Saturday, September 26, 2026
spot_img
Home Blog Page 132

দাঁতের শত্রু কোন খাবার?

ডা. মো. আসাফুজ্জোহা রাজ

দাঁত থাকতে দাঁতের মর্ম বোঝে না- এ রকম কথা অনেকেই বলেন। আসলে দাঁতের সমস্যায় পড়লেই বোঝা যায়, এটা কতটা যন্ত্রণাদায়ক। তবে অত খারাপ অবস্থায় পড়বেন কেন? নিয়মমাফিক কিছু বিষয় মেনে চললেই তো দাঁত ভালো থাকে।

নিয়মিত ব্রাশ করার পাশাপাশি কিছু খাবার রয়েছে, যেগুলো দাঁত ভালো রাখে। আবার কিছু খাবার দাঁতের শত্রু । সেগুলোকে এড়িয়ে যেতে বলেন বিশেষজ্ঞরা।

চিনিযুক্ত যেকোনো খাবার দাঁতের শত্রু । চিনিকে সাদা বিষ হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়। এটি দাঁতের ক্ষয় থেকে শুরু করে শরীরের নানা সমস্যার পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। শিশুদের কৃত্রিম জুস, আলুর চিপস্, ফার্স্টফুড, চকলেট, চুইংগাম, মিষ্টি যতটা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব, তত ভালো। আর এগুলো খাওয়ার পর ভালোভাবে কুলি করার কথা বলতে হবে।

এসব খাবারের বদলে দাঁত ভালো রাখতে পুষ্টিকর সুষম খাবার, যেমন মৌসুমি তাজা ফরমালিনমুক্ত ফল, শাকসবজি, সামুদ্রিক মাছ, ছোট মাছ, টক দই, দুধ, ডিম, পনিরসহ ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন সি-যুক্ত খাবার খেতে হবে।

গর্ভাবস্থায় গর্ভের শিশুর দাঁতের গঠন মজবুত করতে ক্যালসিয়াম ও পুষ্টিকর খাবারের বিকল্প নেই। তাই দাঁত সুস্থ রাখতে এসব খাবার নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখুন।

লেখক : চিকিৎসক, রাজ ডেন্টাল সেন্টার, কলাবাগান, ঢাকা।
ফোন : ০১৯১১ ৩৮৭২৯১

মন ভোলানো মটরশুঁটি ফুল

ফুলের সৌন্দর্য সর্বকালের, সর্বত্র। বেগুনি, মেজেন্টার মিশ্রণে মন ভোলানো ফুলটির ছবি তুলেছেন আব্দুর রহমান হৃদয়।

পেঁয়াজ খেয়ে মুখে দুর্গন্ধ? দূর করুন এভাবে

সাতকাহন২৪.কম

সালফারযুক্ত উপাদান থাকার কারণে পেঁয়াজ, রসুন খাওয়ার পর মুখে এক ধরনের ঝাঁজালো তীব্র গন্ধ হয়। কখনও কখনও সারা রাতও এ গন্ধ মুখে থেকে যায়। তাই অনেকে এসব খাবার কাঁচা না খাওয়াকেই সহজ সমাধান মনে করেন।

তবে কিছু ঘরোয়া উপায় রয়েছে, যেগুলো এসব খাবার খাওয়ার পর মুখের দুর্গন্ধ খুব সহজেই দূর করতে সাহায্য করে। পেঁয়াজ খাওয়ার পর মুখের দুর্গন্ধ দ্রুত দূর করার উপায় জানিয়েছে মেডিকেল নিউজ টুডে।

আপেল খান
পেঁয়াজ খাওয়ার পর কাঁচা আপেল খেয়ে নিতে পারেন। গবেষণা বলছে, পেঁয়াজ খাওয়ার পর আপেল খাওয়া দুর্গন্ধ দ্রুত দূর করতে কাজ করে।

গ্রিন টি পান করুন
তীব্র ঝাঁজালো গন্ধ দূর করতে কাঁচা পেঁয়াজ খাওয়ার পর এক কাপ গ্রিন টি পান করতে পারেন। এক গবেষণায় বলা হয়, পুদিনা পাতা, চুইংগাম, পার্সলে তেলের তুলনায় গ্রিন টি বেশি কার্যকরভাবে দুর্গন্ধ দূর করে।

লেবুপানি পান করুন
এক গ্লাস লেবুপানি পান করা পেঁয়াজ থেকে হওয়া গন্ধকে নিষ্ক্রিয় করে দেয়। তাই গন্ধ দূর করতে এ উপায়টিও মেনে দেখতে পারেন।

ঘর বড় লাগবে কীভাবে?

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

বর্তমানে ছোট বাসার সংখ্যা, চাহিদা দুটোই বাড়ছে। প্রয়োজনের তাগিদে ছোট বাসায় থাকতে হলেও বড় ঘরের সৌন্দর্য হয় আলাদা। তবে কিছু কৌশল মেনে চললে কিন্তু ছোট বাসাও বড় দেখাবে। ছোট বাসা বড় দেখানোর কিছু উপায়ের কথা বাতলেছে আনন্দবাজার।

# ঘরের দেয়ালে হালকা, তবে উজ্জ্বল রং ব্যবহার করুন। অফ হোয়াইট, সাদা, হালকা হলুদ ইত্যাদি রং ব্যবহার করতে পারেন।

# ঘরের পর্দার সঙ্গে দেয়ালের রঙের সামঞ্জস্য রাখুন। পর্দার ক্ষেত্রে দেয়ালের রঙের মতো বা এর চেয়ে এক বা দুই পরত গাঢ় রং ব্যবহার করতে পারেন।

# বেশি বা বাড়তি জিনিস দিয়ে ঘর ভরিয়ে তুলবেন না। ঘর গুছিয়ে রাখার চেষ্টা করুন সবসময়।

# আয়না ঘরের আয়তন বড় দেখাতে কাজ করে। তাই ঘর সাজাতে এবং বড় দেখাতে আয়না ব্যবহার করতে পারেন।

# এমন আসবাব ব্যবহার করুন যেগুলো একইসঙ্গে দুটো জিনেসর কাজ করবে। যেমন: সোফা কাম বেড। এতে খরচ, জায়গা দুটোই বাঁচে।

৫ ভুল বাড়ায় মাইগ্রেন

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

মস্তিষ্কের ট্রাইজেমিনাল নার্ভ উত্তেজিত হয়ে মাইগ্রেনের সমস্যা হয়। মাইগ্রেন জিনঘটিত এক ধরনের রোগ। বংশগত কারণে এ রোগ হতে পারে। দৈনন্দিন জীবনের কিছু ভুল রয়েছে, যেগুলো নিয়মিত করলে ব্যথা বেড়ে যায়। মাইগ্রেনের ব্যথা বাড়ার কিছু কারণের কথা জানিয়েছে আনন্দবাজার।

১. কড়া রোদে বের হলে চোখ ব্যথা করে বা মাথা দপদপ করতে থাকে? এটি মাইগ্রেনের অন্যতম লক্ষণ। কড়া রোদ এড়িয়ে চলুন। চোখ কিছুক্ষণ বন্ধ রেখে বিশ্রাম দিন।

২. পানিশূন্যতা মাইগ্রেন বাড়ানোর অন্যতম কারণ। অনেকেই পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান না করে ব্যথা বাড়িয়ে তোলেন। মাইগ্রেনের সমস্যা কমিয়ে রাখতে দিনে অন্তত ১০ থেকে ১২ গ্লাস পানি পান করুন।

৩. অনেকক্ষণ খালি পেটে থাকলেও মাইগ্রেন বাড়ে। তাই যতই ব্যস্ত থাকুন, খাবার খেতে ভুলবেন না।

৪. হঠাৎ করেই ব্যায়াম শুরু করে দিয়েছেন? এতে ইলেকট্রোলাইট কমে ব্যথা বাড়তে পারে। শরীরচর্চা করা তো অবশ্যই জরুরি। তবে মাইগ্রেনের ব্যথা থাকলে কীভাবে ব্যায়াম করবেন, বিশেষজ্ঞের কাছ থেকে জেনে নিন।

৫. হটডগ, পিৎজা, বেকন ইত্যাদি প্রক্রিয়াজাত খাবার নিয়মিত খেলে কিন্তু মাইগ্রেনের সমস্যা থেকে রেহাই মেলা কঠিন। তাই এসব খাবার এড়িয়ে স্বাস্থ্যকর খাবার খান।

নারীর প্রস্রাব ধরে রাখতে না পারার কারণ

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

অনিচ্ছাকৃতভাবে প্রস্রাব ঝরা বা প্রস্রাব ধরে রাখতে না পারা নারী দেহের একটি প্রচলিত সমস্যা। একে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় ফিমেল ইউরিনারি ইনকনটিনেন্স বলে। গ্রাম ও শহরের বিভিন্ন বয়সের নারী এ সমস্যা ভোগেন। তবে অনেকেই লজ্জার কারণে চিকিৎসা থেকে পিছিয়ে যান।

ধরন ও কারণ
# স্ট্রেস ইনকনটিনেন্স
কোনো কারণে তলপেটে চাপ বাড়লে প্রস্রাব ঝরতে পারে। যেমন : হাঁচি, কাশি, হাসি, লাফঝাঁপ, ভারী কিছু তোলা ইত্যাদি। সাধারণত মধ্যবয়সী নারী, যাদের একাধিক সন্তান রয়েছে, তাদের পেলভিক ফ্লোর মাসল দুর্বল হয়ে যাওয়ার কারণে প্রস্রাব ধরে রাখতে সমস্যা হয়। এ ছাড়া মেনোপজ-পরবর্তী সময়ে বয়স্ক নারীর হরমোন কমে যাওয়ার কারণে এসব মাংসপেশি দুর্বল হয়ে যেতে পারে। এতে প্রস্রাব ধরে রাখতে সমস্যা হয়।

# আর্জ ইনকনটিনেন্স
প্রস্রাবের তীব্র চাপ, যা আটকে রাখা যায় না এবং টয়লেটে যাওয়ার আগেই কাপড় ভিজে যায়। এ জন্য রোগী ঘন ঘন টয়লেটে যেতে বাধ্য হয়।

মূত্রথলির স্নায়বিক সমস্যার কারণে অল্প প্রস্রাব জমলেই তীব্র চাপ হয়, যা আটকে রাখতে অসুবিধা হয়। অল্প ও মাঝবয়সী নারীরা এ সমস্যায় বেশি ভোগেন।

# মিক্সড ইনকনটিনেন্স
স্ট্রেস ও আর্জ দুই প্রকার লক্ষণই এর মধ্যে মিলিতভাবে থাকে। কারও মধ্যে দুটোর যেকোনো একটি বেশি থাকে। যে লক্ষণটি বেশি প্রকট, তার চিকিৎসা করা হয়।

# টোটাল ইনকনটিনেন্স
এ রোগে প্রস্রাবে কোনো চাপ থাকে না, সারাক্ষণই প্রস্রাব ঝরতে থাকে। এর প্রধান কারণ মূত্রথলি ও যোনীপথের মাঝখানের ফিস্টুলা। প্রসবজনিত বা পেলভিক অপারেশন-পরবর্তী জটিলতার কারণে এ সমস্যা হতে পারে। ফিস্টুলার আকার ছোট হলে অল্প প্রস্রাব ঝরবে, আকার বড় হলে বেশি ঝরবে।

এ ধরনের রোগ লোকলজ্জার জন্য সঠিক চিকিৎসা পায় না। তবে এসব রোগের সুচিকিৎসা রয়েছে। তাই সচেতন হয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

সূত্র : ওয়েবএমডি

আগুন ঝরা বসন্ত

কেবল পহেলা ফাল্গুনকে কেন্দ্র করেই বসন্তের আনন্দ থাকবে কেন? বসন্তের আগুন ছড়িয়ে পরুক সারা মাস জুড়ে। ছবি : মঞ্জুরুল আলম

গর্ভাবস্থায় প্রস্রাবের সংক্রমণ : কারণ ও করণীয়

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

নারীর প্রস্রাবের সংক্রমণের ঝুঁকি পুরুষের তুলনায় বেশি। গর্ভাবস্থায় কিছু কারণে এ ঝুঁকি বাড়ে। তাই গর্ভাবস্থায় নারীর স্বাভাবিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার সময় প্রস্রাবের সংক্রমণ রয়েছে কিনা পরীক্ষা জরুরি।

গর্ভাবস্থায় নারীর প্রস্রাবের সংক্রমণের কারণ

# হরমোনের প্রভাবে কিডনি থেকে মূত্রথলিতে আর মূত্রথলি থেকে বাইরে প্রস্রাব বের করে দেওয়ার মাংসপেশিগুলোর সংকোচন–প্রসারণ কমে যাওয়া।
# হরমোনের প্রভাবে কিডনিতে সাময়িকভাবে পানি জমা (হাইড্রোনেফ্রোসিস)।
# গর্ভাবস্থার শেষের দিকে ভারী জরায়ুর কারণে কিডনি থেকে প্রস্রাব বের হওয়ার রাস্তায় চাপ পড়া।

কী করবেন?
# গর্ভাবস্থায় প্রস্রাবের পরীক্ষা নিয়মিত করতে হবে। প্রস্রাবের জীবাণুর সংক্রমণ পাওয়া গেলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
# গর্ভাবস্থায় প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া বা ঘোলাটে দুর্গন্ধযুক্ত প্রস্রাব হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া।
# গর্ভাবস্থায় ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়ার ভয়ে অনেকে পানি কম পান করেন। এতে জীবাণুর সংক্রমণের হার বাড়ে। তাই দৈনিক অন্তত ৮ থেকে ১০ গ্লাস পানি পান কর।
# গর্ভাবস্থায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পোশাক পরা।
# শৌচকাজের সময় সামনের অংশ আগে পরিষ্কার করে পরে পেছনের অংশ পরিষ্কার করা।
# গর্ভাবস্থায় কোষ্ঠকাঠিন্যমুক্ত থাকার জন্য আঁশযুক্ত খাবার খেতে হবে। যেমন : শাকসবজি, ফল। তবে কিছু খাবার গর্ভপাত ঘটিয়ে দিতে পারে। যেমন : পেঁপে, আনারস ইত্যাদি। এগুলো খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা।

গর্ভাবস্থায় প্রস্রাবের সংক্রমণ হলে কিডনিতে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে। এতে মা ও শিশু উভয়েরই মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি হয়। তাই সতর্ক থাকুন।

 

ফাগুন লেগেছে বনে বনে

প্রকৃতিতে লেগেছে ফাগুনের হাওয়া। সেই ছোঁয়া লেগেছে মনে। ধরণীতে তাই প্রাণের জয়গান। ছবি : মঞ্জুরুল আলম

শিশু কি রাতে বিছানা ভেজায়? কারণ ও প্রতিরোধ জানুন

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

শিশুর বিছানা ভেজানো একটি সাধারণ সমস্যা। শিশুর রাতে বিছানা ভেজানোর বৈজ্ঞানিক নাম নকটারনাল ইনিউরেসিস। পাঁচ বছর বয়স পর্যন্ত একটি বাচ্চা স্বাভাবিকভাবে এ সমস্যায় ভুগতে পারে।

অনেক মা-বাবাই শিশুর দুই-তিন বছর বয়সে এ সমস্যা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েন। তবে পাঁচ বছরের আগে এ নিয়ে মাথা ঘামানোর দরকার নেই। পাঁচ বছরের বেশি বয়সের শিশুদের ক্ষেত্রে বিষয়টিকে সমস্যা হিসেবে ধরা হয়। কিছু বিষয়ের জন্য বেশি বয়সের শিশুরা এমন করে।

কারণ
১. শৈশবে কোষ্ঠকাঠিন্যে ভোগা
২. অতিরিক্ত পানি, জুস, মিষ্টি জাতীয় তরল পান
৩. শৈশবে মানসিক বিপর্যয়ে ভোগা
৪. কিছু বিশেষ রোগের কারণে হতে পারে। যেমন : নকটারনাল পলি ইউরিয়া (রাতের বেলা প্রস্রাব বেশি তৈরি হওয়া)।
৫. প্রস্রাবের সংক্রমণে বেশি ভোগা

যেভাবে প্রতিরোধ করবেন
১. পায়খানা নরম রাখতে হবে। এ জন্য আঁশযুক্ত খাবার খেতে হবে। যেমন : শাক-সবজি, ফল, ইসুবগুলের ভূসি ইত্যাদি খাওয়া।
২. অতিরিক্ত তরল, জুস, মিষ্টি স্বাদের তরল না পান করা।
৩. শিশু ঘরে বা বাইরে মানসিক কোনো চাপে রয়েছে কি না খেয়াল রাখা এবং শিশুটিকে বিছানা ভেজানো নিয়ে কোনো লজ্জা না দেওয়া।
৪. শিশুর প্রস্রাবে সংক্রমণ রয়েছে কি না খেয়াল করা। যেমন : প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া, দুর্গন্ধযুক্ত ঘোলাটে প্রস্রাব হচ্ছে কি না দেখা। ঘন ঘন সংক্রমণ হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া।
৫. এরপরও এসব সমস্যা হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

এই সমস্যার উপযুক্ত, সহজ চিকিৎসা রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আতঙ্কগ্রস্থ না হয়ে শিশুকে সহযোগিতা করুন। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

সূত্র : ওয়েবএমডি

- Advertisement -
সাতকাহন
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.