Saturday, September 26, 2026
spot_img
Home Blog Page 131

একুশের পোশাকে জ্যামিতি

শাশ্বতী মাথিন

একুশ বাঙালির অহংকার; আর বাংলা ভাষা, বর্ণমালা বাঙালির আবেগ। এই বর্ণমালাকে নিজের করে পেতে বায়ান্নতে রক্ত ঝড়িয়েছেন ভাষাসৈনিকরা। একুশ ছিল বলে বাংলাকে এত আপন করে পাওয়া।

একুশের এই আবেগের প্রকাশ দেখা যায় পোশাকের ভেতরেও। আসলে যেকোনো উৎসব, দিবসে বাঙালির সাজ-পোশাকে ছিল নিজস্বতা। ১৯৮২-৮৩ সালে ডিজাইনার, গবেষক চন্দ্র শেখর সাহা বর্ণমালার নকশা দিয়ে পোশাক ডিজাইন করেছিলেন। এর ধারাবাহিকতা চলছে এখনো। এক, দুই অক্ষর থেকে শুরু করে আজ শাড়ির জমিনজুড়ে বাংলা বর্ণমালা, কবিতার প্রাধান্য। এ ছাড়া শাড়ি, পাঞ্জাবি, টি-শার্ট, ছোটদের পোশাকের নকশায় এসেছে শহীদ মিনার, বিভিন্ন জ্যামিতিক কারুকাজ। আগে কেবল সাদাকালো রঙে সীমাবদ্ধ থাকলেও এখন লালের ব্যবহার দেখা যাচ্ছে পোশাকে। এ যেন শক্তি ও শোকের এক অনবদ্য আভাস।

একুশের পোশাকের এবারের ট্রেন্ডের বিষয়ে বিশ্বরঙের কর্ণধার বিপ্লব সাহা বলেন, ‘যে ভাষায় আমরা কথা বলি, যার মাধ্যমে নিজের মনের ভাব প্রকাশ করি তাকে অর্জনের জন্যই ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বুকের তাজা রক্ত দিয়েছিল বাঙালি জাতির বীর সন্তানেরা। ফেব্রুয়ারি মানেই বাংলা ভাষার জয়গান পৃথিবীর সকল ভাষার মানুষের মুখে। বাঙালির চেতনায় বিশ্ববাসীও উজ্জীবিত হয় এ সময়। তবে এখন এটি কেবল উদযাপনের দিন নয়, এটি আমাদের ব্যক্তিত্ব প্রকাশের দিনও। একুশকে ঘিরে পোশাকের ফ্যাশনে এসেছে নানা রকম বৈচিত্র্য। পোশাকগুলো সাজানো হয়েছে কালো আর সাদার আঙিকে। কিছু ক্ষেত্রে লাল রঙের উপস্থিতি কালো আর সাদা রংকে দিয়েছে ভিন্নমাত্রা। বাংলা বর্ণমালা হয়ে উঠেছে পোশাক চেতনার অনুষঙ্গ।’

শীতের শেষবেলায় পোশাকে ব্যবহার করা হয়েছে সুতি কাপড়। বিশ্বরঙের শাড়ি, থ্রিপিস, পাঞ্জাবি, টি-শার্ট, উত্তরীয়, মগ ইত্যাদিতে তুলে ধরা হয়েছে শহীদ মিনার, বাংলা বর্ণমালাসহ জ্যামিতিক (বর্গাকার, সোজা লাইন ইত্যাদি) নকশার বিভিন্ন নান্দনিক অনুষঙ্গ। কাজের মাধ্যম হিসেবে এসেছে টাই-ডাই, ব্লক-বাটিক, অ্যাপলিক, কাটওয়ার্ক, স্ক্রিনপ্রিন্ট ইত্যাদি বলে জানান বিপ্লব সাহা।

 

শীতপোশাক তুলে রাখার আগে যা করবেন

সাতকাহন২৪.কম

বসন্ত চলে এসেছে। বসন্ত আসা মানেই শীতের পোশাকের বিদায়। শীতের পোশাকগুলো বসন্তের অধিকাংশ সময়ই ব্যবহার হয় না। অযত্নে রাখলে পোশাকগুলো তাই নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে। শীতপোশাক আলমারিতে তুলে রাখার আগে কিছু বিষয় খেয়াল রাখা বেশ জরুরি।

# শরীর থেকে বের হওয়া তৈলাক্ত পদার্থ খালি চোখে দেখা যায় না। এগুলো পোশাকের ক্ষতি করে। শীতপোশাক আলমারিতে তুলে রাখার আগে অবশ্যই ধুয়ে নিন। না পারলে অন্তত ড্রাইওয়াশ করুন।

# আর্দ্র বা স্যাঁতসেঁতে জায়গা শীতপোশাকের জন্য ক্ষতিকর। এ ধরনের জায়গায় কাপড় রাখবেন না। একটি পোশাক থেকে আরেকটি পোশাকে ভাঁজে টিস্যু পেপার দিয়ে রাখতে পারেন। এতে আর্দ্রতা কমবে।

# পোশাক আলমারিতে তোলার সময় একটু ল্যাভেন্ডার অয়েল দিয়ে রাখতে পারেন। এটি দুর্গন্ধ প্রতিরোধ করবে।

# শীতপোশাক ঝুলিয়ে না রেখে ভাঁজ করে রাখুন। ঝুলিয়ে রাখলে উল নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এ ছাড়া ভারী পোশাকগুলো আলাদাভাবে প্লাস্টিকের ব্যাগে করে রাখতে পারেন।

সূত্র : আনন্দবাজার

ঘুমের অসুখ থেকে যেভাবে বাঁচবেন

শাশ্বতী মাথিন

অবসট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া (ওএসএ) রোগের কারণে চিরবিদায় নিলেন ভারতীয় সংগীত পরিচালক ও গায়ক বাপ্পি লাহিড়ী। ঘুমের মধ্যে দম বন্ধ হয়ে আসা, জোরে নাক ডাকা, মেজাজের ওঠানামা, বারবার ঘুম ভাঙা, দিনে বেশি ঘুমানোর প্রবণতা স্লিপ অ্যাপনিয়ার লক্ষণ।

এই রোগে ঘুমের ভেতর শ্বাস-প্রশ্বাস অনিয়মিত হয়ে পড়ে, শরীরে অক্সিজেনের ঘাটতি হয়; স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে। উচ্চ রক্তচাপ, অতিরিক্ত ওজন, ধূমপান করা, বার্ধক্য, শ্বাসনালির বিভিন্ন জটিলতা থেকে এই সমস্যা হয়। এ ছাড়া বংশের কারও থাকলেও রোগটি আপনার মধ্যে চলে আসতে পারে। অবসট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া প্রতিরোধে করণীয় বিষয় জানিয়েছে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট মায়োক্লিনিক।

অবসট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া প্রতিরোধে–
১. ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা
২. নিয়মিত ব্যায়াম করা
৩. মদ্যপান এড়িয়ে চলা
৪. ধূমপান পরিহার করা
৫. চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে নাক পরিষ্কার থাকবে বা অ্যালার্জি প্রতিরোধ হবে এমন ওষুধ নেওয়া
৬. ‌অ্যাংজাইটিরোধী ওষুধ বা ঘুমের ওষুধ এড়িয়ে যাওয়া
৭. অঙ্গবিন্যাস বদল করে ঘুমানো

অবসট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া নিজে মৃত্যুঘাতী নয়। তবে এ থেকে হওয়া জটিলতা জীবননাশের কারণ হতে পারে। তাই প্রতিরোধের বিষয়গুলো খেয়াল রাখা জরুরি।

দৃষ্টিনন্দন গাঁদা ফুল

সুগন্ধী ফুল গাঁদা সবজায়গায় সহজে জন্মায়। উজ্জ্বল হলুদ ও কমলা-হলুদ রঙের গাঁদা বেশি দেখা যায়। কমলা-হলুদ এই ফুলটির ছবি তুলেছেন আব্দুর রহমান হৃদয়।

ব্রা নিয়ে সাতকাহন

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

ব্রা-টা মাত্র খুলে রাখলেন? বিছানায় না রেখে বাথরুমে দিয়ে দিন। ধুয়ে ফেলুন। ব্রা-টা খোলার পর কি দাগ লেগে গেছে ঘাড়ে? তবে বুঝে নিন এটা আপনার জন্য নয়। ব্রা নিয়ে কথন শুনুন সাতকাহনে…

বেশি আঁটসাঁট ব্রা পরা ঘাড় ও কাঁধে ব্যথা তৈরি করে। এতে দীর্ঘ মেয়াদে অঙ্গবিন্যাসের সমস্যা এবং ব্যথা হয়। তাই খুব আঁটসাঁট ব্রা এড়িয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। এ ছাড়া আরও বিষয় রয়েছে, যেগুলো খেয়াল না করে ব্রা পরলে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ে। ব্রা পরার ক্ষেত্রে খেয়াল রাখা জরুরি, এমন কিছু বিষয়ের কথা জানিয়েছে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট ওয়েবএমডি।

১. বুকে ব্যথা
আপনার স্তনযুগল কাপের ওপরের অংশে ছড়িয়ে পড়লে এবং বগলের পাশে ছড়িয়ে গেলে অবশ্যই ব্রা পরিবর্তন করুন। এ ধরনের ব্রা স্তনব্যথার কারণ হতে পারে।

২. নিপল ব্যথা
অস্বাস্থ্যকর ব্রা নিপল বা বোঁটা ব্যথা হওয়ার অন্যতম কারণ। খুব আঁটসাঁট ও খুব ঢিলেঢালা ব্রা-এর ঘর্ষণে নিপল ব্যথা হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে। তাই সতর্ক হোন।

৩. ত্বকের সমস্যা
ভালো মানের ব্রা ব্যবহার না করলে স্তন ঝুলে পড়া এবং স্তনে দাগের সমস্যা হয়। এমনকি এর ফিতা ভালো না হলে পিঠে চাপ পড়ে দীর্ঘ মেয়াদে দাগ বসে যেতে পারে। তাই একটু দামি হলেও ভালো মানের ব্রা পরার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

৪. মাথাব্যথা
কোনো কারণ ছাড়াই কি আপনার মাথাব্যথা করে? হতে পারে এর জন্য দায়ী আপনার ব্রা। গবেষণায় দেখা গেছে, অতিরিক্ত আঁটসাঁট ব্রা পরা মাথাব্যথার অন্যতম কারণ।

কখন পুরোনো ব্রা-কে বিদায় জানাবেন
একটি ভালো মানের ব্রা পরিষ্কার করে ভালোভাবে ব্যবহার করলে দুই থেকে তিন বছর পরা যায়। তবে ফিতা ঝুলে গেলে বা ফিটিং নষ্ট হয়ে গেলে অবশ্যই এটি পরিবর্তন জরুরি।

যেভাবে চলে গেলেন বাপ্পী লাহিড়ী, সাবধান!

সাতকাহন২৪.কম

চলে গেলেন ভারতীয় সংগীত জগতের উজ্জ্বল নক্ষত্র বাপ্পি লাহিড়ী। মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতালে গত মঙ্গলবার দিবাগত রাতে মারা যান ভারতীয় সিনেমাজগতের বিখ্যাত এই সংগীত পরিচালক। তিনি অবসট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া বা ঘুম সম্পর্কিত শ্বাসের রোগে ভুগছিলেন বলে জানান চিকিৎকরা।

অবসট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া রোগটি কী, কতটা জটিল? কেউ এই রোগে ভুগলে কীভাবে বুঝবেন? স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট মায়োক্লিনিকে জানানো হয়েছে, এটি খুব প্রচলিত ঘুম সম্পর্কিত শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা। সংক্ষেপে এর নাম ওএসএ। এ সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তির ঘুমের সময় শ্বাস অনিয়মিত হয়। শ্বাসতন্ত্রের ওপরের অংশের নালি বন্ধ হয়ে সমস্যাটি ঘটে।

এ রোগে ভোগা ব্যক্তিদের ঘুমের সময় মারা যাওয়ার হার অন্যদের তুলনায় বেশি। রোগটি নিজে প্রাণসংহারী না হলেও এটি থেকে বিভিন্ন জটিলতা হয়। এসব জটিলতা মৃৃত্যুুর কারণ হতে পারে।

স্লিপ অ্যাপনিয়া বিভিন্ন ধরনের। তবে এর মধ্যে বেশি প্রচলিত অবসট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া। এই ধরনের অ্যাপনিয়া ঘটে, যখন গলার পেশি স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি শিথিল হয়ে পড়ে। মূলত জিহ্বা, টনসিল, আলজিভ ইত্যাদি অংশ ধরে রাখে এই পেশি। পেশিটি শিথিল হলে শ্বাস নেওয়ার পথ আটকে যায় এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা দেখা দেয়।

লক্ষণ ও জটিলতা
১. জোরে নাক ডাকা
২. দিনে বেশি ঘুমানো বা ঘুম ঘুম ভাব
৩. সকালে মাথাব্যথা
৪. ঘুমের সময় মাঝেমধ্যে দম বন্ধ হয়ে আসার সমস্যা
৫. দিনের বেলা মনোযোগে অসুবিধা
৬. মেজাজের ওঠানামা
৭. উচ্চ রক্তচাপ ইত্যাদি

কারণ
১. ডায়াবেটিস
২. উচ্চ রক্তচাপ
৩. বেশি ওজন
৪. বার্ধক্য
৫. শ্বাসনালির বিভিন্ন জটিলতা
৬. বংশে কারও রোগটি থাকলে
৭. ধূমপান ইত্যাদি

কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন
১. জোরে নাক ডাকলে এবং অন্যদের ঘুমাতে অসুবিধা হলে
২. ঘুমের মধ্যে আচমকা জেগে উঠলে
৩. ঘুমের সময় শ্বাস বন্ধ হয়ে যাচ্ছে মনে হলে
৪. দিনের বেলা অতিরিক্ত ঘুমের প্রবণতা

এ ধরনের সমস্যায় দেরি না করে চিকিৎসকের কাছে যান। সাধারণত ঘুমের সময় নিয়মিত বাতাসের চাপ বজায় রেখে এ রোগের চিকিৎসা করা হয়।

উপুড় হয়ে ঘুমান? দেখুন, কী ক্ষতি করছেন দেহের

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

মাথায় বালিশ রাখার বদলে বুকের নিচে বালিশ রেখে উপুড় হয়ে ঘুমানোর অভ্যাস অনেকেরই। তবে এই অভ্যাস বিপত্তি ডেকে আনতে পারে দেহে। উপুড় হয়ে শোয়ার অভ্যাস কী বিপদ ঘটায়, জানিয়েছে আনন্দবাজার।

উপুড় হয়ে ঘুমালে মেরুদণ্ড, অন্ত্রের ওপর চাপ বাড়ে। টানা এভাবে শুয়ে থাকলে ঘাড় ও পিঠে ব্যথা হওয়ার আশঙ্কা হয়। যেহেতু এভাবে শুয়ে থাকলে বুকে চাপ পড়ে, তাই শ্বাস-প্রশ্বাসের স্বাভাবিক কাজ ব্যাহত হয়। পর্যাপ্ত ঘুমের অভাবে শরীরে তৈরি হয় বিভিন্ন জটিলতা।

এর বদলে চিত হয়ে শোয়ার অভ্যাসকে সাধুবাদ জানান চিকিৎসকরা। চিত হয়ে শোয়া শ্বাসকষ্ট, কোমর ব্যথা, ত্বকের র্যাশসহ বিভিন্ন সমস্যা থেকে পরিত্রাণ দেয়। তাই উপুড় হয়ে শোয়ার অভ্যাস থাকলে আজই বাদ দিন। সুস্থ থাকুন।

চায়ের সঙ্গে খাওয়া ভুল ৪ খাবার

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
সকালে কিংবা বিকেলে এক কাপ চা মন ও শরীরকে চাঙা করে। আর এর সঙ্গে চানাচুর, সমুচা, সিঙারা থাকলে তো কথাই নেই! যেন ষোলো আনা পূর্ণ। তবে কিছু খাবার রয়েছে যেগুলো চায়ের সঙ্গে খেলে বমি, কোষ্ঠকাঠিন্য, হজমের সমস্যা হয়।

চায়ের সঙ্গে খেলে ক্ষতি, এমন কিছু খাবারের নাম জানিয়েছে আনন্দবাজার। আসুন জানি।

কাঁচা সালাদ
অনেকেই চায়ের সঙ্গে সালাদ, ভুট্টা, স্প্রাউট জাতীয় কাঁচা খাবার খান। চায়ের সঙ্গে কাঁচা খাবারে পেটের সমস্যা হতে পারে। তাই এই অভ্যাস এড়িয়ে চলুন।

টক খাবার
চায়ের সঙ্গে লেবু খেতে অনেকেরই পছন্দ। তবে জানেন কি চায়ের মধ্যে লেবুর রস মেশালে দেহের পরিপাক ক্রিয়া অস্বাভাবিক হয়ে পড়ে? লেবু-চা মুখে এক ধরনের টক স্বাদ আনে। অনেকের ক্ষেত্রে বিষয়টি অপছন্দের।

কোমল পানীয়
চা পানের আগে হোক, কিংবা পরে কোমল বা ঠান্ডা পানীয় এড়িয়ে যাওয়াই নিরাপদ। এতে বদহজম ও বমির সমস্যা হতে পারে।

ময়দার খাবার
চায়ের সঙ্গে ময়দার তৈরি বিস্কুট তো অনেকেই খান। চকোলেট কুকিজ হোক বা নোনতা বিস্কুট চায়ের সঙ্গে ডুবিয়ে খাওয়ার মজাই আলাদা। তবে এই অভ্যাসটি কিন্তু বিপদ ডেকে আনে। এতে হজমের সমস্যা হয়-এমনটাই বলছেন চিকিৎসকরা।

কলা খেলে পুরুষের কী উপকার?

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

সুস্বাদু ফল হিসেবে বিশ্বজুড়ে কলার জুড়ি নেই। কেবল স্বাদেই ভালো নয়, কলা স্বাস্থ্যকরও। জানা কথা, খাবারটিতে পটাশিয়াম রয়েছে। এ ছাড়া এর মধ্যে রয়েছে ভিটামিন বি৬, কপার, ম্যাঙ্গানিজ, আঁশ ও প্রোটিন। খুব অল্প পরিমাণে রয়েছে ক্যালরি; বলতে গেলে শূন্য পরিমাণে রয়েছে চর্বি।

কলা যেকোনো বয়সের একজন সুস্থ-সবল মানুষের জন্য উপকারী। তবে এর মধ্যে এমন গুণ রয়েছে, যা পুরুষের জন্য বিশেষ জরুরি। পুরুষের ক্ষেত্রে কলার উপকারিতার কথা জানিয়েছে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলথগাইড।

হৃৎপিণ্ডের স্বাস্থ্য ভালো রাখে
নারীর তুলনায় পুরুষ হৃদরোগের সমস্যায় বেশি ভোগে। গবেষণায় বলা হয়, সঠিক খাদ্যাভ্যাস পুরুষের এই সমস্যা প্রতিরোধে কাজ করে। কলার মধ্যে থাকা পটাশিয়াম হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে। এ ছাড়া এটি স্ট্রোকের ঝুঁকিও প্রতিরোধ করে।

অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট
কলার মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। পুরুষের খাদ্যতালিকায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট জরুরি। এটি প্রোস্টেট ও ফুসফুসের ক্যানসার প্রতিরোধে উপকারী। কলা ফ্রি রেডিক্যালের সঙ্গে লড়াই করে ক্যানসারকে দূরে রাখে।

হজম ভালো করে
কলার আঁশ হজম ভালো করতে সহায়ক। এটি কোষ্ঠকাঠিন্য কমায়। কলা খেলে দীর্ঘ সময় পেট ভরা অনুভূত হয়। ওজন কমাতেও উপকারী ফলটি।

মন ভালো করে
কলার মধ্যে থাকে অ্যামাইনো অ্যাসিড ট্রাইপটোফ্যান। এটি স্যারোটোনিনের রূপান্তরিত হয়ে মেজাজ ভালো রাখে এবং বিষণ্ণতার সঙ্গে লড়াই করে।

হাড় ভালো রাখে
সুস্থ হাড় সবারই কাম্য। কলার মধ্যে থাকা পটাশিয়াম হাড়ের মজবুত গঠনে উপকারী। তাই খাদ্যতালিকায় নিয়মিত রাখতে পারেন কলা।

কামশক্তি বাড়ায়
গবেষণায় বলা হয়, কলার মধ্যে থাকা এনজাইম ব্রমালিন রক্ত সচল রাখে এবং কামশক্তি বাড়াতে কাজ করে। এটি শরীরের রাসায়নিক সেরোটোনিনের মাত্রা বাড়ায়। এতে মেজাজ ভালো থাকে; ফোকাস ধরে রাখতে সুবিধা হয়।

মোহনীয় রন্ডেলসিয়া

গাঢ় কমলা ও হলুদের সমাহারের দৃষ্টিনন্দন ফুল রন্ডেলসিয়া। মোহনীয় ফুলটির ছবি তুলেছেন আব্দুর রহমান হৃদয়।

- Advertisement -
সাতকাহন
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.