Saturday, September 26, 2026
spot_img
Home Blog Page 128

কবিতা : ফাগুন

ফাগুন
মোশাররফ হোসেন রিপন

দখিনা হাওয়া
পাগলপারা মাদকতা
জেগেছে প্রাণ
উচ্ছল মন
প্রকৃতি মেখেছে রং
কাঁচা সোনার আম্র মুকুল;
আমি খুঁজি
আমি কী যেন খুঁজি
বসন্ত এলো বুঝি!

তুমিও কি পাও
বসন্ত ঘ্রাণ?
বাতাসে ঘুরছে ধূলি
উড়ছে আঁচল
দুলছে মন
পাবার আকুলতা নিদারুণ
দু’চোখে স্বপন
এ কী শুনি!
নূপুর নাকি ঝরা পাতার নিক্বণ;

আমি খুঁজি
আমি কী যেন খুঁজি?
প্রণয় ডালা হাতে
তুমি এলে বুঝি!

 

স্তন ক্যানসার প্রতিরোধে কী খাবেন?

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

মানসিক চাপ, বংশগতি, বেশি বয়স ইত্যাদি স্তন ক্যানসার হওয়ার অন্যতম কারণ। কোনো একটি নির্দিষ্ট খাবার খেলেই যে স্তন ক্যানসার সম্পূর্ণ প্রতিরোধ হয়ে যাবে, বিষয়টি তা নয়। তবে জীবনযাপনের ধরনের কিছু পরিবর্তন, কিছু খাবার এই ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করে। স্তন ক্যানসার প্রতিরোধে কিছু খাবারের নাম জানিয়েছে জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট ফেমিনা।

ব্রকলি
গবেষণায় দেখা গেছে, ব্রকলির মধ্যে টিউমার থামিয়ে দেওয়ার প্রবণতা রয়েছে। বাঁধাকপি, ফুলকপি, ক্যালে ইত্যাদির মধ্যেও একই গুণ দেখা যায়।

হলুদ
হলুদ রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে। হলুদের মধ্যে থাকা কারকিউমিন স্তন ক্যানসার তৈরিকারী টিউমারের সঙ্গে লড়াই করে। এতে রয়েছে প্রদাহরোধী উপাদান, যা স্বাস্থ্যের জন্যই ভালো।

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

রসুন ও পেঁয়াজ
রসুন ও পেঁয়াজের মধ্যে থাকা অ্যালিল সালফাইড স্তন ক্যানসার প্রতিরোধে উপকারী। তবে যাদের রক্ত পাতলা হয়ে যায়, তাদের ক্ষেত্রে খাবারগুলো খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

আনার
২০১৫ সালে অক্সিডেটিভ মেডিসিন অ্যান্ড স্যালুলার লংজিভিটি জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা যায়, আনারের মধ্যে থাকা উপাদান ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করে। বিশেষ করে যেসব ক্যানসার ইসট্রোজেন-নির্ভর।

ওজন কমাতে ব্যর্থ? ২ ভুল করছেন না তো

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

প্রশ্ন : কী ভুলের কারণে একজন মানুষ ওজন কমাতে ব্যর্থ হয়?
উত্তর : আমাদের কাছে অনেক রোগী এসে বলে, ‘আমি খাই না’ বা ‘আমি দুইবেলা খাই’। ‘আমি ভাত খাই না’, ‘রুটি খাই না’- এরপরও আমার ওজন বেড়ে যায়। এগুলো ভ্রান্ত ধারণা। ভ্রান্ত কেন বলছি? একটি রুটিতে ৭৫ গ্রাম ক্যালরি। সে হয়তো রুটি খাচ্ছে না, তবে ছোট ছোট পাঁচ- ছয়টি বিস্কুট খেয়ে নিচ্ছে। এটা উচ্চ ক্যালরিযুক্ত। দেখা যাচ্ছে, ছোট চারটা বিস্কুটে ২২০ বা ১০০ ক্যালরি। একটি রুটি সমান যদি দুটো বিস্কুট ধরি, সেখানে ছয়টি বা আটটি বিস্কুট খেয়ে নিচ্ছে। সঙ্গে হয়তো একটি বড় কলা খেয়ে নিল বা খেজুর খাচ্ছে, পাঁচ-ছয়টা খেয়ে নিল বা ছোট একটি বার্গার খাচ্ছে। এভাবে হয় না।

বাড়তি ওজন দেহের ক্ষতি করে।
বাড়তি ওজন দেহের ক্ষতি করে।

দুই নম্বর হলো : ‘আমি সারাদিন কিছু খাই না, একবেলা খাবার খাই’- এমনও বলেন অনেকে। এটিও আরেকটি ভুল। এতে কী হয়? মানুষ দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকলে ক্ষুধা বেশি লাগে, খাবার খাওয়ার ইচ্ছে বেশি হয়। আর দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার পরে যখন সে খাচ্ছে, ক্লান্ত হয়ে যাচ্ছে। তাতে কায়িক পরিশ্রম না করে বসে যায়। এভাবে করলেও ওজন কমে না।

উদ্বেগ দ্রুত কমানোর ৩ উপায়

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

বৈশ্বিক অতিমারির কারণে অস্থির এক সময় পার করছে গোটা বিশ্ব। এ সময় উদ্বেগ বা অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা স্বাভাবিক সমস্যা। নার্ভাস অনুভব করা, বুক ধড়ফড়, ঘাম হওয়া, ঘন ঘন শ্বাস ফেলা, দুশ্চিন্তা নিয়ন্ত্রণ করতে অসুবিধা, ঘুমে সমস্যা, পেশি শক্ত হয়ে যাওয়া ইত্যাদি উদ্বেগ বা অ্যাংজাইটির লক্ষণ। উদ্বেগ নিয়ন্ত্রণে দীর্ঘ মেয়াদে কাউন্সেলিং জরুরি। তবে চটজলদি কিছু উপায় রয়েছে, যা সমস্যাটি কমাতে কিছুটা হলেও কাজ করবে। স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলথলাইন জানিয়েছে এসব তথ্য।

শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম
হয়তো অফিসের মিটিংয়ের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন, এমন সময় হঠাৎ নার্ভাস লাগছে। মনে হচ্ছে কিছুই বলতে পারবেন না প্রেজেন্টেশনে। এমন হলে একটু বিরতি দিন। পাঁচ মিনিটের জন্য হলেও একটু আলাদা স্থানে যান। শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম করুন। গভীরভাবে নাক দিয়ে শ্বাস টেনে কিছুক্ষণ আটকে রেখে মুখ দিয়ে ধীরে ধীরে ছাড়ুুন। এভাবে পাঁচ থেকে সাতবার করুন।

প্রিয় জায়গার ছবি কল্পনা করুন
এক মুহূর্তের মধ্যে একটু নিজের মনের ভেতর তাকান। আপনার সবচেয়ে পছন্দের জায়গা কোনটি ভাবুন। যতটা সম্ভব জায়গাটা কল্পনা করে নিখুঁতভাবে দেখার চেষ্টা করুন। সুখের স্মৃতি উদ্বেগ কমাতে কাজ করে।

গান শুনুন
একটি ভালো গান মনকে প্রশান্ত করতে সাহায্য করে। উদ্বেগের সময় আনন্দের গান শুনুন। গবেষণায় বলা হয়, সংগীত বুক ধড়ফড় করা ও রক্তচাপ কমাতে উপকারী।

শিশুর দুধ-দাঁতের যত্ন কেন জরুরি?

ডা. মো. আসাফুজ্জোহা রাজ

প্রচলিত ধারণায় অনেকে মনে করেন, শিশুর দুধ-দাঁতের স্থায়িত্ব কম। তাই যত্নের প্রয়োজন নেই। গবেষণা বলছে, শিশুর দুধ-দাঁতগুলো পড়ে যাওয়ার নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত সুস্থ রাখতে হবে। এর কারণ :

সঠিক পুষ্টি পেতে
সুস্থ দাঁত খাদ্যকে উপযুক্ত চর্বণের মাধ্যমে হজমোপযোগী করে। খাবারের ইচ্ছা ও রুচিকে স্বাভাবিক রাখে।

স্থায়ী দাঁতের ওপর বাজে প্রভাব
দুধ-দাঁতের সংক্রমণ স্থায়ী দাঁতকে ক্ষতি করতে পারে। স্থায়ী দাঁত এলোমেলো বা উঁচু-নিচু হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ দুধ-দাঁত আগে বা পরে পড়া।

স্পস্ট উচ্চারণ ও মুখমণ্ডলের আকৃতি
স্বাভাবিক কথা বলা, কবিতা আবৃত্তি বা গান গাওয়া, চোয়ালের গঠন ও মুখের আকৃতি ঠিক রাখতে দুধ-দাঁতের সুস্থতা জরুরি। স্থায়ী দাঁতকে সঠিক স্থানে আসার দিকনির্দেশনাও দেয় দুধ-দাঁত।

মানসিক বিকাশ
শিশুর মানসিক বিকাশ, স্মৃতিশক্তি, আত্মবিশ্বাস, প্রাণচঞ্চলতা, লেখাপড়ায় মনোনিবেশসহ মানসিক বিকাশে অস্থায়ী দুধ-দাঁত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

সার্বিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থা
দীর্ঘ মেয়াদে দাঁতের সংক্রমণ রক্ত বাহিকায় মিশে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গকে আক্রান্ত করতে পারে, যেমন হার্ট, মস্তিষ্ক, হাড়। অন্যদিকে চোয়ালের হাড়ে সংক্রমণ ছড়িয়ে বড় ধরনের জটিলতাও তৈরি করতে পারে।

লেখক : প্রতিষ্ঠাতা, রাজ ডেন্টাল সেন্টার
কলাবাগান, ঢাকা।

পর্নোগ্রাফি আসক্তি বাড়াচ্ছে ডিভোর্স

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

পর্নোগ্রাফি আসক্তি একটি সামাজিক ব্যাধি। সামাজিক, অর্থনৈতিক ক্ষতি থেকে শুরু করে এটি ডিভোর্সের মতো অবস্থাও ঘটাচ্ছে সম্পর্কে। পর্নোগ্রাফির সামাজিক প্রভাব নিয়ে সাতকাহন২৪.কমের এক অনুষ্ঠানে কথা বলেছেন অধ্যাপক সানজিদা শাহরিয়া।

প্রশ্ন: পর্নোগ্রাফি আসক্তির সামাজিক প্রভাব কী?
উত্তর : এটিকে একটি শব্দে যদি বলি, তাহলে বলবো মহামারি। করোনা যেমন বিশ্বজুড়ে একটি প্যানডামিক অবস্থা তৈরি করেছে। পর্নোগ্রাফি আসক্তির এই মহামারি বছরের পর বছর ধরে পৃথিবীতে চলছে। একজন মানুষের ইন্টারনেটে যাওয়ার চতুর্থ কারণ এটি। গবেষণায় দেখা গেছে পর্নোগ্রাফির দর্শক নারী-পুরুষ উভয়েই। ৭৪ শতাংশ পুরুষ ও ২৬ শতাংশ নারী পর্ন দেখে। কীভাবে তারা দেখে? ৬১ শতাংশ মোবাইল ফোনে দেখছে। ২৮ শতাংশ স্ক্রিনে দেখছে। ১১ শতাংশ অন্যান্য ছোট-খাটো ডিভাইসে দেখে। তাহলে পর্নোগ্রাফির জায়গাটা মুঠোফোনে চলে এসছে। এখানে একটি বড় অংশ শারীরিক আগ্রাসন দেখাচ্ছে। মনোবিশেষজ্ঞরা দেখেছে, এটি থেকে নারীর প্রতি সহিংস আচরণ শিখছে মানুষ। কারণ, পর্নোগ্রাফিতে নারী সেক্স পার্টনারের প্রতি পুরুষটি এমন আচরণ করছে। এটি ৮৮ শতাংশ। এবং ভারভাল এবিউজ বা বাজে কথা বলা, গালি দেওয়া এই বিষয়গুলো এখান থেকে আসছে। তাহলে মানুষ যখন পর্নোগ্রাফি দেখছি, পুরুষটি কী শিখছে? নারীর প্রতি আমি সহিংস আচরণ প্রদর্শন করি।

পর্ন দেখার কারণে ২০০২ সালে ৬৮ ভাগ ডিভোর্স হতো। ৫৬ শতাংশের ক্ষেত্রে এমন ছিলো যে এটা ছাড়া চলতেই পারবে না। তাহলে দুটো সংখ্যাই শতকরা ৫০ ভাগের বেশি। ২০২০ এ করোনা শুরু হওয়ার পর থেকে এই হার অনেক। পর্নোগ্রাফি আসক্তি নিয়ে যারা কাউন্সিলরের কাছে আসছেন, তাদের একটি বড় অংশের পারিবারিক সম্পর্ক নেই। এদের বড় অংশ চাকরিহারা হচ্ছে। অর্থনৈতিকভাবে বিপর্যস্ত হচ্ছেন। মূলত এর একটি বিশাল মনোসামাজিক প্রভাব রয়েছে।

- Advertisement -
সাতকাহন
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.