ
ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব নিউরোসাইন্স

জয়সান ইয়োগা সেন্টারের ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

৬ষ্ঠ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করলো জয়সান ইয়োগা অ্যান্ড ওয়েলনেস সেন্টার। গত ১৩ মার্চ, ধানমন্ডি, ১৫ মার্চ, পান্থপথ ও ১৬ মার্চ, বনানী শাখাতে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

তিনটি শাখায় প্রায় ৬০ জন শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা তাদের যোগাভ্যাসের উপকারের কথা বর্ণনা করেন। তারা জানান, যোগাভ্যাসের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের শারীরিক ও মানসিক সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসা গেছে। যেমন : স্থূলতা, হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, ইনফার্টিলিটি, দুশ্চিন্তা, অনিদ্রা ইত্যাদি। এ ছাড়া একা কেমন করে ভালো থাকতে হয়, তাও খুব ভালো করে শিখে গেছেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জয়সান ইয়োগার ১১ জন যোগ শিক্ষক। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা কুশল রায় জয় ও সঞ্চিতা সরকার বাংলাদেশে যোগের মাধ্যমে সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করণ, যোগ শিক্ষার প্রসার এবং এর গবেষণা মূলক কাজ এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে ২০১৭ সালের ১৩ ই মার্চ এই সেন্টারটির যাত্রা শুরু করেন। বর্তমানে জয়সান ইয়োগায় যে সকল অল্টারনেটিভ স্বাস্থ্য বিষয়ক সেমিনার, কর্মশালা ও সার্টিফিকেট কোর্স শুরু হয়েছে তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- যোগ প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ কোর্স, আয়ুর্বেদিক নিউট্রিশন কোর্স, জ্যোতিষশাস্ত্র, বাস্তুশাস্ত্র বা ফেংসুই, আকুচিকিৎসা, পেন্ডুলাম, নাচ, গান, ছবি আকা, মার্শাল আর্ট ইত্যাদি।

জয়সান ইয়োগা বর্তমানে পাঁচটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে যুক্ত রয়েছে এবং ৬৯ টি দেশীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করেছে। জয়সান ইয়োগার প্রতিটি কোর্স আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত।

এফডিসিবি বাংলাদেশ ফ্যাশন ওইক ২০২৩-এর আলো ঝলমলে রাত

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

ফ্যাশন ডিজাইন কাউন্সিল অব বাংলাদেশ-এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এফডিসিবি বাংলাদেশ ফ্যাশন উইক ২০২৩। গতকাল, বৃহস্পতিবার, ১৬ মার্চ রাজধানীর আলোকি কমিউনিটি সেন্টারে এই ফ্যাশন উইকের উদ্বোধন হয়।

‘পোশাক এবং প্রকৃতি একই সুতোয় গাঁথা’- এই থিমে প্রকৃতির বহু বর্ণিল সম্ভারকে পোশাকের মাধ্যমে তুলে ধরেছেন ডিজাইনাররা। এফডিসিবির ১৮ জন সদস্য ডিজাইনার এবং ছয় জন ভারতীয় ডিজাইনার তাদের অনবদ্য সৃষ্টিকর্ম নিয়ে অংশ গ্রহণ করেন। পাশাপাশি কারিগরদের শত বছরের লব্ধ অভিজ্ঞতা এবং নৈপুণ্যের ইতিহাস সংরক্ষণের প্রচেষ্টা দেখা যায় ফ্যাশন শোতে। রিটেলার, বিলাসপণ্যের ভোক্তা এবং সরবরাহকারীরা একই প্ল্যাটফর্মে একত্রিত হয়েছে শোটির মাধ্যমে।

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ থেকে ফিচারিং ডিজাইনার হিসেবে ছিলেন- মাহিন খান, শৈবাল সাহা, চন্দনা দেওয়ান, কুহূ প্লামন্দন, ফাইজা আহমেদ, লিপি খন্দকার, শাহরুখ আমিন। আরো ছিলেন নওশীন খায়ের, তেনজিং চাকমা, রিফাত রহমান, আফসানা ফেরদৌসি, তাসফিয়া আহমেদ, রুখসানা এসরার, তানহা শেখ, সাদিয়া রুপা, ইমাম হাসান, কামরুল হাসান রিয়াদ এবং মাধুরী সঞ্চিতা।

ভারত থেকে ছিলেন, সৌমিত্র মণ্ডল, রিমি নায়াক, পারমিতা ব্যানার্জী, গুঞ্জন জৈন, ইবালারিহুন পিওরয় মাল্লাই ও লালথ্লেনমাওইয়া চেংকুওয়াল।

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

ফ্যাশন উইকের পাওয়ার পার্টনার হিসেবে রয়েছে, এপেক্স ফুটওয়ার লিমিটেড। কার পার্টনার হিসেবে রয়েছে, হুন্দাই বাংলাদেশ। ব্যাংকিং পার্টনার কমিউনিটি ব্যাংক। এ ছাড়াও দুদিনের এই ফ্যাশন যজ্ঞের সহযোগী হিসেবে রয়েছে বাই হেয়ার নাউ, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, স্ট্রেক্স, মায়া, উজ্জ্বলা কেয়ার ও ন্যাচুরা কেয়ার লিমিটেড। মেকওভার পার্টনার ফারজানা শাকিল’স মেকওভার স্যালন এবং রেড বাই আফরোজা পারভিন। অনুষ্ঠানটির আয়োজকের দায়িত্ব পালন করছে সেরা ডিজিটাল থ্রি-সিক্সটি। হোটেল দ্য ওয়ে ঢাকা রয়েছে আতিথেয়তা সহযোগী হিসেবে। ম্যাগাজিন পার্টনার হিসেবে রয়েছে আইস টুডে ম্যাগাজিন।

এফডিসিবি বাংলাদেশের লোকজ ঐতিহ্যকে পুনর্জীবিত করার লক্ষ্যে কাজ করছে। টেকসই ফ্যাশন এবং কারিগরদের শৈল্পিক চর্চাকে প্রসার করা তাদের উদ্দেশ্য। আজ, শুক্রবার, ১৭ মার্চ পর্দা নামবে ফ্যাশন উইকের।

মেঘদূত থেকে প্রকাশিত বইয়ের ‘বেস্ট সেলার’ সম্মাননা

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

অমর একুশে বইমেলা ২০২৩- এ মেঘদূত প্রকাশনা থেকে প্রকাশিত বইয়ের বেস্ট সেলার লেখকদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। গত ১৫ মার্চ, বিকেল সাড়ে পাঁচটায় রাজধানীর কাঁটাবন ক্যাফেতে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে তিনজন বেস্ট সেলার কবি নূরুল হক, কবি মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম চৌধুরী এবং কবি ও কথাসাহিত্যিক তাহেরা আখতার চৌধুরীকে সম্মাননা স্মারক দেওয়া হয়। কাব্যগ্রন্থ ‘প্রেমের পুষ্পাঞ্জলি’-এর জন্য কবি নুরুল হক, “তমা’র কবিতা”-এর জন্য কবি কামরুল ইসলাম চৌধুরী, ‘তোমার ছোঁয়ায়’-এর জন্য কবি তাহেরা আখতার চৌধুরী- এই সম্মাননা পান।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কবি ও প্রাবন্ধিক প্রফেসর শরীফা রাজিয়া, প্রফেসর আনসার আলী, কথাসাহিত্যিক প্রফেসর পারভীন সেলিনা আখতার, কবি আতিয়ার রহমান, কবি মাহবুবা হক, কবি নাজমূল মিন্টু, কবি দিল আফরোজ বিনতে আছির, শিশুসাহিত্যিক সুমন্ত রায়, কবি শামসুন্নাহার, কবি আয়েশা আখতার, কবি শহীদুল হক বাদল, সংস্কৃতিজন মো. মজিবর রহমান, কবি ও কথাসাহিত্যিক তাহেরা আফরোজ, কবি ও কথাসাহিত্যিক খান আফিফা লুনা, ভাষাবিদ চৌধুরী রাসেদুন্নবী প্রচ্ছদশিল্পী হোসেন মাহমুদ আরিফ সহ অনেকে।

তিনজন আমন্ত্রিত আবৃত্তি শিল্পী বেস্ট সেলার লেখকদের গ্রন্থ থেকে কবিতা আবৃত্তি করেন। সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী লুত্ফুন নাহার পাখি। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন শাশ্বতী মাথিন।

কে ক্র্যাফট- এর ঈদ আয়োজন

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

আসছে ঈদ-উল-ফিতরকে সামনে রেখে উৎসব ভিত্তিক স্বাচ্ছন্দের পোশাক নিয়ে হাজির হয়েছে দেশের অন্যতম প্রধান ফ্যাশন হাউস কে ক্র্যাফট। ইতােমধ্যে নানা রঙের ফেব্রিক ও স্টাইলিং-এর সমন্বয় সমৃদ্ধ করেছে কে ক্র্যাফটের এবারের ঈদ আয়োজন।

কে ক্র্যাফটের ডিজাইনার দল নানা মোটিফে ফুটিয়ে তুলেছে সময়োপযোগী ও আধুনিক পোশাক। মূল্যসীমা, মান ও ডিজাইনিং- এ আরামদায়ক ও মানানসই সব ঈদ আয়োজন
পাওয়া যাচ্ছে এখন কে ক্র্যাফটের সকল বিক্রয়কেন্দ্রে।

আয়োজনে রয়েছে ট্র্যাডিশনাল ক্ল্যাসিক, রেট্রো, ফিউশন, এ লাইন, আংরাখা, বক্স প্লিটেড সহ বৈচিত্রময় নানা প্যাটার্নের সালোয়ার কামিজ, ডাবল লেয়ারড সালোয়ার কামিজ, লং- কুর্তি, রেগুলার কুর্তি, টপস, ডাবল লেয়ারড কুর্তি, টিউনিক, শ্রাগ, কাফটান, প্যান্ট, টপস, টপস-স্কার্ট। এ ছাড়া ঈদকে সামনে রেখে শাড়ির বৈচিত্রপূর্ণ ডিজাইনের একটি বড় আয়োজন থাকছে।

ছেলেদের জন্য রয়েছে পছন্দের ব্র্যান্ড কে ক্র্যাফটের রেগুলার ও ফিটেড পাঞ্জাবি। এ ছাড়াও পাওয়া যাবে শেরওয়ানি, কটি, স্মার্ট ক্যাজুয়াল শার্ট, এথনিক শার্ট, ফতুয়া ও পলো শার্ট।

মেয়ে শিশুদের জন্য উৎসব ভিত্তিক পোশাকে থাকছে – সালওয়ার কামিজ, ফ্রক, কুর্তি, টপস,পাফি পার্টি ড্রেস, লেহেঙ্গা সেট। ছেলে শিশুদের জন্য পাঞ্জাবি, শার্ট, কটি, শেরওয়ানি সহ নানা আয়োজন। শিশুদের পোশাকে প্যাটার্ন, ফ্যাব্রিক এবং রঙের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

কে ক্র্যাফটের ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, খুলনা, কুমিল্লার সকল শো-রুম ছাড়াও অনলাইন শপ kaykraft.com থেকে ঈদ আয়োজন এর পোশাক কিনতে পারেন সাশ্রয়ী মূল্যে। এ ছাড়াও ফেসবুক পেজ থেকেও অর্ডার করা যাবে।

৬ মাসের পর শিশুকে যেভাবে শক্ত খাবার দেবেন

ডা. আবু সাঈদ শিমুল

শিশুকে বুকের দুধের পাশাপাশি কী খাওয়াবে, ভেবে পায় না অনেকেই। আবার কখন শক্ত খাবার শুরু করতে হবে, তা নিয়েও বিভ্রান্তির শেষ নেই।

ছয় মাস বয়স থেকে শক্ত খাবার শুরু করার কথা বলা হলেও অনেকেই মনে করে পাঁচ মাস শেষে বা ছয় মাস হলেই বুঝি শক্ত খাবার দিতে হবে। তা কিন্তু নয়। শিশু ছয় মাস শেষে সাত মাসে পড়লে তবেই শক্ত খাবার দিন।

প্রথম খাবার হিসেবে অনেকে চালের গুঁড়া বা সুজি খাওয়াতে চায়। এই দুটো মোটেও সুষম খাবার নয়। অনেকে আবার খিচুড়িকে বেছে নেয়। খিচুড়ি সুষম খাবার হলেও এতদিন শুধু দুধ খেয়েছে যে শিশু তার জন্য এর স্বাদ, গন্ধ, মসলা ও লবণ মোটেও কাক্ষ্মিত নয়।

খাবার খাওয়ানোর প্রথম ধাপে আপনার শিশুকে চামচ মুখে দেওয়ার অনুভূতির সঙ্গে পরিচিত করাতে হবে এবং একই সঙ্গে শক্ত খাবারের স্বাদ দিতে হবে। এই সময় এক চা চামচ পরিমাণ বুকের দুধের সঙ্গে নিন্মোক্ত খাবারগুলো মিশিয়ে খাওয়াতে পারেন। যেমন:
ক) তরল ভাত
খ) রান্না করা সবজি (চটকানো গাজর, পেঁপে,
মিষ্টি আলু )
গ) পাকা কলা খুব ভালো করে চটকে প্রয়োজনে ফুটিয়ে ঠান্ডা করে পানি মিশিয়ে তরলের মতো করে, এর থেকে এক চা চামচ পরিমাণ খাওয়ান। এভাবে দুই থেকে তিন দিন খাওয়াতে হবে।

এগুলো খাইয়ে এরপর শুধু নরম ভাত (বুকের দুধ ছাড়া) শুরু করুন। এরপর ধীরে ধীরে এর সঙ্গে ডাল মেশান। তারপর সবজি, ডিম, মাছ, মাংস ইত্যাদি তিন থেকে চার দিন পর পর একটি করে শুরু করুন। এভাবে ধীরে ধীরে একটি করে নতুন খাবার শুরু করলে ভিন্ন ভিন্ন স্বাদের খাবারের সঙ্গে শিশু যেমন পরিচিত হয়ে উঠবে, তেমনি কোনো খাবারে অ্যালার্জি হলে সেটি শনাক্ত করাও সম্ভব হবে।

অনেকেই মনে করে ডিম বা মাছ শিশুকে আরও পরে দিতে হবে। তবে আমেরিকান একাডেমি অব পেডিয়েট্রিক্স বলছে, সাত মাস থেকে শিশুকে সব খাবারই দেওয়া যাবে। তবে গরুর দুধ এক বছর পর দিতে হয়।

শিশু আলাদাভাবে সব খাবার গ্রহণ করতে শিখলে খিচুড়ি বানিয়ে দিন। খিচুড়িতে চাল, যেকোনাে একটি সবজি, ডাল ও এর সঙ্গে মাছ অথবা মাংস অথবা ডিম দিন। শিশুকে প্রতিদিন কিছু ফল খাওয়ান। এ ছাড়া গাজর, পেঁপে, মিষ্টি আলু বা শসা টুকরা করে দিতে পারেন। খুব সকালে বা রাতে শিশুর মেজাজ তেমন ভালো থাকে না। এ সময় শক্ত খাবার না দেওয়াই ভালো। শিশুকে কিছু বুকের দুধ খাওয়ানোর পর সে যখন হাসিখুশি থাকে তখন খাবার দিন।

সাত থেকে ১২ মাস পর্যন্ত বুকের দুধ দেওয়ার পর বাড়তি খাবার খাওয়ান। আর ১৩ মাস থেকে আগে শক্ত খাবার, এরপর বুকের দুধ দিন। শিশু যদি প্রথমে খাবার খেতে বাধা দেয়, তবে হতাশ না হয়ে ঘণ্টা কয়েক পর শুরু করুন।

শিশুকে খাবার দেওয়ার ক্ষেত্রে তাড়াহুড়া করবেন না। পরিমাণ বাড়ানোর ক্ষেত্রেও সপ্তাহখানেক অপেক্ষা করুন। সব সময় খেয়াল রাখবেন, শিশুর খাবার যেন অতিরিক্ত লবণাক্ত বা মিষ্টি না হয়; মসলাও কম দিন।

লেখক : শিশু বিশেষজ্ঞ

গ্রীন ভয়েস-এর মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক সেমিনার

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

বাংলাদেশের প্রথম পরিবেশ বাদী যুব সংগঠন গ্রীন ভয়েস আয়োজিত মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত ১০ মার্চ, শুক্রবার, বিকেল সাড়ে তিনটা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত রাজধানীর সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়। এর বিষয়বস্তু ছিল, ‘সুখের চাবিকাঠি’।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রায় ৪০ জন শিক্ষার্থী। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ইডেন কলেজ, ঢাকা কলেজ, টিচার্স ট্রেনিং কলেজ এবং অন্যান্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা যুক্ত হন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, ‘গ্রীন ভয়েস’- এর প্রতিষ্ঠাতা জনাব আলমগীর কবির, সহ সমন্বয়ক হুমায়ুন কবির সুমন। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সাংবাদিক ও কলামিস্ট জনাব শুভ কিবরিয়া।

‘গ্রীন ভয়েস’ দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যুবকদের নিয়ে প্রকৃতি, পরিবেশ, জীবন বিষয়ে কাজ করে। সকলে পরিবেশ সচেতন হোক এবং সকল সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলুক এটাই তাদের লক্ষ্য। ২০০৫ সালে গ্রীন ভয়েস প্রতিষ্ঠিত হয়। দীর্ঘ এ পথ চলায় পাঁচ হাজার অ্যাকটিভ ভলান্টিয়ার রয়েছে।

- Advertisement -
সাতকাহন
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.