Friday, May 29, 2026
spot_img
Home Blog Page 84

শিশুর দুধ দাঁতের যত্ন লাগে না কি?

ডা. সানজিদা হোসেন পাপিয়া

শিশুদের দাঁত দুধ দাঁত। অনেকে ভাবেন এসব দুধের দাঁত তো এমনিতেই পড়ে যাবে। এগুলোর আবার যত্ন কীসের? বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মানুষ এই ভাবনাগুলোই ভাবে। আর মা-বাবারা এ কারণে শিশুর দাঁতের যত্নের প্রতি যথেষ্ট অবহেলা করে।

হ্যাঁ, এটা সত্য যে এসব দাঁত একসময় পড়ে যায়। কিন্তু এরপরও শিশুর দাঁতের যত্ন ততখানি গুরুত্বপূর্ণ যতটা বড়দের। কখনো কখনো বড়দের চেয়ে বেশি। কারণ. একটি শিশুর দাঁত ঠিকমতো না পড়ে, তার আগেই যদি সমস্যার কারণে একে ফেলে দিতে হয়, তাহলে ভবিষ্যতে শিশুটির দাঁত আঁকাবাঁকা হওয়ার ঝুকি রয়েছে।

এসব জটিলতা এড়াতে অভিভাবকদের উচিত শিশুদের দাঁতের যত্নের বিষয়ে সতর্ক হওয়া। বড়দের যেমন বলা হয়, প্রতি ছয় মাস পর পর দাঁতের চেকআপ করাতে, ঠিক একই ভাবে শিশুর ক্ষেত্রে এই সচেতনতার প্রয়োজন রয়েছে। তাই বড়দের পাশাপাশি শিশুর দাঁতের যত্নের প্রতি সচেতন হোন। ছয় মাস থেকে এক বছর পর পর অবশ্যই তাদের দাঁত চেকআপ করাবেন।

লেখক : কনসালটেন্ট ডেন্টাল সার্জন
চেম্বার : অনামিকা ডেন্টাল , ২/১ মধ্য বাসাবো, টেম্পুস্ট্যান্ড, ঢাকা ১২১৪
ফোন : ০১৯৩৩১৩৩৪৮৬

শিশুর এসিডিটির কারণ কী? সমাধানে করণীয়

ডা. আবু সাঈদ শিমুল

কেবল বড়দের নয়, শিশুরও হতে পারে এসিডিটি। বর্তমানে শিশুরা বাসায় তৈরি খাবার খেতেই চায় না। আবার মা-বাবারাও এখন এত ব্যস্ত থাকে, তাদের জন্য বাসায় ভালো, মজাদার ও আকর্ষণীয় খাবার তৈরি করতে পারে না। তাই শিশুরা বায়না ধরলে অভিভাবকরা নিয়ে যায় ফাস্টফুডের দোকানে।

শিশুর এসিডিটির কারণ

# শিশুর এসিডিটির প্রধান কারণ এইচ পাইলোরি নামক জীবাণু হলেও বর্তমানে ফাস্টফুড খাওয়ার প্রবণতার কারণে দিন দিন এসিডিটির সমস্যা বাড়ছে।

# এ ছাড়া স্কুল থেকে বের হলেই তারা বায়না ধরে ঝালমুড়ি, ফুচকা, চটপটি ইত্যাদি খাওয়ার। এগুলো থেকেও অনেকে এসিডিটিতে ভোগে।

# এসিডিটির জন্য মানসিক চাপও দায়ী। আজকাল শিশুদের কোনো বিনোদন নেই, রয়েছে কেবল বইয়ের বিশাল বোঝা। স্কুলের পড়া, প্রাইভেট, কোচিং আর সব সময় পরীক্ষায় ভালো করার জন্য মা-বাবার তাড়া খেয়ে শিশুদের আত্মবিশ্বাস তো কমছেই, তার ওপর মানসিকভাবে চাপেও থাকছে। এসব কারণেও তাদের এসিডিটি বাড়ছে।

চিকিৎসা

কিছু ওষুধ রয়েছে এসিডিটি কমাবার। এইচ২ ব্লকার, যেমন—রেনিটিডিন সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। তবে একই ওষুধ সব বয়সের জন্য প্রযোজ্য নয়, তাই ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া বড়দের গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ বাচ্চাদের খাওয়াবেন না।

প্রতিকার

এসিডিটি বেশি বেড়ে গেলে তা থেকে পেটের আলসার বা পেপটিক আলসার রোগ হতে পারে। তবে আগে থেকে প্রতিকার জানা থাকলে এই জটিলতা এড়ানো সম্ভব।

# যেসব শিশুর এসিডিটির সমস্যা রয়েছে, তাদের ফাস্টফুড, ঝালমুড়ি, চটপটি, ফুচকা ইত্যাদি খাওয়া নিয়ন্ত্রণ করুন।

# অন্যদিকে এইচ পাইলোরি থেকে বাঁচতে বিশুদ্ধ ও পরিষ্কার পানি ও খাবার দিন।

# নিয়মিত সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার অভ্যাস করান।

# শিশুকে রাস্তার পাশের খাবার খাওয়াবেন না।

শিশুদের ক্ষেত্রে বেশির ভাগ সময় নিয়ম মেনে চললেই রোগটি আর হয় না। এতে দীর্ঘমেয়াদি ওষুধেরও প্রয়োজন হয় না। তাই এই রোগ প্রতিরোধে মা-বাবার সতর্কতা সবচেয়ে জরুরি।

লেখক : শিশু বিশেষজ্ঞ

মনের যত্নে ডায়েরি লেখা : জরুরি কেন?

ফারজানা ফাতেমা (রুমী)

ছোটবেলা থেকে ইংরেজি নতুন বছরের শুরুতে শুভেচ্ছা বাণী লিখে একটি করে ডায়েরি উপহার দিতেন আব্বা। আমার নিয়মিত ডায়েরি লেখার অভ্যাসটা গড়ে উঠেছিল তখন থেকে। ছোটবেলা বলতে, একদম ক্লাস ওয়ান, টু-র কথা। তখন ছড়া লেখার জন্য খুব উৎসাহ দিতেন আমার মা ও মামারা। ছন্দ মিলিয়ে কীভাবে লিখতে হয় শেখাতেন। সেই ছোট বয়সে ডায়েরির পাতা ভরে যেতো, যখন যা মন চায় তা লিখে।

সেই সময়টায় আম্মা বকা দিলে কিংবা আব্বা-আম্মার মাঝে কোনো বিষয় নিয়ে দ্বন্দ্ব হলে, সেই কষ্টটাও লিখে ফেলতাম। ঈশপের নীতিগল্প থেকে নেওয়া বোল্ড করা উপদেশ থেকে যেগুলো ভালো লাগতো, সেগুলোও লিখে রাখতাম। কখনো কখনো ডায়েরিটা লুকিয়ে রাখতাম এমন জায়গায়, যেনো কেউ খুঁজে না পায়। শৈশব পেরিয়ে বয়ঃসন্ধিতে পা রাখলাম। ছড়া থেকে শুরু হলো কবিতা লেখা। স্কুল, কলেজের ম্যাগাজিনের পাতায় লিখতাম। প্রশংসাও পেতাম সবার কাছ থেকে। এক সময় দুই টাকা দামের হলুদ খামে করে দৈনিক পত্রিকাতে কবিতা দেওয়া শুরু করলাম। বুঝলাম আমাকে আরও ভালো লিখতে হবে। কারণ, আটটি কবিতা পাঠাবার পর, তারা প্রথম একটা ছেপেছিল। তখন পড়ি মাত্র নবম শ্রেণিতে। আসলে লেখালিখির এই সম্পূর্ণ অভ্যাসটিই মূলত শুরু ডায়রি লেখা থেকে।

ডায়েরিতে আমি এখনো লিখি। আর মনোবিজ্ঞানী হয়ে উঠার সঙ্গে সঙ্গে জেনেছি ডায়েরি লেখা কিম্বা যে কোনো ঘটনাকে জার্নাল করাটা আমাদের চিন্তাকে সুসংগঠিত করতে কতটা সাহায্য করে। একজন মনোবিজ্ঞানী হিসেবে ডায়েরি লেখার উপকারিতাগুলো পাঠকের সঙ্গে শেয়ার করছি।

# আপনি যখন জানবেন, দিন শেষে আমি ৩০ মিনিট নিজের সঙ্গে নিজে কথা বলবো, কলম নিয়ে বসব- তখন সারাদিনের ক্লান্তি, অবসাদ দূর হয়ে যাবে আপনা থেকেই। সারাদিন হয়তো এমন অনেক কিছু হয়েছে, যা কাউকে বলতে পারেননি। রাগ হয়েছেন, হতাশ হয়েছেন। অথবা কেউ অদ্ভুত আচরণ করেছে, যা আপনার কাম্য নয়। এগুলো লিখে ফেললে নিজেকে অনেক হালকা লাগবে। এ ছাড়া লিখতে পারেন দৈনন্দিন ঘটনা, নিজের অর্জন, নিজের ব্যর্থতা, নিজের ইচ্ছা ইত্যাদি।

# ডায়েরি লেখা বিষয়টি দিন শেষে আয়নার সামনে নিজেকে দাঁড় করিয়ে নিজের সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া, নিজের সঙ্গে নিজের সুখ-দুঃখ ভাগ করে নেওয়ার মতো। এ থেকে আপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করতে এবং চারপাশ সম্পর্কে অনুমান করতে সুবিধা হবে; বাড়বে কল্পনাশক্তি। শুধু না বলা কথা নয়, ভ্রমণ অথবা নতুন কোনো অভিজ্ঞতাও ডায়েরিতে লিখে ফেলতে পারেন। তবে লেখার রসদ হিসেবে আপনার শব্দভাণ্ডার ও জ্ঞানের পরিসীমা বাড়াতে চাইলে অন্যের লেখা অভিজ্ঞতাগুলো পড়ে নেওয়ার কোনো বিকল্প নেই।

# অনেকেই ভাবেন ডায়েরিতে আবার কী লিখব ! সারাদিন তো ইনবক্সে কত কি লিখছিই ! তাদের জন্য ছোট্ট একটা টিপস দিতে চাই। আর তা হলো, দিন শেষে আজকের তারিখ দিয়ে শুধু ৩টি পয়েন্ট লিখতে পারেন-

১। আজকে নতুন শিখেছি (New Learning)
২। আজকে কৃতজ্ঞ বোধ করেছি (Gratitude)
৩। আজকে দয়ালু হয়ে যা করেছি অথবা আমার প্রতি কেউ দয়ালু ছিল (Kindness)

# হয়তো ভাবছেন এর কোনোটাই আজকে করা হয়নি। তাহলে কি একটু ভেবে দেখবেন যে আগামীকাল থেকে এই ৩ টি পয়েন্ট আপনার ডায়েরিতে লেখার জন্য নতুন করে কীভাবে দিন সাজানো যায়? অন্তত আগামী এক মাস চেষ্টা করে দেখুন না! শুভ কামনা।

লেখক : সাইকোলজিস্ট, প্রতিষ্ঠাতা সোনারতরী

ঈদে প্রকাশ পেল মা ও মেয়ের গান

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

প্রতি বছর ঈদ উৎসবের সময় দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গন মুখরিত হয়ে ওঠে। এরই ধারাবাহিকতায় এবারের ঈদের উল্লেখযোগ্য দুটি সংযোজন দেশবরেণ্য কন্ঠশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিনের গাওয়া ‘তুমি ছুঁয়ে দিলে’ এবং তাঁর কন্যা শ্রোতাপ্রিয় কন্ঠশিল্পী বাঁধনের গাওয়া ‘এসো মেঘের কোলে’ শিরোনামের দুটি আধুনিক গানের অবমুক্তি।

পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিন, ২২ এপ্রিল, টি এইচ কে মিউজিক ইউটিউব চ্যানেল থেকে অবমুক্ত হয়েছে দেশের কিংবদন্তীখ্যাত কন্ঠশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিনের একটি গান ‘তুমি ছুঁয়ে দিলে’। গানটি তিনি ডুয়েট গেয়েছেন তানিম হায়াত খান রাজিতের সঙ্গে। শিল্পী তানিম হায়াত খান রাজিত এই গানটির সুরকারও।

গানের গীতিকার সুপ্রিয়া বিশ্বাস। এই গানটির সঙ্গীতায়োজন ও মিক্স-মাস্টারিংয়ে ছিলেন সজীব দাস। মিউজিক ভিডিও আকারে এটি একটি কাহিনীচিত্রসহ প্রকাশিত হয়। এর পরিচালনা করেছেন সাফিকা নাসরিন মিমি।

বরেণ্য সংগীত শিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন সাতকাহন২৪.কমকে জানান, ‘তুমি ছুঁয়ে দিলে’ রোম্যান্টিক ধারার গান। গীতিকার সুপ্রিয়া বিশ্বাস খুব সুন্দর করে গানটির কথাগুলো লিখেছেন। আর সুরকার তানিম হায়াত খান রাজিতে অসম্ভব সুন্দর করে সুর করেছেন। আমার খুব পছন্দ হয়েছে। সব মিলিয়ে সুন্দর একটি মিষ্টি রোম্যান্টিক গান হয়েছে এটি। আশা করি, শ্রোতাদের ভালো লাগবে।

একই দিনে দীপনস প্ল্যানেট ইউটিউব চ্যানেল থেকে অবমুক্ত হলো, সাবিনা ইয়াসমিনের কন্যা শ্রোতাপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী বাঁধনের গাওয়া গান ‘এসো মেঘের কোলে’। বাঁধনের ভালো নাম ইয়াসমিন ফায়রুজ। ‘এসো মেঘের কোলে’ গানটি লিখেছেন কৃষ্ণ কান্ত বিশ্বাস; সুর করেছেন বিশিষ্ট সেতার শিল্পী রীনাত ফওজিয়া। সঙ্গীতায়োজন ও মিক্স-মাস্টারিংয়ে ছিলেন দীপন সরকার।

সেতার শিল্পী ও সুরকার রিনাত ফওজিয়া।
সেতার শিল্পী ও সুরকার রিনাত ফওজিয়া।

সংগীত জীবন সম্পর্কে সাতকাহন২৪.কম- কে বাঁধন জানান, ‘এসো মেঘের কোলে’ গানটির সুর করেছেন, রিনাত ফওজিয়া। তিনি অসম্ভব সুন্দর করে, যত্ন নিয়ে সুরটি করেছেন। গানটি গাইতে খুব ভালো লেগেছে। আমি সংগীত পরিবারের মেয়ে। সংগীত রক্তে মিশে রয়েছে। আমি বিশিষ্ট উচ্চাঙ্গ সংগীত শিল্পী অনিল কুমার সাহার কাছে উচ্চাঙ্গ সংগীত শিখেছি। আমার প্রথম অ্যালবাম প্রকাশিত হয় ২০০৬ সালে। এর নাম ছিল, ‘প্রতিচ্ছবি’। ইমপ্রেস অডিওভিশন থেকে প্রকাশ পায় এটি। এটি ছিল মা ও আমার যৌথ অ্যালবাম। এরপর ২০০৯ সালে ‘ফাল্গুণ হাওয়া’ নামে একটি একক অ্যালবাম প্রকাশিত হয়। থার্ড অ্যালবাম ছিল ‘রাগ-অনুরাগ’। এরপর ২০১৭ সালে মায়ের সঙ্গে আরেকটি অ্যালবামে কাজ করি। আর এখন তো ইউটিউবের দিকে ঝুঁকছে মানুষ। ইউটিউবে নিয়মিত গান প্রকাশ হচ্ছে আমার। এ ছাড়া বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে গান করছি। এভাবেই সঙ্গীতের সঙ্গে যুক্ত হয়ে কাজ করে যাচ্ছি।

ঈদ শেষ, ওজন কমানোর এখনই সময়

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
ঈদ মানেই একটু বেশি খাওয়া-দাওয়া। আর অতিরিক্ত তেল-চর্বিজাতীয় খাবার খাওয়ার কারণে ওজনটাও বেড়ে যায়। ঈদ যেহেতু শেষ। তাই ওজন কমানোর কিন্তু এখনই সময়। এটি বেশি হয়ে গেলে বাড়তি মেদ ঝড়াতে বেশ বেগ পেতে হবে আপনাকেই।

‘ ঈদে যেহেতু বেশি খাওয়া হয় খাওয়া হয়, তাই ওজন বাড়ার একটি আশঙ্কা থাকে। তবে খাওয়া-দাওয়া ও দৈনন্দিন জীবনে কিছু নিয়ম মেনে চললে, অর্থাৎ একটু সতর্ক হলে এই বাড়তি ওজনের লাগাম টানা যায়,’ বলছিলেন বি এস এম এম ইউ- এর পুষ্টিবিদ তৃপ্তি চৌধুরী। এই পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিয়ে দ্রুত ওজন কমানোর ৪ পরামর্শ জানানো হলো-

বাইরের খাবার বাদ
যেহেতু এই সময়ে ঘরেই অনেক ভারী খাবার খাওয়া হয়, তাই বাইরের ভাজা-পোড়া, তৈলাক্ত খাবার একদমই বাদ দিন। পাশাপাশি ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে এড়িয়ে যেতে হবে কোমল পানীয় বা কোল্ড ড্রিংকস। এগুলো দ্রুত ওজন বাড়িয়ে দেয়।

কার্বোহাইড্রেট কম খান
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চিনি বা মিষ্টি জাতীয় খাবার নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। পাশাপাশি সাদা ভাত কম খেতে হবে। ভাত খাওয়া একেবারে বাদ দেবেন না, তবে এর পরিমাণ কমিয়ে সবজি, ফল, সালাদ ইত্যাদি আঁশ জাতীয় খাবারের প্রতি মনোযোগী হোন। সাদার পরিবর্তে লাল চালের ভাত খেতে পারেন। এতে পুষ্টিগুণ বেশি।

পর্যাপ্ত পানি পান করুন
পানি পানের পরিমাণ বাড়াতে হবে। দিনে অন্তত ১০ থেকে ১২ গ্লাস পানি পান করুন। এ ছাড়া দ্রুত ওজন কমাতে চাইলে তরল খাবারও বেশি খাওয়া ভালো। এতে পেট ভরা থাকবে এবং অন্যান্য খাবার বেশি খাওয়া কম হবে।

নিয়মিত ব্যায়াম করুন
রুটিন করে ব্যায়াম করুন। সপ্তাহে অন্তত চার থেকে পাঁচ দিন অবশ্যই ব্যায়াম করতে হবে। জিমে যাওয়ার সুযোগ না থাকলে অন্তত এক ঘণ্টা হাঁটুন। এতেও ওজন নিয়ন্ত্রণ হবে। এ ছাড়া সাইকেলিং বা সাঁতারও ভালো ব্যায়াম।

মূলত, ওজন কমাতে একটি লক্ষ্য নির্ধারণ করতে হবে। আর সেই অনুযায়ী খাবার ও ব্যায়ামের বিষয়টি নির্ধারণ করেই এগোতে হবে বলে জানান এই পুষ্টিবিদ।

ঈদের পর সাজ-পোশাক

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
ঈদ চলে গেল। তবে চলে গেল বললেই তো আর হয় না। ঘোরাঘুরি, আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে যাওয়া, বন্ধু-বান্ধবের বাসায় দাওয়াত চলতেই থাকে। অনেকের আবার অফিস খুলে যায় ঈদের দুই-তিন দিনের ভেতর। তাই বলে কি ঈদের আমেজ কমে? অফিস খোলার পর প্রথম কিছুদিন কিন্তু একটা উৎসবভাব থেকেই যায়। বাইরে বেড়াতে যান বা অফিসেই যান এই সময়ে সাজ-পোশাকে একটু উৎসবের আমেজ রাখতেই পারেন।

ঢাকার বাইরে গেলে বিবেচনা করে পোশাক নির্বাচন করতে হবে। মেয়েরা ভ্রমণের সময় টপস, সিঙ্গেল কামিজ পরতে পারেন। অনেকেই ঈদের সময় গ্রামে বেড়াতে যান। তারা দাওয়াতে গেলে একটু জমকালো শাড়ি বা সালোয়ার-কামিজ পরতে পারেন। তবে যেহেতু বেশ গরম পরেছে, তাই দিনে ঘোরাঘুরির জন্য স্নিগ্ধ, আরামদায়ক পোশাক বেছে নিন। এ ক্ষেত্রে সুতি বা মিশ্র সুতির কাপড়ই ভালো হবে- জানান কে ক্র্যাফ্টের পরিচালক খালিদ মাহমুদ খান।

ছবি : কে ক্র্যাফট
ছবি : কে ক্র্যাফট

ছেলেরা ভ্রমণের সময় পলো শার্ট বা হাফ শার্ট পরতে পারেন। আরাম পাবেন, জানিয়ে খালিদ মাহমুদ খান বলেন, ‘আর দাওয়াতে গেলে পাঞ্জাবি, টি শার্ট পরা যেতে পারে। তবে এই গরমে দাওয়াতে গেলে ফতুয়াও হতে পারে সেরা পছন্দ। শিশুর ক্ষেত্রে সুতির পোশাক হবে সবচেয়ে সঠিক নির্বাচন।’

‘নারী ও পুরুষের ক্ষেত্রে অফিসে পরার জন্য ঈদের সময় কেনা সবচেয়ে রুচিশীল ও আরামদায়ক পোশাকটি বেছে নেওয়া যেতে পারে’, – বলছিলেন তিনি।

ছবি : কে ক্র্যাফট
ছবি : কে ক্র্যাফট

পোশাকপর্বের পর সাজের বিষয়টি গুরুত্ব পায়। এই সময়ের সাজটাও হতে পারে ঈদের দিনের মতোই। আর কিছুটা বৃষ্টি হলেও যেহেতু এখনও গরম রয়েছে, তাই এটি হালকা হলে দেখতে ভালো লাগবে, আর সহনশীলও হবে।

‘এই সময়ে সাজের ক্ষেত্রে মেকআপের বেজটা ম্যাট জাতীয় পন্য দিয়ে করলে ভালো হয়। এখনকার আবহাওয়ায় এটাই সবচেয়ে উপযোগী। আইলাইনার ওয়াটার প্রুফ আর লিপস্টিক হবে ম্যাট। এখনতো চেহারার যেকোনো একটি অংশকে বেশি প্রাধান্য দেওয়ার চল এসেছে। দেখতেও ভালো লাগে। হয়তো চোখে বেশি মেকআপ দিলো, তো ঠোঁটের লিপস্টিকটা হালকা। আবার ঠোঁটে গাঢ় রং ব্যবহার করলো, তো চোখের সাজ হালকা,’ বলছিলেন রেড বিউটি স্যালনের স্বত্বাধিকারী আফরোজা পারভীন।

যেহেতু গরম, তাই চুল খোলা না রাখলেই আরাম পাবেন জানিয়ে আফরোজা পারভীন বলেন, ‘চুলে পনি টেইল, হর্স টেইল, হাত খোঁপা বা বেণী করতে পারেন। শাড়ি, টপস, কামিজ-সবধরনের পোশাকের সঙ্গেই এসব স্টাইল মানাবে।’

ঈদের রেসিপি : শাহি খাসির কোরমা

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
ঈদের খাবার তো একটু ভুরিভোজ হবেই। ঈদের দিন খাবারের তালিকায় রাখতে পারেন শাহি খাসির কোরমা। নিচে রইলাে রেসিপি-

উপকরণ

খাসির মাংস- ৫০০ গ্রাম
দই- ১ কাপ
রসুনবাটা- ১ টেবিল চামচ
আদাবাটা- ১ টেবিল চামচ
ধনেগুঁড়া- ২ চা চামচ
লাল মরিচ গুঁড়া- ১ চা চামচ
গরম মশলাগুঁড়া- ১/২ চা চামচ
লবণ- ১ চামচ
জিরা গুঁড়া- ১ চা চামচ
নারকেল কুচি- ১ টেবিল চামচ
কাজু বাদাম- ৯ থেকে ১০টি
কাঠবাদাম- ১০ থেকে ১২টি
পেঁয়াজ কুচি- ২টি বড় পেঁয়াজ (সোনালি করে ভাজা)
কেওড়ার পানি- ১ চা চামচ
তেজপাতা- ২ টি
দারুচিনি- ১ ইঞ্চি
ছোট এলাচ- ৪ থেকে ৫টি
লবঙ্গ- ৪ থেকে ৫টি
বড় এলাচ- ১টি
জয়িত্রী- ১টি
তেল বা ঘি- ১/২ কাপ

যেভাবে তৈরি করবেন

একটি পাত্রে মাংস নিয়ে এতে দই, রসুন বাটা, আদা বাটা, ধনে গুঁড়া, লাল মরিচ গুঁড়া, গরম মশলা গুঁড়া, জিরে গুঁড়া ও লবণ দিয়ে ভালোভাবে মেখে আধ ঘণ্টা রেখে দিন।

এবার নারকেলের গুঁড়া, কাজুবাদাম আর কাঠবাদাম ব্ল্যান্ডারে দিয়ে ভালোভাবে ব্ল্যান্ড করুন। এবার কড়াইতে তেল দিন। তেল গরম হলে তাতে তেজপাতা, দারুচিনির টুকরো, লবঙ্গ, বড় এলাচ, ছোট এলাচ ও জয়িত্রী দিন। হালকা করে নাড়তে থাকুন, যাতে মশলার গন্ধ বেরোয়।

এবার মাখিয়ে রাখা মাংসটা দিয়ে দিন। ভালো করে কষান। বেশ খানিকক্ষণ কষা হয়ে গেলে ভাজা পেঁয়াজকুচি দিয়ে দিন। এরপর মিনিট তিনেক নাড়তে থাকুন। এবার কাজুবাদাম, কাঠবাদাম ও নারকেলের মিশ্রণটি দিন। এরপর ৫ মিনিট ধরে কষান।

কষতে কষতে তেল বেরিয়ে গেলে গ্রেভির জন্য আধ কাপ পানি দিন। এপর কড়াইতে চাপা দিয়ে দিন। আঁচ কমিয়ে দিয়ে মিনিট কুড়ি রাখুন। মাংস সিদ্ধ হয়ে গেলে ওপরে সামান্য কেওড়ার পানি ছড়িয়ে দিন।

সূত্র : আনন্দবাজার

ঈদের রেসিপি : বাদামের ফিরনি

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
মিষ্টান্ন ছাড়া ঈদের খাবার যেন পূর্ণতা পায় না। আর সেই মিষ্টান্ন একটু ব্যতিক্রমী হলে তো কথাই নেই। এ রকম একটি ব্যতিক্রমী খাবার হলো বাদামের ফিরনি। ফিরনি তো কম-বেশি সবাই খায়। এবার একটু বাদামের ফিরনি খেয়েই দেখুন!

উপাদান
১. এক কাপ কাঠবাদাম ( খোসা ছাড়িয়ে নিতে হবে)
২. ৫০০ মিলি লিটার দুধ
৩. ১০০ গ্রাম চিনি
৪. ২ টেবিল চামচ চাল
৫. আধা চা চামচ দারুচিনি গুঁড়া
৬. ১ টেবিল চামচ গোলাপ জল

যেভাবে তৈরি করবেন
কাঠবাদাম কুচি করে এক পাশে রাখুন। এবার চাল গুলোকে ১৫ মিনিট পানিতে ভেজান। এরপর সামান্য পেস্ট করে নিন।
দুধকে ফুটতে দিন। এর মধ্যে চিনি ও দারুচিনি গুঁড়া মেশান। দুধ ফুটে এলে আঁচ মাঝারি করুন এবং এর মধ্যে কাঠবাদাম দিন। দুই মিনিট রান্না করুন।

এরপর ধীরে ধীরে চালের পেস্ট দিন। অল্প আঁচে রান্না করতে থাকুন যতক্ষণ না হয়ে আসে। হয়ে এলে চুলা থেকে নামিয়ে নিয়ে সুগন্ধের জন্য গোলাপ জল মেশান। এবার ঠান্ডা হলে পরিবেশন করুন।

সূত্র : এনডিটিভি

ঈদের খাবারে যেসব বিষয় খেয়াল রাখবেন

শাশ্বতী মাথিন
সেমাই, পায়েস, জর্দা, পোলাও, কোরমা নানা পদের টক-ঝাল-মিষ্টি খাবারের আয়োজন হয় ঈদের সময়টায়। নিজের বাড়িতে তো খাওয়া হয়ই, আত্মীয়-স্বজনের বাড়ি গেলেও কিছু না কিছু মুখে দেওয়াই লাগে। যেহেতু এটি ঈদুল ফিতর বা রোজার ঈদ, তাই একমাস সিয়াম সাধনার পর হঠাৎ করে এতো খাবার শরীরের বিপত্তি ঘটাতে পারে।

বদহজম, পেট ফোলাভাব, বমি, বমি বমি ভাব, এসিডিটি ইত্যাদি সমস্যা দেখা যায়। পাশাপাশি যারা উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, ডায়াবেটিস বা কোলেস্টেরলের সমস্যায় ভুগছে, তাদের ক্ষেত্রে এই অতিরিক্ত মিষ্টি, তেল-চর্বি ও মসলা জাতীয় খাবার অসুবিধা বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই খাবার-দাবারের বিষয়ে কিছুটা সচেতন হতেই হবে। তাহলেই ঈদের আনন্দটা শতভাগ উপভোগ করা যাবে।

‘ঈদের খাবার যেহেতু ভুরিভোজ হয়, তাই শুরু থেকেই পরিকল্পনা করা দরকার। দিনের মূল খাবার, অর্থাৎ দুপুর ও রাতের খাবার কোথায় খাবেন, আগেই ঠিক করুন। অন্য দাওয়াতগুলোতে যথাসম্ভব কম খান’, বলছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন বিভাগের সাবেক ডিন অধ্যাপক এ বি এম আব্দুল্লাহ।

ঈদের খাবারের সচেতনতার বিষয়ে অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ আরেও বলেন, ‘যাদের বয়স কম এবং শারীরিক জটিলতা নেই, তারা নিজের পছন্দমতো সবই খেতে পারে। শুধু অতিরিক্ত খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। যারা মাঝবয়সী বা বয়োবৃদ্ধ এবং যাদের অন্যান্য শারীরিক সমস্যা রয়েছে, তাদের খাবারের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।’

যাদের ডায়াবেটিস রয়েছে, তাদের মিষ্টিজাতীয় খাবার কম খাওয়াই ভালো, জানিয়ে পপুলার মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হসপিটালের প্রধান পুষ্টিবিদ নিশাত শারমিন নিশি বলেন, ‘মিষ্টি খেতে হলে চিনিযুক্ত খাবার বাদ দিয়ে ফলের রস বা ফল দিয়ে তৈরি কোনো খাবার খেতে পারেন।’

যাদের হার্টের সমস্যা রয়েছে এবং উচ্চ কোলেস্টেরল রয়েছে, তাদের বেলায় বেশি চর্বিজাতীয় খাবার (খাসি বা গরুর মাংস) না খাওয়াই ভালো। এতে উচ্চ রক্তচাপ, স্ট্রোক বা হার্টের সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।

একবেলা অনেক না খেয়ে বারে বারে খাবার খেতে হবে। সারাদিনে চার থেকে পাঁচ টুকরো গরু বা খাসির মাংস খাওয়া যেতেই পারে। মাংসের পরিবর্তে সবজি ও মাছের কাবার তৈরি করতে পারেন। আর কোনো বেলায় ভারি খাবার খেয়ে ফেললে ছয় থেকে সাত ঘণ্টার মধ্যে বেশি খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।

‘যেহেতু এবার গরমের সময় ঈদ পড়ছে, তাই খেয়াল রাখতে হবে যেন পানিশূন্যতা না হয়। দইয়ের লাচ্ছি, লেবুর শরবত, পানি ইত্যাদি বেশি খান। চা, কফি এই সময় না খাওয়াই ভালো। এতে কোষ্ঠকাঠিন্য, পানিশূন্যতা ও বদহজমের সমস্যা বাড়ে’, জানিয়েছেন পুষ্টিবিদ নিশাত শারমিন নিশি।

কিডনির সমস্যা থাকলে প্রোটিনজাতীয় খাবার (যেমন মাছ-মাংস) অবশ্যই নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে জানিয়ে অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ বলেন, ‘এসব রোগীর ক্ষেত্রে অবশ্যই ঈদের আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে নেওয়া প্রয়োজন। আবার ঈদে অতিরিক্ত খেয়ে পেট জ্বালা করা, পেট ফোলাভাব আর পেপটিক আলসার খুব সাধারণ সমস্যা। এসব সমস্যা থাকলে অতিরিক্ত ঝাল, মসলাযুক্ত খাবার পরিহার করুন। গোগ্রাসে না খেয়ে সময় নিয়ে চিবিয়ে খান। রাতে খাবারের পরপরই ঘুমাতে যাবেন না। কিছুক্ষণ ব্যায়াম করে নিন। খাবার খাওয়ার অন্তত দুই থেকে তিন ঘণ্টা পর ঘুমাতে যান।’

গরমে ঈদের সাজে ম্যাট মেকআপ

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

উৎসব ও সাজ একে অপরের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিকভাবে জড়িত। আর এবারের ঈদও এর ব্যতিক্রম নয়। তবে এবার যেহেতু গরমের তীব্রতা অন্যান্য বছরগুলোর তুলনায় অনেক, তাই সাজটা এমন হওয়া চাই, যা চোখে স্বস্তি দেবে এবং ঘেমে নেয়েও নষ্ট হবে না। আর এই ক্ষেত্রে সবচেয়ে উপযোগী ম্যাট মেকআপ।

আন্তর্জাতিক ফ্যাশনের জগতেও ম্যাট মেকআপ এখন বেশ জনপ্রিয়। আর এটি বর্তমান আবহাওয়ার জন্যও উপযোগী- জানান বিন্দিয়া এক্সক্লুসিভ বিউটি কেয়ারের রূপবিশেষজ্ঞ শারমিন কচি।

দিনে যেহেতু এখন কড়া রোদ থাকে, তাই ঈদের দিন বা ঈদ পরবর্তী দাওয়াতে অনায়াসে এই মেকআপ মানিয়ে যাবে। এই ক্ষেত্রে মুখের ফাউন্ডেশন, বিবি ক্রিম, কমপেক্ট পাউডার দিয়ে বেইজ শেষ করে চোখে লাগাতে পারেন ম্যাট সলিড রঙের আইশ্যাডো। ঠোঁটে দেবেন ম্যাট রঙের লিপস্টিক। ম্যাজেন্টা, লাল, বেগুনি, ওয়াইন, মভ ইত্যাদি রং বেশ মানিয়ে যাবে এ সময়।

লিপস্টিক হালকা হলে চোখে একটু গাঢ় করে কাজল বা আইলাইনার টানতে পারেন। আর লিপস্টিক গাঢ় রঙের হলে চোখ সাজার হালকা করে। এখন আবার অনেকেই ন্যুড মেকআপ পছন্দ করেন। সেই ক্ষেত্রে সবটাই হালকা করতে পারেন।

পোশাকের ক্ষেত্রে মাথায় রাখুন ঋতুর কথা। এ সময় জর্জেটের কাপড় কিংবা শরীরে অ্যালার্জি হয়, এমন পোশাক এড়িয়ে যাওয়াই মঙ্গল। শাড়ি, সালোয়ার–কামিজ, কুর্তি যাই পরুন না কেন, আরামের কথা অবশ্যই মাথায় রাখবেন- বলছিলেন, রূপবিশেষজ্ঞ শারমিন কচি।

যেহেতু গরম তাই চুলের সাজও হবে হালকা। দিনের বেলায় চুল বেঁধে রাখাই ভালো। এ ক্ষেত্রে শাড়ি পরলে চুল খোঁপা করতে পারেন। রাতে স্ট্রেটনার দিয়ে চুল স্ট্রেট করে নিন। আবার চাইলে চুলটা হালকা কার্ল করে নিতে পারেন। গরমে সাজের ক্ষেত্রে এমনটাই পরামর্শ রূপ বিশেষজ্ঞ শারমিন কচির।

- Advertisement -
সাতকাহন
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.