
ডায়াবেটিস রোগীর পায়ের যত্ন

গরমে আরামের শার্ট কে ক্র্যাফট-এ
সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
আমাদের নিত্যদিনের ব্যস্ততার মাঝে এখন অস্বস্তিকর গরম আবহাওয়া। পরিবেশ-পরিস্থিতি অনুযায়ী চাই স্বস্তিদায়ক আরামের পোশাক। তবে যারা ফ্যাশন সচেতন, তাদের শুধু আরামদায়ক হলেই চলে না, চিন্তায় থাকে ট্রেন্ডের বিষয়টি।
তাই স্বস্তি ও ফ্যাশনের কথা চিন্তায় রেখে কে ক্র্যাফট নিয়ে এসেছে কমফোর্টেবল ক্যাজুয়াল শার্টের বৈচিত্র্যময় আয়োজন। এগুলো তরুণদের তো বটেই, যেকোনো বয়সী পুরুষকে দিনভর ব্যস্ততার মাঝে স্বাচ্ছন্দ্য দেবে। পাশাপাশি নতুন কালেকশনের এসব ক্যাজুয়াল শার্ট আনবে ক্যাজুয়াল ক্লাসি লুকও।

অতি গরমে আজকাল অনেক অফিসে ড্রেস কোডের বাধ্যবাধকতা থাকে না। সে ক্ষেত্রে অনায়াসেই বেছে নিতে পারেন এসব শার্ট। গরমের বিষয়টি মাথায় রেখে প্রিমিয়াম কটন, জ্যাকার্ড কটন, টু-টোন, ভয়েলের মতো আরামদায়ক কাপড়ে তৈরি শার্টগুলো বেশ দৃষ্টিন্দন্দন।
এগুলো পরে অফিস ছাড়াও ক্যাজুয়াল আর সেমিফরমাল লুকে- পার্টি, ডে আউট বা বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডায় দিন কিংবা রাত- রিলাক্সড থাকা যাবে সবসময়।

রঙের ক্ষেত্রে উজ্জ্বলের পাশাপাশি হালকা শেড রয়েছে শার্টগুলোতে। নকশায় মানানসই ফ্লোরাল, ট্রপিক্যাল, ট্রাইবাল, টেরাকোটা, মান্ডালা ছাড়াও অন্যান্য প্রিন্টের ব্যাবহার হয়েছে, যা সংগ্রহে রাখার মতো। ডেনিম জিন্স, ফরমাল প্যান্ট অথবা চিনোসের সঙ্গে ভালো মানিয়ে যাবে শার্টগুলো।
আরামদায়ক, ফ্যাশনেবল ও সাধ্যের মধ্যে থাকবে এমনি ক্যাজুয়াল শার্টের একটি বড় কালেকশন কে ক্র্যাফটের সকল শো-রুম ছাড়াও অনলাইন শপ www.kaykraft.com থেকে অর্ডার করা যাবে। এগুলো মিলবে ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকায়।
গরমে আরাম রঙ বাংলাদেশ-এর টিশার্টে
সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে সারাদেশে অসহ্য দাবদাহ, অসহনীয় গরম; সব মিলিয়ে জনজীবন অতিষ্ট। গরমে বাহিরে বের হওয়ার জন্য আরামদায়ক পোশাক এবং সেই পোশাকের রঙ দুইটাই খুব গুরুত্বপূর্ণ।
রঙ বাংলাদেশ সব সময়েই সময়, স্থান, কাল, পাত্র বিবেচনায় পোশাক তৈরি করে থাকে। আর এসব আরামদায়ক পোশাক থাকে ক্রেতাদের চাহিদার শীর্ষে।
গরমের জন্য টিশার্ট সব সময়েই পছন্দের তালিকায় থাকে সবার। ঢিলেঢালা হালকা রঙের এই পোশাক গরমে স্বস্তিদায়ক। এবার বিভিন্ন নকশা ও রঙের টিশার্ট এনেছে ‘রঙ বাংলাদেশ’। সৃজনশীল ডিজাইনের বিভিন্ন প্রকার স্কিনপ্রিন্ট, ডিজিটাল প্রিন্ট, ফ্লক প্রিন্ট, স্টিকার প্রিন্ট টিশার্টগুলোকে করেছে আরো আকর্ষণীয়।

রঙ -এর সুতি কাপড় পরতে সবসময়েই আরামদায়ক। পাশাপাশি কাপড় তৈরিতে সুতা থেকে ডায়িং-সুইং করে প্রস্তুতের সকল ধাপেই থাকে রঙ বাংলাদেশ- এর নিজস্বতা। এ ছাড়াও সবক্ষেত্রেই সর্বোচ্চ কোয়ালিটি থাকছে প্রতিটি পদক্ষেপে- প্রতিটি পন্যে।
বড়দের ও শিশুদের একই ডিজাইনের ম্যাচিং টিশার্ট, পলো টিশার্টও পাওয়া যাবে ‘রঙ বাংলাদেশ’- এর ঢাকা ও ঢাকার বাহিরের প্রতিটি আউটলেটে। ঘরে বসে কেনাকাটার জন্য রয়েছে ই-কমার্স সাইট www.rang-bd.com এবং ফেসবুক পেজ www.facebook.com/rangbangladesh । যেকোন প্রয়োজনে ফোন / হোয়াটসঅ্যাপে রয়েছে সাহায্যকারী 01777744344 এবং 01799998877 নম্বরে।
রবীন্দ্র জয়ন্তীতে কে ক্র্যাফট- এর বিশেষ আয়োজন
সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
আসছে ২৫শে বৈশাখ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিবস। দিনটি উদযাপিত হয় বিশেষ আনুষ্ঠানিকতা, শ্রদ্ধা ও আবেগে। দেশের অন্যতম প্রধান ফ্যাশন হাউস কে ক্র্যাফট এই রবীন্দ্র জয়ন্তীকে কেন্দ্র করে নিয়ে এসেছে বিশেষ পোশাক।

ঠাকুর পরিবারের পোশাক-পরিচ্ছদের অনুপ্রেরণায় শাড়ি ও পাঞ্জাবি নিয়ে যুগল পোশাক থাকছে এই প্রচেষ্টায়। এ ছাড়াও থাকছে ফতুয়া। কবির কিছু গানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ক্যালিওগ্রাফি ও খসড়া আর্টের উপস্থাপন থাকছে এবারের বিশেষ এই আয়োজনে।

বর্তমান সময়ের আবহাওয়াকে বিবেচনায় রেখে জ্যাকার্ড কটন, হাফ সিল্ক ও লিনেন কাপড় নির্বাচন করা হয়েছে, যা হবে আরামদায়ক। টেন, লাইট ব্রাউন, অফ হোয়াইট, ব্রিক রেড রঙের কাপড়ে হালকা কাজের মাধ্যমে করা হয়েছে এ সকল পোশাক।
রবীন্দ্র জয়ন্তী নিয়ে বিশেষ এই আয়োজনের পোশাক পাওয়া যাবে কে ক্র্যাফটের সকল শোরুম ও অনলাইন স্টোর kaykraft.com-এ।
‘রঙ বাংলাদেশ’ -এ চলছে ‘হিট ওয়েভ সেল’
সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
কেনাকাটায় সাশ্রয়ী দিক বিবেচনায় ‘রঙ বাংলাদেশ’ নিয়ে এলো স্পেশাল অফার! ‘𝗛𝗲𝗮𝘁 𝗪𝗮𝘃𝗲 𝗦𝗮𝗹𝗲- যত ডিগ্রি তাপমাত্রা, তত শতাংশ ছাড়’! তাপমাত্রা যত ডিগ্রি সেলসিয়াস, ছাড় পাবেন ঠিক তত শতাংশ। তবে এ সুযোগ শুধুমাত্র অনলাইন কেনাকাটায়।
সারাদেশের তাপমাত্রা যেহেতু জায়গাভেদে আলাদা হয়, তাই যখন যিনি যে জায়গা থেকে অর্ডার করছেন, তখন তার জন্য নির্দিষ্ট পণ্যে ঠিক তত শতাংশ ছাড় দেওয়া হবে। কোনো জেলায় ৪৩ ডিগ্রি হলে, সে ৪৩ শতাংশ পাবে। ২৮ ডিগ্রি হলে সে ২৮ ডিগ্রি পাবে।
ঘরে বসেই অর্ডার করুন রঙ বাংলাদেশ-এর অফিশিয়াল ফেসবুক পেজ www.facebook.com/rangbangladesh অথবা ওয়েবসাইট- www.rang-bd.com থেকে। অর্ডার করতে মেসেজ করুন অথবা যোগাযোগ করুন হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে 01777-744344, 01799-998877 ।
মুক্তিযুদ্ধে সম্ভ্রমযোদ্ধা নারীর অজানা গল্প এই বই
সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
১৯৭১ সালে স্বাধীনতা সংগ্রামে নির্যাতিত নারীর চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য ১৯৭২ সালে স্থাপিত হয় ‘সেবাসদন’। এখানকার অন্যতম চিকিৎসক ছিলেন ডা. হালিদা হানুম আখতার।
এই সেবাসদন ও নির্যাতিতদের নিয়ে স্মৃতিচারণমূলক বই লিখেছেন ডা. হালিদা। ‘সম্ভ্রমযোদ্ধা: সেবাসদন ও একজন ডা. হালিদা’ নামের বইটির মোড়ক উন্মোচন ২০২৪- এর ‘একুশে বই মেলায়’ হলেও, গত ২০ এপ্রিল সকালে, বাংলা একাডেমির কবি শামসুর রহমান হলে আড়ম্বরপূর্ণভাবে এটি প্রকাশ হয়।
বইটি সম্পর্কে আলোচনা করেন- প্রথম আলোর যুগ্ম সম্পাদক সোহরাব হাসান, মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে জাতীয় নারী পুনর্বাসন বোর্ডের প্রকল্প পরিচালক শিরিন জাহাঙ্গীর, গণস্বাস্থ্য কমিউনিটি বেইজড ক্যানসার হাসপাতালের প্রিভেনটিভ অনকোলজি বিভাগীয় প্রধান ডা. মো. হাবিবুল্লাহ তালুকদার, সাহিত্যিক মনসুর মূসা, ওয়াটারএইড-এর আঞ্চলিক পরিচালক ডা. খাইরুল ইসলাম, বাংলা একাডেমির পরিচালক ড. একেএম মুজাহিদুল ইসলাম, চ্যানেল আইয়ের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জান্নাতুল বাকেয়া কেকা সহ অন্যান্যরা।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করা এবং যৌন নির্যাতনের শিকার হওয়া নারীদের অবদান আমাদের স্বাধীনতা অর্জনের পেছনে একটা বড় ভূমিকা রেখেছে। তবে যারা পাক বাহিনীর মাধ্যমে ধর্ষণের শিকার হয়েছে, তারা বীরাঙ্গনা উপাধি পেলেও পারিবারিক ও সামাজিকভাবে সবসময় লাঞ্ছনার শিকার হয়েছে। এসব সম্ভ্রমযোদ্ধা নারীর অবদানকে সম্মান জানানো ছাড়া দেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস অসম্পূর্ণ থেকে যাবে।
ডা. হালিদার বইটির সাফল্য কামনা করে বক্তারা আরো বলেন, সম্ভ্রমযোদ্ধাদের নিয়ে ডা. হালিদা এই বইটি লিখে এক বেদনাময় বাস্তব স্মৃতি রোমন্থন করেছেন। সম্ভ্রমযোদ্ধাদের তিনি বাঁচিয়ে রাখতে চেয়েছেন। তাদের কষ্টের কণ্টকমালা গাঁথতে চেয়েছেন, যা ইতিহাসের দলিল হয়ে থাকবে পরবর্তী প্রজন্মের কাছে।
অনুষ্ঠানে সভাপতি হিসেবে ছিলেন প্রখ্যাত স্ত্রী রোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. আ হ ম তৌহিদুল আনোয়ার চৌধুরী। প্রধান অতিথির আসন অলংকৃত করেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক মুহম্মদ নূরুল হুদা।
বিশিষ্ট নারী ও প্রজনন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. হালিদা হানুম আখতার ২০২৩ সালে নারী অধিকার প্রতিষ্ঠায় বিশেষ অবদানের জন্য ‘রোকেয়া পদক’ এবং বাংলা একাডেমির ‘সাম্মানিক ফেলোশিপ’ পান। জনস হপকিনস ইউনিভার্সিটির এই অধ্যাপক জন্মনিয়ন্ত্রণ, ব্রেস্ট ফিডিং, মাতৃমৃত্যু ও অসুস্থতা, গর্ভপাত এবং কিশোরী প্রজনন স্বাস্থ্য ও পুষ্টির ওপর গবেষণা কার্যক্রমের কারণে দেশে-বিদেশে ব্যাপক প্রশংসিত। বাংলাদেশে সূর্যের হাসি স্বাস্থ্যসেবায় তাঁর ভূমিকা অনন্য।
গরমে সুস্থ থাকতে মেনে চলুন ৫ বিষয়
ডা. সঞ্জয় শীল
প্রচণ্ড তাপদাহ চলছে। এই গরমে অনেকেই হিট স্ট্রোক ও হিট এক্সোসনের মতো সমস্যায় পড়েন। আমাদের শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে ব্রেনের হাইপোথ্যালামাস। অনেক সময় অতিরিক্ত গরমের কারণে এই নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়লে এসব সমস্যা হয়।
গরম জনিত অসুস্থতার লক্ষণ
- হঠাৎ করে প্রচণ্ড গরম অনুভব করা
- প্রচণ্ড ঘাম হওয়া
- শরীর লাল হয়ে যাওয়া
- শরীর অনেক গরম কিংবা অনেক ঠান্ডা হয়ে যাওয়া
- কিছু ক্ষেত্রে ঘাম বন্ধ হয়ে যাওয়া
- মাথাব্যথা
- দৃষ্টিভ্রম
- হার্টরেট বেড়ে যাওয়া
- চিন্তা শক্তি এলোমেলো হওয়া ইত্যাদি।
প্রতিরোধ
এসব সমস্যা প্রতিরোধে কিছু বাড়তি সতকর্তা মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি।
১. যতটা সময় পারা যায় সূর্যালোক এড়িয়ে চলুন। প্রয়োজন না হলে ঘরের বাইরে যাবেন না; গেলেও ছাতা, পানি সঙ্গে রাখুন।
২. প্রতিঘণ্টায় অন্তত এক কাপ পানি পান করার অভ্যাস করুন। কফি, চিনি দেওয়া শরবত, চা, কোল্ড ড্রিংকস এড়িয়ে চলুন। এগুলো পানিশূন্যতা বাড়ায়।
৩. পরিমিত পরিমাণে ফলের রস, তাজা ফলমুল, ডাব খান। শরীরে পানি স্প্রে করুন। অন্তত দুই থেকে তিন বার গোসল করুন এবং শরীর মোছার অভ্যাস করুন।
৪. কেউ অতিরিক্ত গরমে অজ্ঞান হয়ে গেলে বগলের নিচে, কুচকির ভাজে বরফ দিন; ঠান্ডা পানি দিয়ে শরীর স্পঞ্জ করুন এবং দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যান।
৫. শিশু ও প্রবীণদের অতিরিক্ত যত্ন নিন। পাশাপাশি কিডনি ও হার্টের রোগীদের স্বাস্থ্যের প্রতি বাড়তি নজর দিন।
লেখক :
রেসিডেন্ট ইন কার্ডিওলজি ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ;
ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতাল।
গরমে উৎসব, হালকা সাজেই আরাম
সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
রমজানের ঈদ ও পহেলা বৈশাখ এবার কাছাকাছি সময়ে। আর এই দুটো উৎসবই এবার পড়ছে গরমের ভেতর। উৎসবে নতুন সাজ-পোশাক হবে এটাই তো স্বাভাবিক। তবে যেহেতু গরম-বৃষ্টির একটি বিষয় রয়েছে আবহাওয়াতে, তাই হালকা সাজেই আরাম মিলবে।
‘হালকা সাজে যেমন আপনাকে স্নিগ্ধ দেখাবে, তেমনি নিজের ও অন্যের চোখকেও আরাম দেবে’, বলছিলেন বিন্দিয়া এক্সক্লুসিভ বিউটি কেয়ারের কর্ণধার রূপবিশেষজ্ঞ শারমিন কচি।
দিনের সাজ
গরমে-উৎসবে হালকা সাজের বিষয়ে রূপবিশেষজ্ঞ শারমিন কচি বলেন, ঈদ বা পহেলা বৈশাখের দিনেরবেলা হালকা সাজের ক্ষেত্রে প্রথমে মুখে ময়েশ্চারাইজার লাগান। এবার পর পর প্রাইমার ও ফেসপাউডার মাখুন। মেকআপ সামান্য ভারি করতে চাইলে কমপ্যাক্ট বুলিয়ে নিন।’
এবার চোখ সাজানোর পালা। কিছু রং থাকে, যা প্রায় সব পোশাকের সঙ্গে মানিয়ে যায়। আর এই রঙগুলো ব্যবহার করলে খুব বেশি শ্যাড দেওয়ার প্রয়োজনও পরে না। যেমন : সোনালি, ব্রোঞ্জ, বাদামি, গোলাপি ইত্যাদি। পোশাকের সঙ্গে মিলবে বা কাছাকাছি যাবে, এটা মাথায় রেখে শ্যাডগুলো ব্যবহার করে নিন। এরপর আইলাইনার ব্যবহার করুন। কেউ চাইলে কাজলও পরতে পারেন। তবে যা-ই ব্যবহার করুন না কেন, মাশকারা দিতে হবে ঘন করে। এতে চোখ ফুটে উঠবে।
গালে ব্লাশনের ক্ষেত্রে হালকা বাদামি বা গোলাপি রং বেছে নিন, পরামর্শ দিয়ে রূপবিশেষজ্ঞ শারমিন কচি বলেন, ‘চিক বোন অবশ্যই হাইলাইট করতে হবে। লিপস্টিকের ক্ষেত্রে গাঢ় ও বাদামি রং মিলিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। প্যাস্টেল পিচ বা ক্যান্ডেল লাইট পিচও ভালো মানাবে। এতে সিগ্ধ লাগবে।’

রাতের সাজ
ঈদে বা পহেলা বৈশাখের রাতের সাজে হালকার ওপর একটু গর্জিয়াস লুক আনতে পারেন। তবে যেহেতু গরম প্রচুর তাই হালকাভাবে সাজলেই আরাম পাবেন। এ ক্ষেত্রে বেস মেকআপে ময়েশ্চারাইজার ও ফাউন্ডেশন ব্যবহারের পর বিবি বা সিসি ক্রিম লাগান। একে ভালোভাবে সেট করতে লুজ পাওডার ব্যবহার করুন। এরপর কন্টুর করুন। চোখে ব্যবহার করুন ব্রোঞ্জ বা সোনালি রং। ব্লাশনের ক্ষেত্রে টিন্ট রং ব্যবহার করলে ভালো লাগবে- জানান রূপবিশেষজ্ঞ শারমিন কচি।
চুলের সাজ
টপস, কুর্তি, ওয়াস পিস পরলে চুল সামনে টুইস্ট করে পেছনে পনিটেইল করা যেতে পারে, পরামর্শ দিয়ে শারমিন কচি বলেন, ‘আবার পেছনের অংশে টুইস্ট ও হালকা বেণি করে ছেড়ে রাখা যায়। শাড়ি পরলে হাতখোঁপা মানাবে। সঙ্গে দিতে পারেন ফুল। শাড়ি পরলে টিপ মাস্ট। না হলে সাজটা অপূর্ণ লাগে।’
আসলে উৎসবে সাজের ক্ষেত্রে কোথায় যাচ্ছি, পোশাকটা কী রকম পরছি, কোন কাজগুলো করছি, এগুলো বেশ গুরুত্বপূর্ণ। সে অনুযায়ী সাজ-পোশাক হলেই আরাম পাবেন এবং উৎসবও আনন্দে কাটানো যাবে।


