সবসময় ইতিবাচক থাকুন আট উপায়ে
সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
সবসময় ইতিবাচক থাকা সত্যিই খুব চ্যালেঞ্জিং বিষয়। কখনো কখনো মনের কোণে কোথাও তো নেতিবাচক চিন্তা নাড়া দিয়েই ফেলে।
তবে নেতিবাচকতার প্রবাহ সবসময় চলতে থাকলে সমস্যার তো সমাধান হবেই না। উল্টো নিজেই মানসিক ও শারীরিক জটিলতায় ভুগবেন। সবসময় ইতিবাচক থাকার কিছু কৌশল জানিয়েছে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট মায়োক্লিনিক।
নিজের প্রতি সদয় হন
ইতিবাচক মানসিকতার মানুষ হতে গেলে আত্মমর্যাদা বোধের চর্চা করা জরুরি। আত্মমর্যাদাবোধের একটি বড় কাজ হলো নিজেকে ভালোবাসা। এই ভালোবাসা নিজের প্রতি নিজেকে সদয় হতে সাহায্য করে। নিজের প্রতি অতিরিক্ত কঠোর হলে ইতিবাচক বিষয়গুলো মাথা থেকে হারিয়ে যায়।
সমাধানের দিকে নজর দিন, সমস্যায় নয়
চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হলে মনের ভেতর থাকা নেতিবাচক ভাবনাগুলো সরিয়ে ইতিবাচক চিন্তার দিকে মনোযোগ দিন। একটি বিপদ হয়তো সামনে এসেছে, এ থেকে মুক্তি বা সমাধানের পথ বের করুন। সমাধান নিয়ে ভাবুন, সমস্যা নিয়ে নয়। কারণ, সমস্যা নিয়ে ভাবলে আদৌতে কোনো ফলাফল আসে না।
ধন্যবাদ দিন
একটু ভেবে দেখুন, আপনার যা রয়েছে, এমন অনেক জিনিসই অনেকের নেই। তাই সারাক্ষণ কী হলো না, কী হয়নি- এসবের দিকে মনোযোগ না দিয়ে যা রয়েছে তার প্রতি মনোযোগী হন। প্রয়োজনে একটি ছোট ডায়রি তৈরি করুন। প্রতিদিন কী কী ভালো হয়েছে, সেগুলো লিখে ফেলুন এবং দিন শেষে বিশ্বব্রহ্মাণ্ডকে ধন্যবাদ জানান।
নেতিবাচক মানুষ থেকে দূরে থাকুন
আসলে ইতিবাচকতার চর্চা সবসময় একা করা যায় না। আশেপাশে নেতিবাচক মানুষ থাকলে, কখনো না কখনো আপনাার মধ্যেও এটি ঢুকতে বাধ্য। তাই সবসময় ইতিবাচক থাকতে এসব টক্সিক মানুষ থেকে দূরে থাকুন। শারীরিক দূরত্ব তৈরি না করতে পারলেও মানসিক ব্যবধান তৈরি করুন।
বর্তমানে থাকুন
সবসময় ইতিবাচক থাকার আরেকটি অন্যতম উপায় হচ্ছে বর্তমানে থাকা। অতীত চলে গেছে, আর ভবিষ্যৎ একটা মরীচিকা। ভবিষ্যৎ তখনই ভালো হবে, যখন বর্তমানের দিনটি আপনি ঠিকঠাক কাজে লাগাতে পারবেন। বর্তমানের থাকার এই অভ্যাস তৈরি করতে হলে নিয়মিত ‘মাইন্ডফুলনেস’ ( এক ধরনের ধ্যান) চর্চা করুন।
নিয়মিত ব্যায়াম করুন
নিয়মিত ব্যায়াম আমাদের মস্তিষ্ক থেকে ভালো অনুভূতি তৈরির হরমোন বা ফিল গুড হরমোন তৈরি করে। সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন ৩০ মিনিটের ব্যায়ামও এই ক্ষেত্রে কাজে দেবে।
নেতিবাচক ভাবনাগুলো আসতে দিন
সারাক্ষণ নিজেকে ইতিবাচক রাখাটাও একটা বড় চাপ; এটা সবসময় সম্ভবও না। তাই কখনো কখনো মন খারাপ, উদ্বেগ, হতাশার সঙ্গে লড়াই না করে, এগুলোকে আসতে দিন এবং বের হয়ে যেতে দিন। ঝড় এক সময় নিজের গতিতেই থেমে যাবে।
লক্ষ্য নির্ধারণ করে এগিয়ে যান
জীবনে লক্ষ্য নির্ধারণ করা জরুরি। ছোট ছোট পদক্ষেপ নিয়ে নিজের লক্ষ্যের প্রতি এগিয়ে যান। খুব কাজের মধ্যে থাকলে নেতিবাচকতা কম ভর করবে। ইতিবাচক থাকা যাবে।
সঙ্গী ‘ওভারথিংকার’? সামলাবেন যেভাবে
সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
ওভারথিংকিং বা অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করার সমস্যায় অনেকেই ভোগে। একটু কাজের চাপ হলো বা একটু সময়টা অনুকূলে নয় তো দুশ্চিন্তা শুরু হয়ে গেলো। আর এই ধরনের দুশ্চিন্তাগ্রস্ত বা ওভারথিংকার মানুষ আপনার সঙ্গী হলে তাদের সামলাতে একটু বুঝদার ও সহমর্মী হওয়ার প্রয়োজন।
ওভারথিংকার সঙ্গীকে সামলানোর কিছু উপায় জানিয়েছে জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট ওইকিহাও।
তার কথা শুনুন
অতিরিক্ত চিন্তায় ভোগা মানুষের মাথায় সাধারণত অনেক ধরনের দুশ্চিন্তা ও কথা ঘুরতে থাকে। অন্য কাউকে বলতে পারলে তারা অনেক সময় হালকা বোধ করে। তাই তার কথা শুনুন, তাকে বলতে দিন। তাকে নিরাপদ ও গুরুত্বপূর্ণ অনুভব করান।
আশ্বাস দিন
অতিরিক্ত দুশ্চিন্তায় ভোগা মানুষ অনেক সময় ভাবে সে হয়তো কোনো কিছুতে ভুল করে ফেলবে। তাই কাজটা করে না অথবা নিজেকে কাজটা করার জন্য যথেষ্ট মনে করে না। তাকে আশ্বাস দিন যে সে কাজটা করতে পারবে। এই ছোট্ট একটু আশ্বাস তাকে অনেক দূর নিয়ে যেতে পারে। তাকে ইতিবাচক থাকতে সাহায্য করুন।
ছোট ছোট পদক্ষেপ
একেবারে বড় পরিবর্তনের জন্য পরামর্শ না দিয়ে, তাকে ছোট ছোট পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য বলতে পারেন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তাকারীরা বড় বা সময়সাপেক্ষ পরিবর্তনে ভয় পায়। তাই বর্তমানের পদক্ষেপগুলোর প্রতি মনোযোগী হতে পরামর্শ দিতে পারেন।
সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে ধৈর্য ধরা
আপনি হয়তো কোনো ওভারথিংকারকে ভালোবাসেন। খুব চাইছেন, দ্রুত সে আপনার প্রতি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হন। তবে সে সময় চাচ্ছে, আবার অন্য কারো সঙ্গে তার সম্পর্ক রয়েছে, তা-ও নয়। তাহলে ধৈর্য ধরুন। কারণ, এই ধরনের মানুষ সাধারণত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে সব বিচার বিশ্লেষণ করে নেয়। এই ক্ষেত্রে ধৈর্য ধরে তাকে সময় দিয়ে যাওয়াটাই বুদ্ধিমানের। তবে আসলেই আপনি তার সঙ্গে প্রতিজ্ঞবদ্ধ সম্পর্কে থাকতে চাইলে, সেটি সম্ভব।
দেয়াল তৈরি করুন
অতিরিক্ত দুশ্চিন্তায় ভোগা মানুষ সামলানো সবসময় সহজ নয়। তাকে সামলাতে গিয়ে নিজেও হাঁপিয়ে যাচ্ছেন, মনে হলে সম্পর্কে বিরতি নিন। এই ধরনের মানুষের সঙ্গে আপনি নিয়মিত হতে পারবেন কি না বা তাকে সবসময় সামলাতে পারবেন কি না, সেই বিষয়ে আবারো ভাবুন। তবে বিশ্বাসঘাতকতা করতে যাবেন না। খোলাখুলি বলুন, এই সম্পর্ক আপনি টানতে পারছেন না।
কাউন্সিলরের পরামর্শ নিন
আর সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যেতে চাইলে প্রয়োজনে দুজনে মিলে সাইকোলজিস্ট বা কাউন্সিলরের পরামর্শ নিন। এতেও সমস্যা সমাধানের পথ মিলবে।
চটজলদি সকালের তিন স্বাস্থ্যকর নাশতা
সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
রাতের খাবার খাওয়া শেষ করে সকালে ঘুম থেকে উঠে আবার নাশতা করা পর্যন্ত আট থেকে ১০ ঘণ্টা চলে যায়। এই ঘুমিয়ে থাকার সময়টায় দেহের ভেতরকার কাজকর্ম চলতে থাকে। আর এতে প্রচুর শক্তি খরচ হয়। আর ঘুম থেকে উঠার পর মেটাবলিজম (বিপাক) ধীর গতির হয়ে পড়ে। তাই সকালে স্বাস্থ্যকর নাশতা খাওয়া খুব জরুরি।
তবে কর্মব্যস্ততার এই সময়ে অনেকে সকালের খাবার বাদ দিয়ে যায় বা খাবার তৈরির করার ঝামেলার কারণে খায় না। এই ক্ষেত্রে কিছু খাবার রয়েছে যেগুলো দ্রুত তৈরি করা যায় এবং স্বাস্থ্যকরও হয়। সকালে দ্রুত তৈরি করা যায়, এমন কিছু স্বাস্থ্যকর খাদ্যের কথা জানিয়েছেন রিজুভা ওয়েলনেসের জেষ্ঠ্য পুষ্টিবিদ মিলুপা আকতার।
চিয়া পুডিং
রাতেই এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে দুই টেবিল চামচ চিয়া সিড ভিজিয়ে রাখুন। সারারাত ভিজিয়ে রাখার পর পরের দিন সকালে টক দই বা দুধের সঙ্গে মিশিয়ে এটি খেতে পারেন। সঙ্গে দিতে পারেন পাকা পেঁপে, কলা, বেরি বা তরমুজ। পাশাপাশি এক চা চামচ মধু, এক চিমটি সিনামন পাউডার যোগ করা যেতে পারে।
ওটমিল
ওটমিলের সঙ্গে দই বা দুধ, কলা ও মধু যোগ করেও খেতে পারেন। এটিও সকালের জন্য চমৎকার নাশতা হবে।
বাদামি রুট- ডিম- সালাদ
বাজার থেকে কিনে ঘরে কিছু বাদামি রঙের পাউরুটি রাখতে পারেন। এগুলো টোস্ট করে নেওয়া যেতে পারে। সঙ্গে থাকলাে সিদ্ধ ডিম। পাশাপাশি যাদের মিষ্টি খেতে অপছন্দ, তারা সালাদ খেতে পারেন। এই ক্ষেত্রে একটি শসা বা একটি টমেটোর কেটে সঙ্গে ব্ল্যাক পিপার, সামান্য লেবুর রস ও অলিভওয়েল মিশিয়ে সালাদ তৈরি করা যেতে পারে। এটিও হবে স্বাস্থ্যকর সকালের নাশতা।
যেই ১০ বিষয় মানুষ দেরিতে শিখে
সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
জীবন চ্যালেঞ্জিং। প্রতি মুহূর্তে এখানে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়ে সেটি পার করতে হয়। আর এই পথ পারি দিতে গিয়ে মানুষ নানা বিষয় শিখে; শিখে জীবনদর্শন। তবে কিছু বিষয় রয়েছে যেগুলো একটু আগেভাগে বুঝলে হয়তো খানিক স্বস্তি মেলে।
- সবই অস্থায়ী।
- জীবন সবসময় আপনার সঙ্গে স্বচ্ছ থাকবে, তা নয়।
- বন্ধু-বান্ধবদের চেয়ে পরিবার বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
- রাগের অন্তরালে ভয় থাকে।
- ঝুঁকি না নেওয়াটাই সবচেয়ে বড় ঝুঁকি।
- জীবন স্থায়ী নয়।
- এখন যেই বিষয়টি কষ্ট দিচ্ছে, সেটির তীব্রতা এক সময় কমে যাবে।
- আপনি সুখি থাকবেন কি না, সেটা আপনার পছন্দ।
- সতর্ক হয়ে পথ চলা জরুরি।
- টাকা খুব বড় বন্ধু। তাই টাকা উপার্জনে মনোযোগ দেওয়া জরুরি।
সূত্র : স্টোইককোট
জামালপুর সমিতি, ঢাকার উদ্যোগে গুলশানে স্তন ক্যানসার সচেতনতায় পথসভা
সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
জামালপুর সমিতি, ঢাকার উদ্যোগে ঢাকার বিভিন্ন স্থানে অঞ্চলভিত্তিক স্বাস্থ্য সচেতনতা ও স্ক্রিনিং (প্রাথমিক চেকআপ) কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
আজ সমিতির অন্যতম নেতা হুমায়ুন কবীর স্বপনের নেতৃত্বে গুলশান ডিওএনসিসি মার্কেট ও নওয়াব ম্যানশন ব্যবসায়ী সমিতির সহযোগিতায় গুলশান-১ এলাকায় পথসভা, গোলাপি শোভাযাত্রা ও লিফলেট বিতরণ করা হয়। বাংলাদেশ স্তন ক্যানসার সচেতনতা ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান সমন্বয়কারী এবং জামালপুর সমিতি, ঢাকা’র আহবায়ক কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক হাবিবুল্লাহ তালুকদার রাসকিন, সাবেক যুগ্ম-মহাসচিব হেলাল তরফদার, সাবেক সমাজকল্যাণ সম্পাদক জিএম শফিকুল ইসলাম, সদস্য এডভোকেট আব্দুর রাজ্জাক, শামিম আজাদ, নজরুল ইসলাম দুলাল, আমানউল্লাহ আমান ও রানা সহ মার্কেট কমিটির সভাপতি ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ এই কার্যক্রমে অংশ নেন। পরবর্তী কর্মসূচি আয়োজিত হবে ঢাকার উত্তরায়।
ডা. রাসকিন জানান, জামালপুর সমিতি, ঢাকার নতুন কমিটির উদ্যোগে ঢাকাস্থ জামালপুরবাসী ও জামালপুর থেকে আগত চিকিৎসাপ্রার্থীদের এখন থেকে নিয়মিতভাবে স্বাস্থ্য সচেতনতা ও চিকিৎসা সহায়তা দেওয়া হবে।


