Saturday, May 16, 2026
spot_img
Home Blog Page 3

ঈদের রেসিপি: কাচ্চি বিরিয়ানি

ঈদে মুখরোচক খাবার না হলে কি চলে? ঈদের দুপুরে বা রাতে তাই খাবারের আয়োজনে থাকতে পারে কাচ্চি বিরিয়ানি। রেসিপি দিয়েছেন আমেনা আক্তার। চলুন জেনে নিই রেসিপিটি-

উপকরণ
খাসির মাংস- ১ কেজি
পোলার চাল/ বাসমতি চাল- দেড় কেজি
পেঁয়াজ বেরেস্তা- ৩ কাপ
টক দই- দেড় কাপ
আধা বাটা- ২ টেবিল চামচ
রসুন বাটা- ২ টেবিল চামচ
মরিচ গুঁড়া- ২ চা চামচ
জয় ফল, জয়ত্রী বাটা- আধা চা চামচ
গরম মশলার গুঁড়া- দেড় চা চামচ
লবন- স্বাদমতো
এলাচ- ৬টি
তেল- বিভিন্ন সময়ে ব্যবহারের জন্য মোট দেড় কাপ

যেভাবে তৈরি করবেন
প্রথমে পেঁয়াজের বেরেস্তা করুন। এর পর মাংসকে একটি বাটিতে নিন। আধা কাপ পরিমাণ তেল দিন। এর উপর ভাজা পেঁয়াজ বেরেস্তা দিন দুই কাপ। এরপর এলাচ ছাড়া একে একে সব উপকরণ দিয়ে মাখিয়ে নিন। এবার প্রেশার কুকারে দিয়ে মাংস সিদ্ধ করে নিন।

এখন আরেকটি হাড়িতে বাকি তেলটুকু দিন। তেল গরম হয়ে এলে পেঁয়াজ, এলাচ ঢালুন। পেঁয়াজ ভাজা হয়ে এলে পোলার চাল দিন। একটু নাড়াচাড়া করে পরিমাণ মতো পানি দিয়ে ঢেকে রাখুন। চাল আধা সিদ্ধ হয়ে এলে এর মধ্যে কাচ্চির জন্য তৈরি করা সিদ্ধ মাংসগুলো দিয়ে দিন। একটু নাড়াচাড়া করে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে রাখুন। ঢাকনার চারপাশ একটি ভেজা গামছা দিয়ে আটকে দিন, যেন বাতাস না বের হতে পারে। ১০ থেকে ১৫ মিনিট চুলায় রেখে এর পর নামিয়ে বিরিয়ানির উপর ভাজা পেঁয়াজ ছড়িয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।

রেসিপি দিয়েছেন আমেনা আক্তার।
রেসিপি দিয়েছেন আমেনা আক্তার।

ঈদের মেকআপ: দিনে হালকা, রাতে ভারী

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

ঈদের সাজ বা মেকআপে সবাই-ই চায় নিজেকে নতুন ও ভিন্নরূপে উপস্থাপন করতে। তবে সাজের ক্ষেত্রে আবহাওয়াও একটি বড় বিষয়। আবহাওয়া বুঝে সাজটা হলে এটি যেমন লংলাস্টিং হয়, তেমনি দেখতেও ফ্রেশ লাগে।

যেহেতু এখন গরম চলে এসেছে, তাই ঈদের দিনের সাজটি হালকা রাখাই ভালো। মুখের বেজ মেকআপের ক্ষেত্রে প্রথমে প্রাইমার লাগিয়ে এরপর একে একে ময়েশ্চারাইজার, ফেসপাউডার বা লুজ পাউডার ব্যবহার করতে পারেন। চাইলে বিবি বা সিসি ক্রিমও লাগানো যেতে পারে। এরপর কাজল বা আইলাইনার দিয়ে চোখ সাজিয়ে নিন। পিচ বা হালকা গোলাপি রঙের ব্লাশন ব্যবহার করুন। লিপস্টিকও হালকা রঙেরই ব্যবহার করতে পারেন। এতেও ভালো লাগবে- বলছিলেন রূপায়ন বিউটি পার্লারের রূপবিশেষজ্ঞ শিউলি আক্তার।

মডেল: হিমু আক্তার
মডেল: হিমু আক্তার

রাতের সাজটা একটু ভারী করাই যায়। সঙ্গে একটু জমকালো পোশাক পরে নিলেন। রাতে মুখের বেজের ক্ষেত্রে অন্যান্য অনুষঙ্গের সঙ্গে ফাউন্ডেশন, কালার কারেকটার ব্যবহার করুন। চোখ সাজাতে পারেন স্মোকি করে। চোখ স্মোকি করে সাজানোর প্রচলনটা ধীরে ধীরে আবার ফিরে আসছে। আইলেশ লাগাতে ভুলবেন না। এতে চোখ আকর্ষণীয় লাগে। পোশাকের সঙ্গে ম্যাচ করে গাঢ় বা হালকা রঙের লিপস্টিক ব্যবহার করুন।

চুলের ক্ষেত্রে দিন হোক বা রাত- ছেড়ে রাখতে পারেন। আবার পোশাক অনুযায়ী, হাত খোপা, পনি টেইল বা হর্স টেইলও করা যেতে পারে। খোপা করলে বেলির মালা বা জারবেরা লাগাতে পারেন। এতে নান্দনিক লুক আসবে- পরামর্শ রূপবিশেষজ্ঞ শিউলি আক্তারের।

ঈদে মেয়েদের বিশেষ পোশাক নিয়ে কে ক্র্যাফট

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

ঈদকে সামনে রেখে থেমে থাকবে না পোশাক নিয়ে ভাবনা এবং এ নিয়ে মেয়েরা একটু এগিয়েই থাকবে। আর তাই দেশের অন্যতম প্রধান ফ্যাশন হাউস কে ক্র্যাফট মেয়েদের জন্য সালোয়ার কামিজ ও কুর্তির নান্দনিক ও বৈচিত্র্যময় ডিজাইনের কালেকশন নিয়ে হাজির হয়েছে।

সৃজনশীল কাট-প্যাটার্ন এবং যত্নসহকারে বাছাইকৃত ফ্যাব্রিক দিয়ে আলাদা স্টাইল স্টেটমেন্ট তৈরিতে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। নিজস্ব ডিজাইনে মোটিফের ব্যবহার, রঙ নির্বাচন, ভ্যালু অ্যাডিশনে নানা মিডিয়ার ব্যবহার সকলেরই ভালো লাগবে।

ঈদ আসতে আসতে গরমও চলে আসবে, আর তাই সময় ও পরিবেশকে চিন্তায় রেখে ফ্যাশনের পাশাপাশি আরামদায়ক এবং স্বস্তিতে থাকতে দিনের বেলায় প্যাস্টেল শেড ও অন্যান্য হালকা রঙ এবং রাতের পার্টিতে আভিজাত্য নিয়ে আসবে এমন গাঢ় রঙে কটন, জ্যাকার্ড কটন, টু-টোন, লিনেন, জর্জেট, সিল্ক, মম সিল্ক, অরগাঞ্জা ফ্যাব্রিকে করা হয়েছে সালোয়ার কামিজ ও কুর্তি।

ছবি: কে ক্র্যাফট
ছবি: কে ক্র্যাফট

এবারের কালেকশনে মূলত এ-লাইন, বেসিক, প্রিন্সেস লাইন, গোর, লং ও সেমি লং প্যাটার্নকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। কামিজের ইয়কে স্ক্রিন প্রিন্টের সঙ্গে হাতের কাজ আবার এমব্রয়ডারির সমন্বয়, এমব্রয়ডারির সঙ্গে কারচুপি আর সিকুইন এর সমন্বয় রয়েছে। এবারের সালোয়ারের কাটেও থাকছে ভিন্নতা। স্ক্রিন প্রিন্ট এবং লেস ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে স্ট্রেইট প্যান্ট, ডিভাইডার এবং পালাজো স্টাইলের বটম ওয়্যার, যা কালেকশনকে দিয়েছে সমসাময়িক ও স্টাইলিশ লুক। এ ছাড়া হাফ-সিল্ক, অরগাঞ্জা, কটন কাপড়ে করা হয়েছে দোপাট্টা।

জামদানি, ফ্লোরাল, কাঁথা, পেইসলে, ইজনিক, পার্সিয়ান, মেসোপটেমিয়ান, গুজরাটি, ট্র্যাডিশনাল এর মতো বিভিন্ন মোটিফকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। কাপড়ের ধরন ও অলংকরনে পরিমিতিবোধ বজায় রয়েছে। ম্যাজেন্টা, মেরুন, নেভি, পার্পল, ভায়োলেট, ল্যাভেন্ডার, পার্ল-হোয়াইট, বার্গান্ডি, মস-গ্রিন, জাভা গ্রিন, মাস্টার্ড, অফ-হোয়াইট, এজালিয়া পার্পল, অ্যাকুয়া, স্কাই, মেটালিক সিলভার, পিচ, মভ পিঙ্ক, পিঙ্ক এর মতো ডিপ টোনের মধ্যে করা হয়েছে বেশিরভাগ পোশাক।

কে ক্র্যাফটের ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, খুলনা, কুমিল্লার সকল শো-রুম ছাড়াও অনলাইন শপ kaykraft.com -এ ঈদ আয়োজন থেকে মেয়েদের সালওয়ার কামিজ ও কুর্তি কিনতে পারেন সাশ্রয়ী মূল্যে। এ ছাড়াও ফেসবুক পেজ থেকেও অর্ডার করা যাবে।

ঈদ: শাড়িতে লাগুক উৎসবের ছোঁয়া

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

ঈদ মানেই নতুনের আনন্দ, পরিবারের সঙ্গে সময় আর নিজের জন্য বিশেষ কিছু বেছে নেওয়ার অনুভূতি। সেই অনুভূতিকে আরও গভীর করতে এবারের ঈদে ‘কে ক্র্যাফট’ শাড়ি কালেকশনে নিয়ে এসেছে অভিনবত্ব। রয়েছে আধুনিকতার ছোঁয়া, পাশাপাশি ধরে রেখেছে বাঙালির চিরাচরিত রুচি।

বাংলার চিরায়ত পোশাক শাড়িকে নতুন রূপে উপস্থাপন করেছে এই বিশেষ কালেকশন। আরামদায়ক ফেব্রিক, পরিমিত রঙ, নান্দনিক প্রিন্ট ও সূক্ষ্ম কারুকাজে তৈরি প্রতিটি শাড়ি দৈনন্দিন ব্যবহার থেকে শুরু করে উৎসব ও বিশেষ আয়োজনের জন্য উপযোগী। নিজস্ব উইভিং ডিজাইনে মোটিফের সৃজনশীল প্রয়োগ, মনোমুগ্ধকর কালার কম্বিনেশন এবং ভ্যালু অ্যাডিশনে বিভিন্ন মিডিয়ার ব্যবহার—সব মিলিয়ে নজর কাড়বে সবার।

উৎসবের আভিজাত্য ফুটিয়ে তুলতে শাড়ির আঁচল, পাড় ও জমিনে স্ক্রিন প্রিন্টের সঙ্গে নিখুঁত এমব্রয়ডারি ও কারচুপির শৈল্পিক ছোঁয়া যোগ করা হয়েছে। নানা শেডের আঁচল ও পাড় জুড়ে ভারী স্ক্রিন প্রিন্টের সঙ্গে সূক্ষ্ম এমব্রয়ডারি ও কারচুপি করা এই শাড়িগুলো যেমন পার্টির জন্য মানানসই, তেমনি উৎসবের আমেজেও দারুণ মানিয়ে যাবে। এ ছাড়া আঁচল ও জমিনে পৃথক কাপড়ের সংযোজনে শাড়িতে আনা হয়েছে বৈচিত্র্যময় নকশা। দিনের বেলায় ঈদের স্বাচ্ছন্দ্যময় সাজে সুতি কিংবা তাঁতের সুতি শাড়ি রাখে বাড়তি আরাম। সন্ধ্যা ও রাতের জন্য বেছে নিতে পারেন সিল্ক, জয়শ্রী সিল্ক, হাফ সিল্ক বা অরগাঞ্জা।

ছবি: কে ক্র্যাফট
ছবি: কে ক্র্যাফট

মুঘল আর্ট, ফ্লোরাল, জামদানি, ট্র্যাডিশনাল কাঁথা স্টিচ, ইজনিক, পেইসলে, আলাম, টার্কিশ সহ মিক্সড মোটিফের উপস্থাপনায় নানা মিডিয়ার ব্যবহারে থাকবে নিপুনতা। মেরুন, ম্যাজেন্টা, পার্পল, ল্যাভেন্ডার, ভায়োলেট, পিংক, নেভি, কোবাল্ট, হোয়াইট, পার্ল হোয়াইট, অফ-হোয়াইট, সিলভার, বিসকটি, ব্রিক রেড, জেড গ্রিন, ইয়েলো, টিল, কফি ছাড়াও আরও অন্যান্য শেড নিয়ে ডিজাইন করা বর্নিল শাড়িগুলো পরিচ্ছন্ন ও দৃষ্টিনন্দন।

উজ্জ্বল রঙ, কন্ট্রাস্ট কম্বিনেশনে করা সবার জন্য উপযোগী এবং উৎসবমুখী এ আয়োজনে হাতের কাজ, এমব্রয়ডারি, স্ক্রিনপ্রিন্ট, ব্লক প্রিন্ট কারচুপি করা শাড়িগুলো অনন্য। মূল্য সীমা ২০০০ থেকে ৮০০০ টাকা এবং তাঁতের শাড়ি ১০০০ থেকে ৩৫০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাবে।

কে ক্র্যাফটের ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, খুলনা, কুমিল্লার সকল শো-রুম ছাড়াও অনলাইন শপ kaykraft.com থেকে ঈদ আয়োজন এর শাড়ি কিনতে পারেন সাশ্রয়ী মূল্যে। এ ছাড়া ফেসবুক পেজ থেকেও অর্ডার করা যাবে।

ঈদ আনন্দে রঙ বাংলাদেশ

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

ঈদ মানেই আনন্দ। চাঁদ দেখার আগের সেই নীরব উত্তেজনা, রমজানের প্রতিটি দিনের সংযম আর প্রার্থনার ভেতর জমে ওঠা আনন্দ—সব মিলিয়ে ঈদ এক অনুভবের নাম। নতুন পোশাকের গন্ধে যেমন শৈশব ফিরে আসে, তেমনি প্রিয়জনের সঙ্গে মিলেমিশে থাকার প্রতিশ্রুতিও নতুন করে জেগে ওঠে।

এই অনুভবকে রঙে, বুননে, নকশায় আর গল্পে রাঙিয়ে তুলতেই রঙ বাংলাদেশ নিয়ে এসেছে এবারের ঈদ আয়োজন। এবারের সংগ্রহ যেন এক নান্দনিক ভ্রমণ সংস্কৃতি থেকে সংস্কৃতিতে, ইতিহাস থেকে বর্তমানের দিকে।

বিশ্বের নানা ঐতিহ্যবাহী শিল্পধারা এসে মিশেছে বাংলার আবহাওয়া, স্বাচ্ছন্দ্য ও রুচির সঙ্গে; তৈরি হয়েছে এক অনন্য ঈদ কালেকশন। ফিলিস্তিনি সূচিশিল্পের ঐতিহ্যবাহী ভাষা তাতরেজ-এর জ্যামিতিক মোটিফ ও সুতোয় আঁকা পরিচয়ের গল্প এখানে নতুনভাবে প্রাণ পেয়েছে। প্রতিটি নকশা যেন শিকড়ের কথা বলে, ইতিহাসের কথা বলে, আবার আধুনিক কাট ও রঙের ভেতর দিয়ে সমকালীন হয়ে ওঠে।

ইস্তাম্বুলের ঐতিহাসিক ব্লু মস্ক-এর ডোম, নীল-সাদা টাইল ও স্থাপত্যের মহিমা এবারের সংগ্রহে এনে দিয়েছে এক প্রশান্ত সৌন্দর্য। ঈদের সকালের আলোয় যখন পোশাকের গায়ে সেই নীলাভ অলংকরণ ঝলমল করে ওঠে, তখন তা যেন আকাশের বিস্তৃত শান্তিরই প্রতিচ্ছবি।

প্রাচীন সভ্যতার আবহ নিয়ে এসেছে ইজিপশিয়ান ফ্লোরাল ডিজাইন লোটাস, প্যাপিরাস ও প্রতীকী ফুলেল মোটিফের সূক্ষ্ম অলংকরণে ফুটে উঠেছে রাজকীয় এক মাধুর্য। আধুনিক রঙের ছোঁয়ায় সেই প্রাচীন শিল্পধারা হয়ে উঠেছে ঈদের উপযোগী, সমকালীন ও মার্জিত।

পলিনেশিয়ান টাট্টু-এর দৃঢ় জ্যামিতিক রেখা ও উপজাতীয় প্রতীকের শক্তি এবারের কালেকশনে যোগ করেছে আত্মবিশ্বাসের নতুন মাত্রা। সাহস, পরিচয় ও প্রকৃতির শক্তিকে ধারণ করা এই নকশাগুলো আধুনিক ফ্যাশনে এনেছে এক স্বতন্ত্র উপস্থিতি।

আর উজবেক সিরামিকস্-এর উজ্জ্বল রঙ, সূক্ষ্ম জ্যামিতিক প্যাটার্ন ও হাতে আঁকা শিল্পভাবনা এই ঈদ আয়োজনকে দিয়েছে প্রাণবন্ত বৈচিত্র্য। ফিরোজা, নীল, সবুজ ও মাটিরঙা অলংকরণে যেন ফুটে উঠেছে উৎসবের রঙিন উচ্ছ্বাস।

এ ছাড়াও থিম হিসেবে রয়েছে ডিলাইট ইন ডিজাইন এর সূক্ষ নকশা ও কারুকাজ এর সমন্বয়ে ম্যাচিং পোশাক।

বিশ্ব ঐতিহ্যের এই মেলবন্ধন শেষ পর্যন্ত এসে মিশেছে বাংলার প্রকৃতি, আবহাওয়া ও আরামদায়ক কাপড়ের ভাবনায়। টেকসই বুনন, স্বস্তিদায়ক ফেব্রিক এবং ব্যবহারোপযোগী কাটিং সব মিলিয়ে রঙ বাংলাদেশ আবারও প্রমাণ করেছে, নান্দনিকতার পাশাপাশি আরামই তাদের প্রধান অঙ্গীকার। পরিবারের সবার কথা ভেবে তৈরি হয়েছে ম্যাচিং পোশাকের বিশেষ আয়োজন। বাবা-ছেলে, মা-মেয়ে কিংবা পুরো পরিবার একই থিমে উদযাপন করতে পারবে ঈদের আনন্দ। তরুণদের জন্য ওয়েস্ট রঙ, বয়োজ্যেষ্ঠদের জন্য শ্রদ্ধাঞ্জলি, আর শিশুদের আনন্দঘন দুনিয়া রঙ জুনিয়র—সব সাবব্র্যান্ডেই রয়েছে ঈদের আলাদা আয়োজন।

মেয়েদের জন্য শাড়ি, থ্রি-পিস, সিঙ্গেল কামিজ, টিউনিক, টপস, ওড়না, রেডি ব্লাউজ ও আনস্টিচড সেট; ছেলেদের জন্য পাঞ্জাবি, পায়জামা, কাবলি, কাতুয়া, শার্ট ও পোলো টি-শার্ট; ছোটদের জন্য রঙিন ফ্রক, পাঞ্জাবি, স্কার্ট-টপস ও থ্রি-পিস—সব মিলিয়ে এক পূর্ণাঙ্গ ঈদ সংগ্রহ। সঙ্গে রয়েছে জুয়েলারি, ব্যাগ,
পার্স, শো-পিস ও উপহার সামগ্রী।

রঙ বাংলাদেশ এর ঢাকা ও ঢাকার বাইরের সকল আউটলেটে পাওয়া যাবে এই বিশেষ ঈদ আয়োজন। এ ছাড়া অনলাইনে কেনাকাটার জন্য ভিজিট করতে পারেন www.rang-bd.com বা যেকোনো প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ভ্যারিফাইড ফেসবুক পেজ www.facebook.com/rangbangladesh- এ।

অনলাইনে অর্ডারকৃত পণ্য সম্পূর্ণ সুরক্ষায় পৌঁছে যাবে আপনার ঘরে। যেকোনো প্রয়োজনে ফোন/হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করা যাবে ০১৭৭৭৭৪৪৩৪৪ এবং ০১৭৯৯৯৯৮৮৭৭ নম্বরে।

কে ক্র্যাফট নিয়ে এলো ঈদ আয়োজন

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

আসছে ঈদকে সামনে রেখে শিশু থেকে শুরু করে সকল বয়সী ক্রেতা, শুভানুধ্যায়ীদের প্রত্যাশিত নতুন কিছু দেবার জন্য কে ক্র্যাফট ইতিমধ্যে ঈদ আয়োজনের পোশাক নিয়ে হাজির হয়েছে। ঐতিহ্যের ছোঁয়া ও আধুনিক শৈলীর সম্মিলনের এই আয়োজন ঈদের উৎসবকে করে তুলবে আরও সমৃদ্ধ ও স্মরণীয়।

মোটিফের সঙ্গে মিলিয়ে নির্বাচিত নানা রঙের ফেব্রিক ও সুচারু স্টাইলিংয়ের সমন্বয় কে ক্র্যাফটের এবারের ঈদ আয়োজনকে করে তুলেছে আরও আকর্ষণীয় ও সময়োপযোগী। ঈদের সকাল, বিকেল ও সন্ধ্যার ভিন্ন ভিন্ন মুহূর্তের জন্য ক্যাজুয়াল থেকে শুরু করে এক্সক্লুসিভ—সব ধরনের কাঙ্ক্ষিত পোশাকই স্থান পেয়েছে এবারের ঈদ আয়োজনে।

লং এবং সেমি লং প্যাটার্ন, ইয়কে পরিমিত কম্পোজিশন, ট্র্যাডিশনাল এর পাশাপাশি ফিউশন ধর্মী, বোটম ওয়্যারের কাটে ভিন্নতা, এপ্লিকের ব্যাবহার ইত্যাদি বৈশিষ্ট্য নিয়ে আয়োজনে রয়েছে সালোয়ার কামিজ, লং-কুর্তি, শর্ট কুর্তি, টপস্, টিউনিক, প্যান্ট সহ টপস, টপস-স্কার্ট। নানা পোশাকের প্রতি আকর্ষণ বা পছন্দ থাকলেও শাড়ির আবেদন কিন্তু একটুও কমেনি। তাই থাকবে বৈচিত্র্যপূর্ণ শাড়ির আয়োজন। ছেলেদের জন্য রয়েছে পছন্দের ব্র্যান্ড কে ক্র্যাফটের রেগুলার, কাট বেইজড ও ফিটেড পাঞ্জাবি। এ ছাড়াও পাওয়া যাবে রেগুলার ফিটেড ক্যাজুয়াল শার্ট, এথনিক শার্ট, ফতুয়া ও টি শার্ট। আরামদায়ক, সময় উপযোগী ও উৎসবধর্মী এবারের আয়োজন আপনাকে বিশেষ করে তুলবে।

মেয়ে শিশুদের জন্য উৎসব ভিত্তিক পোশাকে থাকছে- সালওয়ার কামিজ, ফ্রক, কুর্তি, টপস, লেহেঙ্গা সেট, টপ সেট, স্কার্ট। ছোট ছেলেদের জন্য নানা রঙের পাঞ্জাবি, হাফহাতা শার্ট, ফতুয়া এবং টি শার্ট। শিশুদের পোশাকে প্যাটার্ন, ফ্যাব্রিক ও রঙের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। প্যাটার্নে ভিন্নতা ও রঙে উৎসবের আমেজ বহন করবে। ছোট মেয়েরা, বোন অথবা মায়ের সঙ্গে মিলিয়ে পরার জন্য সালওয়ার কামিজ, কুর্তি এবং বাবা ও ছেলের জন্য পাঞ্জাবি, শার্ট থাকবে বরাবরের মত। এ ছাড়া যুগলদের জন্য থাকবে বিশেষ পোশাক।

কাঁথা স্টিচ, মুঘল, ট্র্যাডিশনাল,কাশ্মীরি, ইজনিক, ফ্লোরাল, ট্রাইবাল, জামদানি, টার্কিশ আর্ট, ইসলামিক, ইজিপ্সিয়ান, গ্রিক, ওরিয়েন্টাল, বিউটি অফ রাগস, মিক্সড মোটিফের অনুপ্রেরণায় করা হয়েছে এবারের বিভিন্ন সিরিজ সহ অন্যান্য পোশাক। মোটিফ ফুটিয়ে তুলতে হাতের কাজ, অ্যামব্রয়ডারি, কারচুপি, স্ক্রিন ও ব্লক প্রিন্ট, সিকুইন ওয়ার্ক, ডিজিটাল প্রিন্ট ও টাই-ডাই মিডিয়ার ব্যবহার হয়েছে।

পরিবেশ ও আবহাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আরামদায়ক বিষয়টি মাথায় রেখে ফেব্রিক হিসেবে নেওয়া হয়েছে কটন, ডিজাইন্ড কটন, স্ল্যাব কটন, হ্যান্ডলুম কটন, লিনেন, জর্জেট, সিল্ক, জয়স্রী সিল্ক, হাফ সিল্ক, মম সিল্ক, সাটিন ও অরগাঞ্জা।

রঙ হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে মেরুন, রেড, কপার, ক্রিমসন রেড,সিলভার, ব্রাউন, পিচ, পিঙ্ক,কোরাল পিঙ্ক, পার্ল হোয়াইট, টেন, পার্ল, ওক ব্রাউন, ব্ল্যাক, নেভি, হোয়াইট, অলিভ গ্রিন, মাস্টারড, অ্যাকুয়া, স্কাই সহ আরও নানান রঙ।

মূল্য সীমা

শাড়ি ২০০০ থেকে ৮০০০ টাকা, তাঁতের শাড়ি ১০০০ থেকে ৩৫০০ টাকা, সালওয়ার কামিজ ৩০০০ থেকে ৮০০০ টাকা, কুর্তি/ টপস ১৫০০ থেকে ৪০০০ টাকা।

ছেলেদের পাঞ্জাবি ১২০০ থেকে ৪৫০০ টাকা, ক্যাজুয়াল শার্ট ১৫০০ থেকে ৩০০০ টাকা।

মেয়ে শিশুদের পোশাক
সালওয়ার কামিজ ২০০০ থেকে ৩৫০০ টাকা, টপস বা ফ্রক ৯০০ থেকে ২৫০০ টাকা, লেহেঙ্গা সেট ১৮০০ থেকে ৩৫০০ টাকা।

ছেলে শিশুদের পোশাক
পাঞ্জাবি ৭০০ থেকে ২২০০ টাকা, শার্ট ৬০০ থেকে ১২০০ টাকা।

কে ক্র্যাফটের ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, খুলনা, কুমিল্লার সকল শো-রুম ছাড়াও অনলাইন শপ kaykraft.com থেকে ঈদ আয়োজনের পোশাক কিনতে পারেন সাশ্রয়ী মূল্যে। এ ছাড়াও ফেসবুক পেজ থেকেও অর্ডার করা যাবে।

ভাষা দিবস আয়োজনে রঙ বাংলাদেশ

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

রক্তে লেখা এক ইতিহাসের নাম একুশে ফেব্রুয়ারি। নিজের ভাষায় কথা বলার অধিকারের দাবিতে বাংলার দামাল সন্তানেরা যে দিন বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছিল, সে দিন শুধু একটি ভাষাই প্রতিষ্ঠা পায়নি; প্রতিষ্ঠা পেয়েছিল আত্মমর্যাদা, সংস্কৃতি আর জাতিসত্তার অমলিন গৌরব।

সেই আত্মত্যাগের স্মরণে আজ বিশ্বজুড়ে পালিত হয় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বাংলা ভাষার মহিমাকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার এক অনন্য দিন। এই মহান চেতনাকে হৃদয়ে ধারণ করে দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ফ্যাশন হাউস রঙ বাংলাদেশ নিয়ে এসেছে তাদের বিশেষ “একুশ আয়োজন”। এবারের থিম বাংলা বর্ণমালা। অক্ষরের বর্ণিল ছন্দ, শহীদের রক্তিম স্মৃতি, আর মায়ের ভাষার আবেগ—সব মিলিয়ে তৈরি হয়েছে এক অনন্য নান্দনিক উপস্থাপনা, যেখানে পোশাক হয়ে উঠেছে অনুভূতির বাহন।

হাফসিল্ক, নানান ধরনের কটন ও ভয়েল কাপড়ে স্ক্রিনপ্রিন্ট, কাটিং-সুইংয়ের সূক্ষ্ম কারুকাজে ফুটে উঠেছে একুশের আবহ। কখনো কালো-লালের সংযমী আবেদন, কখনো বর্ণমালার ছড়িয়ে থাকা ছাপ প্রতিটি ডিজাইনে রয়েছে ভাষার প্রতি ভালোবাসার স্বাক্ষর। একুশ মানেই তো কেবল শোক নয়, তা আত্মমর্যাদার দীপ্তি; তাই প্রতিটি পোশাকে চেষ্টা করা হয়েছে ঐতিহ্য ও সমকালীনতার মেলবন্ধন ঘটাতে।

উৎসবের পূর্ণতায় রয়েছে যুগল ও পরিবারের সবার জন্য একই থিমের সমন্বিত পোশাক—যাতে একসঙ্গে দাঁড়িয়ে ভাষার প্রতি শ্রদ্ধা জানানো যায় একই রঙে, একই আবেগে। সংগ্রহে রয়েছে শাড়ি, সালোয়ার-কামিজ, কামিজ, ওড়না, ব্লাউজ, পাঞ্জাবি, শার্ট, টি-শার্ট ও উত্তরীয়। শিশুদের জন্য রয়েছে কামিজ, পাঞ্জাবি ও টি-শার্ট। পাশাপাশি একুশের অনুপ্রেরণায় তৈরি বিশেষ ডিজাইনের মগও রয়েছে উপহার সামগ্রী হিসেবে—যা ভাষাপ্রেমের একটি স্মারক হয়ে থাকতে পারে।

যেকোনো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, কর্পোরেট আয়োজন কিংবা প্রাতিষ্ঠানিক উদযাপনে একুশের আবহ ছড়িয়ে দিতে সুলভ ও পাইকারী মূল্যেও পাওয়া যাচ্ছে এই বিশেষ আয়োজন। ভাষার প্রতি সম্মান জানাতে একসাথে, একই থিমে সজ্জিত হওয়ার এই প্রয়াস নিশ্চিতভাবেই আয়োজনকে করে তুলবে আরও আকর্ষণীয়।

ঢাকা ও ঢাকার বাইরের সকল আউটলেটে পাওয়া যাচ্ছে রঙ বাংলাদেশের একুশ আয়োজন। অনলাইনেও সংগ্রহ করা যাবে এই বিশেষ কালেকশন—ভিজিট করুন www.rang-bd.com অথবা ভ্যারিফাইড ফেসবুক
পেজ www.facebook.com/rangbangladesh। প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন হোয়াটসঅ্যাপ সম্বলিত হটলাইন 01777744344 ও 01799998877 নম্বরে।

একুশ মানে শুধু স্মরণ নয়—একুশ মানে প্রতিজ্ঞা। ভাষার প্রতি ভালোবাসাকে হৃদয়ে ধারণ করে, অক্ষরের আবেগকে আচ্ছাদনে জড়িয়ে, এবার একুশে নিজেকে রাঙিয়ে নিন রঙ বাংলাদেশের সঙ্গে।

‘বিউটি আর্টিস্ট হতে উজ্জ্বলা পাশে ছিলাে’

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

বিউটিফিকেশনের কাজটিকে খুব ভালোবাসতেন আসমা আজমীরা কেয়া। আর সেই ভালোবাসা, সখই পরিণত হয় তাঁর পেশায়। বর্তমানে তিনি উজ্জ্বলা থেকে বিউটিফিকেশনের কোর্স শেষ করে মিরপুরে একটি স্যালন দিয়েছেন। নিজের প্রতিষ্ঠানের আয়ে তিনি সন্তুষ্ট।

আসমা আজমীরা কেয়াকে বিউটি আর্টিস্ট হওয়ার ক্ষেত্রে উজ্জ্বলা কীভাবে প্রেরণা জুগিয়েছে এবং নিজেও কীভাবে প্রতিনিয়ত কাজ করে এগিয়েছেন, সেই গল্পই জানবো।

উজ্জ্বলা সেরা
উজ্জ্বলার কোর্সটি আমি ২০২২ সালে করেছি। এটা ঢাকা থেকে করি। উজ্জ্বলার কথা ফেসবুকের মাধ্যমে জানতে পারি ২০২১ সালে। পরে কোর্স করা হয়।
আমি মনে করি, একজন মেয়ে যদি সিদ্ধান্ত নেয়, সে বিউটি সেক্টরে কিছু করবে, তাহলে উজ্জ্বলা সেরা। কারণ, উজ্জ্বলা খুব সুন্দর করে বেসিক থেকে অ্যাডভান্স লেভেল পর্যন্ত শেখায়। আর খুব যত্ন নিয়ে তারা কাজটি করে। এখানকার প্রতিটি ক্লাস থেকেই আমি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় শিখেছি।

মেকআপ প্রোডাক্ট সংগ্রহ করতে ভালোবাসতাম
বিউটিফিকেশনের কাজটিকে ভালোবাসা থেকে মূলত এই পেশায় আসা। ছোটবেলা থেকে নিজেও সাজতাম, অন্যকেও সাজাতে পছন্দ করতাম। মেকআপ প্রোডাক্ট সংগ্রহ করা আমার সখ ছিল।

২০২৫ সালের ১৭ জানুয়ারি আমি স্যালন শুরু করি। আমার বাসা ও পার্লার দুটােই মিরপুরে। সখের কাজটিকে পেশায় পরিণত করতে পেরেছি, এই বিষয়টা খুব আনন্দ দেয়।

জেদ ছিলো বেশ
প্রতিটি মানুষের জীবনেই আসলে দুঃখ বা লড়াইয়ের গল্প থাকে। কেউ প্রকাশ করে। কেউ করে না। আমার খুব জেদ রয়েছে। আমি প্রথম প্রথম এই সেক্টরে কাজ করতে শুরু করলে, অনেকে আমাকে হেয় বা তুচ্ছ করে কথা বলে। সেটা আমার এখনাে মনে পড়ে। সেই কথাটা আমার জেদের কারণ হয়েছে। মনে হয়েছে, আমিও এই সেক্টরে ভালো করবো। তবে আমার পরিবার ও অনেক বন্ধু-বান্ধবই সহযোগিতা করেছে। আর উজ্জ্বলাতো পাশে ছিলাে সবসময়ই।

ভবিষ্যতে নিজের স্যালনটিকে অনেক ভালো অবস্থায় দেখতে চাই। নিজেও একজন বড় বিউটি আর্টিস্ট হবো, এই স্বপ্ন দেখি। মেয়েদের স্বাবলম্বী হওয়াটা জরুরি। আর এর জন্য বিউটি আর্টিস্ট পেশাটি চমৎকার।

বি : দ্র : বাংলাদেশের বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিং ইন্ডাস্ট্রিতে উদ্যোক্তা তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে উজ্জ্বলা লিমিটেড। উজ্জ্বলায় প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এবং সংগ্রাম করে সাফল্য অর্জন করেছেন, এমন কয়েকজন নারী ও পুরুষের সাক্ষাৎকার নিয়ে সাতকাহনের ধারাবাহিক পর্ব চলছে। এই পর্বটি ছিল ৯৭তম। উজ্জ্বলা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন :

https://www.facebook.com/UjjwalaBD

https://www.instagram.com/UjjwalaBD/

ফোন : ০১৩২৪৭৩৪১৫৭

হার্টের অসুখ বাড়াতে পারে যেসব খাবার

লিনা আকতার

রান্নার সময় অনেকেই বাড়তি লবণ ব্যবহার করেন। আবার খাবারের স্বাদ বাড়াতে বেকিং সোডা, সসও ব্যবহার করেন অনেকে। এগুলো মুখরোচক হলেও এসবের পরিমাণ কম রাখতে হবে।

আবার ভাতের সঙ্গে কাঁচা লবণ ছিটিয়ে খাওয়া, টক বা মরিচের আচার, ফল খাওয়ার সময় লবণ-মরিচ ছিটিয়ে নেওয়া — এসব অভ্যাস এতটাই স্বাভাবিক হয়ে গেছে যে ক্ষতি হয়তো আমরা টেরই পাই না। তবে শরীর ঠিকই হিসাব রাখে। লবণের বাড়তি সোডিয়াম রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়, হার্টের ওপর চাপ তৈরি করে। সময়ের সঙ্গে এই চাপই রূপ নেয় উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগে।

শুধু বড়রা নন, শিশু, কিশোর- কিশোরীও এসব খাবারে অভ্যস্ত। বাসায় বা স্কুল শেষে তাদের হাতে ধরিয়ে দেওয়া হয় চিপস, চকলেট, বিভিন্ন রঙিন প্যাকেটজাত খাবার। দেখে মনে হয়, ছোট্ট একটা নাস্তা। তবে এগুলোতে লুকিয়ে থাকে অতিরিক্ত সোডিয়াম, চিনি ও ট্রান্সফ্যাট। এভাবে শিশুরা অল্প বয়স থেকেই এমন উপাদান গ্রহণ করে, যা ভবিষ্যতে উচ্চ রক্তচাপ, ওজন বৃদ্ধি ও হৃদরোগের প্রবণতা বাড়িয়ে দিতে পারে।

আরেকটি বড় সমস্যার নাম তেল। ভাজাপোড়া খাবার আজকাল নিত্যদিনের অভ্যাস। ডুবো তেলে সিঙ্গারা-সমুচা, চিকেন ফ্রাই, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই কিংবা বাসায় বারবার ব্যবহার করা তেল — এসবেই বৃদ্ধি পায় ক্ষতিকর ট্রান্সফ্যাট। এতে রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল (এলডিএল) বেড়ে ধমনী শক্ত হতে থাকে। দীর্ঘদিনের এই প্রক্রিয়া একসময় হৃদরোগের দিকে ঠেলে দেয়।

সম্প্রতি বাসায় টেস্টিং লবণেরও ব্যবহার বেড়েছে। রান্নায় স্বাদ বাড়াবার নামে যে অতিরিক্ত সোডিয়াম যোগ হয়, তা লবণের মতোই রক্তচাপ বাড়িয়ে হার্টের জন্য ঝুঁকি তৈরি করে। আবার ক্ষিধে পেলেই বাইরের ভাজাপোড়া বা ফাস্টফুড খাবার খাওয়া — এই প্রবণতাই বাংলাদেশের মানুষের হৃদরোগের বড় সহায়ক। সামান্য খাবারের স্বাদ বাড়াতে গিয়ে আমরা নিজের অজান্তেই হার্টের ক্ষতি করছি।

স্বাদ কমানো নয়, বরং সচেতনতা বাড়ান। লবণ কমান, তেল কমান, প্যাকেটজাত খাবারের পরিমাণ কমান। খাদ্যাভ্যাসে ছোট ছোট পরিবর্তনই ভবিষ্যতের বড় বিপদ ঠেকাতে পারে।

অর্থাৎ, প্লেটে একটু কম লবণ আর কম তেল মানেই আপনার হার্টের জন্য দীর্ঘমেয়াদে নিরাপত্তা।

লেখক: পুষ্টিবিদ;
রাইয়ান হেলথ কেয়ার হসপিটাল এন্ড রিসার্চ সেন্টার, দিনাজপুর।

ছোট পদক্ষেপে শুরু করুন, তবুও করুন

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

কোনো বড় অর্জনই একদিনে আসে না। এর পেছনে থাকে অনেক ছোট ছোট পদক্ষেপ। বিন্দু বিন্দু জল মিলে যেমন সমুদ্র তৈরি হয়, বিষয়টা ঠিক তেমন।

তবে অনেকেই রয়েছে, যারা কোনো কাজ করতে গেলে শুরুতেই ভয় পেয়ে যায়। আর এর থেকে তৈরি হয় গড়িমসি। কাজটা আর করাই হয়ে উঠে না।
তাই শুরুতেই ঘাবড়ে না গিয়ে ছোট ছোট পদক্ষেপে আগান। ছোট পদক্ষেপে আগাবার কিছু উপকারিতা জানিয়েছে জীবনধারা বিষয়ক ফেসবুক পেইজ লাইফ লেশনস বাই বো।

ভয় কমে
সবই ভুল দিকে যাবে বা ভুল হবে এমন ভাবনা থেকে সাধারণত ভয়ের তৈরি হয়। বড় লক্ষ্যগুলো অর্জন করা অনেক সময় খুব কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। আর এটি আমাদের থামিয়ে দেয়। তাই খুব ছোট ছোট পদক্ষেপ নিন; ঝুঁকি নিন। ভয় কমতে থাকলে কাজের গতিও আগাবে।

কাজের গতি বাড়ে
পথে চলতে গেলেই পথের দেখা মেলে। শুধুমাত্র পরিকল্পনা করতে থাকলেই কাজ হয়ে যায় না। সঠিক পরিকল্পনা ও পদক্ষেপ দুটোই জরুরি। আর ছোট ছোট পদক্ষেপে কাজ করতে থাকলে এটি সহজ হয়ে যায়।

ধারাবাহিকতা কাজকে উন্নত করে
প্রতিদিন একটি ছোট অভ্যাস, ছোট পরিবর্তন কাজকে অনেক উন্নত করে। প্রতিদিনকার ধারাবাহিক প্রচেষ্টাগুলোই সফলতার দিকে নিয়ে যায়।

অগ্রগতি জরুরি নিখুঁত হওয়ার চেয়ে
সঠিক সময় আসবে, সঠিক পরিকল্পনা করবেন, সঠিক আত্মবিশ্বাস হবে, এসবের জন্য বসে থেকে কাজ ধীর করে ফেলবেন না। না, এখানে হঠকারী সিদ্ধান্ত নেবার কথাও বলা হচ্ছে না। শুধুমাত্র গড়িমসি, ভয় এড়াতে বলা হচ্ছে।

আত্মবিশ্বাস বাড়ায়
ছোট পদক্ষেপগুলোর সফলতা প্রমাণ করে আপনি যোগ্য। এতে ধীরে ধীরে মস্তিষ্কও বিশ্বাস করতে শুরু করে আপনি পারবেন। তাই, আত্মবিশ্বাস বাড়ে।

সময় কাজে লাগবে
অসাড় হয়ে বসে থাকার চেয়ে অন্তত প্রতিদিনের ছোট ছোট পদক্ষেপ নেওয়া উপকারী। এতে একমাস বা একবছর পরে কিছুটা হলেও ফলাফল আসবে।

আসলে সময় কারো জন্য বসে থাকে না। তাই বাধাকে জয় করে অন্তত একটু একটু কাজের মধ্য দিয়ে এগিয়ে যাওয়া ভালো। এতে স্বপ্ন বাস্তবতার মুখ দেখবে।

- Advertisement -
সাতকাহন
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.