Tuesday, September 22, 2026
spot_img
Home Blog Page 3

বিশ্বকাপের উন্মাদনায় ফুটবলের আবেগ এবার রঙ বাংলাদেশের পোশাকে

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

মাঠে যখন গড়ায় বল, তখন শুধু একটি খেলা শুরু হয় না—জেগে ওঠে স্মৃতি, আবেগ, স্বপ্ন আর একসঙ্গে উদযাপনের অসংখ্য গল্প। চার বছর অপেক্ষার পর বিশ্বকাপ আবারও ফিরছে কোটি মানুষের হৃদয়ের সবচেয়ে কাছের উৎসব হয়ে। সেই উৎসবের রঙে রঙিন হতে এবার রঙ বাংলাদেশ নিয়ে এসেছে বিশেষ ফুটবল থিমের ফ্যাশন কালেকশন।

এই আয়োজনে ফুটবলের আবেগকে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে পোশাকের নকশায়। মাঠের উত্তেজনা, গোলের আনন্দ, প্রিয় দলের প্রতি ভালোবাসা এবং পারিবারিক বন্ধনের উষ্ণতা মিলেমিশে তৈরি হয়েছে এক অনন্য সংগ্রহ। কালেকশনে রয়েছে শাড়ি, পাঞ্জাবি, টপস, বড়দের টি-শার্ট এবং শিশুদের টি-শার্ট, যা বিশ্বকাপের আনন্দকে পরিণত করবে পরিধানের ভাষায়।

ফুটবল বরাবরই মানুষকে এক করে। পরিবারের সবাই মিলে খেলা দেখা, প্রিয় দলের জয় উদযাপন কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডার মুহূর্ত—এসব স্মৃতিকে আরও রঙিন করতেই এই কালেকশনে রাখা হয়েছে ফ্যামিলি ম্যাচিং আউটফিটের বিশেষ ভাবনা। বাবা-ছেলে, মা-মেয়ে কিংবা পুরো পরিবারের জন্য একই থিমে সাজানোর সুযোগ এনে দিয়েছে রঙ বাংলাদেশ।

প্রতিটি নকশায় ফুটবল শুধু একটি মোটিফ নয়; এটি আবেগের প্রতীক। কোথাও বলের ছন্দ, কোথাও গ্যালারির উচ্ছ্বাস, কোথাও বা বিশ্বকাপের সেই চিরচেনা উন্মাদনা। দেশীয় পোশাকের স্বাচ্ছন্দ্য ও নান্দনিকতার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বৈশ্বিক ক্রীড়া উৎসবের আবেদন।

রঙ বাংলাদেশের বিশ্বাস, পোশাক কেবল শরীরকে আচ্ছাদিত করে না; এটি মানুষের অনুভূতি ও সময়কে ধারণ করে। তাই বিশ্বকাপকে ঘিরে এই বিশেষ আয়োজনের মাধ্যমে ব্র্যান্ডটি ফুটবলপ্রেমীদের জন্য তৈরি করেছে এমন কিছু পোশাক, যা শুধু একটি মৌসুম নয়, স্মরণীয় হয়ে থাকবে উৎসবের স্মারক হিসেবেও।

বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচ, প্রতিটি উল্লাস আর প্রতিটি অপেক্ষার মুহূর্তকে আরও রঙিন করে তুলতে বিশেষ এই ফুটবল থিমের কালেকশন এখন পাওয়া যাচ্ছে দেশের সকল রঙ বাংলাদেশ আউটলেট এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্মের ওয়েবসাইট www.rang-bd.com বা ভ্যারিফাইড ফেসবুক পেজ Rang Bangladesh। যেকোনো প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে পারেন হোয়াটসঅ্যাপ ০১৭৭৭৭৪৪৩৪৪ নাম্বারে।

বিউটি আর্টিস্ট হতে উজ্জ্বলা পাশে ছিলো

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

বিউটিফিকেশনের কাজটিকে খুব ভালোবাসতেন আসমা আজমীরা কেয়া। আর সেই ভালোবাসা, সখই পরিণত হয় তাঁর পেশায়। বর্তমানে তিনি উজ্জ্বলা থেকে বিউটিফিকেশনের কোর্স শেষ করে মিরপুরে একটি স্যালন দিয়েছেন। নিজের প্রতিষ্ঠানের আয়ে তিনি সন্তুষ্ট।

আসমা আজমীরা কেয়াকে বিউটি আর্টিস্ট হওয়ার ক্ষেত্রে উজ্জ্বলা কীভাবে প্রেরণা জুগিয়েছে এবং নিজেও কীভাবে প্রতিনিয়ত কাজ করে এগিয়েছেন, সেই গল্পই জানবো।

উজ্জ্বলা সেরা
উজ্জ্বলার কোর্সটি আমি ২০২২ সালে করেছি। এটা ঢাকা থেকে করি। উজ্জ্বলার কথা ফেসবুকের মাধ্যমে জানতে পারি ২০২১ সালে। পরে কোর্স করা হয়।
আমি মনে করি, একজন মেয়ে যদি সিদ্ধান্ত নেয়, সে বিউটি সেক্টরে কিছু করবে, তাহলে উজ্জ্বলা সেরা। কারণ, উজ্জ্বলা খুব সুন্দর করে বেসিক থেকে অ্যাডভান্স লেভেল পর্যন্ত শেখায়। আর খুব যত্ন নিয়ে তারা কাজটি করে। এখানকার প্রতিটি ক্লাস থেকেই আমি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় শিখেছি।

মেকআপ প্রোডাক্ট সংগ্রহ করতে ভালোবাসতাম
বিউটিফিকেশনের কাজটিকে ভালোবাসা থেকে মূলত এই পেশায় আসা। ছোটবেলা থেকে নিজেও সাজতাম, অন্যকেও সাজাতে পছন্দ করতাম। মেকআপ প্রোডাক্ট সংগ্রহ করা আমার সখ ছিল।

২০২৫ সালের ১৭ জানুয়ারি আমি স্যালন শুরু করি। আমার বাসা ও পার্লার দুটােই মিরপুরে। সখের কাজটিকে পেশায় পরিণত করতে পেরেছি, এই বিষয়টা খুব আনন্দ দেয়।

জেদ ছিলো বেশ
প্রতিটি মানুষের জীবনেই আসলে দুঃখ বা লড়াইয়ের গল্প থাকে। কেউ প্রকাশ করে। কেউ করে না। আমার খুব জেদ রয়েছে। আমি প্রথম প্রথম এই সেক্টরে কাজ করতে শুরু করলে, অনেকে আমাকে হেয় বা তুচ্ছ করে কথা বলে। সেটা আমার এখনাে মনে পড়ে। সেই কথাটা আমার জেদের কারণ হয়েছে। মনে হয়েছে, আমিও এই সেক্টরে ভালো করবো। তবে আমার পরিবার ও অনেক বন্ধু-বান্ধবই সহযোগিতা করেছে। আর উজ্জ্বলাতো পাশে বিউটি আর্টিস্ট হতে উজ্জ্বলা পাশে ছিলো সবসময়ই।

ভবিষ্যতে নিজের স্যালনটিকে অনেক ভালো অবস্থায় দেখতে চাই। নিজেও একজন বড় বিউটি আর্টিস্ট হবো, এই স্বপ্ন দেখি। মেয়েদের স্বাবলম্বী হওয়াটা জরুরি। আর এর জন্য বিউটি আর্টিস্ট পেশাটি চমৎকার।

সম্পর্কে বিশ্বাস তৈরি করবেন যেভাবে

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

যেকোনো সম্পর্ক দাঁড়িয়ে থাকে বিশ্বাসের ওপর ভর দিয়ে। এটি নড়বড়ে হলে সম্পর্কও হয়ে পড়ে ভিত্তিহীন। কীভাবে বিশ্বাস তৈরি করা যায়? কী কী গুণইবা থাকে একটি বিশ্বস্ত সম্পর্কে? চলুন জানি-

  • খোলাখুলি কথা বলা, কোনো রাখ-ঢাক না রেখে।
  • সৎ থাকা।
  • প্রতিজ্ঞা রক্ষা করা।
  • আস্থাভাজন হওয়া।
  • একে অপরকে শ্রদ্ধা করা।
  • স্বচ্ছ থাকা।
  • ভুল হলে ক্ষমা চাওয়া ও ক্ষমা করা।
  • ধারাবাহিকতা রক্ষা।
  • পাশাপাশি ব্যক্তিগত স্পেস বা সীমারেখা রাখা এবং এই সীমারেখাকে শ্রদ্ধা করা।
  • একে অপরকে সহযোগিতা করার মানসিকতা থাকা। সাধারণত এসব গুণ থাকলেই একটি সম্পর্ক হয়ে ওঠে বিশ্বস্ত।

সূত্র: লাইফ লেশনস বাই বো

সফল মানুষের নয় ‘মাইন্ডসেট’

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

সফলতা কখনো রাতারাতি আসে না। এর জন্য প্রয়োজন পড়ে ধারাবাহিকতা ও ব্যর্থ হলেও ওঠে দাঁড়াবার মানসিকতা। আপনিও কি সেই মানসিকতায় অভ্যস্ত হতে চান? তাহলে এই লেখাটি আপনার জন্য।

সফল মানুষের নয় ধরনের মানসিকতা বা গুণের কথা জানিয়েছে জীবনধারাবিষয়ক ফেসবুক পেইজ লাইফ লেশনস বাই বো।

১. সফল ব্যক্তি ব্যর্থ হলে তারা হা-হুতাশ করতে বসে যায় না। এই বিষয়টি থেকে শিক্ষা নিয়ে সে আবারও কাজ শুরু করে।

২. তারা মনে করে কাজের প্রতি প্রচেষ্টা ও নিয়মিত শেখার মাধ্যমে উন্নতি হতে থাকবে।

৩. তারা লক্ষ্য নির্ধারণে পরিষ্কার থাকে এবং ধীরে ধীরে একটির পর একটি পদক্ষেপ নিয়ে সেটি পূরণ করে।

৪. সমস্যা নিয়ে দুশ্চিন্তা করার চেয়ে সমাধানের পদ্ধতি খুঁজে বের করে, প্রয়োজনে বিকল্প পথ নেয়।

৫. তারা সবসময় নতুন কিছু শিখতে থাকে এবং নিজেদের দক্ষতা বাড়ায়।

৬. তারা নিয়মানুবর্তী হয়। এমনকি মোটিভেশন (প্রেরণা) একদম তলানিতে ঠেকলেও ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যেতে থাকে।

৭. পরিবর্তনকে তারা মানিয়ে নেয় এবং চ্যালেঞ্জ আসতে পারে এই বিষয়টিও তারা সহজভাবে নেয়।

৮. তারা অন্যের সৃজনশীল বিষয়কে গুরুত্ব দেয় এবং সঠিকভাবে সেটা বের করে নিয়ে আসে।

৯. তারা নিজেদের কাজের প্রতি সম্পূর্ণ দায়িত্ব নেয় এবং ভুল থেকে শেখে।

পুরুষের চুলের জন্যে বিশেষভাবে তৈরি এই তেল

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

পুরুষ ও নারীর চুলে হরমোন ও জিনগত কিছু পার্থক্য থেকে যায়। নারীর তুলনায় পুরুষের চুল পড়ার ও মাথা টাক হবার আশঙ্কাটাও বেশি থাকে। তাই তাদের চাই বাড়তি যত্ন।

পুরুষের চুল ও মাথার ত্বকের উপযোগী করে বিউটি কেয়ার প্রোডাক্ট তৈরিকারী প্রতিষ্ঠান ‘উজ্জ্বলা কেয়ার’ তৈরি করেছে, ‘উজ্জ্বলা কেয়ার মেন অ্যান্টি হেয়ারফল অ্যান্ড রিগ্রোথ হেয়ার অয়েল’। সাতটি উপাদানের সমন্বয়ে গঠিত এই তেল চুলকে ঘন, কালো ও মজবুত করে। চুল পড়া প্রতিরোধে উপকারী। খুশকির সঙ্গেও লড়াই করে।

এতো গুণ একসঙ্গে! তাহলে কী উপাদান রয়েছে এই তেলে?

ক্যাস্টর অয়েল বা ক্যাস্টর তেল

  • ক্যাস্টর অয়েলের মধ্যে রয়েছে রিসাইনোলেইক এসিড ও ফ্যাটি এসিড। এগুলো চুলের গোড়া থেকে পুষ্টি জোগায়, প্রোটিন সিনথেসিস বাড়িয়ে চুলকে মজবুত করে।
  • খুশকি প্রতিরোধে উপকারী।
  • স্ক্যাল্পের রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
  • ক্যাস্টর অয়েলে থাকা উপাদান মাথার ত্বকের বিভিন্ন সংক্রমণ প্রতিরোধ করে চুলকে সুরক্ষা দেয়।

কাঠবাদামের তেল বা আমন্ড অয়েল

  • কাঠবাদামের তেলে রয়েছে ভিটামিন ‘ই’, ফ্যাটি এসিড ও মিনারেল। এগুলো গোড়া থেকে পুষ্টি জোগায় এবং চুলকে মজবুত করে।
  • চুলকে উজ্জ্বল ও ঝলমলে করতে উপকারী।
  • শুষ্কতা দূর করে আর্দ্র রাখে।
  • খুশকি প্রতিরোধে সাহায্য করে; চুলের ঘনত্ব বাড়ায়।
উজ্জ্বলা কেয়ার মেন অ্যান্টি হেয়ারফল অ্যান্ড রিগ্রোথ হেয়ার অয়েল। ছবি: উজ্জ্বলা কেয়ার
উজ্জ্বলা কেয়ার মেন অ্যান্টি হেয়ারফল অ্যান্ড রিগ্রোথ হেয়ার অয়েল। ছবি: উজ্জ্বলা কেয়ার

অ্যালোভেরার তেল বা অ্যালোভেরা অয়েল

  • চুলের খুশকি প্রতিরোধে সাহায্য করে।
  • নরম ও সিল্কি রাখে।
  • শক্ত ও মজবুত করে ভঙ্গুরতা কমায়।
  • চুল আর্দ্র রাখে।

অলিভ অয়েল বা জলপাইের তেল

  • শুষ্কতা কমিয়ে ময়েশ্চার ধরে রাখে।
  • ভঙ্গুরতা কমিয়ে চুলকে নরম করে।
  • এর মধ্যে থাকা প্রদাহরোধী উপাদান বিভিন্ন কারণে হওয়া মাথার ত্বকের প্রদাহ কমায়।
  • এর মধ্যে থাকা অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও অন্যান্য উপাদান চুলকে সুরক্ষা দেয়।

নারকেল তেল বা কোকোনাট অয়েল

  • চুল পড়া কমায়, ঘনত্ব বাড়ায়।
  • পরিবেশগত ক্ষতি থেকে চুলকে সুরক্ষা দেয়।
  • ফলিকলকে স্বাস্থ্যকর রেখে বৃদ্ধি ভালো করে।
  • খুশকি প্রতিরোধে উপকারী।

মেথির নির্যাস

  • এর মধ্যে প্রোটিন ও আয়রন ভরপুর রয়েছে। এগুলো চুলকে গোড়া থেকে দৃঢ় করে।
  • খুশকি ও মাথার তালুর বিভিন্ন সমস্যা প্রতিরোধে কার্যকর।
  • চুলকে নরম ও উজ্জ্বল রাখে।
  • দ্রুত চুল পেকে যাওয়া প্রতিরোধে সাহায্য করে।

আমলকীর নির্যাস

  • আমলকীর নির্যাস চুল বৃদ্ধিতে উপকারী।
  • আমলকীর মধ্যে থাকা উপাদান গোড়া থেকে শক্ত করে চুল পড়া প্রতিরোধ করে; টাক হবার আশঙ্ক কমায়।
  • চুল দ্রুত পেকে যাওয়া প্রতিরোধে কার্যকর।
  • প্রাকৃতিক কন্ডিশনারের কাজ করে।

‘উজ্জ্বলা কেয়ার মেন অ্যান্টি হেয়ারফল অ্যান্ড রিগ্রোথ হেয়ার অয়েল’- এর সর্বোচ্চ ফলাফল পেতে প্রথমে তেল মাথায় মেখে ৩০ মিনিট পর ‘উজ্জ্বলা কেয়ার মেন হেয়ার প্রোটেকশন’ শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এই তেল সব ধরনের চুলের জন্য উপযুক্ত (কালারড ও কেমিক্যাল ট্রিটেড)।

পুরুষের চুলের সুরক্ষায় ‘উজ্জ্বলা কেয়ার মেন হেয়ার প্রোটেকশন’ শ্যাম্পু

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

পুরুষ ও নারীর চুলের ধরন এক রকম নয়। পুরুষ ও নারীর চুলের বৃদ্ধির ধরনে বৈপরীত্য রয়েছে। পাশাপাশি হরমোন ও জিনগত পার্থক্যও দেখা যায় এদের চুলে।

আর তাই দুটো চুলের যত্নেও লাগে আলাদা পন্য। পুরুষের চুলের যত্নে বিউটি কেয়ার প্রোডাক্ট তৈরিকারী প্রতিষ্ঠান ‘উজ্জ্বলা কেয়ার’ বাজারে নিয়ে এসেছে একটি বিশেষ চুল সুরক্ষাকারী শ্যাম্পু। ‘উজ্জ্বলা কেয়ার ম্যান হেয়ার প্রোটেকশন’ নামের এই শ্যাম্পুটি পুরুষের চুলের জন্য খুবই উপযোগী।

এটি একসঙ্গে দুটো কাজ করে। এক. শ্যাম্পুর। দুই. কন্ডিশনারের। যাকে বলা যায়, টু ইন ওয়ান। এই শ্যাম্পুতে ব্যবহার করা হয়েছে চার ধরনের উপাদান। আর সেগুলো পুরুষের চুলের জন্য খুবই উপকারী।

এই শ্যাম্পুতে ব্যবহৃত উপাদান হলো:

ভৃঙ্গরাজ তেল

  • এই তেল চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে এবং চুল পড়া প্রতিরোধ করে।
  • খুশকি প্রতিরোধে উপকারী।
  • এই তেল প্রাকৃতিকভাবেই কন্ডিশনারের কাজ করে।
  • এর মধ্যে থাকা প্রদাহরোধী ও মাইক্রোবিয়াল উপাদান মাথার ত্বকের বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণ, চুলকানি ও শুষ্কতা প্রতিরোধে কার্যকরী।
  • চুলকে মসৃণ ও ঝলমলে রাখে।
  • এর মধ্যে থাকা অ্যান্টি অক্সিডেন্ট অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমায় এবং চুলের অকাল বার্ধক্য বা দ্রুত চুল পাকা প্রতিরোধ করে।

হিবিস্কাসের নির্যাস (জবার নির্যাস)

  • জবা পুষ্টিগুণে ভরপুর একটি ফুল। এতে রয়েছে ভিটামিন ‘সি’, অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, প্রয়োজনীয় মিনারেল ও অ্যামাইনো এসিড। জবা চুলের বৃদ্ধিতে উপকারী।
  • জবার মধ্যে থাকা ফরটিফাইং উপাদান চুল পড়া ও ভঙুরতা কমায়।
  • এর মধ্যে থাকা প্রদাহরোধী ও অ্যান্টি মাইক্রোবিয়াল উপাদান খুশকির সঙ্গে লড়াই করে। পাশাপাশি মাথার ত্বক ভালো রাখে।
  • জবার মধ্যে থাকা উপাদান প্রাকৃতিকভাবে কন্ডিশনার ও ময়েশ্চারাইজারের কাজ করে। চুলের চিটচিটে ভাব কমিয়ে ঝলমলে করে।
  • এর মধ্যে থাকা অ্যান্টি অক্সিডেন্ট অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমিয়ে চুল অকালে পেকে যাওয়া প্রতিরোধে উপকারী।
  • পড়া কমিয়ে এবং শক্ত করে এটি চুলের ঘনত্ব বাড়িয়ে দেয়।
'উজ্জ্বলা কেয়ার মেন হেয়ার প্রোটেকশন' শ্যাম্পু'; ছবি: উজ্জ্বলা কেয়ার
‘উজ্জ্বলা কেয়ার মেন হেয়ার প্রোটেকশন’ শ্যাম্পু’; ছবি: উজ্জ্বলা কেয়ার

শিকাকাইের নির্যাস

  • এটি প্রাকৃতিকভাবেই পরিষ্কারকের কাজ করে। মাথার তালু ও চুলের ময়লা ও বাড়তি তেল পরিষ্কার করে প্রয়োজনীয় ময়েশ্চার দেয়।
  • খুশকি কমিয়ে মাথার ত্বক ভালো রাখে।
  • চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
  • কন্ডিশনারের কাজ করে এবং চুল নরম রাখে।
  • এর মধ্যে থাকা অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, ভিটামিন ‘এ’ ও ভিটামিন ‘সি’ অক্সিডেটিভ স্ট্রেস থেকে চুলের ফলিকলকে সুরক্ষা দেয় এবং চুল অকালে পাকা প্রতিরোধ করে।

রিঠার নির্যাস

  • এটি প্রাকৃতিক ভাবে পরিষ্কারকের কাজ করে। গভীরভাবে পরিষ্কার করে চুল ও মাথার ত্বককে স্বাস্থ্যকর রাখে।
  • খুশকি নিয়ন্ত্রণে উপকারী। সংক্রমণ, চুলকানি ও প্রদাহ ধরনের মাথার ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
  • চুল পড়া কমায়।
  • রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
  • চুলকে নরম ও মসৃণ করতে রিঠার নির্যাস অনন্য।
  • এর মধ্যে থাকা ভিটামিন ‘এ’, ভিটামিন ‘ই’ ও ভিটামিন ‘কে’ ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট চুলের গোড়া থেকে পুষ্টি জোগায়।

১শ ভাগ প্রাকৃতিক নির্যাস সমৃদ্ধ ‘উজ্জ্বলা কেয়ার মেন হেয়ার প্রোটেকশন’ শ্যাম্পুটি সব ধরনের চুলের জন্যই উপযুক্ত। চুলকে সুন্দর ও স্বাস্থ্যকর রাখতে আপনিও বেছে নিতে পারেন উজ্জ্বলা কেয়ারের এই পন্যটি।

আপনি কি খুব স্পর্শকাতর মানুষ? ১০ লক্ষণে জেনে নিন

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

মানুষ বৈচিত্র্যময়। তার নিজেকে বোঝার শক্তি, অন্যকে অনুভব করার ধরন ভিন্ন রকম হবে এটাই স্বাভাবিক। এর মধ্যে কেউ কেউ রয়েছে ভীষণ স্পর্শকাতর। এরা সাধারণত বেশ সংবেদনশীল হয়। আপনিও কি এই ধরনের মানুষের মধ্যে পড়েন? ১০ টি লক্ষণে জেনে নিন-

  • আপনি সব গভীরভাবে অনুভব করেন।
  • আপনি মানুষের আচরণের খুব সূক্ষ্ম বিষয়ও খেয়াল করতে পারেন।
  • খুব ব্যস্ত পরিবেশে আপনার চাপ লাগে, নিজের মনকে ভারী মনে হয়।
  • নিজেকে পুণরায় ঠিকঠাক করতে আপনার অনেকটা একা সময় কাটাবার প্রয়োজন পড়ে।
  • সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে অনেক ভাবতে হয়।
  • সমালোচনা ভীষণভাবে আঘাত করে।
  • আপনি অপরের প্রতি ভীষণ সহানুভূতিশীল। অন্যের কষ্ট আপনাকে খুব আহত করে।
  • সহিংসতা আপনার পছন্দ নয়। এগুলো থেকে নিজেকে দূরে রাখেন। এমনকি সিনেমা দেখা বা বই পড়ার ক্ষেত্রেও এমন কনটেন্ট এড়িয়ে যান।
  • ঝগড়া-ঝাটি, উচ্চস্বরে কথা বলা, অথবা নিরব দুশ্চিন্তাও আপনাকে কষ্ট দিতে থাকে।
  • আপনি জীবনবোধ ও মানুষ সম্পর্কে গভীরভাবে চিন্তা করেন।

সূত্র: লাইফ লেশনস বাই বো

শিশুকে সফল করতে তিন বিষয় শেখান

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

শিশু বয়স এমন একটি সময়, যখন তাকে যা শেখানো হবে, সে তাই শিখবে। অর্থাৎ ভবিষ্যতের সফলতার বীজটা বপন করা হয়, এই বয়স থেকেই।

শিশুকে ভবিষ্যতের জন্য সফল করতে শেখানো জরুরি এমন পাঁচ বিষয়ের কথা জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া। চলুন জানি-

দায়িত্ব নেওয়া শেখানো
শিশুদের ছোটবেলা থেকেই দায়িত্ব নেওয়া শেখানো জরুরি। সবমসময় যে সব কাজে পারদর্শী হতে হবে বা সঠিক করতে হবে বিষয়টি তা নয়। শিশু ভুল করবে এটাই স্বাভাবিক। তবে তাকে দায়িত্ব নেওয়া থেকে বিরত রাখা যাবে না। ছোট ছোট কাজ করতে দিতে হবে। এভাবেই ধীরে ধীরে শিখবে, শক্ত হবে এবং বড় কাজও করতে পারবে; সফল হবে।

উৎসাহ দিন, তুলনা নয়
শিশু কোনো ভালো কাজ করলে সেটি করতে তাকে উৎসাহিত করুন। যদি না-ও পারে বা একটু কমও পারে অন্যের সঙ্গে তুলনা করবেন না। ‘সে পারলো, কিন্তু তুমি পারলে না’- এসব কথা বলা খুবই ভুল। এগুলো শিশুর আত্মবিশ্বাসকে নষ্ট করে দেয়। বরং কাজটি করার প্রতি তার যে আগ্রহ, সেটাকে বাড়াবার চেষ্টা করুন।

শিশুর ব্যর্থতাকে মেনে নিন
সাফল্য সবসময় পেরে যাওয়ার মধ্য দিয়ে আসে না। কখনো কখনো কোনো কিছুতে হেরেও যেতে পারে মানুষ। আর এটা স্বাভাবিক। আর ঠেকতে ঠেকতেই তো মানুষ শেখে। শিশুর বেলাতেও বিষয়টি এমন। সে ভুল করতে পারে, ব্যর্থ হতে পারে। এতে বকাঝকা না করে বিষয়টিকে মেনে নিন এবং পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য তাকে প্রস্তুত করুন।

এভাবেই সফলতা-ব্যর্থতার ভেতর দিয়ে চলতে চলতে শিশুটি জীবনের ভারসাম্য খুঁজে পায়। সফল হলে অহংকারী হয় না, আবার ব্যর্থতাও তাকে অস্থির করে তোলে না। এই মানসিক দৃঢ়তা ও সহনশীলতাই তাকে প্রকৃত অর্থে সফল করে তোলে।

- Advertisement -
সাতকাহন
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.