Thursday, May 28, 2026
spot_img
Home Blog Page 58

ঈদে মাত্র ৪৯৯ টাকায় ফেসিয়াল !

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

এবারের রমজানের ঈদকে সামনে রেখে ফেসিয়ালে ছাড় দিচ্ছে বিউটি স্যালন ‘প্রিটি লেডি বাই সোনিয়া খান’। এখান থেকে ফেসিয়াল করা যাবে মাত্র ৪৯৯ টাকায়। এই অফার চলবে ২৯ মার্চ পর্যন্ত।

প্রিটি লেডি বাই সোনিয়া খানের কর্ণধার, রূপবিশেষজ্ঞ সোনিয়া খান জানান, ঈদ উপলক্ষে আমাদের অনেকগুলো অফার চলছে। ২৭ মার্চ পর্যন্ত হেয়ার কাটের ওপর অফার ছিল। মাত্র ৯৯ টাকায় আমরা চুল কাটিয়েছি। আর এখনকার অফারটি চলছে ফেসিয়ালের ওপর।

প্রিটি লেডি বাই সোনিয়া খান সবসময়ই চেষ্টা করে ক্লাইন্টদের চাহিদা অনুযায়ী সেবা দিতে জানিয়ে সোনিয়া খান বলেন, ‘ক্লাইন্টদের সন্তুষ্টিতেই আমাদের সন্তুষ্টি। নির্দিষ্ট এই অফারগুলোর বাইরেও বিভিন্ন সেবাতে আমাদের বিশেষ মূল্যছাড় রয়েছে। ক্লাইন্টরা সেগুলো যেকোনো সময় নিতে পারেন।’

প্রিটি লেডি বাই সোনিয়া খানের ঠিকানা :

House-43, Road-6, Block-c, Niketon, GULSHAN, Dhaka, Bangladesh ; 01671-719149

গর্ভাবস্থা ও প্রসবের সময় মাতৃমৃত্যু : কারণ ও করণীয়

ডা. হালিদা হানুম আখতার

প্রতি বছর পাঁচ হাজারের ওপর মাকে আমরা গর্ভের কারণে হারাচ্ছি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলে, এতোগুলো মাকে হারানোর বিষয়টি প্রতিরোধ করা যায়। এই মৃত্যুগুলো প্রতিরোধযোগ্য।সঠিকভাবে সেবা দেওয়া হলে মাকে আর মরতে হবে না।

মাতৃমৃত্যুর কারণ

অতিরিক্ত রক্তপাত

গবেষণায় দেখা গেছে, সবচেয়ে বড় জটিলতা হলো, অতিরিক্ত রক্তপাত বা হেমোরেজ। প্রসব হওয়ার সময় বা প্রসবের একটু আগে বা পরে অতিরিক্ত রক্তপাতের কারণে, প্রায় ৩১ শতাংশ মা মারা যায়।

খিঁচুনি

মাতৃমৃত্যুর আরেকটি কারণ খিঁচুনি। প্রায় ২৫ শতাংশ মা এই কারণে মারা যায়। একে আমরা একলামসিয়াও বলি। এই সময় রক্তচাপ বেড়ে যায়, প্রস্রাবের মধ্যে অ্যালবুমিন চলে আসে। সে চোখে অন্ধকার দেখতে থাকে। এগুলোকে প্রি অ্যাকলামটিক টক্সিমিয়া বলে। গর্ভের কারণে যে টক্সিমিয়া হয়, এর জন্য এই জটিলতাগুলো হচ্ছে। জটিলতাটা হলো, খিঁচুনি। এর কারণে মা মারা যেতে পারে। তাঁঁর পেটের ভেতরের সন্তান, প্রসবের আগেও মারা যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

গর্ভপাতের জটিলতা

মাতৃমৃত্যুর আরেকটি বড় কারণ হলো, গর্ভপাতের জটিলতা। কোনো মা গর্ভের সন্তান রাখতে না চাইলে অনেক সময় অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভপাতের মতো ঘটনা ঘটে। সে গর্ভটি অপসারণের জন্য হয়তো বিভিন্ন জায়গায় যায়। প্রশিক্ষণ নেই, এই রকম ব্যক্তির কাছে যাচ্ছে, তখন সে কারণে মৃত্যু হচ্ছে। এই রকম মৃত্যুর সাত শতাংশ। একশ জন মা মারা গেলে সাতজন মারা যায় গর্ভপাতের জটিলতার কারণে।

অন্যান্য কারণ

এ ছাড়া ২০ শতাংশ মা অন্যান্য সমস্যার কারণে মারা যায়। যেমন : গর্ভধারণের কারণে ডায়াবেটিস বেড়ে যেতে পারে, হার্টের সমস্যা থাকলে, সেটা বেড়ে যেতে পারে। এসব কারণে মৃত্যুগুলো ঘটে। একে আমরা পরক্ষ্য কারণ বলি।

করণীয়

প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ব্যক্তির কাছে অ্যান্টিনেটাল চেকআপ

গর্ভের সময় একজন মাকে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত ব্যক্তির কাছে গিয়ে সেবা নিতে হবে। অন্তত চারটি অ্যান্টিনেটাল কেয়ার প্রয়োজন। এই সেবার মধ্যে থাকছে- তাঁর চেকআপ করা; তাঁর রক্তচাপের অবস্থা দেখা; তাঁর সন্তানটি গর্ভের বয়স অনুযায়ী বাড়ছে কি না সেটি দেখা; তাঁর অন্য কোনো সমস্যা রয়েছে কি না, সেটি চেকআপ করা।

সমস্যা দেখা দিলে চিকিৎসা নেওয়া

কোনো সমস্যা দেখা দিলে, যেমন- ব্লাড প্রেশার বেড়ে গেলে, সে অনুযায়ী ওষুধ দিতে হবে। খিঁচুনির পূর্বাভাস দেখা দিলে, প্রস্রাবের মধ্যে অ্যালবুমিন আসলে চিকিৎসা নিতে হবে। অল্প রক্তচাপ, অ্যালবুমিন ধরা পড়লে চিকিৎসা দিয়ে কমিয়ে আনা সম্ভব।

বাড়িতে প্রসব না করানোই ভালো

৫০ শতাংশ মা অ্যান্টিনেটাল কেয়ার নেওয়ার পর হাসপাতালে প্রসব হচ্ছে। অপরদিকে ৫০ শতাংশ মায়ের এখনো বাড়িতে প্রসব হয়। দাই বা আত্মীয়-স্বজন, প্রবীণ মানুষ হয়তো মায়ের প্রসব করাচ্ছে। তাদের হয়তো কোনো ধরনের আধুনিক প্রশিক্ষণ নেই। এতে শিশুটিকে টানা-হেঁচড়া শুরু হয়। শিশুটি কষ্ট পায়, পেটের মধ্যে মারা যায়। অথবা সে হয়তো বের হয়ে আসলো, কিন্তু ফুল বের হচ্ছে না। তখন হয়তো হাত দিয়ে খাঁমচি দিয়ে এটি বের করে আনা হয়। এতে মা রক্তপাত হয়ে মারা যায়। এসব জ্ঞান না থাকার কারণে বাড়িতে প্রসব হলে ২৮ শতাংশ মরা বাচ্চা হয়। তাই বাড়িতে প্রসব করানো যাবে না। আর করাতেই হলে একেবারে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে আনতে হবে। খুব প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ব্যক্তি বাড়িতে ডেলিভারি করাতে চাইবে না। সুতরাং যেখানে ডেলিভারি হয়, এমন জায়গায় চেকআপ বা অ্যান্টিনেটাল কেয়ার করতে হবে। সময়মতো সেখানে গিয়ে প্রসব করাতে হবে। তাহলে আমরা এই মাতৃমৃত্যু কমিয়ে নিয়ে আসতে পারবো।

যে পরিবারের নারী সন্তানসম্ভবা সেখানে প্রত্যেকের একটি দায়িত্ব নিতে হবে, তাহলে মাকে মৃত্যু থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে এবং শিশুকেও রক্ষা করা সম্ভব হবে।

লেখক :
রোকেয়া পদকে ভূষিত বিশিষ্ট নারী ও প্রজনন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ

আকর্ষণীয় ঈদ কালেকশন নিয়ে কে ক্র্যাফট

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

মুসলমানের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদ। পরিবার-পরিজন, বন্ধু-বান্ধব সকলকে নিয়ে ঈদ আনন্দে মাতবে সবাই। এই দিনটি আসে আনন্দের সহযাত্রী হয়ে।

সবচেয়ে বড় উৎসব বলে কথা, তাই ঈদকে ঘিরে আগে থেকেই শুরু হয় পোশাক নিয়ে ভাবনা। শিশু থেকে শুরু করে সকল বয়সী ক্রেতা, শুভানুধ্যায়ীদের প্রত্যাশিত নতুন কিছু দেবার জন্য কে ক্র্যাফট ইতােমধ্যে ঈদ আয়োজনের পোশাক নিয়ে হাজির হয়েছে।

ঈদের সকাল, বিকেল ও সন্ধ্যার পোশাকে ক্যাজুয়াল কিংবা এক্সক্লুসিভ সবই মিলবে এবার। অবশ্যই হবে আবহাওয়া ও পরিবেশ উপযোগী ও স্বাচ্ছন্দময়।

বিভিন্ন মোটিফের বিচিত্র ব্যবহার তুলে ধরা হয়েছে পোশাকে। ফ্লোরাল, জিওমেট্রিক, মুঘল, কাশ্মীরি, ইউক্রেনিয়ান, বেলারুশ, ইজিপ্সিয়ান, রাগ’স-এর বিভিন্ন মোটিফ অনুপ্রেরণায় এবারের সিরিজ পোশাক। এ ছাড়া ট্র্যাডিশনাল, ট্রাইবাল, ফোক, জামদানি, ওরিয়েন্টাল, আলাম, মিক্সড সহ নানা মোটিফ ফুটিয়ে তুলতে হাতের কাজ, অ্যাময়ড্রারি, কারচুপি, স্ক্রিন ও ব্লক প্রিন্ট, সিকুইন ওয়ার্ক, ডিজিটাল প্রিন্ট ও টাই-ডাই মিডিয়ার ব্যবহার হয়েছে।

কাট, প্যাটার্ন ও নকশার সমন্বয়ে করা পোশাকের জন্য ফ্যাব্রিক নির্বাচন করা হয়েছে উৎসব মুখর পরিবেশ ও স্বস্তিতে থাকাকে প্রাধান্য দিয়ে। বৈচিত্র্যময় রঙ নির্বাচন করে থাকছে- কটন, জ্যাকার্ড কটন, জর্জেট, লিনেন, সিল্ক, হাফ সিল্ক, দুবাই সিল্ক, অরগানজা, ডুপিয়ন সিল্ক, মমো সিল্ক, সুইস কটন, ভিসকজ, নীব কটন, এলেক্স, টু-টোন, সাটিন ফ্যাব্রিক।

মেয়েদের জন্য ট্র্যাডিশনাল, ক্ল্যাসিক, এথনিক, রেট্রো, ফিউশন, ইয়ক বেইজ’ড, লং প্যাটার্ন সহ বিভিন্ন প্যাটার্নের পোশাক সারিতে থাকছে- সালোয়ার কামিজ, ডাবল লেয়ার্ড সালোয়ার কামিজ, লং-কুর্তি, রেগুলার কুর্তি, টপস্, ডাবল লেয়ার্ড কুর্তি, টিউনিক, কাফটান,প্যান্ট সহ টপস-স্কার্ট, টপস-পালাজো সেট ও বিভিন্ন প্যাটার্নের প্যান্ট।

ছবি : কে ক্র্যাফট
ছবি : কে ক্র্যাফট

এ ছাড়া ঈদকে সামনে রেখে কটন, সিল্ক, হাফ সিল্ক, মসলিন, খাদি মসলিন শাড়ির বৈচিত্রপূর্ণ ডিজাইনের একটি বড় আয়োজন থাকছে। নিজস্ব ডিজাইনের শাড়িতে বিশেষভাবে ট্র্যাডিশনাল, মানডালা, মুঘল, ফ্লোরাল, জামদানি, ওরিয়েন্টাল, পেইস’লে, টামজারা ও মিক্সড মোটিফের ব্যবহার, কালার কম্বিনেশন ও ভ্যালু অ্যাডিশনে নানা মিডিয়ার ব্যবহার সকলের দৃষ্টি কাড়বে।

ছেলেদের জন্য রয়েছে পছন্দের ব্র্যান্ড কে ক্র্যাফটের রেগুলার ও ফিটেড পাঞ্জাবি। এ ছাড়াও রয়েছে কাট বেইজ’ড এক রঙা পাঞ্জাবিও। এ ছাড়াও পাওয়া যাবে রেগুলার ও স্লিম ফিট ক্যাজুয়াল শার্ট, এথনিক শার্ট, শেরওয়ানি, কটি, ফতুয়া, পলো শার্ট ও টি শার্ট।

মেয়ে শিশুদের জন্য উৎসব ভিত্তিক পোশাকে থাকছে- সালওয়ার কামিজ, ফ্রক, কুর্তি, টপস, কাফটান, লেহেঙ্গা সেট, টপস সেট, স্কার্ট, পার্টি ফ্রক, টপস-কটি সেট,পালাজো। ছোট ছেলেদের পোশাক আয়োজনে নানা রঙের পাঞ্জাবি, হাফহাতা কাট এর শার্ট ও ফতুয়া। শিশুদের পছন্দ হবে বা ভালো লাগবে তাই প্রাধান্য পাচ্ছে এবার। শিশুদের পোশাকে প্যাটার্ন, ফ্যাব্রিক এবং রঙের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্যাটার্নে ভিন্নতা ও রঙে উৎসবের আমেজ বহন করবে।

ছবি : কে ক্র্যাফট
ছবি : কে ক্র্যাফট

এ ছাড়াও ছোট মেয়েরা বোন অথবা মায়ের সঙ্গে মিলিয়ে পরার জন্য সালওয়ার কামিজ, কুর্তি এবং বাবা ও ছেলের জন্য পাঞ্জাবি, শার্ট, ফতুয়া থাকবে বরাবরের মত। এবারে যুগলদের জন্য থাকবে বিশেষ আয়োজন।

কে ক্র্যাফটের ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, খুলনা, কুমিল্লার সকল শো-রুম ছাড়াও অনলাইন শপ kaykraft.com থেকে ঈদ আয়োজন-এর পোশাক কিনতে পারেন সাশ্রয়ী মূল্যে। এ ছাড়া ফেসবুক পেজ থেকেও অর্ডার করা যাবে।”

ঈদ আয়োজনে ‘রঙ বাংলাদেশ’-এ কী থাকছে ?

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

বছরের সবচেয়ে বড় উৎসব রমজানের ঈদ। ঈদের আনন্দকে আরও বেশি উৎসবমুখর ও রঙিন করে তুলতে দেশের শীর্ষসারির ফ্যাশন ব্র্যান্ড রঙ বাংলাদেশ প্রস্তুতি নিয়েছে ব্যাপক।
প্রতিবারের মতো এবারও থিমনির্ভর কালেকশন তৈরি করেছে রঙ বাংলাদেশ। এই বছরের মূল থিম ক্লাসিক্যাল ফোর এলিমেন্টস।

আগুন, পানি, মাটি ও বাতাস- গ্রিক মিথোলজি মতে, এই চার উপাদানে গঠিত হয়েছে বিশ্বব্রহ্মাণ্ড। প্রতিটি উপাদানের রয়েছে আলাদা প্রতীক ও সত্তা; রঙও রয়েছে আলাদা। মাটি, আগুন, পানি ও বাতাসের বিভিন্ন রূপ-বৈচিত্র্যের চমৎকার বিন্যাস ঘটানো হয়েছে এই আয়োজনের রঙ ও নকশায়। তাই প্রতিটি পোশাক হয়ে উঠেছে আকর্ষণীয়, নান্দনিক ও উৎসবমুখী। এ ছাড়াও পাখির রঙ, আলপনা ও জিওমেট্রিক থিমে সামগ্রি তৈরি করা হয়েছে এবারের ঈদে।

পোশাক নকশায় গুরুত্ব পেয়েছে বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও ধর্মীয় আবহ। এর সঙ্গে সময়, প্রকৃতি, আবহাওয়া আর আন্তর্জাতিক ট্রেন্ডকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এবারের ঈদ কালেকশন তৈরি করা হয়েছে আরামদায়ক কাপড়ে। বিভিন্ন ধরনের কটন, স্লাব কটন, জ্যাকার্ড কটন, লিনেন, হাফসিল্ক, জর্জেট, ভিসকস, বারফি কাপড় দিয়ে পোশাকগুলো করা হয়েছে।

মূল রং হিসাবে বেছে নেওয়া হয়েছে মেরুন, নীল, ফিরোজা, আকাশি, ব্রাউন, লাল, লাইট অরেঞ্জ, কফি, ডিপ সবুজ। পোশাকের নকশাকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে নানা ভ্যালু অ্যাডেড মিডিয়ার ব্যবহারে। বিভিন্ন আধুনিক ও ঐতিহ্যগত প্যাটার্নের কাট অ্যান্ড সুইং ছাড়াও রয়েছে স্ক্রিন প্রিন্ট, ব্লক প্রিন্ট, হাতের কাজ, এমব্রয়ডারি ও কারচুপি কাজের ব্যবহার।

 ছবি : রঙ বাংলাদেশ

ছবি : রঙ বাংলাদেশ

কেবল বড়দের নয়, ঈদে ছোটদের পোশাককে সমান গুরুত্ব দিয়ে তৈরি করা হয়েছে বাচ্চাদের আকর্ষণীয় পোশাক। রয়েছে পরিবারের সবার জন্যে একই ধরনের ম্যাচিং পোশাক। এতে বাবা-মা, মা-মেয়ে, বাবা-ছেলে এমনকি পরিবারের সবাই একই ডিজাইন বা থিমের পোশাক পড়ে উদযাপন করতে পারবে এবারের ঈদ উৎসব।

এ ছাড়াও আমাদের সাব ব্র্যান্ড হিসাবে থাকছে- তরুণ প্রজন্মের পছন্দকে মাথায় রেখে তৈরি করা ওয়েস্ট রঙের পোশাক, বয়োজ্যেষ্ঠদের আপন ভুবন শ্রদ্ধাঞ্জলি আর শিশুতোষ ফ্যাশনের আনন্দময় জগত রঙ জুনিয়র- এর ঈদ আয়োজন।

সকল ক্রেতাসাধারণের কথা বিবেচনা করে পোশাকের মূল্যও রাখা হয়েছে ক্রয়সাধ্যের মধ্যে। এ ছাড়াও রয়েছে অনেক রকম অফার, আপনজনকে উপহার দিতে রয়েছে ঈদি গিফট ভাউচার। ঈদ আয়োজনকে ঘিরে যেকোনো অনুষ্ঠান বা আয়োজনের জন্য সবাই মিলে একই রকম পোশাক পরতে পাইকারি দামেও পাওয়া যাবে পোশাক। কর্পোরেট প্রোগ্রাম বা যেকোনো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সব ধরনের আয়োজনেই রঙ বাংলাদেশ-এর পোশাক ক্রেতাকে আকর্ষণ করবে।

রঙ বাংলাদেশ- এর ঢাকা ও ঢাকার বাহিরের সকল আউটলেটেই পাওয়া যাবে এই ঈদ আয়োজনের সামগ্রী। এ ছাড়া ঈদ আয়োজনের সকল পণ্যই পাবেন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে। ভিজিট করুন www.rang-bd.com অথবা রঙ বাংলাদেশের ফেসবুক পেজ www.facebook.com/rangbangladesh । আপনার অর্ডার করা পছন্দসই ‘রঙ বাংলাদেশ’- এর পণ্য সম্পূর্ণ সুরক্ষায় পৌঁছে যাবে আপনার ঘরে। যেকোনো প্রয়োজনে ফোন / হোয়াটসঅ্যাপে রয়েছে সাহায্যকারী 01777744344 এবং 01799998877 নম্বরে ।

ছবি : রঙ বাংলাদেশ
ছবি : রঙ বাংলাদেশ

এবারের সংগ্রহে রয়েছে

মেয়েদের পোশাক 

শাড়ি, থ্রি-পিস, সিঙ্গেল কামিজ, কুর্তি, টিউনিক, টপস, ওড়না, রেডি ব্লাউজ, ব্লাউজপিস, আনস্টিচড থ্রি-পিস, গাউন ইত্যাদি।

ছেলেদের পোশাক

পাঞ্জাবি, পায়জামা, কাতুয়া, কাবলি সেট, শার্ট, টি-শার্ট, পোলো টি-শার্ট, টুপি, উত্তরীয় ইত্যাদি।

ছোটদের পোশাক 

থ্রি-পিস, সিঙ্গেল কামিজ, ফ্রক, স্কার্ট টপস, পাঞ্জাবি, শার্ট, টি-শার্ট । রয়েছে টিনএজারদের উপযোগী টপস্। এ ছাড়া আরো রয়েছে জুয়েলারি, মেয়েদের ব্যাগ, পার্স, লেডিস জুতা, মানিব্যাগ, বেডকাভার, পিলোকাভার, টেবিল ম্যাট, ফ্লোর ম্যাট, শো-পিস, জুট আইটেম। উপহার সামগ্রী হিসাবে রয়েছে নানা ডিজাইনের ব্যাগ ও মগ।

যোগচর্চায় উপকার কী ?

অপরাজিতা অরু

যোগব্যায়াম শব্দটি শুনলে প্রথমেই কল্পনায় আসে ধ্যান বা সাধনারত কোনো শান্ত মুখ। সুস্থ থাকতে হলে যোগাভ্যাসের বিকল্প নেই। সংস্কৃত শব্দ ‘যুজ্’ থেকে এসেছে ‘যোগ’ শব্দটি। এর অর্থ ‘যোগদান করা বা একত্রিত হওয়া’। শরীর ও মনের মেলবন্ধন ঘটায় যোগচর্চা।

মনকে বাদ দিয়ে শরীর এবং শরীরকে বাদ দিয়ে মন কখনো ভালো থাকতে পারে না। তাই যোগই একমাত্র মাধ্যম, যার মধ্য দিয়ে দুটো একসঙ্গে হতে পারে।

যোগের ধরন

যোগব্যায়াম মূলত কী এবং মানবদেহের জন্য কতটা উপকারী, এ বিষয়ে যোগ প্রশিক্ষক জয়াসান ইয়োগা অ্যান্ড ওয়েলনেস সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রশিক্ষক কুশল রায় জয় বলেন, ‘যোগ হচ্ছে একটি সাধনা। যোগের রয়েছে চারটি অংশ। যথা : জ্ঞানযোগ, কর্মযোগ, ভক্তিযোগ, রাজযোগ। সবগুলো অংশ মিলিয়ে যখন একজন মানুষ যোগচর্চা করবে তখন এর সম্পূর্ণ সুফল পাবে।’

জ্ঞানযোগ হচ্ছে অনেকটা যোগাযোগের মতো। বলা হয়, ‘জ্ঞানই শক্তি’। আর এই শক্তিকে মানুষ যখন অন্যদের মাঝে ছড়িয়ে দেয় এবং অন্যদের কাছ থেকে শিখে বা আহরণ করে, তখন এটিকে আমরা জ্ঞানযোগ বলি।

ক্যাপশন : নিয়মিত যোগচর্চা ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করে। ছবি : সংগৃহীত
ক্যাপশন : নিয়মিত যোগচর্চা ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করে। ছবি : সংগৃহীত

সুনির্মল বসুর কবিতায় আমরা পড়েছিলাম, ‘বিশ্বজোড়া পাঠশালা মোর, সবার আমি ছাত্র’। জ্ঞানযোগের ক্ষেত্রে এই লাইগুলো বেশ সম্পর্কিত। জ্ঞান বা শিক্ষা মানুষকে বিনয়ী ও শান্ত করে তোলে। ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করে। এ ক্ষেত্রে দৈনন্দিন জীবনে যোগচর্চাকে রুটিনে রাখাটা বেশ কার্যকর।

কর্মযোগ হলো, কাজের মাধ্যমে বিভিন্ন অভিজ্ঞতা অর্জন করা। আবার ভালো বা সুন্দর কিছুর চর্চা করাই হলো ভক্তিযোগ। সেটা হতে পারে বই পড়া, গান করা বা প্রার্থনা করা। অপরদিকে শরীরকে সুস্থ রাখার জন্য শারীরিক ও মানসিক সাধনাগুলোই রাজযোগ বা হঠযোগ।

যোগবিদ পাতাঞ্জলি মহ আবার যোগাসনকে আটটি ভাগে ভাগ করেছেন। যথা : সংযম, নিয়ম, আসন, প্রাণায়ম ও প্রত্যাহার, ধারণা, ধ্যান ও সমাধি। সাধারণত আসন, প্রাণায়ম ও ধ্যান নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় কাজ করা হয়। আমরা মেডিটেশন নামে যে শব্দটির সঙ্গে পরিচিত, তা এসব যোগেরই অংশ।

যোগচর্চার উপকার

যোগচর্চা মানবদেহের জন্য ভীষণ উপকারী জানিয়ে কুশল রায় জয় বলেন, ‘যাদের অতিরিক্ত ওজনের কারণে শারীরিক কোনো ব্যায়াম করা সম্ভব হয় না, তারা প্রাণায়ম অর্থ্যাৎ নিঃশ্বাসের ব্যায়ামের মাধ্যমের ওজন নিয়ন্ত্রণে আনতে পারে। যোগে এমন কিছু আসন রয়েছে, যেগুলো শুয়ে বা বসেও করা যায়। এসব আসন, ব্যায়ামে রূপান্তর করে চর্চা করা হয়। যেমন : সূর্য নমষ্কার। এটি খুব দ্রুত গতিতে করলে শরীরের নড়াচড়া হয়।’

ক্যাপশন : অনেক রোগ থেকেও মুক্তি দেয় যোগচর্চা। ছবি : সংগৃহীত
ক্যাপশন : অনেক রোগ থেকেও মুক্তি দেয় যোগচর্চা। ছবি : সংগৃহীত

থাইরয়েড, হার্ট, চোখ, প্যানক্রিয়াস কিংবা সক্ত সঞ্চালন ইত্যাদির জন্য রয়েছে সমস্যা অনুযায়ী আলাদা আলাদা যোগাভ্যাস। যেগুলো ধারাবাহিকতা মেনে সঠিকভাবে চর্চা করলে মানুষ সুস্থ জীবন যাপন করতে পারে। যোগচর্চা মানুষের ভেতরের শুভ শক্তিকে জাগিয়ে তোলে। নিয়মিত এই চর্চায় মানুষের মধ্যে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়ে। রাগ, ক্ষোভ, দুঃখ, হতাশা, দুশ্চিন্তা, মানসিক চাপ কমে। নেতিবাচক যেকোনো কিছুকে ভিন্নভাবে ভাবর একটি আশ্চর্য ক্ষমতা বাড়ে। মন শান্ত থাকলে শরীরের রোগও অনেকটা কমে। পারিবারি, সামাজিক ও পারিপার্শ্বিক সম্পর্ক বা বিষয়গুলো তখন সুন্দর হয়ে ওঠে। প্রশান্তি ফুটে ওঠে চেহারায়।

পারিবারিক, সামাজিক পেশাগত স্থানগুলোতে মানসিকভাবে চাপমুক্ত ও দায়িত্বশীল থাকতে তাই যোগচর্চার ভূমিকা অনস্বীকার্য।

ইফতারে স্বাস্থ্যকর ৪ খাবার

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

সারাদিন রোজা রাখার পর অনেকেই ইফতারে ভাজাপোড়া খায়। এসব ভাজাপোড়া খাবার যে দেহের বারোটা বাজায় তা তো সকলেরই জানা। তবে সুস্থভাবে রোজা পালন করতে কিন্তু এসবের পরিবর্তে খেতে হবে স্বাস্থ্যকর খাবার।

ইফতারে কিছু স্বাস্থ্যকর খাবারের কথা জানিয়েছেন পপুলার মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের প্রধান পুষ্টিবিদ নিশাত শারমিন নিশি।

১. ইফতারের জন্য খুব উপযুক্ত খাবার হলো, দই-চিড়া-কলা। এটি যেমন খেতে সুস্বাদু, তেমনি হজম করতেও ভালো। ভাজাপোড়া খাবারের পরিবর্তে এই খাবারটি রাখতে পারেন খাদ্যতালিকায়।

২. ইফতারে খেতে পারেন চিড়া ও টক দইয়ের স্মুদি। এই স্মুদি তৈরির আগে প্রথমে চিড়াকে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে নরম করে নিতে হবে। এরপর টক দই, চিড়া, খেজুর, সামান্য লবণ ও মধু ব্ল্যান্ড করে নিন। এই স্মুদি দেহের শক্তি ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে।

৩. ইফতারে ছোলা-মুড়ি খুবই প্রচলিত খাবার। ছোলা উপকারি হলেও, বেশি মশলা দিয়ে করলে এটি পুষ্টিগুণ হারায়। এর বদলে সিদ্ধ করে খাবারটি খেতে পারেন। ছোলা সিদ্ধ করে এতে শশা, টক দই, পুদিনা পাতা, লেবুর রস, ধনে পাতা, আদা কুচি দিয়ে মেখে মুড়ির সঙ্গে খাওয়া যেতে পারে।

৪. এই সময় তৈরি করে নিতে পারেন স্বাস্থ্যকর ঘরের তৈরি স্যুপ। মুরগি বা ডিমের সাদা অংশের সঙ্গে সবজি যোগ করে দিতে পারেন এতে। পাশাপাশি একটু ওটসও দেওয়া যেতে পারে। এতে স্যুপের ঘনত্ব বাড়বে। খেতেও ভালো লাগবে।

সেহরির জন্য উপযুক্ত ৫ খাবার

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

সেহরিতে এমন খাবার নির্বাচন করতে হবে, যেগুলো সহজপাচ্য। অর্থাৎ হজমে তেমন কোনো সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়াবে না, এমন খাবার থাকতে হবে সেহরিতে।

এই সময় হজমে সুবিধা হবে এবং সারাদিন কাজ করার শক্তি পাবেন, এমন কয়েকটি খাবারের কথা জানিয়েছেন পপুলার মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের প্রধান পুষ্টিবিদ নিশাত শারমিন নিশি।

১. সেহরিতে খেতে পারেন লাউয়ের তরকারি। লাউয়ে প্রচুর পানি থাকে। সারাদিনের পানির চাহিদার অনেকটাই পূরণ করবে এই খাবারটি। পাশাপাশি হজমেও সুবিধা হবে।

২. সেহরিতে থাকতে পারে কম কাটাযুক্ত বড় মাছ। মাছ পাতলা ঝোল করে এই সময় খাওয়া যেতে পারে। ভারি খাবার না খেয়ে এটি খেলে প্রোটিনের ঘাটতি অনেকটাই পূরণ হবে।

৩. কার্বহাইড্রেটের ক্ষেত্রে পাতলা খিচুড়ি বা ওটস দিয়ে তৈরি খিচুড়ি খাওয়া যেতে পারে। ওটসের খিচুড়িতে মুরগির মাংস বা ডিমের সাদা অংশ যোগ করতে পারেন। এতে প্রোটিন পাবেন।

৪. দুধ হজম হলে দুধ-ভাতও খেয়ে নিতে পারেন। দুধ যে সুষম খাবার, আর দেহের জন্য ভালো- এ তো আর অজানা নয়।

৫. ইফতারের মতো সেহরিতেও এক বা দুটো খেজুর রাখা যেতে পারে। খেজুরে রয়েছে আঁশ বা ফাইবার। এই খাবারটি সারাদিন শক্তি জোগাতে সাহায্য করবে।

রোজায় দাঁত ও মুখের যত্নে ৩ পরামর্শ

ডা. সানজিদা হোসেন পাপিয়া

সুস্থভাবে রোজা পালনের জন্য এই সময় দাঁত ও মুখের আলাদা যত্নের প্রয়োজন রয়েছে। না হলে, দুর্গন্ধ, অস্বস্তি ও দাঁতের শিরশির ভাব বেড়ে যাওয়া ইত্যাদি সমস্যা হতে পারে। রোজার সময় দাঁত ও মুখের যত্নে রইল কিছু জরুরি পরামর্শ।

১. মুখ ও দাঁতের যত্নটা রোজার আগে বা শুরুতে করলেই ভালো। রোজার সময় যে সমস্যাটিতে মানুষ সবচেয়ে বেশি ভোগে, সেটা হলো মুখের তীব্র দুর্গন্ধ। এই দুর্গন্ধের কারণে অনেক সময় অনেকের ইবাদত-বন্দেগি বা রোজার যে পরিবত্রতা সেটি রক্ষা করা কষ্টকর হয়ে যায়। সেই ক্ষেত্রে অবশ্যই মুখের ও দাঁতের সমস্যার সমাধান করে নিতে হবে। পাশাপাশি রোজা রাখা অবস্থায় মুখের ভেতরের পরিষ্কার- পরিচ্ছন্নতা মেনে চলতে হবে।

২. দাঁত দুইবেলা ব্রাশ করার প্রতিদিনকার যে নিয়মটি রয়েছে, রোজার সময় এর একটু ব্যতিক্রম ঘটে। রোজার সময় দাঁতের যত্ন কিন্তু অবশ্যই নিতে হবে, তবে একটু অন্যভাবে। সাধারণত দাঁত ব্রাশ করা হয়, রাতের বেলা, খাবার পরে এবং সকালে নাস্তার পরে। তবে রমজানে যেহেতু দাঁত ব্রাশের বিষয়টি সকালে সম্ভব নয়, তাই সময়টি বদলে নিতে হবে। এটি করতে হবে সন্ধ্যার ইফতারের পর এবং ভোরে সেহরির পরে। এই দুটো সময় সুন্দরমতো ব্রাশ করলে দৈনন্দিন নিয়মটা ঠিক থাকে। পাশাপাশি ইফতার থেকে সেহরির সময়টা কুলি করতে পারেন। এ ছাড়া ফ্লস ও মাউথ ওয়াশ ব্যবহার করা যেতে পারে।

৩. দাঁত ও মুখ সবসময় সুস্থ রাখতে অন্তত ছয় মাস পর পর চিকিৎসকের কাছে গিয়ে চেকআপ করিয়ে নেওয়া ভালো। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী স্কেলিং, পলিশিং করলে দাঁত ও মুখের স্বাস্থ্য সুস্থ থাকে। অনেকে মনে করেন, মুখের ভেতরের পাথর দূর করার যে পদ্ধতি রয়েছে (স্কেলিং), সেটি হয়তো রোজা রাখা অবস্থায় করা যাবে না। তবে রোজা রাখা অবস্থায় মুখ ও দাঁতের যেকোনো চিকিৎসা করা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে মুখের ভেতরের কোনো ওষুধ, পানি বা রক্ত যেন গিলে না ফেলেন বা পেটের ভেতর চলে না যায়। তবে এর পরও যারা দ্বিধায় ভুগেন তারা স্কেলিংটা রোজার আগেই করে নিতে পারেন।

ডা. সানজিদা হোসেন পাপিয়া
ডা. সানজিদা হোসেন পাপিয়া

লেখক :
ডেনটিস্ট;
কনসালটেন্ট , ভি আই পি ডেন্টাল জোন;
মগবাজার, ঢাকা;
ফোন : 019 3313 3486

- Advertisement -
সাতকাহন
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.