Saturday, September 26, 2026
spot_img
Home Blog Page 133

ফাগুনের ছোঁয়া লাগুক প্রাণে

শীতের জবুথবু বুড়োকে বিদায় জানিয়ে প্রকৃতি প্রস্তুত হচ্ছে ফাগুনকে বরণ করে নিতে। ফাগুন মানেই রঙের খেলা; শুভ্রতা।

ছবি : বিশ্বরঙ

অতিরিক্ত দুশ্চিন্তায় ভোগেন? বুঝবেন এসব লক্ষণে

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

উদ্বেগ বা দুশ্চিন্তা জীবনেরই অংশ। উদ্বেগ বা দুশ্চিন্তার ইংরেজি নাম অ্যাংজাইটি। সমস্যাটি বাড়লে একে অ্যাংজাইটি ডিজঅর্ডার বলা হয়। এ ধরনের সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিরা জীবনের বেশিরভাগ সময় পার করে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা ও ভয় নিয়ে। আর এর প্রভাব পড়ে দৈনন্দিন কাজে, সম্পর্কে।

কিছু লক্ষণ রয়েছে যেগুলো দেখে বোঝা যায় অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করছেন। অ্যাংজাইটি ডিজঅর্ডারের লক্ষণ জানিয়েছে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট মায়ো ক্লিনিক।

# নার্ভাস অনুভব করা
# বুক ধরফর করা
# ঘাম হওয়া
# ঘন ঘন শ্বাস নেওয়া
# দুশ্চিন্তা নিয়ন্ত্রণ করতে অসুবিধা হওয়া
# যেসব বিষয় দুশ্চিন্তা তৈরি করে সেগুলো এড়ানোর প্রবণতা
# ঘুমে অসুবিধা
# পেশি শক্ত হয়ে যাওয়া ইত্যাদি।

কখন চিকিৎকের পরামর্শ নেবেন
# যখন মনে হবে অতিরিক্ত চিন্তা করছেন এবং এটা আপনার দৈনন্দিন কাজ, সম্পর্ক ও অন্যান্য বিষয়কে প্রভাবিত করছে।
# ভয়, উদ্বেগ বার বার মনকে ভারাক্রান্ত করে তুললে এবং এটি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হলে।
# দুশ্চিন্তা থেকে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা তৈরি হলে।
# আত্মহননের প্রবণতা আসলে।

ফাগুনের সাজে আগুন

শাশ্বতী মাথিন

বসন্ত কড়া নাড়ছে দরজায়। শীতের জবুথবু বুড়োকে বিদায় জানিয়ে প্রকৃতি প্রস্তুত হচ্ছে তারুণ্যের জয়গান গাইতে। এ সময়টায় প্রকৃতি সাজে ভিন্নরূপে। তার সুরে তাল মিলিয়ে আপনিও নিজেকে সাজিয়ে তুলতে পারেন। ফাগুনের সাজে আগুন লাগুক চারদিকে; দিনটি হয়ে উঠুক বিশেষ।

পহেলা ফাগুন ও ভালোবাসা দিবস— দিন দুটো যেহেতু পাশাপাশি, তাই সাজের ক্ষেত্রে আনতে পারেন বৈচিত্র্য। দুটো দিনের সাজ-পোশাক দুই ধরনের হলেই ভালো বলে জানান রূপায়ণ বিউটি পার্লারের কর্ণধার শিউলি আকতার।

চুলের সাজ
দিনের বেলার সাজটা হবে একটু হালকা জানিয়ে রূপবিশেষজ্ঞ শিউলি আকতার বলেন, ‘চুলের ক্ষেত্রে সাধারণ খোঁপা করতে পারেন। সামনের কিছু চুল ছাড়া রাখতে পারেন বা টুইস্ট করে বেঁধে নেওয়া যেতে পারে। পেছনে সুন্দর করে হাত খোঁপা করলেই ভালো দেখাবে। এ ছাড়া সাইড বেণিও করা যেতে পারে। চুলের সাজে অনত্যম অনুষঙ্গ ফুল। তাই ফুল অবশ্যই পরবেন। পহেলা ফাগুনে খোঁপায় বেলি, গাঁদা, জারবেরা লাগাতে পারেন। আর ১৪ ফেব্রুয়ারির দিনটিতে খোঁপার পাশে দু-তিনটি গোলাপ লাগিয়ে নেওয়া যেতে পারে। এ ছাড়া দুই গুচ্ছ রজনীগন্ধা খোঁপায় পরলে ভালোই মানাবে।’

মুখের সাজ
আসলে সম্পূর্ণ সাজটা হবে ন্যাচারাল। সাজের শুরুতে প্রথমে ময়েশ্চারাইজার, পরে প্রাইমার ব্যবহার করবেন। এরপর কনসিলার দিয়ে স্কিন টোন বুঝে ভালো ব্র্যান্ডের ফাউন্ডেশন ব্যবহার করতে হবে। এর ওপর একটু লুজ পাউডার বুলিয়ে নেবেন। গাল, নাক, থুঁতনি ভারি হলে কনসিলার দিয়ে কাট করে নিতে হবে। গালে ব্লাশন দিলে ভালো লাগবে বলে জানালেন শিউলি আকতার।

যেহেতু সাজটা প্রায় সারাদিন থাকে, তাই ওয়াটার প্রুফ লিপস্টিক ব্যবহারই ভালো জানিয়ে শিউলি আকতার বলেন, ‘দিনের বেলা লিপস্টিকের ক্ষেত্রে নুড রং ব্যবহার করবেন। যেমন— ইট, গোলপি, বেবি পিংক, হালকা ম্যাজেন্টা। সন্ধ্যায় একটু গাঢ় রং ব্যবহার করা যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে গাঢ় মেজেন্টা, ইট, মেরুন, লাল, কমলা ইত্যাদি রং মানাবে।’

চোখের সাজ
রূপায়ণ বিউটি পার্লারের কর্ণধার শিউলি আকতার বলেন, ‘চোখের সাজের শুরুতে আই ব্রু কালার পেনসিল দিয়ে শার্প করে নেবেন। শাড়ি লাল-হলুদ হলে চোখের পাতায় হলুদ ও লালের ছোঁয়া থাকবে, পাশে কালো রং দেবেন। এরপর আইলাইনার দিয়ে টানটান করে চোখ আঁকবেন। নিচে কাজল পরবেন।’

এরপর শাড়ির সঙ্গে ম্যাচ করে পছন্দমতো টিপ পরবেন। লাল টিপ পরা যেতে পারে। এ ছাড়া লিপস্টিকের রঙের সঙ্গে ম্যাচ করেও পরতে পারেন। সাজের পর অবশ্যই সেটিংস স্প্রে ব্যবহার করতে হবে বলে জানালেন তিনি।

বসন্তের বারতা

বসন্তের হাওয়া চারদিকে। ঋতুরাজ আসে সৌন্দর্য, প্রেমের বারতা নিয়ে। সেই বারতায় মাতে প্রকৃতি। ছবি : মঞ্জুরুল আলম

যুগল পোশাকে ভালোবাসা দিবস

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

ভালোবাসা প্রকাশ কি কেবল একটি দিনের জন্য? প্রেমিক হৃদয়ে প্রেম তো প্রতিদিন। তবে যেহেতু ১৪ ফেব্রুয়ারিকে ভালোবাসা দিবসের জন্য বিশেষ দিন ধরা হয়, তাই এই অনুসরণ। পশ্চিমা সংস্কৃতির এই উৎসব এখন প্রাচ্যকেও ছুঁয়ে গেছে। তাই তো দিনটি ঘিরে তৈরি হচ্ছে বিশেষ পোশাক, রং নির্বাচনেও ঘটেছে বৈচিত্র্য।

ভালোবাসার দিবসকে কেন্দ্র করে এবার যুগল পোশাক তৈরি হয়েছে বেশি। অনেক প্রেমিক-প্রেমিকারই চাহিদা থাকে একসঙ্গে একই ধরনের পোশাক পরার। তাই এই আয়োজন। জানালের বিশ্বরঙ-এর প্রতিষ্ঠাতা বিপ্লব সাহা।

এবারের পোশাকে লাল রঙের পাশাপাশি কালো, আকাশি, নীল, পোলাপি রঙের ব্যবহার করা হয়েছে জানিয়ে বিপ্লব সাহা বলেন, ‘টি-শার্ট, টপস, কুর্তি ইত্যাদি রয়েছে বিশ্বরঙের কালেকশনে।’

বিশ্বরঙের পোশাকে টানা ডোরা দাগ, বর্গ, বৃত্ত, ইংরেজি অক্ষরে লাভ ইত্যাদি রয়েছে এবারের নকশায়।

 

পোশাকে ফাগুন

শাশ্বতী মাথিন

ঋতুরাজ বসন্ত দোরগোড়ায়। ফাগুনের প্রথম দিনটি বর্ণিল করে তোলে বাঙালির বিভিন্ন উৎসব-পার্বণ। ফাগুনের উৎসব মানেই রঙিন পোশাকের সমারোহ। শাড়ি, সালোয়ার-কামিজ, পাঞ্জাবি, ফতুয়ায় থাকে নানা রঙের বাহার আর নকশা।

এবারের ফাল্গুনের পোশাকে হলুদ রয়েছে ঠিকই। তবে এর সঙ্গে বিভিন্ন রঙের শেডের ব্যবহার করা হয়েছে। হালকা ও গাঢ় দুই রঙের হলুদই রয়েছে বলে জানালেন বিশ্বরঙ-এর প্রতিষ্ঠাতা বিপ্লব সাহা।

এ ছাড়া অন্যান্য রঙের ভেতর লাল, সাদা, ম্যাজেন্টার ব্যবহার হয়েছে জানিয়ে বিপ্লব সাহা বলেন, ‘পোশাকগুলোতে রঙের মিশ্রণ এমনভাবে করা হয়েছে যেন মার্জিত দেখায়। কেননা, এসব পোশাক পরে অনেকেই অফিস করেন। তাই সেভাবেই তৈরি করা।’

বিশ্বরঙ-এর প্রতিষ্ঠাতা বিপ্লব সাহা জানান, বৈশ্বিক অতিমারির কারণে পোশাক খাতে ভীষণ চাপ পড়েছে। প্রথমে ভেবেছিলাম, নতুন কোনো কালেকশন করব না। পরে অবশ্য সেই চিন্তা বাদ দিয়ে কাজ শুরু করলাম। মন তো মানে না। শিল্পী তো, ব্যবসায়ী কম। শিশু, বয়োবৃদ্ধ, তরুণ সবার জন্যই রয়েছে এবারের কালেকশন। নকশায় রয়েছে প্রজাপতি, ফুল, লতা-পাতা।

ডিম খেলে অ্যালার্জি? বিকল্প কী খাবেন

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
ডিম দেহের জন্য উপকারী-এ কথা তো আর অজনা নয়। তবে কেউ কেউ আছেন, যাদের খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই চোখ-মুখ লাল হয়ে যাওয়া, চুলকানি ইত্যাদি সমস্যা হয়। অর্ধ সেদ্ধ বা পোচ- ডিম যেমন পুষ্টিকর, তেমনি স্বাদেরও। তবে যাদের খাবারটি খেলে অ্যালার্জির সমস্যা হয়, তাদের তো এড়িয়ে যেতেই হবে।

ডিমের স্বাদ না পেলেও কিছু খাবার রয়েছে যেগুলো পুষ্টির চাহিদা কিছুটা পূরণ করবে। ডিমের বিকল্প হিসেবে কিছু খাবারের নাম জানিয়েছে আনন্দবাজারডটকম।

কলা
ডিমের বিকল্প হিসেবে কলা ভালো উপায়। একটি ডিমের মতো পুষ্টি পেতে একটি কলা খেতে পারেন।

জলপাইয়ের তেল
ডিমের বিকল্প হিসেবে খেতে পারেন জলপাইয়ের তেল বা অলিভ ওয়েল। ডিম ছাড়া কেক বানালে জলপাইয়ের তেল ব্যবহার করুন। চাহিদা অনেকটাই পূরণ হবে।

কুমড়ো
জানেন কি কুমড়োতে রয়েছে ডিমের মতো পুষ্টি? ডিমের বিকল্প হিসেবে তাই নিয়মিত কুমড়ো খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

ভালোবাসা দিবসে প্রিয়জনকে কী উপহার দেবেন?

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
বসন্ত আসছে। সঙ্গে আনছে ভালোবাসার বারতা। ভালোবাসা দিবসটিকে উৎসবমুখর করে তুলতে সারা বছর অপেক্ষা করে অনেক প্রেমিকযুগল। ‘ভ্যালেন্টাইন ডে’ -এর কথা আসলেই যেন উপহারের প্রসঙ্গ চলে আসে। প্রিয় মানুষটিকে দিতে চাওয়া উপহার দামী হওয়ার চেয়ে ভালোবাসাপূর্ণ হওয়া চাই বেশি, থাকা চাই আন্তরিকতার ছোঁয়া। ভালোবাসা দিবসের উপহারের কিছু আইডিয়া জানিয়েছে আনন্দবাজারডটকম। আসুন জানি সেগুলো:

বই
প্রিয় মানুষটি কি বই পড়তে ভালোবাসে? তাহলে তার হাতে নির্দ্বিধায় তুলে দিতে পারেন পছন্দের লেখকের বই। বইয়ের চেয়ে ভালো উপহার আর কী হতে পারে, বলুন?

ফুল
ফুল সুন্দর, শুভ্র। একগুচ্ছ ফুল যেকােনো রোমান্টিক মানুষের মনকেই নাড়া দেবে। ভালোবাসা দিবসের উপহার হিসেবে বেছে নিতে পারেন ফুলও। সুন্দর একটি ফুলের তোড়া দিনটিকে রঙিন করে তুলবে।

গ্রিটিংস কার্ড
ইন্টারনেটের যুগে গ্রিটিংস কার্ডের তেমন চল নেই। তবুও ভালোবাসার এই বিশেষ দিনটিতে পুরোনো ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনা যেতে পারে। বাজার থেকে কিনে দেওয়ার চেয়ে হাতেই তৈরি করুন কার্ড। তাতে লিখুন মধুর দু-চার লাইন। প্রিয় মানুষটি খুশি হবে।

রান্না করতে পারেন নিজ হাতে
বলা হয়, পেট মনের রাস্তা। প্রিয়জনকে খুশি করতে চাইলে নিজ হাতে রান্না করে খাওয়ানো কিন্তু একটি চমৎকার উপায়। এতে আন্তরিকতাও বাড়বে।

চকোলেট
বেশিরভাগ মানুষই চকোলেট ভালোবাসেন। আর সেই চকোলেট যদি হয় প্রিয়জনের দেওয়া তাহলে তো কথাই নেই। দুজনে মিলে চকোলেট খেলে স্বাদ যেন দ্বিগুণ হয়ে যায়।

দাঁত ভালো রাখে কোন ধরনের ব্রাশ?

ডা. মো. আসাফুজ্জোহা রাজ

স্বাস্থ্য রক্ষার নানা বিষয় এখন গণমাধ্যমের প্রচেষ্টা ও ইন্টারনেটের সহজলভ্যতায় অনেকে জানছে। গ্রাম পর্যায়েও দাঁত ব্রাশ দেখা যায়। তবে প্রশ্ন ওঠে ব্রাশ ও পেষ্টের গুণগত মান ও ব্যবহারের সঠিক পদ্ধতি নিয়ে।

দাঁতকে সাদা করার জন্য কয়লা, ছাঁই বা বাজারের নানা রাসায়নিক পদার্থ যেমন দাঁতের জন্য ক্ষতিকর, তেমনি শক্ত ব্রাশ বা অধিক সময় দাঁত ব্রাশ করাও প্রতিরক্ষা আবারণকে নষ্ট করে। প্রতিদিন সকালে নাস্তা ও রাতে খাবার পর দুই থেকে তিন মিনিট, দাঁতের সকল পৃষ্ঠ পরিষ্কার করার জন্য যথেষ্ট।

সাধারণত ব্রাশ নির্বাচনে ব্রাশের মাথা গোলাকার, ব্রিসেল ছোট ও নরম আর ধরার স্থানটি অমসৃণ ও সহজ হতে হবে, ব্রিসল সর্বোচ্চ এক ইঞ্চি লম্বা ও অর্ধ ইঞ্চি পাশ বা প্রস্থূ হলে সুবিধা। তিন থেকে চার মাস পর পর ব্রাশ পরিবর্তন করা প্রয়োজন, কখনই একজনের ব্রাশ অন্য কারো ব্যবহার করা উচিত নয়। ব্রাশ নিরাপদ স্থানে রাখতে হবে, যাতে পোকা মাকড় বা নোংরা কিছু না লাগে। টয়লেটের স্থান থেকে কমপক্ষে ৭ ফুট দূরে ব্রাশ রাখতে হবে আর প্রয়োজনে মাঝে-মধ্যে গরম পানি দিয়ে ব্রাশ ধুয়ে রাখা ভালো।

টুথপেষ্টের বিষয়ে ফ্লোরাইডযুক্ত বেছে নেওয়া যেতে পারে। কারণ, এ উপাদান ক্ষয়কে প্রতিরোধ করে দাঁত মজবুত করে। পেষ্টের মধ্যে অমশৃন বা দানাযুক্ত কিছু না থাকা ভালো; আর ব্রাশের সময় ফেনা ও পিচ্ছিল হতে হবে। বাজারে নানা ধরনের পেষ্ট পাওয়া যায়। কোনটি প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরি আবার কোনটি মেডিকেটেড।

মাড়ি রোগ ও অতিসংবেদনশীলতা কমাতেও নানা ধরনের পেষ্ট রয়েছে। ব্রাশের ব্রিসলের তিনভাগের একভাগ পেষ্ট নিলেই যথেষ্ট। শিশুদের ক্ষেত্রে যতদিন সে কুলি করতে না পারে ততদিন পেষ্ট ছাড়াই নরম ব্রাশ বা সুতি কাপড় ব্যবহার করা উচিত।

দাঁতের গঠন, অবস্হান, শারীরিক রোগ ও বয়সের ওপর নির্ভর করে ডেন্টাল চিকিৎসকের পরামর্শে ব্রাশের সঠিক নিয়ম জেনে নিতে হবে। তবে স্বাভাবিক অবস্থায় পেছনের বা মাড়ির দাঁতগুলো দাঁত ও মাড়ির সংযোগ স্থানকে কেন্দ্র করে মাড়ির দিকে আনুমানিক ৪৫ ডিগ্রি কোণ করে ঘড়ির কাটার মতো ঘুরিয়ে, সামনের নিচের দাঁত নিচ থেকে উপরে, আর উপরের সামনের দাঁত উপর থেকে নিচে করে দাঁতের বাইরের ও ভিতরের পৃষ্ঠ পরিষ্কার করা কার্যকর। আর চর্বণে ব্যবহৃত পৃষ্ঠ সামনে পিছনে করে করা যেতে পারে।

যাদের দাঁতের ফাঁকে খাবার জমে তাদের অবশ্যই বাজারজাত ডেন্টাল ফ্লস বা ইন্টার ডেন্টাল ব্রাশের সঠিক ব্যবহার জেনে ব্যবহার করতে হবে। টুথপিক বা কোনো ধাতব কাঠি ক্ষতির কারণ হতে পারে।

দাঁত ব্রাশের পর আঙ্গুল দিয়ে মাড়ি ম্যাসেজ ও ব্রাশ দিয়ে জিহ্বা পরিষ্কার রাখার বিষয়টিও নিয়মের মধ্যে আনতে হবে। যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, যেমন অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, শ্বাসকষ্টে ইনহেলার ব্যবহারকারী, কেমোথেরাপি চলছে, রক্ত স্বল্পতা, কিডনি রোগী তাদের চিকিৎসকের পরামর্শে জীবাণুমুক্ত মাউথ ওয়াশ ব্যবহার করা উচিত। পোভিডন আয়োডিন মাউথ ওয়াশ করোনা ভাইরাসকে দমনের প্রমাণ মিলছে।

লেখক : চিকিৎসক, রাজ ডেন্টাল সেন্টার, কলাবাগান, ঢাকা।
০১৯১১ ৩৮৭২৯১

উৎসবে সুস্থ রাখবে মাস্ক

0

শাশ্বতী মাথিন
বর্ষপঞ্জিতে যেমন স্থান পেয়েছে বসন্ত ঋতু, প্রকৃতিও সেই সঙ্গে জানান দিচ্ছে বসন্তের আগমন বার্তা। উষ্ণতা বাড়ছে, বাড়ছে তাপমাত্রা। ঋতুরাজ বসন্ত যেন হয়ে উঠেছে কয়েকটি ঋতুর মেলা। প্রকৃতিতে সাজ সাজ রব। সেই সঙ্গে সাজিয়ে নিচ্ছি নিজেদেরও।

করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্টের কারণে সচেতনতার কথা বলা হচ্ছে বার বার। সচেতন থেকে উৎসব পালন করতে করণীয় বিষয়ে জানিয়েছেন শিওরসেল মেডিকেল বিডির প্রধান চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. তাওহীদা রহমান ইরিন। তাঁর পরামর্শ মতে,

# করোনার সময় সচেতন ও সুস্থ থাকতে মাস্ক পরার বিকল্প নেই। বাজারে এখন কাপড়ের, সার্জিক্যাল ও এন৯৫ মাস্ক পাওয়া যায়। ফাল্গুনের উৎসবে সাজতেই হয়। তবে ভারী মেকআপ নিয়ে মাস্ক পরা যাবে না। এতে পোরগুলো আটকে ব্রণ তৈরি হতে পারে। তাই হালকা মেকআপ করুন।

# বসন্তে ফুলের সমারহ। অনেকের পোলেন অ্যালার্জি থাকে। যাদের এ সমস্যা রয়েছে তারা ফুলের বদলে মাটির, ধাতব, মেটালের গহনা পরতে পারেন। অনেকের আবার মেটালের গহনায় অ্যালার্জি হয়। সেই ক্ষেত্রে এমন জিনিস বেছে নিতে হবে যাতে অ্যালার্জি এড়ানো যায়।

# পহেলা ফাল্গুণ, ভালোবাসা দিবসের উৎসবে পোশাক একটি অন্যতম অনুসঙ্গ। যাদের সামর্থ রয়েছে তারা তো নতুন পোশাক পরতেই পারেন, তবে যারা পুরোনো পোশাক পরছেন, তারা অবশ্যই ধুয়ে ব্যবহার করবেন। আলমারীতে রাখা পুরোনো পোশাকে মাইট জমে। এ থেকে অ্যাজমার সমস্যা হতে পারে। তাই পুরোনো পোশাক ব্যবহারের আগে পরিষ্কার করে নিতে হবে।

# অনেককে দেখা যায় বহু বছরের পুরোনো মেয়াদোত্তীর্ণ মেকআপ ব্যবহার করতে। এগুলো থেকে ত্বকে র্যাশ, ব্রণ, কালো দাগ ইত্যাদির সমস্যা হয়। মেয়াদোত্তীর্ণ মেকআপ একেবারেই ব্যবহার করবেন না। নতুন মেকআপ ব্যবহারের আগে প্যাচটেস্ট করে নেবেন। এ ক্ষেত্রে মেকআপের কিছু অংশ থুতনি বা হাতে লাগান। খেয়াল করুন সমস্যা হচ্ছে কি না। না হলে ব্যবহার করুন।

# উৎসবের সময় বাইরে বের হলে অতিরিক্ত ভিড় এড়িয়ে যান। বেড়ানোর জন্য এমন জায়গা বেছে নিন যেখানে মানুষ কম। আসলে উৎসব আসবে, তবে সতর্কতার বিকল্প নেই। এ সময় সুস্থ থাকলে আগামী উৎসবগুলো মনের মতো পালন করতে পারবেন। তাই সচেতন থাকুন।

- Advertisement -
সাতকাহন
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.