Saturday, September 26, 2026
spot_img
Home Blog Page 129

ওজন বাড়ে কেন?

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

একটু খেলেই গায়ে লেগে যায় অথবা কম খাই তাও ওজন বাড়ে-এমন কথা আমরা হরহামেশা শুনি। ওজন বাড়া বা স্থূলতা বর্তমান সময়ের একটি প্রচলিত সমস্যা। ওজন বাড়ে কেন- এই বিষয়ে সাতকাহন২৪.কমের এক অনুষ্ঠানে জানিয়েছেন বারডেম হাসপাতালের প্রধান পুষ্টিবিদ ও বিভাগীয় প্রধান শামসুন নাহার মহুয়া।

প্রশ্ন: ওজন বাড়ার কারণগুলো কী?

উত্তর : ওজন বাড়ার অনেক কারণ রয়েছে। মূল কারণ হচ্ছে খাবার খাওয়ার পর যে ক্যালরি একজন মানুষের শরীরে জমে যায়, সেটি খরচ না করা। এটি প্রথম ও মূল কারণ। ক্যালরি খরচ হয় না কেন? কেউ যদি শারীরিক পরিশ্রম না করে, অর্থাৎ বেশি শুয়ে-বসে থাকে। আরেকটি হলো ব্যক্তির যে পরিমাণ ক্যালরি গ্রহণ প্রয়োজন তার চেয়ে একটু বেশি খাচ্ছে। যেমন ধরুন, কেউ যদি ১০০ ক্যালরি বেশি খায়, সেটি একটি বড় কলা হতে পারে, একটি বড় আকারের রুটি হতে পারে, আধা কাপ ভাত হতে পারে। এই রকম সামান্য একটু খাবার থেকে বছর শেষে চার পাঁচ কেজি ওজন বাড়ে।

এরপর নারীর কিছু নিজস্ব বিষয় রয়েছে। একজন নারীর যদি গর্ভাবস্থায় গড়ে ১৫ কেজি ওজন বাড়ে, বাচ্চা হওয়ার পরে যদি তিন কেজি কমে যায়, কিন্তু বাকি ওজন আর না কমে, সেখান থেকেও ধীরে ধীরে আবার বাড়তে থাকে। মেয়েদের পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রম বলে একটি রোগ রয়েছে, সেখানে ওজন বাড়ে। হাইপোথাইরয়েড বলে একটি হরমোনাল অবস্থা রয়েছে, সেখানে ওজন বাড়ে।

আর অল্প খেয়ে ওজন বাড়ে কখন? যখন ক্যালরিবহুল খাবার খাওয়া হয়। ফাস্ট ফুট, মাখন, ডালডা বা ডুবো তেলে ভাজা খাবার খেতে থাকে তখন ওজনটা বাড়ে। মূলত প্রয়োজনের অতিরিক্ত খাবার খেলে সেগুলো জমে জমে ওজন বাড়তে থাকে। এ ছাড়া কিছু ওষুধের কারণেও ওজন বাড়ে। আরো কারণ রয়েছে। তবে প্রধান কারণ এগুলো।

বুক জ্বালাপোড়া দ্রুত কমানোর ৩ উপায়

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

কাজের খুব চাপ। সকাল থেকে দুপুর গড়িয়েছে পেটে কিছুই পড়েনি। ক্ষুধার জ্বালায় পেটে যেন ইঁদুর দৌড়াচ্ছে। এর মাঝে একটু ফাঁকা সময় পেয়ে দ্রুত খেয়ে নিলেন অনেকটা খাবার। আর অমনি শুরু হলো বুক জ্বালাপোড়া। এমন সমস্যার ভুক্তভোগী নেহাত কম নয়।

খুব দ্রুত বেশি খেয়ে নেওয়া, খাবার খাওয়ার পরপরই শুয়ে পড়া, কফি পান, মদ্যপান, অতিরিক্ত ওজন, ধূমপান, মানসিক চাপ ও উদ্বেগ বুক জ্বালাপোড়ার অন্যতম কারণ। কিছু ঘরোয়া উপায় রয়েছে যেগুলো প্রাথমিক অবস্থায় সমস্যাটি সমাধানে কাজ করবে। বুক জ্বালাপোড়া কমানোর কিছু ঘরোয়া সমাধান জানিয়েছে মেথোডিস্ট।

১. পাকা কলা খান
পটাশিয়াম সমৃদ্ধ কলা পাকস্থলীর এসিড কমাতে কাজ করে। তবে কাচা কলায় অ্যালকালাইন বেশি থাকার কারণে এটি এসিড রিফ্লাক্সের সমস্যা তৈরি করতে পারে। তাই এমন কলা বেছে নেবেন যেটি পাকা হবে।

২. চিনি মুক্ত গাম খান
চুইঙ্গাম স্যালাইভা বা মুখের লালা তৈরিতে কাজ করে। মুখে বেশি লাল তৈরি হলে বুক জ্বালাপোড়ার সমস্যা কমে। এটিও হতে পারে আপনার জ্বালাপোড়া কমানোর সহজ সমাধান।

৩. খুব দ্রুত খাবার নয়
আগেই বলেছি খুব দ্রুত খাবার খেলে এই সমস্যা বেশি হয়। তাই একসঙ্গে খালি পেটে অনেক খাবার না খেয়ে দুই/ তিন ঘণ্টা পর পর একটু একটু খাবার খান। পেট খালি রাখবেন না। মোদ্দা কথা, যেসব কারণে বুক জ্বালাপোড়া করছে বুঝবেন, সেগুলো এড়িয়ে চলুন।

আদা-পানি কেন খাবেন?

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

ওজন কমানোর বিভিন্ন কৌশল ইন্টারনেটে হরহামেশা দেখা যায়। তবে কোনটিতে আসলেই কাজ হয়? আর কোনটি কেবল সময়ের অপচয়, এ নিয়ে দ্বিধায় পড়েন অনেকে। তবে একটি উপায় কিন্তু আসলেই রয়েছে, যা ওজন কমাতে বেশ কাজ করে। আর সেটি হলো আদা-পানি। এটি পেট, পৃষ্ঠদেশ ও উরুর মেদ ঝরাতে উপকারী।

আদার মধ্য রয়েছে প্রদাহরোধী উপাদান ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এটি পেটের সমস্যা কমাতেও কার্যকর। এ ছাড়া আদা গাঁট ব্যথা কমাতে এবং হৃদপিণ্ড ভালো রাখতেও সাহায্য করে। তবে এসব গুণ পেতে কীভাবে পান করবেন আদা-পানি জানিয়েছে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলথ ডাইজেস্ট।

উপাদান
# ১২ থেকে ১৫ টুকরো ছোট করে কাটা আদা
# দুই কাপ পানি

যেভাবে তৈরি করবেন
একটি ছোট সসপ্যানে দুই কাপ পানি নিন। এর মধ্যে আদা দিন। পানি সেদ্ধ করুন। চুলা থেকে নামিয়ে ঠাণ্ডা হতে দিন। এপর পানি করুন।

যেভাবে সামলাবেন রাগী শিশু

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

পাশের ঘর থেকে অরিত্রের চিৎকারের শব্দে দৌড়ে এলেন অনিতা বেগম। অরিত্র এই বাড়ির ১০ বছরের ছেলে, অনিতার দ্বিতীয় সন্তান। পেনসিল বক্স খুঁজে না পেয়ে পুরো বাড়ি মাথায় তুলছিল সে।

বড়দের মতো ছোটরাও রাগ নামক আবেগে ভোগে। কখনও কখনও হতাশা, ক্ষোভ থেকে একটি শিশুর মধ্যে বিষয়টি ঘটে। তবে রাগ মাত্রাতিরিক্ত হলে বড়দের যেমন ক্ষতি হয়, তেমনি ছোটদেরও। শিশু অতিরিক্ত রেগে গেলে করণীয় বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।

# রেগে গেলে শিশু সাধারণত কান্নাকাটি, মারামারি, বকাঝকা করতে শুরু করে। প্রথমে বুঝতে হবে, কোন বিষয়টির কারণে সে এমনটা করছে। বিষয়টি যৌক্তিক হলে সমস্যা সমাধানের ব্যবস্থা করতে হবে। শিশুকে বোঝাতে হবে, ভবিষ্যতে জীবনে চলার পথে হুটহাট রেগে গেল কতটা ক্ষতি হয়।

# শিশুকে মন খুলে কথা বলতে দিন। কেন তার রাগ হচ্ছে? কোন বিষয়টি তাকে বিরক্ত করে তুলছে শান্ত মাথায় শুনুন। তাকে সাহায্য করুন। রাগ না করে বিকল্প কোন পথে সমস্যার সমাধান করা যায়, শিশুকে বোঝান।

# শিশুকে নিয়মিত গভীর শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম করতে শেখান। এতে মাথার ধোঁয়াশা ভাব কাটবে। শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম শিশুকে ধীরে ধীরে শান্ত হতে সাহায্য করবে।

# শিশু রেগে গেলে অনেক মা-বাবাই তাকে সামলানোর জন্য যা চায়, তা দিয়ে দেন। বিষয়টি করতে যাবেন না। যৌক্তিক হলে দিন, তবে অযৌক্তিক হলে নয়। শিশু যা চাইল তা পেয়ে গেলে হয়তো সমস্যার সাময়িক সমাধান হয়, তবে সে বুঝে যাবে এমন করেই সব পাওয়া যায়। তাই তাকে ধৈর্য ধরা শেখানো জরুরি।

মাস্ক পরছেন- এসব বিষয়ে খেয়াল রাখছেন তো?

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

অতিমারি করোনার কারণে নতুন এক বিশ্ব দেখছি আমরা। এখন বেঁচে থাকতে হলে পরিচ্ছন্নতা, সতর্কতা জরুরি। কোভিড ১৯ থেকে রেহাই পেতে মাস্ক পরার বিকল্প নেই।

তবে মাস্ক পরার ক্ষেত্রে কিছু সতর্কতা মেনে চলতে হবে। না হলে ত্বকের বিভিন্ন সমস্যায় ভুগতে হয়- জানান শিওরসেল মেডিকেল বিডির প্রধান চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. তাওহীদা রহমান ইরিন।

এখন কাপড়ের মাস্ক, সার্জিক্যাল মাস্ক, এন৯৫ মাস্ক পাওয়া যায় জানিয়ে ডা. তাওহীদা রহমান ইরিন বলেন, মাস্কের ঘর্ষণে অনেক সময় মুখে দাগ, ব্যথা বা র্যাশ হতে পারে। ঘষার কারণে সমস্যা হলে চিকিৎসকের রপরামর্শ নিতে হবে।

মাস্ক ব্যবহারের ক্ষেত্রে ডা. তাওহীদার পরামর্শ :

১. আরামদায়ক কাপড়ের মাস্ক ব্যবহার করুন। কাপড়ের মাস্ক ক্ষারমুক্ত সাবান ও পানি দিয়ে ধুতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে কোথাও যেন সাবারের ফেনা লেগে না থাকে।

২. একটি মাস্ক চার ঘণ্টা পর খোলা যায়। ছয় ফুট দূরত্বে কেউ না থাকলে, বাসায় করোনা রোগী না থাকলে মাস্ক খুলতে পারেন।

৩. মাস্ক পরার পর মুখের কোথাও কেটে গেলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে অ্যান্টিবায়োটিক ওয়েন্টমেন্ট ব্যবহার করা যেতে পারে।

৪. অনেকে মাস্কের লুপ আঁটসাঁট করে কানের পাশে বাঁধেন। সে ক্ষেত্রে দাগ ও ব্যথা হয়। এ সমস্যা এড়াতে লুপ ঢিলে করে বাঁধুন।

৫. করোনার সময় মাস্ক তো পড়তেই হয়। তবে ভারী মেকআপ নিয়ে মাস্ক না পরাই ভালো। এতে ত্বকের পোরগুলো লক হয়ে ব্রণ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। মেকআপ করতে হলে হালকাভাবে করুন।

দুধ ছাড়া ক্যালসিয়াম পাবেন ৪ খাবারে

শাশ্বতী মাথিন

দুধ বা দুগ্ধ জাতীয় খাবার, যেমন- দই, পনির ইত্যাদিতে ক্যালসিয়াম রয়েছে। ক্যালসিয়াম হাড়ের গঠন মজবুত করে। পাশাপাশি হার্ট, পেশি ও স্নায়ুর কাজ ঠিকঠাকভাবে করায়। ১৯ থেকে ৫০ বছর বয়সী একজন সুস্থ-সবল মানুষের প্রতিদিন এক হাজার মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম গ্রহণ জরুরি।

দুধ খেতে যাদের অনিহা, অথবা দুধ খেলে যাদের পেটে সমস্যা হয়, তারা কী করবেন? চিন্তার কিছু নেই। তাদের জন্য সুখবর রয়েছে। দুধ ছাড়াও কিছু খাবার রয়েছে যেগুলোতে ভালো পরিমাণে ক্যালসিায়াম পাওয়া যায়। এমন কিছু খাবারের নাম বাতলেছে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট মেডিকেল নিউজ টুডে।

১. কাঠবাদাম
এককাপ কাঠবাদামে ৩৮৫ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়। এটি দৈনন্দিন চাহিদার এক-তৃতীয়াংশ পূরণ করে। তবে এই এক কাপে ৮৩৮ ক্যালরি ও ৭২ গ্রাম চর্বি রয়েছে। এর মধ্যে থাকা মনোস্যাচুরেটেড চর্বি উপকারী। যেহেতু ক্যালরি উচ্চ পরিমাণে রয়েছে, তাই প্রতিদিন আধা কাপ কাঠবাদাম খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

২. ব্রকলি
এক কাপ ব্রকলির মধ্যে সাধারণত ৮৭ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম থাকে। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ক্যানসার ইন্সটিটিউটের তথ্য মতে, ব্রকলি কেবল ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ করে হাড়ের গঠন ভালো রাখতেই সাহায্য করে না, ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করতেও এটি উপকারী। এটি ব্লাডার, স্তন, কোলন, লিভারের ক্যানসার প্রতিরোধ করে। তাই সুস্বাস্থ্যের জন্য খাদ্যতালিকায় খাবারটি রাখতে পারেন।

৩. মিষ্টি আলু
মিষ্টি আলুতে ৬৮ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম রয়েছে। এ ছাড়া সবজিটিতে রয়েছে পটাশিয়াম, ভিটামিন এ এবং ভিটামিন সি। গুরুত্বপূর্ণ অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ভিটামিন এ দৃষ্টি ভালো করে, তারুণ্য ধরে রাখে এবং ক্যানসার প্রতিরোধ করে।

৪. কমলা
একটি মাঝারি আকারের কমলায় পাওয়া যায় ৭৪ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম। আর এক গ্লাস সুরক্ষিত কমলার রসে থাকে ৩০০ মিলিগ্রাম। তাই ক্যালসিয়ামের চাহিদা মেটাতে দুধের বিকল্প হিসেবে খাদ্যতালিকায় কমলাও রাখতে পারেন।

ঘুমের আগে ৪ কাজ নয়

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

ঘুমাতে যাচ্ছেন? তাহলে অবশ্যই কিছু বদ অভ্যাস বাদ দিন। গবেষণায় বলা হয়, এমন কিছু কাজ রয়েছে, যেগুলো করলে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে। এতে অপর দিন অবসন্ন ও ক্লান্তি লাগে; দৈনন্দিন কাজের বারোটা বাজে। ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায় এমন কিছু কাজের কথা জানিয়েছে ইনসাইডার।

১. মোবাইলের ব্যবহার
অনেকেরই স্বভাব ঘুমের আগে মোবাইল ঘাঁটাঘাঁটি করা। স্ক্রিনের নীল ও সাদা আলো মস্তিষ্ক থেকে মেলাটোনিন হরমোনের নিঃসরণে বাধা দেয়। এতে ঘুম আসতে কঠিন হয়। তাই ঘুমের আগে যেকোনো ডিজিটাল টেকনোলজিকে ‘না’ বলুন।

২. বিছানায় কাজ নয়
বিছানা কেবল বিশ্রামেরই জায়গা। ঘুমের আগে একগাদা কাজ নিয়ে বিছানায় বসবেন না। যা কাজ, তা সেরে আসুন ঘুমের আগেই। বিছানায় কেবল আয়েশ করুন।

৩. কফি নয়
গবেষণায় দেখা গেছে, ঘুমের অন্তত ছয় ঘণ্টা আগে যারা কফি পান করে, তাদের তুলনায় যারা পান করে না, তাদের দ্রুত ঘুম আসে। আসলে একজন সুস্থ সবল মানুষের কর্মক্ষম থাকতে দৈনন্দিন সাত থেকে আট ঘণ্টা ঘুম জরুরি। তাই চেষ্টা করুন কফি এড়াতে।

৪. চর্বিজাতীয় খাবার নয়
বিভিন্ন গবেষণা বলছে, ঘুমের ঘণ্টাখানেক আগে চর্বিজাতীয় খাবার খেলে ঘুমের গুণগত মানের ক্ষতি হয়, বিশেষ করে নারীর। বিশেষজ্ঞদের মতে, রাতে ক্ষুধা বেশি লাগলে পিনাট বাটার বা লাল আটার রুটি খেতে পারেন।

কোন রোগে পা ফাটে?

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
পা ফাটার সমস্যায় ভুক্তভুগি মানুষ নেহাত কম নয়। জীবনের কোনো না কোনো সময় কমবেশি সকলে এ সমস্যায় ভোগে। তবে পা কেন ফাটছে বা কোন রোগে এই সমস্যা হয়, জানে না অনেকে।

# জানেন কি, দেহে পানিশূন্যতা হলে পা ফাটতে পারে? আবহাওয়ার আর্দ্রতা কমে যাওয়া, পানি কম পান করা, শুষ্ক পরিবেশে হাঁটা ইত্যাদি পা ফাটার কারণ।

# শরীরে ভিটামিন বি ও ভিটামিন সি এর অভাবে পা ফাটতে পারে। এসব ভিটামিন ত্বকের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। দেহে এগুলোর ঘাটতি হলে পা ফাটে।

# ত্বকের রোগ সোরিয়াসিসের নাম তো শুনেছেন? এই রোগে পায়ের তালু থেকে খোসার মতো চামড়া উঠে। অনেক সময় সমস্যাটি গোড়ালি পর্যন্ত ছড়িয়ে পা ফাটা তৈরি করে। এ ছাড়া এক্সিমা রোগেও অনেক সময় পা ফাঁটে।

সূত্র : আনন্দবাজার

সারাদিন লিপস্টিক থাকবে নতুন- কী কৌশলে?

সাতকাহন২৪.কম

সকালবেলা লিপস্টিক দিয়ে ঘর থেকে বের হলেন। কিছুক্ষণ বাদেই রং চটে মলিন। এমন তো হরহামেই ঘটে। অগত্যা আবার ব্যাগ থেকে লিপস্টিক বের করে, ঠোঁটে লাগানো। তবে কিছু কৌশল মেনে চললে কিন্তু সারাদিনই লিপস্টিক নতুনের মতো থাকবে। কৌশলগুলো বাতলেছে আনন্দবাজার।

  • লিপস্টিক দীর্ঘস্থায়ী করতে ঠোঁট অবশ্যই স্ক্রাব করে নেবেন। গোলাপজল, চিনি ও মধু মিশিয়ে বাড়িতেই স্ক্রাব বানিয়ে ফেলুন। পরে লিপবাম লাগিয়ে লিপস্টিক দিন।
  • লিপলাইনার দিয়ে ঠোঁট লাইন করুন। এরপর ওই লাইনারই ঠোঁটে লাগান। শেষে লিপস্টিক পরুন; দীর্ঘস্থায়ী হবে।
  • লিপস্টিক লাগানোর আগে প্রাইমার লাগিয়ে নিতে পারেন। কোনো অনুষ্ঠানে যেতে হলে প্রাইমারের জায়গায় ফাউন্ডেশনও লাগানো যেতে পারে।
  • লিপস্টিক যেহেতু সরাসরি ঠোঁটকে স্পর্শ করে, তাই ভালো মানের কিনুন। ভালো মান ও ব্র্যান্ডের লিপস্টিক সাধারণ দীর্ঘস্থায়ী হয়।

সঙ্গী বিশ্বাসী, কোন লক্ষণে বুঝবেন?

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

দাম্পত্য হোক বা প্রেম- বিশ্বাস, শ্রদ্ধা, আস্থা যেকোনো সম্পর্কেরই ভিত। একটি সুস্থ সম্পর্ক টিকে থাকে একে অপরের প্রতি বিশ্বাসেরর উপর। টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে এমন কিছু লক্ষণের কথা যেগুলো দেখলে বোঝা যাবে সঙ্গী বিশ্বস্ত কি না।

ধারাবাহিকতা
বিশ্বস্ত সঙ্গীর কথা ও কাজ একই রকম। সবসময় তার মধ্যে এক ধরনের ধারাবাহিকতা দেখা যায়। এমনকি আপনি নয়, অন্য মানুষের সঙ্গেও তাঁর আচরণ একই রকম।

বিনয়ী
বিশ্বাসী মানুষ অন্যের প্রতি আচরণে বিনয়ী। সে যখন কথা বলবে তার মধ্যে একধরনের আন্তরিকতা থাকবে। এবং এই আন্তরিকতা ধারাবাহিক হবে।

সীমা
বিশ্বাসী সঙ্গী অন্যের সঙ্গে কথা বলা, মেশার ক্ষেত্রে নিজের সীমা বজায় রাখে।

ছাড় দেওয়া
বিশ্বাসী সঙ্গীর ছাড় দেওয়ার মানসিকতা থাকে। একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে ছাড় দিতে পারাটা যেকোনো সম্পর্কেই একটি অন্যতম গুণ।

কৃতজ্ঞতা
একজন মানুষ আপনার জন্য নিজের সময় থেকে সময় বের করছেন, আপনার যত্ন নিচ্ছেন, আর সেটি হয়তো আপনি গুরুত্বই দিচ্ছেন না। এমন হলে তো চলে না। আপনি একজন বিশ্বাসী, আস্থার মানুষ তখনই হয়ে উঠতে পারবেন যখন অন্যের ভালো কাজের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও কৃতজ্ঞ থাকবেন।

- Advertisement -
সাতকাহন
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.