Wednesday, May 27, 2026
spot_img
Home Blog Page 47

বন্ধু দিবসের আয়োজনে রঙ বাংলাদেশ

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

‘পাশেই কারোর একখানা হাত ধরো, কাছেই কাউকে তোমার বন্ধু করো’- গায়ক কবির সুমনের এই গান আমাদের মনে করিয়ে দেয় প্রিয় মানুষের কথা।

বন্ধুত্বের এই বন্ধনকে অটুট রাখতে উদযাপিত হয় ‘বন্ধু দিবস’। এই বন্ধনকে আরও গভীর ও সীমাহীন করার প্রত্যাশায় রঙ বাংলাদেশ-এর আউটলেট ও অনলাইনে রয়েছে নানা আয়োজন।

প্রিয় মানুষের মধ্যে উপহার বিনিময় করা একটি ট্রেন্ড বলা চলে। বন্ধুকে উপহার দেওয়ার জন্য এবারের দিবসের আয়োজনে রয়েছে গায়ক কবির সুমনের গানের লিরিক্স সম্বলিত টি-শার্ট ও মগ।

এ ছাড়াও নিয়মিত সংগ্রহে রয়েছে শার্ট, পাঞ্জাবি, ফতুয়া, শাড়ি, থ্রি-পিস, সিঙ্গেল কামিজ, স্কার্ট-টপস, পাঞ্জাবি, ওড়না, আনস্টিচড ড্রেস ও গিফট ভাউচার। আরাে রয়েছে স্বতন্ত্র ডিজাইনের গয়না, ব্যাগ ও বিভিন্ন এক্সেসরিজ।

এ ছাড়াও বন্ধুর জন্য কেনাকাটায় মগ ও টি-শার্ট কম্বো অফার থাকছে নির্দিষ্ট আউটলেট ও অনলাইনেও। টি-শার্ট ও মগ একত্রে কম্বো অফারে থাকছে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত মূল্যছাড়। ঘরে বসে কেনাকাটার জন্য রয়েছে ই-কমার্স সাইট www.rang-bd.com এবং ফেসবুক পেজ www.facebook.com/rangbangladesh.

সারাদেশের যেকোনো প্রান্তে অনলাইন অর্ডারে থাকছে ক্যাশ অন ডেলিভারি সুবিধাসহ হোম ডেলিভারির সুবিধা। ফোন/হোয়াটসঅ্যাপ 01777744344 নাম্বারে রয়েছে কাস্টমার সার্ভিস সাহায্যকারী এবং 01799998877 নম্বরে বিক্রয় প্রতিনিধি।

ওজন কমাতে কখন হাঁটা ভালো ?

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

ওজন কমাতে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের পাশাপাশি নিয়মিত হাঁটা খুব উপকারী। এটি কেবল ক্যালরি পোড়ায় না, মনকে ভালো রেখে কাজ করার গতিও বাড়ায়।

তবে ওজন কমাবার ক্ষেত্রে এই হাঁটার বিষয়টি নিয়ে রয়েছে অনেক যুক্তি-তর্ক। কেউ মনে করেন সকালে হাঁটা ভালো, কেউ বা ভাবেন বিকেলই সঠিক। তবে কোন সময়টি আসলেই এর জন্য উপকারী ?

ভারতীয় গণমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, সকালে হাঁটা দেহের মেটাবলিজম বা বিপাক বাড়ায়; সারাদিনের গতিকে ঠিক রাখে। অপরদিকে বিকেলে হাঁটা মানসিক চাপ কমাতে অনেকটাই সাহায্য করে।

বিভিন্ন গবেষণার ফলাফলে বলা হয়, ওজন কমাবার ক্ষেত্রে যেকোনো সময়ই এই ব্যায়ামটি করা যায়। তবে ভালো ফলাফল পেতে সকালে বা বিকেলে- যাই হোক না কেন, একটি নির্দিষ্ট সময়ে হাঁটতে হবে। এতে দেহ তার ভেতরের কাজগুলো নির্দিষ্ট গতি ও সময়ে করতে পারে এবং ওজন দ্রুত কমতেও সহায়তা হয়।

তাহলে আর দেরি কেন, জুতা-মোজা পরে বেরিয়ে পরুন। আর লেগে যান ওজন কমানোর মিশন হিসেবে হাঁটা-হাঁটিতে।

ভিপিএন ব্যবহারে ৫ ক্ষতি

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মধ্যে ভিপিএন বা প্রাইভেট ভার্চুয়াল নেটওয়ার্ক বর্তমানে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে দেশে ইন্টারনেট সেবা সীমিত হয়ে যাওয়ায় বিকল্প হিসেবে অনেকেই ভিপিএনের দ্বারস্থ হয়েছেন।

তবে এই অ্যাপ বা সফটওয়্যারটির বিভিন্ন সুবিধা থাকলেও অসুবিধা বা ক্ষতির দিকও রয়েছে। এটি ব্যবহারের কিছু ক্ষতির কথা জানিয়েছে টেকনোলজি বিষয়ক ওয়েবসাইট অল অ্যাবাউট কুকিস।

১. ভিপিএন ব্যবহারে ইন্টারনেট সংযোগের গতি কমে যায়। ভিপিএন বিভিন্ন দুর্গম সার্ভারের মধ্য দিয়ে ডেটা পাঠায় ও ট্রান্সমিশন এনক্রিপ্ট করে। তাই ব্রাউজিংয়ের সময় গতি কমে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

২. ভিপিএন ব্যবহারকারীর পরিচয় গোপন রাখে- এটাই বলা হয়। তবে কোনো কারণে ব্যবহারকারীর পরিচয় শনাক্তকরণ তথ্য, ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড অন্য কেউ পেয়ে গেলে একাউন্ট হ্যাক হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

৩. ভিপিএন বিনামূল্যে ব্যবহার করা গেলেও প্রিমিয়াম শ্রেণির গ্রাহক হতে চাইলে এবং উচ্চ গতির সার্ভার ব্যবহার করতে গেলে টাকা গুণতে হয়।

৪. এই সেবাটি ব্যবহার করতে গেলে প্রযুক্তি সম্পর্কে তুলনামূলক কম জানা লোকেদের অসুবিধা হতে পারে। এনক্রিপশন প্রোটোকল, সার্ভার বাছাই ও ‘টানেলিং’ ইত্যাদি বিষয় ভালোভাবে না জানা থাকলে ব্যবহারকারীরা সমস্যায় পড়তে পারেন।

৫. বর্তমানে অস্যংখ্য ভিপিএন সফটওয়্যার ও অ্যাপ বাজারে রয়েছে। তাই ব্যবহারকারীর তথ্য নিরাপত্তার বিষয়টি সেবাদাতার সততার ওপর নির্ভর করে।

রাগের সময় শান্ত থাকুন ৪ উপায়ে

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

ভালো কিছু ঘটাবার জন্য কখনো কখনো রাগ দরকার। আবার কখনো হয়তো ‘রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন’। আসলে সম্পূর্ণ বিষয়টিই নির্ভর করে অবস্থা ও সময়ের ওপর।

রাগ করে অবস্থা ভালোর দিকে গেলে বা কোনো কিছু শুধরানো গেলে করা যেতে পারে। তবে বেশিরভাগ সময় অতিরিক্ত রাগ অবস্থাকে অবনতির দিকেই নিয়ে যায়। তখন সব নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। আর বেশিরভাগ ক্ষেত্রে উত্তেজনার সময় ভালো কোনো সমাধানও খুঁজে পাওয়া যায় না। তাই, রাগের সময় নিজেকে শান্ত রাখার চেষ্টা করাটাই জরুরি। উত্তেজনার সময় নিজেকে নিয়ন্ত্রণে বা শান্ত রাখার কিছু উপায় জানিয়েছে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট মায়োক্লিনিক।

কথা বলার আগে ভাবুন
উত্তেজনা বা রাগের সময় মুখে যা আসে তাই বলে দেওয়া খুব সহজ। তবে, একটু থামুন। কোনো কিছু বলার আগে ভাবুন- এই কথাটির আসলেই কোনো প্রয়োজন রয়েছে কি না বা এর কারণে পরে কোনো ক্ষতি হতে পারে কি না।

চুপ থাকুন
রাগের সময় চুপ থাকাই বুদ্ধিমানের। উত্তেজনার সময় আমরা এমন অনেক কাজ করি, যা পরে অবস্থার অবনতি ঘটায়। অথবা অবস্থা আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। তাই রাগ বেড়ে গেলে সেই জায়গা থেকে সরে আসুন এবং কিছুক্ষণ চুপ থাকার চেষ্টা করুন। মাথা ঠান্ডা হলে আপনি নিজেই ভাবতে পারবেন কীভাবে এগোলে সুবিধা হবে।

সমাধানের পথ খুঁজুন
যেই চিন্তা আপনাকে রাগান্বিত করবে সেটি ভাবা বন্ধ করুন। হালকা কোনো চিন্তায় মন দিন। এমন কোনো ভাবনা ভাবুন, যা আপনাকে আরাম দেবে। রাগ আসলে শেষ পর্যন্ত সমাধানের পথ নয়। এর চেয়ে কৌশল ও বিচক্ষণতার সঙ্গে বিষয়টিকে ব্যবস্থাপনা করুন।

শিথিলায়ন চর্চা
খুব রেগে গেলে গভীরভাবে শ্বাস নিন। নিজেকে বলুন, ‘সব ঠিক হয়ে যাবে। সব আমার নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে’। এ ছাড়া নিজের চিন্তাগুলো লিখে ফেলতে পারেন। পাশাপাশি আরামদায়ক কোনো সঙ্গীত শুনুন বা যোগব্যায়াম করুন।

আসলে রাগ বা উত্তেজনার সময় হিতাহিত জ্ঞান থাকে না। তবে পরে একটু শান্তভাবে চিন্তা করলেই বোঝা যায়, এই কাজটি না করলেও চলতো। তাই রাগের সময়টি হুট করে লড়াইয়ের মাঠে না নেমে একটু বুদ্ধিমান হোন। কোন লড়াইটি আপনার জন্য জরুরি আর কোনটি নয়, সেটি বিবেচনা করুন। যেই বিষয়টি আপনার জন্য অপকারী, সেখানে শক্তি ও সময় অপচয় না করাই ভালো, তাই নয় কি ?

মাইগ্রেনের ব্যথা : কী করবেন, করবেন না ?

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

মাইগ্রেনের ব্যথা এক অসহ্য যন্ত্রণার নাম। ঘাড় ও কাঁধে ব্যথা, দুই চোখের পেছনে ব্যথা, বমি ভাব ও বমি, মাথার একপাশে ব্যথা, আলো ও শব্দের প্রতি সংবেদনশীলতা ইত্যাদি মাইগ্রেনের লক্ষণ।

কিছু বিষয় রয়েছে, যেগুলো মাইগ্রেনের ব্যথাকে আরো বাড়িয়ে দেয়। আবার অপর কিছু বিষয় একে অনেকটাই কমাতে সাহায্য করে। মাইগ্রেনের সময় কী করবেন এবং কী করবেন না, তার একটি তালিকা জানিয়েছে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট ওয়েবএমডি।

  • কী করবেন ?

ওষুধ নিন
মাইগ্রেনের ব্যথা শুরু হচ্ছে মনে হলে আগে থেকেই ওষুধ খেয়ে নিন। তবে এই ওষুধ হতে হবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী।

একটু থামুন
সম্ভব হলে একটু রিলাক্স বা শিথিল থাকার চেষ্টা করুন। এই সময় আলো ও শব্দের প্রতি সংবেদনশীলতা তৈরি হয়। তাই কোনো অন্ধকার, শব্দহীন ঘরে থাকার চেষ্টা করাই ভালো। সম্ভব হলে একটু ঘুমিয়ে নিন।

ক্যাফেইন নিন
অনেকের ক্ষেত্রে চা, কফি বা কোলা জাতীয় ক্যাফেইন খেলে ব্যথা কিছুটা কমে। এমন হলে খেয়ে দেখতে পারেন। তবে খুব বেশি খেতে যাবেন না। আর ঘুমের আগে এসব খাবার অবশ্যই এড়িয়ে যান।

গরম পানি বা বরফের স্যাঁক দিন
এ সময় মাথা ও ঘাড়ে বরফের প্যাক ব্যবহার করলে অনেকটাই আরাম পাওয়া যায়। আবার কারো কারো ক্ষেত্রে গরম পানিও খুব উপকার করে।

এ ছাড়া ব্যথা কমাতে গরম পানি দিয়ে গোসল করতে পারেন। এতেও অনেকটা আরাম পাবেন।

পানি পান করুন
মাইগ্রেনের ব্যথা শুরু হচ্ছে বুঝতে পারলে পানি পান করা শুরু করুন। দেহ পানিশূন্য হয়ে পড়লে ব্যথা বাড়ে। পানিশূন্যতা প্রতিরোধে নিজের কাছে সবসময় একটি পানির বোতল রাখুন এবং কিছুক্ষণ পর পর পান করুন।

  • কী করবেন না ?

বেশি ওষুধ খাবেন না
অনেকে ব্যথা শুরু হলে অনেক ওষুধ একসঙ্গে খেয়ে ফেলে। এটি করতে যাবেন না। ব্যথানাশক মাসে ১০ দিনের বেশি
না খাওয়াই ভালো। এতে ওষুধের অত্যাধিক ব্যবহারের কারণে ব্যথা আবার ফিরে আসতে পারে। যেকোনো ওষুধ সেবনের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুসারে ডোজ ও সময় ঠিক করে নিন।

খাবার বাদ নয়
প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় খাবার খান। কোনো বেলার খাবারই বাদ দেবেন না। দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকলেও ব্যথা বাড়ে। তবে প্রক্রিয়াজাত মাংস, চকোলেট, কৃত্রিম মিষ্টি জাতীয় খাবার ইত্যাদি এড়িয়ে যান। এগুলো ব্যথা বাড়ায়।

মানসিক চাপমুক্ত থাকুন
কথাটা হয়তো বলা সহজ, তবে দৈনন্দিন প্রতিযোগিতার জীবনে মানসিক চাপ না হওয়াই অস্বাভাবিক। তবুও চেষ্টা করুন, চাপ কিছুটা কমিয়ে রাখার। এই ক্ষেত্রে শ্বাস- প্রশ্বাসের ব্যায়াম, ধ্যান ইত্যাদিকে জীবনের অংশ বানিয়ে নিন। এসব কাজ মানসিক চাপ কমাতে অনেকটাই উপকারী।

উদ্বেগ কমাতে ব্যায়াম করবেন কীভাবে ?

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

বর্তমানের ব্যস্ত জীবনে ব্যায়ামের জন্য সময় বের করা অনেকের জন্যই কঠিন। তবে জানেন কি, নিয়মিত ব্যায়াম করা দুশ্চিন্তা বা উদ্বেগ কমাতে সাহায্য করে ?

বিভিন্ন গবেষণার ফলাফলে দেখা গেছে, উদ্বেগ বা দুশ্চিন্তা কমাতে ব্যায়াম বেশ উপকারী। নিয়মিত ব্যায়াম দেহের এনডোরফিনস বাড়ায়। এনডরফিন হলো এক ধরনের রাসায়নিক, যা মস্তিষ্কের ভেতর ভালো অনুভূতি তৈরি করে এবং উদ্বেগ দূর করে।

উদ্বেগ কমাতে কীভাবে ব্যায়াম করবেন ? হাঁটা, দৌঁড়ানো, সাইকেল চালানো ইত্যাদি উদ্বেগ কমাবে। এই ক্ষেত্রে সপ্তাহে অন্তত পাঁচ বার ৩০ মিনিট করে এসব ব্যায়াম করুন।

তবে অনেক্ষণ ব্যায়াম সম্ভব না হলে ছোট লক্ষ্য তৈরি করতে পারেন। প্রতিদিন অন্তত ১৫ থেকে ২০ মিনিট কায়িক পরিশ্রমের মধ্যে থাকুন। আর একেবারেই সময় বের করতে না পারলে অফিস থেকে বাসায় ফেরার পথে অন্তত ঘণ্টাখানেকের পথ হেঁটে আসুন।

ব্যায়াম শুরুর সময় ধৈর্য রাখুন। ধীরে ধীরে এতে অভ্যস্ত হয়ে উঠলে ভালো লাগবে। যারা উদ্বেগ বা অ্যাংজাইটি ডিজঅর্ডারে ভুগছেন, তারা এভাবেই ব্যায়ামকে সঙ্গী করে নিন।

সূত্র : মায়োক্লিনিক ও আড্ডাডট ওআরজি

- Advertisement -
সাতকাহন
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.