Saturday, September 26, 2026
spot_img
Home Blog Page 130

ভাত খেয়েও ওজন বাড়বে না, কীভাবে?

শাশ্বতী মাথিন

প্রচণ্ড ক্ষুধা লেগেছে। সামনে রয়েছে ধোঁয়া ওঠা এক থালা সাদা ভাত। গপাগপ খেয়ে নিলেন। পেট তো ভরল, সঙ্গে শরীরেরও বারোটা বাজল। মানে ওজনটা বাড়ল। ভাতে কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ অনেক। বেশি ভাত খেলে ওজন বাড়ে— এ কথা সত্য। তবে এই ভয়ে খাওয়া বাদ দেওয়া যাবে না। খেতে হবে পরিমাণমতো।

পপুলার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রধান পুষ্টিবিদ ও বিভাগীয় প্রধান নিশাত শারমিন নিশি বলেন, ভাতে ভিটামিন বি রয়েছে। ভিটামিন বি-এর ঘাটতি হলে স্নায়ুতন্ত্র দুর্বল হয়ে যায়। তাই ভাত খাদ্যতালিতায় রাখুন।

কীভাবে ভাত খেলে চাহিদা পূরণ হবে, কিন্তু ওজন বাড়বে না?

আসলে প্রত্যেকের এনার্জির চাহিদা আলাদা। ব্যক্তির ওজন ও উচ্চতার ওপর নির্ভর করে বিষয়টি। ভাত প্রয়োজনের বেশি খেলে ওজন বাড়বে। আসলে বাংলাদেশের মানুষ থালা সাজাতে বসলে ভাতের এক সাদা পাহাড় তৈরি করে। থালার এক কোনায় হয়তো একটু মাছ বা একটু সবজি পড়ে থাকে। এটা ঠিক নয়। ওজনের নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি মাথায় রাখতে চাইলে ভাত খেতে হবে কিছু নিয়ম মেনে— জানান পুষ্টিবিদ নিশাত শারমিন নিশি।

তার পরামর্শমতে,

# ওজন কমাতে চাইলে সাদা বা পলিশড ব্যবহার না করে লাল চালের ভাত খান।
# রান্নার সময় ভাতের মাড় ফেলে দিতে হবে। বসা ভাত খাওয়া যাবে না।
# নরম ভাত স্বাস্থ্যকর। ভাত নরম হলে বা জাউ হলে পানির পরিমাণ বেশি থাকে। এটি খেতে পারেন।
# খাওয়ার সময় সবজি, সালাদ ও মাছ/মাংসের পরিমাণ বেশি নিয়ে ভাতের পরিমাণ কমান।
# ভাত নরম হলে আঠালো লাগে। এ ধরনের খাবার দেখলে অনেকেরই খাবারের ইচ্ছে চলে যায়। তাই ওজন কমাতে চাইলে এভাবেই খান। খাওয়ার পরিমাণ কমবে।
# খাবারটির সঙ্গে সালাদ, সবজি রাখবেন। খাওয়ার আগে এক বাটি সালাদ বা সবজি খেয়ে নিতে পারেন। এতে ক্ষুধার পরিমাণ কমবে। তবে সালাদে তেল দেওয়া যাবে না। এতে ক্যালরি বাড়বে।

চুমু খেলে ভালো থাকবে শরীর

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

হ্যাঁ, চুমুর কথাই বলছি। চুমু খাওয়া কেবল ভালোবাসাকেই মধুর করে না, স্বাস্থ্যের জন্যও ভালো- এমনটাই জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। বিষয়টি শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার জন্য জরুরি। চুমু খাওয়ার গুণের কথা জানিয়েছে জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই।

# একটি অসাধারণ চুমু মানসিক চাপ তৈরিকারী কর্টিসল হরমোনের নিঃসরণ ঘটায়। এতে উদ্বেগ থেকে মুক্তি মেলে, বিষণ্ণতা কাটে।

# চুমু মস্তিষ্কের ‘হ্যাপি হরমোন’ ( অক্সিটোসিন, ডোপামিন, সেরোটোনিন ইত্যাদি) বাড়ায়। এতে মন প্রফুল্ল থাকে।

# দাঁত ভালো রাখতেও চুমু কার্যকর। চুমুর কারণে লাল গ্রন্থি উদ্দীপ্ত হয়। এতে লালা বেড়ে দাঁতের আস্তরণ তৈরিকারী ক্ষতিকর পদার্থগুলো জমতে বাধা পায়।

# প্রেমময় একটি পূর্ণ চুমুতে মস্তিষ্ক থেকে ‘লাভ হরমোন’ অক্সিটোসিন নির্গত হয়। এই হরমোন একে অপরের প্রতি আস্থা বাড়িয়ে সম্পর্ক মজবুত করতে সাহায্য করে।

# চুমু খেলে হৃদস্পন্দন বাড়ে। এতে রক্তনালী প্রসারিত হয়, রক্তের প্রবাহ ভালো থাকে; রক্তচাপ কমে। এ ছাড়া কিছু গবেষণায় বলা হয়, চুমু শরীরের ক্ষতিকর কোলেস্টেরলর পরিমাণও কমায়।

রসুন কীভাবে খেলে উপকার?

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
খাবারের স্বাদ বাড়াতে এবং স্বাস্থ্য ভালো রাখতে রসুন খাওয়ার চল বহু আগে থেকে। নিয়মিত খাবারটি খেলে হার্ট অ্যাটাক, ক্যানসার ও সর্দি-কাশির ঝুঁকি কমে। তবে রসুন বেশি খাওয়া মারাত্মক বিপদ ডেকে আনতে পারে। অতিরিক্ত রসুন খাওয়ার বিপদগুলো জানিয়েছে জীবনধারা বিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই।

# বেশি রসুন খাওয়া লিভারের জন্য সুখকর নয়। বিভিন্ন গবেষণায় বলা হয়, রসুনে থাকে অ্যালসিন নামের যৌগ। এটি অতিরিক্ত খেলে লিভারের ক্ষতি হয়।

# অতিরিক্ত রসুন খাওয়া ডায়রিয়ার কারণ হতে পারে। রসুনে রয়েছে সালফার। এটি পেটে গ্যাসের সমস্যা বাড়ায়।

# খালি পেটে রসুন খেলে বমি বমি ভাব বা বমি হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ক্যানসার ইন্সটিটিউটের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।

# বেশি রসুন খেলে রক্তচাপ কমে এবং মাথা ঘোরার সমস্যা হয়। এ ছাড়া বেশি রসুন খাওয়া অতিরিক্ত ঘামেরও কারণ হতে পারে।

রসুন কীভাবে খাবেন?
অতিরিক্ত রসুন খাওয়া স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ায়। কাঁচা রসুন খেতে চাইলে দুই কোয়াই যথেষ্ট। কাঁচা খেতে সমস্যা হলে ধনে পাতার সঙ্গে বেটে খেতে পারেন। অনেকেই সকালে খালি পেটে রসুন খান। বিশেষজ্ঞদের মতে, কেবল সকালে নয়, দুপুর বা বিকেলও রসুন খাওয়া যাবে।

বনে নয়, মনেও বসন্ত

ফাগুন এসেছে। বনে নয়, মনেও বসন্ত। ছবি : মঞ্জুরুল আলম

দাড়ি চুলকায়? সমাধান রয়েছে ৫ উপায়ে

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

খোঁচা খোঁচা হোক আর চাপ- দাড়ির এক অন্য রকম সৌন্দর্য আছে। তবে দাড়ি রাখার ঝক্কি কিন্তু কম নয়। ঠিকঠাকমতো পরিষ্কার না করলে বা যত্নের অবহেলায় এটি বাড়তি ঝামেলা হয়ে পড়ে। অপরিষ্কার দাড়ি থেকে হতে পারে চুলকানি, র্যাশ। আর বারবার চুলকাতে থাকলে যত সুন্দরই হোক, স্বস্তি দেয় না। দাড়ির চুলকানি কমাতে কিছু ঘরোয়া উপায় মেনে দেখতে পারেন। উপায়গুলো বাতলেছে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট মেডিকেল নিউজ টুডে।

১. পরিষ্কার রাখুন

ধুলা-ময়লা থেকে রেহাই পেতে নিয়মিত মুখ ও দাড়ি ধোয়ার বিকল্প নেই। দাড়ি ভালো রাখতে ত্বক যেন তেলতেলে না হয়, সেদিকে নজর দিতে হবে। নিয়মিত হালকা গরম পানি ও ক্লিনজার দিয়ে মুখ পরিষ্কার করুন।

২. গোসল প্রতিদিন
গোসলে অনীহা? তাহলে তো দাড়ি ভালো রাখা সম্ভব নয়। প্রতিদিন নিয়ম করে গোসল করতে হবে। তবে তীব্র গরম পানি ব্যবহার এবং বেশিক্ষণ গোসল দাড়ির কিন্তু বারোটা বাজাবে।

৩. কন্ডিশনিং করুন
দাড়ি ক্লিনজার দিয়ে ধোয়ার পর কন্ডিশনিং করুন। এতে নরম লাগবে। এ ক্ষেত্রে জোজবা বা অরগান তেল ব্যবহার করতে পারেন।

৪. বড় হতে দিন
বড় করার ইচ্ছে থাকলে বারবার দাড়ি ছাঁটবেন না। বেশি ছাঁটা কিন্তু চুলকানি বাড়াবে।

৫. শুষ্কতা
ত্বক শুষ্ক থাকলে চুলকানি বাড়ে। বেশি ক্ষারীয় সাবান, খুব গরম পানির ব্যবহার, আবহাওয়ার পরিবর্তন, ত্বক বেশি তেল তৈরি করতে না পারা ইত্যাদি শুষ্কতার কারণ। এসব বিষয়ে খেয়াল রাখুন।

এসব ঘরোয়া উপায়ে সমাধান না হলে চিকিৎসকের কাছে কিন্তু যেতে হবে। এ ক্ষেত্রে চিকিৎসকরা সাধারণত ল্যাকটিক অ্যাসিড ও ইউরিয়াসমৃদ্ধ অয়েনমেন্ট দিয়ে থাকেন।

 

কোলেস্টেরল কমাতে কোন সবজি খাবেন?

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

তাপমাত্রার পারদ বাড়ছে প্রকৃতিতে। এ সময়ে বিভিন্ন সমস্যা মাথাচাড়া দেয় দেহে। আবহাওয়ার এই তারতম্যে সুস্থ থাকতে ভরসা হতে পারে সবজি। সবজির ভেতর বেগুন কিন্তু বেশ শরীরবান্ধব। ভাজা বেগুন, মাছের ঝোলে বেগুন, বেগুন পোড়া- যা-ই হোক না কেন, বাঙালির রসনাবিলাসের তৃপ্তি মেটাতে এর জুড়ি নেই। বেগুনের বিভিন্ন গুণের কথা জানিয়েছে আনন্দবাজার।

# বেগুন দেহের ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমায়। যাদের কোলেস্টেরল রয়েছে, তারা নিয়মিত এই খাবারটি খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন।

# বেগুনের মধ্যে থাকা ফাইট্রোনিউট্রিয়েন্ট মস্তিষ্কের কোষে রক্ত চলাচল সচল রেখে স্মৃতিশক্তি বাড়ায়। এর মধ্যে থাকা বিভিন্ন যৌগ মস্তিষ্কের টিউমারের ঝুঁকি কমায়।

# শরীরের সুস্থতার জন্য বিপাকক্রিয়া ভালো থাকা জরুরি। বেগুনে থাকা ভিটামিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বিপাকক্রিয়া ভালো রাখতে উপকারী।

মুখে দুর্গন্ধ? লিভারের সমস্যা নয় তো

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

লিভারে চর্বি জমার সমস্যায় ভুক্তভোগী এখন অনেকেই। একে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় ফ্যাটি লিভার বলা হয়। অঙ্গটিতে দীর্ঘদিন ধরে চর্বি জমে জমে রোগটি বাসা বাঁধে দেহে। অতিরিক্ত মদ্যপান এই রোগের বড় কারণ। শুরুর দিকে তেমন কিছু বোঝা না গেলেও মুখে দুর্গন্ধ এর অন্যতম উপসর্গ।

সাধারণত ঘুম থেকে উঠলে মুখে দুর্গন্ধ সবারই হয়। তবে ফ্যাটি লিভারের রোগীদের প্রায় সারাদিনই এই ঝামেলা থাকে। চর্বি জমলে লিভার রক্ত থেকে ক্ষতিকর রাসায়নিক পরিশোধন করতে পারে না। এতে দেহের বিষাক্ত পদার্থগুলো বিভিন্ন অঙ্গে থেকে যায় বা ছড়িয়ে পড়ে। সারাদিন মুখে দুর্গন্ধ হওয়ার এটাই কারণ। তাই এ সমস্যা হলে সতর্ক থাকুন।

মুখে দুর্গন্ধের পাশাপাশি এই রোগের আরও লক্ষণ হলো :
১. হলদে ত্বক
২. মনোযোগে অসুবিধা
৩. ফোলা পা
৪. পেট ফুলে যাওয়া। এসব সমস্যা দেখলে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসককে জানান। যেহেতু লিভার দেহে একটিই, আর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণও, তাই এর যত্ন নিন।

সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া

করোনা থেকে বাঁচতে শিশুকে শেখান ৫ অভ্যাস

অনিক মজুমদার

অতিমারি কোভিডের তাণ্ডবে কাঁপছে গোটা বিশ্ব। টানা ঘরবন্দি থাকার পর জীবন-জীবিকার তাগিদে বাইরে বের হতে হয়েছে মানুষকে। প্রতিরোধক টিকা এসে গেলেও কোভিড কিন্তু শেষ হয়নি। নতুন নতুন ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে হাজির হচ্ছে।

করোনাভাইরাসের এই তাণ্ডব শিশুর স্বাস্থ্যেও ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে। এই অতিমারি থেকে রক্ষা পেতে বড়দের পাশাপাশি শিশুকেও শেখাতে হবে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। করোনাভাইরাস প্রতিরোধে শিশুকে শেখানো জরুরি এমন কিছু প্রতিরোধ ব্যবস্থার কথা জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।

১. শিশুকে শেখান এই ভাইরাস একজনের থেকে আরেকজনের দেহে ছড়ায়।
২. শিশুকে মাস্ক ব্যবহার করতে বলুন এবং স্যানিটাইজার দিয়ে হাত ধোয়া শেখান।
৩. মাস্ক পরা কেন জরুরি, এ সম্পর্কে তাকে সচেতন করুন।
৪. কতক্ষণ পরপর হাত ধুতে হবে, শিশুকে জানান।
৫. কোভিড নিয়ন্ত্রণে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা জরুরি। যদিও শিশুর জন্য বিষয়টি কঠিন। তবুও বিষয়টিতে সতর্ক করুন।

করোনা থেকে রক্ষা পেতে সতর্কতার বিকল্প নেই। আর বাড়ির খুদে সোনামণিটির সুস্বাস্থ্যর দায়িত্ব আমাদেরই। তাই ভাইরাস থেকে মুক্ত থাকতে শিশুর সঙ্গে কথা বলুন। বর্তমান অবস্থার গুরুত্ব বুঝিয়ে তাকে সচেতন করুন।

হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে যে মাছ খাবেন

সাতকাহন২৪. কম ডেস্ক

হৃদরোগ মরণঘাতী। তবে কিছু খাবারে রয়েছে হৃদরোগ প্রতিরোধী ক্ষমতা। যেমন : রুই মাছ। বাঙালির রসনা বিলাসে খাবারটির জুড়ি নেই। আসলে মাছের প্রতি এ জাতির ভালোবাসা আজন্ম। মাছ কেবল জিভে তৃপ্তিই আনে না, স্বাস্থ্যের দিকেও নজর দেয়।

রুই মাছে রয়েছে প্রোটিন। শরীর সুস্থ রাখতে প্রোটিন যে জরুরি, তা তো সবার জানা। এই মাছে রয়েছে ক্যালসিয়াম, জিঙ্ক, সোডিয়াম, ভিটামিন এ, ভিটামিন ডি, ভিটামিন ই। এসব উপাদান চর্বির বিপাকে বেশ উপকার করে। গবেষণায় বলা হয়, রুই মাছ উচ্চ রক্তচাপের ঝু্ঁকি তো কমায়ই, কখনও কখনও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে।

ন্যাশনাল সেন্টার ফর বায়োলজিক্যাল ইনফরমেশনের তথ্যমতে, রুই মাছে থাকা ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড রক্তের অনুচক্রিকাকে জমাট বাঁধতে বাধা দেয়। এতে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে। এ ছাড়া এই মাছে ক্যালরিও রয়েছে সামান্য। রুই মাছের তেলে রয়েছে অসম্পৃক্ত ফ্যাটি অ্যাসিড। এটি দেহের ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ায়। এতে হৃদরোগে চর্বি জমে না। তাই হৃদরোগ নিয়ন্ত্রণে খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন রুই মাছ।

পোশাকে বর্ণমালা

পোশাকে বর্ণমালার ব্যবহার শুরু হয়েছিলো, ১৯৮২/ ১৯৮৩ সালের দিকে। এর চল চলে আসছে আজও। কখনো শাড়ির নকশায় ছিলো একটি- দুটি অক্ষর, কখনো পুরো জমিন জুড়ে বর্ণমালা। ছবি : বিশ্বরঙ।

- Advertisement -
সাতকাহন
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.