হীরামন্ডী’র মনিষা কৈরালা : চিরতারুণ্যের রহস্য কী ?
সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
ভারতীয় সিনেমার এক অনবদ্য অভিনেত্রী মনিষা কৈরালা। এই চিরতরুণ শিল্পী, গত ১ মে মুক্তি পাওয়া নেটফ্লিক্সের সিরিজ হিরামন্ডীতে দুর্দান্ত অভিনয়ের জন্য প্রশংসা কুড়িয়েছেন নেটিজেনদের।
২০১২ সালে জরায়ুমুখের ক্যানসারে আক্রান্ত হন মনিষা। সেই লড়াইয়ে জিতে পুরোদমে স্ক্রিনের সামনে আসবেন, আর তা হবে অসাধারণ কিছু, এটি যেন ছিল কল্পনাতীত। এরপরও সৌন্দর্য ও অভিনয় দক্ষতায় নিজেকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন অভিনেত্রী।
কেবল অভিনয় দক্ষতাতেই নয়, ৫৩ বছর বয়সী শিল্পীর সৌন্দর্যে কুপকাত হয়েছে দর্শকমহল। তবে তাঁর এই চিরতারুণ্যের রহস্য কী ? ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে সৌন্দর্য সচেতনতায় মনিষার দৈনন্দিন কিছু অভ্যাসের কথা জানানো হয়েছে। চলুন, জানি।

পানি পান
দেহের বিষাক্ত পদার্থ দূর করার জন্য মনিষা প্রতিদিন অন্তত দুই থেকে তিন লিটার পানি পান করেন। এই পানি তার চুল ও ত্বককে ভালো রাখে- এমনটাই মনে করেন অভিনেত্রী।
বেবি ওয়েল ব্যবহার
ত্বকের মেকআপ তুলতে মনিষার প্রথম পছন্দ বেবি ওয়েল। এতে অ্যালার্জি হয় না এবং ত্বক আর্দ্র থাকে।
পর্যাপ্ত ঘুম
মনিষা বিশ্বাস করেন, পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুমানো তাঁর ত্বকের কোষের পুণর্গঠনে সাহায্য করে। আর তাই প্রতিদিন অন্তত ৭ ঘণ্টার ঘুম তাঁর চাই-ই।

মানসিক চাপ ব্যবস্থাপনা
‘দিল সে’ খ্যাত এই অভিনেত্রী মনে করেন, মানসিক চাপ সৌন্দর্যকে নষ্ট করে। মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ ইতিবাচক মনোভাব ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন খুব জরুরি। এগুলো ত্বক ভালো রাখতে কার্যকর।
হালকা মেকআপ
ত্বক ভালো রাখতে ভারি মেকআপ কখনোই পছন্দ নয় বোম্বে সিনেমার এই নায়িকার। হালকা, বলা চলে- প্রায় নো মেকআপ লকুই তাঁর পছন্দ।
স্বাস্থ্যকার খাদ্যাভ্যাস
ত্বক ভালো রাখতে তৈলাক্ত ও প্রক্রিয়াজাত খাবার একেবারেই এড়িয়ে চলেন মনিষা। পাশাপাশি অতিরিক্ত চিনি ও কার্বহাইড্রেট জাতীয় খাবারও কম খান তারুণ্যদীপ্ত এই অভিনেত্রী।
সন্তান প্রত্যাশীদের জন্য জরুরি ৪ বিষয়
রফিক – উল – আলম
আজ ১লা জুন, পুরো মাসটিই ‘ওয়ার্ল্ড ইনফার্টিলিটি অ্যাওয়ারনেস মান্থ’। তাইতো যারা বহুদিন ধরে সন্তান নেওয়ার চেষ্টা করছেন, তাদের আমি মূল কয়টি বিষয় উল্লেখ করে সচেতন করার চেষ্টা করবো।
১. মনে রাখবেন, যার যত বড় সমস্যাই থাকুক, গর্ভধারণ করতে সর্বোচ্চ এক বছরের বেশি কখনই লাগার নয়!
২. সন্তান হচ্ছে না অর্থই, কোথাও না কোথাও, কোনো না কোনো সমস্যা রয়েছেই (কারণ, আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে সন্তান না হবার পেছনে ব্যাখ্যা নেই, এমন কারণ কার্যত নেই বললেই চলে)। আর তাই চিকিৎসার শুরুতেই সেই সমস্যাগুলো খুঁজে বের করে বা সন্তান না হবার কারণগুলো চিহ্নিত করে নিয়ে তবেই এগোবেন।
৩. ইনফার্টিলিটি ট্রিটমেন্ট (বন্ধ্যত্ব চিকিৎসা), আইভিএফের ক্ষেত্রে কাকে দেখাবেন, কোথায় যাবেন, সেই বিষয়ে এর-তার কাছে শোনা কথায় না দৌঁড়ে, বা কোনো বিজ্ঞাপনে আকৃষ্ট না হয়ে, শুধুমাত্র জেনে-শুনে, বুঝে, নিজ বুদ্ধি, বোধ দ্বারা যাচাই করে তবেই এগোবেন।
৪ সন্তান পেতে চাইলে তাৎক্ষণিকভাবে গর্ভধারণের সময়টাও নিজেদেরই ঠিক করে নিতে হবে। অর্থাৎ আপনার ইনফার্টিলিটি জার্নি তিন থেকে ছয়, নাকি নয় মাসের মধ্যে শেষ করবেন, তা ঠিক করতে না পারা মানেই আবার সেই গাড্ডাতেই পড়ে থাকা। জানবেন, কোনো বুজরুকি বা অলৌকিকতায় অন্তত বন্ধ্যত্ব সমস্যার সমধান হয় না। এই জন্য দরকার শুধুমাত্র উপযুক্ত চিকিৎসার।
আমি মনে করি এবং সবসময়ই বলি, একমাত্র সচেতনতাই একটানে ইনফার্টিলিটি জার্নিকে শেষ করে দিতে পারে।
‘কমলা’ বন্ধ্যত্ব সচেতনতার রঙ – এটি সাধারণ সুস্থতা, ইতিবাচক মনোভাব, সহানুভূতি ও সৌহার্দ্যতার অনুভূতি প্রচার করে। তাইতো আমিও কমলা রঙের আবির ছড়িয়ে সাতকাহনের বন্ধুদের সামনে হাজির, সেই একটি কথাই বলতে, নিজের সমস্যা, নিজের চিকিৎসাসহ বন্ধ্যত্ব সম্পর্কে সকল বিষয়ে সচেতন হোন। সচেতনতাই আপনার সফলতার মূল মন্ত্র, একমাত্র চাবিকাঠি।

লেখক :
ইনফার্টিলিটি কাউন্সেলর;
ইম্পালস হাসপাতাল, ঢাকা
‘রবিরশ্মি’র গানে গানে কবি প্রণাম
সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
রবীন্দ্রসংগীত সংগঠন ‘রবিরশ্মি’ গত ৩১ মে, শুক্রবার, সন্ধ্যা ৬ টা ১০ মিনিটে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরে, কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়নে, ‘ওই মহামানব আসে’- শীর্ষক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে গানে গানে রবীন্দ্রনাথকে স্মরণ করে।
‘কবি প্রণাম’ অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন রবিরশ্মির পরিচালক ও বিশিষ্ট রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী মহাদেব ঘোষ। রবীন্দ্রনাথের ১৬৩তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে মহাদেব ঘোষ বলেন, ‘বাংলাদেশের রবীন্দ্রসংগীত চর্চার জগতে ‘রবিরশ্মি’ শিল্পীদের একটি ক্ষুদ্র প্রয়াস এই অনুষ্ঠান। রবীন্দ্রনাথের সাহিত্যে নিবিড়ভাবে অঙ্কিত হয়েছে বাংলাদেশের মানুষ ও প্রকৃতি। বাংলা, বাঙালি ও বাংলাদেশ তাঁর লেখনীতে প্রাণময় পরশে ধন্য হয়েছে। কবিগুরু সর্বদাই মানবতার জয়গান গেয়েছেন।তাঁর জাতীয়তাবোধ বাঙালির অনন্ত প্রেরণার উৎস।’
সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা শিল্পী সোহেলা হোসেন বলেন, ‘রবীন্দ্রনাথের জীবন ও কর্ম আমাদের আলোকিত পথের সন্ধান দেয়। নতুন প্রাণশক্তিতে উজ্জীবিত করে। আমাদের ব্যক্তিগত, সামাজিক ও জাতীয় জীবনের প্রতিটি সমস্যা-সংকটে, আনন্দ-বেদনা এবং আশা-নিরাশার সন্ধিক্ষণে রবীন্দ্রসৃষ্টি আমাদের চেতনায় বারবার স্পর্শ করে।’
সংগঠনের সভাপতি বিশিষ্ট লেখক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব জনাব মোখলেস আলম তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘এই সংগঠনটি ১৯৯৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ‘রবিরশ্মি’র শিল্পীরা রবীন্দ্রনাথের গানকে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এবার এই অনুষ্ঠানটির নামকরণ করা হয়েছে ‘কবি প্রণাম’। আমরা সংগঠন থেকে প্রতি বছর ‘কবি প্রণাম’ বর্ষামঙ্গল, সংগঠনের বর্ষপূর্তি ও বসন্ত উৎসবের আয়োজন করে থাকি।
অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে শুরু হয় গানে গানে রবীন্দ্রনাথকে শ্রদ্ধা নিবেদন। সম্মেলক গান ‘ প্রখর তপনতাপে’, ‘গানে গানে বন্ধন যাক টুটে’, ‘কোন্ আলোতে প্রাণের প্রদীপ জ্বালিয়ে’, ‘হে নূতন দেখা দিক আরবার’ পরিবেশিত হয়। একক গানে ছিলেন ২৫ জন শিল্পী। অরুণা সরকার গেয়ে শোনান- বরিষধারা মাঝে শান্তির বারি’, মিথিলা ঘোষ পরিবেশন করেন-ছিন্নপাতার সাজাই তরণী’। সুকুমার চক্রর্বতী পরিবেশন করেন-‘নিত্য তোমার যে ফুল ফোটে ফুলবনে।’ মহাদেব ঘোষ গাইলেন, ‘তোমায় নতুন করে পাবো বলে’। অনুষ্ঠানে অন্যান্য শিল্পীদের মধ্যে ছিলেন, বিষ্ণুপদ দাস, জাহানজীব সারোয়ার শিমুল, জয়া গাঙ্গুলি, অর্চনা রায়, দিলীপ কুমার দাস, সৌরভ গাঙ্গুলি, বনশ্রী পাল, শাশ্বতী মাথিন, ময়না দাস, পার্মিনা তোড়া দাস, মণীষা চক্রবর্তী, শাহনাজ পারভীন, তপতী রায়, ভারতী চাকি, মনামী চক্রবর্তী, সুমা চন্দ, নিতা চক্রবর্তী ও শিপ্রা সরকার প্রমুখ।
যন্ত্রণুষঙ্গে ছিলেন, মন্দিরায়-আব্দুল বাতেন, সেতারে- ফিরোজ খান, কি বোর্ডে- রবিনস্ ও তবলায় মো. ফারুক। আলোক সজ্জায়, দিলীপ দাস। সঞ্চালনায় ছিলেন, শাশ্বতী মাথিন ও অরুণা সরকার। অনুষ্ঠান পরিকল্পনা ও পরিচালনায় ছিলেন, সুরকার, বিশিষ্ট রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী ও রবিরশ্মির পরিচালক, মহাদেব ঘোষ।
বন্ধ্যত্ব চিকিৎসায় স্বামীর ভূমিকা, পর্ব-৩
রফিক-উল-আলম
দ্বিতীয় পর্বের পর…
সন্তানপ্রত্যাশী আমাদের অনেক বন্ধুর ক্ষেত্রে আমি বলি, নিজেদের ‘ওভুলেশন ডেট’ সামনে রেখে দু/তিনটে দিন শুধু দু’জনে শুধু কোথাও হারিয়ে যাও। নিজেদের মতো করে কাটিয়ে এসো। সেই সঙ্গে মধুরতমভাবে ব্যবহার করো নিজেদের এই মহার্ঘ্য সময়টিকে। অনেকেই তার সুফল হাতেনাতেই পেয়ে গেছে। তাই আদর্শ স্বামীকে বলব, বিষয়টি মাথায় রাখুন। নিজেদের নতুন করে আবিষ্কার করার পাশাপাশি এমন একটি পরিকল্পনা আপনাদের সামনে এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন করবে।
সেই সঙ্গে একটা কথা মনে রাখবেন, বিভিন্ন ধরনের মানসিক চাপ এবং কখনও কখনও বন্ধ্যত্ব চিকিৎসায় দেওয়া বিভিন্ন হরমোনের ওষুধ, ইনজেকশনের প্রভাবে আপনার স্ত্রীর সাময়িকভাবে মন-মেজাজের হেরফের, পরিবর্তন (Mood Swings) এবং বিভিন্ন আবেগিক পরিবর্তন বা প্রকাশ ঘটতে পারে। ‘তুমি তো আর আগের মতো নেই’– এমন না ভেবে বরং তাঁর এ অবস্থায় আরও নিবিড়ভাবে পাশে থাকুন; তাঁকে আবেগীয় সহযোগিতা করুন, যেন আপনার স্ত্রী Josh Groban-এর সেই বিখ্যাত গানের সঙ্গে নিজেও গলা মিলিয়ে বলতে পারে– ‘You raise me up, so I can stand on mountains, You raise me up, to walk on stormy seas.’
ইনফার্টিলিটি মেয়েদের ক্ষেত্রে একটা ‘Broken Dream’ হিসেবে তাদের ক্ষতবিক্ষত করে। অনেকের ক্ষেত্রেই দেখেছি, তারা ভেবে বসেন, শুধু এ জন্যই বুঝি তাঁর স্বামী আর আগের মতো ভালোবাসেন না, যত্ন নেন না। আর এমন ভেবে নিজেদের আরও হতাশায় নিমজ্জিত করেন। তাই প্রয়োজনে মাঝেমধ্যেই নিজেদের দাম্পত্য জীবনের ‘রিফ্রেস’ বাটনে চাপ দিন; Bring back the romance in your relationship– নিজের ও স্ত্রীর ক্লান্তি, ক্লেশ, হতাশাসহ সব ঋণাত্মক অবস্থা ময়লার ঝুড়িতে নিক্ষেপ করে নিজেদের মধুরতম দিকগুলো নতুন করে আবিষ্কারে মেতে উঠুন।
বন্ধ্যত্ব থেকে বের হওয়ার কোনো মহামন্ত্র নেই। একদিনেই এ থেকে পরিত্রাণ মেলে না। আমি সব সময় বলে থাকি, কার ‘ইনফার্টিলিটি জার্নি’টি ঠিক কত স্বল্প বা দীর্ঘতম হবে, তা অনেকাংশেই সেই দম্পতির ওপরই নির্ভর করে। আর স্ত্রীর পাশে স্বামী যখন এমন ‘রোল প্লেয়িং’ ভূমিকায় অবতীর্ণ হোন, তখন তা হয়ে ওঠে আরও ত্বরান্বিত।
তাই তো বলব, সমস্ত দ্বিধা কাটিয়ে মনের নরম পরশ বুলিয়ে বলে উঠুন– হে অর্ধেক আকাশ… তোমার পাশে থেকে, তোমাকে সঙ্গে নিয়েই দুজনে কাটিয়ে উঠব আমাদের সব অন্ধকার; আত্মগ্লানিতে নয়, দোষারোপে নয়, উদ্ভাসিত হয়ে দুজনের আপন মহিমায়।

লেখক : ইনফার্টিলিটি কাউন্সেলর;
ইমপালস হাসপাতাল, ঢাকা
২য় পর্বের লিংক :
বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবসে গণস্বাস্থ্যের প্রতীকী শোভাযাত্রা ও আলোচনা
আগামীকাল ৩১ মে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস। এ বছর এই দিবসের প্রতিপাদ্য ‘তামাক কোম্পানির কূটকৌশল প্রতিহত করি, শিশু সুরক্ষা নিশ্চিত করি’।
এ উপলক্ষে গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক ক্যানসার হাসপাতাল প্রকল্প ও গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালের উদ্যোগে আজ সকাল ১১টায় ধানমন্ডি ৬ নম্বর রোডে অবস্থিত গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালের সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও প্রতীকী শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।
গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক ক্যানসার হাসপাতালের প্রকল্প পরিচালক ও প্রিভেন্টিভ অনকোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক হাবিবুল্লাহ তালুকদার রাসকিন মূল বক্তব্য দেন এবং শোভাযাত্রায় নেতৃত্ব দেন। ডা. তালুকদার বলেন, ‘ধূমপান ও ধোঁয়াবিহীন মিলিয়ে দেশে প্রতি ১০০ জনের প্রায় ৩৫ জন তামাকজাত দ্রব্যে আসক্ত। এটি ২০১৭ সালের গ্লোবাল অ্যাডাল্ট টোব্যাকো সার্ভের রিপোর্ট। ২০১৪ সালে পরিচালিত গ্লোবাল স্কুল-বেজড হেলথ সার্ভে (জিএসএইচএস) অনুযায়ী, বাংলাদেশে ১৩ থেকে ১৫ বছর বয়সী ছাত্রছাত্রীর মধ্যে তামাক ব্যবহারের হার ৯ দশমিক ২ শতাংশ।’

ঢাকা শহরের বিভিন্ন এলাকার মোট ১১০টি স্কুলের পারিপার্শ্বিক এলাকার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের জন হপকিনস বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত গবেষণায় দেখা যায়, আইনে নিষেধাজ্ঞা থাকার পরও স্কুলগুলোর ১০০ মিটারের মধ্যে অবস্থিত মোট ৫০৭টি মুদি দোকানের ৪৮৭টিতেই অন্যান্য দ্রব্যের সঙ্গে তামাকদ্রব্য প্রদর্শন করতে। এমন এক গবেষণার কথা উল্লেখ করে ডা. তালুকদার বলেন, ‘তামাক কোম্পানির এসব অপতৎপরতা রুখে দিতে হবে।’
ফুসফুসের ক্যানসারের শতকরা ৮৫ থেকে ৯০ ভাগ এবং শরীরের সব ক্যানসারের অর্ধেকের জন্য দায়ী তামাক জানিয়ে তিনি বলেন, ‘নিজে ধূমপান না করাই যথেষ্ট নয়। পরোক্ষ ধূমপান থেকেও রক্ষা পেতে হবে।’
হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও কর্মীরা শোভাযাত্রায় অংশ নেন। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন সার্জারি বিভাগের অধ্যাপক ডা. আকরাম হোসেন, প্যাথলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. গোলাম মো. কোরাইশি, অর্থপেডিক সার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. হাবিবুর রহমান, হৃদরোগ বিভাগের পরামর্শক ডা. নুরুল হাসান।


