Wednesday, May 27, 2026
spot_img
Home Blog Page 49

মানসিক চাপ কমাতে এভাবে শ্বাস নিন

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

বর্তমান সময়ে মানসিক চাপে ভোগে না, এমন মানুষ হারিকেন দিয়ে খুঁজতে হবে। অস্থিরতা, বিষণ্ণতা, হতাশা এখন যেন রোজকার ঘটনা। তবে এর মধ্যেও তো টিকতে হবে, সামলাতে হবে নিজেকে।

আর এই ক্ষেত্রে ছোট কিছু অনুশীলন আপনাকে অনেকটাই শান্ত রাখতে সাহায্য করবে। এই ক্ষেত্রে শ্বাসপ্রশ্বাসের ব্যায়াম খুব উপকারী। মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে দমের একটি সহজ ব্যায়ামের কথা জানিয়েছে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট ওয়েবএমডি।

১. আরাময়দায়ক অবস্থায় বসুন। পা থাকবে মাটিতে। অথবা শুয়েও কাজটি করতে পারেন।

২. চোখ বন্ধ করুন।

৩. আপনার ভালো লাগে এমন কোনো জায়গায় মনকে নিয়ে যান বা ভালো লাগার জায়গার কথা ভাবুন। যেমন: সমুদ্র, পাহাড়, সবুজ ঘাস, নদী ইত্যাদি। মোদ্দাকথা, এমন একটি জায়গা যেখানে আপনি শান্তি পাবেন।

৪. এবার ধীরে ধীরে গভীরভাবে শ্বাস নিন এবং ছাড়ুন।

৫. এভাবে পাঁচ থেকে ১০ মিনিট দম নিতে থাকুন।

৬. এবার ধীরে ধীরে চোখ খুলুন। দেখবেন, অনেকটাই হালকা লাগছে।

ত্বক ভালো রাখার মূল ৬ নিয়ম

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

নিজেকে সুন্দর করে উপস্থাপন করতে সবারই ভালো লাগে। এই সুন্দর করে উপস্থাপন করার একটি বিষয়ের মধ্যে কিন্তু পড়ে ত্বকের সৌন্দর্য। যতই মেকআপ করা হোক না কেন, সুস্থ ও সুন্দর ত্বক সবারই চাওয়া।

আর একে সুস্থ রাখতে কয়েকটি বিষয় খুব জরুরি। সুন্দর ত্বকের জন্য মূল ছয়টি নিয়ম জানিয়েছে স্বাস্থবিষয়ক ওয়েবসাইট ওয়েবএমডি।

  •  সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি প্রতিরোধে নিয়মিত সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন।
  • সরাসরি সূর্যের আলো প্রতিরোধে মাথার ক্যাপ ও সানগ্লাস ব্যবহার করতে পারেন।
  • ত্বক ভালো রাখতে ধূমপান একদম নয়।
  • পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করুন।
  • মুখ ভালোভাবে পরিষ্কার করুন, অন্তত তিন বেলা। আর রাতে ঘুমের আগে অবশ্যই মেকআপ তুলে ঘুমাবেন।
  • ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।

নিরাপদ মাতৃত্ব : কী ও করণীয় ?

ডা. হালিদা হানুম আখতার

আমি চিকিৎসা পেশা শুরু করি, ১৯৭১ – এর মুক্তিযুদ্ধের সময়েই। আজ মায়ের স্বাস্থ্য নিয়ে কথা বলছি আমরা। কথা বলছি, নিরাপদ মাতৃত্ব নিয়ে। সে সময় দেখতাম, ১ লাখ শিশু জন্ম দিতে গিয়ে প্রায় ছয়শটি মা মারা যেতো। আর হিসাব করলে দেখা যেতো, একদিনে ২৫টির ওপর মায়ের মৃত্যু হচ্ছে।

এই ক্ষেত্রে দেখা যেতো, গর্ভকালীন সেবার অভাব, কোথায় প্রসব করাবে সেই সম্পর্কে জ্ঞানের অভাব (প্রসবের জন্য যে উপযুক্ত প্রতিষ্ঠান দরকার- হাসপাতাল বা সেবাকেন্দ্র দরকার- এগুলোর অভাব) প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ধাত্রীর অভাব ইত্যাদি কারণে মায়ের মৃত্যু হচ্ছে।

তবে এই ৫৩ বছরে আমরা মাতৃমৃত্যুর হার অনেক কমিয়ে এনেছি। প্রতি এক লাখ শিশু জন্ম দিতে গিয়ে এখন প্রায় ১৭০ জন মা মারা যায়। দিন হিসাবে চিন্তা করলে ১৪ জন মা একদিনে মারা যায়।

আজ আমাদের আলোচনার মূল বিষয় নিরাপদ মাতৃত্ব।মাতৃমৃত্যুর হার ও গর্ভকালীন জটিলতা কমিয়ে আনতে গর্ভাবস্থায় একজন মায়ের কী ধরনের সেবা দরকার এবং কীভাবে দরকার- এসব বিষয়েই জানবো।

চারটি সেবা বা অ্যান্টিনেটাল কেয়ার

গর্ভের সময় অন্তত চারটি সেবা বা অ্যান্টিনেটাল কেয়ার নিতে হবে। এই সেবা কেন নিতে হবে ? এখানে দুটো প্রাণের সুস্থতার বিষয় রয়েছে। একটি মা এবং অপরটি গর্ভের শিশু। দুইটি প্রাণের সুস্থতা নিশ্চিতে, মা-টি গর্ভধারণ করলে তাকে চিকিৎসক বা সেবাকেন্দ্রে নিয়ে চারটি চেকআপ বা অ্যান্টিনেটাল কেয়ার অবশ্যই নিতে হবে।

একজন মা প্রথম সেবাটা নেবেন মাসিক বন্ধ হওয়ার পর, ১৬ সপ্তাহ বা চার মাসে। চার মাস পড়লে তিনি চিকিৎসকের কাছে বা সেবাকেন্দ্রে যাবেন। দ্বিতীয় সেবাটি নেবেন, ২৪ সপ্তাহ বা ছয় মাসে। তৃতীয়টি, ৩২ সপ্তাহ বা আট মাস পড়লে। আর শেষ বা চতুর্থটি, ৩৬ সপ্তাহ বা নয় মাসে নিতে হবে।

এই সময় কী দেখা হয় এবং কী করতে হবে ?

এই সময়ে প্রথম চেকআপে দেখা হয়, গর্ভটি ঠিকমতো রয়েছে কি না, অর্থাৎ জরায়ুতে ভ্রূণটি ঠিকমতো রয়েছে কি না- শিশু ঠিকমতো গর্ভে নড়াচড়া করছে কি না।

এই সময় থেকেই চিকিৎসক বা সেবাদানকারীর সঙ্গে প্রসব পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করতে হবে। কোথায় ও কীভাবে প্রসব হবে, সেটি জানবে। এর জন্য যে টাকা-পয়সা জোগাড় করা দরবার সেটিও পরিকল্পনার মধ্যে চলে আসবে। কারণ, চিকিৎসকের কাছে গেলে বা কেন্দ্রে গেলে টাকা লাগবে। ভর্তি হয়ে ডেলিভারি করাতে গেলেও টাকা প্রয়োজন। তাই আমরা প্রথম থেকেই টাকা জমাতে উপদেশ দিই।

আমি সূর্যের হাসিতে কাজ করার সময় ‘মায়ের ব্যাংক’ নামে একটি প্লাস্টিকের ব্যাংক তাদের দিতাম, টাকা জমাতে। এটি তারা প্রসবের সময় ব্যবহার করতে পারতো। এই সময় জন্ম পরিকল্পনা কার্ড তৈরি করেছিলাম। এই কার্ডের প্রথমে প্রসবকালীন খরচের বিষয়টি ছিলো।

এটি বলার কারণ, এই টাকা হাতে না থাকলে অনেক সময় পরিবারের লোকজন অনভিজ্ঞ দাই দিয়ে ডেলিভারি করায়। এর খারাপ দিক হলো, মায়ের কষ্ট হয়, ধাত্রী প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত না হওয়ার কারণে অনেক সময় মরা শিশু হতে দেখা যায়। এই জন্য টাকা সঞ্চয় করে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ব্যক্তির কাছে ডেলিভারি করাতে হবে। আমি পরামর্শ দেবো, গর্ভের প্রথম থেকেই এই পরিকল্পনা করতে।

এখানে আমার ব্যক্তিগত আরেকটি পরামর্শ থাকবে। আপনারা চিকিৎসকের কাছে গেলে স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে যাবেন। আমরা সাধারণত মনে করি, চেকআপের সময় পুরুষের থাকা লাগবে না। তবে স্বামী এখানে খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি ব্যক্তি। সম্পূর্ণ প্রসবের সময়টিতে তার বিরাট একটি ভূমিকা রয়েছে। সুতরাং যতবার চিকিৎসকের কাছে যাবেন, স্বামীকে সঙ্গে নেবেন।

চারটি অ্যান্টিনেটাল কেয়ারে আরো পরীক্ষা করা হয়। দেখা হয়, মায়ের ওজন বাড়ছে কি না, রক্তস্বল্পতা রয়েছে কি না, মায়ের উচ্চতা ঠিক কি না। আমরা জানি, মা খাটো হলে, তার জরায়ুও তেমন থাকে। এই ক্ষেত্রে বাধাগ্রস্ত প্রসব হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। শিশুটি গর্ভে বড় হচ্ছে ঠিকই, তবে মায়ের পেলভিস ছোট হলে, প্রসব হতে গিয়ে বাধাগ্রস্ত হয়। এতে মা ও শিশুর ক্ষতি বা মৃত্যু হতে পারে।

আরো দেখি, মায়ের রক্তচাপ। কোনো বিপদচিহ্ন রয়েছে কি না, সেগুলো সনাক্ত করি। টিটি টিকার দেওয়ার দরকার হলে, সেটি দিই। অন্যান্য প্রতিষেধক ব্যবস্থা নিতে হলে, সেটিও দেওয়া হয়। অ্যানিমিয়া থাকলে এর চিকিৎসা দিতে হবে। আর দ্বিতীয় ও তৃতীয় ভিজিটে আমরা দেখি, বাচ্চার স্পন্দন। সে নড়াচড়া ঠিকমতো করছে কি না।

অনেক সময় হেমোরেজ বা অতিরিক্ত রক্তস্রাব হয়ে মা মারা যায়। প্রায় ৩০ শতাংশ মায়ের মৃত্যুর কারণ, ব্লিডিং হওয়া। তাই আগে থেকে ব্লাড ডোনার ঠিক করে রাখতে হবে।

অনেক সময় আপনারা শুনেছেন একলামসিয়া বা খিঁচুনি হয়। রক্তচাপ বেশি থাকলে, পায়ে পানি আসলে এ ধরনের জটিলতা হতে দেখা যায়। এসব জটিলতা এড়াতে ব্যবস্থা নিতে হবে। এগুলো প্রতিরোধ করা না গেলে লেবার পেইন হলে খিঁচুনি হতে পারে। এই ক্ষেত্রে গর্ভের শিশুর মৃত্যুর আশঙ্কা থাকে, আর মায়ের তো থাকেই।

চতুর্থ ভিজিটটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা এখনো বিভিন্ন সমীক্ষায় দেখি, আমাদের সব মা এই চারটি ভিজিট নিতে আসে না। এই অ্যান্টিনেটাল চেকআপের উদ্দেশ্য হলো জটিলতা হওয়ার আগেই যেন চেকআপ নেওয়া যায়।

আরো কয়েকটি জরুরি বিষয়

অনেক সময় হয়তো প্রসবের সময় মাকে ক্লিনিকে নেওয়া সম্ভব হলো না, হঠাৎ করে ডেলিভারির জন্য কাউকে বাড়িতে ডাকতে হলো- এ ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে আপনার নাগালের মধ্যে রয়েছে এমন কোনো প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে ঠিক করে রাখতে হবে। এমন ব্যক্তিকে ঠিক করবেন, যাকে ডাকলে পাওয়া যায়। সেই ব্যক্তির নাম, ফোন নম্বর, ঠিকানা আগে থেকেই রেখে দিতে হবে। সব জায়গাতো আর শহর নয়, অনেক সময় হয়তো নৌকায় আসতে হবে, যানবাহন পাওয়ার জটিলতা রয়েছে। তাই আগে থেকে প্রসব পরিকল্পনা করতে হবে। জন্ম পরিকল্পনার ক্ষেত্রে এগুলো বিরাট অংশ।

আরেকটি বিষয় হলো, লেবার পেইন উঠলে কীভাবে হাসপাতাল বা ক্লিনিকে যাবেন। অ্যাম্বুলেন্সে যাবেন? না কি অন্য কোনো যানবাহনে যাবেন- এগুলো ঠিক করে রাখতে হবে। এই পরিকল্পনাও আগে থেকে করবেন।

এ ছাড়া পরিচিত কোনো মানুষকে আপনার সঙ্গে সেবাকেন্দ্রে যাওয়ার জন্য আগে থেকে বলে রাখতে হবে, যেন কোনো সমস্যা হলে তাকে ডাকা যায়।

আরেকটি খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলতে চাই, সেবাদানকারীদের জন্য। একজন মায়ের প্রসবের সময় হয়ে আসলে, এর তিন থেকে চারদিন আগে তাকে মনে করিয়ে দিতে হবে, ‘আপনি অমুক তারিখে আসবেন’। বিদেশে কাজ করার সময় আমি দেখেছি, তারা ফোন, ম্যাসেজ বা ইমেলেইর মাধ্যমে মনে করিয়ে দেয়। আমার অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি, এই বিষয়টি ভীষণ কাজে লাগে। একজন মাকে ফোন করে বলা হলে, সে ভীষণ খুশি হয়। তার অ্যান্টিনেটাল চেকআপ বাদ যায় না।

পরিশেষে এটাই বলবো, একজন মায়ের সুরক্ষা ও নিরাপদ মাতৃত্বের জন্য গর্ভাবস্থায় চারটি চেকআপ অবশ্যই নিতে হবে। এতে ডেলিভারি সুন্দর হবে এবং একজন মা সুস্থ শিশু নিয়ে সেবাকেন্দ্র থেকে বাড়ি ফিরতে পারবে।

লেখক : রোকেয়া পদকে ভূষিত বিশিষ্ট নারী ও প্রজনন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ

চিনি কি বন্ধ্যত্বের জটিলতা বাড়ায় ?

রফিক-উল-আলম

বন্ধ্যত্ব ও গর্ভাবস্থায় চিনি খেলে তেমন ক্ষতি হয় না; বরং চিনি খাওয়া ভালো। এ ধরনের একটি শ্রুতি ও ভ্রান্ত ধারণা অনেকের ভেতরেই প্রচলিত।

তবে সঠিক বিষয়টি হচ্ছে-

১. সন্তান নেওয়ার চেষ্টাকালে রিফাইন্ড (পরিশোধিত) চিনি ব্লাড সুগার বাড়িয়ে গর্ভকালীন ডায়াবেটিসের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

২. চিনি ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স হিসেবে কাজ করে। এতে বন্ধ্যত্বের একটি বড় কারণ পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম (PCOS) নিয়ন্ত্রণে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়।

৩. চিনি প্রি-একলামশিয়ার ঝুঁকি বাড়ায় (একলামশিয়া হলো অন্তঃসত্ত্বা নারীর এমন এক রোগ, যেখানে রক্তচাপ বেড়ে যায় এবং খিঁচুনি হয়। প্রি-একলামশিয়া হলো একলামশিয়ার আগের অবস্থা)

৪. চিনির কারণে রক্তে সুগারের মাত্রা বেড়ে গর্ভকালীন শিশুর জন্মগত ত্রুটি ( birth defects) হতে পারে।

তাই পিসিওএস রোগীদের চিনি খাওয়ার বিষয়ে সতর্ক থাকা জরুরি। এ ছাড়া সন্তান নেওয়ার চেষ্টাকালে ও গর্ভকালে রিফাইন্ড চিনিসহ সব ধরনের মিষ্টান্ন গ্রহণের বিষয়ে সচেতন থাকা প্রয়োজন। সার্বিক অবস্থা বিবেচনায় স্বল্পমাত্রায় প্রাকৃতিক লাল চিনি বা মাঝেমধ্যে সামান্য মিষ্টান্ন খাওয়া যেতে পারে।

লেখক : ইনফার্টিলিটি ও আইভিএফ কাউন্সেলর
ইমপালস হাসপাতাল, ঢাকা
ফোন: +৮৮০১৬৮৪৩৪২৪৪৯
#FertilityHelpline

রঙ বাংলাদেশ- এর দুরন্ত বর্ষায় উড়ন্ত অফার

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

ঋতু পরিবর্তন আমাদের প্রকৃতিতে সব সময়েই এক অপরূপ বৈচিত্র্যময় ঘটনা। ঋতু পরিবর্তনের কারণে আমরা সারাবছরই প্রকৃতির এক এক সৌন্দর্যকে উপভোগ করি।

বাংলা মাসের আষাঢ় ও শ্রাবণ বর্ষাকাল। বর্ষায় প্রকৃতি যেনো নতুন করে প্রাণ ফিরে পায়। কখনো মুষলধারায় বৃষ্টি, আবার কখনো রোদের সঙ্গে মেঘের দুরন্তপনায় প্রকৃতির এই খেলা ঋতু বদলের এক বৈচিত্র্যময় আখ্যান। বাংলাদেশের অন্যতম ঋতু বর্ষা আমাদের জীবনযাপনের সঙ্গেও ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এই ঋতু গান-কবিতা-ছবিসহ নন্দনকলার সব শাখার মত ফ্যাশনশিল্পেও প্রভাব ফেলে ভালোমতোই।

রঙ বাংলাদেশ- এর দুরন্ত বর্ষায় উড়ন্ত অফার
রঙ বাংলাদেশ- এর দুরন্ত বর্ষায় উড়ন্ত অফার

দেশীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে পোশাকশিল্পে উজ্জীবিত করার লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে দেশের অন্যতম ফ্যাশন ব্র্যান্ড ‘রঙ বাংলাদেশ’। সারা বছরই দেশের অন্যতম ব্র্যান্ড রঙ বাংলাদেশ ক্রেতার সন্তুষ্টির জন্যে নানা ধরনের আয়োজন করে। এই জন্যেই এই সময়ে বর্ষার সংগ্রহও হয়েছে স্বতন্ত্র। এর ওপর বর্ষার এই দুরন্ত সময়ে নিয়ে এসেছে ‘দুরন্ত বর্ষায় উড়ন্ত অফার’, নির্দিষ্ট আউটলেট ও অনলাইনে বাছাই পণ্যে ৫০% পর্যন্ত মূল্যছাড়।

ছবি : রঙ বাংলাদেশ
ছবি : রঙ বাংলাদেশ

এই আয়োজনে রয়েছে আকর্ষণীয় ডিজাইন ও ইউনিক থিমের শাড়ি, সালোয়ার–কামিজ, সিঙ্গেল কামিজ, গাউন, আনস্টিচ ড্রেস, স্কার্ট, ওড়না, পাঞ্জাবি, পায়জামা, টিশার্ট, শার্ট, ফতুয়া, কাতুয়া, গহনা ও এক্সেসরিজসহ আরো সামগ্রী। বাবা-ছেলে, মা-মেয়ের ম্যাচিং পোশাক, কাপল প্যাকেজ আর পরিবারের সবার জন্য একই ডিজাইনের ফ্যামিলি প্যাকেজও রয়েছে এই আয়োজনে।

ছবি : রঙ বাংলাদেশ
ছবি : রঙ বাংলাদেশ

ঢাকার সীমান্ত স্কয়ার, মোহাম্মদপুর, যমুনা ফিউচার পার্ক, ওয়ারি ও নারায়ণগঞ্জ এবং দেশীদশ-বসুন্ধরা সিটি, সিলেট ও চট্টগ্রাম রঙ বাংলাদেশ-এর আউটলেটে চলছে ‘দুরন্ত বর্ষায় উড়ন্ত অফার’।

ঘরে বসে নিঝঞ্ঝাটভাবে অর্ডার করতে ভিজিট করুন www.rang-bd.com এবং রঙ বাংলাদেশ-এর অফিশিয়াল ভ্যারিফাইড ফেসবুক পেজ www.facebook.com/rangbangladesh -এ। সারাদেশের যেকোনাে প্রান্তে অনলাইন অর্ডারে থাকছে ক্যাশ অনসহ হোম ডেলিভারির সুবিধা। যেকোনো প্রয়োজনে ফোন / হোয়াটসঅ্যাপে রয়েছে সাহায্যকারী 01777744344 ও 01799998877 নম্বরে।

- Advertisement -
সাতকাহন
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.