চোখের ক্ষতি করছেন ৩ কাজে
সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
পঞ্চইন্দ্রিয় দিয়ে তৈরি মানুষকে চোখ দেওয়া হয়েছে দেখার জন্য। তবে শুধু দেখা ছাড়াও আমাদের সব ধরনের আবেগ বা অনুভূতিগুলো বোঝার ৮০ ভাগ কাজটি করে চোখ। তাই এই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গটির যত্ন জরুরি।
তবে কিছু কাজ বা বিষয় রয়েছে যেগুলো চোখের ক্ষতি করতে পারে। চোখের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এমন কিছু বিষয়ের কথা জানিয়েছে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলথআপ্টা।
- টানা ফোন বা কম্পিউটারে তাকিয়ে থাকা
অনেকেই টানা বা দীর্ঘক্ষণ ফোন বা কম্পিউটারের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে কাজ করে। এতে চোখের ক্ষতি হয়। এই ক্ষেত্রে ‘২০-২০-২০’ রুল মেনে চলতে পারেন। ২০ মিনিট পর পর ২০ ফিট দূরের কোনো বস্তুর ওপর ২০ সেকেন্ড তাকিয়ে থাকুন। এতে আরাম পাবেন। - অতিরিক্ত চোখ ঘষা
চোখ একটু চুলকাতে থাকলেই অনেকে অতিরিক্ত ঘষা শুরু করে। অনেক ক্ষেত্রে এতে কর্নিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঘষলে হাতের ময়লা ও জীবাণু চোখে চলে যায়। এতে কনজাংটিভাইটিস বা চোখ ওঠা রোগ হতে পারে। তাই চোখ চুলকালে বরফের স্যাঁক দিন। এ ক্ষেত্রে এক টুকরো বরফকে কাপড়ে পেঁচিয়ে এই স্যাঁক দিতে পারেন। - অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া
অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস চোখের শক্তি বা দৃষ্টি কমায়। তাই ভারসাম্যপূর্ণ খাবার খাদ্য তালিকায় রাখুন। যেমন : ডিম, বাদাম ও গাজর ইত্যাদি।
বন্ধুর জন্য কাচের বয়ামে শুভেচ্ছা বার্তা
সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
বন্ধু পরম নির্ভরতার নাম। বন্ধু থাকে বলে জীবন সহজ হয়। চলার পথে আনন্দ খুঁজে পাওয়া যায়। এই আনন্দকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিতে পালন হয় বন্ধু দিবস।
ইউএন-এর স্বীকৃতি অনুযায়ী ৩০ জুলাই আন্তর্জাতিক বন্ধু দিবস হলেও, অনেক দেশেই আগস্ট মাসের প্রথম রবিবার এটি পালন করা হয়। আমাদের দেশেও বেশিরভাগ সময় আগস্ট মাসের প্রথম রবিবারকে ঘিরেই আড়ম্বর চলে।
বন্ধু দিবসে প্রিয় মানুষটির সঙ্গে বেড়ানো, ভালো খাওয়া-দাওয়া তো চলবেই, তবে একটি সুন্দর উপহার না দিলে কি চলে ? কী হতে পারে সেই উপহার ? এই বন্ধু দিবসে প্রিয় মানুষটিকে দিতে পারেন কাচের বয়ামে শুভেচ্ছা বার্তা। একটু ভিন্নধর্মী এই উপহারে বন্ধু যেমন আনন্দিত হবে, তেমনি আপনিও পেয়ে যাবেন সৃজনশীলতার খেতাব।
- প্রথমে ছোট একটি কাচের বয়াম নিন।
- এবার কিছু কাগজ ছোট ছোট চিরকুটের আকারে কাটুন। সেখানে বন্ধুর নাম বা হ্যাপি ফ্যান্ডশিপ ডে লিখে বার্তা তৈরি করুন। এবার কাগজগুলো সুতা বা দড়ি দিয়ে পেঁচিয়ে বয়ামের ভেতরে রাখুন।
- চাইলে বয়ামের মধ্যে কিছু পুতি, ফুল-পাতা ঢুকিয়ে দিতে পরেন। এবার মুখ বন্ধ করে ফিতা দিয়ে সুন্দর করে বেঁধে বন্ধুকে উপহার দিন। এমন সুন্দর বার্তা পেয়ে বন্ধু নিশ্চয়ই খুশিই হবেন।
সূত্র : ইউটিউব চ্যানেল সুস্মিসক্রিয়েশন
মাথার তালুতে সোরিয়াসিস হলে ৪ করণীয়
সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
সোরিয়াসিস এক ধরনের চর্মরোগ। সাধারণত হাতের কনুই, হাঁটু, নখ ইত্যাদি অংশে রোগটি হয়। তবে কখনো কখনো সোরিয়াসিস মাথার তালুতেও হতে পারে।
প্রথমদিকে এই রোগটি অনেকেই বুঝতে পারে না। সাধারণ খুশকি হিসেবে ভেবে বসে। তবে পরে ক্ষত, জ্বালাপোড়া, তীব্র চুলকানি ইত্যাদি হতে থাকলে এবং রোগ বাড়লে স্বাভবিক জীবন ব্যাহত হয়।
‘শুরুতে এটি একটি আঁশযুক্ত লালচে প্যাচ হিসেবে মাথার এক অংশে দেখা দিলেও ধীরে ধীরে সমস্ত মাথার খুলিতে ছড়িয়ে পড়ে। তখন ঘাড়, পিঠ ও কানের পিছনের অংশও আক্রান্ত হয়,’ বলছিলেন রিজুভা ওয়েলনেসের প্রধান চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. তাওহীদা রহমান ইরিন।
চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. তাওহীদা রহমান ইরিন বলেন, ‘আমাদের ত্বকে স্বাভাবিক কোষ তৈরির যে চক্র থাকে সোরিয়াসিসের কারণে সেটি অনেক বেড়ে যায়। তাই আমাদের চিকিৎসার প্রধান লক্ষ্য থাকে দ্রুত বর্ধনশীল কোষের বৃদ্ধি রোধ করা।রোগের প্রকোপ কমাতে স্টেরয়েড, স্যালিসাইলিক অ্যাসিড-জাতীয় ওষুধ ব্যবহার করা হয়।’
এ ছাড়া স্ক্যাল্প সোরিয়াসিস কমাতে ডা. তাওহীদা রহমান ইরিনের চার পরামর্শ :
১. মাথার তালুতে সোরিয়াসিস কমাতে টারযুক্ত শ্যাম্পু অনবদ্য ভূমিকা পালন করে। চিকিৎসকরা সাধারণত সপ্তাহে চার দিন ব্যবহারের নির্দেশনা দিয়ে থাকে। প্রথমে চিরুনি দিয়ে চুল ভালোভাবে আঁচড়ে স্কেলগুলো হালকা সরিয়ে শ্যাম্পু লাগাতে হবে। ১০ মিনিট মাথায় রেখে তারপর ধুয়ে ফেলুন।
২. ভিটামিন ডি অ্যানালগ ব্যবহার করা যেতে পারে। এগুলো মলম, জেল বা লোশন হিসেবে পাওয়া যায়। এই ভিটামিন ডি অ্যানালগ দিনে দুই বার ব্যবহার করলে ভালো ফলাফল আসে। তবে এই ওষুধটি আপনার ত্বকের জন্য সুবিধাজনক কি না তা জানার জন্য ব্যবহারের আগে ছোট একটি প্যাঁচ টেস্ট করে নিন।
৩. রোগটির চিকিৎসায় দীর্ঘদিন স্টেরয়েড, স্যালিসাইলিক অ্যাসিড-জাতীয় ওষুধ ব্যবহার করলে ম্যাইনটেনেন্স চিকিৎসা পদ্ধতি হিসেবে বেছে নিতে পারেন যেকোনো ইমোলিয়েন্ট বা তেল। কারণ দীর্ঘস্থায়ী ব্যবহারের পরও এগুলোর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকে না।
৪. ইউভি রশ্মি চিকিৎসাবিজ্ঞানে একটি বিস্ময়কর সংযোজন। সূর্যালোকে ইউভিবি বিদ্যমান থাকলেও রোগের ধরন অনুযায়ী কৃত্রিমভাবে এটি প্রয়োগ করা যায়। এটি একটি কার্যকর চিকিৎসা পদ্ধতি। এটি চামড়ার ভেতরে প্রবেশ করে অস্বাভাবিক কোষ বৃদ্ধির গতি কমায়। সাধারণত ফটোথেরাপি চিকিৎসা চলাকালীন সাময়িকভাবে চামড়া লাল হওয়া, জ্বালাপোড়া অনুভূত হতে পারে। এ ক্ষেত্রে ইউভিবি-এর পরিমাণ কিছুটা কমানো যায়।
এই আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের যুগে মাথার তালুর সোরিয়াসিস হুমকি নয়। এটি কেবল একটি থেরাপিউটিক চ্যালেঞ্জ। তাই উপসর্গ দেখা মাত্রই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে সুস্থ থাকুন।
লাল চাল কারা খাবেন না
সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
পুষ্টিগুণ বিবেচনায় লাল চাল বেশি ভালো সাদার তুলনায়। এতে ক্যালরির পরিমাণ কম থাকে। এটি চর্বি ও গুলটেন মুক্ত। এ ছাড়া লাল চালের মধ্যে থাকা অন্যান্য পুষ্টি উপাদানও দেহের জন্য উপকারী- এমনটাই বলা হয়।
তবে জানেন কি, কিছু উপাদানের কারণে এই খাবারটি নির্দিষ্ট সংখ্যক মানুষের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে ? লাল চাল খেতে পারবেন না বা খেলে ক্ষতি হবে, এমন ধরনের মানুষের কথা জানিয়েছে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলথআপ্টা।
- সন্তানসম্ভবা নারী
সন্তানসম্ভবা নারীকে লাল চালের ভাত খেতে নিষেধ করা হয়। লাল চালের মধ্যে আরসেনিকের পরিমাণ বেশি থাকায় ভ্রূণের বৃদ্ধি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। শিশুটি বড় হতে থাকলে জ্ঞানীয় ও আচরণগত সমস্যা হয়। - কিডনি রোগী
লাল চালের মধ্যে উচ্চ পরিমাণ পটাশিয়াম রয়েছে। কিডনি রোগীদের এই চাল খাওয়া ঝুঁকির কারণ হতে পারে। এ ছাড়া এর মধ্যে থাকা ফসফরাসও কিডনির জন্য ক্ষতিকর। - যাদের হজমে সমস্যা রয়েছে
এই চালের মধ্যে রয়েছে উচ্চ পরিমাণ আঁশ, স্টার্চ ও রেফিনোস। যাদের পেটের গোলমাল বা হজমের সমস্যা রয়েছে, তারা এই চাল না খেলেই ভালো।এটি খেলে এসিডিটি, পেট ফোলা ও পেট ব্যথার সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে।
মোবাইল ফোনে পানি ঢুকেছে ? ৫টি কাজ করুন
সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
বই পড়া থেকে খাবারের অর্ডার, ভিডিও দেখা থেকে ইমেইলের উত্তর দেওয়া- বর্তমানে বিশ্বের প্রায় সবই মোবাইল ফোনের মাধ্যমে করা হয়। এই জন্য ফোনটি সারাক্ষণ আমাদের সঙ্গেই থাকে। তাই যন্ত্রণটি ভিজে যাওয়ার মতো দুর্ঘটনা ঘটা অস্বাভাবিক কিছু নয়।
মোবাইল ফোন পানিতে ভিজে গেলে বা এর মধ্যে পানি ঢুকলে কয়েকটি করণীয় বিষয়ে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম রিডা’র্স ডাইজেস্ট।
১. ফোন বন্ধ করে দিন
ফোনে পানি ঢুকলে বা ভিজে গেলে দ্রুত বন্ধ করে দিন। ভেজা অবস্থায় এটি চালু রাখলে ভেতরকার সার্কিট ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এতে যন্ত্রণটি আরো নষ্ট হবে। তাই পানি ঢুকলে দেরি না করে ফোন বন্ধ করাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
২. খালি করুন
ফোন থেকে চার্জার, হেডফোন সরিয়ে নিন। সম্ভব হলে সিম কার্ড ও ব্যাটারি খুলে ফেলুন। অর্থাৎ ফোনের সঙ্গে সম্পর্কিত সব যন্ত্রাংশ খুলে একে খালি করে ফেলুন। এতে যন্ত্রাংশগুলো সুরক্ষিত থাকবে।
৩. তোয়ালে দিয়ে মুছে শুকাতে দিন
একটি নরম তোয়ালে দিয়ে ফোন আলতো করে মুছুন। এরপর তোয়ালেতে রেখে স্বাভাবিক তাপমাত্রায় শুকাতে দিন। হেয়ার ড্রায়ার, ক্লথ ড্রায়ার বা মাইক্রো ওয়েভ ব্যবহার করে ফোন শুকাতে যাবেন না। এতে হিতে বিপরীত হতে পারে।
৪. চালে দেওয়ার আগে ভাবুন
অনেকেই ফোন ভিজে গেলে শুকানোর জন্য চালের মধ্যে রাখে। এতে অনেকটা কাজ হলেও বেশিরভাগ বিশেষজ্ঞরা একে ভালো সমাধান মনে করে না। সেলফোন এডুকেশন প্রতিষ্ঠান প্যাইটি ফরওয়ার্ড (Payette Forward)- এর বিশেষজ্ঞ ড্যাভিড লাইন্স বলেন, ‘ভুলেও আপনার আই ফোনটিকে চালের মধ্যে রাখতে যাবেন না। এতে না শুকিয়ে উল্টো চাল ও চালের মধ্যে থাকা ধুলো-বালি ঢুকবে। ফোনটি আরো ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’
৫. ভালোভাবে শুকাতে দিন, এরপর ব্যবহার করুন
ফোনটিকে পুণরায় ব্যবহারযোগ্য করে তুলতে ভালোভাবে শুকাতে হবে। ফোন খোলার পর চালু না হলে, আবারও বন্ধ করে দিন এবং শুকান। সবচেয়ে ভালো হয়, প্রফেশনাল এক্সপার্ট বা মেকানিকের কাছে নিয়ে যেতে পারলে।


