Tuesday, May 26, 2026
spot_img
Home Blog Page 26

‘রঙ বাংলাদেশ’-এর ৩০ বছর, শুভানুধ্যায়ীদের জন্য বার্তা

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

১৯৯৪ সালের ২০ ডিসেম্বর পথ চলা শুরু হয়েছিল ফ্যাশন হাউস ‘রঙ’-এর, যেটি এখন নতুন রূপে ‘রঙ বাংলাদেশ’। এই ডিসেম্বরেই পৃথিবীর মানচিত্রে জায়গা করে নিয়েছিল আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি – বাংলাদেশ।

ডিসেম্বর মাস তাই সব সময়েই আমাদের কাছে অন্য এক আবেগের মাস, আর সেই আবেগে নতুন এক চেতনার রঙ এসে আমাদের আরও বেশি উজ্জ্বীবিত করেছে। অনুপ্রাণিত করেছে।

বিজয়ের মাস ডিসেম্বর, রঙ বাংলাদেশের জন্ম মাস ডিসেম্বর এবং জুলাই চব্বিশ পরবর্তী এবারের ডিসেম্বর, সব যেন একই চেতনার সুতোয় বোনা। সে চেতনা প্রিয় মাতৃভূমিকে বিশ্বের বুকে অনন্য এক স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবার প্রত্যয়। সে চেতনা প্রতিটি নাগরিককে আরও বেশি দায়িত্বশীল হতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ করা। রঙ বাংলাদেশের ৩০ বছরের যাত্রা সেই অঙ্গীকারেরই গল্প।

নব্বই দশকে বেড়ে ওঠা আমরা চারজন টগবগে তরুণ ফ্যাশন হাউস ‘রঙ’ এর স্বপ্ন বুকে ধারণ করবার সঙ্গে সঙ্গে দেশপ্রেমের মন্ত্রেও বোধহয় নিজেদের অজান্তেই উজ্জীবিত হয়ে উঠেছিলাম। তাই স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে সত্তর ও আশির দশকে জাতীয়তাবাদী চেতনাকে বুকে ধারণ করে এবং বাংলার তাঁত শিল্পকে লড়াইয়ের হাতিয়ার করে, দেশের বেশকিছু উদ্যোক্তা, দেশীয় পোশাকের সংস্কৃতিকে এগিয়ে নিতে যে পথ তৈরি করেছিল, সেই পথটিকেই নিজস্ব রঙে রাঙিয়ে দিতে আমরাও যুক্ত হই ফ্যাশন হাউস ‘রঙ’ এর প্রকাশের মধ্যে দিয়ে।

তবে একথাও অনস্বীকার্য যে, প্রথম অবস্থায় রঙ গড়তে প্রধান কারিগর আমরা চারজন হলেও অনেকের অবদান এতে সংযুক্ত ছিল, তারা আমাদেরই বন্ধু-স্বজন। এখনও সবার ভালোবাসা, শুভকামনা ও সহায়তাকে শক্তিতে রূপান্তরিত করে “রঙ বাংলাদেশ” এগিয়ে যাচ্ছে সেই একই চেতনায়। বাংলার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে বুকে লালন করেই ছড়িয়ে পড়ছে দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে।

সকল দেশীয় উৎসবে থিমভিত্তিক সামগ্রী তৈরীর অনন্য ধারণা প্রচলনে পথপ্রদর্শক – রঙ বাংলাদেশ।

আমাদের রয়েছে সুদীর্ঘ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা। রঙ বাংলাদেশ সব সময় সেই চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ২০১৫ সাল থেকে নিজেদের সামগ্রীতে নিয়ে এসেছে বিষয় ভিত্তিক ভাবনা। এই অনুপ্রেরণায় আমরা কাজ করেছি – বাংলার এতিহ্যবাহী গয়না, আলপনা, নকশি কাঁথা, শীতল পাটি, কাঠখোদাই নকশা, শিল্পী যামিনী রায়ের চিত্রকলা, শিল্পী কাইয়ুম চৌধুরী’র রেখাচিত্র, শিল্পী কামরুল হাসানের চিত্রকলাসহ ইত্যাদি বিষয়কে গবেষণায় নিয়ে এসেছি আমাদের পোশাক সামগ্রীতে। এসেছে সাঁওতালদের দেয়ালচিত্র, চাকমা সম্প্রদায়ের আলাম এমন কি মোঘল শিল্পকলাও। দেশীয় ঐতিহ্যের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের প্রধান প্রধান উৎসবগুলোকে মাথায় রেখে ডিজাইনে জায়গা করে নিয়েছে কখনো ইসলামিক ঐতিহ্যের নকশা কিংবা পূজার ফুলের থিম।

আমরা ছড়িয়ে পড়ছি মানুষের ভালোবাসায় শুরুটা হয়েছিল নারায়ণগঞ্জ এর সান্ত্বনা সুপার মার্কেটের ছোট্ট পরিসরে। তিনদশকের যাত্রায়, মানুষের ভালোবাসা ও
অনুপ্রেরণায় ‘রঙ বাংলাদেশ’ বিভিন্ন শাখা প্রশাখায় ছড়িয়ে পড়ছে দেশের নানান প্রান্তেই। বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ ছাড়াও আমাদের শাখা রয়েছে ঢাকা বসুন্ধরা সিটি, সীমান্ত স্কয়ার, টোকিও স্কয়ার, যমুনা ফিউচার পার্ক, ওয়ারি, গোপালগঞ্জ, মাদারিপুর, ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা, ফেনি, সিলেট, হবিগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, বগুড়া, খুলনা, কুষ্টিয়া থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত। এ ছাড়াও আধুনিক প্রযুক্তিকে গ্রহণ করে দেশের আনাচে-কানাচে বা বিদেশে ছড়িয়ে পড়তে আমাদের রয়েছে অনলাইন প্লাটফর্ম।

প্রতিটি বয়সের সৌন্দর্যকে সম্মান জানিয়ে ‘রঙ বাংলাদেশ’ এর সাব ব্র্যান্ড হিসেবে সৃষ্টি হয়েছে – ছোটদের জন্য ‘রঙ জুনিয়র’ তরুণদের জন্য ‘ওয়েস্ট রঙ’ এবং প্রবীণ নাগরিকদের জন্য ‘শ্রদ্ধাঞ্জলি’। এ ছাড়া সারা বিশ্বে বাংলাদেশকে তুলে ধরতে, বিদেশী বা প্রবাসী বন্ধুদের হাতে দেশের স্মারক তুলে দিতে মূলত উপহার সামগ্রী নিয়ে তৈরি হয়েছে ‘আমার বাংলাদেশ’।

তিন দশকের কৃতজ্ঞতা…
অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই ‘রঙ’ থেকে ‘রঙ বাংলাদেশ’ এর তিন দশকের এই যাত্রাপথে অসংখ্য মানুষের কাছে আমরা ঋণী, কৃতজ্ঞ। সে যেমন-যাদের সঙ্গে এই যাত্রা শুরু হয়েছিল এবং পথ চলতে চলতে যাদের সঙ্গে আমরা বিযুক্ত হয়েছি কিংবা যাত্রাপথ বদলে গিয়ে যারা অন্য কোনো পথের সন্ধানে বেরিয়ে পড়েছিল তাদের প্রতি, একইভাবে পথ চলতে চলতে, কাজ করতে গিয়ে যারা যারা নতুন পথের সাথী হয়ে উঠেছিল বা উঠেছে তাদের প্রতিও।

আমরা কৃতজ্ঞ রঙ বাংলাদেশকে যারা তাদের পোশাক সামগ্রীতে পছন্দের তালিকায় রেখেছেন সেইসব ক্রেতাদের প্রতি।

আপনাদের ভালোবাসা, অনুপ্রেরণা না পেলে তিরিশ বছরের এই সাফল্যের গল্প হয়ত লেখা হতো না। এমনকি এই গল্পটি তৈরি হতো না, যদি না আমাদের তাঁত ও বুনন শিল্পীদের যত্নের শ্রম রঙ বাংলাদেশের দেহে এমনভাবে লেপ্টে না থাকত, আজ এই দিনে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি তাঁদের প্রতিও। ধন্যবাদ জানাই আমাদের সকলকর্মী, সহযোগী, বন্ধু ও শুভানুধ্যায়ীদের। সংবাদ মাধ্যমে যারা আমাদের পাশে থেকেছেন, থাকবেন, ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা সেইসব বন্ধুদেরও। আপনাদের সবার শ্রম,
সহযোগিতা, অনুপ্রেরণা ও ভালোবাসার রঙে ‘রঙ বাংলাদেশ’ এর ভবিষ্যৎ নিশ্চয়ই আরও রঙিন হয়ে উঠবে। সবাই ভালো থাকুন। দেশীয় পোশাক শিল্প প্রসারে এবং তাকে শক্তিশালী ভিতের উপর দাঁড় করাতে দেশীয় পোশাকেই উদযাপিত হোক আমাদের সকল উৎসব।

দৈনিক কতগুলো কাঠবাদাম খাওয়া স্বাস্থ্যকর?

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

কাঠবাদামকে বাদামের রাজা হিসেবে মনে করা হয়। এটি পুষ্টিগুণে ভরপুর একটি খাবার। কাঠবাদাম প্রতিদিন খেলে শিশুর মেধার বিকাশে সাহায্য হয়। এতে রয়েছে অ্যান্টিঅক্মিডেন্ট। এটি অক্সিডেটিভ স্ট্রেস ও প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।

২৪ গ্রাম কাঠাবাদামে থেকে পাওয়া যায়-
ক্যালরি : ১৬০ গ্রাম
প্রোটিন : ৬ গ্রাম
স্বাস্থ্যকর চর্বি : ১৪ গ্রাম
ফাইবার : ৩.৫ গ্রাম
কার্বোহাইড্রেটস: ৬ গ্রাম
ভিটামিন ই: ৭.৩ মিলি গ্রাম
ম্যাগনেসিয়াম: ৭৬ মিলি গ্রাম
ক্যালসিয়াম : ৭৬ মিলি গ্রাম
আয়রন: ১ মিলি গ্রাম

কাঠবাদাম তো স্বাস্থ্যকর, তবে এটি প্রতিদিন কতটুকু খাওয়া প্রয়োজন? পুষ্টিবিদদের মতে, প্রতি সাত থেকে আটটি কাঠবাদাম আপনার সারাদিনের শক্তি বাড়াতে কাজ করবে। সকালে ঘুম থেকে উঠে, ব্যায়ামের আগে ও পরে এবং যেকোনো অস্বাস্থ্যকর স্ন্যাক্সের পরিবর্তে খেতে পারেন এই বাদাম।

সূত্র : টাইমসঅবইন্ডিয়া

হিজামা কাপিং কী?

ডা. এস. এম. দবির হোসেন

হিজামা হলো একটি বিশেষ কাপিং পদ্ধতি। যদিও হিজামা প্রাচীন চিন দেশে উদ্ভব হয় আজ থেকে প্রায় ৩৬০০ বছর আগে, তবে সুন্নাহভিত্তিক হিজামার প্রচলন শুরু হয় রাসুল (সা.) এর যুগেই।

প্রথমেই সাধারণ ওয়েট কাপিং এবং সুন্নাহভিত্তিক হিজামার মাঝে পার্থক্য বোঝা দরকার। সাধারণ ওয়েট কাপিংয়ে ল্যানসেট বা ডায়েবেটিক নিডল বা সুঁইয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন স্থানে ফুটো করে কাপিং বা সাকশনের মাধ্যমে রক্ত বের করা হয়। তবে হিজামাতে যেটা করা হয়, সেটা হলো বিশেষ সার্জিক্যাল ব্লেড ব্যবহার করে সুন্নাহভিত্তিক পদ্ধতিতে বিশেষভাবে কাট করা। এই কাটাটা ত্বক বা স্কিন লেয়ারের ডার্মিস লেভেলকে ক্রস করবে না, তাহলে সেটাকে সুন্নাহভিত্তিক হিজামা বলা যাবে না যেমনটা ওয়েট কাপিংয়ে করা হয়ে থাকে।

হিজামাতে যে লাইট স্ক্র‍্যাচ হয়, এতে ক্যাপিলারি ইনজুরি হয়, এবং এই ক্যাপিলারির এন্ডোথিলিয়াম থেকেই নাইট্রিক অক্সাইড তৈরি করে।

এই নাইট্রিক অক্সাইডকেই বলা হয় হিলিং মলিকিউল বা মিরাকল মলিকিউল। বিজ্ঞানীরা এই নাইট্রিক অক্সাইডকে মিরাকল মলিকিউল নামে আখ্যা দিয়েছে। কারণ, এটা যেখানে বুস্ট আপ হয় সেখানের এবং আশেপাশের হিলিং পাওয়ার কয়েক গুণ বেড়ে যায়।

কারা কারা করতে পারেন হিজামা?

প্রাপ্ত বয়স্ক প্রত্যেক সুস্থ ব্যক্তিই প্রতি দুই বা তিন মাস পরপর হিজামা গ্রহণ করতে পারবেন। এতে করে রক্তে ভেসে থাকা ডেড সেল বা মৃতকোষগুলো বের হয়ে আসবে এবং ইমিউনিটি বুস্ট আপ হবে বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে।

এ ছাড়াও যারা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন শারীরিক ব্যথায় ভুগছেন বা প্যারালাইসিস হয়ে পরে রয়েছেন বা উচ্চরক্তচাপজনিত সমস্যায় ভুগছেন তারাও হিজামা চিকিৎসাটা নিতে পারেন।

যেসব রোগের ক্ষেত্রে হিজামার উপকারিতা রয়েছে –

১. মাথা, ঘাড়, পিঠ, কোমর, পা ও জয়েন্টব্যথা সহ সকল ধরনের ব্যথায়।

২. অ্যাজমা, ব্রংকাইটিস, সিওপিডি, সাইনুসাইটিস, টনসিলাইটিস, ফ্যারিঞ্জাইটিস, নিউমোনিয়া, লাং ইনফেকশানে।

৩. হাই কোলেস্টেরল, হাই ট্রাইগ্লিসারাইড, হার্ট ব্লক, হাইপ্রেশার, অতিরিক্ত ওজন নিয়ন্ত্রণে।

৪. গ্যাস্ট্রাইটিস (গ্যাসের সমস্যা), বুক জ্বালা পোড়া, পেটের ব্যাথা, ফিসার, পাইলস, ফ্যাটি লিভার, আইবিএসে।

৫. এটি হেপাটাইটিস বি-এর ভাইরাল লোড কমায়।

৬. ঘুমের সমস্যা, মানসিক চাপ, পারকিনসন্স ডিজিজ, মানসিক সমস্যায়।

৭. স্পোর্টস ইনজুরিতে

৮. ইরেকটাইল ডিসফাংশন, ইজাকুলেটরি ডিসফাংশন ও অন্যান্য যৌন সমস্যায়।

৯. থাইরয়েডের সমস্যায়।

১০. গাউটে।

১১. রক্তশুন্যতা, থ্যালাসেমিয়াতে।

১২. পিসিওএস, মাসিকের সমস্যা সহ মেয়েদের অন্যান্য সমস্যায়।

১৩. অস্টিওপোরোসিসে।

বিভিন্ন চিকিৎসা পদ্ধতির মাঝে হিজামা বর্তমান বিশ্বে অতি জনপ্রিয় ও কার্যকরী চিকিৎসা পদ্ধতি। অতএব যারা সুন্নাহভিত্তিক হিজামা সম্পর্কে অভিজ্ঞ তাদের থেকে হিজামা চিকিৎসা গ্রহণ করা যেতে পারে।

লেখক :
জুনিয়র কনসালটেন্ট, পেইন ম্যানেজমেন্ট ;
রিজুভা ওয়েলনেস ; গুলশান-১
ফোন : ০১৭২২৯৭৭৪৬০

 

বিজয়ের আয়োজনে কে ক্র্যাফট

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

গৌরবান্বিত বিজয় দিবস উপলক্ষ করে সর্বদাই পোশাকের মাধ্যমে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করতে কে ক্র্যাফট তার দেশপ্রেমী ক্রেতা সঙ্গীদের সঙ্গে করেই পথ চলছে। বিজয়ের এই আবেগ ছড়িয়ে দিতে তাই প্রতি বছরের মতোই লাল সবুজে উজ্জীবিত কে ক্র্যাফট-এর বিশেষ আয়োজন পাওয়া যায় ডিসেম্বর মাসের শুরু থেকেই।

সময়, আবহাওয়া ও পরিবেশ অনুযায়ী পোশাক ভাবনায় এই দিনে মেয়েদের প্রধান সঙ্গী হতে পারে লাল সবুজের শাড়ি। এ ছাড়াও বেছে নিতে পারেন আরামদায়ক সালোয়ার-কামিজ, কুর্তি কিংবা ভিন্ন কোন প্যাটার্নের টপ বা টিউনিক। শীতে উষ্ণতার প্রয়োজনে অন্য কোনো রঙের পোশাকের সঙ্গে জড়িয়ে নিতে পারেন লাল সবুজের শাল। প্রতি বছরের মতোই ছেলেদের পোশাকে থাকছে পাঞ্জাবি, শার্ট, টি-শার্ট, শাল ও কটি ।

বিজয়ের ফ্যাশনে লাল অথবা সবুজ রঙের পাঞ্জাবির সঙ্গে মিলিয়ে পরতে কটি। বেছে নিতে পারেন চমৎকার সব সংগ্রহ থেকে। শিশুদের জন্যও রয়েছে নানা পোশাকের আয়োজন। এবং বরাবরের মতোই থাকছে যুগল ও পরিবারের সকল সদস্যদের সঙ্গে মিলিয়ে পরার জন্য উপযোগী পোশাক।

 ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

কে ক্র্যাফটের এবারের বিজয়/২৪ আয়োজন করা হয়েছে প্রধানত জামদানি, জিওমেট্রিক, ট্র্যাডিশনাল, আলাম, ফ্লরাল সহ নানা মোটিফের অনুপ্রেরণায়। এ ছাড়াও থাকছে বাংলাদেশের পতাকা ও মানচিত্র নিয়ে করা নানা পোশাক। কটন, ডিজাইনড কটন, সিল্ক ও তাঁতের মতো আরামদায়ক ফ্যাব্রিকে তৈরি পোশাকগুলোতে নকশা ফুটিয়ে তুলতে স্ক্রিন প্রিন্ট, ব্লক প্রিন্ট, হাতের কাজের ব্যবহার হয়েছে। রঙ নির্বাচনে থাকছে গ্রিন, বটল গ্রিন, ফরেস্ট গ্রিন, পেইল গ্রিন, রেড, অফ-হোয়াইট। তবে অন্যান্য রঙের সমন্বয়ও থাকছে।

বিজয়ের ভাবনায় লাল-সবুজের পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে পরার জন্য থাকবে অর্নামেন্টস। এ ছাড়াও মিলবে মাফলার, উত্তরীয়, ব্যান্ডেনা, স্যুভেনির ও উপহার সামগ্রীও।

কে ক্র্যাফটের ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, কুমিল্লা, খুলনা সহ সকল আউটলেট ছাড়াও অনলাইন শপ kaykraft.com থেকে বিজয়ের এর পোশাক কিনতে পারেন বিশেষ সাশ্রয়ী মূল্যে। এ ছাড়া ফেসবুক পেজ থেকেও কেনাকাটা করার সুবিধা রয়েছে।

শীতের পোশাক নিয়ে কে ক্র্যাফট

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

প্রকৃতিতে এখন মিষ্টি হিমেল হাওয়া জানান দিচ্ছে শীতের আগমনী বার্তা। বাতাসে হিম হিম পরশ, শিশিরভেজা সবুজ ঘাস, সঙ্গে নামছে হালকা কুয়াশা।

তাই এই সময়ে চাই উপযোগী পোশাক, যা উষ্ণতার পাশাপাশি অভিজাত ও স্টাইলিশ লুক দেবে। এই সময়ে ‘কে ক্র্যাফট’-এর ভিন্নধর্মী চমৎকার সব স্টাইলিশ পোশাক ও অনুষঙ্গ হতে পারে আপনার মানানসই সঙ্গী।

মেয়েদের ভিন্ন স্টাইলের পঞ্চ, কটি, ফুল লেংথ কটি, জ্যাকেট, হুডি- যা মিলিয়ে পরতে পারেন জিন্স বা পছন্দের স্টাইলের প্যান্টের সঙ্গে। পাশাপাশি নতুন কালেকশনের সালোয়ার-কামিজ, কুর্তি, টপস, টিউনিক,কাফটান ও শাড়ি তো থাকছেই। এই সময়ে হালকা শীতে পরার মতো একটু ভারী খাদি কাপড়ে তৈরি কুর্তির কাট ও প্যাটার্নে থাকবে ভিন্নতা।

 ছবি : কে ক্র্যাফট
ছবি : কে ক্র্যাফট

এ ছাড়া রয়েছে ছেলেদের জন্য ফুল স্লিভ শার্ট, হুডি, সোয়েট শার্ট, জ্যাকেট, ক্যাজুয়াল শার্ট, পলো সহ অন্যান্য পোশাক। পারিবারিক ও সামাজিক অনুষ্ঠানের জন্য বেছে নিতে কালেকশনে থাকবে কাতান, সিল্ক ও কটন কাপড়ে হালকা ও ভারী প্রিন্ট করা কটি।

নানা রঙে প্রিন্ট ও উইভিং ডিজাইনে তৈরি করা হয়েছে শাল, যা এই সময়ের জন্য বেশ উপযোগী। কাঁথা, জামদানি, ফ্লোরাল, কাশ্মেরি, ট্রাইবাল, ট্র্যাডিশনাল সহ নানা মোটিফে করা হয়েছে এবারের শাল। তুলনামূলকভাবে একটু গাঢ় রঙের প্রাধান্য থাকবে। এ ছাড়া ছেলে ও মেয়ে উভয়ের জন্যই রয়েছে শীতের উপযোগী মাফলার ও অন্যান্য অনুষঙ্গ।

 ছবি : কে ক্র্যাফট
ছবি : কে ক্র্যাফট

কে ক্র্যাফটের ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, কুমিল্লা, খুলনা সহ সকল আউটলেট ছাড়াও অনলাইন শপ kaykraft.com থেকে শীতের পোশাক কিনতে পারেন বিশেষ সাশ্রয়ী মূল্যে। এ ছাড়া ফেসবুক পেজ থেকেও কেনাকাটা করার সুবিধা রয়েছে।

তামাক সেবন প্রতিরোধে করণীয়

ডা. হালিদা হানুম আখতার

আমরা জানি, তামাক সেবন একটি প্রাণঘাতী বিষয়। বাংলাদেশে এর প্রকোপ অনেক। দেখা যাচ্ছে, ১৫ বছরের ওপরে প্রাপ্ত বয়স্ক যারা রয়েছে, তাদের ৩৫ শতাংশের বেশি ধূমপান করে বা তামাক গ্রহণ করে। এর মধ্যে পুরুষ ৪৬ শতাংশ, নারী ২৫ শতাংশ।

আমরা এটিও জানি, যারা তামাক গ্রহণ করছে, তাদের অর্ধেকের মৃত্যু হয়ে যায় বা মৃত্যুর ঝুঁকি অনেক থাকে। পাশাপাশি রোগের ঝুঁকিও বাড়ে। এই রোগের জন্য, তাদের চিকিৎসার জন্য যে ব্যয়, সেটা একটা বিরাট টাকার অংশ। যারা অতো ধনী নয়, তারা ভুগে ভুগে তাড়াতাড়ি মারা যায়। সুতরাং এটা বড় বিষয়। আবার যারা সেবা দিচ্ছে, তাদের জন্যও রোগীকে সম্পূর্ণ সুস্থ করাও একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

তাহলে এখন আলোচনার বিষয়, একটি দেশে কীভাবে আমরা তামাক সেবন কমিয়ে নিয়ে আসতে পারি। কী কী পথ অবলম্বন করলে সেটি কমিয়ে নিয়ে আসা যায়।

তামাক প্রতিরোধে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কিছু নির্দেশনা দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে, একটি দেশে কারা বেশি ধূমপান করছে, সে বিষয়ে সমীক্ষা করা। একে গ্যাটস বলা হচ্ছে। এটি জানার পরে কীভাবে তামাক গ্রহণ থেকে মানুষকে বের করে নিয়ে আসা যায়, অর্থাৎ কীভাবে ও কাদের কাউন্সেলিং করা যায় -এই বিষয়ে একটি নির্দেশনা তৈরি করা। যারা তামাক সেবন করছে, তাকে কোন পদ্ধতিতে এটি থেকে বিরত করা যায়, সেই বিষয়ে ব্যক্তিগত পর্যায়ে সাহায্য করা। তামাক সেবন একজন ব্যক্তির দেহে কত রকম ক্ষতি করছে, এটি তাকে জানানো।

আরেকটি হলো, যারা সিগারেট বা বিড়ি তৈরি করে, বিভিন্ন ধরনের তামাক সেবনের পথ তৈরি করে, তাদের যে বিজ্ঞাপন রয়েছে, সেগুলো কীভাবে কমিয়ে নিয়ে আসা যেতে পারে, সেটি চিন্তা করা। অন্য আরেকটি বিষয় হলো, সিগারেট বা বিড়ির ওপর বেশি কর বসানো হলে হয়তো এটি গ্রহণ কমিয়ে নিয়ে আসতে পারা যাবে।

এরকম কতগুলো বিষয় সারা পৃথিবী করছে। কেউ বেশি করছে, কেউ কম করছে। কিছু দেশ রয়েছে যারা সফল হয়েছে এবং এটি নিয়ে তারা অনেক এগিয়ে গেছে।

বিজ্ঞাপনের গায়ে ঠিকই লেখা রয়েছে যে তামাক আপনার ক্ষতি করবে। তবুও সিগারেট বিক্রি হচ্ছে। এই বিক্রির বিষয়টা কমিয়ে নিয়ে আসা। গুল খেলে যে মুখে ক্যানসার হতে পারে, এটি মানুষকে বলতে হবে। তাদের বোঝাতে হবে, তুমি এই সমস্যায় পড়তে পারো। তুমি অসুস্থ হয়ে পড়লে বাড়ি-ঘর বিক্রি করতে হতে পারে। সন্তানরা আরো গরিব হয়ে যাবে। এইসব তথ্যগুলো তামাক গ্রহণকারীর কাছে পৌঁছে দিতে হবে।

আবার কর বাড়ালে হয়তো সরকারের লাভ হলো। একদম নিম্নবিত্তরা হয়তো কিনছে না। তবে একটি নেতিবাচক দিকও রয়েছে। এতে অনেকেই কম দামের জিনিস ব্যবহার করা শুরু করবে। এতে ক্ষতি। তাই ব্যক্তি বিশেষে তথ্য দিতে হবে, সাহায্য করতে হবে যেন তারা তামাক সেবন বন্ধ করে, সেই সঙ্গে রাষ্ট্রীয় পর্যায় থেকেও জনসচেতনতা বাড়াতে হবে।

আমি নারী স্বাস্থ্যের মানুষ হিসেবে ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়টি কয়েকটি পর্যায় বা ভাগে দেখি। একটি হলো, ওই ব্যক্তি যে তামাক গ্রহণ করছে, সে নারী বা পুরুষ হোক, তাকে সাবধান করা। আরেকটি হলো, তার পরিবারে যারা রয়েছে, তাদের বিষয়টির ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে জানানো। এরপর আশেপাশে যে কমিউনিটি রয়েছে, তারা নিজেরা সচেতন হবে এবং অন্যকে সতর্ক করবে। আরেকটি হলো প্রতিষ্ঠান। স্কুল-কলেজ ইত্যাদি। তারা জানবে এবং অন্যদের সচেতন করবে। এরপর হলো সরকার। সরকার তার নিজস্ব জনগণকে সুস্থ রাখার জন্য যে চেষ্টা করছে তার জন্য নির্দেশনা দিতে হবে। সেগুলো আবার সুষ্ঠুভাবে পালন হচ্ছে কিনা- এই বিষয়ে তদারকি করা প্রয়োজন।

স্কুলে গিয়ে শিক্ষার্থীদের বলা যায়, ‘তোমার পরিবারের ব্যক্তিদের তামাক সেবনের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে বলবে। তাদের তুমি প্রেরণা দিবে এটি বন্ধ করার জন্য।’ সুতরাং এই শিক্ষার্থীদের আজকে তথ্যটা দিলে তারা সবসময় এটি নিয়ে কাজ করবে। আবার পরিবারের লোকদেরও বলতে হবে।

অনেকে তামাককে হালকা জিনিস মনে করে। তবে এটি যে ক্ষতিকর ও প্রাণঘাতী সেটা বোঝাতে হবে। এ ক্ষেত্রে সরকার ও আধা সরকারি প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে আসা প্রয়োজন।

রাস্তাঘাটে সিগারেটের যে বড় বড় ব্যানার দেয়, এর পাশাপাশি তামাক গ্রহণের ক্ষতিকর দিকগুলোর ছবিও দিতে হবে। এগুলো সাধারণ দেখা যায় না।

তামাক প্রতিরোধে ব্যক্তি, কমিউনিটি, প্রতিষ্ঠান ও সরকারকে দায়িত্ববান হতে হবে। সরকারকে সচেতন করতে হবে এবং সরকারের কাছে দাবিও জানাতে হবে এগুলো প্রতিরোধে।
বলতে হবে, ‘সিগারেট বা তামাক খেও না। তাহলে তোমার শরীরে যে ক্ষতি হবে, সেটি অপূরণীয়’।

লেখক : রোকেয়া পদকে ভূষিত বিশিষ্ট নারী ও প্রজনন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ

- Advertisement -
সাতকাহন
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.