সন্তান লালন-পালন এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে মা-বাবা ও শিশুটিকে প্রতিনিয়ত একটি পারস্পরিক বোঝাপড়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়।
এই বোঝাপড়ার ওপর নির্ভর করে শিশুর সঙ্গে বন্ধন শক্ত হওয়ার বিষয়টি। কিছু কাজ রয়েছে যেগুলো নিয়মিত করলে সন্তানের সঙ্গে বন্ধন দৃঢ় হতে সাহায্য হয়।
শিশু ঘুম থেকে উঠার পর পর তার সঙ্গে একটু সময় কাটান। বাথরুমে যাওয়ার জন্য বা স্কুলের যাওয়ার জন্য তাকে তাড়া দিতে থাকবেন না। শিশু ঘুম থেকে উঠলে জড়িয়ে ধরে বলুন, ‘আমি তোমাকে ভালোবাসি এবং আমি তোমাকে দেখে অনেক খুশি। তুমি ছাড়া খুব একঘেয়ে লাগছিল।’
সে স্কুল থেকে বাসায় ফিরে এলে কোনো প্রশ্ন জিজ্ঞেস না করে কেবল তাকে জড়িয়ে ধরে বলুন, ‘তোমাকে দেখে খুব খুশি হয়েছি। তুমি থাকলে ঘরটা আনন্দে ভরে উঠে।’
ঘুমাতে যাওয়ার আগে শিশুকে জানান, আপনি তাকে কতটা ভালোবাসেন এবং তার উপস্থিতি আপনার জীবনে কতটা গুরুত্বপূর্ণ। এসব কাজ টানা অন্তত ২১ দিন করে যান। আর দেখুন, শিশুর সঙ্গে আপনার বোঝাপড়া কতটা সুন্দর ও মজবুুত হয়।
শেষ শরতের নদীতীর বা বনের প্রান্ত ছাপিয়ে সাদা কাশফুল, ভোরের শিশির সিক্ত দূর্বাঘাস ও পথঘাট, সকালের মিষ্টি রোদ, সবুজ ঘাস ও ধান ক্ষেতের ডগায় মুক্তোদানার মতো জমে থাকা শিশির বিন্দু জ্বলজ্বল করছে সূর্যের আলোতে, সন্ধ্যায় হালকা শীতের হাওয়া- শরতের বিদায় হতে না হতেই হেমন্তকে পাশ কাটিয়ে যেন জানিয়ে দিচ্ছে শীতের আগাম বার্তা।
প্রকৃতির এই রূপ সবাই পছন্দ করে। আর তাই ঘুরে বেড়ানোর জন্য শীতপূর্ব সময়টাই থাকে অনেকের পছন্দে।
যান্ত্রিকতায় আচ্ছন্ন এই প্রাত্যহিক জীবনে সব সময় সুযোগ আসে না ঘুরে বেড়াবার। তবুও বছর শেষে এক আধটু অবসর আসলে ঘুরতে যাওয়াই যায়। তবে ঘুরতে যাওয়ার আগে অনেকেই বুঝে উঠতে পারে না কোন পোশাক পরবেন আর কোনটি নয়! লম্বা ভ্রমণ যাত্রা, সারাদিন ঘুরে বেড়ানো, এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাওয়া- এর জন্য আরামদায়ক আবার আবহাওয়া উপযোগী পোশাকই চাই। আর তাই এই সময়ে ‘কে ক্র্যাফট’- এর ভিন্নধর্মী চমৎকার সব স্টাইলিশ এবং স্বস্তিদায়ক পোশাকই হতে পারে আপনার সঙ্গী।
মেয়েদের জন্য সালোয়ার কামিজ, কুর্তি, টপ, টিউনিক, কাফটানের মতো পোশাকের কাট ও ষ্টিচ সম্পূর্ণ নতুন আঙ্গিকে করা হয়েছে এবং পরিমিত অরনামেন্টেশন ও প্রেজেন্টেশনেও রয়েছে বৈচিত্র্য। এ ছাড়া শাড়ি তো থাকছেই। ছেলেদের জন্য ডেনিম শার্ট, ফুল স্লিভের স্মার্ট ক্যাজুয়াল শার্ট, শর্ট স্লিভের ক্যাজুয়াল শার্ট, পলো, টি-শার্ট, ফুল স্লিভের ফতুয়াও রয়েছে।
ছেলে ও মেয়ে শিশুদের জন্যও থাকছে নানা আয়োজনের পোশাক। ট্রেন্ডি, আধুনিক ও আরামদায়ক এসব পোশাক মানিয়ে যাবে নানা পরিবেশে। এ ছাড়া পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে পরতে নতুন কালেকশনের জুয়েলারি সামগ্রী ছাড়াও মিলবে বিভিন্ন অনুষঙ্গ।
কে ক্র্যাফটের ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, কুমিল্লা, খুলনা সহ সকল আউটলেট ছাড়াও অনলাইন শপ kaykraft.com থেকে সব বয়সীদের সকল ধরনের পোশাক কিনতে পারেন বিশেষ সাশ্রয়ী মূল্যে। এ ছাড়া ফেসবুক পেজ থেকেও কেনাকাটা করার সুবিধা রয়েছে।
সারাদেশের মানুষের মধ্যে সচেতনতার বার্তা ছড়িয়ে দিতে রাজধানীর বাইরে, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে স্তন ক্যানসার প্রতিরোধে সক্রিয় ৪৭টি স্বেচ্ছাসেবী ও অলাভজনক প্রতিষ্ঠানের প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ স্তন ক্যানসার সচেতনতা ফোরাম প্রতি বছর গোলাপি সড়ক শোভাযাত্রার আয়োজন করে আসছে।
এর আগে উত্তরবঙ্গ, দক্ষিণবঙ্গ ও বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলে এই শোভাযাত্রা ছুটে গেছে। এবার টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত ছোট-বড় প্রায় চল্লিশটি এলাকায় যাবে শোভাযাত্রা। গোলাপি সাজে সজ্জিত একটি বাসে করে চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ক্যানসারজয়ী যোদ্ধা, সংগঠক, সংস্ককৃতিজন থাকবেন এই অভিযাত্রায়। পথসভা, শোভাযাত্রা আর সহজ বাংলায় লেখা তথ্যসমৃদ্ধ লিফলেট বিতরণের এই কার্যক্রমে যোগ দিবেন স্থানীয় জনগণ।
আজ ঢাকা থেকে অংশগ্রহণকারীরা গোলাপি বাসে রওনা হয়ে গেছে টেকনাফের উদ্দেশ্যে। আগামীকাল সকাল নয়টায় টেকনাফ উপজেলা কম্প্লেক্সে সংক্ষিপ্ত উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে তেঁতুলিয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করা হবে।
দীর্ঘ এই শোভাযাত্রায় সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে- টেকনাফ, উখিয়া, কক্সবাজার, রামু, চকোরিয়া, চট্রগ্রাম, ফেনী, কুমিল্লা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর বাইপাস, কালিয়াকৈর, টাঙাইল, সিরাজগঞ্জ মোড়, বগুড়া, গোবিন্দগঞ্জ, পলাশবাড়ি, রংপুর, সৈয়দপুর, দশমাইল (দিনাজপুর), বীরগঞ্জ, ঠাকুরগাঁও, বোদা, পঞ্চগড়, তেঁতুলিয়া ও বাংলাবান্ধে।
ছবি : সংগৃহীত
ছোট আরও কিছু জনপদসহ মোট ৪০টি স্থানে কার্যক্রম চলবে। প্রতিটি স্থানে পথসভা, শোভাযাত্রা ও তথ্যবহুল লিফলেট বিতরণ করা হবে। ১ নভেম্বর শুক্রবার সকাল ১০টায় তেঁতুলিয়ায় অনুষ্ঠিত হবে সমাপনী অনুষ্ঠান।
বাংলাদেশ স্তন ক্যানসার সচেতনতা ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান সমন্বয়কারী ও ক্যানসার রোগতত্ত্ববিদ অধ্যাপক ডা. হাবিবুল্লাহ তালুকদার রাসকিনের নেতৃত্বে শোভাযাত্রা দলে জাতীয় চলচ্চিত্র পরিচালক মসিহউদ্দিন শাকেরসহ ২০ জন সংগঠক ও স্বেচ্ছাসেবী যোগ দিয়েছেন।
এই কর্মযজ্ঞ সম্পূর্ণ স্বেচ্ছা-উদ্যোগে হচ্ছে। স্বেচ্ছাসেবীরা সময়, শ্রম ও অর্থ ব্যয় করছেন সাধারণ মানুষকে স্তন ক্যানসার সম্পর্কে সচেতন করতে।
উল্লেখ্য, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র, ওয়াইডাব্লিওসিএ ও অন্যান্য সংগঠন এই প্রোগরামে টেকনাফ, কক্সবাজারসহ বিভিন্ন স্থানে সহযোগিতা করছে।
আলু ভাজা খেতে পছন্দ অনেকেরই। এটি খেতেও বেশ সুস্বাদু। তবে জানেন কি আলু ভাজা খাওয়া আপনাকে নিস্তেজ ও অলস করে দিতে পারে? এমনকি এটি মানসিক স্বচ্ছতা তৈরিতেও বাধাগ্রস্ত করে।
কেবল তাই নয়, আলু ভাজলে রেসিসটেন্স স্টার্চ তৈরি হয়। এতে হজম বাধাগ্রস্ত হওয়া, পেট ফাঁপা ও এসিডিটির সমস্যা তৈরি হতে পারে।
আলু ভাজলে অ্যাকরিল্যামাইড নামক এক ধরনের কেমিক্যাল উৎপন্ন হয়। এটি ক্যানসার তৈরিকারী কারসিনোজেন। এটি দেহে বিষাক্ততা বাড়িয়ে বন্ধ্যত্ব, অক্সিডেটিভ স্ট্রেস তৈরি ও কোষের ক্ষতি করতে পারে। পাশাপাশি এতে ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ে।
কেবল তাই নয়, আলু ডিপ ফ্রাই করলে ভিটামিন ‘সি’ ও পটাশিয়ামের মতো পুষ্টিগুলো হারিয়ে যায়। এ ছাড়া আলু ভাজা বেশি খেলে ওজনও বাড়ে।
তাই আলুর পুষ্টিগুলো ভালোভাবে পেতে হলে একে না ভেজে, সিদ্ধ বা বেক করে খেতে পারেন। আর সাদার চেয়ে মিষ্টি আলু খাওয়া বেশি পুষ্টিকর। তবে যাদের রিউমাটয়েড আরথ্রাইটিস রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে আলু খাওয়ার বিষয়ে সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।
জরায়ুমুখের ক্যানসার নারীর ক্যানসারের মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। নারীর জরায়ুর নিচে একটি মুখ থাকে। সেখানে ক্যানসার হতে পারে।
এটি সাধারণত হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস বা এইচপিভি- এর সংক্রমণে হয়ে থাকে। তবে সম্প্রতি বিজ্ঞান এতো এগিয়েছে, এইচপিভির বিরুদ্ধে ভ্যাকসিন তৈরি হয়েছে। সবচেয়ে সুখকর খবর হচ্ছে, আমরা বাংলাদেশে এই ভ্যাকসিন নিয়ে এসেছি। ইপিআই-এর মাধ্যমে এটি দেওয়া হয়।
নয় থেকে চৌদ্দ বছর বয়স পর্যন্ত যে মেয়েরা রয়েছে তাদের একটি ডোজ টিকা দিলে, তার জরায়ুমুখের ক্যানসার প্রতিরোধ হয়। আবার ২৬ বছর পর্যন্ত যারা রয়েছে, টিকা নেয়নি, ক্যানসার হয়নি, তারাও তিন ডোজ নিলে ক্যানসারটি প্রতিরোধ করা যায়।
যেকোনো ক্যানসার বেশি হলে ভোগান্তি বাড়ে, পরিবারের অনেক টাকা খরচ হয় এবং রোগীরও কষ্ট বাড়ে। তাই, নারীদের সময় থাকতেই চিকিৎসকের কাছে গিয়ে প্রতি বছর জরায়ুমুখের পরীক্ষার জন্য ভায়া টেস্ট এবং প্রয়োজনে প্যাপস্মেয়ার টেস্ট করিয়ে নিতে হবে। পাশাপাশি বাড়িতে, নয় থেকে ১৪ বছর বয়সের কন্যা সন্তান থাকলে এইচপিভি ভ্যাকসিন স্কুল থেকে বা কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে বা ভ্যাকসিন দেয় এমন প্রোগরামের মাধ্যমে দেওয়ানো জরুরি। এসব পদ্ধতি গ্রহণ করলে জরায়ুমুখের ক্যানসার প্রতিরোধ করা সম্ভব।
লেখক : রোকেয়া পদকে ভূষিত বিশিষ্ট নারী ও প্রজনন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ।
সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
শিশুর আত্মবিশ্বাস বাড়ার প্রথম ধাপটি শুরু হয় ঘর থেকে; মা-বাবার কাছ থেকে। আত্মবিশ্বাস তৈরির এই চর্চা খুব ছোটবেলা থেকে শুরু করতে হয়। এতে শিশু নিজেকে মূল্যবান মনে করে এবং ধীরে ধীরে আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠে।
তাই শিশুর মনোবল বাড়াবে এমন কিছু কথা রইলো অভিভাবকদের জন্য। এগুলো মা-বাবা সন্তানদের বলতে পারেন-
‘তুমি আছো বলে আমি নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করি।’
‘তুমি সৃষ্টিকর্তার কাছ থেকে পাওয়া আমার শ্রেষ্ঠ উপহার।
‘তুমি বেশ দয়ালু ও যত্নশীল।’
‘তোমার ভালোবাসা আমার জন্য শ্রেষ্ঠ ভালোবাসা।’
‘আমাকে তোমার মা হিসেবে বেছে নেওয়ার জন্য ধন্যবাদ।’
‘তোমার হাসি আমার দিনকে আনন্দময় করে তোলে।’
‘তুমি যে সবসময় এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করো, সেটা আমার ভালোলাগে।’
‘আমি তোমার সঙ্গ খুব উপভোগ করি।’
‘আমরা একসঙ্গে যেই সময়গুলো কাটাই সেগুলো আমার কাছে অন্যতম শ্রেষ্ঠ সময়।’
স্তন ক্যানসার ভীষণ ভীতিকর, বিশেষ করে নারীর জন্য। তবে স্তন ক্যানসার কী করলে কম হবে, সেটি জানলে রোগ থেকে পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব।
বিভিন্ন গবেষণা থেকে আমরা জেনেছি, মা শিশুকে বুকের দুধ পান করালে বা ব্রেস্ট ফিড করালে স্তন ক্যানসার প্রতিরোধ হয়। শিশু জন্মের পর প্রথম ছয় মাস মাতৃদুগ্ধ অবশ্যই পান করাতে হবে। এরপর দুই বছর পর্যন্ত এটি চালিয়ে যাবে। তাহলে সেই মায়ের স্তন ক্যানসার হওয়ার আশঙ্কা অনেকাংশে কমবে।
ব্রেস্ট ফিডিং দুজনের জন্য জরুরি। একটি হলো সন্তানের, অন্যটি মায়ের জন্য। শিশুর জন্য এটি প্রথম দিকের টিকা। তাই প্রথম ছয় মাস অন্য কোনো খাবার না দিয়ে শিশুকে কেবল মাতৃদুগ্ধ পান করান। ছয় মাসের পর অন্য খাবার দিলেও ব্রেস্ট ফিডিং চালিয়ে যান। এতে স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি কমবে এবং শিশুও সুস্থ থাকবে।
লেখক : রোকেয়া পদকে ভূষিত বিশিষ্ট নারী ও প্রজনন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ।
চলছে স্তন ক্যানসার সচেতনতা মাস। আজ ২১ অক্টোবর, সোমবার, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘জনস্বাস্থ্য ও তথ্য বিভাগ’, বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে দিনব্যাপী ক্যানসার সচেতনতার বিভিন্ন কর্মসূচি আয়োজন করে। আজকের আয়োজনের সহযোগিতায় ছিল ‘কমিউনিটি অনকোলজি সেন্টার ট্রাস্ট’ এবং ‘গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক ক্যানসার হাসপাতাল’।
সকাল ১০টায় বিভাগ থেকে শুরু হয় স্তন ক্যানসার র্যালি। শেষ হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জহির রায়হান মিলনায়তনে। এরপর মিলনায়তনের সেমিনার কক্ষে অনুষ্ঠিত হয় ‘No One Should Face Breast Cancer Alone’ শীর্ষক সেমিনার।
অনুষ্ঠানে বিভাগের চেয়ারপারসান ড. মাহফুজা মুবারক-এর সভাপতিত্বে মূল বক্তা ছিলেন, অধ্যাপক ডা. হাবিবুল্লাহ তালুকদার। তিনি প্রকল্প সমন্বয়কারী ও প্রধান, প্রিভেন্টিভ অনকোলজি বিভাগ, গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক ক্যানসার হাসপাতাল ও গবেষণা কেন্দ্র।
প্রধান অতিথি ছিলেন, ড. কামরুল আহসান, উপচার্য, জাবি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ড. মাহফুজুর রহমান, উপ-উপচার্য, জাবি; ড. সোহেল আহমেদ, উপ-উপচার্য, জাবি; ড. এম মাফরুহি সাত্তার, ডিন, জীববিজ্ঞান অনুষদ, জাবি; ডা. মুশতাক হুসেন, উপদেষ্টা, আইইডিসিআর। স্বাগত বক্তব্য দেন ড. শাখাওয়াত হোসেন।
সেমিনারে আরও উপস্থিত ছিলেন, কমিউনিটি অনকোলজি সেন্টার ট্রাস্টের সেক্রেটারি ও সিইও জনাব ইকবাল মাহমুদ, কমিউনিটি অনকোলজি ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের সেক্রেটারি জনাব মাহবুব শওকত।
শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশিক্ষণ ও স্তন ক্যানসার স্ক্রিনিং প্রোগ্রামে অংশ নেন ৫১ জন শিক্ষার্থী।